

ভারতের উত্তর প্রদেশে ঘন কুয়াশার কারণে একের পর এক যানবাহনের সংঘর্ষে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত চারজনের প্রাণহানি হয়েছে এবং আরও ২৫ জন আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোরে মথুরা জেলার দিল্লি–আগ্রা এক্সপ্রেসওয়েতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কম থাকায় সাতটি বাস ও তিনটি ব্যক্তিগত গাড়ি পরপর একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়।দুর্ঘটনার পর কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।মথুরার সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসএসপি) শ্লোক কুমার জানান, ঘন কুয়াশার কারণে চালকদের সামনে দেখা সীমিত হয়ে যাওয়ায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের প্রভাবেই কয়েকটি যানবাহনে আগুন লেগে যায় বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় আহত ২৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। আহত ও নিরাপদ যাত্রীদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এসএসপি শ্লোক কুমার বলেন, উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো সরিয়ে দ্রুত সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ
বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আজ শুক্রবার সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকার
উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে। সারাদেশে শোকের আবহ বিরাজ করছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ সিঙ্গাপুরের
চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়
দুপুর ২টা ৩ মিনিটে) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা
করে। ফ্লাইটটি আজ সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ আজ
বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে সিঙ্গাপুর ত্যাগ করেছে এবং শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ
নিয়ে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বাড্ডা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক অফিসে
গুলির ঘটনা ঘটেছে।
আজ
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
এনসিপির
মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহাবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
বলেন, বুধবার সকালে ৩৮নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমাদের একটি সাংগঠনিক অফিসে গুলির ঘটনা ঘটছে।
কে বা কারা করছে জানা যায়নি। অফিসে থাকা ব্যানার, পেস্টুন, আহ্বায়কের ছবিও ভাঙচুর করা
হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনা তদন্ত করছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি সংশ্লিষ্ট মন্তব্যটি করেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন যে কারাবন্দি অবস্থায় খালেদা জিয়াকে সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। তার ভাষায়, “আল্লাহ যেন ওই জিনিসটা (শেখ হাসিনার ফাঁসি) বেগম খালেদা জিয়াকে দেখায়, যার কারণে তার আজকে এই পরিণতি হয়েছে। জেলের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা দিতে দেওয়া হয়নি; কোনো ডাক্তার চিকিৎসা করতে গেলে তাকেও হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে। এতে ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক মত-পথের মানুষের কাছ থেকেও খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করা হচ্ছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার ফাঁসি যেন দেখে যেতে পারেন—সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।”
এদিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া। ফুসফুসে সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর তার নিউমোনিয়া শনাক্ত হয়। পাশাপাশি কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস এবং ডায়াবেটিসসহ দীর্ঘদিনের অসুস্থতাগুলো তার চিকিৎসাকে আরও জটিল করে তুলেছে, কারণ একটি রোগের চিকিৎসায় অন্যটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতিতে উদ্বেগ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনও তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেনের পাঠানো এক বার্তায় শনিবার এ প্রার্থনা জানানো হয়।
এর আগে, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চান। তিনি নিয়মিত তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশও দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রূপান্তরের এই সময়ে খালেদা জিয়া জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, এবং তার সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া। সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর তিনি ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার কারণে আবারো হাসপাতালে ভর্তি হন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সিসিইউতে তার চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেলে সেনাসদরে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে ।
এ সরকারে ১৫ জন সদস্য থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, সংকট কাটিয়ে দেশে আমরা একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করব। সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের সঙ্গে আছে এবং থাকবে। কেউ গুজবে কান দেবেন না।
এসময় তিনি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের কাজের প্রশংসা করেন এবং ছাত্রদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ সব ইতিবাচক কাজ অব্যাহত রাখারও অনুরোধ জানান।
এছাড়া সেনাপ্রধান বলেন, পুলিশ সক্রিয় হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। পরিস্থিতি দিনদিন উন্নতি হচ্ছে, আশা করছি দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
মন্তব্য করুন


আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসকে ঘিরে কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর ) বুধবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মহান বিজয় দিবস-২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ঘিরে দেশে কোনো অস্থিরতা নেই।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে কোনো রকম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়নি। বিজয় দিবসকে ঘিরেও কোনো অস্থিরতার সম্ভাবনা নেই।
তিনি বলেন, বিজয় দিবসের কর্মসূচিতে কোনো পরিবর্তন নেই। আগে যেভাবে সব কর্মসূচি হয়েছে, এবারও সেভাবে হবে। বরং আরো বেশি হবে। তবে গতবারের ন্যায় এবারও প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে না।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হতে যাচ্ছে ।
বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে। আর ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ময়দানের প্রস্তুতির কাজ।
মুসলমানদের বৃহত্তম এই সম্মেলন সুষ্ঠু, সুন্দর করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বছর দুইপর্বে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম পর্ব হবে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয় পর্ব হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি।
টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের সম্পূর্ণ মাঠ ইতোমধ্যেই খুঁটি বসানো শেষ হয়েছে। নামাজে দাগ কাটাও প্রায় শেষের দিকে। বিভিন্ন খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে ময়দানটি। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম পাশের সামিয়ানা টাঙানোর কাজ প্রায় শেষ। মাইকের জন্য বৈদ্যুতিক তার স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে। তুরাগ তীরের প্রায় ১৬০ একর জমি বিস্তৃত ইজতেমা ময়দানে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসুল্লিরা এসে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন। স্বেচ্ছাশ্রমে এরই মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করেছে মুসুল্লিরা। প্রতি বছরের মতো ইজতেমার নিরাপত্তায় আশপাশে সিসি টিভি বসানোসহ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠের ভেতর ও বাইরে কাজ করবেন।
মুসুল্লিরা বলছেন, বিশ্বের লাখ লাখ দেশি-বিদেশি মেহমান আসবে ইজতেমা ময়দানে। তাদের থাকা-খাওয়া ও বসার জন্য তারা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন।
জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন মিয়া বলেন, অন্যান্য বছরের মতো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইজতেমা করার জন্য প্রয়োজনীয় টয়লেট, পানি সরবরাহ এবং ওজু-গোসলের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইজতেমা সফল করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, দপ্তরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলছেন, নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ইজতেমা আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ‘জ্বীনের বাদশা’ পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটক এনামুল হককে সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকালে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় বোয়াইলভীর এলাকায় স্থানীয়রা তাকে ধরে পুলিশকে খবর দিলে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
আটক এনামুল হক ওই এলাকার মৃত আবদার আলীর ছেলে। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এনামুল ‘জ্বীনের বাদশা’ সেজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিলেন। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকাবাসী রোববার তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে প্রতারণা ও আত্মসাতের অভিযোগে (দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারা) মামলার পর এনামুলকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ফুলবাড়ী থানার ওসি শওকত আলী সরকার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একট পিতলের মূর্তি সহ এনামুলকে আটক করা হয়। সোমবার তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
মন্তব্য করুন


স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি
অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএফ) জানিয়েছে, গত ৩৮ দিনে দেশে বজ্রপাতে
৩৫ জন কৃষকসহ অন্তত ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সংগঠনটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল
মাসে বজ্রপাতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে নারী ১১ জন এবং পুরুষ ২০ জন। চলতি
মাসের ১ থেকে ৮ মে পর্যন্ত বজ্রপাতে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন নারী
এবং ৩৪ জন পুরুষ।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) প্রকাশিত এসএসটিএফের
গবেষণা সেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসে একদিনে বজ্রপাতে ১১ জন নিহত ও ৯ জন
আহত হয়েছে। বজ্রপাতের ক্ষেত্রে কৃষকরা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন- সে বিষয়েও
আলোকপাত করা হয়েছে।
সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান,
মানিকগঞ্জের সিংগাইর, ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শন করেছেন সংগঠনটির
সদস্যরা। এ সময় ৫০০ জন করে কৃষক নিয়ে দল তৈরি করে বজ্রপাত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা
করেছেন।
এসএসটিএফের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা
বজ্রপাতের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি
অনুরোধ জানান।
এ ছাড়াও মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ৪ মাস
বজ্রপাত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি কিছু পরামর্শও দিয়েছে কৃষকদের
জন্য। সেগুলো হলো:
*মাঠে কাজ করার সময় আকাশে কালো মেঘ
দেখে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া।
*বৃষ্টির সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া
থেকে বিরত থাকা।
*খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় জুতা
পরতে হবে।
*বজ্রপাতের সময় মাঠে কাজ করার সময়
শুয়ে পড়ুন।
ফোরামের সভাপতি ড. কবিরুল বাশার জানান,
বজ্রপাত বাড়ার পেছনে দুটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান
প্রভাব এবং বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে গাছ কাটা, বিশেষ করে মাঠের উঁচু গাছ কাটা। গাছপালা
না থাকলে খোলা স্থানে বা মাঠে মানুষের ওপর আঘাত হানে বজ্রপাত। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন
ঝড়ের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াই ভালো। কিন্তু এটা ঠিক না। ঘরবাড়ি বা স্থাপনায়
আশ্রয় নিতে হবে মানুষকে।
মন্তব্য করুন


খুলনায় চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মো. রিপন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তাকে গত সোমবার রাতে নগরীর রূপসার চাঁনমারী এলাকার চর স্কুল গলিতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রিপনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তবে মামলা দায়ের হলে তাকে সম্পৃক্ত করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের মধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও ওসি জানান। এর আগে গত রোববার দুপুরে খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান গেটের সামনের জনাকীর্ণ সড়কে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় ফজলে রাব্বি রাজন ও হাসিব হাওলাদারকে। নিহতরা খুলনার অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী পলাশ বাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই জোড়া হত্যার সঙ্গে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী রনি চৌধুরী বাবু ওরফে গ্রেনেড বাবুর সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার পর মাদক ব্যবসা নিয়ে কোন্দল ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ চারটি কারণ সামনে রেখে তদন্ত চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত
মন্ত্রণালয়। গণভবনের পাশেই নির্মাণ করা হবে এই বাসভবন। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ
শুরু করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত মতামত নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন’ তৈরির কাজ শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।
তবে
সেটি তৈরি হতেও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। সে সময় পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
‘যমুনা’ অথবা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবনকে প্রধানমন্ত্রীর
বাসস্থান হিসেবে নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। এটি নির্ভর করবে হবু প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের
ওপর। তিনি চাইলে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে লাগোয়া ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকেও যুক্ত
করে দেওয়া হবে।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পরই শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর
বাসভবন হিসেবে শেরেবাংলানগরের ‘গণভবন’ নির্ধারিত ছিল। জুলাই অভ্যুত্থানের
পর সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’
হিসেবে তৈরির উদ্যোগ নেয় এবং জাদুঘর তৈরির কাজ এখন শেষের পথে।
প্রধানমন্ত্রীর
নতুন বাসভবন যে এলাকায় নির্মিত হচ্ছে, তাতে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের নকশায় কোনো ব্যত্যয়
হবে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা
এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন