

নাটোরে ঘন কুয়াশার কারণে একসঙ্গে ৬ ট্রাকের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন ট্রাকচালক নিহত ও সাতজন আহত হয়েছে। এছাড়াও সদর উপজেলায় ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে অজ্ঞাতনামা এক নারী নিহত হয়েছেন।
আজ সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৬টার দিকে সদর উপজেলার নওপাড়া ডালসড়ক এলাকায় নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের জুটমিলের সামনে একসঙ্গে ছয়টি ট্রাকের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এরপর মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ট্রাকচালক হলেন- মো. হুসাইন (৩৫)। তিনি ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নিত্যানন্দ গ্রামের সিদ্দিক বিশ্বাসের ছেলে। অপর দিকে নিহত নারীর বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। তার নাম পরিচয় জানা যায়নি।
নাটোর সড়ক বিভাগ বলছে, সড়কের ওপর দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকগুলো সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে বনপাড়া থেকে রেকার আনা হচ্ছে। রেকার পৌঁছালে ট্রাক সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।
ঝলমলিয়া হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (পরিদর্শক) মো. মাহাবুর রহমান জানান, সোমবার সকালে ঘন কুয়াশা থাকায় কম দূরত্বের বস্তুও দেখা যাচ্ছিল না। নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের জুটমিলের সামনে প্রথমে বিপরীতমুখী দুইটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এরপর একে একে ছয়টি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে এক ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এসময় আহত হন অন্তত সাতজন। এসময় পাঁচটি ট্রাক দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর এ মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনের চেষ্টা চলছে। আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা চলছে। অনেকগুলো ট্রাক একসঙ্গে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে, তাই এসব সরাতে সময় লাগবে। যত দ্রুত সম্ভব এসব ট্রাক সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
অপরদিকে পবা হাইওয়ে থানার উপ-পরির্শক (এসআই) মো. ফিরোজ হোসেন জানান, সকালে নাটোর সদর উপজেলার চাঁদপুর এলাকায় নাটোর-রাজশাহী সড়কে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার
আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মো. আমিনুল ইসলামের (৪৮) মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার
(১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নামাজের জন্য মুসল্লিদের
আহ্বান জানাতে গিয়ে তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মো. আমিনুল ইসলাম উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি
এলাকার প্রয়াত শামসুল আলমের ছেলে। তিনি দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি
পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
এছাড়া
তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসার
প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার এবং
সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তার অবদান স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিতে দাঁড়ান। আজান দেওয়ার
একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা
করার চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান বলে জানা যায়।
তার
আকস্মিক মৃত্যুতে স্থানীয় মুসল্লি, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের
সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রকাশ
করছেন। পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মন্তব্য করুন


বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর টাস্কফোর্স অভিযানে অবৈধভাবে আমদানিকৃত ভারতীয় বাসমতি চাউলসহ একটি ট্রাক আটক করা হয়েছে। আটককৃত পণ্যের মোট মূল্য প্রায় ৪৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৫০ টাকা।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ (২৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১১টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী বাজার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ রেফাঈ আবিদের উপস্থিতিতে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স মালিকবিহীন একটি ট্রাক থেকে ৭,৬৫৯ কেজি অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করে।
বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত চাউল ও ট্রাক সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিজিবি তাদের দায়িত্বশীল এলাকায় চোরাচালান রোধে নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৪৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৮ সেপ্টেম্বর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
ময়নামতি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ মনিরুজ্জামান মনির এবং
২। মোঃ সজিব (২৭) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ
থেকে ৩৪৭ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনিরুজ্জামান
মনির (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মোঃ মানিক মিয়া এর ছেলে
এবং ২। মোঃ সজিব (২৭) একই গ্রামের মোঃ নুরু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কাভার্ড ভ্যান যোগে দেশের
বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৪৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ১,৯২৫
পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ভোরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন সুয়াগাজী বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী আশরাফ আলী শাহিন ও সবুর উল্লাহ নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩৪৮ বোতল
ফেন্সিডিল, ১,৯২৫ পিস ইয়াবা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আশরাফ আলী শাহিন
(২০) চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার মাইজপাড়া গ্রামের জাফর আলম এর ছেলে এবং ২। সবুর
উল্লাহ (৪৫) একই জেলার সাতকানিয়া থানার আফজালনগর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবিস্ফোরিত ৫টি ককটেল র্যাব উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর ২০২৩ইং) দিনগত গভীর রাতে সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের কুথানি পাড়া এলাকা থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৮ নভেম্বর ২০২৩ইং) বেলা ১১টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মারুফুল এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়ানের কুথানীপাড়া এলাকায় সিমেন্টের একটি ব্যাগে বেশ কয়েকটি ককটেল পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে অবিস্ফোরিত ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়। রাজশাহী থেকে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়। তারা ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হরতাল-অবরোধকে কেন্দ্র করে এলাকা অস্থিতিশীল করতে ককটেলগুলো মজুত করেছিল। ককটেল মজুতকারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ নৌবাহিনী ফেনীর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় অসামরিক প্রশাসনকে সাহায্য করতে কাজ করছে । স্মরণকালের এই ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার করে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হচ্ছে।
গতকাল থেকে শুরু হওয়া উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে আজ
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুটি নৌ কন্টিনজেন্ট যোগ দিয়েছে এবং আরো দুটি কন্টিনজেন্ট
ফেনীর উদ্দেশে গমন করবে।
উদ্ধারের পাশাপাশি অসহায়, গরিব ও
দুস্থ মানুষের মাঝে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ, খাবার স্যালাইনসহ মানবিক সহায়তা প্রদান করা
হচ্ছে। সেই সঙ্গে পানিবন্দি মানুষের জন্য শুকনা খাবার ও রান্না করা খাবার সরবরাহ
করা হচ্ছে।
আইএসপিআর জানায়, নৌবাহিনীর ১৩ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় উদ্ধার সামগ্রী,
বোট, লাইফ জ্যাকেট, ডুবুরিসহ প্রায় দুই শতাধিক নৌ সদস্য উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা
করছেন।
এ ছাড়া প্রায় ১৫ হাজার মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী বোঝাই ট্রাক
ফেনীর উদ্দেশে রওনা করেছে।
বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নৌবাহিনীর এই উদ্ধার
কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবা ও ত্রাণ সহায়তা চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম :
অবৈধ্য অনুপ্রবেশের
দায়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ৮ বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ
(বিজিবি) সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল মঙ্গলাবার ভোররাতে মোল্লার চর সীমান্তের পিলার
১০৬১-৩ এস এর ফকিরপাড়া এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
বিজিবির নায়েক সুবেদার
মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, বাগেরহাট
জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার মধ্য বরিশাল গ্রামের মৃত আক্কেল আলী হাওলাদারের ছেলে চাঁন মিয়া
(৫৮), একই উপজেলার সন্ন্যাসী গ্রামের মৃত হাশেম মল্লিকের ছেলে জামাল মল্লিক (৬০), হুগতপাতি
গ্রামের বারেক সিকদারের ছেলে জাকারিয়া শিকদার (১৮), পলিটিক্স গ্রামের আব্দুর রশিদের
ছেলে রেজাউল শিকদার (২০), গাবতলা গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৪৩),
শরনখোলা উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে রাসেল (৩২), কুড়িগ্রাম
জেলার রৌমারী উপজেলার খাটিয়ামারী গ্রামের সোবহান হোসেনের ছেলে ফরহাদ (৩৫), খাটিয়ামারী
গ্রামের মৃত আলহাজ নঈম উদ্দিনের ছেলে জাকিরুল
হক (৪৫)।
বিজিবি ও স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস আগে কাজের সন্ধানে দালালদের মাধমে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে
অবৈধ ভাবে ভারতে শ্রমিক ও টোকাইয়ের কাজের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
মোল্লারচর বিওপি ক্যাম্প
কমান্ডার নায়েক সুবেদার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভোররাতে টহলরত অবস্থায় ভারত থেকে অবৈধ
ভাবে অনু প্রবেশের দায়ে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পাই
তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। এঘটনার পর সীমান্তে আরো টহলজোরদার করা হয়েছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মামুনুর রশিদ বলেন, বিজিবি কর্তৃক সীমান্তে ৮ জন বাংলাদেশীকে আটকের বিষয়ে বিজিবি আমাদের এখনো জানায়নি’ তবে আমরা আটকের বিষয়ে শুনেছি।
মন্তব্য করুন


সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের মোঃ বশির শেখ (৩৮) নামে এক সদস্যকে অস্ত্র, গাড়ি সহ আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত দুইটার দিকে শ্যামনগর -কালিগঞ্জ রোডের জাহাজঘাটা নামক স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তি খুলনা জেলার রুপসা উপজেলার জাবুসা গ্রামের মোঃ হোসেন আলী শেখের পুত্র।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার নেতৃত্বে ৫/৬ জন সদস্যর ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্ততির কালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য মোঃ বশির শেখকে একটি মিনি ট্রাক সহ আটক করা হয়েছে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
আটককৃত ব্যক্তির নিকট ও নম্বর বিহীন একটি মিনি ট্রাক তল্লাসি করে ২টি বড় হাসুয়া, ১টি বড় কাতারি, ১টি শাবল, ৫টি বাঁশের লাঠি, ১টি লোহার রড, ৩টি হাতুড়ী, ১টি লোহার পাইপ, ৯টি সেলাই রেঞ্জ, ৩টি ছোট-বড় প্লাস, ১টি ছোট কাতারী, ১টি কাঁচি, ৩টি স্ক্রু ড্রাইভার, ৮টি রিং রেঞ্জ, ৩টি টর্চ লাইট, ১৬টি ডাল রেঞ্জ, ৯টি কস টেপ, ৬০ ফিট লম্বা রশি, গাড়ীর নম্বর প্লেট দুটি ও ১টি মিনি ট্রাক জব্দ করা হয়।
জানা যায়, ডাকাত দলের সদস্যকে আটক করার সময় নিজেই ট্রাকের চালক সেজে পুলিশের গাড়ীকে খাদে ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। তার নামে বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, রাহাজানি সহ অন্যান্য ১৪টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর(দিনাজপুর):
সারাদিনের মধ্যে ভাপা পিঠার প্রয়োজনীয় সব কিছু জোগাড় করে বিকেল থেকে দিনের আলোয় কাজ করছেন মমতাজ বেগম। আর সন্ধ্যা নামতেই কৃত্রিম আলো জ্বালানো হলে পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। পিঠার দোকানের কাছেই ক্রেতারা অপেক্ষা করছেন। দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকায় এভাবে গরম চুলোয় পিঠা তৈরি করে বিক্রয় করতে দেখা যায়।
দেশের উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি জেলায় শীতের প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে। শীতের আগমনী বার্তা পেয়ে পিঠা বিক্রেতাদের
পরিবারে সুখের দিন ফিরে আসে। ভোররাত
থেকে কুয়াশার সঙ্গে কিছুটা শীত এবং বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যার আগে শীত অনুভব করা যায়। তারপরও শীতের এই আমেজকে ভিন্ন মাত্রা এনে দেয় পিঠা। পিঠা বাঙালি সংস্কৃতির এক অংশ। শীতের সকাল ও সন্ধ্যায় পিঠা খাওয়া গ্রামের চিরায়ত দৃশ্য হলেও এমন দৃশ্য পৌরশহরে চোখে পড়ে। ব্যস্ত শহুরে জীবনে ঘরে পিঠা তৈরি করা কষ্টসাধ্য হলেও রাস্তার পাশে ও মোড়ের দোকানে পিঠা পাওয়া যায়। তাই শীত মৌসুমে পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় পিঠার দোকান গড়ে ওঠে।
এ বছরও শীতকে ঘিরে পৌরশহরে মৌসুমি পিঠা বিক্রেতাদের প্রস্তুতির কমতি নেই। দিনভর পিঠার আটাসহ অন্যান্য উপকরণ তারা তৈরি করেন। আর বিকেল হলেই রাস্তার গুরুত্বপূর্ণ
স্থানে হরেক রকমের পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। রাত ১০টা পর্যন্ত সেই পিঠা বিক্রি চলে। আর পিঠা বিক্রির আয়েই এসব খেটে খাওয়া মানুষের সংসার চলে। বলা যায়, শীত মৌসুমে তিন মাস পিঠা বিক্রি করেই তারা উপার্জন করে থাকেন।
বিরামপুর উপজেলার, কলাবাগান মোড়, হাসপাতাল মোড় , মহাসড়কের পাশে মুক্তিযোদ্ধা
কমপ্লেক্স এর পশ্চিমে,অবসর সিনেমা মোড়, পশু হাটের মোড়, থানার রাস্তার মোড়সহ পূর্ব পাড়া,ইসলাম পাড়ার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন অলিতে গলিতে বিকেল থেকেই পিঠা বিক্রেতারা রাস্তার গুরুত্বপূর্ণ
স্থানে অবস্থান করেন। কেউ ভ্যানে করে আবার কেউ নির্দিষ্ট স্থানেই শীত মৌসুমে পিঠা বিক্রি করেন। পরিবারের কাজকর্ম শেষ করে বেশিরভাগ অসহায় দরিদ্র পরিবারের নারীরা এ পেশায় ব্যাস্ত হয়ে পড়েন।পিঠা বিক্রির টাকায় এ স্বল্প আয়ের মানুষগুলোর সংসার চলে। শীত শেষ হলে অনেকে অটোরিকশা চালানো কিংবা অন্য কোনো দিন মজুরির কাজে যুক্ত হয়ে পড়েন।
স্বামী সন্তান সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় পিঠা বিক্রি করছেন জাহানারা ।এসব নারীদের কারোর স্বামী নেই আবার স্বামী থাকলেও অসুস্থ। তাই সংসার চালাতে শীত মৌসুমে পিঠা বিক্রি করছেন। এসব দোকানে শীতের বিভিন্ন প্রকারের পিঠা দেখা যায়। এর মধ্যে ভাপা আর চিতই পিঠার দোকানই বেশি চোখে পড়ে। এর পাশাপাশি সিদ্ধ ডিম,পিঁয়াজু,পাটিশপটা,মুগের ডালের পাঁপড় ভাজা, তেল পিঠাসহ হরেকরকম পিঠার পসরা সাজিয়ে রেখেছেন।চিতই পিঠা খাওয়ার জন্য ভর্তা হিসেবে রয়েছে তিল,ঝাল, বাদাম ও ধনা পাতার এছাড়াও রয়েছে গুঁড়।
পৌরশহরে সন্ধ্যা নামতেই পিঠার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। অনেক সময় একজনের পক্ষে পিঠা তৈরি করে বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হয়। একাধিক চুলায় পিঠা তৈরি করেও ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ কঠিন হয়ে যায়। এ সময় পিঠা বিক্রেতা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে অনুরোধও করেন। অনেকে বাড়ির সদস্যদের জন্যও পিঠা নিয়ে যান। আর বেশিরভাগ ক্রেতাই গরম পিঠা খাওয়ার জন্য দাবি করেন বলে তাদেরকে অপেক্ষা করতে হয়। এসব পিঠার দোকানে রিকশাচালক থেকে শুরু করে দিনমজুর, শিশু-কিশোর, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী সব শ্রেণি-পেশার মানুষই আসেন।
পিঠা বিক্রেতারা জানান, চালসহ অন্যান্য দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি হলেও পিঠার দাম বাড়েনি।
কলাবাগান মোড়ের পিঠা বিক্রেতা নওশাদের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত একশ থেকে ১৫০টি পিঠা বিক্রি করা যায়। প্রতিদিন একইরকম বিক্রি হয় না। কোনোদিন একশটি পিঠাও বিক্রি করা কঠিনে হয়ে যায়। এখন তো সবখানেই পিঠা পাওয়া যায়।
পিঠার দামের বিষয়ে এ বিক্রেতা বললেন, সাধারণত ১০টাকা দামেই পিঠা বিক্রি করি। কেউ কেউ ২০ টাকার পিঠার কথা বললে সেটাও তৈরি করি। তবে ১০টাকার পিঠাই বেশি বিক্রি করি। দিনে এক থেকে দেড় হাজার টাকার পিঠা বিক্রি হলে পাঁচ থেকে সাতশ টাকা লাভ থাকে। কোনো কোনো দিন আবার পাঁচশ টাকাও হয় না।
কয়েকজন অটোরিকশা চালক পিঠা খেতে এসেছেন বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এর পশ্চিমে। পিঠার দোকানের সামনে তাদের সঙ্গে কথা হয়। অটোরিকশা চালক হারুন বলেন, সন্ধ্যা হলেই বাইরে বের হই আমরা। এখন শীতের সময় ভাড়া মারার ফাঁকে সময় করে পিঠা খেতে আসি। এছাড়াও জিনিস পত্রের যে দাম বাসায় তৈরি করে খাওয়ার তেমন সুযোগ হয়না তাই এই পিঠার দোকানই শেষ ভরসা। পিঠা ভালো লাগলে যে যার মতো করে আমরা পিঠা খাই। তারপরও বাড়িতে তৈরি পিঠার স্বাদ এখানে পাওয়া যায় না।
পরিবারের সাথে পিঠা কিনতে আসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী রোখসানা বলেন, গ্রামে বেড়াতে গেলে নানীর হাতের পিঠা খেতাম। কিন্তু শহরে সেই সুযোগ আর কোথায়। প্রায়ই বাবার সঙ্গে বাহিরে শীতের সময়ে পিঠা খাওয়া হয়।
বিরামপুর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মোশাররত জাহান এর সাথে মুঠোফোনে নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন নারীরা তো আর পিছিয়ে নেই। শীতকালে নিজ এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পিঠার দোকান দিয়ে তাঁরা আয় করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে যদি তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে আরও কোনো সুযোগ তৈরি করা যায়, তাহলে সেটি আরও ভালো হবে বলে তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা কর্তৃক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার ও মিয়াবাজার এলাকা হতে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ১২.৮ কেজি গাঁজা ও ১০৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৭ নভেম্বর শুক্রবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাতিশা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৯৯ বোতল স্কাফ, ৬০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২.৮ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মৃত সাচ্চু মিয়া এর ছেলে মোঃ ইমরান হোসেন (২৯) এবং একই গ্রামের মোঃ আব্দুল মান্নান এর ছেলে মোঃ ইসলাম (২৮)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ১৮ নভেম্বর শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মিয়াবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানার দৌলতপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক এর ছেলে মোঃ রনি (৩০) এবং একই থানার ধরপদ (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কাফ, ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন