

গাজীপুরের
কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে
পুলিশ।
শুক্রবার
(৮ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই মর্মান্তিক
ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার (৯ মে) সকালে ওই বাড়ি থেকে ফোরকানের স্ত্রী, তিন শিশুসন্তান ও
শ্যালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা
হলেন—ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া
(৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (২২)।
স্থানীয়রা
জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে পরিবারের সদস্যদের
‘শেষ করে দেওয়া হয়েছে’ বলে জানান।
ঘটনাস্থলে
দেখা যায়, ফোরকানের স্ত্রীকে জানালার সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। ঘরের
মেঝেতে পড়ে ছিল ২ থেকে ৫ বছর বয়সি তিন শিশুর গলাকাটা মরদেহ।
আর
খাটের ওপর ফোরকানের শ্যালকের গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়। বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়েছে
পুলিশ।
এ
ছাড়া বাড়ির ভেতরে যে তিনটি স্থানে মরদেহগুলো পড়ে ছিল, তার প্রতিটি জায়গাতেই মরদেহের
পাশে প্রিন্ট করা কাগজ পাওয়া গেছে। এসব কাগজের বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা না গেলেও
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সেগুলো কোনো মামলার নথিপত্র।
কালীগঞ্জ
সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে থেকে পাওয়া প্রিন্ট
করা কাগজ পড়ে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এই ঘটনার সঙ্গে ফোরকানও জড়িত। তা ছাড়া ঘরে
রান্না করা সেমাই, কোকাকোলা ও একটি মদের বোতল পাওয়া গেছে। খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক
ওষুধ মেশানো হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছি আমরা।’
চাঞ্চল্যকর
এ ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ
করছে।
উদ্ধার
হওয়া অভিযোগের কপিগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


জামালপুরের
মেলান্দহে ইঞ্জিনচালিত ট্রলি গাড়ি ও সিএনজিচালিত রিকশার (অটোরিকশা) মুখোমুখি সংঘর্ষে
অজ্ঞাত দুই নারী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও চার জন।
রোববার
(১৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বেতমারী তালতলা এলাকায়
দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা
গেছে, দেওয়ানগঞ্জ থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা জামালপুর শহরের দিকে রওনা দিয়ে
মেলান্দহ উপজেলার বেতমারী তালতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিকে একটি ইঞ্জিনচালিত দ্রুতগতির
ট্রলি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় গুরুতর
আহত হন অটোরিকশায় থাকা ৫ যাত্রী। পরে আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে
নেওয়া হলে অজ্ঞাত দুই নারী যাত্রীর মৃত্যু হয়।
আহতরা
হলেন- দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মজিবর রহমান (৫৫), জীবন মিয়া (৩৫) ও শফিকুল ইসলাম (৪০) ও
এনজিও কর্মী ফাতেমা আক্তার (৫২)।
জামালপুর
জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল কর্মকর্তা উজ্জল কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ৬ টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে নোয়াখালী পুলিশ লাইন, নোয়াখালী, বেগমগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৪ জন মুমূর্ষ রোগীকে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর ও ১৩ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ১৮৪০ কেজি ত্রান, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বন্যা কবলিত এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ টি ফিল্ড হাসপাতাল ও ১৮ টি মেডিকেল টিম বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
তন্মধ্যে, ফেনী জেলায় বন্যা কবলিত জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৮টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। শুধুমাত্র ফেনী জেলায় দ্রুত চিকিৎসা সেবা পেতে নিম্নোক্ত ফোন নম্বরসমূহে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হলো :
০১৫৫৭৭০৩৫৬৬, ০১৩২৯৭৬৮০৬৬, ০১৪০৭০৯৫০৩৬
দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা
ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে
দায়িত্ব পেয়েছেন মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম।
অন্যদিকে ডিজএফআই’র বর্তমান ডিজি মেজর
জেনারেল ফয়জুর রহমানকে লে. জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল করা
হয়েছে।
আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) ডিজিএফআই’র প্রধান পদে পরিবর্তন আনা হয়।
২৪ ইনফ্রেন্টি ডিভিশনের জিওসি মেজর
জেনারেল মাইনুর রহমানকে লে. জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে আর্টডক-এর জিওসির দায়িত্ব দেওয়া
হয়েছে। এ ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি পদে রদবদল করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় এ পর্যন্ত ২০২৪ সালের এইচএসসি ও সমমানের ৪ দিনের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাগুলো আগামী ১১ আগস্টের পর অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আগামী ২৮, ২৯ ও ৩১
জুলাই এবং ১ আগস্টের এইচএসসি
ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।স্থগিত হওয়া সব পরীক্ষা ১১
আগস্টের পর অনুষ্ঠিত হবে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় ৪ দিনের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের
ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খুলে এবার রেকর্ডসংখ্যক ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া
গেছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। বর্তমানে চলছে টাকার
গণনার কাজ। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে দানের পরিমাণ
দীর্ঘ
ছয় মাস পর আজ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ এরশাদুল আহমেদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
নাজমুস সাকিব। দানবাক্স থেকে বের করা টাকাগুলো প্রথমে বস্তায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয়
তলায় নেওয়া হয়। পরে মেঝেতে ঢেলে শুরু হয় দীর্ঘ সময়ের গণনা কার্যক্রম।
জেলা
প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, এবার দানবাক্সগুলো থেকে ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। রূপালী
ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসার ছাত্র ও মসজিদ কমিটির লোকজন মিলে টাকা গণনার
কাজ করছেন। গণনা শেষ হলে মোট টাকার পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে
নিরাপত্তা
ব্যবস্থার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব বলেন, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু
করে টাকা গণনা এবং তা ব্যাংকে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় কঠোর ও নিচ্ছিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
টাকা
গণনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে অংশ নিয়েছেন পাগলা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসার ১১০ জন ছাত্র,
আল- জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন শিক্ষার্থী, মসজিদের ৩৩ জন কর্মচারী, রূপালী
ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।
এর
আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তখন ৩ মাস
২৭ দিনে দানবাক্সে জমা হয়েছিল নগদ ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া বিপুল
পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এবং সোনা-রুপার গহনাও পাওয়া গিয়েছিল।
দানবাক্স
খোলার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবারের মতো এবারও মসজিদ প্রাঙ্গণে উৎসুক মানুষের ভিড়
জমে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মুসল্লিরা এখানে নিয়মিত নগদ অর্থ ছাড়াও হাঁস-মুরগি,
গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন সামগ্ৰী মানত হিসেবে দান করে থাকেন।
কিশোরগঞ্জের
হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমির ওপর অবস্থিত এই ঐতিহাসিক
পাগলা মসজিদ। মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্স পরিচালনার জন্য ৩১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি
রয়েছে। পদাধিকারবলে জেলা প্রশাসক এই কমিটির সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সাধারণ
সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি, আইনজীবী, সাংবাদিক
ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব
ইজতেমা-২০২৪ এর প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত চলাকালীন ময়দান ও আশপাশের সড়ক ও এলাকার
পরিবেশ ছিল শান্ত। সড়কগুলোতে যে যার মত বসে মোনাজাতে অংশ নেয় ।
দুই
হাত তুলে অনেকেই কেঁদেছেন, কেউ কেউ আল্লাহ আল্লাহ ধ্বনিও উচ্চারণ করেছেন। সবাই নিজেদের
সব গুনাহর জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। আর আমিন আমিন ধ্বনিতে শেষ হয় তবলিগ
জামাতের আন্তর্জাতিক সম্মেলন বিশ্ব ইজতেমার ১ম পর্বের আখেরি মোনাজাত। তারপর থেকে শুরু
হলো মুসল্লিদের বাড়ি ফেরার ঢল।
রোববার
(৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার পর মোনাজাত শেষে ময়দানের আশপাশের সড়কগুলোতে বেড়ে যায়
মুসুল্লিদের ভিড়।
টঙ্গী
সড়কের আব্দুল্লাহপুর, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর স্লুইসগেট ও কামারপাড়াসহ ময়দানের চারপাশে
সড়কে মুসুল্লিদের ঢল নেমেছে।
সড়কে
যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় পায়ে হেঁটে পথ চলাচল করছেন মুসল্লিরা। কারও পিঠে ব্যাগ, কারও
মাথায় বিছানাপত্র। যে যার মাল-সামান নিয়ে হাঁটতে শুরু করেছে।
ট্রাফিক
পুলিশ সদস্যরা মুসল্লিদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতেও কাজ করছেন।
এদিকে,
বিশ্ব ইজতেমা ও আখেরি মোনাজাত ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা
রয়েছে। র্যাব, পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), গোয়েন্দা
পুলিশসহ (ডিবি) বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।
নিরাপত্তার
স্বার্থে ময়দান ও আশপাশের নজরদারি রাখতে মোড়ে মোড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। এছাড়াও
র্যাবের হেলিকপ্টার দিয়ে টহল দেওয়া হয় ইজতেমার ময়দানসহ আশপাশের এলাকায়।
মোনাজাত
শেষে মুসল্লিদের নিরাপদ চলাচলের জন্য ময়দানের আশপাশের সড়কগুলোতে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কোনো
বিয়ে সাজের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকে, আবার কোনোটি সংগীতের জন্য। তবে ভারতের কেরালার চাঙ্গানাসেরি
শহরের একটি বিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এক ভিন্ন কারণে।
ফুল,
সাজসজ্জা কিংবা সংগীত নয়, বরং বিয়ের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় যমজদের উপস্থিতির
কারণে এই বিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
বৃহস্পতিবার
চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন চার্চে অনুষ্ঠিত যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে যমজ দুই বোনের বিয়েতে
আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন যমজ দুই পুরোহিত। শুধু তা-ই নয়, তাদের সহায়তায় ছিলেন আরো
এক জোড়া যমজ সহকারী।
এক
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, গত বৃহস্পতিবার কেরালার চাঙ্গানাসেরি মেট্রোপলিটন
চার্চে বর্ণাঢ্য এই বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এদিন
অখিল কে থমাসের সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগি মেরি থমাসের এবং অখিলের যমজ ভাই নিখিলকে থমাসের
সঙ্গে বিয়ে হয় ম্যাগির যমজ বোন মারিয়া মেরি থমাসের।
বিয়ের
প্রতিটি আয়োজনে যমজদের অংশগ্রহণ কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। যমজ বোনেরা নিজেরাই যমজ
পুরোহিতদের সন্ধান করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত কোঠানাল্লুরের একটি গির্জায় তাদের খুঁজে পান।
দুই
পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ফসল ছিল এই অনন্য বিবাহ অনুষ্ঠান। পেশাগত জীবনে বর অখিল
ও নিখিল মার্চেন্ট নেভিতে কর্মরত এবং কনেরা কাজ করছেন আইটি খাতে।
ম্যাগি
ও মারিয়া বলেন, ‘শৈশব থেকেই আমাদের স্বপ্ন ছিল, যমজ ভাইদেরই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে
নেওয়ার। আমাদের পরিবারও সেটাই চেয়েছিল। যিশু খ্রিস্ট সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন।
বিয়েটিকে
আরো স্মরণীয় করে তুলতে কনেপক্ষ উদ্যোগ নিয়ে খুঁজে বের করেন যমজ দুই যাজক। তারা হলেন
ফাদার আন্তো পেজুমকাটিল ও ফাদার আজো পেজুমকাটিল। আনন্দের সঙ্গে এই বিয়ে পড়াতে রাজি
হন তারা। এ সময় বেদীতে তাদের সহযোগিতায় ছিলেন জেরন জেমস ও জোহন জেমস নামের আরও দুই
যমজ ভাই।
যমজ
পুরোহিতরা জানান, এমন বিশেষ কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা তাদের জীবনে
এই প্রথম। এটি সারা জীবন তাদের মনে থাকবে। একই সঙ্গে পুরো আয়োজনে যমজদের এমন মেলবন্ধন
উপস্থিত অতিথিদের মধ্যেও বেশ কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে।
মন্তব্য করুন


২০২৬
সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে
১০ আগস্ট ২০২৬। আজ সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক প্রথম
আলোকে এ তথ্য জানান।
পূর্বঘোষণা
অনুযায়ী, ২০ জুলাই এসএসসির ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল, কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায়
তা পিছিয়ে যায়। ১৮ জুলাই বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা
বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, ২০ তারিখে
ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে না। তবে জুলাইয়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের জন্য তাঁরা প্রস্তুত আছেন।
এর
আগে গত ৮ জুন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান,
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা
হবে ২০ জুলাই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চলতি
বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে, পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত।
এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।
৯টি
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল এবং কারিগরি
শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৮
লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।
এদিকে
সোমবার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট সারা দেশে একযোগে প্রকাশ করা
হবে। ফলাফল প্রাপ্তির নিয়মাবলি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ নাহিদ
ইসলাম বলেছেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিতে প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
দেশের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়
সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, সরকার
গণমাধ্যমকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে সাংবাদিকতা কীভাবে
গড়ে উঠবে, এ বিষয়টি বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা নির্ধারণ করবেন। গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। এ কমিশন গণমাধ্যমের অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের
নিকট প্রতিবেদন দেবে। কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার গণমাধ্যম সংস্কারের উদ্যোগ
গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ের অনেক সাংবাদিক
আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহ করেছেন। তবে, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের কারণে সবক্ষেত্রে
আন্দোলনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচার হয়নি।
মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পূর্বে আবশ্যিকভাবে সত্যতা যাচাই
করতে হবে। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পর গণমাধ্যমের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। তিনি বৈষম্য
বিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগ গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারের উপর গুরুত্বারোপ
করেন।
মন্তব্য করুন


জীবিকার
তাগিদে ইরাকে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই বাংলাদেশি যুবক। সোমবার
(২৫ মে) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টার দিকে ইরাকের কুর্দিস্তান প্রদেশে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত
ব্যক্তিরা হলেন- বজলুর রশীদ (৩৮) ও মনোয়ার আলী (৩৬)। তাদের বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ
উপজেলায়। বজলুর রশীদ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কোয়ালীকান্দি গ্রামের মৃত
আলাউদ্দিন মাস্টারের ছোট ছেলে এবং মনোয়ার আলী কড়ইচড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুঘুমারি
এলাকার মৃত খলিলুর রহমানের বড় ছেলে। নিহত মনোয়ার আলীর ভায়রা ভাই মিলন সর্দার তাদের
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক
সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে মনোয়ার আলী প্রায় চার বছর আগে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে
ইরাকে পাড়ি জমান। আর বজলুর রশীদ সেখানে যান প্রায় দেড় বছর আগে। তবে তাদের কারও বৈধ
কাগজপত্র বা আকামা (কাজের অনুমতিপত্র) ছিল না। ইরাকে তারা একটি কনফেকশনারি দোকানে কাজ
করতেন এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থ দেশে পরিবারের কাছে পাঠাতেন। প্রতিদিনের মতো কাজ
শেষে বাসায় ফেরার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার তাদের চাপা
দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে
একটি হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এদিকে
দুই যুবকের মৃত্যুর খবর জামালপুরে তাদের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের
ছায়া নেমে আসে। নিহত মনোয়ার ও বজলুর উভয়েরই স্ত্রী এবং দুটি করে সন্তান রয়েছে।
নিহত
মনোয়ার আলীর স্ত্রী সোমা আক্তার বলেন, আমার স্বামী ঋণ করে ইরাকে গিয়েছিল। সেখানে
সে খুব একটা ভালো অবস্থায় ছিল না, এর মধ্যেই তার মৃত্যুর খবর এলো। এখন আমরা কীভাবে
চলব? আমাদের সন্তানদের কে দেখবে? সরকারের কাছে দাবি, যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে আমার স্বামীর
লাশ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
একই
দাবি জানিয়েছেন বজলুর রশীদের পরিবার ও স্বজনরাও। তার বড় ভাই সাফিউল ইসলাম জুয়েল
বলেন, আমার ছোট ভাই দেড় বছর আগে ইরাকে গিয়েছিল। ভোররাতে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু
হয়েছে। আমরা তার লাশটি যেন দ্রুত দেশে আনা হয়, সেজন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ
বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের
মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদারগঞ্জের দুজন রেমিট্যান্স
যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমার বার্তা-তারা যেন দ্রুত প্রবাসী কল্যাণ
ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বা দূতাবাসে যোগাযোগ করেন। আমরাও আমাদের ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষকে জানাব, যেন মরদেহগুলো দেশে আনার ব্যাপারে দূতাবাসকে প্রয়োজনীয় চিঠি দেওয়া
হয়।
মন্তব্য করুন