

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী
উপলক্ষে চট্টগ্রামে জশনে জুলুসের র্যালিতে গিয়ে অসুস্থ ও পদদলিত হয়ে দুইজনের প্রাণ
গেলো । আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
নিহতরা হলেন , পটিয়ার বাসিন্দা
আইয়ুব আলী (৬০) ও নগরের কালামিয়া বাজার এলাকার সাইফুল ইসলাম (১৩)।
আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর)
দুপুর ১২টার দিকে নগরের মুরাদপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন তীব্র গরমের কারণে আইয়ুব আলী অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাইফুল ইসলাম নামের আরেক কিশোর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে আনা হলে প্রথমে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যুবরন হয়। লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।
এছাড়া ভিড়ের মধ্যে চাপা পড়ে এবং নালার ওপর বসানো কাঠের সেতু ভেঙ্গে আহত হয়েছেন। প্রায়ই আরও ৭-৮ জন আহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান আঞ্জুমানে রহমানিয়া ট্রাস্টের মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা।
তারা জানান, ভিড়ের মধ্যে গরমে অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকজন পদদলিত হন। আহত ৮ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে বিরাজমান শীতল পরিস্থিতি আগামী শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। এ বিষয়ে তিনি সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিশ্লেষণমূলক পোস্ট প্রকাশ করেন।পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সোমবার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আগামী চার দিন সারাদেশে একই ধরনের কুয়াশা ও ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে তিনি ধারণা দেন।পলাশ জানান, সোমবার দুপুর ২টায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া কুয়াশার চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশের ৬১টি জেলার আকাশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার উপস্থিতি রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাংশ, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় তুলনামূলকভাবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ জেলায় দুপুর ৩টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম এবং অনেক জায়গায় সারাদিন সূর্য আড়ালেই থাকতে পারে। এছাড়া মঙ্গলবার দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এ অবস্থায় নৌযান চলাচলে বিশেষ সতর্কতার আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের নদ-নদীর ওপর মাঝারি থেকে অত্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ফলে সব ধরনের নৌযানকে ধীরগতিতে এবং বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা ও মেঘনা নদীর ওপর কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।এছাড়া সন্ধ্যা ৭টার পর রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানান তিনি। এসব অঞ্চলের সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে পঞ্চগড়–রংপুর–বগুড়া–সিরাজগঞ্জ–টাঙ্গাইল–ঢাকা মহাসড়কে কুয়াশার প্রভাব বেশি পড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে দেশ গঠনের যে ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজে লাগানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে এখন এক হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে
এই বিজয়ের জন্য দেওয়া আত্মত্যাগ বৃথা না যায় এবং একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠা করা যায়।’
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান
জানান। অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা উপলক্ষ্যে
এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা
সভায় বিএনপি মহাসচিব অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে
‘এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করেন। তিনি বলেন, ‘ড. মাহবুব উল্লাহ শুধু একজন শিক্ষাবিদ নন, তিনি ছিলেন নাগরিক অধিকার,
ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতির জন্য সংগ্রাম করা এক আপসহীন যোদ্ধা।’
অধ্যাপক
ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা
মির্জা
ফখরুল বিশেষত দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ল্যান্ডস্কেপে ড. মাহবুব উল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ
অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’
রূপরেখা প্রণয়নের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের চিন্তাভাবনা এবং তাত্ত্বিক
অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রকাশিত গ্রন্থাবলীতেও জাতির জন্য তার আদর্শ
ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।’অনুষ্ঠানে বক্তৃতার শেষ দিকে মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে
তার ছোট মেয়ের জন্মদিনেও শুভকামনা জানান। এ ছাড়াও, আজ উপমহাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত
বেগম রোকেয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল
কবির খানসহ দেশের বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৬
ডিসেম্বর) লন্ডনে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় দেয়া
বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, 'আজকে এই অনুষ্ঠানটি প্রথমত দুটি বিষয়—১৬
ডিসেম্বর আমাদের 'বিজয় দিবস' এবং একইসাথে প্রায় ১৭ থেকে ১৮ বছর আপনাদের সাথে যুক্তরাজ্যে
ছিলাম; কিন্তু আগামী ২৫ তারিখে ইনাশাআল্লাহ আমি দেশে চলে যাচ্ছি।'
তারেক
রহমান আক্ষেপ করে বলেন, 'প্রায় ৫৫ বছর আগে যখন যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিলো, তাদের একটি
প্রত্যাশা, আশা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল; কীভাবে তারা নিজের দেশটিকে গড়ে তুলবে। দেশের বাইরে
যেসব প্রবাসী বাংলাদেশিরা রয়েছেন, বিশেষকরে, যুক্তরাজ্যে যারা আছেন, পথে বের হলে পরিষ্কার
রাস্তা দেখি, কিংবা আমরা যখন বিভিন্ন সোশ্যাল বেনিফিট পাই, তখন কিন্তু নিজের অজান্তেই
চিন্তা করি যে আহা, আমাদের দেশটি যদি এমন হতো।'
তিনি
বলেন, আপনারা পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন হলিডে স্পটগুলোতে যান, সেগুলোতে অনেককিছু
যে আছে, তা নয়। কিন্তু তাদের যা আছে, সেগুলোকে তারা এমন সুন্দর করে রাখে, যে কি তাদের
ইতিহাস, কি তাদের ঐতিহ্য ও সামাজিক মূল্যবোধ, সে জিনিসগুলো আমরা দেখি এবং আমরা আফসোস
করি আমাদের দেশটি যদি এমন হতো।
'১৯৭১
সালে যে মানুষগুলো যুদ্ধ করেছে, সেটি প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে, তাদের কিন্তু এমনভাবেই
দেশটি গড়ার প্রত্যাশা ও আশা ছিলো,' তারেক রহমান যোগ করেন।
তিনি
আরও বলেন, আমরা দেখেছিলাম, স্বাধীনতার পর যে নতুন দেশটি আমরা পেলাম, তখন মানুষ আশায়
বুক বেঁধেছিল যে এই দেশে গণতন্ত্রের চর্চা হবে এবং এই চর্চার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে দেশ
ও জাতি এগিয়ে যাবে। কিন্তু হঠাৎ করেই আমরা দেখলাম বাকশাল চলে আসলো।
'আমরা
দেখলাম ধীরে ধীরে মানুষের ভোটের ও গণতন্ত্রের অধিকার টুঁটি চেপে ধরা হলো,' যোগ করেন
তারেক রহমান।
আলোচনা
সভায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন,
সামনের দিনগুলো খুব সহজ হবে না। ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারলে আমরা আমাদের পরিকল্পনাগুলো সফল
করতে পারবো এবং আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।
বিজয়
দিবস উপলক্ষে লন্ডনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও বিদায়ী সংবর্ধনায় তারেক রহমান বলেন মুক্তিযুদ্ধের
পর বিভিন্ন সময় দেশকে এগিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা ও উদ্যোগ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে থামিয়ে দেয়া
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ধর্ম
উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আইনের শাসন একটি জাতির উন্নয়নের অন্যতম সোপান।
দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সমিতির
উদ্যোগে আদালতের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
ধর্ম
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
ড.
আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়াই সরকারের অন্যতম
প্রধান অঙ্গীকার। বিচারব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার
কাজ করছে। আদালতের অবকাঠামো উন্নয়ন সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।
তিনি
আরও বলেন, সাতকানিয়ার এই শতবর্ষী আদালত ভবনের অবকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আনা হবে। এটিকে
আধুনিক বহুতল ভবনে রূপান্তর করা হবে। এ বিষয়ে প্রকৌশলী ও স্থপতিদের সাথে কথা হয়েছে।
সাতকানিয়া
আদালতের অবকাঠামো উন্নয়নে সম্ভাব্য সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারিকে ঐতিহাসিক দিন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার
প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। আমরা আশাবাদী, উৎসবমুখর পরিবেশে এ দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার
প্রয়োগ করতে পারবে। নির্বাচিতদের হাতে আমরা ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নেব।
সাতকানিয়া
আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সাতকানিয়া
আদালতের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সিরাজ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের
সহযোগী অধ্যাপক সাঈদ আহসান খালিদ ও আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুল
ইসলাম মানিক বক্তৃতা করেন।
পরে উপদেষ্টা সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন এক্স-রে মেশিন সংযোজন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


চালু হয়েছে ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’। স্থানীয় কাঁচামাল দিয়ে অবিকল হেলিকপ্টার তৈরি করেছেন স্থানীয় ওয়ার্কশপ মিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার বন্ধুরা।
তার এই হেলিকপ্টারে বসে পাখা ঘোরা অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মুখরোচক খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন ভোজনরসিকেরা।
মহান বিজয় দিবসে পটুয়াখালীর ঝাউতলায় শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’র উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধনের পরপরই বহুল আলোচিত রেস্তোরাঁটি দেখতে এর খাবারের স্বাদ নিতে ভিড় জমান স্থানীয়রা।
জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ছোটবিঘাই ইউনিয়নের কাজীর হাট বাজারের ওয়ার্কশপমিস্ত্রি মো. মেহেদী হাসান ও তার দুই বন্ধু আরিফ ও আল-আমিন প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ করে নিজেদের ওয়ার্কশপে দীর্ঘ ৭ মাসের প্রচেষ্টায় নির্মাণ করেন হেলিকপ্টারের আদলে এই রেস্তোরাঁটি।
তবে প্রতিকূল পরিবেশেই রেস্তোরাঁটি নির্মাণ করেছিলেন এ তিন যুবক।
মেহেদী হাসান বলেন, যখন এটির পরিকল্পনা করি তখন পরিবার সম্মতি দেয়নি। প্রতিবেশীরা অনেকেই আমাকে পাগল বলেছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে এবং একটু একটু করে যখন কাজীর হাট বাজারের একটি মাঠে হেলিকপ্টারটি বানাতে ও আকৃতি দিতে শুরু করি, তখনই চারিদিকে সাড়া পড়ে যায়।
হেলিকপ্টারটির ভেতরে ২১ জনের আরাম করে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে থাকবে নানা ধরনের খাবারের আইটেম। তিনি এই রেস্তোরাঁ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাবেন এবং মানুষকে খাবার পরিবেশন করবেন। শহরের ঝাউতলা চার লেন সড়কে মেহেদীর এই ‘হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ’ দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করছে নিয়মিতই।
মেহেদীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, তিনি তার এই রেস্তোরাঁকে নিয়ে সারা দেশ ঘুরে বেড়াবেন। দেশের সব জেলার মানুষ যেন তার এই রেস্তোরাঁকে দেখেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন বলেন, একজন ওয়ার্কশপমিস্ত্রি যে এত সুন্দর করে সত্যিকারের হেলিকপ্টারের মতোই দেখতে একটি হেলিকপ্টার রেস্তোরাঁ বানিয়েছে - এতে আমরা অবাক হয়ে গেছি। মেহেদীর এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।
পটুয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ও পটুয়াখালী পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মেহেদীর মতো এমন উদ্যোক্তাই আমরা চাই। এটি পটুয়াখালীর জন্য একটি গর্বের বিষয়। মেহেদীকে সব ধরনের সহযোগিতা আমরা অব্যাহত রাখব।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।
পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক
শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন।
আজ
শনিবার ( ২৭ ডিসেম্বর ) সকাল ১১টার পরে তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি কাজী নজরুল
ইসলামের সমাধির পাশে ওসমান হাদির কবরে পৌঁছান।
তারেক
রহমান এ সময় ওসমান হাদির কবরে ফুল দেন এবং ফাতিহা পাঠ ও হাদিসহ জুলাইয়ের সকল শহীদের
জন্যে দুহাত তুলে আল্লাহ’র দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন। পাশাপাশি
তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
হাদির
কবর জিয়ারতের সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সিনিয়র
নেতাকর্মীরা।
এছাড়াও,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আমহেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা
দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, উন্মুক্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য
অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানসহ আরো অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, তিনি ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে
যাত্রা করেন।
আজ
আগের দুই দিনের মতো লালসবুজ রঙে সাজানো বাস ব্যবহার না করে সাদা রঙের একটি গাড়িতে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে যান তারেক রহমান। গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। এ সময় রাস্তার দুপাশে
বিএনপির নেতা-কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
তারেক
রহমানের আগমনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। টিএসসি থেকে
হাদির কবর পর্যন্ত দুই স্তরের ব্যারিকেড বসানো হয়। শাহবাগের দিকেও পুলিশের ব্যারিকেড
ও নজরদারি ছিল। এর আগে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় অবস্থান নেন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ
সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান করেন।
কবর
জিয়ারত শেষে ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন ভবনে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
সেখান থেকে ধানমন্ডিতে মাহবুব ভবনে যাবেন তিনি। ধানমন্ডির মাহবুব ভবনে কিছু সময় থাকার
পর বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার মা খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে
যাবেন তারেক রহমান।
বিএনপির
মিডিয়া সেলের এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, জুলাই গণুঅভ্যুত্থানের কোনো আহত ব্যক্তি
বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি না থাকায় সেখানে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তন
ঘিরে ঢাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি
দেখা যায়। পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা সমাবেশে সারা দেশ থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা
অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


ক্রিকেটারদের
দাবির মুখে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। টাইগার ক্রিকেট বোর্ড শর্ত জুড়ে দিয়েছিল, যদি আজকের মধ্যে
ক্রিকেটাররা খেলায় না ফেরে, তাহলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সেই
পথেই হাঁটছে বিসিবি। কোয়াবের অনড় অবস্থান এবং ক্রিকেটারদের ম্যাচ বয়কটের কারণে চলমান
বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে বিসিবি।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রাঞ্চাইজিদের এ সিদ্ধান্তের কথা
জানিয়ে দেবে বোর্ড।
বাংলাদেশ
প্রিমিয়ার লিগের ঢাকা পর্ব শুরু হওয়ার কথা ছিল আজ। তবে তা শুরুর আগেই বড় অনিশ্চয়তায়
পড়ে। পরে দিনের ম্যাচ হয়নি। বিকালের ম্যাচও মাঠে গড়ায়নি। এরপর এমন সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।
এদিন
সন্ধ্যা ছয়টায় মিরপুরে সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে রাজশাহী ওয়ারিয়রসের মাঠে নামার কথা
ছিল। দুপুরে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যাচটিও একই কারণে অনুষ্ঠিত
হয়নি।
মন্তব্য করুন


তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুরাদ হোসেন (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ (২৯ নভেম্বর ) শনিবার দুপুরে পৌর এলাকার পবহাটি সিটি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুরাদ হোসেন পবহাটি মন্ডল পাড়ার মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে। এলাকাবাসী জানায়, গত শনিবার মুরাদ হোসেনের বাবা আফজাল হোসেন মারা যায়। বাবার মৃত্যুর পর কুলখানি না করায় তার চাচাতো ভাই আলম মন্ডল ব্যাঙ্গ করে বলেন, ‘ভিক্ষা করে দোয়ার আয়োজন করতে’। এ নিয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মুরাদ হোসেন ও আলম মন্ডলের কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে পবহাটি সিটি মোড়ে মুরাদ বসে থাকা অবস্থায় তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সৌরভ ৩ টি মোটরসাইকেলে কয়েকজনকে সাথে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুরাদের ওপর হামলা করে। তারা মুরাদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর যখম করে। পরবর্তীতে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মুরাদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ সদর থানার (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘খবর পেয়েই আমাদের ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমার ওপর ভরসা রাখুন, দেশের কোথাও কারও ওপর হামলা হবে না ।
দুপুর ২টার পর ড. ইউনূসকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
দেশে ফেরার পর তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এ ছাড়াও সেখানে উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তারা ছিলেন।
এ সময় শুরুতেই কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়া রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে স্বরণ করেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, নতুন এই বাংলাদেশ যাতে দ্রুত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে সেদিকে আমাদের কাজ করতে হবে।
নোবেলবিজয়ী আরো বলেন, এই স্বাধীনতাটা আমাদের রক্ষা করতেই হবে। শুধু রক্ষা না এর সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তা নাহলে এই স্বাধীনতার কোনো দাম নেই।
তিনি আরও বলেন, আজকের এই দেশ তরুণ প্রজন্মের হাতে। তোমরা যেভাবে এটা স্বাধীন করেছো, তোমরাই এটা গড়ে তুলবে।
এর আগে বুধবার (৭ আগস্ট) তিনি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চার্লস দ্য গল বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে কড়া নিরাপত্তা দেন ফ্রান্সের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার ইউনূস সেন্টার থেকে বলা হয়েছিল, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশে ফিরবেন। এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে।
জানা গেছে, ড. ইউনূস সরকারপ্রধান হিসেবে আজ রাত ৮টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
মন্তব্য করুন