

থাইল্যান্ডের
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলন্ত একটি ট্রেনের ওপর নির্মাণাধীন ক্রেন ভেঙে পড়ে ২২ জন নিহত হয়েছেন।
পুলিশ
নিশ্চিত করেছে, এ ঘটনায় ২২ জন নিহত হয়েছেন এবং ৭৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জনের
অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।
স্থানীয়
সময় বুধবার সকাল ৯টার দিকে নাখন রাতচাসিমা প্রদেশের সিখিও জেলার বান থানন খোট এলাকায়
এ দুর্ঘটনা ঘটে। ব্যাংকক থেকে উবন রাতচাথানি প্রদেশগামী ট্রেনটির ওপর একটি বিশাল নির্মাণ
ক্রেন ভেঙে পড়ে। এতে একটি ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয় এবং কিছু সময়ের জন্য আগুন ধরে যায়।
স্থানীয়
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ২২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া
একটি বগিতে থাকা আরও কিছু যাত্রী নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ
চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নাখন
রাতচাসিমার পুলিশ সুপার থাচাপোন চিন্নাওং জানান, দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণের কাজ চলাকালে
ক্রেনটি হঠাৎ ভেঙে পড়ে চলন্ত ট্রেনটিকে আঘাত করে।
দুর্ঘটনার
সময় লাওস সীমান্ত থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত একটি উচ্চগতির রেল প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছিল
বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলোতে
আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এ
ঘটনায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে
এবং হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ‘সিনিয়র–জুনিয়র’ দ্বন্দ্বের জেরে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত রোমান (১৫) নামে এক পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাগরকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন পূর্ব রসুলপুরের ৭ নম্বর গলিতে এ ঘটনা ঘটে। রোমান তার বন্ধুদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। এ সময় সাইফুল ইসলাম সাগর এসে তাকে ‘সিনিয়র মান্য না করা’ এবং অন্য গলিতে আড্ডা দেওয়ার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সাগর উত্তেজিত হয়ে তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে রোমানের পেটে একাধিকবার, ডান বাহু ও বাম কবজিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় রোমান দুই হাত দিয়ে পেট চেপে ধরলে সাগর তার পিঠে ছুরি ঢুকিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে স্বজনরা তাকে প্রথমে কামরাঙ্গীরচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার পিঠ থেকে ছুরিটি বের করা হয়।
ওসি গোলাম ফারুক জানান, ২০ ডিসেম্বর রাতে রোমানের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাকে মালিবাগের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত রোমানের বাবা জালাল ফকির বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত সাগর কামরাঙ্গীরচরের সান লাইট কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র এবং তার বাবা পেশায় রিকশাচালক।
ওসি আরও জানান, শিক্ষার্থীর মৃত্যু হওয়ায় পূর্বের মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিস্টরা
দেশ ছেড়ে পালালেও ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনো কাটেনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একদল অপকর্ম করে পালিয়েছে, আরেকদল সেই অপকর্মের
দায় কাঁধে তুলে নিয়েছে। কেউ চাঁদাবাজি করে জনগণের ক্ষোভের কারণ হয়েছে, আবার কেউ আরও
বেশি শক্তি নিয়ে একই কাজ করছে।
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে ইসলামী ও সমমনা আট দলের বিভাগীয় সর্বশেষ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ছোট্ট একটি দেশ। বিপুল সম্পদে পরিপূর্ণ ছিল। আফসোস, স্বাধীনতার
৫৪ বছরেও এ দেশের মানুষ সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি, কারণ বর্গীরা
চলে যাওয়ার সময় দেশের ভেতরে চিলগুলো ছুঁ মেরে জনগণের সম্পদ নিয়ে চলে গেছে। দেশের সম্পদ
লুণ্ঠন করে বাইরে পাচার করেছে। দেশে–বিদেশে ‘বেগম পাড়া’
গড়ে তুলেছে। তিনি বলেন, কেউ কেউ পালাতে গিয়ে খালে–বিলে আশ্রয় নিয়েছে। আবার রসিক সিলেটবাসীর
কাছে কেউ কেউ কলাপাতায় ধরা পড়েছে। এভাবেই অপকর্মের দায় নিয়ে ফ্যাসিস্টরা বাংলাদেশ থেকে
পালিয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিজমের কালো ছায়া বাংলাদেশ থেকে যায়নি। একদল দখলদার হয়ে জনগণের
ঘৃণা কুড়িয়েছে, আরেকদল বেপরোয়া দখলদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একসময় বিরোধী রাজনৈতিক
নেতাদের, আলেম–ওলামাকে জেল, নির্যাতন, ফাঁসি ও দেশছাড়া করার যে প্রবণতা
ছিল, সেটি এখনো থামেনি।
জামায়াতের আমির সতর্ক করে বলেন, বাঁকা পথে প্রশাসনিক ক্যুর মাধ্যমে নির্বাচন ক্রেডিট হাইজ্যাক করার কালো সূর্য ডুবে গেছে। এই সূর্য আর বাংলাদেশে উঠবে না। এই কালো সূর্যের মুখ বাংলাদেশ আর দেখবে না। এখন নতুন সূর্যের উদয় হবে।
তিনি
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, জনগণ তাদেরকে আগামী নির্বাচনে লাল কার্ড দেখানোর জন্য প্রস্তুত
হয়ে গেছে। এই লাল কার্ড দেখা থেকে বাঁচতে গিয়ে যদি কেউ আগামী নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার
চেষ্টা করে, আমরা মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে বলছি, তাদের সকল ষড়যন্ত্র এ দেশের সংগ্রামী
জনগণ ভণ্ডুল করে দেবে। তিনি বলেন, তারা কোনো সংস্কারে রাজি না। তারা সনদ বাস্তবায়নে
রাজি না। তারা গণভোটেও প্রথমে রাজি ছিল না। তারপরও গণভোট একদিনেই হতে হবে, তা তারা
বাধ্য করেছে সরকারকে। এখন আবার কোথাও কোথাও আমরা ক্ষীণ সুর শুনতে পাচ্ছি। যারা এতদিন
নির্বাচনের জন্য নির্বাচন–নির্বাচন করে জনগণকে বেহুশ করে তুলেছিল,
এখন তারা ভিন্ন সুরে কেউ কেউ কথা বলতে শুরু করেছে। এ লক্ষণ ভালো নয়। তারা বুঝতে পেরেছেন।
জোটের
বাইরে থাকা ইসলামি দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আমি বন্ধুদের অনুরোধ করব সকল জাল ছিন্ন
করে আপনারা আপনাদের আঙিনায় চলে আসুন। এই আঙিনা আপনাদের আঙিনা। এখন যেখানে ঘোরাফেরা
করছেন এটা আপনাদের আঙিনা না। তাদের সঙ্গে আপনাদের মানায় না। আপনারা বড় বেমানান হয়ে
গেছেন। আপনারা ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসুন। আমরা আপনাদের বুকে জড়িয়ে কবুল করব, অভিনন্দন
জানাবো। খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম পীর সাহেব চরমোনাই, বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ,
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা সারওয়ার কামাল আজিজী, বাংলাদেশ খেলাফত
আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি–জাগপার
কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) সভাপতি অ্যাডভোকেট
আনোয়ারুল হক চাঁন।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
সোনালী দিনের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘ দিন মরণব্যাধি
ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে ৮২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি
ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুর
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী
সদস্য সনি রহমান। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের
পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী অভিনেতা। পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে এলেও
নিয়তি তাকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে।
১৯৬৪
সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায়
অভিষেক ঘটে তার। তবে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’
সিনেমার মাধ্যমে। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা।
এরপর
আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে; একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে
‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেন তিনি।
চলচ্চিত্র জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন সে সময়ের জনপ্রিয়
চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে।
সত্তুর
ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল পর্দা কাঁপানো নাচ আর অ্যাকশনের অনবদ্য
এক মিশ্রণ। তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ দিন ক্যানসারে
আক্রান্ত হয়ে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।
পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে। ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


বাড়িতে বৃদ্ধ মা থাকা সত্ত্বেও নতুন বউ রান্না করতে অস্বীকৃতি জানান—এই সমস্যা সমাধানের অজুহাতে তিন বছরে একে একে তিনটি বিয়ে করেন এক যুবক। তবে শেষ পর্যন্ত রান্নার সমাধান নয়, আইনি জটিলতায় কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যের গোপালগঞ্জ জেলায়। অভিযুক্ত যুবকের নাম পিন্টু বার্নওয়াল।
পুলিশ জানায়, পিন্টুর প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী তার বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি, শারীরিক নির্যাতন এবং বৈধ বিচ্ছেদ ছাড়াই একাধিক বিয়ের অভিযোগে মামলা করেছেন।
তদন্তে জানা গেছে, ২০২২ সালে খুশবু কুমারীর সঙ্গে বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। খুশবুর অভিযোগ, তিন লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার দেওয়ার পরও পিন্টু তাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং কোনো তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিয়ে করেন।
দ্বিতীয় স্ত্রী গুড়িয়া কুমারীর অভিযোগও একই। তিনি জানান, তার কাছ থেকেও পাঁচ লাখ টাকা ও একটি গাড়ি দাবি করা হয়েছিল।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে পিন্টু বার্নওয়ালের দাবি, তার স্ত্রীরা রান্না করতেন না এবং তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে না খাইয়ে রাখতেন। এমনকি তাকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।
বর্তমানে পিন্টুর দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে ১০ মাস এবং তৃতীয় স্ত্রীর ঘরে এক মাসের সন্তান রয়েছে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালত পিন্টুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করার জন্য সরকার সম্ভাব্য সবকিছু করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) জার্মান রাষ্ট্রদূত “ রুডিগার লোটজের “ সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় প্রধান উপদেষ্টা জার্মান রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, তিনি এখানে অবস্থানকালে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সনদে সই করার জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত করে একটি চমৎকার কাজ করেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত—যা ঐক্য এবং পরিবর্তনের জন্য একটি অভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেখিয়েছিল। এটি আসন্ন নির্বাচনের আগে আস্থা তৈরিতে সহায়তা করে।’
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানান এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে এটা খুবই উৎসাহব্যঞ্জক। তিনি সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টার, বিশেষ করে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশংসা করেন।
রুডিগার লটজ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসে কথা বলতে দেখে ভালো লাগছে। নির্বাচনের পরও দেশের এসব সংস্কার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।’
রাষ্ট্রদূত জার্মানিতে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর ক্রমবর্ধমান সংখ্যার কথাও উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


হুমায়ুন
কবীরের বাড়িতে চলছে বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য অনুদানে পাওয়া টাকার গণনা। শনিবার, ৬ ডিসেম্বর
অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনই মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের ভিত্তি প্রস্থর
স্থাপন করেন হুমায়ুন কবীর।
সেইদিনই
তিনি জানিয়েছিলেন যে, বাবরি মসজিদ তৈরি করতে খরচ হবে আনুমানিক ৩০০ কোটি টাকা। তবে টাকা
নিয়ে চিন্তা করছেন না হুমায়ুন, কারণ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তিই নাকি ৮০ কোটি
টাকা অনুদান দেন বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য। আরও বহু মানুষ টাকা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে অনলাইনে
প্রায় ৯৩ লাখ টাকা এবং নগদ অর্থে ১১টি ট্রাংকভর্তি অর্থ জমা পড়েছে নির্মাণ ব্যায়ের
জন্য। এত বিপুল পরিমাণ অর্থ নির্ভুলভাবে গোনার জন্য ৩০ জন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে এবং
আধুনিক মেশিনের ব্যাবহার করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন,পুরো গোনার কাজ চলছে সিসিটিভির
কড়া নজরদাড়িতে।
বিধায়ক
হুমায়ুন কবির জানান, স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই টাকা গোনার সম্পূর্ণ কাজ ফেসবুকে লাইভে
দেখিয়েছি। তিনি বলেন,মানুষের দানেই তৈরি হবে আমার বাবরি মসজিদ। কারো রাজনৈতিক দলের
ফান্ডিং এ নয়। তাই সব প্রমাণ নিয়েই লাইভ করেছি। এখন পর্যন্ত ৭টি ট্রাংক খোলা
হয়েছে, যেগুলো থেকে ৩৭ লাখ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। উপস্থিত আলেম-উলামা এবং ৩০ জন গণকর্মী
সাঁট মেশিন ব্যবহার করে টাকা গণনা করছেন।
হুমায়ুন
দাবি করেছেন, এখন পর্যন্ত এক কোটি ১০ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ হয়েছে এবং আরও অনেকে এই
প্রচেষ্টায় যুক্ত হচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ
আলম বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলচ্চিত্র সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে উদ্যোগ
নিতে হবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ
ফিল্ম আর্কাইভ পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সম্ভাবনার
কথা উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক দলিলাদি এবং দেশি বিদেশি
চলচ্চিত্র সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা
তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিল্ম আর্কাইভকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি কেন্দ্রিক প্রামাণ্যচিত্র
সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে। আর্কাইভে মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠদের সাক্ষাৎকার
ভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণেরও তাগিদ দেন তিনি।
ফিল্ম ম্যাগাজিন সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ
করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন
গ্রন্থাগার থেকে গত ৫০ বছরের ফিল্ম ম্যাগাজিন
সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন থেকেও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট প্রমাণক
সংগ্রহ করতে হবে।
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, বর্ষীয়ান
ও গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতাদের লেখা ও সাক্ষাৎকার সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। আর্কাইভে
সংরক্ষিত সকল ফিল্মের ডিজিটাল ক্যাটালগ প্রস্তুত করতে হবে। এর ফলে চলচ্চিত্র গবেষক
ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন। উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ
থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। বক্তব্যে তিনি ফিল্ম আর্কাইভের
কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
উক্ত সভায় ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক
ফারহানা রহমানসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার পূর্বে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হল, ফিল্ম মিউজিয়াম, ফিল্ম হাসপাতাল, ফিল্ম ভল্ট ও লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শাহবাগ থানায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো.
আরশাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ডিএমপির
পুলিশ কমিশনার মো: মাইনুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা
হয়।
ডিএমপি
জানায়, গত ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে ঢাকার
নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে
ধরেন পরিদর্শক আরশাদ হোসেন। তার এমন অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে
জনগণের বিরূপ ধারণা সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে তাকে
সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


২০২৬
সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ হবে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। মহাজাগতিক এ দৃশ্য দেখার অপেক্ষায়
রয়েছে গোটা বিশ্বের মানুষ। বলয়াকার এ সূর্যগ্রহণ অনেকের কাছে ‘রিং অব ফায়ার’
বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের
ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে অবস্থান নেয়, কিন্তু
সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না।
সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল আগুনের বলয়ের মতো একটি অংশ দৃশ্যমান থাকে। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যকেই
বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।
নাসার দেয়া তথ্যানুযায়ী, পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র
মহাকাশে নিজ কক্ষপথে অবিরত পরিভ্রমণকালে সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান
করলে, অর্থাৎ চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থানকালে কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রের
ছায়া পৃথিবীতে পড়লে সূর্যগ্রহণ ঘটে। সাধারণত চন্দ্র, পৃথিবী এবং সূর্যের অবস্থানের
তারতম্যের কারণে বিভিন্ন প্রকার সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয় (পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, আংশিকগ্রাস
সূর্যগ্রহণ, বলয়াকারগ্রাস সূর্যগ্রহণ)।
ফোর্বসের
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭ টা ১
মিনিটে (ইউটিসি)। স্পেস ডটকমের তথ্য বলছে, সর্বোচ্চ ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত বলয়াকার
সূর্যগ্রহণ স্থায়ী হতে পারে। এ সময় চাঁদ সূর্যের কেন্দ্রের প্রায় ৯৬ শতাংশ ঢেকে ফেলবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশ থেকে এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। কারণ গ্রহণের সময় সূর্য এ
দুই দেশের দিগন্তের নিচে অবস্থান করবে।
এছাড়া
ঘটনাটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধে সংঘটিত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চল থেকে তা দৃশ্যমান
হবে না। সর্বোচ্চ গ্রহণ দেখা যাবে অ্যান্টার্কটিকায়, বিশেষ করে কনকর্ডিয়া ও মিরনি গবেষণা
কেন্দ্র থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে
আংশিকভাবে গ্রহণটি দেখতে পাবে।
আবহাওয়াবিদ
জে অ্যান্ডারসন তার ওয়েবসাইট ইকলিপস ফুল.কম-এ লিখেছেন, ‘সম্ভবত খুব অল্পসংখ্যক মানুষই
বলয়াকার অঞ্চলের ভেতর থেকে এই গ্রহণটি দেখতে পারবেন। কারণ স্থানটি অত্যন্ত দুর্গম এবং
বলয় ছায়ার ভেতরে মাত্র দুটি বসতিপূর্ণ স্থান রয়েছে, যেগুলো পর্যটকদের গ্রহণের জন্য
উপযুক্ত নয়।’ এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও চিলির কিছু অংশ থেকেও
গ্রহণটি দেখা যাবে।
মন্তব্য করুন