

থাইল্যান্ডের
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলন্ত একটি ট্রেনের ওপর নির্মাণাধীন ক্রেন ভেঙে পড়ে ২২ জন নিহত হয়েছেন।
পুলিশ
নিশ্চিত করেছে, এ ঘটনায় ২২ জন নিহত হয়েছেন এবং ৭৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জনের
অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।
স্থানীয়
সময় বুধবার সকাল ৯টার দিকে নাখন রাতচাসিমা প্রদেশের সিখিও জেলার বান থানন খোট এলাকায়
এ দুর্ঘটনা ঘটে। ব্যাংকক থেকে উবন রাতচাথানি প্রদেশগামী ট্রেনটির ওপর একটি বিশাল নির্মাণ
ক্রেন ভেঙে পড়ে। এতে একটি ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয় এবং কিছু সময়ের জন্য আগুন ধরে যায়।
স্থানীয়
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ২২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া
একটি বগিতে থাকা আরও কিছু যাত্রী নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ
চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নাখন
রাতচাসিমার পুলিশ সুপার থাচাপোন চিন্নাওং জানান, দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণের কাজ চলাকালে
ক্রেনটি হঠাৎ ভেঙে পড়ে চলন্ত ট্রেনটিকে আঘাত করে।
দুর্ঘটনার
সময় লাওস সীমান্ত থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত একটি উচ্চগতির রেল প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছিল
বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলোতে
আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এ
ঘটনায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে
এবং হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৭৯তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগদানের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।
২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে বক্তৃতা দেওয়ার কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৭৯তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন আজ বলেছেন, ‘তাঁর বক্তৃতায় তিনি
বাংলাদেশে গত দুই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরবেন এবং একটি গণমুখী, কল্যাণধর্মী
ও জনস্বার্থমূলক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার পুনরুল্লেখ করবেন
বলে আশা করা হচ্ছে।’
তৌহিদ হোসেন আরো বলেন, প্রধান উপদেষ্টার বক্তৃতায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত, রোহিঙ্গা সংকট, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমস্যা, সম্পদের অবৈধ পাচার রোধ, অভিবাসী অধিকার রক্ষার মতো বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা মাত্র তিনদিন নিউইয়র্কে থাকবেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকার
উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। প্রধান উপদেষ্টা পূর্ববর্তী সরকার প্রধানদের মতো চার্টার ফ্লাইটে
নয়, বাণিজ্যিক ফ্লাইটে এই যাতায়াত করবেন।
তৌহিদ বলেন, নিউইয়র্কে অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টা নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও নেপালের
প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের মহাসচিব, জাতিসংঘের
মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এবং ইউএসএআইডি প্রশাসক অধ্যাপক
ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের ৫০ বছর পূর্তির বছর। একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মাইলফলক উপলক্ষে ২৪ সেপ্টেম্বর প্রফেসর ইউনূসের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি উচ্চ পর্যায়ের সংবর্ধনার আয়োজন করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুই নেতার সময়সূচি না মেলার কারণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে না। তবে হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ইউএনজিএ’র পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা ও নয়াদিল্লী কীভাবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ভাল ‘কাজের সম্পর্ক’ বজায় রাখতে পারে, তা নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি তিনি জোট নিরপেক্ষ
আন্দোলনের (ন্যাম) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক, কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, ইসলামিক
কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (ওআইসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর
(এলডিসি) বার্ষিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশের
প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এবারের সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য “কাউকে পেছনে ফেলে নয় : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
জন্য শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদার জন্য একসঙ্গে কাজ করা।”
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন ,কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় সাফরাত হোসেন সানভীর নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের আলকরা এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সানভীর উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামের মোঃ বাহরাইন প্রবাসী রাজুর একমাত্র ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচা মোরশেদ আলম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া গ্রামের নুর হোসেন সুজন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে মাছ ধরার দৃশ্য দেখতে যায়। এর কিছুক্ষণ পর জেঠার খোঁজে বৈছামুড়া ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীর। নুর হোসেন সুজন মনে করেছিলেন, ভাতিজা সানভীর কিছু দূর গিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে যাবে। কিন্তু ভাতিজা সানভীর জেঠার কাছে যেতে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকে। মুহুর্তের মধ্যেই চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সেপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সানভীর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নুর হোসেন সুজন পিছনের দিকে ভাতিজা সানভীরের দিকে তাকালে তাকে রেললাইনের পাশে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে একমাত্র ছেলে সানভীরকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা-মা। এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহত সাফরাত হোসেন সানভীর চাচা মোরশেদ আলম বলেন, বাড়ি থেকে সামান্য দূরে রেললাইনের সাথে মাছ ধরা দেখতে তাঁর জেঠা বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে যায়। জেঠার পিছনে পিছনে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীরও চলে যায়। জেঠা মনে করেছিলেন, সানভীর একটু গিয়ে আবার বাড়ির দিকে চলে গেছে। খেয়াল না করায় ট্রেনের ধাক্কায় ভাতিজা সানভীরের মৃত্যু হয়েছে।
তবে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি জানে না লাকসাম জিআরপি থানা ও গুণবতী রেলষ্টেশন কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাজারের ওরশে দেওয়া পোড়া খিচুড়ি নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হোমিও চিকিৎসক আহমেদ আলী (৫০) নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে বুধবার সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর মাজারসংলগ্ন শখের বাজারে।
নিহত আহমেদ আলী ছিলেন নয়ন সুখ গ্রামের মৃত আপিল উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে গাইবান্ধা সদর থানার মালীবাড়ী ইউনিয়নের মুর্শিদের বাজার থেকে ওরশের খিচুড়ি নেন খলিলুর রহমানের ছেলে রেনু আহমেদ ও তার ভাই মনু মিয়া। পরে সেই খিচুড়ি দেওয়া হয় আহমেদ আলীকে।
বুধবার সকালে আহমেদ আলী দোকানের সামনে রেনু ও মনুকে দেখে জানতে চান, কেন পোড়া খিচুড়ি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে রেনু ও মনু তাকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মারেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আহমেদ আলীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তাজুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনাকে সামনে রেখে ৩৩ বছর পর একই দিনে বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মাণের উদ্যোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
এই কর্মসূচির নেতৃত্বে রয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক ও তৃণমূল থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীর। তার আহ্বানে ইতোমধ্যেই রেজিনগরে জড়ো হতে শুরু করেছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রায় ৪০ হাজার মানুষের খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে এবং আয়োজকদের দাবি, মোরাদিঘির কাছে ২৫ বিঘা জমিতে প্রায় ৩ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে। শুধু স্থানীয় নয়—বিভিন্ন রাজ্যের ধর্মীয় নেতাদের পাশাপাশি সৌদি আরব থেকেও ধর্মগুরুদের আসার কথা জানিয়েছেন হুমায়ুন কবীর।
তিনি বলেন, মাত্র তিন কাঠা জায়গা নিয়ে এত বিরোধিতা থাকলেও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কার্যক্রম থামানো হয়নি। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫ বিঘা জমিতে মসজিদের পাশাপাশি হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও পার্ক নির্মাণ হবে। এসব প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হবে, যা মুর্শিদাবাদসহ মালদা, উত্তর–দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দিনাজপুর, হাওড়া, হুগলি ও দুই মেদিনীপুরের মানুষের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত হবে।
হুমায়ুন কবীর স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি রাজ্য সরকারের কোনো টাকা গ্রহণ করে মসজিদ নির্মাণ করবেন না, কারণ এতে “মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হবে।”
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে। শুক্রবার সন্ধ্যায় রেজিনগর থানায় তাকে কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।
তবে তার আগেই তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সমস্ত প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন, এবং কর্মসূচি যেকোনোভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের
পশ্চিমবঙ্গে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় নতুন করে ‘বাবরি মসজিদ’
গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবির।
আজ
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে এই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে
করা হয়েছে বিশাল এক আয়োজন। সৌদি আরব থেকে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আলেমদের। সেইসঙ্গে
৪০ হাজার মানুষের জন্য রান্না করা হয়েছে বিরিয়ানি। খবর এনডিটিভির।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেস ও বিজেপি ঘুরে তৃণমূলে আসেন মুর্শিদাবাদের
প্রভাবশালী নেতা হুমায়ুন কবির। গত বৃহস্পতিবার দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাকে বহিস্কার
করা হয়। এর মধ্যেই তিনি এই মসজিদ নিয়ে উঠেপড়ে লেগে আছেন। বহিস্কার নিয়ে রাজনৈতিক
প্রতিক্রিয়া বা প্রশাসনের তৎপরতা নিয়ে কোনোভাবেই বিচলিত নন এই নেতা।
হুমায়ুন
কবির সাংবাদিকদের জানান, শনিবার মোরাদিঘির কাছে ২৫ বিঘা জুড়ে প্রায় ৩ লাখ মানুষ জড়ো
হবেন। বিভিন্ন রাজ্য থেকে ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত হবে এখানে। তিনি আরও জানান, কলকাতা
বিমানবন্দর থেকে বিশেষ কনভয়ে করে সৌদি আরব থেকে দুজন আলেম আসবেন।
রাজ্যের
একমাত্র উত্তর-দক্ষিণ মহাসড়ক এনএইচ-১২ লাগোয়া বিশাল এক এলাকায় চলছে এই আয়োজন। মুর্শিদাবাদের
সাতটি কেটারিং প্রতিষ্ঠানকে শাহি বিরিয়ানি রান্নার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরের
এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী জানান, অতিথিদের জন্য প্রায় ৪০ হাজার প্যাকেট এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের
জন্য আরও ২০ হাজার প্যাকেট তৈরি করা হচ্ছে। শুধু খাবারের ব্যয়ই ৩০ লাখ রুপির বেশি হয়ে
যাচ্ছে।
সব
মিলিয়ে আয়োজনের বাজেট ৬০–৭০ লাখ রুপিতে পৌঁছাবে বলে জানান হুমায়ুন
কবির।
ভিত্তিপ্রস্তর
স্থাপন অনুষ্ঠানের জন্য ধানখেতের ওপর ১৫০ ফুট লম্বা ও ৮০ ফুট চওড়া এক বিশাল মঞ্চ তৈরি
করা হয়েছে। এ মঞ্চে প্রায় ৪০০ অতিথির বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শুধু এই মঞ্চের নির্মাণব্যয়
ধরা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ রুপি।
আয়োজকরা
জানান, প্রায় ৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ২ হাজার জন শুক্রবার
ভোর থেকেই কাজ শুরু করেছেন। তারা এই বড় জনস্রোত নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশপথ সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনা
ও এনএইচ-১২–তে যাতে জ্যাম না লেগে যায় সেই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।
শুক্রবার
হুমায়ুন কবির জানান, সকাল ১০টায় কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর
দুপুর ১২টায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠিত হবে। আনুষ্ঠানিকতা দুই ঘণ্টা আগে থেকেই
শুরু হবে। পুলিশি নির্দেশনা অনুযায়ী বিকাল ৪টার মধ্যে মাঠ খালি করা হবে।
এদিকে
এত বিশাল আয়োজন প্রশাসনের উদ্বেগও বাড়িয়ে দিয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) কলকাতা হাইকোর্টের
নির্দেশনার পর জেলা পুলিশ হুমায়ুন কবিরের দলের সঙ্গে এক দফা আলোচনায় বসে। জনশৃঙ্খলা
বজায় এবং এনএইচ-১২–তে যান চলাচল ঠিক রাখতে বৈঠক করে তারা।
জেলা
পুলিশের সিনিয়র এক কর্মকর্তা জানান, বেলডাঙা ও রানীনগর থানার আওতাজুড়ে প্রায় ৩ হাজার
পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। তিনি বলেন, আমাদের প্রধান উদ্বেগ হচ্ছে জাতীয় মহাসড়ক
সচল রাখা। সদর দপ্তর থেকে অতিরিক্ত ফোর্স এসে গেছে। একাধিক ডাইভারশন পরিকল্পনা প্রস্তুত
আছে।
ইতোমধ্যে
এই মসজিদ তৈরির উদ্যোগ তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি করছে। হুমায়ুন কবিরের
জন্য এই আয়োজন একদিকে যেমন জনসমাবেশ গঠনের পরীক্ষা, তেমনি একপ্রকার প্রতিরোধ প্রদর্শনও।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এবং নিরাপত্তাবলয়ের চিন্তা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষ আসবে,
কারণ এটি এই এলাকার জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’
মন্তব্য করুন


আসন্ন
নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র
বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব
পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায়
তিনি এ নিদের্শনা প্রদান করেন।
আন্ত:বাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান
উপদেষ্টা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে: জেনারেল এস এম
কামরুল হাসান অভ্যর্থনা জানান।
সভার
শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল
ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সাথে দেশের
আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়।
মতবিনিময়
সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের
সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন
করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের যুক্তরাষ্ট্রের
বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বর্তমানে ওয়াশিংটন সফররত জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর)
রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার বাংলাদেশের ওপর আরোপিত বিদ্যমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার
কমানোর বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় তোলার বিষয়ে
সম্মত হয়েছেন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ এশিয়া ও এ অঞ্চলের অন্যান্য প্রতিযোগী
দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।
এর
পাশাপাশি বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রাধিকারকে সহায়তা করতে একটি নতুন ও উদ্ভাবনী সমাধানের
বিষয়ে দুই দেশ আলোচনা করেছে। গতকাল ড. খলিলুর রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে আলোচনায়
উঠে আসা প্রস্তাবিত এক বিশেষ অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থার আওতায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি
করা তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে উৎপাদিত বস্ত্রের বিপরীতে সমপরিমাণ (স্কয়ার মিটার ভিত্তিতে
পরিমাপযোগ্য) তৈরি পোশাক ও বস্ত্রপণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুযোগ
পেতে পারে বাংলাদেশ।
বাণিজ্যে
এই সৃজনশীল ও পারস্পরিক লাভজনক ব্যবস্থাটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে
বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে একদিকে যেমন বাংলাদেশের উৎপাদক ও শ্রমিকরা উপকৃত হবেন,
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল উৎপাদকদের সঙ্গেও সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক আরও গভীর
হবে।
বিশ্লেষকদের
মতে, এই অগ্রগতি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতি ও পারস্পরিক
আস্থারই প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে একটি
আশাব্যঞ্জক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
মন্তব্য করুন


বলিউডের আকাশে আরেকটি নক্ষত্র নিভে গেল, শেষ হয়ে গেল ভারতীয় সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি ধর্মেন্দ্রের দীপ্তিময় অধ্যায়। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিঃশব্দে থেমে যায় কিংবদন্তি এই অভিনেতার প্রাণ। ৮৯ বছরের জীবনের শেষ মুহূর্তে বলিউডের স্বর্ণযুগের এই নায়ক রেখে গেলেন অজস্র স্মৃতি, অসংখ্য অনুরাগীর অশ্রু আর পর্দায় অমর হয়ে থাকা চরিত্রগুলোর উপজীব্যতা। খবর ইন্ডিয়া টুডে
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলিউড সিনেমার গুণী পরিচালক করন জোহর ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। গুণী তারকার একটি ছবি পোস্ট করে এই নির্মাতা-সঞ্চালক লেখেন, ‘একটি যুগের অবসান… এক মহাতারকার প্রস্থান… মূলধারার সিনেমার এক বীরের প্রতিচ্ছবি অবিশ্বাস্য রূপবান এবং পর্দায় এক অনন্য রহস্যময় উপস্থিতি… তিনি ছিলেন এবং চিরকাল থাকবেন ভারতীয় সিনেমার এক সত্যিকারের জীবন্ত কিংবদন্তি… যিনি সিনেমার ইতিহাসের পাতায় চিরস্থায়ী হয়ে আছেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার অসাধারণ একজন মানুষ ছিলেন।
শূন্যতার কথা জানিয়ে করন জোহর লেখেন, আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো। এমন এক শূন্যতা, যা কোনোদিন কোনোভাবে পূরণ হবে না… তিনি চিরকালই আমাদের একমাত্র ধর্মজি… আমরা আপনাকে ভালোবাসি, সদয় মহাশয়… আমরা আপনাকে ভীষণ মিস করব। আজ স্বর্গ ধন্য হলো। আপনার সঙ্গে কাজ করা ছিল আমার আশীর্বাদ।
উল্লেখ্য, অনেক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত ১১ নভেম্বর তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও সেই খবর সঠিক ছিল না। তারপর থেকে বাড়িতে রেখে তার চিকিৎসা চলছিল। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফের তার মৃত্যুর খবর নেট দুনিয়ায় প্রচারিত হয়। মূলত, আজ এ অভিনেতার বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার পর এই গুঞ্জনের সূচনা। তাছাড়া শোবিজ অঙ্গনের অনেকে ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে হাজির হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিয়ে পরিবার থেকে কিছু জানানো হয়নি।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায়
অংশ নেন তাঁর পুত্রবধু জুবাইদা রহমান, নাতনি জাইমা রহমানসহ খালেদা জিয়া পরিবারের নারী
সদস্য, নারী উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বিশিষ্টজনেরা। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত
খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজে নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়। সেখানে তাঁরা জানাজার
নামাজ আদায় করেন।
বুধবার
(৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজার
নামাজে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
পুরুষদের
জানাজার নামাজ আদায়ের জন্য মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ ও বাইরের
অংশ ছাড়িয়ে বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার ও আগারগাঁও পর্যন্ত এলাকায় মুসল্লিদের ঢল নামে।
লাখ লাখ মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজায়
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, খালেদা
জিয়ার পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা, উপদেষ্টা
পরিষদের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের
প্রতিনিধি, বিদেশি অতিথি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ
অংশ নেন।
অন্যান্য
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
(অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আসিফ নজরুল, আলী ইমাম মজুমদার, আদিলুর রহমান খান। রাজনৈতিক
নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপির মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা
আব্বাস, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী।
এ
ছাড়া জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
আমির আল্লামা মামুনুল হক, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, দেলাওয়ার
হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, এনসিপি নেতা হাসনাত
আবদুল্লাহ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা অংশ
নেন। তিন বাহিনীর প্রধানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত
ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও বিদেশি অতিথিরা জানাজায় অংশ নেন।
জানাজার
নামাজের আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য
রাজনৈতিক ও সংগ্রামী জীবনের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গত
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে
তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। এ সময় সদ্য দেশে ফেরা তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর পাশে ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই থানার (ওসি)-দের পদায়ন করা হয়।
নির্বাচনে দায়িত্ব পালন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য লটারি করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) পদায়নের আগে সৎ,
নিরপেক্ষ পরিদর্শকের তালিকা ইউনিট প্রধানদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। তার ওপর ভিত্তি করেই এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লটারিতে মোট ৫২৭ থানায় নতুন (ওসি) পদায়ন করা হয়েছে। পদায়নকৃতদের নামের তালিকায় প্রস্তাবিত লেখা রয়েছে।
৫২৭ থানার মধ্যে মেট্রোপলিটনের কোনো থানার (ওসি)-কে পদায়ন করা হয়নি।পদায়নের মধ্যে রয়েছে-ঢাকা রেঞ্জে ১৩ জেলায় ৯৮ থানার ওসি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১ জেলায় ১১১ থানার ওসি, খুলনা রেঞ্জে ১০টি জেলায় ৬৪ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়াও ময়মনসিংহ রেঞ্জের ৪ থানায় ৩৬ ওসি, বরিশাল রেঞ্জের ৬ জেলায় ৪৬ ওসি, সিলেট রেঞ্জের ৪ জেলায় ৩৯ থানার ওসি, রাজশাহী রেঞ্জে ৮ জেলায় ৭১ থানার ওসি এবং রংপুর
রেঞ্জের ৮ জেলার ৬২ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে যে, সারা দেশে থানার সংখ্যা ৬৩৯টি।
এরমধ্যে জেলা পর্যায়ে থানার সংখ্যা ৫২৭টি, মেট্রোপলিটন এলাকায় ১১০। মেট্রোপলিটন এলাকার ১১০টি থানার ক্ষেত্রে লটারি হবে না বলে জানায়
সূত্রটি। সূত্রমতে, মেট্রোপলিটন এলাকায় অভ্যন্তরীণভাবে ওসি পদায়নের কাজটি করবেন সংশ্লিষ্ট কমিশনাররা।
এর আগে গত ২৬ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ৬৪
জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হয়।
মন্তব্য করুন