

রাজবাড়ী
সদর উপজেলার কামালদিয়া ব্রিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আলুবোঝাই একটি ট্রাক খাদে পড়ে
সজীব হোসেন (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ট্রাকচালক।
রোববার
(১৫ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে রাজবাড়ী-ফরিদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সজীব
নাটোর সদর উপজেলার বসিলা এলাকার শাহাদত হোসেনের ছেলে। চালকের পরিবর্তে সহকারী সজীব
ট্রাকটি চালাচ্ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী
মতিন শেখ বলেন, নাটোর থেকে আলুবোঝাই ট্রাকটি ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। চালককে পাশে বসিয়ে
ট্রাকটি চালাচ্ছিলেন সহকারী সজীব। ট্রাকটি কামালদিয়া ব্রিজের ওপর পৌঁছালে চালকের আসনে
থাকা সহকারী সজীব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।
এতে
ট্রাকটি ব্রিজের ওপর থেকে ছিটকে নিচে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাক ও আলুর বস্তার নিচে
চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই সহকারী সজীবের মৃত্যু হয় এবং আহত হন চালক।
স্থানীয়রা
চালককে উদ্ধার করলে তিনি জানান, তার সহকারী সজীব ট্রাক চালাচ্ছিলেন। একটি পরিবহনকে
সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহলাদিপুর
হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট অর্পণ নাথ বলেন, নিহত সজীবের লাশ উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে
রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা এলে লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর
করা হবে। ট্রাকটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হবে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া
হবে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পুলিশের গুলিতে
আহত রকিবুল সরদার (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) ভোর ৬টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু
হয়।
নিহত রকিবুল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আলীনগর এলাকার দক্ষিণ কামাইপুর
গ্রামের কালু সরদারের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, রকিবুলের পরিবারে স্ত্রী,
২ মেয়ে, বাবা, ৩ ভাই ও ১ বোন রয়েছে। তিনি ঢাকার উত্তর বাড্ডায় একটি ফার্নিচারের দোকানে
কাজ করতেন। দরিদ্র পরিবারের মাত্র ভরসা ছিলেন তিনি। তার উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল ছিল
পুরো পরিবার।
গত ২০ জুলাই বিকালে উত্তর বাড্ডা এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিল বের
হলে আ. লীগের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ মিছিল দেখতে বাসা থেকে রকিবুল
রাস্তায় বের হয়। এসময় দুই পক্ষের মিছিলের মাঝখানে পড়ে যান তিনি। তখন হঠাৎ পুলিশের একটি
ছোড়াগুলি রকিবুলের পেটের সামনে দিয়ে ঢুকে পিছন দিয়ে বের হয়ে যায়। মুহূর্তেই মাটিতে
লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী শাবনুর বেগম বলেন, আমার স্বামীর ওপর নির্ভরশীল ছিল আমাদের
সংসার। এখন আমাদের সংসার কে চালাবে। আমাদের সব শেষ হয়ে গেল। একটি গুলিতে সব স্বপ্ন
আজ মিথ্যা হয়ে গেল। এখন আমরা কীভাবে বাঁচবো।
নিহতের মামা এইচ এম মশিউর রহমান বলেন, রকিবুল ঢাকায় সোপা কাপড় সেলাইয়ের
কাজ করে তার সংসার চালাতো। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের ধাওয়া পালটা ধাওয়ার মধ্যে
থেকে একটি গুলি এসে লেগে রকিবুলকে শেষ করে দিল। তার সংসারে বাতি আজ নিভে গেল।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনের ১৬টি টিকিটসহ মো. মানিক মিয়া নামে এক স্টুয়ার্ডকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার মানিক মিয়া নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার ছালিপুর গ্রামের আ. মতিনের ছেলে। তিনি মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে স্টুয়ার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রেলওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়—হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনের ওই স্টুয়ার্ডের কাছে একাধিক ট্রেনের টিকিট রয়েছে। এমন তথ্যের পর ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানা পুলিশ তাকে আটক করে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৬টি ট্রেনের টিকিট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে টিকিটগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তাকে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানের মাধ্যমে টিকিটগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


পুশির
হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি
এক ডাকাতের।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
নাসিরনগরে ছদ্মবেশে জীবন মিয়া নামে এক ডাকাতকে ধরে কাঁধে করে থানায় নিয়ে আসেন পুলিশ।
ডাকাত জীবন মিয়া ছাড়া পাওয়ার জন্য পুলিশের হাতে কামড় দিতে থাকলেও হাল ছাড়েননি এসআই
রুপন নাথ।
শুক্রবার
(২৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের একটি জমি থেকে তাকে গ্রেফতার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত
জীবন মিয়া হরিপুর গ্রামের হুরন আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে থানায় একাধিক ডাকাতি
মামলা রয়েছে। সম্প্রতি সে মাধবপুর-হরিপুর সড়কে ডাকাতি করে আসছিলেন।
পুলিশ
জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবন মিয়ার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ। জীবনকে
গ্রেফতারের দায়িত্বে থাকা নাসিরনগর থানা পুলিশের এসআই রুপন নাথ আরও একজন কর্মকর্তা
ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে নিয়ে হরিপুরে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন জীবন তার সঙ্গীদের
দিয়ে একটি জমিতে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে জীবন ও তার
সঙ্গীদের কাছে ইফতার করার জন্য পানি চান। তখন একপর্যায়ে জীবনকে আটক করে পড়ানো হয় হাতকড়া।
এসময় জীবন মিয়া পুলিশ কনস্টেবল রানার হাতে কামড় দিয়ে ও ধস্তাধস্তি করে হাতকড়া নিয়েই
দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ সদস্যরাও ছুটে গিয়ে আবার তাকে আটক করে। একপর্যায়ে
এএসআই মো. কামরুল ডাকাত সদস্যকে কাঁধে তুলেনেন। কিছুদূর আনার পর তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায়
করে কড়া পুলিশ পাহারায় থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ
ব্যাপারে এসআই রূপন নাথ সাংবাদিকদের জানান, পাঁচজন মিলে এ অভিযান চালানো হয়। ডাকাত
জীবন খুবই চতুর। সে পালানোর চেষ্টা করেছিল। একপর্যায়ে তাকে বাধ্য হয়ে কাঁধে তুলে নিয়ে
আসা হয়। এ ঘটনায় রানা নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত আহত হন।
এ
ব্যাপারে নাসিরনগর থানার ওসি মো. সোহাগ রানা বলেন, ডাকাত জীবন খুবই চতুর প্রকৃতির।
তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছিল না। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কেরু চিনিকলের শ্রমিকরা কারখানার প্রধান ফটক অবরোধ করেন। তারা দ্রুত শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। অবরোধ চলাকালে কারখানার ব্যবস্থাপক মো. রাব্বিক হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা কারখানার ভেতরে আটকা পড়েন।
বিকেল ৫টার দিকে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
শ্রমিক, কর্মচারী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেরু চিনিকলে দুই বছর অন্তর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন হয়। চলতি বছর ১৪ মার্চ ভোট হওয়ার কথা থাকলেও, ১১ মার্চ অনিবার্য কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এরপর থেকে প্রায় আট মাস ধরে শ্রমিকরা ভোটের জন্য আন্দোলন চালাচ্ছেন। নির্বাচনের বিষয়টি কেন্দ্র করে শ্রমিক ও কর্মচারীদের মধ্যে দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘাত দেখা দিয়েছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজন শ্রমিক নেতা, অন্য পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন কমিটির বর্তমান কিছু সদস্য।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর নির্বাচনের দাবিতে শত শত শ্রমিক মিছিল করেন এবং প্রধান ফটকের সামনে বসে ও শুয়ে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। দুপুর ১২টার দিকে সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মিলের দ্বিতীয় তলায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাব্বিক হাসানের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করলে শ্রমিকরা তাদের ধাওয়া করেন। দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি হয়, এতে কয়েকজন আহত হন।
শ্রমিকরা কারখানার প্রধান ফটক অবরোধ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট ও স্থানীয় নেতারা চেষ্টা করেন, তবে শ্রমিকরা তাদেরও ধাওয়া করে। পরে সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করে অবরোধ শেষ করা হয়।
সাবেক সভাপতি মো. তৈয়ব আলী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম জানান, ভোটের তারিখ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তারা দ্রুত ভোটের তারিখ ঘোষণা করার দাবি জানান।
কেরু চিনিকলের এমডি মো. রাব্বিক হাসান বলেন, “শ্রমিক ও কর্মচারীরা দুই গ্রুপে বিভক্ত, কেউ কারও কথা মানছে না। সকাল থেকে তারা কারখানার প্রবেশ মুখে অবস্থান নেওয়ায় আমরা ভেতরে আটকা পড়ি। বিকেল ৫টার দিকে তাদের বোঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।”
দর্শনা থানার পরিদর্শক মো. সুলতান আহম্মেদ জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২২ জুন) দিল্লির
হায়দ্রাবাদ হাউসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-মেডিকেল ভিসা চালুর
ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে
অন্তত ১০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।
দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ সংবাদ
সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ই-মেডিকেল
ভিসা চালু করা হবে।
এছাড়া বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের
জনগণের সুবিধার্থে রংপুরে একটি নতুন সহকারী হাইকমিশন খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আজ সন্ধ্যায়
ক্রিকেট বিশ্বকাপ ম্যাচের জন্য উভয় দলকে শুভ কামনা জানাই। বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম
উন্নয়ন অংশীদার এবং আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেই।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান,
বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দিই।
শেখ হাসিনা-মোদির বৈঠক
নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধন আরও গভীর করার লক্ষ্যে আলোচনা
করেছেন।
এই আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারত্ব,
জ্বালানি, পানিসম্পদ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আরও অনেককিছুসহ দ্বিপাক্ষিক
সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদিন সকালে ফোরকোর্টের রাষ্ট্রপতি
ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় শেখ
হাসিনা সশস্ত্র সালাম গ্রহণ ও গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন। সকাল ৯টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে
পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা সচিবালয়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর শেখ হাসিনা
রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যা ৬টায়
প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন। রাত ৯টায়
তিনি ঢাকায় অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সবশেষ, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে
শেখ হাসিনা দিল্লিতে শেষ দ্বিপক্ষীয় সফর করেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশে একটি বড় সংখ্যক পর্যবেক্ষক
দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে
অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের
সদস্য ইভারস আইজাবস এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
পরে
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে
সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রেস
সচিব বলেন, বৈঠকে নির্বাচন প্রস্তুতি, সমতা ভিত্তিক মাঠ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড), গণভোটে
‘হ্যাঁ’ ভোটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
শফিকুল
আলম বলেন, ইভারস আইজাবস বৈঠকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ঐতিহাসিক হিসেবে দেখছে। এ কারণেই তারা বড় আকারের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর
সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনেক দেশেই নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায়
না; কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বড় বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব রয়েছে এবং বাংলাদেশকে তারা
ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ হিসেবে বিবেচনা করে।
প্রেস
সচিব জানান, শেখ হাসিনার প্রায় সাড়ে ১৬ বছরের শাসনামলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একবারও বাংলাদেশে
নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠায়নি। ইভারস আইজাবস মনে করেন, আগের তিনটি সংসদ নির্বাচন
বিশ্বাসযোগ্য হয়নি। তবে এবার নির্বাচনকে ঘিরে সর্বত্র ইতিবাচক মনোভাব ও উৎসাহ দেখা
যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
ব্রিফিংয়ে
জানানো হয়, বৈঠকে আওয়ামী লীগ বা দলটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে
গণভোট বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘হ্যাঁ’
ভোট গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের
সুযোগ তৈরি হবে।
প্রেস
সচিব বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। তারা
বড় রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গেও কথা বলবে এবং পুরো নির্বাচন
প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আশ্বস্ত করেছেন যে আসন্ন নির্বাচন
ও গণভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর। তিনি বলেন, নির্বাচন
কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে এবং সব রাজনৈতিক
দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সর্বত্র এখন নির্বাচনের
জোয়ার চলছে।
নির্বাচনের
নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা জানান, দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে
নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এসব ক্যামেরা একটি কেন্দ্রীয়
অ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও ঢাকা থেকে সরাসরি মনিটর করা যাবে। সব কেন্দ্রেই
থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা। দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী থাকবে র্যাপিড রেসপন্স
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট চাওয়ার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আইনগত মতামত নিয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, শীর্ষ আইন বিশেষজ্ঞরা লিখিতভাবে জানিয়েছেন—এ বিষয়ে কোনো আইনগত বাধা নেই। তাই সরকার এ বিষয়ে প্রচার ও জনসচেতনতা কার্যক্রম চালাবে।
প্রধান
উপদেষ্টা আরও বলেন, ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে। ইউরোপীয়
ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক পাঠানো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য একটি বড় স্বীকৃতি।
তবে
বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারের কথা উল্লেখ করেন
অধ্যাপক ইউনূস। তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচারের সমর্থকেরা নির্বাচন বিঘ্নিত করার চেষ্টা
করতে পারে। এসব মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, নারী ও তরুণদের মধ্যে ভোট নিয়ে উচ্চমাত্রার উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে ভালো ভোটার উপস্থিতির আশা করছে সরকার।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, মাদক ও নগদ টাকাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৩টা থেকে হাইজাদি ইউনিয়নের ধন্দি ভিটি কামালদি এলাকার পাশে মুন্সীগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে আড়াইহাজার সেনা ক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ক্যাপ্টেন তৌফিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন—ধন্দি ভিটি কামালদি এলাকার নাঈম (৩৮), প্রভাকরদি এলাকার রুবেল ভূঁইয়া (৩৩), একই এলাকার সুমন (৩০) এবং রুনা আক্তার (৩৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাঈমের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার ঘর থেকে দুটি অবৈধ পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি, ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ১০৫ পিস ইয়াবা এবং ১৪-১৫টি দা, ছুরি ও চাকুসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন জানান, উদ্ধার করা অস্ত্র, মাদক ও নগদ টাকার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঈদযাত্রা স্বস্তি ও আরামদায়ক করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে প্রথমবারের মতো ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ২টি বিশেষ ট্রেনই আসা-যাওয়ার পথে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৭টি স্টেশনে থামবে।
ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ৫ দিন এই রুটে অন্তত ২টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। এই প্রথম এই অঞ্চলের মানুষ ট্রেনে চড়ে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সড়ক পথের উপর বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ কিছুটা কমবে। স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার আশা এ অঞ্চলের মানুষের।
তারা জানিয়েূছেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষজনের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদে বাড়ি যেতে কি পরিমাণ দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটা বুঝানো মুশকিল। এবার সে ঝামেলা ও দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। ট্রেনে করে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যাওয়া যাবে।
যে সকল স্টেশনে ট্রেন থামবে:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৭টায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে।
পথে ট্রেনটি ষোলোশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামবে।
কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে গত ১ ডিসেম্বর থেকে। বিপুল যাত্রী চাহিদা থাকলেও গত ৩ মাস ধরে এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এনিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন এটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। সে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবতায় রূপ দিয়েছেন। কিন্তু এখনো ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। চট্টগ্রাম অল্পকিছু যাত্রী পরিবহনের সুযোগ রয়েছে। সেখানের টিকিট পাওয়াও দুর্লভ।
বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ঈদ যাত্রায় সেটি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
ঈদে বিপুল এ যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এবারের ঈদযাত্রায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। এতে ঈদযাত্রায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তারেক মুহাম্মদ ইমরান বাংলানিউজকে বলেন, এবার প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল সাতটায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে। ট্রেনটি থামবে ৭ টি স্টেশনে ।
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল। অগ্রিম টিকিট মিলবে ২৪ মার্চ থেকে। গতবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার কোনো টিকেট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইনেই টিকিট মিলবে শতভাগ ।
মন্তব্য করুন


পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা থেকে দাদি-নাতনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হয় স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে বাড়িতে চলে যান তারা। এরপর সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। এক পর্যায়ে নাতনী জামিলাকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে বাড়ির পাশে সরিষার ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে সকালে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কারা, কি কারণে তাদের হত্যা করলো পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের
একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এবার প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়া।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায়
সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
একজন বীর উত্তমের স্ত্রী বা বিরোধীদলীয়
নেতা হিসেবে বিগত সময়ে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা এ দিবসের
আমন্ত্রণ জানালেও এবার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তা সস্ত্রীক সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমন্ত্রণপত্র দেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, ২০০৯ সালের
পর এবারই প্রথম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে মোট ২৬ জন আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছেন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান এবং
অন্য পদমর্যাদার সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন