

প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান আগামী পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
আজ রোববার (১৫ মার্চ) কৃষক কার্ডবিষয়ক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি
জানান, সকালে সংসদ সচিবালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড
বিষয়ক বৈঠক হয়। বৈঠকে আগামী পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৈঠকে
কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার,
সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ
ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির
নির্বাচনী ইশতেহারে সারা দেশে কৃষকদের সহযোগিতা করতে কৃষক কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


পিলখানা ত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী আজ সকালে জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শহিদ পরিবারসহ জাতিকে জানাতে চাই- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে, যাতে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর না ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটা চেষ্টা ছিল। এ কাজটা তারাই করতে পারে, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।
মন্ত্রী আরো বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের একটি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল্য উদ্দেশ্য কি ছিল, তা জানার জন্য তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তার ফলাফল আজো প্রকাশিত হয়নি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়, যার রিপোর্ট আমাদের সামনে এসেছে। তবে সে রিপোর্ট বাস্তবায়নে সে সরকার তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তিনি আরো বলেন, আমরা নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করবো না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথোপযুক্ত লোক দিয়েই তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনের রিপোর্টে যে সুপারিশগুলো এসেছে, বিচারাধীন যে মামলাগুলো আছে, এই বিচারিক প্রক্রিয়াগুলোকে সমাপ্ত করা হবে। অন্যান্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় শহিদ সেনা দিবস পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিজিবি'র মহাপরিচালক এবং শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ সহ আমি বনানী কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। আজ বিকালে এ উপলক্ষ্যে সেনানিবাসে ইফতার, দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারাই জীবন দিয়েছে, তারাই চিরস্মরণীয় ও চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মোটরসাইকেলে করে অভিনব কায়দায় ফেনসিডিল বহনের সময় ফরিদপুর জেলার মধুখালী এলাকা থেকে ১৫২ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক (অপারেশন অফিসার) আমিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা হলো: মো. জাবেদ আলী (৩৮) ও বাক প্রতিবন্ধী মো. ইকবাল হোসেন (২৫)।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন সেনখালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা মূল্যমানের ১৫২ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল, ১টি ব্যাগ ও ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক কারবারি। তারা বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফেনসিডিলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকা ও ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
তিনি আরও জানানম গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে
নিউইয়র্কে যাবেন । এ সফরে তার সঙ্গে থাকবেন ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
আগামী ২২-২৭ সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত এ সফর করবেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো.
তৌহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, সাত
সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে রয়েছেন- ড. ইউনূসের মেয়ে দিনা আফরোজ ইউনূস, এসডিজি
বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত বাংলাদেশের
বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,
দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম,
প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব শাব্বীর আহমদ, বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা তিথি।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মো. তৌহিদ হোসেন জানান, প্রধান উপদেষ্টা
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যাচ্ছেন সেটার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ
অধিবেশনে যোগ দিতে সংক্ষিপ্ত সফরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে যাবেন। তবে তিনি খুব সংক্ষিপ্ত সফর করে চলে আসবেন।
ওয়াশিংটনে গেলে হয়ত আরও
কিছু কাজ হতে পারত কিন্তু তিনি অল্প সময়ে খুব তাড়াতাড়ি নিউইয়র্ক থেকে ফিরে আসবেন।
সেখানে কার সঙ্গে বৈঠক হবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা তো
গেলে হবেই। কিছু কিছু কথা বার্তা হচ্ছে। কিছু বৈঠক হবে এটুকু বলতে পারি। তবে
স্পেসিফিক বলতে পারি না। সব ক্ষেত্রে সব হেড অব স্টেট যান এমনটা তো নয়। নিউইয়র্কে
যে ফরমেট সেভাবে হবে। ওয়াশিংটনে তো তিনি যাবেন না।
মন্তব্য করুন


সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগির দাম কমেছে। একই সঙ্গে উৎপাদন বাড়ার নতুন পেঁয়াজ ও আলুর দামও কমেছেতবে শীতকালীন সবজির বাজার স্থিতিশীল আছে।
১৯ জানুয়ারি শুক্রবার রাজধানীর তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চলতি সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। যা গত সপ্তাহে ২১০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। সপ্তাহ ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। এসব বাজারে সোনালি কক, সোনালি হাইব্রিড কক ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাজারগুলোতে সোনালি কক ৩০০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০, দেশি মুরগি ৫০০ থেকে ৫২০ ও লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পাইকারি বাজারে মুরগির দাম কমায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। তবে মুরগির দামের কারণে বিক্রি তুলনামূলক কমেছে বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এ ব্যাপারে শেওড়াপাড়া বাজারে মুরগি বিক্রেতা সোহেল বলেন, সপ্তাহ ব্যবধানে সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। দুই মাস ধরেই মুরগির বাজারে অস্থিরতা চলছে। এতে করে আমাদের বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে। তবে পাইকারি বাজারে দাম কমায় আমরাও দাম কমিয়ে বিক্রি করছি।
চলতি সপ্তাহে এসব বাজারে নতুন পেঁয়াজ ১০ টাকা কমে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ দেশিটা (পুরাতন) ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে শীতকালীন সবজি দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে নতুন আলুর কেজিতে ১০ টাকা কমে ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহেও এই আলু ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
বাজারগুলোতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৭০, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৫০ থেকে ৬০, কাঁচা টমেটো ৩০, কচুরমুখী ১০০ এবং গাজর ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফুলকপি প্রতিটি ৪০ থেকে ৬০ টাকা ও বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার এসব বাজারে বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, করলা ৭০, ঢেঁড়স ১০০, পটল ৮০, বরবটি ১২০, ধুন্দুল ৮০, চিচিঙ্গা ৮০, খিরাই ৪০ থেকে ৫০, শশা ৬০, পেঁপে ৪০, ধনে পাতা ১০০ থেকে ১৫০, মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা, নতুন আলু ৬০, নতুন উঠা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দরে, ভারতীয় পেঁয়াজ ১০০, পেঁয়াজের ফুলকলি ৬০ ও কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০, কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায় ও জালি কুমড়া ৪০ টাকা প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বাজারগুলোতে লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০, মূলা শাক ১০ থেকে ১৫, পালং শাক ১৫ ও কলমি শাক ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১০৫০-১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ ও দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০ টাকা।
শুক্রবার এসব বাজারে মাছের দাম অপরিবর্তিত আছে। বাজারগুলোতে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ (চাষের, আকারভেদে) ৩০০ থেকে ৫০০, রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০, মাগুর মাছ ৭০০ থেকে ৯০০, মৃগেল ৩০০ থেকে ৪৫০, পাঙাস ২০০ থেকে ২২০, চিংড়ি ৬০০ থেকে ৮০০, বোয়াল মাছ ৪০০ থেকে ৯০০, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০, তেলাপিয়া ২২০, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩০, মলা ৫০০, বাতাসি টেংরা ৯০০, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০, কাচকি মাছ ৬০০, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০, রুপচাঁদা ১০০০, বাইম মাছ ১০০০ থেকে ১২০০, দেশি কই ১০০০, সোল মাছ ৬০০ থেকে ৮০০, আড়ই মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ এবং কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবীতে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সোমবার দুপুর ১২ টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড প্রাঙ্গণে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, কতিপয় অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রী শিক্ষা বোর্ডের এখতিয়ার বহির্ভূত দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে গেটে তালা ঝুলিয়ে অবরুদ্ধ করাসহ গালমন্দ এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারই প্রতিবাদে সারাদেশে আন্তঃবোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা মানববন্ধন করে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ২৫টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত ৭৬ জন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান কুমিল্লা-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে আসনভিত্তিকভাবে প্রার্থীদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক বরাদ্দ ঘিরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় অধিকাংশ প্রার্থী নিজে উপস্থিত না থেকে তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রতীক সংগ্রহ করেন। কুমিল্লা- ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলাীর প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহামম্মদ, কুমিল্লা-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হআবুল কালাম আরও কিছু প্রার্থী নিজ নিজ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রতীক গ্রহণ করেন।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীরা প্রচারণার কৌশল নির্ধারণ ও মাঠে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক গ্রহণ করেছেন।এরমধ্যে কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। এরমধ্যে মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করেছি।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন,দেশের তরুণদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং যুব ঋণ নীতিমালাকে যুগোপযোগী করা হচ্ছে।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) নাটোর সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম সরাসরি ও ১০টি জেলার ১৩টি উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের পর জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, তরুণদের নেতৃত্বেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। দেশের তরুণদের বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বমানের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তিসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা ও একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে একটি টাস্কফোর্সও গঠিত হয়েছে। সারা দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শটি উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি উপজেলাগুলোতেও মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ সম্পন্ন করা হবে।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে বিকেন্দ্রীকরণ নীতিমালা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব স্টেডিয়ামের পরিচর্যা করতে হবে। স্টেডিয়ামগুলো যেন বিভিন্ন ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে বছরব্যাপী সচল থাকে। এক্ষেত্রে ক্রীড়া সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও সফলতা বয়ে আনা সম্ভব। মিনি স্টেডিয়ামগুলোতে তিনতলা বিশিষ্ট প্যাভিলিয়ন ভবন এবং পাঁচ ধাপ বিশিষ্ট তিনটি সাধারণ গ্যালারি রয়েছে। পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা আলাদা টয়লেট ব্লকও রয়েছে।
নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম এবং নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম।
উপদেষ্টা দুপুর ১টায় নাটোর সার্কিট হাউসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে আর কোনো আয়নাঘর ও ভাতের হোটেল থাকবে না বলে জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক।
শনিবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক এই কথা জানান।
ডিবি প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের সামনে এলেন ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক।
মিট দ্য প্রেসে রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের অত্যন্ত সংকটকালে আমি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবিপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। এজন্য আমি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইজিপি এবং ডিএমপি কমিশনারের কাছে কৃতজ্ঞ।
ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, বিগত সময়ে উচ্চাভিলাসী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা সমগ্র পুলিশবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। এর ফলে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও বিগত সরকারের পতনকে ঘিরে সংঘর্ষ-সহিংসতায় পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়ে। এই ধরনের ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পুলিশ বাহিনী কখনো পড়েনি। এমন পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে আইজিপি ও পুলিশর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কর্মতৎপরতায় ডিএমপির সব থানা ও ডিবির কার্যক্রম পুরোদমে সচল হয়েছে।
ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা আফিসে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। ডিবির কলঙ্কিত অধ্যায় শেষ করে সেটিকে পবিত্র করা হবে, যেখানে মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। সেখানে কোনো নায়ক-নায়িকা বা সেলিব্রেটিদের সময় কাটানোর জায়গা হবে না। থাকবে না কোনো ভাতের হোটেল। আসামি যেই হোক না কেন, সে বিচার পাবে। গ্রেপ্তার আসামিদেরও নির্যাতন করা হবে না। ডিবি অফিসের নাম শুনে আর যেন কেউ আতঙ্কিত না হয়, শুধু আসামিরাই যেন ভয় পায়।
ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিকআরও বলেন, আমি যতদিন ডিবিপ্রধানের দায়িত্ব পালন করব, ততদিন ন্যায়-নীতি, পেশাদারিত্ব ও সত্যতার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব। যারা ভুক্তভোগী ও অসহায় তাদের কথা শুনব। তাদের কীভাবে আইনগত সহযোগিতা করা যায় সেটি দেখব। ডিবিকে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে ডিবি অফিস হবে ভুক্তভোগীদের ভরসাস্থল।
ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক আরও বলেন, আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ডিবির কোনো সদস্য যদি কোনো ধরনের অনৈতিক ও অপেশাদার কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয় তাদেরও বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন’
বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ৩টায় সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ
সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায়
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর
উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মন্ত্রীপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ঈশ্বরদী-ঢাকা রেলরুটের পাবনার চাটমোহর রেলস্টেশনে অভিযান চালিয়ে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের মূলহোতাসহ ৬ জনকে চাটমোহর রেলস্টেশন থেকে আটক করেছে র্যাব।
আটককৃতরা হলো: শরিফুল ইসলাম (৩৮), আরিফুল ইসলাম (৩২), আব্দুল জলিল (৪৫), জাহিদুল ইসলাম (৩৪), হাবিবুর রহমান (২২) ও আনিসুর রহমান (২৮)।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান, র্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার মেজর এহতেশামুল হক খান।
র্যাব জানায়, একটি চক্র পাবনার চাটমোহর রেলস্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করে আসছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে বিকেলে অভিযান চালিয়ে টিকিট কালোবাজারি চক্রের মূলহোতা শরিফুল ইসলামসহ উল্লেখিত ৬ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় বিভিন্ন ট্রেনের ৩৬টি টিকিট, টিকিট বিক্রির নগদ ১৫ হাজার টাকা ও ৭টি মোবাইল ফোন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, চাটমোহর রেলস্টেশনে টিকিট কালোবাজারি সিন্ডিকেটের মূলহোতা শরিফুলের নেতৃত্বে এই চক্রটি সংঘবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন ধরে চাটমোহর স্টেশন থেকে রাজশাহী-ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস ও ধূমকেতু এক্সপ্রেস এবং খুলনা-ঢাকাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস, দিনাজপুর-ঢাকাগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করে আসছিলেন। এ ঘটনায় আটককৃতদের নামে মামলা দায়ের করে চাটমোহর থানায় সোপর্দ করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন