

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের পূর্ব আলীয়ারা গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম পাটোয়ারী’র সুযোগ্য কন্যা অ্যাডভোকেট সুমি আক্তার ঢাকা মহানগর ও দায়রা জজ সিনিয়র চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (৪র্থ) আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সুমি আক্তার পঞ্চম। তিনি নন্দনপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৭ সালে এসএসসি, ঢাকা শহীদ জিয়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২০০৯ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। অ্যাডভোকেট সুমি আক্তার উপজেলার কাদিরখিল গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. জাহিদুল ইসলাম সবুজের সহধর্মনী।
উল্লেখ্য যে, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত ও সিএমএম আদালতসহ বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালে মোট ৬৬৯ আইনজীবীকে পিপি, জিপি, এপিপি ও এজিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগের উপ-সলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইনের স্বাক্ষরিত এ নিয়োগ দেওয়া হয়। অ্যাডভোকেট সুমি আক্তার সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি বুধবার (২ অক্টোবর) ১১ পদাতিক ডিভিশন ও বগুড়া এরিয়া পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান বগুড়া সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
অতঃপর তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বগুড়া এর নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন।
এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি বগুড়া সেনানিবাসে আয়োজিত সেনাবাহিনী ফুটবল প্রতিযোগিতা- ২০২৪ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার বগুড়া এরিয়া, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, সেনাসদর ও বগুড়া এরিয়ার উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, অন্যান্য অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার এবং অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৪ এ বিভিন্ন সেনা অঞ্চলের মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ২৪ পদাতিক ডিভিশন দল চ্যাম্পিয়ন এবং ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড দল রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলায় ২৪ পদাতিক ডিভিশন দল ৪-০ গোলে ৪৬ পদাতিক ব্রিগেড দলকে পরাজিত করে। উক্ত প্রতিযোগিতা গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে শুরু হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় আপেল বরই কিংবা কুল চাষে সফল হয়েছেন শহীদ বেপারী। প্রথমবারই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের বরই। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের বেশ চাহিদা আছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, পালাখাল গ্রামের নয়াবাড়ির অধিবাসী কৃষক শহীদ বেপারী ২২ শতক জায়গায় গড়ে তোলা বরই বাগান পুরোটা নেট দিয়ে ঘেরা। ভেতরে প্রবেশ করে গাছে ঝুলতে দেখা যায় সবুজ-হলুদ ও লালচে থাই-বলসুন্দরী বরই। বিক্রির জন্য শহীদ বেপারীসহ কয়েকজন গাছ থেকে বরই তুলে ব্যাগে রাখছেন। আকারে বড় ও স্বাদে সুমিষ্ট হওয়ায় বাগানেই বিক্রি হয়ে যায় সব বরই।
কৃষক শহীদ বেপারী বলেন, অনেক বছর ধরে কৃষিকাজ করছি। বাড়ির পাশে প্রথমে ২২ শতক জায়গায় বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই গাছ লাগাই। সাতক্ষীরা থেকে চারা সংগ্রহ করেছি। এ পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকার বরই বিক্রি করেছি। গাছে যে পরিমাণ বরই আছে, আশা করছি লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।
কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, কম খরচ ও পরিচর্যায় বেশি ফলন পাওয়ায় বরই চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের। বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই অনেক সুস্বাদু। শহীদ বেপারী এ জাতের বরই চাষ করে প্রথম বছরই সফল হয়েছেন। বরই চাষে কোনো কৃষক আগ্রহ হলে কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরে জীবন্ত রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপ ধরে বনবিভাগে জমা দেওয়ার পর
আওয়ামী লীগের ঘোষিত পুরস্কারের অর্থ পেয়েছেন দুই ব্যক্তি।
এ দুজন ছাড়াও আরও একজনকে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকেলে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো.
ইশতিয়াক আরিফ জীবিত রাসেলস ভাইপার ধরা দুজনকে ৫০ হাজার করে ১ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার
বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুরস্কারের অর্থের চেক পাওয়া আজাদ শেখ বলেন, আমি জেলা আওয়ামী লীগের ঘোষিত পুরস্কারের
৫০ হাজার টাকা পেয়েছি। ধন্যবাদ জেলা আওয়ামী লীগ, তাদের কথা রাখার জন্য।
সোমবার দিবাগত রাতে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত অফিসে
দুজনের হাতে পুরস্কারের অর্থের চেক তুলে দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ
মো. ইশতিয়াক আরিফ।
পুরস্কার পাওয়া ব্যাক্তিরা হলেন—ফরিদপুর সদরের রেজাউল করিম ও আজাদ শেখ। শাহজাহান
নামের আরও একজনকে পরে পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ বলেন, আমাদের
ঘোষণা অনুযায়ী তিন ব্যক্তিকে পুরস্কার বাবদ ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা। আমরা ঘোষণা
অনুযায়ী দুজনকে সোমবার রাতে আমার ব্যক্তিগত অফিসে ৫০ হাজার করে এক লাখ টাকা দিয়েছি।
আর একজনকে আমরা পুরস্কার দেব। সেটা দুই-একদিনের মধ্যে দিয়ে দেব। জেলা আওয়ামী লীগ তাদের
কথা রেখেছে।
প্রসঙ্গত, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন উপেক্ষা করে প্রথমে রাসেলস ভাইপার মারতে পারলে
গত ২০ জুন ৫০ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
শাহ মো. ইশতিয়াক। এ নিয়ে সমালোচনা হওয়ার একদিন পরে ২১ জুন জেলা আওয়ামী লীগ ওই ঘোষণা
থেকে কিছুটা সরে এসে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিজে সুরক্ষিত থেকে জীবিত রাসেলস
ভাইপার ধরে বনবিভাগে জমা দেওয়া হলে তাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হব। তবে জেলা
আওয়ামী লীগের এ সংশোধিত ঘোষণাও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের পরিপন্থি। এ ঘোষণার পর রাসেলস
ভাইপার জীবিত ধরার জন্য তোড়জোর শুরু হয়ে যায় ফরিদপুর সদরসহ বিভিন্ন গ্রামে।
ইশতিয়াক আরিফ আরও বলেন, মৃত রাসেলস ভাইপার সাপ আনতে পারলে ও পরবর্তীতে জীবিত
রাসেলস ভাইপার ধরতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তবে প্রথমে মৃত রাসেলস ভাইপারের পুরস্কারের
কথাটা আমরা একটু ইমোশনাল হয়েই বলেছিলাম। তবে, এ ব্যাপারে নানা জনের নানা কথা শুনতে
হয় আমাদের, পরবর্তীতে জীবিত রাসেলস ভাইপার সাপ ধরতে পারলে পুরস্কারের ঘোষণা করেও নানা
কথা শুনতে হয় এবং আইনগত সমস্যা আছে বলে জানানো হয়। পরে আমরা উভয় পুরস্কারের ঘোষণা প্রত্যাহার
করে নিয়েছি। এরপর থেকে জীবিত কিংবা মৃত রাসেলস ভাইপারের জন্য কাউকে কোনো পুরস্কার দেওয়া
হবে না।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে গণপিটুনিতে নিহত মাসুদ কামাল তোফাজ্জলের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটার কাঠালতলী ইউনিয়নের চরদোয়ানি তালিমুল কুরআন মাদরাসা ময়দানে তোফাজ্জলের জানাজা শেষ হয়।পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার মা-বাবা আর ভাইয়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজা শেষে তোফাজ্জলকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে চরদোয়ানি বাজারের প্রধান সড়কে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।
নিহত তোফাজ্জল হোসেন পাথরঘাটার তালুকের চরদুয়ানী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। তার বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় এবং মা ও ভাই ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার পরিবারের কোনো সদস্য জীবিত নেই। এ কারণে তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন।
তোফাজ্জলের স্কুলশিক্ষক মিলন মিয়া গণমাধ্যমে জানান, স্কুল জীবন থেকেই তোফাজ্জল খুব মেধাবী এবং শান্ত স্বভাবের লোক ছিল। ও সবসময় শিক্ষক এবং বড়দের সম্মান করতো। আমরা হত্যাকারীদের বিচার চাই এবং তার সঙ্গে যারা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন করেছেন তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে তার মামাতো বোন তানিয়া জানান, আমি আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার চাই। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে হত্যা করে দোষ এড়ানোর জন্য মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করলে মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গণপিটুনিতে নিহত হন মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল। পরে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে তোফাজ্জলের মরদেহ পাথরঘাটার নিজ গ্রাম চরদোয়ানিতে নেয়া হয়। এরপর তাকে দেখতে এলাকাবাসী ভিড় জামাতে শুরু করেন। পরে শুক্রবার সকালে তোফাজ্জলের জানাজায় অংশ নেন দূরদূরান্ত থেকে আসা ও এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে বোর্ডের সামনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে প্রথম দাবি হলো দুর্যোগ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার স্থগিত থাকবে ।
দ্বিতীয়: ১৩ জুলাই যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাদের পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে ।
তৃতীয়: আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে ।এ সময় তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কুমিল্লা সাপোর্টের দিকে রওনা দিলে আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমাতুজ জোহরা এবং কোতোয়ালী থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকের বাইরে অবস্থান করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থী সাফিন আহমেদ বলেন, ‘গতকাল শিক্ষার্থীরা কোমরপানি ভেঙে কেন্দ্রে এসেছেন । তাদের আর্তনাদ কেউ দেখে না । তাদের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একমত পোষণের জন্য আমি এখানে অবস্থান নিয়েছি।’
কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী শাকিল আহমেদ বলেন, ‘গতকালের পরীক্ষা অনেকেরই খারাপ হয়েছে বৈরী আবহাওয়ার কারণে। এই পরীক্ষা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে ভর্তির সময় এই পরীক্ষার জিপিএ কাউন্ট করা হয়। আপাতত দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি করা হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রীকে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়ার দাবি করছি।’
উল্লেখ্য: গতকাল কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে কোমরপানি মাড়িয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পর অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর জন্য তারা শিক্ষামন্ত্রীর তদারকির ব্যর্থতাকে দায়ী করেন ।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কবি সাহিত্যিকেরা বলে গেছেন, যদি কখনো মনের ব্যামো হয়, তাহলে আবহাওয়ার বদল করতে হয়। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাহিত্যের অঙ্গনে ছেলেমেয়েরা কবি সাহিত্যিকদের দেয়া সেই প্রেসক্রিপশনই অনুসরণ করলেন। তাইতো তারা নিয়মিত ক্লাস, এসাইনমেন্ট, পরীক্ষার একঘেয়েমি থেকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচার জন্য বান্দরবানের প্রকৃতি থেকে ঢু মেরে আসলো।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ রাতে প্রকৃতির অনন্য নিদর্শন বান্দরবানের এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষাসফরের শুভকামনা এবং সাময়িক বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আলী হোসেন চৌধুরী।
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোরে শিক্ষাসফরের বাসটি বান্দরবান পৌঁছায়। সেখান তারা অপরূপ সৌন্দর্যে বেষ্টিত মেঘবাড়ি রিসোর্টে অবস্থান নেন। পাহাড় ঘেরা সবুজ মেঘের রাজ্যে সবাই মিলে একসাথে তাদের সকালের নাস্তা শেষ করেই তারা বেড়িয়ে পড়েন প্রকৃতির টানে। চাঁদের গাড়িতে করে পাহাড়ের বুক চিড়ে তারা ছুটে চলে নীলগিরি আর নীলাচলের দিকে। পথিমধ্যে তারা বিভিন্ন ঝর্ণা, এবং পাহাড়ী ছড়ার মায়াবী সৌন্দর্য উপভোগ করে। উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর কথা মাথায় রেখেই “considers man and nature as essentially adapted to each other, and the mind of man as naturally the mirror of the fairest and most interesting properties of nature.” তারা গিরিবালার সৌন্দর্য অবলোকন করেছেন, সেখানকার ইতিহাস আর সংস্কৃতি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। শুধু পাহাড় দেখেই তারা তৃপ্ত হয়নি, ফিরতি পথে তারা সমুদ্র সৈকতে (পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত) তাদের পদচিহ্ন এঁকে দিয়ে এসেছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া :
চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষার মান উন্নয়নে বক্সগঞ্জ গোলামুর রহমান মডেল একাডেমীতে অভিভাবক সমাবেশ,শিক্ষার্থীদের সনদপত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ওই একাডেমীর আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে হিসেবে এসব সনদপত্র বিতরন করেন বক্সগঞ্জ গোলামুর রহমান মডেল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. গোলাপ শাহ।
একাডেমীর শিক্ষক পারভেজ হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান শিক্ষক তাছলিমা আক্তার, শিক্ষক মোশারফ হোসেন,জাহিদ হোসেন,সানজিদা আক্তার সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য যে, কচুয়া কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় ওই একাডেমী থেকে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে একজন ট্যালেন্ট পুল ও ৩জন সাধারন গ্রেডে বৃত্তি লাভ করে। ট্যালেন্টপুলে ফারিয়া আক্তার,সাধারন গ্রেডে মিম আক্তার,আব্দুল আজিজ ও জিহাদ হোসেনকে নগদ অর্থ সহায়তা ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। পাশাপাশি বক্সগঞ্জ গোলামুর রহমান মডেল একাডেমীটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে ভালো ফলাফল করে আসছে। ভবিষ্যতেও আরো ভালো ফলাফল অর্জন করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান গোলাপ শাহ সহ অন্যান্য শিক্ষকরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীর জলাবদ্ধ এইচএসসি পরীক্ষার কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের ফোনকলে পরিবর্তন করা হয়েছে। এছাড়া একই দিন জলাবদ্ধতায় দেরি করে শিক্ষার্থীরা
কেন্দ্রে আসায় ৩০ মিনিট সময় বাড়তি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার
(১৩ জুলাই) কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্র
পরিদর্শন করে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, জলাবদ্ধ
কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের নৌকা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে
পড়লে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। তিনি কিছুক্ষণ আগে আমাকে কল দিয়ে পরিস্থিতি সম্পর্কে
জানতে চেয়েছেন। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টার কথা জানিয়েছি। পরে কুমিল্লার এই কেন্দ্রের
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিবর্তনের কথা জানিয়েছি তার সঙ্গে ৩০ মিনিট সময় বৃদ্ধি করার কথাও
জানিয়েছি।
এর
আগে, সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় কুমিল্লার মনোহরপুরের
সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাসহ সাধারণ
বাসিন্দারাও। নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি অনেক পরীক্ষার্থী। এ অবস্থায়
নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে ঢুকছে দেখা গেছে পরীক্ষার্থীদের।
নগরীর
মনোহরপুরের কুমিল্লা মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ভেতর শিক্ষার্থীদের জন্য নৌকার ব্যবস্থা
করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় কুমিল্লা মহিলা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নৌকায়
করে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে দেখা গেছে। অনেকে কোমর পানি দিয়ে গেছেন পরীক্ষা কেন্দ্রে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে কুমিল্লায়।
এতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রধান সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকা। কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও
কোমর সমান পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে
পড়েছেন মানুষ।
মন্তব্য করুন


চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে অর্থ আত্মসাৎকারী সংঘবদ্ধ এই প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর সক্রিয় হয়ে উঠতো একটি প্রতারক চক্র। চক্রের সদস্যরা মাঠকর্মী সেজে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে যে কোনো চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিতো। এভাবে প্রার্থীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়ার মাধ্যমে গত কয়েক বছরে চক্রটি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
ডিবি জানিয়েছে, রেলপথ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কারা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র অধিদপ্তর, বিআরটিসি, বিএডিসি, সচিবালয়, ব্যাংক, মেট্রোরেল, এয়ারপোর্ট, তিতাস গ্যাস এবং বিশেষ বাহিনীর সিভিল পদে চাকরির বিজ্ঞাপন বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসার পর একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করত একটি চক্র। চক্রটি প্রত্যেক চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও এখন পর্যন্ত কাউকে চাকরি দিতে পারেনি। এভাবে গত কয়েক বছরে তারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. ফরিদুল ইসলাম (২৯), মো. নাসির চৌধুরী (৪৫), মো. নাসিম মাহমুদ (৪৩) ও জুয়েল রানা (৪৫)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু ভুয়া নিয়োগপত্র, চেক ও স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, গ্রেফতাররা বেশ কিছুদিন ধরে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে দেখিয়ে প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। অনুসন্ধানে এই চক্রের বিভিন্ন ধাপ লক্ষ্য করা যায়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, কোনো চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেই এই চক্রের সদস্যরা মাঠকর্মী সেজে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে যে কোনো চাকরি পাইয়ে দেওয়ার মতো তাদের হাতে লোক রয়েছে বলে আশ্বস্ত করতো। চাকরিপ্রার্থীরা তাদের প্রস্তাবে রাজি হলে ব্লু ব্যাংক চেক, ব্ল্যাংক স্ট্যাম্প ও সিভি সংগ্রহ করার পাশাপাশি প্রত্যেকের কাছ থেকে অগ্রিম হিসেবে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা নিতো।
ডিবিপ্রধান আরো বলেন, মাঠকর্মী তার কমিশনের নির্দিষ্ট টাকা রেখে বাকি টাকা ও সিভি ফিল্ড পর্যায়ের সাব-এজেন্টের কাছে পাঠাতো। এরপর সাব-এজেন্ট সেই টাকা ও সিভি গ্রহণ করে সব চাকরিপ্রার্থীকে নির্দিষ্ট দিনে ভাইভার কথা বলে ঢাকাস্থ এজেন্টের কাছে পাঠাতো। পরে ঢাকাস্থ এজেন্ট আবাসিক হোটেলের রুমে বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশপাশের কোনো একটি চায়ের দোকানে চাকরিপ্রার্থীদের ভাইভা পরীক্ষা নিতো। ভাইভাতে উত্তীর্ণ হয়েছে বলে প্রার্থীর কাছ থেকে ওইদিন চুক্তির ৫০ শতাংশ টাকা নিয়ে নিতো। এরপর চক্রের আরেক সদস্য চুক্তির বাকি টাকা গ্রহণ করে প্রার্থীকে নির্দিষ্ট চাকরিতে দিনে যোগদানের কথা উল্লেখ করে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একটি ভুয়া আইডি কার্ড দিয়ে পুরো টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা হয়ে যেতো। অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, পরবর্তী সময়ে চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগপত্রে উল্লেখিত তারিখে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগদান করতে গেলে জানতে পারেন, প্রতারক চক্রের দেওয়া নিয়োগপত্র আর আইডি কার্ডটি ভুয়া। ততোদিনে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকার মতো। পরে চক্রটি নিজেদের মধ্যে চুক্তির টাকা ভাগাভাগি করে নিতো।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানায়, চক্রটি গত দু-তিন বছর ধরে এভাবে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। তাদের ব্যবহৃত হোয়াটঅ্যাপ/মেসেঞ্জারে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তারা বিভিন্ন চাকরিপ্রত্যাশীদের বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, কারা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিআরটিসি, বিএডিসি, এলজিইডি, সচিবালয়, বিভিন্ন ব্যাংক, প্রাথমিকের পিয়ন, মেট্রোরেল, এয়ারপোর্ট, তিতাস গ্যাস ও ওয়াসার আউটসোর্সিং এবং বিশেষ বাহিনীর সিভিল পদে নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিতো।
গ্রেফতার এ চক্রে জুয়েল রানা ফিল্ড পর্যায়ে মাঠকর্মী, নাসিম মাহমুদ ফিল্ড পর্যায়ের সাব-এজেন্ট ও নাসির চৌধুরী ঢাকাস্থ সাব-এজেন্ট এবং চক্রের মূলহোতা হিসেবে ফরিদুল ইসলামের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।
১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর মামলা করেন এক ভুক্তভোগী । মামলার বাদীকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এমএলএসএস পদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। নিয়োগপত্র নিয়ে তিন মাস পরে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের জন্য গেলে জানতে পারেন নিয়োগপত্রটি ভুয়া। পরবর্তী সময়ে আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করতে গেলে তাদের ব্যবহৃত সব মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। মামলার বাদী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
ডিবি-সাইবারের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের টিম লিডার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল হক বলেন, চক্রটি গত কয়েক বছরে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা কারে নিলেও কারও চাকরি দিতে পারেনি। পত্রিকায় চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে শুধু সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। চাকরির ক্ষেত্রে কারও সঙ্গে কোনো লেনদেন করা যাবে না।
তিনি বলেন, গ্রেফতারদের বিরূদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আসামিদের ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
ঈদযাত্রায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে কুমিল্লার মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনালে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় দুই পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১ জুন) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।
জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে মানুষের চাপ বাড়ার সুযোগে কয়েকটি পরিবহন যাত্রীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনালে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এবং ভাড়ার রসিদ যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত ৪০০ টাকার পরিবর্তে যাত্রীদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় হানিফ পরিবহনের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং প্রান্তিক পরিবহনের সুপারভাইজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অতিরিক্ত আদায় করা ভাড়ার অর্থ সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের ফেরত দেয়া হয়। প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো পরিবহন যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে পারবে না। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাত্রীদের স্বার্থরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে কেউ অনিয়ম করলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন