

গোপালগঞ্জ
জেলায় প্রেমঘটিত কারণে হতাশা থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঘনিষ্ঠ দুই বন্ধু আত্মহত্যা করেছেন।
সোমবার ও মঙ্গলবার (১৩
ও ১৪ মে) জেলার কোটালীপাড়া উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার
(১৪ মে) সকালে গাছে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় যুবক পল্লব বাড়ৈর (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার শিকির বাজার গ্রামের গণেশ বাড়ৈর ছেলে।
সোমবার
(১৩ মে) নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অশ্রু বিশ্বাসের (২৪) মরদেহ উদ্ধার হয়। তিনি উপজেলার ছিকটিবাড়ী গ্রামের আশুতোষ বিশ্বাসের ছেলে।
মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে গাছে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পল্লব বাড়ৈ (২২) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ। এর আগে সোমবার
(১৩ মে) সকালে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্র অশ্রু বিশ্বাস (২৪)।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র পল্লব বাড়ৈর বরিশালের একটি মেয়ের সঙ্গে ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু মেয়েটি হটাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন পল্লব। সোমবার ভোরে তাকে ঘরে না পেয়ে তাকে খুঁজতে বের হন পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে একটি গাছে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পাই পরিবারের মানুষ। এরপর পুলিশে খবর দেয় তারা। পুলিশ এসে পল্লব বাড়ৈর মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় তার পকেট থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে লেখা ছিল, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।
অন্যদিকে, সোমবার (১৩ মে) ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পল্লব বাড়ৈর বন্ধু অশ্রু বিশ্বাস গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। প্রতিবেশী এক মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সর্ম্পক ছিল। মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। কিছুদিন ধরে বিয়ের জন্য পরিবারকে চাপ দিচ্ছিলেন অশ্রু বিশ্বাস। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ করতেন তিনি। সোমবার সকালে নিজ কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
কোটালীপাড়া থানার এসআই আতাউর রহমান জানান, এ ঘটনায় দুইটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পল্লব বাড়ৈ প্রেমে ব্যর্থ হয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি। অপরদিকে, অশ্রু মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার আয়োজনে লাকসাম উপজেলার দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)’র আওতায় স্মার্ট বাংলাদেশ ও ভিশন: ২০৪১, সরকারের অর্জিত সাফল্য ও উন্নয়ন পরিকল্পনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের গুরুত্ব এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মাদক, গুজব, সাম্প্রদায়িকতা, অপপ্রচার, অপরাজনীতি এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ বিষয়ে বুধবার (২৪ জানুয়ারি) নারী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সহকারী তথ্য অফিসার মোহাম্মদ রাশেদুল হক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল হাই সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মাজহারুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুমন চন্দ্র দেবনাথ ও দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল কমিটির সভাপতি মো: আবুল কাশেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৌলতগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্ব জিত চন্দ্র সাহা। নারী সমাবেশের পূর্বে চলচ্চিত্র প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তাগন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মান করতে সক্ষম হয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল আপনারা পাচ্ছেন। এখন স্কুল-কলেজে ভর্তির জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম যেতে হয় না। বাড়িতে বসে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা চলে আসে, স্কুলে উপবৃত্তির টাকা মোবাইলে চলে আসে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নারী সমাজের ভূমিকা অপরিসীম, শিক্ষার ক্ষেত্রেও নারীর ভূমিকা অপরিসীম। অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে গুজব, সাম্প্রদায়িকতা, অপরাজনীতি, অপপ্রচারকে প্রতিরোধ করতে হবে। উন্নত রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলন ও বিনা মূল্যে বই বিতরণসহ শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের উপযোগী মানুষ হিসেবে সন্তানদের গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। বক্তাগন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ এর প্রতি জিরো টলারেন্সের কথা উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মানুষকে এই অপারাধ গুলির বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল:
দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর আবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হলো বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য
আয়োজন। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস ছিল উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
উৎসবের সূচনা হয় সকাল সাড়ে ৯টায়, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বৈশাখী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে বর্ষবরণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সকাল
১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। ছেলেদের
জন্য আয়োজন করা হয় মোরগ লড়াই আর মেয়েদের জন্য ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা, যা
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
সকাল
সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন লোকগান, নৃত্য,
কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ বাংলা নববর্ষকে ঘিরে
নিজ নিজ স্টলে পরিবেশন করে ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি — পাটিসাপটা, চিতই, দুধচিটা, মালপোয়া
প্রভৃতি।
ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “বাংলা নববর্ষ এদেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা। এটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতি চেতনা জাগ্রত করবে।”
প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার
দায়িত্ব আমাদের সকলের। এমন আয়োজন সেই দায়িত্ব পালনকে আরও বেগবান করে।”
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, নতুন বছর আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে
দিয়েছে। অতীতের অন্যায়-অবিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের
পথে।
প্রায়
পাঁচ বছর পর কুবিতে এই আয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা
গেছে। দিনভর চলা নানা আয়োজনে মুখর ছিল গোটা ক্যাম্পাস।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় পথচারীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে সাতটার দিকে কুমিল্লা রেলস্টেশনের উত্তর পাশে শাসনগাছা রেলগেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী পর্যটন এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুমিল্লা স্টেশন অতিক্রম করে শাসনগাছা এলাকায় প্রবেশ করলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় এক ব্যক্তি অসতর্কভাবে রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করেন। ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে প্রচুর ভিড় জমে যায়। অনেকে মরদেহটি দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জিআরপি ফাঁড়ির ইনচার্জকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু, চৌদ্দগ্রাম:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম এর নির্দেশনায় ১৪ জুলাই রাত ২ টার সময় চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এস আই সুজন কুমার চক্রবর্তী সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার চিওড়া ইউনিয়নের ঘোষতল রাস্তার উপর থেকে ০১টি সিএনজি গাড়ী তল্লাশী করে ১টি স্কুল ব্যাগ ও ১টি প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতরে থেকে মোট ২৫ কেজি গাঁজা ও ০১টি নাম্বার বিহীন সিএনজি অটোরিক্সা উদ্ধার করে।
এ সময় সি এন জি তে থাকা দুইজন আসামী ইউসুফ (৪৫) ও কাজী মোঃ লিটন (৩২)কে মাদকদ্রব্য সহ আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আর একজন আসামী মোঃ ইউনুছ আলী দৌড়ে পালিয়ে যায়।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে চৌদ্দগ্রাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০১ পিস মোবাইল ফোনসহ একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ২নং উত্তর দূর্গাপুর ইউপির শংকরপুর
সাকিনস্থ আইএফআইসি ব্যাংকের সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছাঁলে ডিবি পুলিশ চিনতে পেরে
আসামী একটি প্লাষ্টিকের বস্তাসহ দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বস্তাসহ আটক করা হয়। বস্তুা
তল্লাশি করে ১০১ পিস নতুন-পুরাতন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: কুমিল্লা জেলা ব্রাহ্মণপাড়া থানার রানীগাছ গ্রামের মোঃ রুবেল মিয়া’র ছেলে
মোঃ পারভেজ মিয়া (৩০)।
গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করা হয।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাল থেকে এক নবজাতককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জেলা শহরের পূর্ব মেড্ডার (পুরাতন সেকশনের) পাশে খাল থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে খবর নিয়ে জানা যায়, জেলা শহরের পৌর এলাকার পূর্ব মেড্ডার পাশে খাল থেকে স্থানীয়রা প্রথমে কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে স্থানীয় সোহাগ মিয়া ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ এসে নবজাতককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।
নবজাতকটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল। ইঁদুর নবজাতকের এক পাশের গাল কামড়ে ক্ষত করে ফেলেছে। এতে বাচ্চাটি কান্না করছিল। নবজাতকটি বাচ্চা মেয়ে । পরে পুলিশ নবজাতকটিকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ৯৯৯ কল পেয়ে নবজাতটিকে খাল থেকে উদ্ধার করা হয়। কেউ অবৈধ গর্ভপাত করে নবজাতকটিকে খালে ফেলে গেছে। শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সময়ের পরিক্রমায় কুমিল্লার বন্যার পরিস্থিতির কোন কোন দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও কোন কোন দিক এখন পর্যন্ত রয়ে গিয়েছে আগের মতই ।
তবে আশাজাগানিয়া বিষয়টি হলো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টা এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্যের হাত এগিয়ে দেওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে অনেকটা আশার আলো নিয়ে এসেছে।
সাধারণ
মানুষ থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি অন্যান্যদের মতো সহায়তার হাত
নিয়ে এগিয়ে এসেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন।
কুমিল্লায়
বন্যা দুর্গত অঞ্চলে মানুষের খাদ্য সহায়তা
দিতে এগিয়ে এসেছে র্যাব ১১, সিপিসি ২ কুমিল্লা।
সোমবার
দুপুর থেকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের ফকির বাজার উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, কালিকাপুর ডিগ্রি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্র ও বকশিমুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, আগ্গাপুর মোর্শেদা বেগম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্র, ছয় গ্রাম
উচ্চ বিদ্যালয়, ছয়গ্রাম মাদ্রাসা ও পাঁচোড়া বিদ্যানিকেতনে ১৫ শত মানুষের মাঝে খাদ্য
সহায়তা দিয়েছে র্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা।
উল্লেখিত
আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে বুড়িচং উপজেলার পিতাম্বর,বাকশিমুল, কালিকাপুর, দক্ষিণ কালিকাপুর,বলরামপুর,মাধবপুর,মাশড়া,খোদাইতলি,জগৎপুর,যদুপুর,হরিপুরসহ
বিভিন্ন এলাকার লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন।
র্যাব ১১ সিপিসি ২ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এসকল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২১ মার্চ রাতেকুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০), ২। মোঃ নাঈম হোসেন হৃদয় (২৬) এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) নামক ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আজগর আলী (৩০) গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর থানার জানবাগ গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লা এর ছেলে, ২। মোঃ নাঈম হোসেন @ হৃদয় (২৬) একই জেলার কাশিয়ানী থানার পদ্মবিলা গ্রামের মোঃ আতর আলী এর ছেলে এবং ৩। শেখ মোঃ মেহতাব দ্বীন (৪৮) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী জেলার কুমারখালী গ্রামের শেখ মোঃ নাছির উদ্দিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ আজগর আলী এর বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন থানায় ৮ টি মাদক মামলা সহ মোট ৯ টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম বলেছেন, দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমার দল জাতীয়তাবাদী দল কুমিল্লা ৯ আসনে আমাকে ধানের শীষের প্রতীকের সালাম নিয়ে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছে। দীর্ঘদিন লড়াই-সংগ্রাম করার পরে ধানের শীষ আমার হাতে দিল, ধানের শীষের পবিত্রতা রাখতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে ওয়াদাবদ্ধ আপনার আমানত এই লাকসাম মনোহরগঞ্জের মানুষ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। সততা-নিষ্ঠার সহিত কাজ করে প্রমাণ করে দেবো যে আমরা আমানতের খেয়ানত করি না।
আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে লাকসামের কাঠালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুদাফফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের ৪, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কালাম বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের ওপর যে জুলুম-নির্যাতন করেছে, সরকার পতনের পর আমরা কিছুই করিনি। আমাদের কোনো কর্মী কারও কোনো ক্ষতি করেনি। আমরা হিংসাত্মক রাজনীতি করি না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এতবড় বিশ্বাসঘাতক, নিজের প্রতিও তাদের কোনো বিশ্বাস ছিল না। না থাকার ফলশ্রুতিতে, তারা দিনের ভোট রাতে, রাতের ভোট দিনে, আমি- ডামি ইলেকশন করেছে। আওয়ামী লীগ যারা করে তারাও কিন্তু ভোট দিতে পারেনাই।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করে হিন্দুরা তাদের কেনা গোলাম। হিন্দু মানেই নৌকায় ভোট দিবে, এটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা। কে কোথায় ভোট দেবে এটা আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার, আপনার চিন্তা-চেতনা, আপনার বিচার-বিশ্লেষণ। আমি যদি আপনাকে বুঝাতে পারি তাহলে আপনি আমাকে ভোট দিবেন।
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, আরেকটি দল (জামায়াত) বলে যে আমরা আপনাদেরকে নিরাপদ রাখবো। হিন্দুদের জন্ম যেখানে আমার জন্ম সেখানে, পাশাপাশি জন্ম। তাহলে তুমি কে হিন্দু কে নিরাপদ রাখার? হিন্দু বাড়ি পাশে মুসলমান বাড়ি হয়ে আমরা তো থাকতেছি। যুগ যুগ ধরে বছরের পর বছর, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। এখন একটি দল বলে আমরা আপনাদেরকে দেখে রাখবো ভোট দেন। এগুলো ডাহা মিথ্যা কথা। তাদের কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।
মুজাফফরগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে এসময় ইউনিয়ন মহিলা দলের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামের ছোট্ট খালের ওপর পাশাপাশি ৩২ ও ৪৪ মিটার দীর্ঘ দুটি সেতু নির্মাণ হয়েছিল প্রায় আড়াই বছর আগে। নির্মাণে খরচ হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সংযোগ রাস্তা না থাকায় আজও সেতু দুটির ওপর দিয়ে একটি যানবাহনও চলাচল করে না। অব্যবহৃত ওই সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য গোবরের ঘুঁটে, ধান ও খড় শুকানোর জায়গায় পরিণত হয়েছে।
এই দুটি সেতুকে ঘিরে থাকা কুড়ালিয়া দিয়ার–একডালা সড়কটি প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ। রাস্তাটি দিয়ে রতনকান্দি ও কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। কিন্তু তিন বছর আগে রাস্তাটির একটি বড় অংশ ভেঙে খালে তলিয়ে যাওয়ার পর থেকে চলাচল কার্যত বন্ধ। ভাঙা অংশের পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় এলাকা দুটি যাতায়াত সংকটে পড়েছে।
২০২৩ সালে এলজিইডি সেতু দুটি নির্মাণ করলেও ভেঙে যাওয়া রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় পুরো প্রকল্পই অকার্যকর হয়ে আছে। ফলে রোগী পরিবহন, কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, এমনকি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুল–কলেজে যাতায়াত—সবকিছুতেই চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহরাব আলী, বেবি খাতুন, আমিনুল ইসলাম ও জহুরা খাতুন জানালেন, ২৫ বছর আগে বন্যায় রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পর আর কখনো তা ঠিক হয়নি। কর্মকর্তারা কয়েকবার এলেও কোনো উন্নয়ন হয়নি। সেতু হয়েছে, কিন্তু রাস্তা না থাকায় এখনো গাড়িতে চড়ার সুযোগ মেলেনি। অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে নিতে গেলেও বিপাকে পড়তে হয়।
কৃষক হাবিবুর রহমানসহ অন্যরা বলেন, রাস্তা না থাকায় সার–বীজ আনতে কষ্ট হয়, আবার নিজেদের উৎপাদিত ফসল হাটে নিতে গেলেও পথে ঘুরপথে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়ে যায়, ন্যায্য দামও পাওয়া যায় না।
এলাকার কয়েকজন কলেজছাত্র শিহাব বাবু ও সাগর আলী বলেন, খারাপ রাস্তার কারণে সময়মতো ক্লাসে পৌঁছানোই বড় চ্যালেঞ্জ। বর্ষায় পরিস্থিতি আরও করুণ হয়ে যায়—তখন যাতায়াত প্রায় অসম্ভব।
শতবর্ষী হযরত আলী জানান, কুড়ালিয়া, চিলগাছা, একডালা, কুড়িপাড়া, মহিষামুরাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তাই ব্যবহার করতেন। এখন হাটে যেতে হলেও দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে।
কৃষক মো. ভুট্ট আলী বলেন, যানবাহন চলাচল না করায় সেতুর ওপর ধান, খড় ও ঘুঁটে শুকানো ছাড়া তাদের আর উপায় নেই।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান জানান, কুড়ালিয়া–একডালা সড়কের ৩৭৭৬ মিটার অংশের মধ্যে প্রায় ৭০০ মিটার তিন বছর আগে ভেঙে খালে পড়ে গেছে। ওই অংশে সরকারি রাস্তা না থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তিনি বলেন, এলাকাবাসী যদি যৌথভাবে প্রয়োজনীয় জায়গা দিতে রাজি হন, তাহলে রাস্তা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন