ঢামেকে চিকিৎসকের ওপর হামলার আসামি গাইবান্ধায় গ্রেফতার

ঢামেকে চিকিৎসকের ওপর হামলার আসামি গাইবান্ধায় গ্রেফতার
সংগৃহীত

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপর হামলার ঘটনায় সঞ্জয় পাল জয় নামে একজনকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেফতার করেছেন পুলিশ।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জেলার পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন জানান, ঢাকা মেডিকেলে হামলায় জড়িত থাকা সঞ্জয় পাল জয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ঢামেকে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় গেল রোববার ছিল দিনভর উত্তেজনা। হামলাকারীদের গ্রেফতার-বিচার, নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত করাসহ চার দফা দাবিতে গতকাল রোববার সকাল থেকেকমপ্লিট শাটডাউন পালন করেন দেশের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। চিকিৎসক রোগীদের ওপর হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানা একটি মামলা হয়। ঢাকা মেডিকেলের অফিস সহায়ক আমির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ফাইল ছবি

নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে পিজিআরের শব কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রোববার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপর আমার আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং, নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি জনগণ যেন নিজেদেরকে সরকার প্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানাই।'

তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যরা এই রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালনের জন্য যথানিয়মে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। অর্থাৎ, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট সেনাবাহিনীরই অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, পেশাদারত্ব, আনুগত্য ও শৃংঙ্খলার সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যরা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবেন এটিই বিধিবদ্ধ নিয়ম। আপনাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই পিজিআরের দক্ষতা ও একনিষ্ঠতা ফুটে উঠবে এটি আমার প্রত্যাশা।'

পিজিআরের কাজটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এর কারণ রাষ্ট্র ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার দায়িত্ব পালন করাও আপনাদের অন্যতম কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনে আপনাদের নানারকমের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এসব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনাদের বিশ্বস্ততা, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্যপরায়ণতা আপনাদের নিঃসন্দেহে একটি সুশৃংঙ্খল বাহিনী হিসেবে পরিচিত করেছে।'

সুশৃঙ্খলতার স্বীকৃতিস্বরূপ পিজিআর চলতি বছর 'ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড' পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'একটি বাহিনী হিসেবে এটি অবশ্যই আপনাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই সাফল্যের জন্য আমি আপনাদের আবারও অভিনন্দন জানাই। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপনাদের ইস্পাত কঠিন দায়িত্ববোধ অবশ্যই প্রশংসনীয়।'

সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের সাহস এবং একটি দেশের গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সাহসী ভূমিকা সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ফেলেছে।'

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সশস্ত্র বাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থেকে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ ও পেশাদারত্ব বজায় রাখে তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব আর কখনোই হুমকির মুখে পড়বে না।'

পিজিআরের প্রতি প্রত্যাশা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি আশা করব, পিজিআরের মতো বিশেষায়িত বাহিনীর সর্বোচ্চ সফলতার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং সর্বোপরি "চেইন অব কমান্ড" অনুসরণ কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।'

একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআরেরও পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যেকোনো বাহিনীর সামনে প্রচলিত চ্যালেঞ্জের বাইরেও বর্তমানে আর্থ-সামাজিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাইতো সাইবার যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ড্রোন যুদ্ধ কিংবা তথ্যযুদ্ধ এসব নতুন নতুন ক্ষেত্রগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।'

তিনি বলেন, 'এসব বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধুমাত্র পিজিআরই নয় প্রতিটি বাহিনীকেই আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি।'

তারেক রহমান বলেন, 'সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর কিংবা এসএসএফের মতো সফিস্টিকেটেড বাহিনীগুলোকে সরকার আরও আধুনিকায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে যথানিয়মে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।'

বক্তব্যের শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তায় ১৯৭৫ সালের এইদিনে প্রথমে 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট নামে একটি নতুন রেজিমেন্ট আত্মপ্রকাশ করেছিল।  পরবর্তীতে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট'কে 'প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট' হিসেবে নামকরণ করেন। নতুন এ নামকরণ রেজিমেন্টের কার্যক্রমকে আরও দৃঢ় ও গতিশীল করতে ইতিবাচক প্রভাব রাখে।'

পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে নিজের জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ এবং হৃদয় বিদারক ঘটনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের কথা মনে পড়ছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের সময় কর্তব্য পালনরত পিজিআরের কয়েকজন সদস্যও শহীদ হয়েছিলেন। আজকের এই বিশেষ দিনে আমি পিজিআরের সেই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। আল্লাহর দরবারে তাদের মাগফিরাত কামনা করছি।'

তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নিরাপত্তার প্রতি অটল আনুগত্য, কর্তব্যপরায়ণতা এবং জীবন উৎসর্গের যে চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে এটি অবশ্যই পিজিআরের সদস্যদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন। তিনি পিজিআর সদর দপ্তরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এসময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শহীদ হওয়া পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত এই বাহিনী গঠিত হয়। ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর সদর দপ্তরে বার্ষিক দরবার ও সুসজ্জিত কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।

পিজিআর মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এটি বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও অন্যান্য সামরিক দায়িত্ব পালন করে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি

জেলা কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের হাতাহাতি
সংগৃহীত

পাবনায় কারাগারে থাকা কয়েদিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

তারা হলেন—জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তৌফিক ইমাম খান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালু, গয়েশপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোতাহার হোসেন মুতাই এবং আসাদুজ্জামান সুইট। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলা ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসামি।

এ ঘটনায় শাস্তিস্বরূপ পাঁচ আসামিকে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) অন্য জেলার কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পাবনা জেলার জেল সুপার মো. ওমর ফারুক বলেন, কয়েকদিন ধরেই কারাগারে থাকা অন্য সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছিলেন তারা। সবশেষ ৩ মার্চ বিকেলে এই পাঁচ কয়েদি কারাগারের অন্য কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তাদের গায়ে হাত তোলেন।

এ ঘটনার পরে শাস্তিস্বরূপ কয়েদি তৌফিক ইমাম, শেখ লালু ও আসাদুজ্জামান সুইটকে রাজশাহী এবং মুতাই ও অন্যজনকে নওগাঁ জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

পাবনা জেলার জেল সুপার আরো বলেন, বিগত সময়ে তারা বাইরে যেমন বেপরোয়াভাবে কথাবার্তা বলেছেন ও চলেছেন, কারাগারেও তেমনই চলছিলেন। ফলে ঝামেলাটা বাঁধে। অন্য কয়েদিদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও কারাগারে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ৪ মার্চ বিকেলে তাদের রাজশাহী ও নওগাঁ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, আজ রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে আজ প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সোয়া ১১টায় ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ করে তিনি মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টার পরিদর্শনে যান।

ডে-কেয়ার সেন্টারজুড়ে তখন শিশুদের খেলনার টুংটাং শব্দ, কোথাও কচি কণ্ঠের হাসি আর আনন্দময় চিৎকার। ছোট ছোট পায়ে দৌড়ঝাঁপে মুখর চার দেয়াল। এমন প্রাণচঞ্চল মুহূর্তেই সেখানে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী ১৮ মিনিট সময় কাটান শিশুদের সঙ্গে। এ সময় তিনি যেন ফিরে গেলেন সেই নির্ভার শৈশবে। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা আনন্দে বিভোর হয়ে ওঠে।

প্রবেশের পরপরই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান সরকার প্রধান তারেক রহমান। মুহূর্তেই তাকে ঘিরে ধরেন ছোট্ট শিশুরা। কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে, কেউ টেনে নিয়ে যায় খেলনার কাছে। কয়েকজন নিজেদের হাতে আঁকা ছবি দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীও মন দিয়ে সেসব দেখেন, মুগ্ধ হাসিতে প্রশংসা করেন। কখনও আলতো করে হাত বুলিয়ে দেন শিশুদের মাথায়, কখনও তাদের কথায় হেসে ওঠেন প্রাণ খুলে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে ঘিরে থাকা ছোট্ট শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। শিশুদের বিভিন্ন রকমের চকলেট, টফি ও ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন। দিয়েছেন গিফট ব্যাগও। চকলেট-টফি দিতে দিতে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কেউ কি বাকি আছে? পেয়েছো তোমরা সবাই?

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজকে কার জন্মদিন বলো তো? একেক জনকে বলতে শোনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সঙ্গে কেক কাটি। শিশুদের নিয়ে হাতে হাতে রেখে কেক কাটেন সরকার প্রধান। এ সময়ে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো কক্ষ। ‘শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থ ডে। এর মধ্যে একজন শিশু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মুখে তুলে কেক খাইয়ে দেয়।

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক খেয়েছেন। কি মজা কি মজা। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।

টেবিলে রাখা পুতুল আর চকলেট, ললিপপ দেখিয়ে দিয়ে আরিবা বলে, এই যে আংকেল আমাদের গিফটও দিয়েছেন। ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না এখানে শিশুদের কিভাবে যত্ন নেওয়া হয় তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী ওই সময়ে জানতে চান, শিশুদের কি কি খাবার দেওয়া হয়। ওদের মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারাদেশে এ ধরনের ডে-কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি। তিনি আরও জানান, চার থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যায় ৬০ জন। আজ উপস্থিত ৫৫ জন।

প্রধানমন্ত্রী ডে কেয়ার সেন্টারটিতে আনন্দঘন অবস্থান শেষে  হাত নেড়ে ‘টা-টা দিয়ে শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নেন।

প্রধানমন্ত্রী যখন বের হয়ে আসছিলেন তখন শিশুরা হাত নেড়ে, সালাম দিয়ে বিদায় জানান। শিশুদের নিষ্পাপ হাসি আর ভালোবাসার ভেতর প্রধানমন্ত্রী যেন কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গিয়েছিলেন দায়িত্বের কঠিন বাস্তবতা। সেন্টারটি পরিদর্শনের সময়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

নিজ বাড়ির উঠান থেকে বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নিজ বাড়ির উঠান থেকে বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরশহরে আলম মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলম মিয়া ওই এলাকার মৃত মোখছেদ শেখের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলম মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। রাতের কোনো একসময় তার স্ত্রী বাড়ির উঠানে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গলাকাটা অবস্থায় পড়েছিলেন। পরে স্ত্রীর চিৎকার শুনে তাদের ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করেন।

এরপর রাত সাড়ে তিনটার দিকে স্বজনরা ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বর্তমানে নিহতের মরদেহটি তার নিজ বাড়িতে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘোড়াঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কাজ চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

আমাকে রংপুরের উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করুন: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

আমাকে রংপুরের উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করুন: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তিনি নিজেকে রংপুরের সন্তান বলে মনে করেন, কারণ তিনি জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহিদ আবু সাঈদের সাহস ও আত্মত্যাগে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ঢাকায় তার কার্যালয়ে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাকে রংপুরের একজন উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করুন।

প্রধান উপদেষ্টা এসময় শহিদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের সনদপত্র আবু সাঈদের পরিবারের হাতে তুলে দেন।  আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন সনদপত্র গ্রহণ করেন।

আবু সাঈদের ভাতিজা মো. লিটন মিয়া এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা শহিদ আবু সাঈদের পিতামাতার স্বাস্থ্যর খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না স্বাদের হয়

পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না স্বাদের হয়
সংগৃহীত ছবি

প্রতিদিনের রান্নায় পেঁয়াজ থাকেই। কিছু তরকারিতে অনেকে আবার পেঁয়াজ এড়িয়ে চলেন।দেশের বাজারে লাগামহীন হয়ে পড়েছে পেঁয়াজের দাম।
দামের অস্বস্তি এড়াতে পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না করতে পারেন মজার মজার সব খাবার। যেমন মাছ ভাজতে পারেন, সবজিও রাঁধতে পারেন পেঁয়াজ ছাড়াই।
পেঁয়াজ ছাড়া মাংস রান্না করেই দেখুন, না বললে কেউ বুঝতেই পারবে না।  পেঁয়াজ ছাড়া মাংস রান্না​র রেসিপি
উপকরণ :
খাসির মাংস এক কেজি, রসুন বাটা, আদা বাটা এক চা চামচ করে। হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, জিরা এক চা চামচ করে। দই, তেজপাতা, গরম মসলা, জয়ত্রী গুঁড়া, লবণ ও তেল পরিমাণমতো।  
প্রণালী:
সব মশলা, লবণ ও তেল দিয়ে মাংস মেখে একঘণ্টা রেখে দিন। পাত্র চুলায় দিয়ে মাংস কষিয়ে নিন। এবার এক কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে রাখুন। পানি শুকিয়ে তেল ওপরে উঠলে নামিয়ে গরম ভাত-পোলাও বা রুটি-পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।  
global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

জুলাই আগস্টে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জুলাই আগস্টে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জুলাই-আগস্ট মাসে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে তা নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রেখেছে বলেও জানান তিনি। ঢাকা মেডিকেল কলেজে মেডিকেলের প্যাথলজি বিভাগে মাইক্রোস্কোপ ও ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট মাসে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়তে পারে। তবে তা নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রেখেছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দুই মাস ধরে সরকার জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছে। চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং রোগীদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, থানা, উপজেলা, জেলা পর্যায়ে ডেঙ্গুর এনএসওয়ান পরীক্ষার কিট পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রোগী বাড়লে সেগুলো চালু করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে মসজিদের ইমামসহ সবাইকে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, শুধু চিকিৎসা নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন প্রযুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, লার্ভা ধ্বংস করার জন্য একটি বিশেষ মেডিকেল ট্যাবলেট আগামী ৭ দিনের মধ্যে সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছোট ছোট জমে থাকা পানি, ডাবের খোসা বা টায়ারে এই ট্যাবলেট ব্যবহারে লার্ভা দ্রুত ধ্বংস হবে।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষ সতর্কতার কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, প্লাজমা লিকেজের কারণে অনেক সময় রোগী মারা যায়। এজন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি 'ডেইলি ট্রিটমেন্ট প্রটোকল' তৈরি করে তা সব চিকিৎসকের মোবাইলে ও ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, কোনো ডেঙ্গু রোগীর জ্বর ভালো হয়ে গেলেও পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে ছাড়পত্র (ডিসচার্জ) দেওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ ২৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অত্যাধুনিক টেন হেডেড মাইক্রোস্কোপ যুক্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্যানসার শনাক্তকরণ আরও নির্ভুল ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে মেডিকেল কারিকুলামেও পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসন ও সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও এগিয়ে চলছে।

আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলাতে কিছুটা পিছিয়ে ছিল। বিশেষ করে প্যাথোলজি বিভাগ, যা চিকিৎসার মূল ভিত্তি, সেখানে তিন বছর আগে একটি সরকারি মাইক্রোস্কোপ নষ্ট হওয়ার পর আর কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

তিনি জানান, হস্তান্তরিত লেটেস্ট মডেলের এই আধুনিক মাইক্রোস্কোপটির মাধ্যমে এখন থেকে এক সিটিংয়েই নিখুঁতভাবে ক্যানসার ডায়াগনোসিস করা সম্ভব হবে, যা চিকিৎসাসেবায় বড় পরিবর্তন আনবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের ডিআই সাপ্লাইয়ের অনিয়ম দূর করতে দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি বেসরকারি খাতের মতো চলবে কিনাসাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এটি সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন থাকবে, তবে এর ব্যবস্থাপনা হবে আধুনিক ও করপোরেট ধাঁচের। কোম্পানি ফর্ম করে পরিচালনা করা হবে এবং হাসপাতালটি হবে অলাভজনক। থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ বা সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের মডেলে ওয়ান-স্টপ ইমার্জেন্সি ও আধুনিক পদ্ধতিতে এটি পরিচালিত হবে। আমরা একটি গঠনপ্রণালী তৈরি করে দিয়েছি এবং যন্ত্রপাতি দিয়েছি। এটি উন্নত মানের হাসপাতাল হবে। সরকার এই হাসপাতালের রেট নির্ধারণ করে দেবে যাতে সাধারণ মানুষ স্বল্পমূল্যে বিশ্বমানের সেবা পায়। প্রয়োজনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয় ঘটানো হবে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আগামী ১০ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সফরের কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীন ও উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসাররাত সুলতানাসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

ইতিহাস বলছে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেবে ব্রাজিল

ইতিহাস বলছে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেবে ব্রাজিল
সংগৃহীত ছবি

২৮ বছর পর বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। সোমবার (৩০ জুন) আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ইউরোপের দলটি। এর আগের দিন একই ব্যবধানে জাপানকে হারিয়ে শেষ ১৬ নিশ্চিত করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নরওয়ের মতো প্রতিপক্ষকে পেয়ে স্বস্তিতে থাকার কথা ব্রাজিলের। তবে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। ফুটবল ইতিহাসে নরওয়েই একমাত্র দল, যাদের বিপক্ষে একাধিক ম্যাচ খেলেও এখন পর্যন্ত কোনো জয় পায়নি ব্রাজিল।

বর্তমান নরওয়ে দলে রয়েছেন আর্লিং হলান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, আলেক্সান্ডার শরলথ ও আন্তোনিও নুসার মতো তারকা ফুটবলার। শক্তিশালী এই স্কোয়াডের কারণেই এবারের বিশ্বকাপে ডার্ক হর্স হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে দলটি। অন্যদিকে ব্রাজিল বরাবরের মতোই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তবে ইতিহাসের বিচারে নরওয়ের বিপক্ষে তাদের রেকর্ড মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়।

দুই দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে নরওয়ে জিতেছে দুটি ম্যাচ এবং বাকি দুটি ড্র হয়েছে। অর্থাৎ চার ম্যাচে একবারও জয় পায়নি ব্রাজিল।

ব্রাজিল-নরওয়ে মুখোমুখি পরিসংখ্যান:

২৭ জুলাই ১৯৮৮ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল

২৯ মে ১৯৯৭ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ৪-২ ব্রাজিল

২৩ জুন ১৯৯৮ (বিশ্বকাপ): ব্রাজিল ১-২ নরওয়ে

১৬ আগস্ট ২০০৬ (প্রীতি ম্যাচ): নরওয়ে ১-১ ব্রাজিল

দুই দলের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াইটি হয়েছিল ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। বেবেতোর গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় ব্রাজিল। নরওয়ের হয়ে গোল করেছিলেন তোরে আন্দ্রে ফ্লো ও শেতিল রেকথাল। যদিও সেই পরাজয়ের পরও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট পর্বে উঠেছিল সেলেসাওরা।

এর আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে অপরাজিত থাকার তালিকায় ছিল সেনেগালও। তবে গত বছরের নভেম্বরে প্রীতি ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে জিতে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটায় ব্রাজিল। এখন ইতিহাসের সেই অনন্য রেকর্ড ধরে রেখেছে শুধু নরওয়ে।

তাই এবার শেষ ষোলোর ম্যাচটি শুধুই কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, ব্রাজিলের জন্য এটি ইতিহাস বদলেরও মঞ্চ। প্রথমবারের মতো নরওয়েকে হারিয়ে দীর্ঘদিনের হতাশার ইতি টানতে চাইবে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। অন্যদিকে ব্রাজিলের বিপক্ষে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ড আরও দীর্ঘ করতে মাঠে নামবে নরওয়ে।

আগামী রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউজার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে। এখন দেখার বিষয়, ইতিহাস বদলাবে ব্রাজিল, নাকি নিজেদের 'অভিশাপ' আরও দীর্ঘ করবে নরওয়ে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

অজান্তেই খাবারের সঙ্গে শরীরে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ঝুঁকি কমাতে পারে ৭ অভ্যাস

অজান্তেই খাবারের সঙ্গে শরীরে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ঝুঁকি কমাতে পারে ৭ অভ্যাস
সংগৃহীত ছবি

খাবার, পানি ও বাতাসের মাধ্যমে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব নয় কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে এ ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। জেনে নিন মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতি এবং তা থেকে বাঁচার ৭টি কার্যকর উপায় সম্পর্কে।

স্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নিয়মিত শরীরে প্রবেশ করলে এটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করতে পারে, ডিএনএ-র ক্ষতি করতে পারে, প্রজনন ক্ষমতা কমাতে পারে, এমনকি কোষও নষ্ট করে দিতে পারে। কিন্তু মাইক্রাপ্লাস্টিককে শরীরে প্রবেশ থেকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।

পরিবেশবিদরা বলছেন, এ যুগে মাইক্রোপ্লাস্টিকের শরীরে প্রবেশ অবধারিত। একে পুরোপুরি আটকানো যাবে না। কারণ, প্লাস্টিক কণা শুধু খাবারের সঙ্গে মিশে নয়, ত্বকের রন্ধ্র এমনকি, শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমেও শরীরে ঢুকতে পারে। তবে কিছু কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকলে, শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রবেশ অনেকটাই এড়ানো যেতে পারে।

সব সময় পানি ফিল্টার করুন

টিউবওয়েলের পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে। তাই পানি সব সময় ফিল্টার করে পার করুন। ফিল্টার মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণাগুলোকে অনেকটাই ছেঁকে ফেলে।

বাইরের প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন

বাইরে থেকে কেনা প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। প্লাস্টিকের পাত্র থেকে খাবারে প্লাস্টিক কণা মেশার সুযোগ থাকে। বিশেষ করে গরম খাবার প্লাস্টিকের পাত্রে থাকলে তা থেকে প্লাস্টিক কণা খাবারে মিশে যায়। বাড়িতে রান্না করা খাবার খেলে সেই বিপদ এড়ানো সম্ভব।

ধাতব বা কাচের পাত্র ব্যবহার করুন

বাড়িতেও যেকোনো খাবার রাখার ক্ষেত্রে কাচ বা ধাতব পাত্র ব্যবহার করুন। এগুলো অনেক বেশি নিরাপদ। কারণ, কাচ বা ধাতব পাত্র খাবারকে দূষিত করে না। কিন্তু প্লাস্টিক কোনোভাবে গরম হলে বা ভেঙে গেলে খাবারে তা থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারে মিশতে পারে।

ব্যবহার করা প্লাস্টিক বর্জন করুন

ব্যবহার্য প্লাস্টিক যেমন-গ্লাস, প্যাকেট, স্ট্র এগুলো থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বেশি ছড়ায়। প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্লাস্টিক বেশি ব্যবহার হয়। প্লাস্টিকের কাঁটা-চামচ, বাটি, ট্রে ইত্যাদি একবার ব্যবহার করার পর ফেলে দেওয়া উচিত।

পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহার

প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার কমাতে পরিবেশবিদরা পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পরিবেশবান্ধব ব্যাগ, যেমন চট বা সুতির ব্যাগ ব্যবহার করুন। পোশাকের ক্ষেত্রেও সুতি, উল, লিনেনের পোশাক ব্যবহার করুন। পলিয়েস্টার জাতীয় পোশাক এড়িয়ে চলুন। একই জিনিস মাথায় রাখতে হবে নিত্য ব্যবহারের তোয়ালে, বিছানার চাদর বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও।

সামুদ্রিক খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি

সামুদ্রিক মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি দেখতে পেয়েছেন গবেষকেরা। সমুদ্রের পানিতে প্লাস্টিক বর্জ্য জমে থাকে। সে পানিতে বেড়ে উঠে মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী। সমুদ্রের পানিতে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রথমে মাছের দেহে প্রবেশ করে পরে সেই মাছ খাওয়ার ফলে মাইক্রোপ্লাস্টিক মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।

প্লাস্টিকের প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার না করা

নিত্যদিনের শারীরিক পরিচর্যার সামগ্রীর মাধ্যমেও মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করতে পারে। মাজন, স্ক্রাব, প্রসাধনী কেনার আগে লেবেল দেখে নিন উপকরণের তালিকায় পলিথিন বা পলিপ্রপিলিন জাতীয় কোনো নাম রয়েছে কিনা। যদি থাকে তাহলে ওই ধরনের পণ্য ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০