

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তেগুরিয়া ওবায়েদুল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু তাহের পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল স্বপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন পাটওয়ারী,উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সাইফুল পাটোয়ারী,বিতারা ইউনিয়ন পশ্চিম ছাত্রদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার পাটোয়ারী,যুগ্ন আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর সরকারসহ আরো অনেকে।
এসময় বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ,সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী,আব্দুল মালেক,আমেনা আক্তার,রামকৃষ্ণ,যুবদল নেতা কাদির পাটোয়ারী,সোহেল পাটোয়ারীসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক,অভিভাবক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পর্বের মধ্যে বক্তৃতা, দৌড় প্রতিযোগিতা,দেশাত্মবোধ, পল্লীগীতি, রবিন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক গাণ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাইছারা গ্রামে কুয়েত প্রবাসী এরশাদুল হকের স্ত্রী রাবেয়া বেগমের আত্মহত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন শ^শুর পক্ষের পরিবার ও এলাকাবাসী। প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে এবং নিহত শ^শুর পক্ষের লোকজন আতংকে রাত কাটাচ্ছেন। রাবেয়া বেগম আত্মহত্যা করেছেন এমন সংবাদ দেয়া আতিকের মোবাইল ফোন কল রেকর্ড উদঘাটন করলে প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে দাবি এলাকাবাসীর। গত বুধবার রাতে নিজ গৃহের ফ্যানের সাথে ঝুলে থাকা প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করে কচুয়া থানা পুলিশ। নিহত রাবেয়া বেগম একই উপজেলার খিলমেহের গ্রামের সেকান্তর মিয়ার মেয়ে। ১৪ বছর আগে তার বিয়ে হয়। বর্তমানে তার ২ পুত্র ও ১ মেয়ে রয়েছে।
প্রবাসী এরশাদুল হকের বাবা রোস্তম আলী মাষ্টার, ভাই কামাল হোসেন, ফরিদ সিকদার, প্রতিবেশী ডা. শাহ আলম সিকদারসহ একাধিক লোকজন জানান, ঘটনার দিন রাত ১২টার দিকে পাশ^বর্তী সিংআড্ডা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রী আতিক হোসেনের সাথে রাবেয়া বেগম ভিডিও কলে কথা বলেন এবং আত্মহত্যা করবে বলেও এমন কথা জানান। এ খবর শুনে কিছুক্ষন পর আতিক হোসেন দ্রুত ওই বাড়িতে গিয়ে বাড়ির সবাইকে জাগ্রত করেন এবং ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলে সিলিং ফ্যানের সাথে রাবেয়া বেগমের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। তারা আরো জানান, রোস্তম আলী মাষ্টারের চার ছেলে সকলেই পৃথক ভাবে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। তারা প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দোষীদের শাস্তির দাবি ও নিরীহ লোকজন যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দেখতে পেয়ে কচুয়া থানা পুলিশকে খবর দেই। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরের মর্গে প্রেরন করেন। আমিও এ আত্মহত্যার রহস্য উদঘটনের মাধ্যমে ন্যায় বিচার দাবি করছি।
মন্তব্য করুন


দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার হয়েছে। এ ছাড়া বেড়েছে তীব্রতাও, যা অব্যাহত থাকতে পারে।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে দেখা নেই সূর্যের উজ্জ্বল কিরণের, সঙ্গে কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে বেড়েছে শীতের অনুভূতিও।
বর্তমানে দেশের ৫টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগেরদিন যা চার জেলায় ছিল। আবার শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকলেও তা নিচে নেমে ৮ ডিগ্রির ঘরে চলে এসেছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানান, ভোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সৈয়দপুরে ৯ ডিগ্রি, তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি, বদলগাছীতে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি, রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
ঢাকার তাপমাত্রা আগের দিনের চেয়ে কিছুটা কমে থার্মোমিটারের পারদ নেমে এসেছে ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আগামী রোববার (১৪ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
আগামী দুদিনে আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তন নেই। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে পরের দিন ফের কমার আভাস রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হতে শনিবার রাতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ডিএমপি ঢাকা জেলার মিরপুর থানার ৬৮নং জনতা হাউজিং, শাহ আলীবাগ এলাকার মৃত ওসমান গনির ছেলে মাঃ ইমামুল হক @শুক্কুর এবং কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর থানার পূর্ব মুক্তার পোল, ০৬ নং ওয়ার্ড এর মৃত দানু মিয়ার ছেলে দিদারুল আলম (৫০)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় জানায়, তারা উভয়েই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা সাধারণ পেশার আড়ালে এসকল মাদকদ্রব্যের পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ ইমামুল হক শুক্কুর ড্রাইভার পেশার আড়ালে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। এই চক্রটি পারস্পারিক যোগসাজসে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের বড় আকারের চালান দীর্ঘদিন যাবৎ ট্রাক, পিকআপ, কার্ভাড ভ্যান সহ অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের পণ্যদ্রব্য পরিবহনের আড়াঁলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কুমিল্লা ও ঢাকা সহ পাশর্^বর্তী জেলা সমূহে সরবরাহ করে থাকে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় আরো জানায় এই বিপুল পরিমান ইয়াবা এর চালান ঢাকাসহ পাশর্^বর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে গোয়েন্দা কার্যক্রম ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর আভিযানিক দল মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য মোঃ ইমামুল হক @শুক্কুর ও দিদারুল আলম’দ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক তাদের দেখানো মতে সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকার ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক হতে গ্রেফতার করে ০১ টি ব্যাগে সর্বমোট ৪০,০০০ পিস উদ্ধার করে যার আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্তদের বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসংক্রান্তে জড়িত অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-১১ এর গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৯৯ বোতল ফেন্সিডিল’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৪ মার্চ রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সাইফুজ্জামান
বুলবুল (৩৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯৯ বোতল
ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ সাইফুজ্জামান বুলবুল (৩৮) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সবজিকান্দি গ্রামের
মৃত মফিজুল ইসলাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল বিদেশী মদসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৫ জুলাই) বিকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন রাজমঙ্গলপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০)
নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২৫ বোতল বিদেশী মদ
উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাজমঙ্গলপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন শ্রী বল্লভপুর এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ।
শুক্রবার
( ৮/১২/২৩) রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই(নিরস্ত্র) মোঃ আহসান হাবিব, সঙ্গীয়
অফিসার এএসআই(নিঃ) মোঃ হারুন-অর-রশিদ, এএসআই(নিঃ) মাসুদ রানা, মুর্শিদ আলম, হানিফ মিয়া,
ফয়সাল আকন্দ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটিতে নিয়োজিত থাকা অবস্থায়
সংবাদ পান সদর দক্ষিণ মডেল থানার একাধিক মামলায় অভিযুক্ত (সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা
নং- ২৩) ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী মোঃ সবুজ সদর দক্ষিণ থানাধীন শ্রী বল্লভপুর এলাকায় তার
নিজ বসত ঘরে অবস্থান করিতেছে। অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ সবুজ (২৪), পিতা- মোঃ আবুল হোসেন মিয়া, মাতা- মোছাঃ পারভীন, সাং- শ্রী
বল্লভপুর (পূর্ব পাড়া), পোঃ- আহাম্মদনগর, ২২নং ওয়ার্ড, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, থানা-
সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
তার কাছ থেকে একটি ছয় চেম্বার বিশিষ্ট রিভলবার, একটি স্টীলের সুইস গিয়ার, একটি লোহার চাপাতি,
একটি স্টীলের তৈরী তলোয়ার সদৃশ সামুরাই উদ্ধার করেন।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) ও ২। মোঃ রুবেল (৩০) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মৃত নূরুল হক কারী এর ছেলে এবং ২। মোঃ রুবেল (৩০) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সাত্তার এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


যশোরের চৌগাছায় দাঁত দিয়ে কামড়ে স্বামী
সোহাগ হোসেনের (২৪) জিহ্বা কেটে আলাদা করে ফেলেছেন তার স্ত্রী সীমা খাতুন (২৩)।
এ ঘটনায় পরে সোহাগ হোসেনকে হাসপাতালে
নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর প্রেরণ করেন।
সোমবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে
উপজেলার পাতিবিলা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
ভুক্তভোগী সোহাগের পিতা মোজাম্মেল হক
ও নানা সিদ্দিকুর রহমান জানান, আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়িতে সোহাগ ও সীমার
মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি চলছিল। একপর্যায়ে স্ত্রী সিমা দাঁত দিয়ে কামড়ে
স্বামী সোহাগের জিহ্বা কেটে আলাদা করে ফেলে। এ সময় বাড়ির লোকজন সোহাগকে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট
জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনার পর পরিবারকে ডেকে পুত্রবধূ সীমাকে তার বাবার
বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সুষ্ঠু সমাধানের পর পুনরায় তারা সংসার করবে।
বর্তমানে সোহাগ যশোর জেনারেল হাসপাতালের
সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন বলেও জানান তিনি।
চৌগাছা থানার ডিউটি অফিসার এসআই জারফিন
জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়া থানা অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) আবদুল্লাহিল কাফি জানান, পোশাক কারখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন প্রদানের সময় স্ট্যাম্পের চাহিদার সুযোগ নিয়ে কোটি টাকার জাল স্ট্যাম্প সরবরাহ করে আসছিল একটি চক্র। এমন চক্রের সন্ধান পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে আশুলিয়া থানা পুলিশ আর এ অভিযানে বিপুল সংখ্যক জাল স্ট্যাম্পসহ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-বরিশাল জেলার সদর থানার ব্রাউন কম্পাউন্ড রোড এলাকার মৃত আ. রশিদ হাওলাদারের ছেলে মো. আসিফ ইকবাল (৩৮) ও মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার বাহেরচর গ্রামের হোসেন মোল্লার ছেলে মো. জুয়েল (৪২)। একটি পোশাক কারখানায় জার স্ট্যাম্প বিক্রির সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) আবদুল্লাহিল কাফি বলেন, জাল স্ট্যাম্প তৈরির কারখানা আমরা গত ঈদের আগে শনাক্ত করে চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করেছি। তারা কিন্তু ধরন পরিবর্তন করেছে। পোশাক কারখানার বেতনের সময় ১০ টাকার জাল স্ট্যাম্পের প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে পণ্য শিপমেন্টের সময় ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প প্রয়োজন হয়। এ চাহিদাকে চক্রটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রাতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার ডংলিয়ন পোশাক কারখানায় জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করতে আসেন আসামি আসিফ ইকবাল। খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।
পুলিশের উপস্থিত বুঝতে পেরে তিনি আসিফ ইকবাল পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ টাকা মুল্যের ২ লাখ ৯০ হাজার ২০০ টি রিভিনিউ স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার মৌচাক বাজারের ইউনিয়ন ব্যাংকের সামনে থেকে মো. জুয়েল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ১০ টাকা মূল্যের ১০ হাজার ও ৫০০ টাকা মূল্যের ৪০ হাজার স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। যার মুল্য দুই কোটি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ জাল স্ট্যাম্পের কারখানার করা হচ্ছে। দ্রুত কারখানাসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হবে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক - মজিবুর রহমান পাবেল
কুমিল্লার সুযোগ্য
জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আমিরুল কায়সার সম্পর্কে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
সাংবাদিক এরশাদ রানা। নিজের ব্যক্তিগত কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তিনি
দেখেছেন প্রশাসনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব, যা কুমিল্লার ২৩৫ বছরের সমৃদ্ধ
ইতিহাসের অংশ।
এরশাদ রানা তার ফেসবুক
পোস্টে উল্লেখ করেছেন, শতাধিক জেলা প্রশাসকের পদচিহ্ন থাকলেও মোঃ আমিরুল কায়সার
ছিলেন ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তি— অহংকারহীন, ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে দূরে এবং অত্যন্ত বিনয়ী।
ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ধৈর্যসহকারে সাংবাদিকের কথা শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিক
সুপারিশসহ আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরাসরি
আবেদনপত্রটি পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন, যা তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার
পরিচয় বহন করে।
সাংবাদিক এরশাদ রানা বলেন, "এই প্রথমবারের মতো কুমিল্লার জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে এতটা বিনয়ী ও মানবিক ডিসি দেখলাম।" তার এই মন্তব্য থেকে
বোঝা যায়, জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে জেলা প্রশাসক কতটা আন্তরিক।
জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ও মানবিক প্রশাসনের এমন উদাহরণ নিঃসন্দেহে
প্রশংসনীয়। তবে তিনি কতদিন কুমিল্লায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকবেন, তা অজানা।
তবে যতদিন থাকবেন, কুমিল্লাবাসীর জন্য তা সৌভাগ্যের বিষয় হবে।
মন্তব্য করুন