

১১
বছর পর ৫ম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ
শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।
রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন তিনি।
বেসক্যাম্প
টিমের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান।
তার
আগেও আরও চারজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছিলেন।
তবে
সেই চারজনের চেয়ে বাবর আলীর লক্ষ্য আলাদা। জানা গেছে, বাবরের
লক্ষ্য পৃথিবীর চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে। রোববার ক্যাম্প-৪ এ নেমে
মাঝরাতে আবারও শুরু করবেন দ্বিতীয় লক্ষ্যের পথে যাত্রা। সব অনুকূলে থাকলে ভোরে
পৌঁছতে পারেন এর চূড়ায়। এ লোৎসেতে এর আগে কোনো বাংলাদেশি সামিট করেননি। কোনো
বাংলাদেশি একই অভিযানে দুটি আট হাজারি শৃঙ্গেও চড়েননি। তাই লক্ষ্য পূরণে হলে বাবার
আলী নতুন রেকর্ড গড়বেন।
বাংলাদেশ
থেকে আগে এভারেস্ট জয় করা হলেও একই অভিযানে এভারেস্ট এবং লোৎসে আরোহণের চেষ্টা
হয়নি। সেই চ্যালেঞ্জই নিতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিজেকে হিমালয়ের নানান চূড়ায় অভিযানের
জন্য প্রস্তুত করেন বাবর।
৩৩
বছর বয়সী বাবর আলী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন। শুরু করেছিলেন চিকিৎসা পেশা। এরপর চাকরি ছেড়ে দেশ-বিদেশে ঘোরায় মনোযোগ দেন তিনি।
২০১৪ সাল থেকে তার পর্বতারোহণে পথচলা শুরু বাব
২০১৪
সাল থেকে তার পর্বতারোহণে পথচলা শুরু বাবরের। চট্টগ্রামের পর্বতারোহণ ক্লাব
ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি। এ ক্লাবের হয়েই গত দশ বছরে
হিমালয়ের নানান শিখরে অভিযান করেছেন তিনি। ২০১৭ সালে ভারতের উত্তরকাশীর নেহেরু
ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে মৌলিক পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। ২০২২
সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে হিমালয়ের অন্যতম দুর্গম ও টেকনিক্যাল চূড়া আমা দাবলাম
(২২,৩৪৯
ফুট) আরোহণ করেন বাবর।
সাইকেলিংয়ের
পাশাপাশি এখন পর্যন্ত সারগো রি (৪ হাজার ৯৮৪ মিটার), সুরিয়া পিক (৫ হাজার ১৪৫ মি.), মাউন্ট
ইয়ানাম (৬ হাজার ১১৬ মি.),
মাউন্ট ফাবরাং (৬ হাজার ১৭২ মি.),
মাউন্ট চাউ চাউ কাং নিলডা (৬ হাজার ৩০৩ মি.), মাউন্ট শিবা (৬ হাজার ১৪২ মি.), মাউন্ট
রামজাক (৬ হাজার ৩১৮ মি.) ও চুলু ইস্ট (৬ হাজার ০৫৯ মি.) পর্বতের চূড়ায় উঠেছেন বাবর
আলী।
মন্তব্য করুন


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সাথে আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।
সাক্ষাৎকালে, সেনাপ্রধান আসন্ন ঈদে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ; লঞ্চ টার্মিনাল, ট্রেন স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডসমূহে নিরাপদ সেবা নিশ্চিতকরণসহ সকল সড়কে নিরবিচ্ছিন্ন যান চলাচল; শিল্পাঞ্চলের মালিকদের সাথে শ্রমিকদের বোঝাপড়ার ব্যবস্থাকরণ এবং সেনাবাহিনীর চলমান বিবিধ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা'কে অবহিত করেন। এছাড়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সম্মানে দেশের সকল সেনানিবাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন এবং আহত যোদ্ধা ও শহীদ যোদ্ধাগণের পরিবারবর্গকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান সম্পর্কেও প্রধান উপদেষ্টা'কে অবহিত করা হয়। পরিশেষে, সেনাবাহিনী প্রধান মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা'কে অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে দেশ একটি যোগ্য ও সুন্দর প্রজন্ম পাবে।
আজ সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে হাজী মোঃ জহিরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে নেউরা এম. আই. উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাথমিক স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আল্লাহ ধন-সম্পদ দেওয়ার আগে মানুষের মনকে সমৃদ্ধ করেন। আয়োজক জহিরুল ইসলামের এই উদ্যোগ তার উদার মানসিকতারই প্রমাণ। তিনি বলেন, আজকের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি মহৎ কাজ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, সময় ও যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার ধরণ ও শিক্ষার্থীদের চাহিদাও বদলেছে। বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্কুল ব্যাগও একজন শিক্ষার্থীর জন্য বড় সহায়তা হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করে এবং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
মন্ত্রী সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যার যার অবস্থান থেকে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। আজ যেসব শিক্ষার্থী সহায়তা পাচ্ছে, ভবিষ্যতে তারাই দেশের সম্পদ হয়ে সমাজের কল্যাণে অবদান রাখবে।
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য—এই তিনটি খাত দেশের অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কৃষকের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারলেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
হাজ্বী মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী ১ নভেম্বর থেকে পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে কঠোর মনিটরিং চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। পাশাপাশি পলিথিন উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, শুধুমাত্র পলিথিনের শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হচ্ছে। কোনো সুপারশপ পলিথিন শপিং ব্যাগ সরবরাহ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।
সভায় পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ বাস্তবায়ন ও পলিথিনের পরিবর্তে পাটের ব্যাগ ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, মানুষ যদি পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করে, তাহলে উৎপাদনও বন্ধ হবে। এজন্য জনগণকে সচেতন করতে হবে। কেউ ইচ্ছে করে গাফিলতি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পলিথিন ব্যাগের ক্ষতিকর প্রভাব বুঝে মানুষ যেন এটি থেকে সরে আসে, সে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পাটের ব্যাগের সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মিলন হোসেন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মিরওয়ারিশপুর থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বৃহস্প্রতিবার রাতভর অভিযান চালিয়ের ৮ ডাকাত ও তাদের ১ সহযোগিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রিল কাটার, ৫টি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন স্থান থেকে স্বার্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে বেগমগঞ্জ থানায় প্রেস কনফারেন্স করে ডাকাতদের আটকের ঘটনা, অস্ত্র এবং স্বর্নালংকার উদ্ধারের ডাকাত চক্রের বিষয়ে বিস্তারিত জানান, বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান রাজিব।
এসময় বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ফরিদুল ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার কৃষ্ণা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় পুলিশ পূর্ববর্তী ডাকাতি মামলা ছাড়াও নতুন করে ডাকাতি ও অস্ত্র মামলা নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ জেলার পুরোহিতপাড়া এলাকা থেকে ১টি পিস্তল, ৩টি রিভলবারসহ বিপুল পরিমান দেশি অস্ত্র উদ্ধার, একই সঙ্গে ৪৭টি ককটেল, ৫টি ফেনসিডিলসহ ২৭৯টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে সংশ্লিষ্ট মামলায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ আসামিদের ময়মনসিংহের চিফ জুডিসিয়াল আদালতে পাঠিয়েছে ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: জামিল হোসেন (২৪) ও মো. সেলিম মিয়া (৬৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি।
এর আগে ১০ জুন রাতে নগরীর পুরোহিতপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন।
জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে আসামিরা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও মাদক কারবারি চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় ২টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭দিনের রিমান্ড এর আবেদর করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


দ্রুত
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে দেশে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি জোরদারের ব্যাপারে
গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ
গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই।
আজ
বুধবার ( ২৮ জানুয়ারি ) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি)
‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আগামী পৃথিবী মৌলিকভাবে ভিন্ন হবে। আজ যা আমরা কল্পনাও করতে
পারছি না, সেটাই বাস্তবতায় পরিণত হবে। পৃথিবী দ্রুত বদলাচ্ছে। এই বৈশ্বিক গতির সঙ্গে
যদি আমরা নিজেদের গতি বাড়াতে ও সামঞ্জস্য আনতে না পারি, তাহলে আমরা কতটা পিছিয়ে পড়ব,
তা ভেবে দেখা দরকার।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, দেখে মনে হতে পারে বাংলাদেশ অন্যদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে, কিন্তু
বাস্তবে আমরা অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে— চিন্তায় পিছিয়ে, কাজে পিছিয়ে এবং নিজেদের
প্রস্তুতিতেও পিছিয়ে। তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে যথাযথ গুরুত্ব
না দেওয়ার কারণেই এই পিছিয়ে পড়া। আইসিটিকে তিনি ‘মূল খাত’
হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এই খাত থেকেই ভবিষ্যৎ তৈরি হবে। আমি এই খাতের কথা বলছি, কারণ—
এটি একটি প্রধান খাত। ভবিষ্যৎ এই খাত থেকেই গড়ে উঠবে।’
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাতগুলো টিকে থাকবে ঠিকই। তবে, প্রযুক্তি খাতই হবে
চালিকাশক্তি— হাওয়ার মতো, বাতাসের মতো; যা প্রতিটি খাতকে স্পর্শ করে
নতুনভাবে রূপ দেবে। এ কারণে এখনই প্রস্তুতি শুরু করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এই খাতের
নীতিমালা প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের প্রচলিত চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
এক্সপো
প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজনগুলোতে আমরা কী ধরনের আলোচনা করি, কী
ধরনের ভবিষ্যৎ কল্পনা করি এবং সে অনুযায়ী কী ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করি—
দেশের ভবিষ্যৎ অনেকটাই তার ওপর নির্ভর করবে।’
প্রজন্মগত
পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুরা প্রযুক্তির সঙ্গে প্রায় সহজাতভাবেই
যুক্ত। প্রজন্মগুলোর মধ্যে এই বাড়তে থাকা দূরত্ব একটি নেতৃত্ব সংকট তৈরি করছে। বয়স্ক
প্রজন্ম তরুণদের নেতৃত্ব দিতে পারছে না— কোনো খারাপ উদ্দেশ্যের কারণে নয়, বরং
তাদের চিন্তাভাবনার ধরন এক নয়।’
বাংলাদেশের
আইসিটি খাতেও এখনো পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন,
‘জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছাতে প্রকৃত ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা চালু করতে হবে।
মানুষ সরকারের কাছে আসবে না, বরং সরকারি সেবা মানুষের কাছে যাবে। এটি বাস্তবায়ন করা
গেলে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।’
চার
দিনব্যাপী এই প্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক
কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। ‘বাংলাদেশ টু দ্য ওয়ার্ল্ড’
প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই এক্সপো চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব
শীষ হায়দার চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল
ইসলাম।
মন্তব্য করুন


নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং মানুষ
হিসেবে এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে সাংবিধানিক অধিকার চাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী
মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে যাচ্ছি, যেখানে সবাই এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। এখানে
পরিবারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা মুসলমান,
হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে বিবেচিত নই; মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত
হোক। আপনারা যদি টেনে টেনে নিয়ে আসেন আমি ওমুক, আমি তমুক, এটা আবার পুরোনো জায়গায় চলে
গেলো। আপনারা বলেন যে আমি মানুষ, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমার সাংবিধানিক অধিকার এই,
আমাকে দিতে হবে। সব সরকারের কাছে এটাই চাইবেন। সব সমস্যার গোড়া হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো
পচে গেছে। এ কারণেই এসব গোলমাল হচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে হবে। ন্যায়বিচার
হলে কে বিচার পাবে না আমাকে বলেন। কোন ধর্মের, কোন জাতের, আইনে কি বলা আছে যে মুসলমান
সম্প্রদায় হলে এই আদালতে হবে, হিন্দু হলে ওই আদালতে যাবে। সবার জন্য আইন একটা, কার
সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে যে এ রকম একটা, ওই রকম একটা। এটা এমন রোগ, মূলে যেতে হবে।
আপনারা যদি বলেন আমাদের সংখ্যালঘুরা, এটা বললে মূল সমস্যা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।
আমাদের বলতে হবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা পেলে বাকস্বাধীনতা
প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটিই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।
সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা বিভিন্ন খোপের (বিভেদ) মধ্যে চলে যাইয়েন না। এই খোপ হলে, খোপের
মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। এক হয়ে আসেন। এক আইন, আমাদের আইনি অধিকার দিতে
হবে। বলেন, আপনারা আইনি অধিকার পান না, বিচার হয় না। এটাই হলো আসল জিনিস। বিচারব্যবস্থা
আমাদের দিকে তাকায় না, পুলিশ আমাদের দিকে তাকায় না। কারণ, আমি অধিকারটা … করতে পারি
নাই। আমাদের নীতিটা আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। খোপ খোপ করতে আরম্ভ করবেন, তারাও
মজা পেয়ে যাবে। ওই মজার খেলাতে আমাদের আর নিয়ে যাইয়েন না। আমরা এসেছি, আমরা এক মানুষ,
আমাদের এক অধিকার। এর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যাবে না। একটু সহযোগিতা করেন আমাদের,
একটু ধৈর্য্য ধরেন। কী করতে পারলাম, কী পারলাম না সেটা পরে বিচার কইরেন। যদি না পারি
আমাদের দোষ দেবেন।
এর আগে সনাতন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা
বিভিন্ন সময় তাদের ওপর হামলার কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের কাছে এসব
সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার চান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়
প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তাদের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


হংকংকে হারিয়ে ইতোমধ্যে দারুণভাবে এশিয়া কাপের ১৭তম আসর শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এবার সুপার ফোরের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে শনিবার ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে টাইগাররা। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি লড়াই সবসময়ই সমর্থকদের জন্য বাড়তি উত্তেজনা নিয়ে আসে। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ডও তা স্পষ্ট করে দেখিয়ে দেয়। পরিসংখ্যানে লঙ্কানরা এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স বেশ আশা জাগিয়েছে।
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ২০ বার মুখোমুখি হয়েছে। যার মধ্যে ১২টি তে জয়ের দেখা পেয়েছে লঙ্কানরা আর বাকি ৮টি ম্যাচ জিতেছে টাইগাররা। শেষ পাঁচ ম্যাচে সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৪টিতেই জিতেছে। অন্যদিকে, নিজেদের শেষ পাঁচ ম্যাচে লঙ্কানদের জয় কেবল দুটিতেই।
এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচ থেকে টাইগারদের একাদশে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। তাওহীদ হৃদয় হংকং ম্যাচে ধীরগতির ব্যাটিং করলেও আরেকটি সুযোগ তিনি পেয়ে যাবেন বলেই ধারণা করা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, রিশাদ প্রতিপক্ষ বিবেচনায় হংকংয়ের বিপক্ষে কিছুটা খরুচে বোলিং করলেও তার ওপরই আস্থা রাখার সম্ভাবনা বেশি টিম ম্যানেজমেন্টের। কারণ ব্যাট হাতে রিশাদের শেষদিকে দ্রুত রান তোলার সামর্থ্য তাকে এগিয়ে রাখবে বাকিদের চেয়ে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক
নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় অদম্য নারী পুরস্কার
কার্যক্রমের আওতায় গণতন্ত্রের মানসকন্যা বেগম খালেদা জিয়াকে 'গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায়
শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী' সম্মাননায় ভূষিত করতে যাচ্ছে।
আগামীকাল
রবিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়াকে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে।
আপসহীন
সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অদম্য নেতৃত্ব প্রদান এবং গণতান্ত্রিক ধারা
প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়া অসামান্য অবদান রাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
অন্যান্য
বছরের ন্যায় এ বছরও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচ জন নারীকে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে পুরস্কার
প্রদান করা হবে।
অর্থনৈতিক
ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে
সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে নুরবানু
কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা
বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন- এমন নারী ক্যাটাগরিতে মোছা. আফরোজা
ইয়াসমিন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে পুরস্কৃত হচ্ছেন।
মন্তব্য করুন