কুমিল্লা টুয়েন্টিফোর টিভি ডেস্ক:
২৮ দিন আগে , বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬
কুমিল্লা টুয়েন্টিফোর টেলিভিশন

কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ ২ ডাকাত আটক

কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ ২ ডাকাত আটক
কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ ২ ডাকাত আটক

ভোলায় কোস্টগার্ডের অভিযানে একটি ডাকাতদলের সক্রিয় দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের চর রাসেল এলাকা থেকে ১টি পিস্তল ও ৬টি দেশীয় অস্ত্রসহ তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো: ডাকাত সর্দার মো. মোফাজ্জল (৫৫) এবং তার সহযোগী আব্দুল বাতেন (৬৫)।

তারা লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলাধীন মধুচৌধুরি হাট ও মধ্যের চর রমনীর বাসিন্দা।

কোস্টগার্ড এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে ইলিশা এলাকায় মেঘনা নদী এবং তৎসংলগ্ন চরে কুখ্যাত রাসেল বাহিনীর সক্রিয় সদস্য মো. মোফাজ্জল এবং আব্দুল বাতেন স্থানীয় জনসাধারণ এবং জেলেদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি, জমিদখল ও বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছিলেন। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড এসব এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে ইলিশার চর রাসেল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাসেল বাহিনীর দুই সক্রিয় ডাকাতকে ১টি পিস্তল, ৬টি দেশীয় অস্ত্র ও ১টি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়।  

পরে জব্দ করা অস্ত্রগুলোসহ আটককৃতদের ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

হাদি হত্যার বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই সম্পন্ন করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

হাদি হত্যার বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই সম্পন্ন করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সংগৃহীত

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই শহীদ হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

তিনি আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর )  বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, হাদি হত্যা মামলা চলাকালীন এ যাবত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, গার্লফ্রেন্ড মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু ও মো. আব্দুল হান্নান।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৬ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং ৪ জন সাক্ষীও ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য প্রদান করেছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জব্দকৃত উল্লেখযোগ্য আলামতসমূহ হলো  হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, ম্যাগাজিন ও ছোরা, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও ভুয়া নম্বর প্লেট, ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত গুলির খোসা, বুলেট, ভিডিওচিত্র সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত এবং প্রায় ৫৩টি একাউন্টের মোট ২১৮  কোটি টাকার স্বাক্ষরিত চেক।

তিনি আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত রয়েছে তা উদঘাটনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, সাক্ষীদের জবানবন্দি ও উদ্ধারকৃত আলামত পর্যালোচনা ও সার্বিক বিবেচনায় মামলাটির তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে (৭ জানুয়ারি ২০২৬) এ মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দেশব্যাপী জনসংযোগ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দেশব্যাপী জনসংযোগ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে দেশব্যাপী জনসংযোগ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশব্যাপী জনসংযোগ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, ৬ দিনব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় জনসংযোগ করবে। এসময় তারা জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয়ে লিফলেট বিতরণ করবে, সমাবেশ করবে এবং বিভিন্ন মাত্রায় জনসংযোগ করবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সকল শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নিয়েছে। আমরা একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কথা তুলে আনতে চাই।

জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, আজ অথবা কালকের মধ্যে সরকার জনগণের সামনে দৃশ্যমান উদ্যোগ প্রদর্শন করুক। এ বিষয়ে আমাদের মতামত চাওয়া হলে আমরাও দিতে প্রস্তুত আছি।

জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ঘোষণাপত্র প্রদানের বিষয়ে সবার ঐক্যমত রয়েছে। কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গি বা তা কীভাবে তুলে আনা যায়, সে বিষয়ে হয়তো পার্থক্য রয়েছে। শব্দ চয়নে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে৷ সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। কিন্তু ঘোষণাপত্র নিয়ে কারও আপত্তি নেই।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

মহান বিজয় দিবস উদযাপনে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে যুব ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

মহান বিজয় দিবস উদযাপনে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে যুব ম্যারাথন অনুষ্ঠিত
ছবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘পুরোনো ব্যবস্থার রাজনীতি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে”। যেই রাজনীতি হবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, খুনের বিরুদ্ধে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে, দুর্নীতি-অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মান না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চলবেই। যত বাঁধা, ভয়ভীতি আসুক আমরা থেমে যাবো না। আমরা জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব, ইনশাআল্লাহ। 


তিনি বলেন, আগামীর নির্বাচনে কোনো ধরনের কারিগরি ষড়যন্ত্র জনগণ হতে দেবে না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো আনুকূল্য চাই না কিন্তু কমিশন যদি কারো প্রতি আনুকূল্য দেখায় তবে সেটি বরদাস্ত করা হবে না। কালো টাকায় কেউ মানুষকে কেনার চেষ্টা করলে মানুষ মুখে ছাঁই মেরে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত জাতিকে কেউ কালো টাকায় কিনতে পারবে না। 

আমীরে জামায়াত বলেন, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের ওপর অবিচার করার কারণে, বৈষম্যের সৃষ্টি করায় মানুষ ফুঁসে উঠেছিল। যারা ৭০ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিল তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বৈষম্যহীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর তারা ক্ষমতায় বসে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল। তারা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। রক্ষী বাহিনী গঠন করে যখন যাকে ইচ্ছে তাকে খুন করা হয়েছিল, মা-বোনদের ইজ্জত লুন্ঠন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্রের শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। 

প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ছেলেরা ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। বিদেশী দাতা সংস্থাদের দান করা খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ লুট করা হয়েছিল। তাদের সাড়ে চার বছরের দুঃশাসন মানুষকে বিদ্রোহী করে তুলেছিল। কে তাদেরকে হত্যা করেছিল?- একাত্তরের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় বীরদের হাতেই তারা হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন হত্যার শিকার হয়েছে সেই উত্তর আওয়ামী লীগকেই খুঁজতে হবে। ৭২ এর ১০ জানুয়ারী, ৯৬ এর ১০ জানুয়ারী, ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারী তারা তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। ৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার আগে অতীতে তাদের দল যেই খুন করেছে, জুলুম করেছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল। জনগণ সরল বিশ্বাসে তাদেরকে ক্ষমতায় বসানোর পর তারা আবার নিজের রূপে ফিরে আসে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চট্রগ্রামে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছিল তার দলের একজন মারা গেলে ১০ জনকে হত্যা করা হবে। একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়িত্ব জ্ঞানহীন হলে এমনটা বলতে পারে। সেই সময় তারা মানুষকে হত্যা করে খালে-বিলে লাশ ফেলেছে।

 পরবর্তীতে তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে মানুষকে সাপের মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় হত্যার পর তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। যেই দৃশ্য দেখে পুরো বিশ্ব ব্যথিত হয়েছে।  ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় এসে তারা প্রথমেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। একে একে তারা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেছিল। শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে এদেশের আলেম-ওলামাদের হত্যা করেছিল। তাদের শাসনামলের ১৫ বছরে এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে আওয়ামী লীগের জুলুম থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে তাদের বিরুদ্ধে পুরো দেশবাসী ফুঁসে উঠেছিল। তারা জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। এখন তারা পলাতক থেকেই চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। তাদের টার্গেট এখন এদেশের তরুণ ও বিপ্লবীরা। সেই টার্গেটের অংশ হিসেবে তারা জুলাইয়ের অন্যতম শীর্ষ নেতা ওসমান হাদীকে হত্যা চেষ্টা করেছে। ওসমান হাদীর কিছু হলে বিপ্লবীরা বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগ ভেবেছে ওসমান হাদীকে শেষ করতে পারলে কিংবা কয়েকজন বিপ্লবীকে শেষ করতে পারলে তারা সফল হবে কিন্তু না! বিপ্লবীর সংখ্যা তারা কমাতে পারবে না। বরং ক্রমেই বিপ্লবী তরুণদের সংখ্যা বাড়বে। তরুণরা আওয়ামী লীগের সকল অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। আমীরে জামায়াত, উপস্থিত যুব সমাজকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ম্যারাথন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।  

উদ্বোধনী সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘‘রাজপথে বিজয়ে, চলো এক সাথে বাংলাদেশ গড়ি’’- স্লোগানে জামায়াতে ইসলামী সকলকে সঙ্গে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে প্রস্তুত। আজকের এই যুব ম্যারাথন অতীতের বস্তা পঁচা রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার রাজনীতির বার্তা দেয়। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা যেই স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম সেই বাংলাদেশে মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। ৭১ এর চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই চব্বিশে নতুন চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবেই, হবে। বুলেট-বোমাকে ভয় না করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ যুব সমাজকে দৃঢ় শপথ নিতে হবে। 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পরিচালনায় যুব ম্যারাথন কর্মসূচির উদ্বোধনী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রমুখ। এসময় কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

উদ্বোধনী সভা শেষে, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যুব ম্যারাথন উদ্বোধন করেন। যুব ম্যারাথনে অর্ধ লাখ তরুণ যুবক অংশগ্রহন করেন। ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু করে শাহবাগ-সাইন্সল্যাব হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থীর রুল ২ সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থীর রুল ২ সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ
সংগৃহীত

ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে জারি করা রুল দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত।

একইসঙ্গে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে চেম্বার আদালতের আদেশও বহাল রাখা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদালত এ আদেশ দেন।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের আইনজীবী ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার বলেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন। এ কারণে তিনি আর ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন না।

মুন্সীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ মামুন বলেন, আমরা স্টে ভ্যাকেটের জন্য চেম্বার আদালতে আবেদন দিয়েছিলাম। চেম্বার বিচারপতি আবেদনটি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠাননি। আমরা বলেছি ঋণ পরিশোধ করে দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকের আইনজীবীও ছিল। কোর্ট বললেন, ‘আমি এটাকে আপিল বেঞ্চে দিচ্ছি না। আপনারা হাইকোর্টে যান।

আইনজীবী আরো বলেন, আমাদের নমিনেশন চ্যালেঞ্জ করেনি।

নির্বাচন করতে আজ পর্যন্ত বাধা নেই। তবে হাসনাত আপিল করেছে। আমরাও আপিল করেছি। সেখানে কি হবে সেটা পরবর্তী বিষয়।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি ঋণখেলাপির তালিকা থেকে কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত।

পরে এই আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি।

আদালতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার বিভূতি তরফদার। অপরপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাইফুল্লাহ মামুন।

এর আগে, ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

এবার পদত্যাগ করলেন এনসিপি কেন্দ্রীয় নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা

এবার পদত্যাগ করলেন এনসিপি কেন্দ্রীয় নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা
ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দা নীলিমা দোলা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। শনিবার বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি তার পদত্যাগপত্রও প্রকাশ করেন।

পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান ও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, দলের সব দায়িত্ব ও পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন, কারণ এনসিপির মাধ্যমে আর মধ্যপন্থী রাজনীতির নতুন কোনো ধারা তৈরি সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে—এই প্রত্যাশা থেকেই তিনি এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলটির একাধিক সিদ্ধান্ত তার কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এনসিপি ক্রমশ ডানপন্থী রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ছে এবং সেই ধারাকেই পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো কৌশলগত জোট নয়। তার মতে, যদি সত্যিই এটি কৌশলগত হতো, তাহলে একের পর এক নেতাকর্মীর পদত্যাগ দেখা যেত না। তিনি অভিযোগ করেন, নেতাকর্মীদের না জানিয়ে এবং বিভ্রান্ত করে এই জোট গঠন করা হয়েছে। মনোনয়নের নামে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা আরও বলেন, দলে থেকে যাওয়া অনেকেই প্রশ্ন তুলতে পারেন—ক্ষমতা বা গুরুত্ব পাওয়ার পরও কেন তিনি চলে গেলেন। এর জবাবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তাকে কোনো ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। বরং তার প্রগতিশীল মানসিকতা ও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের পরিচয়ই এতদিন এনসিপিকে শক্তি জুগিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা দল ছাড়ছেন তাদের ‘বামপন্থী’ হিসেবে চিহ্নিত করাও একটি পরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তার প্রশ্ন—যদি বামপন্থীরা বেরিয়ে যায়, তবে যারা থেকে গেলেন তারা কি সবাই ডানপন্থী? এনসিপি কি আদৌ একটি সেন্ট্রিস্ট দল?

পদত্যাগপত্রের শেষাংশে তিনি উল্লেখ করেন, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার আগেও তিনি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন এবং দলটিতে যুক্ত হওয়ার পরও সেই কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য গঠনের পর থেকেই এনসিপির একাধিক নেত্রী দল ছাড়ছেন। সৈয়দা নীলিমা দোলার পদত্যাগ সেই ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ ঘটনা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

আজ শুভ বড়দিন

আজ শুভ বড়দিন
সংগৃহীত

খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্ট এদিনে বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা ও আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করবেন।

খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে শুভ বড়দিন হিসেবে উদযাপন করে থাকে। তারা বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারের মাধ্যমে মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই প্রভু যিশুর পৃথিবীতে আগমন ঘটেছিল।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিস্ট ধর্মানুসারীরাও আজ যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আচারাদি, আনন্দ-উৎসব এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুভ বড়দিন উদযাপন করবেন।

এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গির্জাগুলোকে সাজানো হয়েছে নতুন আঙ্গিকে। এ ছাড়া গত শনিবার সন্ধ্যা থেকে বিভিন্ন গির্জা এবং তারকা হোটেলগুলোতে ব্যবস্থা করা হয়েছে আলোকসজ্জার। বড়দিনের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও হোটেলগুলোতে। নগরের বিভিন্ন হোটেলের লবি ও অন্যান্য স্থান সাজানো হচ্ছে বর্ণিল সাজে।

খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, খ্রিস্ট ধর্মের প্রবর্তক প্রভু যিশু ঈশ্বরের পুত্র। পৃথিবীতে শান্তির বাণী ছড়িয়ে দিতে, মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালনা করতে এবং সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারের লক্ষ্যে প্রভু যিশুর পৃথিবীতে আগমন ঘটেছিল। দুই হাজার ২৩ বছর আগে তিনি আশ্চর্যজনকভাবে ঐশী শক্তিতে মেরির কোলে জন্মগ্রহণ করেন। মানবজাতির প্রতীক্ষিত মুক্তিদাতা প্রভু যিশু ৩০ বছর বয়সে প্রকাশ্যে প্রচার শুরু করেন।

এদিকে বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীসহ সবার শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে পৃথক বাণী দিয়েছেন। এসব বাণীতে তারা খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

খাদ্যদূষণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ, সংকট মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

খাদ্যদূষণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ, সংকট মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান
ছবি

দেশের খাদ্যপণ্যে দূষণ ও ক্ষতিকর  রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

খাদ্যদূষণ প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘খাদ্যে বিভিন্ন দূষণের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জানি; এটাকে কীভাবে মোকাবিলা করা যায় সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। আমাদের সন্তান, বাবা-মা, আপনজন সবাই এর ভুক্তভোগী। নিজেদের স্বার্থেই আমাদের সকলকে একসঙ্গে এই সংকট মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। বাস্তবায়নের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কোনটি এখনই শুরু করা জরুরি। এ বিষয়ে জরুরি উদ্যোগগুলো আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নেব।

আজ রবিবার ( ০৭ ডিসেম্বর )  দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় খাদ্যে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি ও এর প্রেক্ষাপটে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যক্রম গ্রহণ এবং খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) চেয়ারম্যান জাকারিয়া ও পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মো. মজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে খাদ্যবাহিত রোগ, দূষণ সম্পর্কিত ঝুঁকি এবং এ সংকট মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এসময় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যে দূষণ সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা লিখিত আকারে পাঠানোর নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।

বৈঠকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়। তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী বছরে খাদ্যবাহিত রোগে প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে এক জন শিশু বছরে অন্তত একবার অসুস্থ হয়। খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত ৩ ভাগের ১ ভাগ শিশু মৃত্যুবরণ করে। খাদ্যবাহিত রোগে প্রতিবছর বিশ্বে ৬০ কোটি এবং বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু আক্রান্ত হয়।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, খাবারে চার ধরনের দূষক থাকতে পারে। ভারী ধাতু, কীটনাশক-জীবনাশক এর অবশিষ্টাংশ, তেজস্ক্রিয়তা ও জৈবদূষক। গত অর্থবছর ১৭১৩টি এবং এ বছর এ পর্যন্ত ৮১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত মাত্রায় পাওয়া গেছে সীসা বা সীসা ক্রোমেট। মোট ১৮০ নমুনার মধ্যে ২২টিতে সীসা শনাক্ত হয়েছে।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউএমইএ সুইডেন এর যৌথ গবেষণায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৮৭টি পানি ও ২৩ মাছ এর নমুনা সংগ্রহ করে ৩০০ ধরনের ঔষধ, ২০০ ধরনের কীটনাশক, ১৬ ধরনের পিএফএএস শনাক্ত করা হয়।

ইউনিসেফের এক জরিপে জানা গেছে, বাংলাদেশে সাড়ে তিন কোটি শিশু সীসার সংক্রমণে আক্রান্ত। এ তথ্য তুলে ধরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া বলেন, ‘সীসা মানবদেহে প্রবেশ করে মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি, হাড় এবং দাঁতে জমা হয়। শিশুদের হাড় নরম হওয়ায় সীসা সরাসরি মস্তিস্কে চলে যায়। ফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান জানান, বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব আছে। শিক্ষার্থীদের এ ধরনের পরীক্ষা করার ক্যাপাসিটিও রয়েছে। খাদ্যে সীসার পরিমাণ নিয়ে একটি সমন্বিত গবেষণা করে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

বৈঠকে খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হাঁস-মুরগি, দুগ্ধজাত খাদ্য ও মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকারক পদার্থ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তারা জানান, হাঁস-মুরগির খামারগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ প্রয়োগ হয়। মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হলে তা ৭ থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত থেকে যায়। ২৮ দিন পার হওয়ার আগেই মুরগিকে বাজারজাত করা হলে সেই মুরগির মাংসের মাধ্যমে মানবদেহে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ঢুকতে পারে। তারা জানান, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন হলেও কিছু চোরাগোপ্তা কোম্পানি কর্তৃপক্ষের নজরদারি এড়িয়ে গোপনে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনা করছে।

পোল্ট্রি ফার্মগুলোকে নজরদারিতে আনা এবং কৃষিতে অবৈধ কীটনাশকের ব্যবহার রোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আরও কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে কখনো কখনো যা খাচ্ছি তা নিরাপদ কি না সে দিকটি উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমগুলো ভূমিকা রাখতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা একটি জরুরি বিষয়। পাঠ্যপুস্তকে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে সহায়তা করবে জাতিসংঘ

দেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে সহায়তা করবে জাতিসংঘ
সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনসহ প্রধান প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সৌজন্য সাক্ষাতে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার, দুর্নীতি, বন্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং জুলাই-আগস্ট গণহত্যা বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে তদন্ত বিষয়ে আলাপ করেন।

গোয়েন লুইস অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার উদ্যোগে সহায়তায় আগ্রহের কথা জানান এবং বিপ্লব পরবর্তী প্রশাসনের প্রধান হিসেবে অসাধারণ ভূমিকা নেওয়ায় ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।

জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এটা ছিল গোটা জাতির জন্য এক অনন্য আন্দোলন। তার সরকারের প্রধান কাজ প্রত্যেকের জন্য একটা ভালো উদাহরণ স্থাপন করা। এটা দেশের অর্থনীতি এবং প্রায় সকল প্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য বিরাট সুযোগ।

গোয়েন লুইস পুলিশ প্রশাসনসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সংস্কার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার সরকার পুলিশের সংস্কারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, সরকার সারা দেশে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি পদ্ধতি স্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি দেশে হয়রানি এবং দুর্নীতি হ্রাস করবে। নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারে সরকার একটি কমিশন গঠন করেছে। সুতরাং আগামীতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত বিষয়ে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন তদন্ত টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএলও আহত এবং মানসিক ট্রমাতে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বিষয়ে গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের পূর্ব এবং দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের বন্যা পরবর্তী পুর্নবাসনে সহায়তা হিসেবে ৪ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।

তিনি বলেন, বন্যায় বাংলাদেশে প্রায় ১৮ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বিভিন্ন সংস্থা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করেছে জাতিসংঘ।

দক্ষিণ এশিয়ায় আগাম বন্যা সতর্কতার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জাতিসংঘের সহায়তা চান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে আলাপ করেন।

তিন পার্বত্য জেলায় জাতিসংঘের সংস্থাগুলো যে সাহায্য কাজ করেছে, তার চিত্র তুলে ধরেন গোয়েন লুইস।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলাপকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য অধিকতর সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে জাতিসংঘের সহায়তা চান।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

রিকশায় চড়ে এসে ঠাকুরগাঁও ১ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল

রিকশায় চড়ে এসে ঠাকুরগাঁও ১ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল
সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ সোমবার ( ২৯ ডিসেম্বর ) জেলার দলীয় কার্যালয় থেকে রিকশায় চড়ে ডিসি অফিসে এসে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন তিনি।

মনোনয়ন পত্র দাখিলের পূর্বে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সকল ধর্মের মানুষদের নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই।

তিনি বলেন, অনেকেই বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা অতীতেও কোন বিভেদ করিনি, সামনেও করবো না।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত গত ১৫ বছরে বিভাজনের রাজনীতি করা হয়েছে। বিভক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা সেই জায়গা থেকে উঠে আসতে চাই। ন্যায়ের সাথে সামনে আমাদের কাজ করতে হবে।

মহাসচিব বলেন, আমরা ২৪ এর আন্দোলনে অনেক তাজা প্রাণ হারিয়েছি। এই যে এতো যুদ্ধ শুধুমাত্র একটি সুন্দর সমাজের জন্য। দুর্নীতিকে বাদ দিয়ে আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করতে চাই।

তিনি আরো বলেন, নিজের ধর্মের প্রতি যেমন আমরা আনুগত্য প্রকাশ করি। ঠিক একইভাবে অন্যের ধর্মের প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এবারের নির্বাচনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সত্যিকার অর্থে উদার পন্থী একটি গণতান্ত্রিক দেশ প্রতিষ্ঠা করার। যেখানে নারী-পুরুষ সকলের সমমর্যাদা থাকবে। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলে মিলে যেন আমরা সুন্দর একটি পরিবেশ তৈরি করতে পারি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অন্যান্যরা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

যাত্রীদের জিম্মি করে কর্মসূচি দুঃখজনক : রেলপথ উপদেষ্টা

যাত্রীদের জিম্মি করে কর্মসূচি দুঃখজনক : রেলপথ উপদেষ্টা
সংগৃহীত

যাত্রীদের জিম্মি করে বাংলাদেশ রেলওয়ের রানিং স্টাফদের কর্মসূচি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রেন চলাচল বন্ধের পর সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করতে এসে এ কথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, স্টাফদের দাবির বিষয়ে আমাদের আলোচনার দরজা সব সময় খোলা রয়েছে। প্রয়োজনে আমরা তাদের সঙ্গে আবারও আলোচনা করব এবং অর্থ বিভাগেও তাদের এ দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনা করব। যাত্রীদের ভোগান্তি যাতে কম হয় সেজন্য ইতোমধ্যে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছি। এরপরও কোনো যাত্রী যদি স্টেশনে আসেন তাদের সুবিধা বিবেচনা করে আমরা বিআরটিসি বাসের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। যাতে রেলের যে রুটগুলো আছে সেখানে যাত্রীরা যেতে পারেন।

রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, স্টাফদের যে দাবি মাইলেজ অ্যালাউন্সের দাবি, তা দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। তাদের এ দাবির অনেক অংশ আমরা ইতোমধ্যে পূরণ করেছি। বাকি দাবিগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে প্রস্তুত আছি। রেলতো কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না, এখানে আলোচনার সুযোগ আছে। রেল বন্ধের ফলে কিন্তু সরকারের অসুবিধা হচ্ছে না, অসুবিধা সাধারণ যাত্রীদের হচ্ছে। আমরা চাই এর সমাধান দ্রুত হোক। কারণ সামনে ইজতেমা আছে।

পরিদর্শনকালে বিআরটিসির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, কমলাপুর ও এয়ারপোর্ট স্টেশনে যাত্রীদের জন্য ১০টি করে মোট ২০টি গাড়ি প্রস্তুত আছে। প্রয়োজন হলে বাস আরও বাড়ানো হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ে ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আরিফ প্রমুখ। 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০