

৩৩০
কোটি টাকার মালিক এই স্টারকিড! বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তানের তকমা পেয়ে গেছে
ছোট্ট রাহা কাপুর! আর সে স্টারকিড হচ্ছে ‘রণলিয়া’ খ্যাত
দুই বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের একমাত্র মেয়ে।
কিন্তু
কীভাবে এতো অর্থ জমা পড়েছে ছোট্ট মেয়ে রাহার অ্যাকাউন্টে?
আনন্দবাজার
পত্রিকার এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মুম্বাইয়ের পালি হিলস্
এলাকায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায় থাকেন ‘রণলিয়া’
দম্পতি। এই আবাসনে আলিয়ারও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকা)। অন্যদিকে,
গত ৩ বছর ধরে বান্দ্রায় নিজেদের বাংলো তৈরি করছেন এই তারকা
দম্পতি। দাদা রাজ কাপুরের ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলোকেই নতুনভাবে তৈরি করছেন তারা। কাজ প্রায় শেষ, খুব শিগগিরই নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশ করবেন রণবীর-আলিয়া।
আর
এই বাংলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫০ কোটি রুপি তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩০
কোটি টাকা। কারণ, শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র সমপরিমাণ বাজারমূল্য এই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোর।
বলিউডের
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, নিজেদের উপার্জনের অনেকটা অর্থই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোতে বিনিয়োগ করছেন ‘রণলিয়া’। আর বাংলোটি ইতোমধ্যেই মেয়ে রাহার নামে করে দিয়েছেন তারা। সে
হিসেবে রাহা কাপুরই এই মুহূর্তে বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তান।
মন্তব্য করুন


দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দেশের গুণী ও জনপ্রিয়
অভিনেতা অলিউল হক রুমি। সোমবার (২২ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসাপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর নিশ্চিত করা তথ্য হতে আরো জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কোলন
ক্যানসারে ভুগছিলেন এই অভিনেতা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে অভিনেতাকে প্রথমে ভারতের
চেন্নাই নেয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসা শেষে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন
অভিনেতা।
কর্তব্যরত চিকিৎসক বলছেন, অভিনেতা রুমির শারীরিক অবস্থা প্রথমে স্থিতিশীল ছিল।
চিকিৎসাধীন হয়ে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তবে হঠাৎই অবস্থার অবনতি হতে শুরু
করে তার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন এই অভিনেতা ।
মৃত্যুর আগে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন অভিনেতা।
ক্যানসার জয় করে আগের মতো আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে ক্যানসারের
কাছে হেরে গেলেন অভিনেতা।
১৯৮৮ সালে ‘এখন ক্রীতদাস’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয় জগতে যাত্রা শুরু হয় রুমির। নাটকে
জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। ২০০৯ সালে ‘দরিয়া পাড়ের দৌলতী’
সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে প্রথম বড় পর্দায় কাজ করেন।
মন্তব্য করুন


বর্তমানে চিত্রনায়িকা পরীমণিকে নিয়ে
সিনেপাড়ায় আলোচনা না হলেও গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছেন আলোচনায়। তবে আলোচনা
তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন
মাহমুদকে মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা
পরীমণি।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
এম সাইফুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এক হাজার টাকা মুচলেকায় মঞ্জুর করেন।
এরপরই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা পরিমণি। যেখানে তিনি লেখেন ‘Bye bye Russells Viper Welcome পরীমণি’।
বলা যায় তার এই পোস্ট সামাজিকমাধ্যমে
চলমান ইস্যুকে ইঙ্গিত করেই দেওয়া।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি মাত্র তিন বছর বয়সে মাতৃহারা হন। ২০১২ সালে তার বাবাও না ফেরার দেশে চলে যান।
মাতৃহারা হওয়ার পর থেকেই নানার কাছেই বড় হয়েছেন তিনি। তবে এবার প্রিয় সেই নানা শামসুল হক গাজীকে হারালেন তিনি।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১১ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যান তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ।
এই নির্মাতা আরো জানান, পরীমণির নানার মরদেহ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের শিংখালীতে নেওয়া হচ্ছে। সেখানেই পরীর নানির কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হবে।
গেল অক্টোবর মাসের ছিল পরীমণির জন্মদিন। প্রতিবার ঘটা করে দিনটি উদযাপন করলেও এবার নানার অসুস্থতার কারণে আয়োজন থেকে বিরত ছিলেন তিনি।
তখন পরীমণি বলেছিলেন, বেশ কদিন ধরেই নানা বেশ অসুস্থ। তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি। আপনারা জানেন প্রতিবার জন্মদিনে নানুর হাত ধরে কেক কাটি। আমার নানু আমার জন্য কী সেটা সবাই জানেন। তিনি কদিন ধরেই অসুস্থ। তার অসুস্থতার জন্য আমি শুটিংও বাদ দিয়েছিলাম। তাই এবার জন্মদিনটি পালন করছিনা।
মন্তব্য করুন


পুষ্পা টিমের বিপদ যেন কাটছেই না!
ভারতের তুমুল হাইপ তোলা চলচ্চিত্র পুষ্পা’র ২য় কিস্তি আসার আগেই একের পর এক বাধার
সম্মুখীন হচ্ছেন সিনেমাটির নায়ক, নির্মাতা ও পুরো টিম। তার আগেও দুর্ঘটনার কারণে
বন্ধ ছিল সিনেমাটির শুটিং। সেই দুর্ঘটনায় সিনেমার একাধিক তারকা আহত হয়েছিলেন। তবে এবার
সিনেমাটির নায়ক আল্লু অর্জুন পড়লেন আঘাতের কবলে। ফের বন্ধ হলো পুষ্পার’
সিক্যুয়েলের শুটিং।
সিনেমাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র
ভারতীয় বিনোদন মাধ্যম পিঙ্কভিলাকে জানিয়েছে, ভারী পোশাক পরে অ্যাকশন দৃশ্যে
স্টান্ট করার কারণে কোমরে ও কাঁধে চোট পেয়েছেন আল্লু অর্জুন। চিকিৎসক জানিয়েছেন,
তাকে কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। সে কারণেই আপাতত বন্ধ ‘পুষ্পা ২’-এর শুটিং। অর্জুন
সুস্থ হলেই ফের শুরু হবে শুটিং।
ইন্ডাস্ট্রি সূত্র অনুসারে, ‘পুষ্পা’র
দ্বিতীয়ভাগে চিত্রনাট্যে আসবে বড়সড় পরিবর্তন। এমনকি সিনেমাটির ক্লাইম্যাক্স
একেবারে চমকে দেবে দর্শকদের! এর আগে পরিচালক সুকুমার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন,
‘পুষ্পা’ যেভাবে গোটা দেশে দারুণ সাফল্য পায়, সে কথা মাথায় রেখেই এর দ্বিতীয়ভাগ
সাজানো হচ্ছে।
আল্লু অর্জুন অভিনীত পুষ্পা ২০২১ সালে
মুক্তি পায়। করোনা-পরবর্তী পর্যায়ে এই সিনেমাটির হাত ধরে ভারতীয় বিনোদন সংস্থা
সাফল্যের মুখ দেখেছিল।
মন্তব্য করুন


এ প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যে অসংখ্য হিট নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি মেহজাবী নাম লিখিয়েছেন বড়পর্দায়। এদিকে গত কয়েক বছর ধরে শোনা যাচ্ছিল তার গোপন বিয়ে ও সংসারের খবর। তবে এবার জানা গেল আসল খবর।
মেহজাবীনদের একজন পারিবারিক বন্ধু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, বিয়ে করছেন তিনি। মেহজাবীনের বর হতে যাচ্ছেন তার সদ্য মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘প্রিয় মালতি’র প্রযোজক ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব।
চলতি মাসের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর অদূরে একটি রিসোর্টে মেহজাবীনের গায়ে হলুদ। পরদিন একই ভেন্যুতে বিয়ে। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বিয়েটা আরও আগে হওয়ার কথা ছিল। দেশের পরিস্থিতির কারণে আয়োজনে একটু দেরি হয়ে গেছে। এর আগে বেশ কয়েকবার মেহজাবীন-আদনান আল রাজীবের প্রেম-বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন রটেছে। সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তারা। কিন্তু বরাবরই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন দুই তারকা।
তবে এ বিয়ে নিয়ে অসমর্থিত আরও একটি সূত্র জানাচ্ছে যে, তাদের বিয়ে আরও আগেই হয়ে গেছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা করতে যাচ্ছেন দম্পতি।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শোয়ের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়াতে পা রাখেন মেহজাবীন। নাটকের গণ্ডি পেরিয়ে মেহজাবীন এখন ওটিটি ও সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করে আসছেন। গেল মাসে মুক্তি পেয়েছে তার সিনেমা ‘প্রিয় মালতি’। এ ছাড়া ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল মুক্তি পাবে তার নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘নীল সুখ’।
অন্যদিকে আদনান আল রাজীব দেশের জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম।
২০১৯ সালেও রাজীবের সঙ্গে ঢাকার একটি বিপণিবিতানে মেহজাবীনের হাত ধরাধরি করে হাঁটার একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। তখন থেকেই তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তা সরাসরি প্রকাশ্যে আসে। এরপর বিভিন্ন সময় তাদের প্রেমের বিষয়টি সামনে আসলেও কখনো তারা মুখ খোলেননি।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে প্রেম অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের। প্রেমের খবর, আত্মহত্যা চেষ্টাকাণ্ডে দেশের সংবাদকর্মীদের হুমকি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনালাপে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলেঅভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে প্রেম অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের। প্রেমের খবর, আত্মহত্যা চেষ্টাকাণ্ডে দেশের সংবাদকর্মীদের হুমকি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। দেশের একটি বেসরকারি টেলিশন সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনালাপে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। পরে মুহূর্তেই সেই
অডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোপের মুখে পড়েন এ অভিনেত্রী। গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিবাদে
সরব হন। নেট দুনিয়ায় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে নিয়ে নেটিজেনরা নানা ট্রল ও সমালোচনা
করেন।
অভিনেত্রী
তানজিন তিশা হাসপাতাল থেকে ফিরে আজ একটি স্ট্যাটাস দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে
এবারের পোস্টটি সাংবাদিকদের উদ্দেশে দিয়েছেন তিশা। ১৮ নভেম্বর (শনিবার) দুপুর ১টা ৩৩
মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেন এ অভিনেত্রী। ওই স্ট্যাটাসে
তার ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
ঘটনার
একদিন পর নিজের ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী তিশা। ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চাইলেন
ক্ষমা। অভিনেত্রী তিশা লিখেছেন, বিগত কয়েকদিনের অসুস্থতা এবং আমার পারসোনাল লাইফ নিয়ে
নানান ভিত্তিহীন কথা ও সংবাদ এবং পরিচিত-অপরিচিত বিভিন্ন ফোন কলে আমি অনেকটাই মেন্টালি
পাজলড ছিলাম। এমন সময়ে এক সাংবাদিক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে গিয়ে আমি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে উত্তেজিত হয়ে কিছু কথা বলে ফেলি, যা আসলে ইনটেনশনালি ছিল না। সাংবাদিক ভাইদের
উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আমার সফলতার একটা অংশজুড়ে আপনারাও আছেন এবং আপনাদের প্রতি
আমার শ্রদ্ধা ও সন্মান সমসময়ই ছিল এবং থাকবে। আমার অনাকাঙ্ক্ষিত কথায় আপনারা কষ্ট পেয়ে
থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী-সংগীতশিল্পী
কুইনজী চেং শুটিং সেটে মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় মালয়েশিয়ান এ অভিনেত্রীর বয়স ছিল ৩৭
বছর।
গেল
২৮ নভেম্বর অভিনেত্রীর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো
হয়।
চায়না
প্রেসের বরাত দিয়ে মালয়েশিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য স্টার জানিয়েছে, চেং ব্রেন অ্যানিউরিজমে
ভুগছিলেন।
স্থানীয়
আর্টিস্ট চাই জি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা সময়ে আমরা দামানসারাতে
উপস্থিত হই। সকালের নাস্তা শেষ করে সাড়ে ৮টার দিকে শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং পুরোপুরি
সুস্থ ছিলেন। বিরতি নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফের শুটিং শুরু করি। ওই সময়ে চেং জানান,
তার মাথা ঘুরাচ্ছে, মাথা ব্যথা করছে, বমিবমি লাগছে। এক পর্যায়ে চেং বমি করেন; দ্রুত
অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। চেংয়ের স্টাফরা তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। চেং যখন জ্ঞান হারান
তখন তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলছিল। দ্রুত তার ঠোঁট, হাত-পা বেগুনি বর্ণ ধারণ করে।
কল করার পাঁচ মিনিটের মধ্যে অ্যাম্বেলেন্স ঘটনাস্থলে চলে আসে। মেডিক্যাল টিম এসে তার
জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়; পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
জানা
যায়, ১৮টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কুইনজী চেং। ২০১৫ সালে ‘ব্যাড স্টুডেন্টস’ সিনেমার
মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন কুইনজী চেং।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা দেখার চমৎকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন চৌদ্দগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাৎ হোসেন। তাঁর এই দ্রুত ও প্রশংসনীয় উদ্যোগের ফলে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চৌদ্দগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠ পরিদর্শনে যান। ঐ সময় মাঠে থাকা ফুটবলপ্রেমী তরুণেরা ইউএনও মহোদয়কে কাছে পেয়ে একসাথে বড় পর্দায় খেলা দেখার জন্য একটি প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবদার জানান।
তরুণদের এই সুস্থ বিনোদন ও ক্রীড়ামুখী আবেগকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন ইউএনও শাহাদাৎ হোসেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে প্রজেক্টর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
মুখের কথার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই প্রতিশ্রুতি; পরিদর্শনের ঠিক পরদিনই প্রজেক্টরের সম্পূর্ণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমানে চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুলে ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ দলবেঁধে, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বড় পর্দায় ফুটবল খেলা উপভোগ করছেন।
ইউএনও মহোদয়ের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় তরুণ ও ফুটবলপ্রেমীরা বলেন, "আমাদের ছোট একটা আবদারকে ইউএনও স্যার এত দ্রুত মূল্যায়ন করবেন তা ভাবিনি। প্রজেক্টরের ব্যবস্থা হওয়ায় আমরা সবাই মিলে খেলার আসল আনন্দ উপভোগ করতে পারছি। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।"
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, যুবসমাজকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে এবং সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি করে দিতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মেহজাবীন চৌধুরী ছোট পর্দার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী। তিনি ক্যারিয়ারে অসংখ্য নাটকের মাধ্যমে ভক্তদের মন কেড়েছেন। এ অভিনেত্রী
নাটকের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেও সুনাম কুড়িয়েছেন। মেহজাবীন সব সময় হাসিখুশি
থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন এক পোস্ট করেছেন যা দেখে
অনুরাগীরা রীতিমতো অবাক হয়েছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় মেহজাবীন তার ভেরিফায়েড
ফেসবুকে পেজে লিখেছেন, ‘বেঁচে থাকার শক্তি নাই, মরে যাওয়ার সাহস নাই।’
স্ট্যাটাসটি পোস্টের পর থেকেই তাতে
প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
এ দিক আবার অনেকে এ বিষয়টিকে নিয়ে হাসি
তামাশা করছে।
উল্লেখ্য, মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী হিনা খান বড় চুল ভালোবাসতেন। আর সেই সখের সখের চুল কেটে ফেললেন। কিন্তু চোখে জল নয়, বরং মুখে একরাশ হাসি ছিল তার। কেমো থেরাপির আগে চুল কেটে ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তাও দিয়েছেন ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
চুল কাটার ভিডিও আপলোড করে হিনা লেখেন, আমার মতো মহিলাদের বলছি। আমাদের মাথার চুল আমাদের গর্ব। আমাদের মুকুট। কিন্তু অনেক সময়ই এই মুকুট নামিয়ে জীবন লড়াইয়ে অংশ নিতে হয়। তাই লড়াইটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। আর এই লড়াইটা জেতার জন্য সব কিছুই ছাড়া যায়।
স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত অভিনেত্রী। স্টেজ ৩। পুরো পৃথিবীটাই যেন ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে তার। হাসপাতালের বিছানায় শুরু কঠিন লড়াই। প্রথম কেমোথেরাপির ভিডিও শেয়ার করছেন অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে দিলেন আবেগঘন বার্তা।
ভিডিওতে প্রথমে হিনাকে গ্ল্যামারাস লুকে দেখা যাচ্ছে। ফটোশুট সেরে একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যান তিনি। বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয় তাকে। এর পরেই হাসপাতালে দেখা যায় অভিনেত্রী হিনাকে। হাসতে হাসতেই অভিনেত্রী বলেন, ‘সমস্ত গ্ল্যামার শেষ!’ হাসপাতালের করিডর পেরিয়ে নিজের বেডে পৌঁছে যান হিনা। শুরু হয় কেমোথেরাপি।
হিনা জানান, পুরস্কার নিয়েই তিনি সোজা হাসপাতালে চলে গিয়েছিলেন প্রথম কেমোথেরাপির জন্য। অভিনেত্রীর কথায়, আমরা যা বিশ্বাস করি তাই হয়ে উঠতে পারি আর আমি নিজেকে নতুনভাবে উদ্ভাবনের সুযোগ হিসাবে এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর জন্য আমার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ইতিবাচক চিন্তা।
তার কথায়, আমি অত্যন্ত স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছি। আর যা হবে তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখছি। আমার কাছে ..আমার কাজের প্রতিশ্রুতি গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ আমার অনুপ্রেরণা, আবেগ এবং শিল্পীসত্তা। আমি হার মানব না।
মন্তব্য করুন