

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগে আজ বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
গতকাল রাতে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। যার ফলে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
মঙ্গলবার দেশের কোথাও কোথাও সামান্য বৃষ্টিপাতের কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যশোরে ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিখোঁজের দীর্ঘ ১৮ বছর পর নিজের ভিটেমাটিতে ফিরেছেন আলমগীর হাওলাদার। কিন্তু যে ঘরে ফেরার স্বপ্ন তিনি এতদিন বুকে লালন করেছেন, সেখানে নেই তার অপেক্ষায় থাকা বাবা-মা। নেই স্ত্রী, নেই সেই ছোট্ট মেয়েটিও যাকে কোলে নিয়ে তিনি একদিন জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন।
আলমগীর
হাওলাদারের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট টেংরা গ্রামে।
তার বাবার নাম মৃত সিকান্দার আলী হাওলাদার।
স্থানীয়
ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে অভাবের তাড়নায় স্ত্রী আমেনা বেগম ও ছোট মেয়ে
খাদিজা কে নিয়ে ঢাকায় চলে যান আলমগীর। সেখানে তিনি দৈনিক শ্রমিকের কাজ করতেন, আর তার
স্ত্রী কাজ করতেন একটি গার্মেন্টেস-এ। সংসারের চাকা সচল রাখতে ব্যস্ত থাকা আলমগীরের
জীবনেই নেমে আসে এক অন্ধকার অধ্যায়।
২০০৮
সালের নভেম্বর মাসের একদিন ঢাকার পোস্তগোলা এলাকায় কাজের সন্ধানে বের হলে একটি অপহরণকারী
চক্র তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। গাড়িতে ওঠানোর পর তার হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলা
হয়। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত একটি স্থানে উঁচু দেয়ালঘেরা একটি প্রতিষ্ঠানে।
আলমগীরের
দাবি, সেখানে তার মতো আরও প্রায় ৩০ জন মানুষ ছিলেন। তাদের দিয়ে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম
করানো হতো, কিন্তু কোনো বেতন বা ভাতা দেওয়া হতো না। পর্যাপ্ত খাবারও দেওয়া হতো না।
ভালো খাবার বলতে মাঝে মাঝে ডাল (পাতলা ঝোল) ও আলু ভর্তাই ছিল তাদের ভরসা। এভাবেই কেটে
যায় তার জীবনের ১৮টি বছর।
এদিকে
দীর্ঘদিন খোঁজ করেও আলমগীরের সন্ধান না পেয়ে তার স্ত্রী আমেনা বেগম অন্যত্র বিয়ে করে
নতুন সংসার শুরু করেন। একমাত্র মেয়ে খাদিজা বেগম বাবার অনুপস্থিতিতে নানা মানুষের বাড়িতে
ঝি এর কাজ করে বড় হয়েছেন। পরে তারও বিয়ে হয়ে গেছে। কোথায় বিয়ে হয়েছে, তা-ও জানেন না
আলমগীর।
সন্তানের
অপেক্ষায় থাকতে থাকতে পাঁচ বছর আগে মারা যান আলমগীরের বাবা-মা। ছেলের ফিরে আসার খবর
তারা আর শুনতে পারেননি। বর্তমানে আলমগীরের সংসারে রয়েছেন শুধু এক ভাই, তিনিও নিজের
পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। দীর্ঘ নির্যাতন ও মানসিক আঘাতে গ্রামের বাড়িতে ফেরার পর আলমগীর
বেশিরভাগ সময় নীরব থাকেন। তাকে দেখে মনে হয়, তিনি যেন হারিয়ে ফেলেছেন স্বাভাবিক জীবনের
অনেক কিছুই।
সদ্য
বাড়ি ফেরা আলমগীরের ভাষ্য, গত ২৮ জুলাই গভীর রাতে ঢাকার পোস্তগোলা ব্রিজের পাশে আলমগীরসহ
৩০ জনকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। সকালে তারা যে যার মতো বিভিন্ন স্থানে
চলে যান। আলমগীরের পকেটে কোনো টাকা না থাকায় রাস্তায় ঘুরতে থাকা এক ব্যক্তি এক দিনের
জন্য বালুর জাহাজে ৫০০ টাকা মজুরিতে কাজ দেন। সেই টাকা দিয়েই কোনো রকমে তিনি ফিরে আসেন
নিজের জন্মভূমি পাথরঘাটায়।
২৯
জুলাই বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।
দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যাওয়া মানুষকে ফিরে পেয়ে অনেকে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
কীভাবে
ছাড়া পেলেন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর দাবি করেন, সরকার পরিবর্তনের পর সম্ভবত অপহরণকারীরা
নিজেদের বাঁচাতে ভয় পেয়ে আমাদের ছেড়ে দিয়েছে।
এদিকে
আলমগীরকে মৃত ভেবে তার পরিবার ও এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং মসজিদে
দোয়ার আয়োজন করেছিলেন। এমনকি তার স্মরণে কাঙালি ভোজেরও আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে
এলাকাবাসী।
বিএনপির
সাবেক উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান সাহেদ জানান, প্রায় ১৮ বছর তিনি নিখোঁজ
ছিলেন। তাকে মৃত ভেবে বিভিন্ন সময় দোয়া মাহফিলের আয়োজনও করা হয়েছে। সম্প্রতি বাড়ি
ফিরে আসার খবরে সবাই খুশি হয়েছেন। তিনি দাবি করছেন তাকে আটকে রেখে জোরপূর্বক পরিশ্রমের
কাজ করানো হয়েছিল। তিনি ফিরে আসার পর আমরা তাকে পাথরঘাটা হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি।
চিকিৎসা শেষে তাকে আজ (শুক্রবার) বাড়ি পৌঁছে দিয়েছি।
মন্তব্য করুন


টানা
ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে দেশের অন্তত ১৫টি জেলায় আগামী ২৪ থেকে
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন
বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
সোমবার
(২০ জুলাই) কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী (দায়িত্বরত কর্মকর্তা) ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত
বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে
বলা হয়েছে, বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ), সুরমা
নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ) এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে নদীর পানি
বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তথ্য অনুযায়ী,
আগামী একদিন দেশের অভ্যন্তরে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে এবং তৎসংলগ্ন
উজানে ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস
রয়েছে।
এর
পরিপ্রেক্ষিতে বন্যা সতর্কতায় বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের
তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দুদিন বৃদ্ধি
পেতে পারে ও তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ হতে ৪৮ ঘণ্টায় নদীসমূহ কিছু
স্থানে বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হতে পারে এবং লালমনিরহাট, নীলফামারি, রংপুর, গাইবান্ধা,
কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও আকস্মিক অথবা স্বল্পমেয়াদী বন্যা
পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
গত
২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে কুশিয়ারা
নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে; যা আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮
ঘণ্টায় নদীসমূহ কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার
নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে
অথবা উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।
২৪
ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, জিঞ্জিরাম,
সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দুদিন বৃদ্ধি
পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ভুগাই, কংস ও সোমেশ্বরী নদীসমূহ শেরপুর, ময়মনসিংহ
ও নেত্রকোনা জেলায়; এবং সারিগোয়াইন, যাদুকাটা নদীসমূহ সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কিছু
স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী
বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি অথবা উদ্ভুত বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।
গত
২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা নদ-নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে
পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে; যা আগামী ৫ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে
৭২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ
ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল
কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।
২৪
ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের আপার করতোয়া,
আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা, মহানন্দা, যমুনেশ্বরী, আত্রাই ও ঘাঘট নদীসমূহের পানি
সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে করতোয়া ও ছোট যমুনা নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে;
যা আগামী ৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় আত্রাই ও ছোট যমুনা নদী
নওগাঁ ও নাটোর জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল
কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
গত
২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে,
অপরদিকে হালদা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল
রয়েছে। উক্ত নদীসমূহের পানি সমতল আগামী এক দিন বৃদ্ধি ও পরবর্তী দুদিন দ্রুত বৃদ্ধি
পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৭
জুন) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করা হয়।
দুপুর
১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে
পৌঁছায়। এরপর নির্ধারিত মঞ্চে উঠলে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা
হয়।
এ
কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবারের
মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
এর
আগে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আকাশপথে সিলেট
পৌঁছানোর পর তিনি বাসে করে শ্রীমঙ্গলে পৌঁছান বেলা ১টার পর। তিনি ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠের মঞ্চে পৌঁছানোর পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
শ্রীমঙ্গলের
অনুষ্ঠান শেষে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে
অংশ নেবেন সরকারপ্রধান। সেখানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি
পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
সেখান
থেকে বিকেলে দুসাই রিসোর্টের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছে কিছুক্ষণ
বিশ্রাম নিয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে এক সভায় যোগ দেবেন। সভা শেষে সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর
আগে সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলের
উদ্দেশে রওয়ানা হন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়ক থেকে শহরের ভেতরে এবং জেলার বিভিন্ন
স্থানে উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানান।
এমন
সময় বিমানবন্দর সড়কের পাশের চা বাগান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। চৌকিদেখি এলাকায়
সবুজ চা বাগানের পাশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাওয়ার সময় গাড়িতে ফুলের মালা ও পাপড়ি
ছিটিয়ে দেন লাক্কাতুড়া ও মালনীছড়া চা বাগানের শ্রমিকরা। চা শ্রমিকদের পরেই সেখানে দাঁড়িয়ে
সরকার প্রধানকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
চৌকিদেখি
পয়েন্টে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল-কৃষকদলসহ
অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন সিলেট মহানগর বিএনপি’র
সহ সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম
মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।
এছাড়াও
সিলেট নগরোর আরও তিনটি পয়েন্টে সরকার প্রধানকে স্বাগত জানান বিএনপি’র
নেতা-কর্মীরা। বিএনপি’র নেতা-কর্মী ছাড়াও সিলেটের সাধারণ
মানুষ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও
হাত নেড়ে সবার অভিবাদন গ্রহণ করেন। সিলেট থেকে সেখান থেকে সড়ক পথে যাত্রা করে বেলা
একটায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে
যোগদান করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
মন্তব্য করুন


ধানমন্ডিতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের প্রথম জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) বাদ এশা ধানমন্ডি সাত নম্বর বায়তুল আমান মসজিদে তার প্রথম জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়।
প্রথম জানাজার নামাজে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা আগামীকাল শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় হাইকোর্ট চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত হাসান আরিফের মেয়ে দেশে ফেরার পর দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তার মেয়ে আগামী রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় দেশে পৌঁছাবেন।
হৃদরোগে আক্রান্ত হলে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে তাকে ধানমন্ডি ল্যাব এইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ল্যাব এইড হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা চৌধুরী মেহের এ খোদা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ শুক্রবার বিকেলে ল্যাব এইড হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন।
এ এফ হাসান আরিফ ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০৭-২০০৮ সময়ের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তার জন্ম ১৯৪১ সালে অবিভক্ত ভারতবর্ষের কলকাতায়। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর স্নাতক ও এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
কলকাতা হাইকোর্টে ১৯৬৭ সালে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। এরপর ঢাকায় এসে বাংলাদেশ হাইকোর্টে কাজ শুরু করেন হাসান আরিফ।
মন্তব্য করুন


অনার্স
কোর্স থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয় তুলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে
পড়া এমন দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত কর্মকর্তা নূরুল আফসার দীপু এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত
করেছেন।
তিনি
বলেন, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বা বিষয় বাতিলের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা
সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্চশিক্ষা সংস্কার এবং শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার বিষয়ে
বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তবে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের মতো মৌলিক
বিষয়গুলোতে অনার্স শিক্ষা বন্ধ করার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি।
নূরুল
আফসার দীপু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এ গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং
সরকারের আনুষ্ঠানিক সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
শিক্ষা
মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন শিক্ষাক্রম সংস্কার এবং কয়েকটি
নতুন বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তবে ওই সংস্কার পরিকল্পনার কোথাও অনার্স
পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস বা দর্শন বিষয় বাতিলের কোনো ঘোষণা বা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
মন্তব্য করুন


আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের শপথ গ্রহণ হবে।
বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে রোববার (১১ আগস্ট) বঙ্গভবনে তার শপথগ্রহণ হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের প্রয়াত জ্যেষ্ঠ বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ছেলে।
সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর। তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিএ ও এম এ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান তিনি। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান, আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ পৃথিবীর বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


বিদায়ের
শঙ্কা উড়িয়ে মেসি ম্যাজিকে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে,কঠিন পথ পেরিয়ে
শিরোপায় চোখ রাখছে স্পেন। এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার খবরের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
ঘুরতে শুরু করেছে একটি ছবি, যেখানে মেসির কোলে একটি ছোটো শিশুকে দেখা যাচ্ছে, যিনি
এখন স্পেন দলের তুখোড় খেলোয়ার লামিন ইয়ামাল।
অনেকেই
ছবিটিকে ভুয়া বা এআই-নির্মিত বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফই
এবার নিশ্চিত করেছে, এই ছবি কোনো কল্পনা বা প্রযুক্তির কারসাজি নয় বরং বাস্তব।
২০০৭
সালে, বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের ফটোশুটের জন্য
এই শিশুকে নিয়ে ছবি তুলেছিলেন তরুণ লিওনেল মেসি। তখন মেসির বয়স ছিল ২০ বছর। ছবিতে পোজ
দেওয়ার অংশ হিসেবে মেসি তখন গোসল করিয়ে দিচ্ছিলেন লামিন ইয়ামালকে।
ইউনিসেফের
ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মেসি ও ইয়ামালের ছবিটি পোস্ট করে এর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, হ্যাঁ, আপনারা যে ছবিগুলো দেখেছেন, সেগুলো একদম আসল।
পোস্টে
আরও বলা হয়েছে, ১৮ বছরেরও বেশি সময় আগে, ইউনিসেফের তহবিল সংগ্রহের একটি ফটোশুটে লামিন
ইয়ামাল ও তার মা শিলার সাথে লিওনেল মেসির দেখা হয়েছিল।
এতে
বলা হয়, আজ, খেলার মাঠে তাঁদের সাফল্য লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। মাঠের বাইরেও,
মেসি ও লামিন ইয়ামাল—উভয়েই ইউনিসেফের ‘গুডউইল অ্যাম্বাসেডর’
বা শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিশুদের সহায়তা ও তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন।
পোস্টে
বলা হয়, এর লক্ষ্য কী? যাতে প্রতিটি শিশু বেঁচে থাকে, সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠে এবং নিজেদের
পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। আমাদের দলে তাঁদের পেয়ে আমরা গর্বিত।
মন্তব্য করুন


তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের
সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত বিষয়টি ঝুলে থাকার কারণে এতে কোনো দেশেরই
লাভ হচ্ছে না বলে জানান তিনি। (খবর এনডিটিভির)
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে দেয়া
এক সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন ড. ইউনূস। ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, আমি যদি জানি, আমি কতটুকু পানি পাব, সেটা ভালো হতো। এমনকি পানির পরিমাণ
নিয়ে যদি আমি খুশি নাও হই, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। এই বিষয়টি সমাধান হতেই হবে। কারণ
পানি বণ্টনের বিষয়টি নিয়ে বসে থাকার ফলে এতে কোনো কাজ হচ্ছে না।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে অন্তর্বর্তী
সরকার ভারতকে চাপ দেবে কিনা- পিটিআইয়ের এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, চাপ শব্দটি অনেক
বড়। আমি এই কথা বলছি না। আমরা আলোচনা করব। তবে আমাদের একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে
হবে।
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী
মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর অনেকটা চূড়ান্ত হয়ে
গিয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই চুক্তিকে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানানোর
ফলে চুক্তি আর হয়নি। তখন মমতা দাবি করেছিলেন, তার রাজ্যেই পানির সংকট রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা আরও বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন নতুন কোনো ইস্যু নয়, এটি অনেক পুরাতন ইস্যু।
বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার কথা বলেছি। এমনকি পাকিস্তান পিরিয়ডেও কথা হয়েছে। আমরা সবাই
চেয়েছি এটির সমাধান করতে, এমনকি ভারত সরকারও এর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের
সরকার এর জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা চাই এর সমাধান করতে। ভাটির দেশ হিসেবে আমাদের
পানি পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মন্তব্য করুন


থার্টি
ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাতে কিছু সড়ক বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব
সড়ক ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। সড়কগুলো
হলো-
১।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বকশী বাজার
ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল, শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন
প্রবেশ করবে না।
২।
৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়
প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়া
অন্য যে কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ
হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। এসব এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য
সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে।
৩।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী
এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা
গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও
নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাগুলোতে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে এসব এলাকা থেকে
বের হওয়ার ক্ষেত্রে ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
৪।
৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায়
যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী
ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
সড়ক ব্যবহার সংক্রান্তে যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০ এসব নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন