

২০২৩ সাল থেকে চালু হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রম। ধাপে ধাপে এই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করবে সরকার। মুখস্থ নির্ভরতা কমানো ও হাতে কলমে শিক্ষা প্রণয়নের উদ্দেশ্য নিয়ে চালু হয় নতুন শিক্ষাক্রম। তবে এই নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা অভিভাবক মহলে। এই পদ্ধতি বাতিলেও দাবি তোলেন অনেকে। তবে নতুন কারিকুলাম চালু রেখেই পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন অ্যাপ নৈপুণ্যতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
নতুন শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী দায়িত্ব নেয়ার পর বলেছিলেন প্রয়োজনে শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনা হবে। সার্বিক বিষয়ে তিনি গত কয়েক দিন ধরে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করছেন। মতামত নিচ্ছেন। সপ্তাহখানেক আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কারিকুলাম সংক্রান্ত একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন চলছে।কমিটিতে জাতীয় এনসিটিবি প্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ও দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ।
মূল্যায়ন কমিটির মতামতের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা আংশিক বা পুরো নম্বরে করা হতে পারে। পরীক্ষা না থাকায় অনেক অভিভাবকই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এখন নতুন করে কারিকুলাম ঠিক রেখে ৩০ থেকে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গত ১লা ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এনসিটিবি এবং শিক্ষা কারিকুলামের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা ও ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করেন। থিংক গ্লোবালি, অ্যাক্ট লোকালি অর্থাৎ চিন্তায় বৈশ্বিক কিন্তু দেশের সীমাবদ্ধ সম্পদ, অবকাঠামোর মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে- এমন চিন্তা থেকে এই কারিকুলাম ডিজাইন করা হয়েছে তা জানানো হয়। এরপর শিক্ষামন্ত্রী নতুন কারিকুলামে কীভাবে এসেছে রেফারেন্স দেশগুলো বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও পরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন আকারে তলব করেন। এরই প্রেক্ষিতে এনসিটিবি তা মন্ত্রণালয়কে সরবরাহও করেছে।
শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য নৈপুণ্য অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপের ওয়েব ভার্সন ব্যবহার সংক্রান্ত গাইডলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। এনসিটিবি বলছে, নতুন শিক্ষাক্রমে যদি কোনো পরিবর্তন, সংশোধন বা পরিমার্জন আসে তা বছরের যেকোনো সময় বাস্তবায়ন করা সম্ভব। কারণ কোনো বইই এখনো পূর্ণাঙ্গ নয়। সবই পরীক্ষামূলক সংস্করণ। গত বছরের এপ্রিল মাসে ৬ষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির দুটি বইয়ের ৪ শতাধিক সংশোধনী পাঠায় বোর্ড। সারা দেশে কমপক্ষে ৩ শতাধিক স্কুলে সশরীরে উপস্থিত থেকে উপযোগিতা যাচাইয়ের কাজ করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তিকের স্কুলের তথ্য যুক্ত করা হবে।
এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম বলেন, একেবারে বাতিল না করে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার দাবি উঠেছে সব মহল থেকে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের উপর নির্ভর করছে বিষয়টি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে সকলের
মানবাধিকার নিশ্চিত করতে গোটা বিশ্বের সম্মিলিত অঙ্গীকারের সঙ্গে বাংলাদেশের একাত্মতা
জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমন একটি বিশ্ব
গড়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যেখানে ন্যায়বিচার, সমতা এবং মানবিক মর্যাদা সবার
জন্য সমুন্নত থাকবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষ্যে
আজ বুধবার (১১ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এ অঙ্গীকার করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের অধিকার,
আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই’
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর মানবাধিকার দিবস পালিত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে মৌলিক
স্বাধীনতার অবক্ষয়, ক্রমাগত বাড়তে থাকা অসমতা, অসহিষ্ণুতা, জলবায়ু সংকট, কর্তৃত্ববাদ
এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উত্থানের চ্যালেঞ্জের মুখে এই প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী
এবং প্রাসঙ্গিক।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র মর্যাদা,
সমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে একটি মৌলিক দলিল, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় মানবাধিকার
সার্বজনীন, অবিচ্ছেদ্য এবং সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
৭৬ বছর আগে মানবাধিকারের সার্বজনীন
ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার পর থেকে বিশ্বে নাগরিক মর্যাদার অগ্রগতি ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি
বলেন, ‘তবে, বিশ্বের বিভিন্ন অংশের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নির্দেশ করে যে বিশ্বমানবতা সৃষ্টির
জন্য আমাদের এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বাকি।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এটি অত্যন্ত
দুঃখজনক যে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশার দিকে খুব কমই দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে
ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে চলমান বর্বর নিপীড়নের অর্থ হলো আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে
ব্যর্থ। ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য একটি ন্যায্য, দীর্ঘস্থায়ী এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের
জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে, নয়টি মূল
মানবাধিকার চুক্তিতে সই করা দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মানবাধিকারের
সার্বজনীন ঘোষণাপত্রে নিহিত মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে অদম্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্বাধীনতা
ও মর্যাদার জন্য আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা কতটা দৃঢ় তা প্রমাণ করে উল্লেখ করে ড. ইউনূস
বলেন, ন্যায্য অধিকারের জন্য আমাদের জনগণ তাদের দৃঢ় প্রত্যয়কে পুনর্ব্যক্ত করেছে। আমাদের
তরুণ সমাজ যে সাহস নিয়ে মানুষের অধিকার রক্ষায় ব্রত হয়েছে তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা
আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করার যাত্রা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের
সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সর্বত্র মানবাধিকার রক্ষা ও প্রচারে অবদান রাখবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার ব্যবস্থার সঙ্গে আমাদের গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে থাকবে।
জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সুশাসন
সুনিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারের সেই ঐকান্তিক প্রত্যাশার ভিত্তিতে সার্বিক কার্যক্রমে
সহায়তা করতে ২৯-৩০ অক্টোবর ঢাকা সফরকালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার বাংলাদেশে
মানবাধিকার সংক্রান্ত একটি মিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক
ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, আর্থ-সামাজিক কাঠামো এবং বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার
প্রস্তাবিত ধারণাটিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সরকারের
সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রস্তাবিত এই মিশনের
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্ম-পরিধি, গঠন কাঠামো ও পরিচালনা পদ্ধতি নির্ধারণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত মিশনটি স্থাপনপূর্বক এটিকে কার্যকরী করার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকার আশাবাদী বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বন্যার্তদের সেবায় নিঃস্বার্থ পেশাগত দায়িত্ব এবং অনন্য মানবিকতার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করায় রোববার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪), সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, লেফটেন্যান্ট মো: বায়েজিদ বোস্তামী ও ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজনের সাথে সেনাসদরে সাক্ষাৎ পূর্বক ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান তাদের সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রাণিত করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর নবীন অফিসার লেফটেন্যান্ট মোঃ বায়েজিদ বোস্তামী এক উদাহরণস্বরূপ অবদান রেখেছেন। গত ২২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাতে তিনি প্রায় ৩৫০ জন এর অধিক বন্যার্তদের উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে ছিলেন শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা,বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি সহ অনেকেই।
এছাড়া ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজন ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ভুজপুর এলাকায় বন্যার্তদের উদ্ধারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ২৩ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাটুকে সিঁড়ি বানিয়ে অসুস্থ,গর্ভবতী মহিলাদের ট্রাকে উঠতে সহায়তা এবং বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীফ অব জেনারেল স্টাফ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী; জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া এবং উক্ত সেনা সদস্যদের অধিনায়কগণ।
তরুণ সেনা সদস্যগণের মতোই দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্য কাজ করে যাচ্ছে দেশবাসীর সেবায়। তারুণ্যের এই সহমর্মিতা ও মানবতাবোধ হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস।
মন্তব্য করুন


মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় থাকায় দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগ বাদে দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা কমারও আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে এ তথ্য জানানো হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ।
চট্টগ্রাম বিভাগের দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


সরকার দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজের আট হাজার ৮০৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বলা হয়,৮৮০৭ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে স্কুলের সাত হাজার ৭১৪ জন এবং কলেজের এক হাজার ৯৩ জন।
মাউশি সূত্র আরো জানায়, প্রতি দুই মাস পর পর মাউশিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এবার যারা হচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই গত বছর নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী।
সভা সূত্রে বিস্তারিত জানা গেছে, স্কুল পর্যায়ের সাত হাজার ৭১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে ঢাকার ৭২৭ জন, বরিশালের ৫৭৫ জন, ময়মনসিংহের এক হাজার ৩০৪ জন, খুলনার এক হাজার ৪৪৫ জন, চট্টগ্রামের ৭২৯ জন, কুমিল্লার ৬৬২ জন, রাজশাহীর ৭০২ জন, রংপুরের এক হাজার ১২৭ জন এবং সিলেটের ৪৪৩ জন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কন্টেইনার ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।
১৯ নভেম্বর রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় এ ঘটনাটি ঘটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন আউটার এলাকায়।
ওই স্টেশনের কর্তব্যরত সহকারী স্টেশন মাস্টার শাকির জাহান বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ৬০৭ নম্বর কন্টেইনার ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করে ঢাকার দিকে যাওয়ার পথে ৩ নম্বর লাইনে পেছন দিকের একটি বগির ৪টি চাকা লাইনচ্যুত হয়।
বগিটি লাইনচ্যুতির হওয়ার কারণে রেললাইনের পাত বাঁকা হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে খবর দেওয়া হয়েছে দুর্ঘটনাকবলিত বগি উদ্ধারে রিলিফ ট্রেন আসার জন্য।
মন্তব্য করুন


বুধবার (২৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় পাবনা সদর উপজেলায় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ভাই-বোন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের ধোপাঘাটা এলাকায়।
এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও ৫ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতরা হলো: বেড়া পৌর এলাকার শালকিপাড়ার রাজকুমার হালদারের ছেলে প্রদীপ হালদার এবং নাটোরের দিনেশের স্ত্রী শম্পা রানী। তারা সম্পর্কে ভাই-বোন। পরিচয় পাওয়া যায়নি আহতদের।
আহত অনুরাধা ধর (১২) নামের এক শিশু জানায়, নিহত দুইজন তার মাসি ও মামা। পাবনার বেড়ায় তার নানাবাড়ি। তাদের বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার শিলিমপুর গ্রামে। তারা নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে মামার জন্য পাত্রী দেখতে শহরে যাচ্ছিল।
পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী গণমাধ্যমকে জানায়, অটোরিকশাটি বেড়া থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিলো। পথে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের ধোপাঘাটা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ৭ জন সিএনজি যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানায় তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার
দায়িত্ব আমাদের। তা নিয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি
এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রকাশিত
ওই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা আমাদের নাগরিক। তাদের
নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই। যেটা নিয়ে ভারতের
বলা প্রয়োজন সেটা হলো, গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা।
এই প্রশ্ন করা যেতে পারে, বাংলাদেশের
বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত কী ধরনের সাহায্য করতে পারে? এ বিষয়ে কথা বলা প্রয়োজন।
আরও বলতে চাই, ভারতের গণমাধ্যম আমাদের সরকারকে নিয়ে ভুল সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ভারতের
উচিত এ বিষয়ে একটা সীমা টানা। আমরা চাই, তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা হোক এবং সম্পর্ক উন্নয়নের
প্রশ্নেও আলোচনা হোক।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী
লীগ জুলাই-আগস্টে যে গণহত্যা ঘটিয়েছে, সেটাকে ভারত কীভাবে দেখে, তা ভারত এখনো স্পষ্ট
করেনি। কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে। কিন্তু ভারত এ বিষয়ে
কোন কথা বলেনি। উপরন্তু, যার (শেখ হাসিনা) ওপরে এ ঘটনার দায় বর্তায়, ভারত তাকে আশ্রয়
দিয়েছে। যে ব্যক্তি তার স্বজনকে হারিয়েছে, ভারত যদি তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাহলে
বাংলাদেশের জনগণ সেটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে। আমি চাই, ভারত আমাদের সহায়তা করুক,
যাতে যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এখানে যা কিছু
হয়েছে তা আমাদের নজরে আছে। মানুষের যে কষ্ট হয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। এটাও
মনে রাখতে হবে, যদি সময়মতো (গণঅভ্যুত্থানের পরপর) ব্যবস্থা না নেওয়া হতো, তাহলে পরিস্থিতি
আরও খারাপ হতো। দুর্গাপূজার কথাই ধরেন। বলা হচ্ছিল, আরও সহিংসতা হবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হয়েছে।
আমাদের সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলেছে, আশ্বস্ত করেছে। তারাও এতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
আমি তো বলব, অন্য কোনো সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেনি, যা আমরা
গত তিন মাসে করেছি। আগের সরকারগুলো এ বিষয়ে শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছে। তাদের ওপর
থেকে সংখ্যালঘুদের আস্থা কমে গিয়েছিল। আমাদের এসব ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি,
তাদের কিছু বিষয় আছে, যা এখনই সমাধান হওয়ার নয়। এজন্য আমাদের সময় দিতে হবে। আওয়ামী
লীগ সরকারের বিদায়ের পর কিছু উগ্র ও কট্টরপন্থি সংগঠনের তৎপরতা বাড়তে পারে। এ কারণে
শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতের নিরাপত্তারও সমস্যা হতে পারে—এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো কোনো সহিংসতা বা উগ্রবাদী সংগঠনকে সমর্থন করে না। বাংলাদেশের
মানুষ গণতান্ত্রিক সরকার চায়। আপনি যা বলছেন সেটা আওয়ামী লীগের প্রচার করা অসত্য বয়ান।
তারা বলত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর তৎপরতা বেড়ে যাবে। এসব
বলে বলে তারা এত বছর বাংলাদেশ শাসন করেছে। ভারতও এই বয়ান সমর্থন করে। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে
আওয়ামী লীগ সরকারে থাক বা না থাক, এটা দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে কেন প্রভাব পড়বে?
এর মানে হলো, ভারত এ দেশের মানুষের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল।
বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে এ প্রশ্ন উঠত না। যেমন- আমরা দেখি না ভারতে
কে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস। সে রকমই এখানেও এটাই হওয়া উচিত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আছে না নেই, সে প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমি শুধু এটাই বলব, বিষয়গুলো
আওয়ামী লীগের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত। আমরা দুই দেশ একে অপরকে সঙ্গ দিলে উভয়ের
কল্যাণকর কাজ করা সম্ভব। আমরা কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করিনি। কোনো প্রকল্পও
বন্ধ করিনি। সবকিছু আগের মতোই চলছে।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মিশর।
বাংলাদেশে মিশরের রাষ্টদূত ওমর মোহি আলদিন আহমেদ ফাহমি বুধবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।
মিশর আয়োজিত অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনের এই শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, ইরান, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ ৮টি উন্নয়নশীল দেশের শীর্ষ নেতাদের একত্রিত করবে।
১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ইস্তাম্বুল ঘোষণার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ডি-৮ গ্রুপটি যাত্রা শুরু করে।
ডি-৮ এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল বিশ্ব অর্থনীতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থানকে শক্তিশালী করা, বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা, আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সদস্য দেশগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ইত্যাদি।
রাষ্ট্রদূত ফাহমি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মিশরের চলমান সমর্থন পূর্ণব্যক্ত করে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে জাতির অব্যাহত অগ্রগতির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।
ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোকপাত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, সদস্য দেশগুলো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি উৎসাহিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টামণ্ডলীর চার সদস্য।
আর এই শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ১৯৫২ সাল থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। আমরা গতকাল নতুন চারজন উপদেষ্টা শপথ গ্রহণ করেছি। আমরা আগামীকাল কাজে যোগদান করবো। আমাদের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার।
শুধু এটা না আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমরা এখানে আজকে এসেছিলাম আমাদের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। ৫২ থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে। আর সেজন্যই আমাদের সামনে এখন বাংলাদেশকে পুনঃনির্মাণের বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
সবশেষে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে দেশটাকে গতিশীল করা এবং জনগণের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সিএমএইচগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের চিকিৎসার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টা ৫৬ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখ হতে সারা দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের দ্রুত সুস্থ করে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে ও আন্তরিকতার সাথে সিএমএইচ সমূহে জরুরি ও উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা সিএমএইচসহ দেশের অন্যান্য ১০টি সিএমএইচে সর্বমোট ৮২৯ জন আহত ছাত্র চিকিৎসা সেবা গ্রহণের জন্য আগমন করেন। তন্মধ্যে ২১৯ জন আহত ছাত্র সিএমএইচসমূহে চিকিৎসাধীন আছেন এবং অবশিষ্ট ছাত্রগণ চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের অতিদ্রুত সুস্থতা কামনা করছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী আহত চিকিৎসাধীন ছাত্রদের প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে সদা তৎপর আছে।
মন্তব্য করুন