

নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার
(২৮ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম
নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়।
তিনি বলেন, সকল রাজনৈতিক দল যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পায়-সেটি আমাদের দাবি।
এই নেতা বলেন, আমরা বলেছি যে সংস্কার এবং জাতীয় সনদের বিষয়গুলো ইলেকশন কমিশনকে পাবলিক করতে হবে। তারা ওয়েবসাইটে দেবেন জনগণ জানবে এবং সেটা নভেম্বরই হচ্ছে উপযুক্ত সময়।
জামায়াতের
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমাদের যে গণপ্রতিত্ব আদেশ
সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে যেটা সংশোধন হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটা বিধান হচ্ছে যেটা ইলেক্টোরাল প্রসেস। যে রিফর্ম কমিশন
তারাও সুপারিশ করেছিল যে, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল তার জন্য
নির্ধারিত প্রতীকেই তিনি নির্বাচন করবেন। কিন্তু বাংলাদেশের পলিটিক্যাল কালচারের কারণে জোটবদ্ধ রাজনীতির একটা কালচার রেওয়াজ আমাদের আছে সেটা করার ক্ষেত্রেও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন বলেছে যে জোট হতে
পারবে কিন্তু প্রতীক হবে জোটবদ্ধ, প্রত্যেক দলের স্ব স্ব দলের নির্ধারিত প্রতীকে তাদের ভোট করতে হবে। তার প্রতীক বাদ দিয়ে অন্য কোনো দলের প্রতীকে ভোট করা যাবে না। এটা লাস্ট ইলেকশন ইলেক্টোরাল প্রসেস, রিফান্ড কমিশন তারা এই সুপারিশটা করেছে
এবং উপদেষ্টা পরিষদে এই সংশোধনটা অনুমোদিত
হয়েছে। এটা হওয়ার পরেও আমরা দেখলাম গত সম্ভবত ২৫
তারিখে একটি দলের পক্ষ থেকে এসে এটাকে আবার সংশোধন করার জন্য বলা হয়েছে। এটাকে আপত্তি জানানো হয়েছে। ইভেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড লঙ্ঘন করে খুবই দুঃখজনকভাবে একটি তথ্য ওনারাই এখানে প্রকাশ করেছেন। ওনারা বলেছেন যে এই সংশোধনটা
পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের দাবি মানতে হবে। আজকে চিফ কমিশনারকে বলেছি যে লেভেল প্লেয়িং
ফিল্ড ভঙ্গ হওয়ার এর চেয়ে নেকেড
উদাহরণ আর কি হতে
পারে। আমরা এটার ওপরে ঘোর আপত্তি দিয়েছি যে এটা কোনো
ক্রমেই সংশোধন করা যাবে না। সংশোধিত যে বিধান আছে
সে বিধানের ভিত্তিতে নির্বাচন হতে হবে।
গোলাম
পরওয়ার আরও বলেন, প্রবাসী ভোটারদের ভোট প্রক্রিয়া যাতে সহজ হয়, সে বিষয়েও আমরা
নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব দিয়েছি। নির্বাচন যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয়, সেটিও জোর দিয়ে বলেছি। একই সঙ্গে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টিও আমরা উল্লেখ করেছি।
জামায়াতের
এই নেতা বলেন, আমরা সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এই সংবিধানের আওতায়
থেকেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক-এটাই চাই।
এদিকে
ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে বিএনপির আপত্তির মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ইসলামী
ব্যাংক হাসপাতাল ও ইবনে সিনা
হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেবামূলক ও অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দেওয়ার আহ্বান
জানিয়েছে-যা নিয়ে আমরা
উদ্বেগ প্রকাশ করছি।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঘরে-বাইরে উভয় স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে নারীর উন্নয়ন
ও সমৃদ্ধির জন্য গৃহীত নীতিমালার সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না।
আজ
রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’
উদযাপন এবং ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান’
অনুষ্ঠানে ভাষণকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি
বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক-নারী ও কন্যারা যেন আর অবহেলা, নির্যাতন
ও বৈষম্যের শিকার না হন। তারা যেন সমান সুযোগ ও মর্যাদা পান।
বাসযোগ্য
বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি জানান যে, তিনি এমন এক দেশের
স্বপ্ন দেখেন যেখানে প্রতিটি নারী নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠবে, স্বাবলম্বী হবে এবং নেতৃত্ব
দিবে। যেখানে প্রতিটি কন্যাশিশু স্বপ্ন দেখবে এবং সেই স্বপ্নপূরণের অফুরন্ত সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজকর্মী ডা. জুবাইদা রহমান এবং তাদের
কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রয়াত
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রগতিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’
পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তার দাদীর পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ
করেন।
রাষ্ট্রপ্রধান
বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে
কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন। এ ধরনের
অপরাধ মোকাবিলায় এখনও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি
আরও বলেন, নারীর অগ্রগতি দেশ ও জাতির অগ্রগতি। বিশেষ করে পুরুষশাসিত সমাজে এই সত্যকে
স্বীকৃতি দিতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নারী উন্নয়েেনর জন্য
তিনি যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন তা বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী
রূপ নেয়। তিনি মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে
শিক্ষা চালু করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতি
বলেন, নারীশিক্ষার হার বাড়াতে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তিও চালু
করেন। এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি
উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার স্নাতকোত্তর স্তর পর্যন্ত মেয়েদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার
সুযোগ চালু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
অর্থনৈতিকভাবে
পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে সহায়তা করার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, এটি আগামী ১০ মার্চ থেকে চালু
হবে। আশা করা হচ্ছে, উদ্যোগটি পারিবারিক অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা
রাখবে।
রাষ্ট্রপতি
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা; কর্মক্ষেত্রে ও মজুরি বৈষম্য; দুর্বল আইনি সুরক্ষা; নিরাপত্তাহীনতা;
বাল্যবিবাহ; নারীবিরোধী মনোভাব এবং সামাজিক কুসংস্কারসহ বেশ কয়েকটি স্থায়ী সামাজিক
চ্যালেঞ্জও তুলে ধরেন।
তিনি
বলেন, সামাজিক হয়রানির পাশাপাশি অনলাইনে নারীর চরিত্রহনন ও সাইবার বুলিং অপরাধের নতুন
চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি
সাহাবুদ্দিন আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং বৃহত্তর সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে এসব সমস্যা মোকাবিলার
জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
তিনি
পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতা, গণমাধ্যম কর্মী এবং তরুণ প্রজন্মকে
নারীর প্রতি সমতা ও শ্রদ্ধার মূল্যবোধ প্রচারের কথাও বলেন।
তৈরি
পোশাক শিল্পে কর্মরত লাখ লাখ নারীর অবদানের কথা স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
তাদেরকে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবেও বর্ণনা করেন।
রাষ্ট্রপতি
আরও বলেন, রাজনীতি, গণমাধ্যম, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রশাসন, শান্তিরক্ষা
এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা বর্তমানে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে।
বক্তব্যের
শুরুতে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত গণতন্ত্র
ও জনগণের অধিকারের সকল আন্দোলন ও সংগ্রামের শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধা জানান।
অনুষ্ঠানে
‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীকালের ন্যায়বিচার: নারী ও মেয়েদের অধিকার সুরক্ষিত থাকুক’
শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
মহিলা
ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় পাঁচটি ভিন্ন বিভাগে আরও পাঁচ নারীকে সম্মাননা পদক প্রদান
করে।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আরাও
বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন; বাংলাদেশে ইউএনডিপি-এর
আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।
পরে
রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে ফটোসেশনে যোগ দেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে
‘ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের বীর সেনাপতি’ আখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে মিরপুরে ঢাকা-১৫
আসনের নির্বাচনী প্রচারণার জনসমাবেশে বক্তৃতার সময় তিনি এ আখ্যা দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর সংগ্রামী আমির। তবে এটুকু পরিচয় উনার জন্য বর্তমান বাংলাদেশের যথেষ্ট নয়।
তিনি দশ দলীয় নির্বাচনে ঐক্যের প্রধান কাণ্ডরি ও
ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের বীর সেনাপতি।
তিনি বলেন, জামায়াতের আমির এই বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে
নির্যাতিত হয়েছেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে গিয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, মজলুম জননেতা
হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আজ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের
প্রচারণা শুরু হলো।
সারা বাংলাদেশে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের যারা
প্রার্থী রয়েছে তাদের পক্ষে যেই জনজোয়ার নেমে এসেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সেটার ফল বাংলাদেশের
জনগণ দেখতে পাবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও গণতন্ত্র পুনর্গঠনে গৃহীত ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম এবং ‘জুলাই
সনদে’র প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়েছে ইতালি।
ঢাকায়
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের
সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাত্তেও পেরেগো দি ক্রেমনাগো
এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে
দুই পক্ষ বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, অভিবাসন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন
ও গণভোট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং জুলাই সনদসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে
বিস্তৃত আলোচনা করেন।
জুলাই
সনদের প্রশংসা করে ইতালির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই সনদে উল্লিখিত ব্যাপক সংস্কার
কর্মসূচিকে ইতালি সমর্থন করে। একই সঙ্গে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক উত্তরণে রোমের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
মাত্তেও
পেরেগো বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল এখন বৈশ্বিক রাজনীতির নতুন কেন্দ্রবিন্দু। এই অঞ্চলের
দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির বাংলাদেশসহ, সম্পর্ক জোরদার করতে
চায় ইতালি, যাতে সামনে এগুনোর একটি যৌথ পথ তৈরি করা যায়।
তিনি
বলেন, ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি সম্প্রদায় ভালোভাবেই একীভূত হচ্ছে। তবে ভূমধ্যসাগরীয়
পথে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইতালির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ
করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার
আগে তিনি চলতি বছরের মিলানো-কর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিককে একটি সামাজিক ব্যবসাভিত্তিক
আয়োজন হিসেবে নকশা প্রণয়নে যুক্ত ছিলেন।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, জাপান ও ইতালির মতো উন্নত দেশগুলোতে জনসংখ্যা দ্রুত বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে।
এ অবস্থায় এসব দেশে বৈধ অভিবাসন সম্প্রসারণের গুরুত্ব রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে
তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বড় পরিসরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের
পর্যবেক্ষক দল মোতায়েনের জন্য তিনি ইইউ’র প্রশংসা করেন।
তিনি
বলেন, ভোটার উপস্থিতি শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদী। বিশেষ করে তরুণদের কথা উল্লেখ
করে তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের একটি ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসনামলে অনুষ্ঠিত ‘ভুয়া নির্বাচনে’
অনেক তরুণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি।
এ
সময় অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইতালির সমর্থন চান এবং প্রতিরক্ষা,
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে জাতীয় নিরাপত্তা
উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির
রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি'র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন সহ নবনিযুক্ত ছয় সিটির প্রশাসকবৃন্দ।
মন্ত্রী তাঁর দপ্তরে নবনিযুক্ত ছয় সিটির প্রশাসকবৃন্দকে স্বাগত জানান। সাক্ষাৎকালে ছয় সিটির প্রশাসকবৃন্দ তাঁদের কর্মকালে মন্ত্রীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন ও ছয় সিটির উন্নয়নে সর্বোচ্চ সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা হতে ছয় প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ছয় সিটি করপোরেশনে যে ছয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মো. আব্দুস সালাম;
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মো. শফিকুল ইসলাম খান; খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু; সিলেট সিটি করপোরেশনে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী; নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মো. শওকত হোসেন সরকার।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তার এবং
তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আজ রোববার (১১ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে
এই খসড়া অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ
এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার
নিমিত্ত সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী
কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন
দ্বারা, ঐ ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে
তালিকাভুক্ত করতে পারে। তবে বর্তমান আইনে কোন সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে
কোন বিধান নেই।
এই বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাস বিরোধী
আইন, ২০০৯ কে সময়োপযোগী করে আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন।
বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে সত্তার কার্যক্রম
নিষিদ্ধ করা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন করা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধকরণের
বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গুপ্ত
সংগঠনের মাধ্যমে জনগণের ওপর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে এমন একটি নতুন
ধরনের জালিমের আবির্ভাব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় বরিশাল নগরের বেলস পার্ক মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক
রহমান বলেন, বাংলাদেশে নতুন এক ধরনের জালিমের আবির্ভাব হয়েছে, যারা গুপ্ত সংগঠনের মাধ্যমে
জনগণের ওপর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে।
তিনি
অভিযোগ করেন, দীর্ঘ ১৫–১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের ভোটাধিকার
ও মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
নিশিরাতের
ভোট এবং ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায়কে বারবার অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তবে ২০২৪
সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সেই ব্যবস্থার পতন ঘটে এবং বাংলাদেশ আবার জনগণের হাতে
ফিরে আসে।
বিএনপির
চেয়ারম্যান আরও বলেন, বাংলাদেশে নারী-পুরুষ একসঙ্গে মাঠে কাজ করে। কৃষকের সঙ্গে কৃষাণীরাও
মাঠে কাজ করে।
শুধু
মাঠেই নয়, সমাজের সবক্ষেত্রেই নারীরা পুরুষের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
বিশেষ করে গার্মেন্টস খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেশের
মা-বোনদের সম্মান করে না, তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ কোনো অগ্রগতি বা মর্যাদাপূর্ণ রাজনীতি
আশা করতে পারে না।
ইসলামের
ইতিহাসে নারীদের সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীদের পেছনে রেখে কোনোভাবেই
দেশ এগোতে পারে না।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরেই ঐতিহাসিক সংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য শেষে
তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।তিনি জানান, ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে নেমে বিমানবন্দর থেকে
এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পথে ৩০০ ফিট এলাকায় উপস্থিত জনসমাগমের উদ্দেশ্যে একটি সংক্ষিপ্ত
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন। এরপর তিনি তার মাকে দেখে বাসায় ফিরবেন।
মঙ্গলবার
(২৩ ডিসেম্বর) পিজি হাসপাতালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি ও
বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদলের আয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল-পূর্বক সংক্ষিপ্ত
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। মিছিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের
(পিজি হাসপাতাল) বটতলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় হয়ে মৎস্যভবনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে
রিজভী বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজ
দেশ বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছেন। আগামী ২৫ ডিসেম্বর তার আগমন উপলক্ষে সারা
দেশে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য ঢাকায় আসবেন।
তিনি বলেন, ২০০৭ সালের মইনুদ্দিন–ফখরুদ্দিন সরকার ছিল শেখ হাসিনারই সমর্থিত
সরকার। সেই সরকারের সময় বিনা কারণে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং নির্মম শারীরিক
নির্যাতন করা হয়। সেই নির্যাতনের পর তাকে এই পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়। তিনি
আরও বলেন, চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার পর শেখ হাসিনার সরকার একের পর এক মিথ্যা মামলা
দিয়ে তাকে দেশে ফিরতে বাধা দেয়। ১৭ বছর ধরে তাকে তার পরিবার, দেশ ও মানুষের কাছ থেকে
বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। তিনি তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি, এমনকি ছোট ভাইয়ের
লাশ ও জানাজায়ও অংশ নিতে পারেননি। এসব ঘটনার জন্য শেখ হাসিনা দায়ী।
বিএনপির
এই মুখপাত্র বলেন, জিয়া পরিবার বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবার।
এই পরিবারই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশনেত্রী বেগম
খালেদা জিয়া একজন নির্ভীক সৈনিকের মতো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন। এই পরিবারকে ধ্বংস
করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা কোনো চক্রান্ত বাদ দেয়নি।
নিরাপত্তা
প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আমরা সরকারের কাছে তার পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছি। সরকার
আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। দলীয়ভাবেও নেতাকর্মীরা তার
নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করবেন, ইনশাআল্লাহ। তিনি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের
প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনসমাগম যত বড়ই হোক, সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করতে
হবে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রিয় নেতাকে শুভেচ্ছা জানাবেন। কোনো বিশৃঙ্খলা বা অরাজকতা
করা যাবে না। তিনি তার মাকে দেখে বাসায় পৌঁছানো পর্যন্ত সবাই শৃঙ্খলার সঙ্গে অবস্থান
করবেন।
কেন্দ্রীয়
ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালের সভাপতিত্বে মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির
স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বিএনপির আইটি সেলের সদস্য মাহফুজ কবির মুক্তা
এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি চিকিৎসক ও ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান বিভিন্ন
পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে
শপথ নিয়েছেন আরও চারজন। তাঁরা হলেন ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আলী ইমাম মজুমদার, ড. মুহাম্মদ
ফাওজুল কবির খান ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৪টার
দিকে বঙ্গভবনে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় আরও
উপস্থিত ছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, তিন বাহিনীর প্রধান,
বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের
আকার প্রধান উপদেষ্টাসহ ২১ জনে দাঁড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা
তারেক রহমান-কে দিয়েছে সরকারি সংসদীয় দল। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবন-এর এলডি হলে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
এর
আগে সংসদের সরকারি দলের সভাকক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সংসদীয় দলের
বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা তারেক রহমান।
সংবাদ
সম্মেলনে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, “স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের জন্য আমরা সংসদ
নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনিই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। আশা করছি আগামীকালই বিষয়টি
জানা যাবে। সংসদ উপনেতার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।”
তিনি
জানান, সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। সংসদে এমপিরা
কীভাবে আচরণ করবেন এবং কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
চিফ
হুইপ বলেন, যেহেতু বর্তমানে সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নেই, তাই প্রথমে খালি চেয়ার
দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। পরে সংসদ নেতা জ্যেষ্ঠ কোনো নেতাকে সভার সভাপতিত্বের জন্য প্রস্তাব
করবেন, অন্য একজন তা সমর্থন করবেন এবং তার সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের
প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
তিনি
আরও জানান, ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার জন্য এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-কে প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে এখনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানান
চিফ হুইপ। তিনি বলেন, এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সব দলের সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ
কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি নির্ধারণ করবে কোন অধ্যাদেশ বহাল থাকবে এবং কোনগুলো বাতিল
হবে।
নূরুল
ইসলাম মনি জানান, প্রথম দিনের অধিবেশনে কার্য উপদেষ্টা কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি ও হাউস
কমিটি গঠন করা হবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে অধিবেশন মুলতবি করা হবে। ডেপুটি স্পিকার
নির্বাচনের পর পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী গঠন করা হবে।
তিনি
বলেন, শোকপ্রস্তাবের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-সহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য
ব্যক্তিদের স্মরণ করা হবে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের সম্পর্কেও আলোচনা থাকবে।
সংবাদ
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন
আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ.বি.এম
আশরাফ উদ্দিন (নিজাম)।
মন্তব্য করুন


সরকার
দেশের কয়েকটি সিটি কর্পোরেশনে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি
করেছে।
শনিবার
(১৪ মার্চ) জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন)
অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক অনুযায়ী পরবর্তী আদেশ
না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তারা।
নিয়োগপ্রাপ্ত
প্রশাসকরা হলেন—
বরিশাল
সিটি কর্পোরেশন: অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন
রাজশাহী
সিটি কর্পোরেশন: মো. মাহফুজুর রহমান
ময়মনসিংহ
সিটি কর্পোরেশন: মো. রুকুনোজ্জামান রোকন
রংপুর
সিটি কর্পোরেশন: মাহফুজ উন নবী চৌধুরী
কুমিল্লা
সিটি কর্পোরেশন: মো. ইউসুফ মোল্লা
প্রজ্ঞাপনে
আরও বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা সংশোধিত অধ্যাদেশের ধারা ২৫ক-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী
সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি অনুযায়ী
ভাতা প্রাপ্য হবেন।
রাষ্ট্রপতির
আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি জনস্বার্থে
অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন