

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয়
পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে
তিনি বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কতটা কমানো যায় সে বিষয়ে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
প্রেস সচিব বলেন, সরকারের প্রচেষ্টায় ডিমের দাম কমেছে এবং অন্যান্য
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামও নিম্নগামী। আজকে কয়েকটি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে যে আলুর দাম
৪০০ টাকায় উঠে গেছে। এটি একটি বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার সংখ্যালঘুদের অধিকার সম্পর্কে অনেক
সচেতন। সরকার গত দুর্গাপূজার সময় সংখ্যালঘুদের জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি
বলেন, গত বছরের তুলনায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশে অপরাধের ঘটনা কম ঘটেছে এবং আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের চলমান সংকটের কথা বলতে গিয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান হয় না। সরকার এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট
সবার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার আশা করছে দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন সংক্রান্ত অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস
সচিব বলেন, একটি ব্যাপক-ভিত্তিক প্যানেল থেকে কমিশনের সদস্যদের নির্বাচন করা হয়েছে।
আমরা আশা করি যে তারা সবাই মিলে একটি ভাল প্রতিবেদন জমা দিতে সক্ষম হবেন। প্রবীণ সাংবাদিক
কামাল আহমেদকে প্রধান করে ১১ সদস্যের গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করেছে সরকার। রোববার
এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
উক্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ
মজুমদার ও অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর
হামলাকে জুলাই অভ্যুত্থান নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রের অংশ উল্লেখ করে রাজনৈতিক দলের নেতারা
বলেছেন, এই অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার সকল প্রচেষ্টা রুখে দিতে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ
অবস্থানে রয়েছে।
আজ
শনিবার ( ১৩ ডিসেম্বর )রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
দল বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র নেতৃবৃন্দ।
বৈঠকে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ও মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর
বিক্রম, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল
অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য
সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এবং আইন উপদেষ্টা
আসিফ নজরুল অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা পূর্ব-পরিকল্পিত
ও গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। এর পেছনে বিরাট শক্তি কাজ করছে।
তিনি
বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনটি না হতে দেওয়া। এই আক্রমণটি খুবই সিম্বলিক।
তারা তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে চায়, নির্বাচনের সব আয়োজন ভেস্তে দিতে চায়। এগুলোকে
ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে
মনে হচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে। তারা প্রশিক্ষিত শুটার নিয়ে
মাঠে নেমেছে।’
বিএনপি
নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পরস্পরের
দোষারোপ থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে
আওয়াজ তুলতে হবে। কোনো ধরনের অপশক্তিকে আমরা বরদাস্ত করব না।’তিনি
আরও বলেন, আমাদের মধ্যে যতই রাজনৈতিক বক্তব্যের বিরোধিতা থাকুক না কেন, জাতির স্বার্থে
এবং জুলাইয়ের স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতেই হবে। এ সময়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং
ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার পরামর্শ দেন তিনি।
জামায়াত
নেতা গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের নানা বক্তব্য একে অন্যকে দোষারোপ
করার প্রবণতা বাড়িয়েছে, যার ফলে আমাদের বিরোধীরা সুযোগ পেয়েছে। আমাদের পূর্বের ন্যায়
ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থে
আমরা একে অন্যকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলেছি। জাতিকে বিভক্ত করে এমন কথা আমরা কেন বলব?
সব দলকে তাদের কমিটমেন্ট ঠিক করতে হবে।’
এনসিপি
প্রধান নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই কিছু লোক এই অভ্যুত্থানকে খাটো
করার জন্য নানা অপতৎপরতা চালিয়ে আসছে। তিনি বলেন, ‘সুসংগঠিতভাবে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে
ক্যাম্পেইন চলছে। মিডিয়া ও প্রশাসনের নানা স্তরে এই কাজ হচ্ছে। নির্বাচনের পর যারা
ক্ষমতায় আসবে, তারাও এর ভুক্তভোগী হবে। কেউই একা সরকার চালাতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে মিডিয়া ও সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে এমন ন্যারেটিভ তৈরি করা হচ্ছে যাতে মনে হয় যারা অভ্যুত্থান করেছে তারা
অপরাধ করেছে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নরমালাইজ করতে নানা চেষ্টা চলছে। টিভি টকশোতে
তারা নিয়মিত অংশ নিচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় বৈঠক করছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে
মিলিত হচ্ছে এবং আদালত প্রাঙ্গণে স্লোগান দিচ্ছে। আমাদের বিশেষ কোনো নিরাপত্তার প্রয়োজন
নেই। আমরা এটা নেব না। জুলাইকে সবাই মিলে ওউন করতে হবে। জুলাইকে কে কী বলবে—এই
টানাপোড়েনে আমরা জুলাইকে শেষ করে দিচ্ছি। ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের অনৈক্যকে আমাদের পরাজয়
হিসেবে দেখছে। তারা ভারতে বসে যা ইচ্ছা তা-ই করছে, আর আমরা কিছুই করতে পারছি না,’ বলেন
তিনি। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘বুদ্ধিজীবী বেশে, সাংস্কৃতিক কর্মী বেশে আওয়ামী লীগের
উদ্দেশ্য বাস্তবায়নকারীদের থামাতে হবে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
হাসনাত
আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা নিজেরা ঐক্যবদ্ধ থাকতে না পারলে কোনো নিরাপত্তাই আমাদের কাজে
আসবে না। রাজনৈতিক স্বার্থে দলগুলো আওয়ামী লীগকে নানা রকম সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের চিন্তা করতে হবে—ভবিষ্যতের জন্য আমরা কী করতে পারি।
তিনি
বলেন, শুধু সরকার নয়, সবাইকে শক্ত থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যে যেন দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে না
পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাজনৈতিক বক্তব্য থাকবে, কিন্তু কাউকে শত্রু ভাবা বা
আক্রমণ করার সংস্কৃতি থেকে সরে আসতে হবে। নির্বাচনের সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, তবে মাথায়
রাখতে হবে—এটি যেন একটি নির্দিষ্ট মাত্রার মধ্যে নিয়ন্ত্রণে থাকে,’
বলেন তিনি।
আসিফ
নজরুল বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে হানাহানি শুরু হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগ শক্তিশালী
হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের শুধু দলীয়
স্বার্থ নয়, জাতীয় স্বার্থের বিষয়েও সজাগ থাকতে হবে।’
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পতিত শক্তি গন্ডগোল লাগিয়ে নির্বাচনের আয়োজনকে ভন্ডুল করার চেষ্টা করছে। এই অপচেষ্টাকে প্রতিহত করতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আজ শনিবার
(২৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন
তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অভ্যুত্থানের সকল শক্তি মিলে একটি সুন্দর নির্বাচন করতে না পারলে এই মস্ত বড় সুযোগ আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। পরাজিত শক্তি যখনই সুযোগ পাচ্ছে তখনই নানা রকম গন্ডগোল সৃষ্টি করছে। এসব করে তারা দেশের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। যখনই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি তখনই নানা ষড়যন্ত্র সামনে আসছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে কোন ষড়যন্ত্র করেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। কারণ ফ্যাসিবাদ প্রশ্নে সবগুলো গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য স্পষ্ট।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও প্রধান উপদেষ্টাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণফ্রন্টের আমিনুল হক টিপু বিশ্বাস, ১২ দলীয় জোটের মোস্তফা জামাল হায়দার, নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, ন্যশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ জাসদের ড. মুশতাক হোসেন, ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের ববি হাজ্জাজ, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, ভাসানী জনশক্তি পার্টির রফিকুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) -এর মাসুদ রানা এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী।
বৈঠকের শুরুতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের পরিবার সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী, আবু হোসেনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা আবু সাঈদের নামে একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম ‘শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশন’প্রতিষ্ঠায় সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে দমনপীড়নের মধ্যেও যারা ন্যূনতম সাংবাদিকতার চেষ্টা করতেন, তাদের ওপরও নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘প্রশ্ন নয়, প্রশংসা করতে এসেছি’ এই ছিল হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের ধরন। এই দমনপীড়নের মধ্যেও যারা ন্যূনতম সাংবাদিকতার চেষ্টা করতেন, তাদের ওপর নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ। যেসব কারণে জুলাই অনিবার্য হয়ে উঠেছিল, তার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়াও ছিল অন্যতম।
পোস্টে আরো বলা হয়, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী জুলাই প্রিলিউড সিরিজের ৯ ও ১০ নম্বর পোস্টার এঁকেছেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতাহীনতা ও চাটুকারিতাকে থিম করে।
জুলাই ২০২৪-এর অন্যতম যোদ্ধা এই শিল্পী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে এসব পোস্টার ডিজাইন করছেন। এসব পোস্টারে ফুটে উঠেছে জুলাই কেন অনিবার্য হয়ে উঠেছিল এবং সেই সময়ে কী ঘটেছিল।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তীর আঁকা দশটি পোস্টারে ফুটে উঠেছে কেন জুলাই অনিবার্য হয়ে উঠেছিল এবং জুলাইয়ে কী ঘটেছিল। ‘আমার চাওয়ার কিছু নেই। আমি আসছি মানুষকে দিতে’ মুখে এমন কথা বললেও স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ফেনা তুললেও ভেতরের চিত্র কী ছিল, তা এখন উন্মোচিত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লাগামহীন ও অবিশ্বাস্য মাত্রার লুটপাট আওয়ামী লীগ আমলের এক বড় নির্দেশক।’
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আরো লিখেছেন, শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী জুলাই প্রিলিউড সিরিজের ৫ থেকে ৮ নম্বর পোস্টার এঁকেছেন এই লুটপাটকে থিম করে। জুলাই ২০২৪-এর অন্যতম যোদ্ধা শিল্পী দেবাশিস চক্রবর্তী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ‘জুলাই কোমেমোরেশন’ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এসব পোস্টার ডিজাইন করছেন। শুরুতে দশটি পোস্টার ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও সবার অনুরোধ ও অনুপ্রেরণায় তিনি পোস্টারের সংখ্যা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন। এসব পোস্টারে ফুটে উঠছে জুলাই অনিবার্য হয়ে ওঠার কারণ এবং যা ঘটেছিল জুলাইয়ে।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা
জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি
সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট
সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর
দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার
চিকিৎসায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, গণতান্ত্রিক
উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তাঁর সুস্বাস্থ্য
দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা ও সমন্বয়ে
সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


বুধবার ২৯ মে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ ।
এ দিনটি উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য
মর্যাদায় ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস- ২০২৪’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত
জানাই।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধে ও শান্তি প্রতিষ্ঠায়
বাংলাদেশ সোচ্চার ও জোরালো ভূমিকা পালন করছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে
শান্তি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা
মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। অর্পিত দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা,
দক্ষতা ও মানবিক আচরণ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রেখেছে। আগামী দিনগুলোতেও আমাদের শান্তিরক্ষীরা সততা, কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে
দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার এই ধারা অব্যাহত
রাখতে সক্ষম হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি একইসাথে এ দিনটি উপলক্ষে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ
ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সব শান্তিরক্ষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আত্মোৎসর্গকারী
বীর শান্তিরক্ষী সদস্যদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান অনুসৃত এ আদর্শে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের
সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, আনুগত্য, সাহসিকতা এবং অসামান্য অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। পাশাপাশি, শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা
একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানও নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিনের শোক কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্তের কথা মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।শোক পালন উপলক্ষে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম—ক্লাস ও পরীক্ষা—স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে এই সময়কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে বলেও জানানো হয়।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও জাতীয় পর্যায়ে তার অবদান স্মরণ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ একাডেমিক সেমিনার এবং স্মরণসভা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআসহ বিভিন্ন হল, হোস্টেল ও আবাসিক এলাকার মসজিদে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোরআনখানি, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও তার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।বুধবার বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট রুটে পর্যাপ্ত সংখ্যক বাস জানাজাস্থলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং এই কঠিন সময়ে সবাইকে ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং
৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে।
গতকাল
রোববার ( ০৪ জানুয়ারি ) রাতে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ মহা-পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)
ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক এ এস এম হুমায়ুন
কবীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অন্য দিকে নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার
কর্তৃক মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আজ সোমবার থেকে আপিল দায়ের করা যাবে।
৫
জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫টা পর্যন্ত সংক্ষুদ্ধ কোন প্রার্থী বা কোন ব্যাংক
বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে
ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি ইসিতে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
ইসি’র
তথ্য অনুযায়ী রংপুর অঞ্চলে ৩৩টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ২১৯টি,
বাতিল করা হয়েছে ৫৯টি। রাজশাহী অঞ্চলে ৩৯টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র
১৮৫টি, বাতিল করা হয়েছে ৭৪টি। খুলনা অঞ্চলে ৩৬টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ
মনোনয়নপত্র ১৯৬টি, বাতিল করা হয়েছে ৭৯টি। বরিশাল অঞ্চলে ২১টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে
দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ১৩১টি, বাতিল করা হয়েছে ৩১টি। ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩৮টি সংসদীয়
আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ১৯৯টি, বাতিল করা হয়েছে ১১২টি। ঢাকা অঞ্চলে
৪১টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ৩০৯টি, বাতিল করা হয়েছে ১৩৩টি।
ফরিদপুর অঞ্চলে ১৫টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ৯৬টি, বাতিল করা
হয়েছে ৪৬টি। সিলেট অঞ্চলে ১৯টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র ১১০টি,
বাতিল করা হয়েছে ৩৬টি। কুমিল্লা অঞ্চলে ৩৫টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত বৈধ মনোনয়নপত্র
২৫৯টি, বাতিল করা হয়েছে ৯৭টি। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৩টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে দাখিলকৃত
বৈধ মনোনয়নপত্র ১৩৮টি, বাতিল করা হয়েছে ৫৬টি।
মনোনয়নপত্র
বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময়সীমা ৫ জানুয়ারি
থেকে ৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির
মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে।এদিকে আপিল দায়ের করার জন্য রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন
কমিশন ভবনে একটি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রে অঞ্চাল ভিত্তিক
১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে।
১নং
বুথে খুলনা অঞ্চলের জেলা সমূহ: মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা,
নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা।
২নং
বুথে রাজশাহী অঞ্চলের জেলা সমূহ: জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী,
নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা।
৩নং
বুথে রংপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট,
রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা।
৪নং
বুথে চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা সমূহ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
৫নং
বুথে কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা সমূহ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী
ও লক্ষ্মীপুর।
৬নং
বুথে সিলেট অঞ্চলের জেলা সমূহ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
৭নং
বুথে ঢাকা অঞ্চলের জেলা সমূহ: টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর,
নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ।
৮
নং বুথে ময়মনসিংহ অঞ্চলের জেলা সমূহ: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা।
৯নং
বুথে বরিশাল অঞ্চলের জেলা সমূহ: বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর
।
১০নং
বুথে ফরিদপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর
জেলার মনোনায়নপত্র বাতিল ও গ্রহণ আদেশের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল দায়ের করা যাবে।
এ
বিষয়ে ইসি’র এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র
গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ কোন প্রার্থী বা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বা কোন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
কোন ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনে আগামী ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫টা পর্যন্ত আপিল
দায়ের করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, গোপালগঞ্জের বহু মানুষ আ. লীগ আমলে নিপীড়িত-বঞ্চিত
হয়েছেন।
আজ
শনিবার (১৯ জুলাই) তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে
এ আহ্বান জানান।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচারে সহযোগিতা করুন। কিন্তু,
নাগরিক হিসাবে সকলের মানবাধিকারের পক্ষে থাকুন। কোনো এলাকাকে ঘেটো (একঘরে) বানানোর
চেষ্টা করবেন না। গোপালগঞ্জের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক
মানুষ নিম্নবর্গের হিন্দু। তারা লীগের আমলে নিপীড়িত ও বঞ্চিত হয়েছেন। আমাদের উচিত,
বাংলাদেশজুড়ে লীগের হাতে নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের সাথে মৈত্রী করা। হাসিনার পরাজয় রাজনৈতিক না কেবল, নৈতিক ও বটে। নৈতিক
পরাজয়ের পর তার রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছিল। ফলে, আমরা হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে নৈতিক উচ্চতা
হারাতে পারি না।
তিনি
বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর নূতন বাংলাদেশে আমরা মানবিক মর্যাদা, বৈষম্যহীনতা আর সুবিচারের
যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করা আমাদের কর্তব্য।
ঐক্যের
আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ বলেন, অনেকেই এখনও ভাঙার কাজে ব্যস্ত। কিন্তু গড়ার
কাজে কাউকে পাওয়া যায় না। অথচ, পুরানো বন্দোবস্ত মচকে গেছে। এখন আর এটাকে ভাঙ্গা যাবে
না বরং ভাঙ্গতে গেলে আরো বেঁকে যাবে, বেঁকে যাচ্ছে। আবার যখন সময় আসবে তখন ভাঙ্গা যাবে।
কিন্তু এক্ষণে গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত। গণ-অভ্যুত্থানের পর আমাদের অপ্রস্তুতি
ছিল, বিহ্বলতা আর অনভিজ্ঞতা মিলে আমরা ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তের পূর্ণাঙ্গ বিলোপ ঘটাতে
পারিনি। কিন্তু, এ সুযোগে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী আকারে নিজেদের হাজির করা ও জবাবদিহিমূলক
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজটা করতে পারলে আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ
বিলোপের পথে হাঁটতে পারব।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনী
আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী
নাজমুল মোস্তফা আমিনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ জরিমানা করা হয়। তপশিল ঘোষণার পর এটি
প্রথম জরিমানার ঘটনা।
স্থানীয়রা
জানান, সাতকানিয়া এলাকা থেকে শুরু হওয়া ওই শোভাযাত্রায় কয়েকশ মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত
গাড়ি অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি লোহাগাড়ার আমিরাবাদ এলাকায় পৌঁছলে সেখানে তাকে জরিমানা
করা হয়। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ অংশ বেশ ব্যস্ততম। শোভাযাত্রার কারণে এই সড়কে
ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। তারা আরও জানান, আজ অলি আহমদ বীর
বিক্রম স্টেডিয়ামে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় একটি দোয়া
মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জরিমানার পর বিকেল ৫টার দিকে নাজমুল মোস্তফা আমিন ওই দোয়া মাহফিলে
অংশ নেন।
লোহাগাড়া
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
বলেন, বিকাল ৩টার দিকে নাজমুল মোস্তফা আমিন সাতকানিয়া থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে লোহাগাড়া
অভিমুখে যাত্রা করেন। এ সময় তিনি মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করেন। এ কারণে
তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, নাজমুল
মোস্তফা আমিন গাড়ি ও মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা করেছেন, যা নির্বাচন কমিশন ঘোষিত রাজনৈতিক
দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর ৯ নম্বর ধারা লঙ্ঘন। এ কারণে বিধান অনুযায়ী তাকে
৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন