

ব্যক্তি নিজেকে হাফেজ পরিচয় দিয়ে আব্দুল আজিজ নামে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বয়স দেখিয়েছেন ২৫ বছর এবং জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১০ জানুয়ারি ২০০০। বাবার নাম হিসেবে দিয়েছেন হাজী নজিবুল্লাহ এবং মায়ের নাম লিখেছেন শুকরা বেগম।
তবে বায়োমেট্রিক স্ক্যানে তার আসল পরিচয় প্রকাশ পায়—তিনি আসলে রোহিঙ্গা শরণার্থী আজিজ খান। রোহিঙ্গা রেকর্ড অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০০১ এবং বাবার নাম সালামত খান। তিনি ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন।
জাতীয় পরিচয়পত্রে দেখানো তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানা মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা গ্রাম, যেখানে চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি এনআইডি সংগ্রহ করেছিলেন। স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে দেখানো হয়েছিল চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দক্ষিণ হাশিমপুর। পাসপোর্ট আবেদনে বর্তমান ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকা।
পিতা-মাতা হিসেবে উল্লেখিত নজিবুল্লাহ ও শুকরা বেগমের ঠিকানাও চট্টগ্রামের চন্দনাইশের খাজীরপাড়া ও হাশিমপুরে দেখানো হয়েছে। নথি অনুযায়ী তারা গত ১৪ সেপ্টেম্বর এনআইডি সংগ্রহ করেছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক শামীম আহমেদ জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আজিজ স্বীকার করেছেন যে তিনি রোহিঙ্গা এবং মুন্সিগঞ্জ থেকে ১৮ হাজার টাকায় ভুয়া এনআইডি সংগ্রহ করেছিলেন। আটক ব্যক্তি ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে পাসপোর্ট করার চেষ্টা করছিল। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ
সোমবার (১১ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (বিএমএ)'তে ৭ম সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে গৌরবমন্ডিত 'হল অব ফেইম' এ অন্তর্ভুক্ত হন।
এ সময় সেনাবাহিনী প্রধানের সহধর্মিনীও উপস্থিত ছিলেন।
বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনের অধিকারী সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ২০ ডিসেম্বর ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ১৩ বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সাথে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে কোর অব ইনফেন্ট্রি'তে কমিশন লাভ করেন। উল্লেখ্য, তিনি গত ২৩ জুন ২০২৪ তারিখে ১৮তম সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্টডক; কমান্ড্যান্ট, ইবিআরসি; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন; এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল; কমান্ড্যান্ট, বিএমএ; সামরিক সচিবসহ সেনাসদর, চট্টগ্রাম সেনানিবাস এবং বিএমএ'র উর্ধ্বতন ও বিভিন্ন পদবীর সেনাকর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নগরীর
পতেঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো. সোহেল (৩৭) নামে এ যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) দিবাগর রাত ২টার দিকে চরপাড়া আম্বিয়া পেট্রোল পাম্পের বিপরীতে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
মো.
সোহেল ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহরেরে সেইলস কলোনী এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
পতেঙ্গা
থানা উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন বাংলানিউজকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় এ যুবকের মৃত্যু
হয়েছে।
খবর
পেয়ে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া
শেষে হাসপাতাল থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এই বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
এ বিষয়ে দায়িত্বরত (বিজিবি) কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ০২ প্লাটুন (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। ০১ প্লাটুন হাসপাতালের গেটে দায়িত্ব পালন করছে। আরেক প্লাটুন টহলে রয়েছে।’
গত সোমবার রাতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা ও দলীয় নেতা–কর্মীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ব্যারিকেড বসায়। তারপরও আজ (০৩ ডিসেম্বর) বুধবার সকাল থেকেই হাসপাতালের সামনে নানা এলাকা থেকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী এসে জড়ো হয়েছেন। ব্যারিকেডের বাইরে নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করছেন তারা। হাসপাতালের সামনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেকে বলেন, ভিড় এড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু তাদের মন সায় দেয়নি। উদ্বেগ আর টানাপোড়েন সামলে তারা ছুটে এসেছেন হাসপাতালে।
উল্লেখ্য, ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেদিন তার অনেক শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছিল। দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার চিকিৎসা শুরু হয়। অবস্থার অবনতি হলে ০২ দিন আগে তাকে হাসপাতালের কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ০২ মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ০২ বছরের বেশি সময় তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন সরকার নির্বাহী আদেশে তার সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। এরপর ০৬ মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। যদিও চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ যেতে দেওয়া হয়নি।
মন্তব্য করুন


চাঁদাবাজিতে জড়িতদের সেই পথ ছেড়ে সৎ জীবনে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, চাঁদাবাজি ভিক্ষার থেকেও ঘৃণ্য কাজ এবং কোনো অবস্থাতেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই জনসভা থেকে তিনি বিশেষভাবে তাদের প্রতি অনুরোধ জানাতে চান, যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত—তারা যেন অবিলম্বে এ পথ ত্যাগ করে সঠিক পথে ফিরে আসে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, হালাল উপার্জনের সুযোগ তৈরি করতে জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য—দেশে এখন এমন একটি কাজ রয়েছে, যেটাকে কেউ কেউ পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে, আর সেই পেশার নাম হচ্ছে চাঁদাবাজি।
জনসভায় উপস্থিত মানুষদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কেউ কি চাঁদাবাজের ভাই, বাবা, সন্তান, স্বামী-স্ত্রী, মা বা বোন হিসেবে পরিচিত হতে চায়? উপস্থিত জনতার কাছ থেকে তিনি এর কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি বলেও উল্লেখ করেন।
জামায়াত আমির স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যারা এই কাজ থেকে সরে আসবে না, তাদের ব্যাপারে দলের অবস্থান একেবারে পরিষ্কার—কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজির সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না। তিনি বলেন, এই অপকর্মকে তারা ঘৃণার চোখে দেখেন এবং এটি ভিক্ষার চেয়েও নিকৃষ্ট।
শেষে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ইনশাআল্লাহ, কোনো মায়ের সন্তানকে চাঁদাবাজিতে জড়াতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে দলের অবস্থান চূড়ান্ত এবং এতে কোনো আবেগ বা নাটক নেই—সবকিছুই স্পষ্ট।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।
কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


পূর্ব
ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে চালু হচ্ছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি
রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম। এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কে নতুন যুক্ত হওয়া অবৈধ হ্যান্ডসেটগুলো
বন্ধের প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে। এর আগে, এনইআইআর চালুর কার্যক্রম পিছিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রীত বা স্টকে
থাকা ফোনের তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। গতকাল; বছরের
শেষ দিনে সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে।
বিটিআরসি
চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেন, বর্তমানে নেটওয়ার্কে সচল থাকা
অনুমোদিত বা অননুমোদিত কোনো হ্যান্ডসেটই বন্ধ করা হবে না। এমনকি ব্যবসায়ীদের কাছে থাকা
অবিক্রীত যেসব হ্যান্ডসেটের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি)
তালিকা বিটিআরসিতে জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও বন্ধ হবে না। শুধু নতুন যেসব ফোন নেটওয়ার্কে
যুক্ত হবে, সেগুলোই এই প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে।
নতুন
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রবাসীরা তাদের ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি দুটি নতুন হ্যান্ডসেট দেশে
আনতে পারবেন। আর সেসব ফোন এনইআইআরে নিবন্ধনের জন্য তিন মাসের সময় পাবেন তারা। এই তিন
মাস হ্যান্ডসেটগুলো সচল থাকবে। ভ্রমণসংক্রান্ত নথিপত্র দিয়ে এসব ফোন এনইআইআরে নিবন্ধন
করা যাবে।
এদিকে
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব
বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ যদি বৃহস্পতিবার হ্যান্ডসেট আমদানি ও উৎপাদন শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত
নেয়, তবেই এনইআইআর চালু হবে। এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর অবৈধ হ্যান্ডসেট বা ‘গ্রে মার্কেট’–এর
ফোন বন্ধের প্রতিবাদে রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন বিক্রেতারা।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এনইআইআর চালুর কার্যক্রম তিন মাসের জন্য
পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে, বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, তিন মাস পেছানোর
ওই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
বিটিআরসি
বলছে, অবৈধ হ্যান্ডসেট রোধ, চুরি হওয়া ফোন বন্ধ এবং মোবাইল বাজারের বিশৃঙ্খলা দূর করতেই
এনইআইআর চালু করা হচ্ছে। কারিগরিভাবে এনইআইআর মূলত আইএমইআই, সিম নম্বর ও আইএমএসআই
(ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি)— এই তিনটি বিষয় যাচাই করে নেটওয়ার্ক
সচল রাখে। এটি কোনো কল রেকর্ড করে না, মেসেজ পড়ে না কিংবা ইন্টারনেট কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ
করে না। তবে, এনইআইআর একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে ডিভাইস ও সিমকে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত করায়
নজরদারির উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এনইআইআর নিজে নজরদারির হাতিয়ার না হলেও সুরক্ষা
ব্যবস্থা দুর্বল হলে এটি নজরদারির সুযোগ তৈরি করতে পারে।
ভারত,
পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতেও চুরি হওয়া ফোন বন্ধে একই ধরনের
ব্যবস্থা চালু আছে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, এনইআইআর ডিজিটাল অর্থনীতিতে জালিয়াতি রোধ
করতে পারে। তবে সমালোচকদের মতে, এর বৈধতা নির্ভর করবে কঠোর আইনি তদারকি, স্বচ্ছতা,
যৌক্তিকতা এবং গোপনীয়তা সুরক্ষার ওপর। ফয়েজ আহমদ তৈয়ব আরও জানান, গত ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা
পরিষদে অনুমোদিত সংশোধিত টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় বিধান রাখা
হয়েছে। তিনি বলেন, সিম ও ডিভাইস নিবন্ধনের মাধ্যমে নাগরিকদের নজরদারি বা হয়রানি নিষিদ্ধ
করে একটি ধারা অধ্যাদেশে যুক্ত করা হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে বা লঙ্ঘন করলে তা শাস্তিযোগ্য
অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এবার দেখা যেতে পারে হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ পর্বে—এমন সম্ভাবনা ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।আন্তর্জাতিক বিনোদনভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর বরাতে জানা যায়, ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজে ডোমিনিক টোরেটো চরিত্রে পরিচিত অভিনেতা ভিন ডিজেল সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রোনালদোর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন। আর এই পোস্ট ঘিরেই নতুন করে জল্পনার সূত্রপাত।প্রথমে দেওয়া ক্যাপশনে ভিন ডিজেল উল্লেখ করেন, এক সময় রোনালদোর জন্য একটি চরিত্র লেখার পরিকল্পনা ছিল। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর সিক্যুয়েল ‘লস বানডোলেরস’-এ তার অভিনয়ের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।তবে বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়, যখন ভক্তরা লক্ষ্য করেন—ভিন ডিজেল পরবর্তীতে ওই পোস্টের ক্যাপশন পরিবর্তন করেছেন। সংশোধিত ক্যাপশনে অভিনেতা লেখেন, অনেকেই জানতে চেয়েছেন রোনালদো কি ‘ফাস্ট’ ইউনিভার্সের অংশ হতে চলেছেন? জবাবে তিনি শুধু বলেন, রোনালদো একজন বাস্তব মানুষ এবং তার জন্য একটি চরিত্র তৈরি করা হয়েছিল।এই সামান্য পরিবর্তনই ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। কমেন্ট সেকশনে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই ধারণা করছেন, অবশেষে কি হলিউডের এই আইকনিক অ্যাকশন সিরিজে অভিষেক হতে যাচ্ছে ফুটবল সুপারস্টার রোনালদোর?বিশেষ করে ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’ নিয়ে এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। কারণ শোনা যাচ্ছে, এই সিনেমাটিই হতে পারে দীর্ঘদিন ধরে চলা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির শেষ অধ্যায়। যদিও এখন পর্যন্ত রোনালদোর অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।ভক্তদের কেউ কেউ কল্পনা করছেন, রোনালদো কোন ধরনের চরিত্রে দেখা যেতে পারেন। বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই ইতিবাচক, এবং তাকে বড় পর্দার এই জনপ্রিয় অ্যাকশন সিরিজে দেখার আগ্রহ স্পষ্ট।এদিকে জানা গেছে, ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’-এ ভিন ডিজেলের পাশাপাশি ফিরতে পারেন ডোয়াইন জনসন (হবস), জেসন মোমোয়া (ডান্তে রেয়েস) এবং জেসন স্ট্যাথাম (ডেকার্ড শ)। এমনকি প্রয়াত অভিনেতা পল ওয়াকারকে ব্রায়ান ও’কনার চরিত্রে কোনোভাবে গল্পে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে—যদিও সেটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা সবাই আমার মা’র
জন্য দোয়া করবেন।
তারেক
রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম
খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’
তিনি
বলেন, ‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা,
বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক
পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’
‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী
মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার,
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক;
এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা
জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের
শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস,
সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।’
তিনি
বলেন, ‘দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের
মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ
ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর
আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ রোববার
(১৬ নভেম্বর) ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী সব দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি
বাসভবন যমুনায় ট্রফিটি তিনি উন্মোচন করেন।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নারী কাবাডি টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো।
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন
করছে। টুর্নামেন্টটি ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর
স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে কেবল টুর্নামেন্ট শুরুর
বার্তা নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীদের ক্রীড়াচর্চার প্রচারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান
নেতৃত্বকেও উদ্যাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. ইউনূস ঢাকায় বিশ্বকাপ আয়োজনের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, অনুপ্রেরণামূলক এবং বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সব দলকে তিনি স্বাগত জানান
এবং আয়োজন সফল করার জন্য আয়োজক, ক্রীড়াবিদ এবং অংশীদারদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
এ বছরের নারী কাবাডি বিশ্বকাপে বিশ্বব্যাপী ক্রীড়ানুরাগীরা
একত্রিত হচ্ছেন এবং শীর্ষ জাতীয় দলগুলো আট দিনের তীব্র প্রতিযোগিতা ছাড়াও সংস্কৃতি
বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন
যে, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে, সরবরাহ, নিরাপত্তা, দলের থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকদের
অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা রয়েছে।
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন, প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। এছাড়া নিরাপত্তা, দলগুলোর থাকার ব্যবস্থা এবং দর্শকের অংশগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।
টুর্নামেন্টটি আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল উদ্বোধন করা
হবে এবং ২৪ নভেম্বর ফাইনাল পর্যন্ত প্রতিদিন ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সরকার সক্রিয়ভাবে নারী ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করেছে এবং প্রতিযোগিতামূলক খেলায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে। নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য দেশের জন্য গর্বের বিষয় এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।
মন্তব্য করুন


আগামী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসকে অবহিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ
রোববার ( ০৭ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমিশনারগণ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে
সাক্ষাৎ করে নির্বাচন আয়োজনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত
ছিলেন।
জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন
মিয়াও বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকে সিইসি নাসির উদ্দিন জানান, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সব
ধরনের প্রস্তুতি সঠিক ও সুন্দরভাবে এগোচ্ছে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন
ও একই দিনে গণভোট আয়োজনের জন্য কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রস্তুতিকালে ইসিকে পূর্ণ
সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন
কমিশনাররা।
নির্বাচনের
প্রস্তুতিকালে সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও
প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে ধন্যবাদ জানান।
তিনি
বলেন, ইতোমধ্যে নাগরিকরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছেন, যা দেশে নির্বাচনী
আমেজ সৃষ্টি করেছে।
এ
সময় নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সুষ্ঠু
ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে
সরকার।’
তিনি
বলেন, ‘জাতির জন্য প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে আপনারা (ইসি) চালকের আসনে আছেন। আমাদেরকে
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতেই হবে।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতিকে আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয়ে
এগিয়ে চলছি।
মন্তব্য করুন