

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, মাদক ও নগদ টাকাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৩টা থেকে হাইজাদি ইউনিয়নের ধন্দি ভিটি কামালদি এলাকার পাশে মুন্সীগঞ্জ সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে আড়াইহাজার সেনা ক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ক্যাপ্টেন তৌফিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন—ধন্দি ভিটি কামালদি এলাকার নাঈম (৩৮), প্রভাকরদি এলাকার রুবেল ভূঁইয়া (৩৩), একই এলাকার সুমন (৩০) এবং রুনা আক্তার (৩৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাঈমের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার ঘর থেকে দুটি অবৈধ পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি, ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ১০৫ পিস ইয়াবা এবং ১৪-১৫টি দা, ছুরি ও চাকুসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন জানান, উদ্ধার করা অস্ত্র, মাদক ও নগদ টাকার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইংরেজি
নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
আজ
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে
বলা হয়েছে, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে
হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়াও ফানুস উড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও
জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম
দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ৬ মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে
পারে। ইংরেজি নববর্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস উড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে
ঢাকার ক্লাবগুলোতে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। জনস্বার্থের
জন্য ক্ষতিকর এ কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হলো।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের কাছে অর্থ সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ উপলক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বিকেএমইএ ঢাকা কার্যালয়ে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম, এ কে এইচ আখতার হোসেন এবং আরিফুল ইসলাম আদিব।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, এ দেশের আপামর জনসাধারণের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন একটি বৈষম্যবিরোধী সমাজ প্রতিষ্ঠার। এর জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তারা আমাদের মাঝেই বেঁচে থাকবেন। আর যারা আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি সবার এগিয়ে আসা উচিত। এ কাজে একাত্ম হতে পেরে আমরা আনন্দিত।
বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, আহতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থ সহায়তাই শেষ কথা নয়। এক্ষেত্রে মেধা, শ্রম, সর্বোপরি সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আজকের এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ, সহ-সভাপতি (অর্থ) মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, সাবেক সহ-সভাপতি মাসুদুজ্জামান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেছেন।
একই সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ডও অবমুক্ত করেন তিনি।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এগুলো অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান ও ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম. শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টাকে একটি স্মারক ডাক বাক্স ও ‘ন্যাচারাল বিউটি অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ’শীর্ষক একট বই উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ রৌমারী ( কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলারয় শীতার্ত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। এ প্রচণ্ড শীতের মধ্যে চরাঞ্চলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উষ্ণতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার সকাল ১১টার দিকে রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী ইউনিয়নের খেদাইমারী এলাকায় অবস্থিত বায়তুল ক্বারার গোলাম হাবিব শিশু সদন প্রাঙ্গণে এই শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। খেদাইমারী বায়তুল ক্বারার গোলাম হাবিব শিশু সদন প্রতিষ্ঠান কার্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এসব শীত বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলাউদ্দিন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রৌমারী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেন, শিশু সদনের শিক্ষকবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন বলেন, “শীত মৌসুমে দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষ বিশেষ করে চরাঞ্চলের শিশুদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি হয়। শীতজনিত রোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করতে এবং তাদের পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নিচ্ছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে সরকার সবসময় সচেষ্ট। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান শীত মৌসুমে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ শীতপ্রধান বিভিন্ন এলাকায় শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। অনেক দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবার শীতবস্ত্রের অভাবে কঠিন সময় পার করছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাই শীতের এই সময় শিশুদের জন্য উষ্ণতার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।
কম্বল পেয়ে শিশু শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে জানায়, তারা খুবই আনন্দিত। এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা অনেক খুশি। কম্বল পেয়ে শীতে আমাদের কষ্ট কম হবে।” আরেক শিক্ষার্থী জানায়, “এবারই প্রথম আমরা সরকারি ভাবে কম্বল সহায়তা পেলাম। আগে কখনো এভাবে পাইনি।”
শিশুরা আরও বলেন, “প্রতি বছর যদি সরকারি ভাবে আমাদের কম্বল দিয়ে সহযোগিতা করা হয়, তাহলে শীতের সময় আমাদের পড়াশোনা করতে সুবিধা হবে। আমরা আল্লাহর কাছে এটাই আশা করি।”
এ ধরনের উদ্যোগ শীতার্ত শিশুদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে এবং মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


আগামীতে আইনকানুন এবং সংস্কারের মাধ্যমে
নির্বাচনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কেউ জিতলে পরাজিত
বা অন্যরা আর সন্দেহ করবে না। ভাববে না যে, কলকাঠি নেড়ে কাউকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার (ফেব্রুয়ারি ১৫) রাজধানীর
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনি এসব কথা
বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন বাংলাদেশ
মানে নতুন নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠন হবে তার ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন
তুলবে না। সেটার ব্যাপারে আইনকানুন সবার জানা থাকবে, এটা নড়চড় করার উপায় কারো থাকবে
না। আইনকানুন বানানোর পরে সেটা নড়চড় করার সুযোগ থাকবে না সেজন্যই এত বড় কমিশন করতে
হয়েছে। এই যে আইনকানুন, নীতিমালা বানিয়ে দেব। একবার বানিয়ে দিলে তারপর থেকে চলতে থাকবে।
একটা ট্র্যান্সপারেন্ট খেলা হবে। খেলায় জিতলে কেউ সন্দেহ করবে না যে কেউ জিতিয়ে দিয়েছে।
এতো ট্রান্সপারেন্ট যে, কেউ সন্দেহ করবে না।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এখন
যে খেলা চলছে, ঠিকমতো জিতলেও সন্দেহ করে। বলে কিছু একটা কলকাঠি নেড়ে করেছে। এই কলকাঠি
নাড়ার বিষয়টি আমাদের মনের ভেতর গেঁথে গেছে। কলকাঠি ছাড়া যে দেশ একটা নিয়মে চলতে পারে
সেটা আমরা ভুলে গেছি।
সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি
বলেন, এটা সবার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন আমরা এমন মজবুতভাবে বানাব যা সবাই মেনে চলবে। এই
মেনে চলার মাধ্যমে আমরা একটা সুন্দর সমাজ, সুন্দর রাষ্ট্র উপহার দিতে পারব। সেই উদ্দেশ্যেই
আজকের সভা।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রচণ্ড
সুযোগ এখন। সুযোগ এজন্যই যে, আমাদের মধ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি হলে আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে
পারি এমন পর্যায়ে আছি আমরা। একবার কাজে লাগালে সেটা বংশ, প্রজন্ম ও পরম্পরায় সেটা চলতে
থাকবে। একটা সুন্দর দেশ আমরা পাব। এই ভাবনা থেকেই আমরা এগুলো গ্রহণ করব।
অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন অধ্যায় শুরু
হয়েছে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস
বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো।
আলোচনাটা কত সুন্দর হবে, কত মসৃণ হবে সেটা আপনাদের ওপর নির্ভর করবে। আমাদের পক্ষ থেকে
আমরা সুপারিশগুলো উপস্থাপন করবো। কমিশনের সদস্যরা এখানে রয়েছেন এগুলো ব্যাখ্যা করার
জন্য, চাপিয়ে দেওয়ার জন্য না। চাপানোর ক্ষমতা আমাদের নাই। আমরা শুধু আপনাদের বোঝানোর
জন্য।
সংস্কার বাস্তবায়ন সবার দায়িত্ব উল্লেখ
করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আপনাদের সহযোগিতা চাই এটা বলব। কারণ, এটা
আপনাদের কাজ। এটা আমার কাজ না, একার কাজ না। যেহেতু আপনারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন
আপনাদের বলতে হবে সমাজের কল্যাণে কোন কোন জিনিস করতে হবে, কীভাবে করতে হবে। যেটা এক্ষুণি
করা যাবে বলবেন। যেটা এক্ষুণি করা দরকার, সামান্য রদবদল থাকলে সেটা করে দেন। আমরা শুধু
সাচিবিক কাজগুলো আপনাদের করে দিলাম। আমরা একটা লন্ডভন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব
নিয়েছি। চেষ্টা করেছি এটাকে কোনোরকমে সফল করতে। এই ৬ মাসের যে অভিজ্ঞতা সেটা আমাদের
সবাইকে প্রচণ্ড সাহস দেবে। এই ৬ মাসের অভিজ্ঞতা হলো, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ,
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ সবাই সমর্থন দিয়েছে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে।
কাজেই আমরা প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বে এলাম। ২য় পর্বে যেন আমরা আনন্দের সঙ্গে,
খুশি মনে সম্পন্ন করতে পারি।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম কুড়িগ্রাম , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সীমান্তে পারাপারের সময় গুলি ছুড়ে মিস্টার আলী নামের বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের খাটিয়ামারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১০৬২-১০৬৩ নম্বর সীমানা পিলার এলাকা থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় বিএসএফ।
রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক মিস্টার আলী (২৫) উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে ৮ থেকে ১০ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারিরা সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে কম্বল পারাপার করছিল। এ সময় ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর শাহপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলরত সদস্যরা গেট খুলে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে বাকিরা পালাতে পারলেও মিস্টার আলীকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধীন মোল্লাচর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কোমান্ডার ফখরউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে গেছে শুনেছি। তবে আমার এরিয়া থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায়নি। ওই ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে গেছে ১০৬৩ নম্বর পিলার থেকে।
রৌমারী সদর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন, গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি কাউকে ধরে নিয়ে গেছে কি না আমাদের বিজিবির টহলরত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে। তবে এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাতীয়তাবাদী
শক্তিকে ধ্বংস করতে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত চলছে।
তিনি
বলেন, একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, আজকে যে প্রচার হচ্ছে, অপপ্রচার হচ্ছে এর পেছনে কিন্তু
একেবারে সুনির্দিষ্ট চক্রান্ত রয়েছে।সেই চক্রান্তের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী
শক্তিকে ধবংস করে দেওয়া।
আজ
রোববার (১৩ জুলাই) গুলশানে হোটেল লেকশোরে ‘তারেক রহমান: দ্যা হোপ অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক
সংকলিত গ্রন্থের প্রকাশনা উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
এ কথা বলেন। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল।
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, চক্রান্ত হচ্ছে যে, নেতা হিসেবে যিনি উঠে আসছেন, যার একটা সম্ভাবনা দেখা
দিয়েছে সেই তারেক রহমান সাহেবকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া, তাকে খারাপ জায়গায় ফেলে দেয়ার
চেষ্টা করা।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদকে তিনি
সকল যুক্তি, তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের
শুরুতে তিনি ভাষণ দেন।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ফ্যাসিবাদের নির্মমতার শিকার অসংখ্য মানুষের কান্না ও হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের
মধ্য দিয়ে আবারও জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিত্বশীল
জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের রাজনীতির এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে
শুকরিয়া আদায় করছেন, যার অশেষ রহমতে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ
প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন যাত্রা শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা
রক্ষার সংগ্রাম পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রালগ্নে তিনি তাঁদের কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি
বলেন, এসব আন্দোলন-সংগ্রামে যেসব মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন, যেসব সন্তান তাঁদের প্রিয়জন
হারিয়েছেন, যেসব পরিবার স্বজন হারিয়েছে এবং যেসব আহত মানুষ স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছেন,
তাঁদের অবদান তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি
আরও বলেন, নির্যাতন, নিপীড়ন, রাজনৈতিক হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে যারা সর্বস্ব
হারিয়েছেন, দেশের ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসক,
প্রকৌশলী, আইনজীবী, কামার-কুমার, জেলে-তাঁতি, গাড়িচালক, ব্যবসায়ী, সরকারি-বেসরকারি
চাকরিজীবী, গৃহিণীসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ যারা গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন
এবং মিথ্যা হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন কিংবা জীবন্ত মানুষ কবরস্থানের মতো বর্বর বন্দিশালা
‘আয়নাঘর’-এর মতো পরিস্থিতির মধ্যেও যাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে
রুখে দেওয়া যায়নি, তাদের সাহসী ভূমিকায় দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই যাত্রালগ্নে দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতান্ত্রিক বীর ছাত্র-জনতাকে
অভিনন্দন জানান।
ভাষণে
তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে সেই গণতন্ত্রকে
প্রহসনে পরিণত করে জাতীয় সংসদকে হাস্যরসের খোরাকে পরিণত এবং দেশে তাঁবেদারি শাসন-শোষণ
কায়েম করা হয়।তিনি বলেন, দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য
বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন এবং জীবনে কখনো স্বৈরাচার কিংবা
ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। আজ থেকে দেশে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত সংসদীয় গণতন্ত্রের
যাত্রা শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, সংসদীয় রাজনীতির প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জনগণের এই সাফল্যের মুহূর্তটি
দেখে যেতে পারেননি। তাই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে আপসহীন নেতৃত্বের
অধিকারী, স্মরণীয় ও অনুকরণীয় রাজনীতিবিদ মরহুমা খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে
স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান বলেছিলেন—‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি
সেই দলেই আছি’। অর্থাৎ ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নয়, জনগণের স্বার্থই
সবচেয়ে বড়—এটাই বিএনপির রাজনীতি।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, তিনি প্রথমবারের মতো বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য এবং সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত
হয়েছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি
দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব
করছেন।
তিনি
বলেন, তাঁর রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি। বিএনপির রাজনীতি জনগণের জীবনমান
উন্নয়ন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রাজনীতি। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই তাঁদের
রাজনীতির লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমেই বিএনপি একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ
ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গণতান্ত্রিক জনগণের
সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা এবং জাতীয় সংসদের সকল দলের নির্বাচিত সদস্যদের সমর্থন প্রত্যাশা
করেন।
তিনি
বলেন, দল বা মত কিংবা কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত,
স্বাধীন, সার্বভৌম, নিরাপদ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো বিরোধ থাকতে
পারে না।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, জাতীয় সংসদকে জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু না করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার
সংসদকে অকার্যকর করে ফেলেছিল।
তিনি
বলেন, নতুন সংসদের যাত্রা শুরু করার সময় সংসদের সাবেক স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার
উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও পতিত ও পরাজিত সরকারের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট
জনরোষের ফলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ কিংবা কেউ পলাতক
রয়েছে।
তিনি
বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী ও তাঁবেদারি শাসন-শোষণের পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত
প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বিশেষ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
এমন
পরিস্থিতিতে সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির বিধান অনুসরণ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে
সভাপতিত্ব করার জন্য তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও পাঁচবারের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য
খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন।
তিনি
বলেন, সংসদীয় রীতিনীতির ইতিহাসে এ ধরনের পরিস্থিতি নজিরবিহীন নয়। ১৯৭৩ সালে তৎকালীন
প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ওই সংসদের সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের
নাম প্রস্তাব করেছিলেন এবং তার সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু
হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


মরক্কোর উপকূলীয় শহর সাফিতে হঠাৎ সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৩৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রবিবার ভারী বর্ষণের ফলে এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, রাজধানী রাবাত থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত সাফি শহরের প্রধান সড়কগুলো কাদাপানিতে ডুবে গেছে। অনেক এলাকায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শহরের ঐতিহাসিক পুরোনো অংশে অন্তত ৭০টি বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। আটলান্টিক উপকূলবর্তী এই বন্দর শহরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী একাধিক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিভিন্ন রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র এক ঘণ্টার প্রবল বর্ষণই সাফি শহরের স্বাভাবিক চিত্র বদলে দিয়েছে। হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বাধ্য হন।
এদিকে, মরক্কোর আবহাওয়া অফিস মঙ্গলবার দেশজুড়ে আরও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, টানা সাত বছর ধরে মারাত্মক খরার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মরক্কো। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের শুষ্কতার কারণে মাটি পানি শোষণ করতে না পারায় অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিই দ্রুত বন্যায় রূপ নিচ্ছে।
পরিবেশবিদরা একে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব হিসেবে দেখছেন। শুষ্ক ও শক্ত মাটির কারণে হঠাৎ বৃষ্টিপাত ভয়াবহ বন্যার জন্ম দিচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার স্পষ্ট ইঙ্গিত।
মরক্কোর আবহাওয়া অধিদফতরের জেনারেল ডিরেক্টরেট (ডিজিএম) জানিয়েছে, ২০২৪ সাল দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। ওই বছর গড় বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ কম ছিল।
সাধারণত শরৎকালে মরক্কোয় তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন সেখানে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে, যা দেশটির জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


এবারের পূজা খুব ভালোভাবে হবে। কোনো ধরনের কোনো অসুবিধা হবে না। এ জন্য আপনাদেরও সহযোগিতা চাই। প্রতিবার তো পুলিশ ও আনসার সদস্য থাকে, এবারে বাড়তি র্যার, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। শিগগিরই বাজার একটি সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে মনে করেন তিনি। যদি কোনো সিন্ডিকেট থাকে, সেটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভেঙে দেবে।
কৃষিক্ষেত্রে উন্নতিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রশংসা করেন তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় আমাদের জনসংখ্যা ছিল সাত কোটি। এখন জনসংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু আবাদযোগ্য ভূমি কিন্তু বাড়েনি। মনে রাখতে হবে, দেশের উন্নতির জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা এই কৃষিক্ষেত্রের। কৃষির উন্নতির জন্য কাজ করছে এই ইনস্টিটিউট।’
এ সময় উপস্থিত
ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আবদুল্লাহ ইউছুব আখন্দ, কৃষি সচিব মো. এমদাদ উল্লাহ মিয়া, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন, পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন