

মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
কুয়ালালামপুরের অদূরে কেলাং এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় ও ডিংকেল এবং সারওয়াক রাজ্যে
পৃথক দুর্ঘটনায় জমির শেখ, জাফর আলম ও ফজলুর রহমান নামে তিন প্রবাসী বাংলাদেশী নিহত
হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে জমির শেখের দেশের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরে এবং জাফর আলমের
বাড়ি কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার হাজীরপাড়া ইউনিয়নের টাইংগাকাটা এলাকায়।
জানা
গেছে, জাফর আলম দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার কর্মরত
অবস্থায় ডিংকেল এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর
আহত হন তিনি। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে সহকর্মীরা জানান।
এদিকে,
শুক্রবার বিকেলে কেলাং মহাসড়কে একটি লরি যান্ত্রিক সমস্যার কারণে সড়কের মাঝখানে হঠাৎ
থেমে যায়। এরপর সেটিকে সহায়তা করতে আরও একটি লরি এবং একটি পিকআপ ভ্যান থেমে দাঁড়ায়।
ঠিক সেই সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা আরেকটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা
দেয় দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনগুলোকে। মুহূর্তেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ সংঘর্ষ।
এই
দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে একজন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক।
তিনি মালয়েশিয়ায় কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন বলে জানা গেছে। আরেকজন নিহত ব্যক্তি
ছিলেন স্থানীয় নাগরিক। এছাড়া আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পুলিশ
ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতির কারণেই
এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে। নিহত প্রবাসী জমির শেখের দেশের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার
মহেশপুরে। এদিকে, সারাওয়াক প্রদেশের বিনতাংর এলাকার মেরাদং-এ লরির ধাক্কায় সেতু নির্মাণ
শ্রমিক মো. ফজলুর রহমান (৪০) নামে এক বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
মেরাডং
জেলা পুলিশ প্রধান, ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট তানস্লী মেরিং নিশ্চিত করেছেন যে, নিহত
মো. ফজলুর রহমান (৪০) মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে ঘটনাস্থলেই মারা যান। প্রাথমিক তদন্তে
জানা গেছে যে, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনাটি ঘটে যখন লরিটি ঘটনাস্থলের
দিকে আসার সময় নিহত ব্যক্তি হঠাৎ রাস্তার বাম পাশ থেকে পার হচ্ছিলেন বলে ধারণা করা
হচ্ছে।
তিনি
বলেন, সেমপ থেকে সিবুর দিকে আসা লরির চালক দূরত্ব খুব কম থাকায় দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য
যথেষ্ট সময় পাননি। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সারিকাই হাসপাতালে পাঠানো
হয়েছে এবং বাংলাদেশ দূতাবাসকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাটে উৎসুক মানুষের আকর্ষণ বাড়াতে এক খামারি তার
কোরবানির গরুর নাম রেখেছেন ‘নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী’। গরুটি নাকি অনেক বেশি চিৎকার করে
(চিল্লাই) এবং প্রচুর খাবার খায়; আর এই স্বভাবের কারণেই মালিক শখ করে গরুটির এমন নাম
রেখেছেন।
রোববার
(২৪ মে) গরুটি ও তার মালিকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি
আলোচনা উঠে আসে। এরইমধ্যে কালো রঙের এই বিশাল আকৃতির গরুটি দেখতে কোরবানির হাটে উৎসুক
মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, গরুর মালিক কোরবানির হাটে দাঁড়িয়ে গরুটির নামকরণের কারণ ব্যাখ্যা
করছেন।
তিনি
বলেন, ‘এটার (গরু) নাম রাখছি নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী! অনেক চিল্লায় দেখে এ কারণে এই নাম
রাখছি। এই খাওয়ার জন্যই আরও অতিরিক্ত চিল্লায়, খাওয়া কম পড়লেই চিল্লাইতে থাকে।’
গরুটির
খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে মালিক আরও জানান, বিশালাকৃতির এই কালো ষাঁড়টি এক চুমুকেই প্রায়
১২ কেজি চালের জাউ খেয়ে ফেলে। এছাড়া প্রতিদিন নিয়মিত ঘাস ও খড় তো দিতেই হয়। আপাতত কোরবানির
এই গরুটির দাম হাঁকা হচ্ছে ৯ লাখ টাকা। ৯ লাখ টাকা দাম হলে ‘নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী’
নামের এই গরুটি বিক্রি করে দেবেন বলে জানান খামারি।
ভিডিওটি
ভাইরাল হওয়ার পর ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে নানামুখী রসাত্মক ও কৌতূহলী প্রতিক্রিয়ার
সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ভিডিওর কমেন্ট বক্সে মজার মজার মন্তব্য করছেন।
খোরশেদ
আলম নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এখন ঠিক আছে, এর নাম শুনে গরু রাগ করবে
না তো!’
আবার
হিরণ আলী নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ফিড বেশি খাওয়ানো হইছে, তাই অস্থিরতার কারণে চিল্লায়।’
অন্যদিকে
মো. মহসিন হোসেন লিখেছেন, ‘খুব সুন্দর একটা নাম।’
আর
সাব্বির আহমেদ প্রতীক নামে আরেকজন ব্যবহারকারী কিছুটা রসিকতা করে লিখেছেন, ‘পাটোয়ারীর
শেষ রক্ষা হলো না।’
ঈদের
আগে হাটের এই বিচিত্র নামকরণ ও ভাইরাল ভিডিওটি নেটিজেনদের বেশ বিনোদন জোগাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


অবশেষে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন
একসময়ের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।
নিজের পদোন্নতির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সারওয়ার আলম নিজেই জানিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, তিনবার বঞ্চিত
হওয়ার পর আজ উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ্। সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর
যিনি সর্বোত্তম ফয়সালাকারী।
২০২১ সালের ৭ মার্চ প্রশাসনের ৩৩৭ জন
সিনিয়র সহকারী সচিবকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার। কিন্তু পদোন্নতিবঞ্চিত হন ২৭তম
বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের আলোচিত এ কর্মকর্তা।
বিসিএস ২৭তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডার
হিসেবে ২০০৮ সালের নভেম্বরে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন সারোয়ার আলম। ২০১৪ সালের ১ জুন
সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। সে অনুযায়ী এ পদে প্রায় সাত বছরসহ মোট
১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে কর্মরত থাকলেও সেসময় পদোন্নতিবঞ্চিত
হন সারওয়ার আলম।
২০২২ সালে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার
কারণে তিরস্কার সূচক লঘুদণ্ডের শাস্তি পেয়েছিলেন সেসময়ের র্যাবের আলোচিত এ নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট। এর আগে ২০২১ সালের ৩০ জুন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয় এবং তার কাছে
কৈফিয়ত তলব করা হয়। তবে সারওয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনো লিখিত বক্তব্য দেননি।
তার পদোন্নতি না পাওয়ার ঘটনাটি ওই সময়ের
বেশ আলোচিত বিষয় ছিল। তখন মো. সারওয়ার আলম বলেছিলেন, আমার পদোন্নতি না হওয়ার বিষয়টি
বিশ্বাস করতে পারছেন না বলে অনেক সরকারি কর্মকর্তা আমাকে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তারা
অবাক হয়েছেন। তবে এটাই বাস্তবতা।
এদিকে আজ (মঙ্গলবার) সারোয়ার আলমসহ
উপসচিব পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেয়েছেন ১১৭ কর্মকর্তা।
সারওয়ার আলম ২৭তম বিসিএসে ক্যাডার সার্ভিসে
যোগদান করেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যা বিভাগে পড়াশোনা শেষ
করেন। ছয় ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় সারওয়ার।
সৎ ও মেধাবী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত
পাওয়া সারওয়ার আলম র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র্যাব) যোগদানের পর থেকে সব সময়
আলোচিত ছিলেন। কর্মদক্ষতা আর নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে গেছেন বারংবার। ব্যক্তিস্বার্থ নয়,
বরং তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন দেশ ও জনগণের স্বার্থকে। স্বার্থান্বেষী মহল তার কাজে অসন্তুষ্ট
থাকলেও জনগণ তাকে অফুরান ভালোবাসা দিয়ে বরণ করে নিয়েছে।
১৯৮৩ সালে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাড়ির
পাশের ইসমাইল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। ১৯৯৩ সালে পাকুন্দিয়া পাইলট
উচ্চবিদ্যালয় (বর্তমান পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম
বিভাগ পেয়ে ভর্তি হয় কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজে।
১৯৯৫ সালে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি
কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন প্রাণিবিদ্যা
বিভাগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর
পাস করেন তিনি। সারওয়ার আলম ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দেন প্রশাসনে।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া অভিযান চালানোর অধিকার কারও নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।
রমজানে বাজার অস্থিতিশীল না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
মহাসড়কে যেসব জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেসব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘রমজান ও ঈদ ঘিরে ডাকাতি আর ছিনতাই রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মব হচ্ছে এটা অস্বীকার করব না। জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে তো চলবে না।’
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মব প্রতিরোধে কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া কারও অধিকার নেই অভিযান চালানো।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের উদ্যোগে কুমিল্লা জেলা দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ম্যাচ অফিসিয়ালদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের অফিসিয়াল জার্সি উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে জার্সি বিতরণ করেন লন্ডনপ্রবাসী কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের কর্ণধার আমিনুল ইসলাম সিহান। পরে অতিথি ও খেলোয়াড়রা একসঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আমিনুল ইসলাম সিহানের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, প্রবাসে অবস্থান করেও নিজ জেলার ক্রিকেট ও খেলোয়াড়দের প্রতি তার আন্তরিকতা প্রশংসনীয়। কুমিল্লার ক্রিকেটের উন্নয়নে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এ সময় সিহানের বাবা ও ক্রীড়া সংগঠক মো. হাসান বলেন, “আমি চেয়েছিলাম আমার একটি সন্তান ক্রিকেটার হোক। সিহান আমার সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে। ছোটবেলা থেকেই তার খেলাধুলার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল, যা আজ কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের মাধ্যমে বাস্তব রূপ পেয়েছে।”
আমিনুল ইসলাম সিহান বলেন, “জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই আয়োজন আমাকে সম্মানিত করেছে। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স সবসময় কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও জেলার ক্রিকেটারদের পাশে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জাতীয় ক্রিকেট কোচ এমদাদুল হক ইমদু। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিসিবির সাবেক পরিচালক বদরুল হুদা জেনু।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার তারিকুল ইসলাম ওশী, সাবেক ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটার, আম্পায়ার ও জেলা ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ফখরুল আলম উল্লাস, জেলা ক্রিকেট কোচ হাবিব মোবাল্লেগ জেমস, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক ক্রিকেটার আলামিন ভুঁইয়া, ক্রীড়া সংগঠক মো. হাসান এবং জেলা ক্রিকেট দলের কোচ মানিক কুমার দাসসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব।
মন্তব্য করুন


ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার আগে নিজ বাসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে
যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো.
সাজ্জাত আলী।
আজ শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ
সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
পুলিশের জনবলের স্বল্পতা থাকার তথ্য জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এক
সপ্তাহ পর ঢাকাবাসীর অনেকে নিকটাত্মীয়র সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামে যাবেন। আপনারা যখন
বাড়ি যাবেন, তখন নিজ দায়িত্বে ফ্ল্যাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করে যাবেন। আজ শনিবার ৭ রমজান। তারাবিহ সাতটি হয়ে গেছে। ঢাকাবাসী তারাবিহর নামাজ
পড়তে যান। দেড় থেকে দুই ঘণ্টা তারাবিহতে সময় লাগে। সে সময়টায় রাস্তাঘাটে জনশূন্যতা
দেখা যায়। এ সময় বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান সযত্নে রেখে আসবেন। নগরীর যে ক্রাইম, সেটি
হচ্ছে স্ট্রিট ক্রাইম। মুঠোফোন টান দেওয়ার মতো সহজ কোনো ক্রাইম করা যায় কি না,
জানি না। পকেট থেকে মানিব্যাগ টান দেওয়া কিন্তু ঝুঁকি। এমনও মুঠোফোন আছে, যার দাম
লাখ টাকা। আমরা খবর পাচ্ছি, মুঠোফোনগুলো বর্ডারে নিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘উঠতি বয়সের ছেলেরা, আমরা যাদের কিশোর গ্যাং বলি, তারা
বাসের যাত্রী, প্রাইভেট কারের যাত্রী, মোটরবাইকের চালকদের মুঠোফোন কেড়ে নেয়। এ
ধরনের অপরাধকে বলা হয় স্ট্রিট ক্রাইম। ঢাকা শহর পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর।
এই শহরে নানা সমস্যা আছে। ইদানীং ঢাকা মহানগরীতে বড় ধরনের অপরাধ খুন, ডাকাতির মতো
অপরাধের সংখ্যা খুবই কম। বিগত বছরের পরিসংখ্যান দেখলে অথবা অন্য দেশের বড় বড় শহরের
অপরাধের চিত্রের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ঢাকা শহরের
অপরাধের চিত্র কম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যোগে যাকাত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(৬ মার্চ) বিকাল ৪ টায় নগরীর গোল্ডেন স্পুন অডিটরিয়ামে মহানগর জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ড.আবরার আহমেদ।বিশেষ আলোচক হিসাবে আলোচনা করেন ড.মাসুদুল হক চৌধুরী,আড়াইবাড়ী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতী আমিনুল ইসলাম।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমান এর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন,মহানগর জামায়াতে নায়েবে আমীর যথাক্রমে মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন,অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন,মহানগর জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী,অধ্যাপক মজিবুর রহমান,কাজী নজীর আহম্মেদ,অধ্যাপক জাকির হোসেন,কাজী মোতাহের আলী দিলাল প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। আল্লাহতাআলার আইন দিয়ে দেশ না চললে কেউ সুখ শান্তি পাবে না। এখানে চুরি, হত্যা রাহাজানিসহ যতধরনের অপকর্ম চলতে থাকবে। ইসলাম মানেই সুবিচার, ইসলাম মানলেই সুবিচার হবে। ইসলাম যতদিন না থাকবে কোথাও সুবিচার কায়েম হবে না। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমেই সমাজের সকল স্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ, রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগ চালাবে না তারা কাফের, ফাসেক ও জালেম।
সেমিনার সম্মিলিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার করার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


জাবিতে
(জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়) এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার
অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার
(১২ মে) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন সড়কে এই ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের
মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী
শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা জানান, রাত ১১টার দিকে ওই শিক্ষার্থী রাস্তা দিয়ে একা যাচ্ছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পেছন থেকে তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন
এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই শিক্ষার্থীর গতিরোধ করেন।
শিক্ষার্থী
তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম ব্যাচের ছাত্র এবং
পাশের ‘বিশমাইল’ এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন।
কথা
বলার মাঝপথেই আচমকা কাপড় দিয়ে ভুক্তভোগীর গলা পেঁচিয়ে তাঁকে সড়কের পাশে অন্ধকার স্থানে
নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। শিক্ষার্থীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত
ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে
নিয়ে যান।
বিশ্ববিদ্যালয়
চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তানভীর হোসেন জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে
প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত হলেও
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
ঘটনার
পর রাত ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা কার্যালয়ে প্রক্টোরিয়াল বডি, জাকসু
নেতৃবৃন্দ এবং নারী শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেন।
ফুটেজে
একজন ব্যক্তিকে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তবে অন্ধকারের কারণে
এবং দূরত্ব বেশি থাকায় এখনো তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ
বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত
ন্যাক্কারজনক ও দুঃখজনক ঘটনা। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি। পুরো ক্যাম্পাস নজরদারির
আওতায় রয়েছে, আশা করছি দ্রুতই অপরাধীর পরিষ্কার ছবি ও পরিচয় পাওয়া যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়
প্রশাসন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া
শুরু হয়েছে।’
এদিকে,
ঘটনার বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন সাধারণ
শিক্ষার্থীরা। তাঁরা ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি
অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জ
পৌর এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টার
দিকে পৌরসভার জসিমনগর এলাকার একটি ঘাসের জমি থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত
যুবকের নাম মো. আরিফ বেপারী (৩২)। তিনি পৌরসভার পাঁচঘরিয়া এলাকার প্রয়াত মতিন বেপারীর
ছেলে। আরিফ মুন্সীরহাট বাজারে কসাইয়ের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মুন্সীরহাটসংলগ্ন
জসিমনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতের
স্বজনদের অভিযোগ, আরিফের ছোট ভাইয়ের পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জের
ধরেই জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুলতান
আহমেদের ছোট ভাই বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেন ও তাঁর লোকজন আরিফকে হত্যা করেছে।
স্থানীয়দের
তথ্য সূত্রে জানা যায়, ভোরে এলাকার কয়েকজন নারী তাঁদের বাড়ির পাশের ঘাসের জমিতে এক
ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে তাঁরা রক্তাক্ত অবস্থায় আরিফের মরদেহ দেখতে পান।
পরে স্থানীয়রা আরিফের পরিবারকে খবর দেন। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়
ও নিহতের স্বজনরা জানান, আরিফের ছোট ভাই আকাশ মুন্সীরহাট বাজারে কসাইয়ের কাজ করতেন।
সেই সূত্রে পার্শ্ববর্তী চরকিশোরগঞ্জ এলাকার আরেক কসাই নূর মোহাম্মদের সঙ্গে মাংস কেনাবেচা
নিয়ে আকাশের আর্থিক লেনদেন হয়। ওই লেনদেনের সূত্রে নূর মোহাম্মদের কাছে আকাশের ৪৯ হাজার
টাকা পাওনা ছিল। পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাঁদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে প্রায়
ছয় মাস আগে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও করেন আরিফ।
এ
ঘটনার জের ধরে পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে শনিবার সকালে আকাশ নূর মোহাম্মদকে রাস্তা
থেকে ধরে নিয়ে যান। পরে তাঁরা মুন্সীরহাট বাজার কসাই সমিতির কাছে বিষয়টি জানিয়ে নূর
মোহাম্মদকে তাঁদের জিম্মায় রাখেন। সেদিন শহরের যোগিনীঘাট এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয়
বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেন দলবল নিয়ে মুন্সীরহাট বাজারে গিয়ে নূর মোহাম্মদকে ছাড়িয়ে
আনার চেষ্টা করেন। এ সময় নিহত আরিফসহ উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি
হয়। একপর্যায়ে এনায়েতকে বাজারের লোকজন মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বজনদের দাবি,
সে সময় এনায়েত ও তাঁর লোকজন আরিফ ও তাঁর ভাই আকাশকে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেন।
আকাশ
বেপারী বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় এনায়েত হোসেনের ছেলে, ভাতিজাসহ কয়েকজন আমাকে মারার জন্য
খুঁজেছে। আমি দৌড়ে কোনোমতে পালিয়ে যাই। তাঁরা কয়েকবার আমাদের এলাকায় এসে আমাদের খুঁজেছে।
আজ সকালে ভাইয়ের মরদেহ জমি থেকে পেয়েছি। তাকে নির্মমভাবে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
আমাদের ধারণা, এ ঘটনার সঙ্গে নূর মোহাম্মদ ও এনায়েত হোসেনের লোকজন জড়িত থাকতে পারে।
আমরা ঘটনার বিচার চাই। এ বিষয় জানতে অভিযুক্ত এনায়েত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন
করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সকালে
মুন্সীগঞ্জ সদর থানা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো
হয়।
এ
বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা
করা হচ্ছে, পূর্ববিরোধের জেরে ওই যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত
করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসিফ ইমরান জিসান।
পাঁচজন আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। লুত্ফুজ্জামান বাবরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
মন্তব্য করুন