

জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর জন্য বাংলালিংক প্রতিনিধিদের আহ্বান জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম।
বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিসকক্ষে বাংলালিংক প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে এলে একথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মের চাহিদার প্রেক্ষিতে ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর পাশাপাশি সব মোবাইল অপারেটরদের মেয়াদবিহীন ইন্টারনেট প্যাকেজ চালুর চেষ্টা করতে হবে।
ভিওন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কান টার্জিওগ্লু বাংলাদেশে সিম কার্ডের ট্যাক্স কমানোর কথা বললে উপদেষ্টা বলেন, ট্যাক্সের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় জড়িত, তাই এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন কান টার্জিওগ্লু।
বাংলালিংকের চিফ লিগ্যাল অফিসার জাহারাত আদিব চৌধুরী জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন টফির ব্যবহারে বিভিন্ন বাঁধার কথা উল্লেখ করলে উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এ সময় বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক এস, প্রধান কর্পোরেট ও নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা তাইমুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
আসন্ন ১২ ফ্রেবুয়ারী জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম–৪(চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর) সংসদীয় আসনে সৃষ্টি হয়েছে এক ব্যতিক্রমী ও বিরল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। একই আসনে সাবেক স্বামী ও স্ত্রী ভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতি ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
এই আসনে জাতীয় পার্টি (এ) থেকে প্রার্থী হয়েছেন কে এম ফজলুল মন্ডল। অপরদিকে তার সাবেক সহধর্মিণী মোছা.শেফালী বেগম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-এর মনোনয়নে। ব্যক্তিগত জীবনে বিচ্ছিন্ন হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে একই সংসদীয় আসনে তাদের মুখোমুখি অবস্থান ২৮-কুড়িগ্রাম–৪ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিকে এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণত একই পরিবারের সদস্যরা একই রাজনৈতিক আদর্শে যুক্ত থাকলেও সাবেক স্বামী–স্ত্রীর ভিন্ন দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই অঞ্চলের রাজনীতিতে বিরল ঘটনা। এতে করে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা যেমন তীব্র হচ্ছে, তেমনি ভোটের মাঠে বাড়ছে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আলোচনা।
এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেক ভোটার বিষয়টিকে ব্যতিক্রমী ও কৌতূহলোদ্দীপক হিসেবে দেখছেন। তবে অধিকাংশ ভোটারই জানান, তারা পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় না এনে প্রার্থীদের রাজনৈতিক অবস্থান, যোগ্যতা এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন।
২৮-কুড়িগ্রাম–৪ আসনটি জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় এলাকা। এখানে একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থাকলেও সাবেক স্বামী–স্ত্রীর ভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারে নির্বাচন করাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টি (এ)-এর প্রার্থী কে এম ফজলুল মন্ডল বলেন,“দীর্ঘদিন ধরে শেফালী আক্তারের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি আমার সাবেক স্ত্রী। তিনি আগে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং চাকরি ছেড়ে দেওয়ার তিন বছরও পূর্ণ হয়নি। কীভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বৈধতা দিলেন, তা আমার জানা নেই।”
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী মোছাঃ শেফালী বেগমের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সব মিলিয়ে,২৮- কুড়িগ্রাম–৪ আসনের এই নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাই নয়, বরং সাবেক স্বামী–স্ত্রীর মুখোমুখি লড়াইয়ের কারণে একটি ব্যতিক্রমী ও আলোচিত নির্বাচনী অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ভোটের রায়ে ২৮- কুড়িগ্রাম–৪ আসনের জনগণ কাকে তাদের সংসদীয় প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেন এবং এই আলোচিত লড়াইয়ের শেষ পরিণতি কোন দিকে গড়ায়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ট্রলি উল্টে নদীতে পড়ে একই পরিবারের তিন নারী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কড়িকান্দি রাজাপুর সড়কের তিতাস নদীর ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, দুপুরের দিকে তিন নারী ঘাটে নেমে গোসল করছিলেন। এ সময় বালুভর্তি একটি ট্রলি কড়িকান্দি রাজাপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায় এবং গোসলরত তিন নারীর ওপর সরাসরি চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রলিটি উদ্ধার করে এবং মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ট্রলির চালক গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
নিহতরা হলেন তিতাস উপজেলার কড়িকান্দি রাজাপুর এলাকার শুক্কুর আলীর স্ত্রী রিনা আক্তার (৩৫), ইমন মিয়ার স্ত্রী রুজিনা আক্তার (৩০) এবং ফারুক মিয়ার স্ত্রী সামছুন নাহার (৪০)। এদের মধ্যে রুজিনা ও সামছুন নাহার আপন জা, আর রিনা আক্তার তাদের ভাগিনার স্ত্রী।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পক্ষে কুমিল্লা থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
করা হয়েছে। কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসিফের পক্ষে
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন রমজানুল করিম নামের এক এনসিপি কর্মী।
গত ২৪ ডিসেম্বর
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার
পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হলেও বিষয়টি জানাজানি হয় শুক্রবার রাতে।
আজ শনিবার কুমিল্লা
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাহেব আলী বিষয়টি গণমাধ্যমকে বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন।
আসিফ মাহমুদ
সজীব ভূঁইয়ার বাড়ি মুরাদনগর উপজেলায়। মনোনয়নপত্রের রেজিস্ট্রারে আসিফ মাহমুদের বর্তমান
ঠিকানা হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিউ মার্কেট এবং স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে মুরাদনগর
উপজেলার আকবপুর উল্লেখ করা আছে।
জানা গেছে,
কুমিল্লা সদর উপজেলার দক্ষিণ রসুলপুর এলাকার রমজানুল করিম নামের একজন জাতীয় নাগরিক
পার্টির কর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদের পক্ষে বুধবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
করেন।
এনসিপির মুরাদনগর
উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী মিনহাজুল হক বলেন, আসিফ মাহমুদ আমাদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র
পাঠিয়েছেন। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী আসিফ মাহমুদ মুরাদনগর থেকেই নির্বাচন করবেন।
তিনি আরও বলেন,
জোট নিয়ে নাটকীয় কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তাই একাধিক স্থানে মনোনয়নপত্র কেনা হয়েছে।
পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত। এখনও হাতে সময় আছে।
এর আগে আসিফ
মাহমুদ ১০ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করে ঢাকা-১০ আসন
থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। এরই মধ্যে ওই আসনে তিনি ভোটারও হয়েছেন। প্রচারণাও চালাচ্ছেন।
তবে মুরাদনগরে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তার বক্তব্য জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার
ছাত্র-জনতার স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করেছে ।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ রবিবার জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।
আদেশ বাস্তবায়নে স্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষদের নির্দেশনা দিয়ে আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আরো বলা হয়, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ বা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা
বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে ওই আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) আসনের বিএনপি প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজুর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) নওগাঁ-৬ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং নওগাঁর সিভিল জজ আদালতের (ধামইরহাট) বিচারক সাথি ইসলাম এ নোটিশ জারি করেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কাছে প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু বিভিন্ন স্থানে পোস্টার ও সিএনজি অটোরিকশার পেছনে স্টিকার ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না অথবা কেন অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচারিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে নওগাঁর সিভিল জজ আদালতের বিচারক সাথি ইসলামের কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, ‘নোটিশের বিষয়টি শুনেছি। আমরা নির্বাচনের কোনো পোস্টার লাগাইনি। সিএনজির পেছনে যেগুলো রয়েছে, সেগুলো নির্বাচনের অনেক আগের। সেগুলোতেও নির্দিষ্ট করে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কোনো আহ্বান নেই। আগামী ১৫ জানুয়ারি আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে আমার ব্যাখ্যা প্রদান করবো।’
মন্তব্য করুন


দেশের
দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ১০ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩৩ জন আহত হয়েছেন
এবং ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক শতাধিক ঘরবাড়ি।
রোববার
(৭ এপ্রিল) দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হওয়া ঘূর্ণিঝড়ে এ
তাণ্ডবলীলা ঘটে। ভোলার মনপুরা ও লালমোহন, পিরোজপুর, বাউফল, বাগেরহাট ও ঝালকাঠিতে এ
ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়।
পিরোজপুর:
পিরোজপুরে
সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঝড় শুরু হয়। এ ঝড়ে গাছচাপায় এক নারী ও ঝড়ে উড়ে গিয়ে এক বৃদ্ধের
মৃত্যু হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।
জেলার
ওপর দিয়ে ১৫ মিনিট ঝড়ো গতিতে বাতাস বয়ে যায়। পুরো জেলার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে
গেছে। শত শত গাছ উপরে পড়ে কয়েকশত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পৌরসভার প্রায় সব সড়কের
যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
পিরোজপুর
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়ে পিরোজপুরের
সদর উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলা
হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার রমজান আলী জানান, এ ঝড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ১২ থেকে
১৩ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভোলা:
ভোলার
মনপুরা ও লালমোহনে দুপুরের দিকে আকস্মিক ঝড় শুরু হয়। এতে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ও গাছপালা
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় নিজ ঘরে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতেও একজন
মারা গেছেন।
মনপুরার
দুপুর ১২টা দিকে হওয় ঝড়ের তাণ্ডবে দাসের এলাকায় ছয় জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে
গেছে। যাত্রীদের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ভোলার
জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে ৫০ হাজার
টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত তিন উপজেলায় ১৬ টন চাল তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বাউফল:
বাউফলে
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া ৩৫ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে ২জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে
বাউফলে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ ঝড় হয়েছে। এতে তেতুলিয়া নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে
দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
বাউফল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোণিত কুমার গাইন হতাহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে
বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার ও অনুসন্ধানে কাজ চলছে।
বাগেরহাট:
বাগেরহাটে
ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ও বিলবোর্ড পড়ে ১ জন নিহত ও ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সকাল
৯টা ৪০ থেকে ১০ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলা ঝড়ে অন্তত দেড় শতাধিক ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
এদিকে
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, কচুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে এক ব্যক্তি
নিহত হয়েছেন। আকস্মিক ঝড়ে বেশকিছু ঘরবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছপালা উপড়ে পড়েছে।
ক্ষতিপূরণ নিরূপণের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঝালকাঠি:
ঝালকাঠির
২ উপজেলায় ঝড়ের সময় মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে ২ নারী ও এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শেখেরহাট, পোনাবালিয়া
ইউনিয়ন এবং কাঁঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি
কাজের জন্য আগামীকাল সোমবার (১ এপ্রিল) আশুলিয়ার কিছু এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ
বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৩১ মার্চ) তিতাস
থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,
সোমবার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা আশুলিয়ার কাঠগড়া,
আমতলাসহ জিরাবো-বিশমাইল সড়কের দুই পাশে সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন ,কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় সাফরাত হোসেন সানভীর নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের আলকরা এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সানভীর উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামের মোঃ বাহরাইন প্রবাসী রাজুর একমাত্র ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচা মোরশেদ আলম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া গ্রামের নুর হোসেন সুজন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে মাছ ধরার দৃশ্য দেখতে যায়। এর কিছুক্ষণ পর জেঠার খোঁজে বৈছামুড়া ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীর। নুর হোসেন সুজন মনে করেছিলেন, ভাতিজা সানভীর কিছু দূর গিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে যাবে। কিন্তু ভাতিজা সানভীর জেঠার কাছে যেতে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকে। মুহুর্তের মধ্যেই চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সেপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সানভীর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নুর হোসেন সুজন পিছনের দিকে ভাতিজা সানভীরের দিকে তাকালে তাকে রেললাইনের পাশে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে একমাত্র ছেলে সানভীরকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা-মা। এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহত সাফরাত হোসেন সানভীর চাচা মোরশেদ আলম বলেন, বাড়ি থেকে সামান্য দূরে রেললাইনের সাথে মাছ ধরা দেখতে তাঁর জেঠা বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে যায়। জেঠার পিছনে পিছনে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীরও চলে যায়। জেঠা মনে করেছিলেন, সানভীর একটু গিয়ে আবার বাড়ির দিকে চলে গেছে। খেয়াল না করায় ট্রেনের ধাক্কায় ভাতিজা সানভীরের মৃত্যু হয়েছে।
তবে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি জানে না লাকসাম জিআরপি থানা ও গুণবতী রেলষ্টেশন কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
কেবল একটি সামাজিক বন্ধন নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিশ্বাস, রীতি ও সংস্কৃতির বহুস্তরীয়
ইতিহাস। পৃথিবীর নানা প্রান্তে বিয়েকে ঘিরে এমন কিছু প্রথা প্রচলিত আছে, যা অন্য সংস্কৃতির
মানুষের কাছে বিস্ময়কর বা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তেমনই এক ব্যতিক্রমী বিবাহরীতি
দেখা যায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে যেখানে বিয়ের পর টানা ৭২
ঘণ্টা নবদম্পতিকে টয়লেট ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হয়।
এই
অদ্ভুত রীতিটি মূলত মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে বসবাসকারী 'তিদোং' নৃগোষ্ঠীর
ঐতিহ্য। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বিবাহপ্রথাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত হলেও তিদোং
জনগোষ্ঠীর কাছে এটি কোনো নিষ্ঠুর নিয়ম নয়; বরং এটি দাম্পত্য জীবনের পবিত্রতা, ধৈর্য,
পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দীর্ঘস্থায়িত্বের প্রতীক।
তিদোংরা
একটি অস্ট্রোনেশীয় নৃগোষ্ঠী, যাদের বসবাস সাবাহ, কালিমান্তান ও আশপাশের উপকূলীয় এলাকায়।
তিদোং সমাজে বিয়ে মানে শুধু দু’জন মানুষের মিলন নয়; এটি দুই পরিবার,
কখনো কখনো গোটা সম্প্রদায়ের সম্পর্কের বন্ধন।
এই
রীতি অনুযায়ী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নবদম্পতিকে একটি নির্দিষ্ট ঘরে রাখা হয়। সেখানে
তারা বাইরে যেতে পারে না, কোনো শারীরিক পরিশ্রম করতে পারে না এবং সবচেয়ে কঠোরভাবে মানা
হয় টয়লেট ব্যবহার। এই তিন দিনে খাবার ও পানীয়ও সীমিত পরিমাণে দেওয়া হয়, যাতে শরীরের
প্রাকৃতিক চাহিদা কমে। আত্মীয়স্বজন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকেন, যাতে কেউ নিয়ম ভাঙতে
না পারে।
এই
কঠোর নিয়মের পেছনে রয়েছে গভীর বিশ্বাস। তিদোং সমাজে ধারণা করা হয়, বিয়ের পর প্রথম তিন
দিন এই নিয়ম মেনে চলতে পারলে দাম্পত্য জীবন হয় দীর্ঘস্থায়ী, শান্তিপূর্ণ ও কলহমুক্ত।
বিপরীতে নিয়ম ভঙ্গ করলে সংসারে অশান্তি, দুর্ভাগ্য বা বিচ্ছেদের আশঙ্কা থাকে বলে মনে
করা হয়। তাই এই তিন দিনকে অনেকেই ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য এক ধরনের পরীক্ষা হিসেবে দেখেন।
একসময়
বিয়ে ছিল পারিবারিক ও সামাজিক জোটের প্রতীক। সেই বন্ধনকে অটুট রাখতে নানা শপথমূলক আচার
চালু হয়, যা সময়ের সঙ্গে সাংস্কৃতিক রীতিতে রূপ নেয়। ৭২ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞাও সেই
ঐতিহ্যেরই অংশ।
তবে
আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর স্বাস্থ্যঝুঁকি অস্বীকার করার উপায় নেই। দীর্ঘ সময় প্রস্রাব
বা মলত্যাগ বন্ধ রাখা শরীরের জন্য ক্ষতিকর চিকিৎসাবিজ্ঞানে যা সুপ্রতিষ্ঠিত। সে কারণে
বর্তমানে অনেক তিদোং পরিবার এই রীতিকে শিথিলভাবে পালন করে।
আধুনিক
শিক্ষা, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রভাবে তিদোং সমাজেও পরিবর্তন এসেছে। নতুন
প্রজন্ম আগের মতো কঠোরভাবে এই নিয়ম অনুসরণ না করলেও এটি পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। কারণ
এই রীতি তাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়, পূর্বপুরুষের স্মৃতি ও বিয়ের উৎসবের ঐতিহ্যবাহী আবহের
সঙ্গে এখনো অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে।
মন্তব্য করুন