

বয়স ৭৩ বছর। কিন্তু সিনেমায় তার চালচলন যেনো ২৫ বছরের নায়কদেরও হার মানায়। যেকোনো ইয়াং সুপারস্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এখনো তিনি এগিয়ে থাকছেন তিনি রজনীকান্ত। দক্ষিণী সিনেমার শক্তিমান সুপারস্টার ।
গত বছর তার অভিনীত ‘জেলার’ চলচ্চিত্র দিয়ে পেয়েছেন তুমুল সাফল্য। বছরের শীর্ষ আয় করা সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নেয় তার ওই ছবি। এ বছরও চমকে দেওয়ার অপেক্ষায় তিনি। বছর শুরুতেই নিজের মেয়ের পরিচালনায় পর্দায় আসছেন এই সুপারস্টার। তার অভিনীত‘লাল সালাম’ এই শুক্রবার মুক্তি পাবে।
মেয়ে ঐশ্বরিয়ার পরিচালনায় ‘লাল সালাম’ নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনায় রয়েছেন রজনীকান্ত। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, সিনেমাটির জন্য বিপুল পরিমাণে পারিশ্রমিক নিয়েছেন অভিনেতা।
ভারতীয় বিনোদন মাধ্যম কইমই ডটকম অনুসারে, লাল সালামে রজনীকে তাঁর বর্ধিত ক্যামিওর জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করা হয়েছে। ট্র্যাক টলিউডের প্রতিবেদন অনুসারে, সিনেমাটিতে অভিনেতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যামিও রয়েছে এবং তাঁর স্ক্রিন টাইম ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। আর এ জন্য তিনি ৪০ কোটি রুপি চার্জ করেছেন।
অর্থাৎ প্রতি মিনিটে ১ কোটি রুপি নিয়েছেন অভিনেতা যা একটি নতুন রেকর্ড। দীর্ঘ ৯ বছর পর পরিচালনায় ফিরেছেন ঐশ্বরিয়া রজনীকান্ত। তাই মেয়ের সিনেমায় বিশেষ ক্যামিওর প্রস্তাব ফেরাতে পারেননি রজনীকান্ত। আর রজনীকে ঘিরেই সিনেমাটি এখন তুমুল হাইপ তৈরি করেছে। লাল সালামে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিষ্ণু বিশাল এবং বিক্রান্ত এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন এ আর রহমান।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন


দিন কয়েক ধরেই গুঞ্জনটা শোনা যাচ্ছিল। বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির। যদিও প্রতি বারই জল্পনায় জল ঢালেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে আচমকাই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তার পরই দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর দেন নায়িকা।
এরই মধ্যে তাঁরা আলাদা থাকা শুরু করেছেন। এ অভিনেত্রী নিজেই আজ রাতে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।
নিজের ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় কেঁদে মাহি বলেন, আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে, সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।
কিন্তু কী কারণে সন্তান জন্মের মাস কয়েকের মধ্যেই স্বামীর থেকে আলাদা হচ্ছেন তিনি তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি ।
তিনি জানান, অনেক দিন ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
সাথে আরো বলেন, একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না। আসলে সংসার কেন ভাঙে, কেন হাজবেন্ডের সঙ্গে থাকতে পারল না বা হাজবেন্ড কেন তাঁকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা তাঁর ওয়াইফটা কেন তাঁর হাজবেন্ডকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা দুজন কেন ভালো নাই। দুজনের মধ্যে আসলে কী ঝামেলা হয়েছে—এগুলো তো আমরা আসলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বুঝব না। তাই আমরা কাউকে নিয়ে যেন জাজ না করি।
মাহি বলেন, আমি জানি এই ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই আমাকে গালি দিবেন, অনেক বাজে কথা বলবেন। বিশ্বাস করেন আপনাদের কমেন্ট গুলো আমার কাছে তীরের মত আমার বুকে লাগবে।
ভিডিওর একপর্যায়ে মাহি তাঁর সন্তানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানান নেটিজেনদের প্রতি। মাহি বলেন,আমার ছেলেকে নিয়েও আপনারা অনেকে খারাপ কমেন্ট করেন, সেগুলো দেখে মা হিসেবে আমার বুকটা ফেটে যায়। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে এমন খারাপ কমেন্ট করবেন না সে যেমনি হোক না কেনো দেখতে ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ও হয়তো এখন এসব বুঝতে পারে না; কিন্তু একসময় এসব বুঝবে, তখন নিশ্চয়ই কষ্ট পাবে। দয়া করে এসব করবেন না। আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন, যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
মন্তব্য করুন


ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী
হিনা খান। সম্প্রতি তার ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে তার। এরইমধ্যে চিকিৎসা শুরু
হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নিজেই।
সামাজিকমাধ্যমে গুঞ্জন চাউর হয়, ক্যানসারে
আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী হিনা খান। কিন্তু এ নিয়ে নীরব ছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু শুক্রবার
(২৮ জুন) ইনস্টাগ্রাম পোস্টে গুঞ্জনকে সত্য বলে জানান হিনা খান।
ইনস্টাগ্রাম বিবৃতিতে হিনা খান লেখেন,
চলমান গুঞ্জন আমার নজরে পড়েছে। যারা আমার ভক্ত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, সবার সঙ্গে একটি
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ শেয়ার করছি। আমি ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত, এখন তা তৃতীয় পর্যায়ে
রয়েছে। এমন একটি রোগ শনাক্ত হওয়ার পরও বলছি, আমি ভালো আছি। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার বিষয়ে
আমি বেশ আত্মবিশ্বাসী। এরইমধ্যে আমার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। ক্যানসারমুক্ত হওয়ার জন্য
যা যা করণীয় তা করার জন্যও আমি প্রস্তুত। আপনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলছি, এই সময়ে
আমার প্রাইভেসি রক্ষায় সহযোগিতা করুন। আমার জন্য দোয়া করবেন।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
অভিনেত্রী তানজিন তিশা ক্যারিয়ারে অসংখ্য হিট নাটক উপহার দিয়েছেন। পাশাপাশি সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয়।
আর
এবার শোনা যাচ্ছে, শিগগিরই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতায় পাড়ি জমাচ্ছেন অভিনেত্রী তানজিন
তিশা। গণমাধ্যমে বিষয়টি অভিনেত্রী তিশা নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
অভিনেত্রী
তিশা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই টালিউডের বিভিন্ন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতার কাছ থেকে
প্রস্তাব পাচ্ছিলাম। কিন্তু ব্যাটে-বলে না মেলায় কাজ করা হয়নি। কখনও শিডিউল নিয়ে জটিলতা
হয়েছে আবার কখনও গল্প কিংবা নির্মাতা পছন্দ হয়নি। এবার সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। আমিও
সম্মতি দিয়েছি কাজ করার জন্য। নির্মাতা কে, আমার সঙ্গে কে অভিনয় করবেন, সেটা এখনই বলছি
না। তবে এতটুকু বলতে পারি, চলতি বছরই পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় আমাকে দেখতে পাবেন দর্শক।
জানা
যায়, কয়েক বছর ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার সিনেমায় যুক্ত হচ্ছেন অভিনেত্রী তিশা। মূলত
বেশ কয়েকবার কলকাতায় যাওয়া-আসায় গুঞ্জনটি ছড়িয়েছিল। তবে এতে ব্যাপক খুশিই হয়েছিলেন
অভিনেত্রীর ভক্তরা।
মন্তব্য করুন


কনের পরনে ছিল হলুদ শাড়ি। খোঁপায় জড়ানো জুঁই ফুলের মালা। কানে গলায় ফুলেল গহনা। গায়েহলুদের আসরে হঠাৎ হাজির প্রাক্তন প্রেমিক। তার পরেই অঘটন। অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তের নতুন মিউজ়িক ভিডিয়োয় ধরা পড়ল এমনই দৃশ্য।
‘সাওয়ারে’ নামের এই মিউজ়িক ভিডিওতে দেখা যায়, সম্পর্কে বিচ্ছেদ হলেও থেকে গিয়েছে প্রেম। পুরনো দিনের কথা ভুলতে পারেনি প্রেমিক। তাই প্রেমিকার বিয়ের দিনেই ঘটে যায় বড় অঘটন। স্বস্তিকার সঙ্গে এই মিউজ়িক ভিডিওতে জুটি বেঁধেছেন অভিনেতা জন। তাদের রসায়নও ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে নেটাগরিকের।
স্বস্তিকা জানান, এখনও নিজেরই দেখা হয়নি মিউজ়িক ভিডিওটা। যদিও কাজটা করে খুব আনন্দ পেয়েছি। এই প্রথম জনের সঙ্গে কাজ করলাম। ওঁর সঙ্গে কাজ করে ভাল লেগেছে।
সোমবার মুক্তি পেল এই মিউজ়িক ভিডিওটি।
উল্লেখ্য, সোমবার বিয়ে করছেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার ও গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার খামারবাড়িতে বসছে বিয়ের আসর। সোহিনীর আগে স্বস্তিকার সঙ্গে শোভনের সম্পর্কের কথা কারও অজানা নয়। ২০২৩-এ একটি অনুষ্ঠান থেকে সোহিনী ও শোভনের সম্পর্কের সূচনা। অন্য দিকে, সেই সময়ে রণজয় বিষ্ণুর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সোহিনী।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন (পত্রিকা)
মন্তব্য করুন


গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) রাতে তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
মুশফিক আর ফারহানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, নাটকের শুটিংসেটে ফারহান হঠাৎ জ্বর ও শরীর ব্যথার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর তাকে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


এ প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যে অসংখ্য হিট নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি মেহজাবী নাম লিখিয়েছেন বড়পর্দায়। এদিকে গত কয়েক বছর ধরে শোনা যাচ্ছিল তার গোপন বিয়ে ও সংসারের খবর। তবে এবার জানা গেল আসল খবর।
মেহজাবীনদের একজন পারিবারিক বন্ধু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, বিয়ে করছেন তিনি। মেহজাবীনের বর হতে যাচ্ছেন তার সদ্য মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘প্রিয় মালতি’র প্রযোজক ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব।
চলতি মাসের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর অদূরে একটি রিসোর্টে মেহজাবীনের গায়ে হলুদ। পরদিন একই ভেন্যুতে বিয়ে। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, বিয়েটা আরও আগে হওয়ার কথা ছিল। দেশের পরিস্থিতির কারণে আয়োজনে একটু দেরি হয়ে গেছে। এর আগে বেশ কয়েকবার মেহজাবীন-আদনান আল রাজীবের প্রেম-বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন রটেছে। সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তারা। কিন্তু বরাবরই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন দুই তারকা।
তবে এ বিয়ে নিয়ে অসমর্থিত আরও একটি সূত্র জানাচ্ছে যে, তাদের বিয়ে আরও আগেই হয়ে গেছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা করতে যাচ্ছেন দম্পতি।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শোয়ের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়াতে পা রাখেন মেহজাবীন। নাটকের গণ্ডি পেরিয়ে মেহজাবীন এখন ওটিটি ও সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করে আসছেন। গেল মাসে মুক্তি পেয়েছে তার সিনেমা ‘প্রিয় মালতি’। এ ছাড়া ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল মুক্তি পাবে তার নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘নীল সুখ’।
অন্যদিকে আদনান আল রাজীব দেশের জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম।
২০১৯ সালেও রাজীবের সঙ্গে ঢাকার একটি বিপণিবিতানে মেহজাবীনের হাত ধরাধরি করে হাঁটার একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। তখন থেকেই তাদের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তা সরাসরি প্রকাশ্যে আসে। এরপর বিভিন্ন সময় তাদের প্রেমের বিষয়টি সামনে আসলেও কখনো তারা মুখ খোলেননি।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের জন্মদিন আজ। আজ ২৮ মার্চ শাকিব খানের ৪৫ বছর পূর্ণ
হয়েছে। ১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহানের ‘অনন্ত ভালোবাসা’ দিয়ে ঢালিউডে তাঁর অভিষেক।
ধীরে ধীরে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
দুই
দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢাকাই সিনেমার দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন অভিনেতা শাকিব খান। একের
পর এক সুপার হিট সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন।
১৯৭৯
সালের ২৮ মার্চ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদীতে মাসুদ রানা হিসেবে জন্মগ্রহণ
করেন শাকিব খান। তার বাবা আব্দুর রব ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারী এবং মাতা নূরজাহান
একজন গৃহিণী।
মন্তব্য করুন


ফুটবল ইতিহাসের
প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিয়ে বছরের পর বছর কম আলোচনা হয়নি। বারবার এটি চুরির চেষ্টা
হয়েছে। একবার জানা গিয়েছিল, ট্রফিটি গলিয়ে সেটি থেকে প্রাপ্ত সোনা নাকি বিক্রি করা
হয়েছে। ৬০ বছর পর ফিফা মিউজিয়ামে এর অংশবিশেষ পাওয়া গেছে।
ফরাসি শিল্পী
আবেল লাফ্লুরে তৈরি করেছিলেন জুলে রিমে ট্রফি। এটাকে গ্রিক দেবী নায়ক ‘নিকি’কে আকারে
ফুটিয়ে তোলা ছিল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে
এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্বাগতিকরা। ট্রফিটির উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ সেন্টিমিটার, ওজন প্রায়
চার কেজি এবং এটি সোনা দিয়ে মোড়ানো ছিল। বিশ্বকাপের পর থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই ট্রফি
নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি।
বিশ্বযুদ্ধের
সময় নাৎসীদের হাত থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি রক্ষা করতে ফিফার কর্মকর্তা এটিকে একটি পরিত্যক্ত
জুতার বাক্সে লুকিয়ে রেখেছিলেন। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় এটি চুরি হয়েছিল।
পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি এবং তার কুকুর পিকলস ট্রফি উদ্ধার করে। ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের
রিও দে জেনেরিওতে এটি চুরি হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে ট্রফিটি গলিয়ে স্বর্ণ বিক্রি
করা হয়েছে। যদিও ওই বিবৃতিতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
যাই হোক, ফিফা
মিউজিয়ামের সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রফির মূল চার-পাশের
লাপিস লাজুলি বেসটি ফিফার আর্কাইভে বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল! এটিকে কেউ চুরি করতে
পারেনি। আসলে ১৯৫৮ সালে ট্রফির বেস বদলানো হয়েছিল, এবং নতুন বেসে আটটি সাইড রাখা হয়েছিল
যাতে ভবিষ্যতের বিজয়ীদের নাম লেখা যায়। মূল বেসটি তখনই আর্কাইভে রাখা হয়েছিল, কিন্তু
সেটা দীর্ঘ সময় কারও নজরেই আসেনি।
এই মুহূর্তে
জুলে রিমে ট্রফির এই চার-পাশের বেসটি ফিফা মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসের
এক অমূল্য স্মারক। এটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় বিশ্বকাপের প্রাথমিক দিনগুলির উত্তেজনা,
চমক এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার স্মৃতি। সময়ের সাথে বিশ্বকাপ ট্রফি আরও আধুনিক হয়েছে, আরও
মূল্যবান হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেবে কিভাবে একটি বিশ্বকাপ
ট্রফি কীভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে।
মন্তব্য করুন


মেহজাবীন চৌধুরী ছোট পর্দার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী। তিনি ক্যারিয়ারে অসংখ্য নাটকের মাধ্যমে ভক্তদের মন কেড়েছেন। এ অভিনেত্রী
নাটকের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেও সুনাম কুড়িয়েছেন। মেহজাবীন সব সময় হাসিখুশি
থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন এক পোস্ট করেছেন যা দেখে
অনুরাগীরা রীতিমতো অবাক হয়েছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় মেহজাবীন তার ভেরিফায়েড
ফেসবুকে পেজে লিখেছেন, ‘বেঁচে থাকার শক্তি নাই, মরে যাওয়ার সাহস নাই।’
স্ট্যাটাসটি পোস্টের পর থেকেই তাতে
প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
এ দিক আবার অনেকে এ বিষয়টিকে নিয়ে হাসি
তামাশা করছে।
উল্লেখ্য, মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন।
মন্তব্য করুন