

রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি ( শারমিন আক্তার নিপা) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) আপিল শুনানিতে তার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের গরমিল থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল দুই হাজার ৭১৬টি। এর মধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেছেন ৭৩১টি, যা মোট দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২৭ শতাংশ। আর বৈধ হয়েছে এক হাজার ৯৮৫টি মনোনয়নপত্র, যা দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের ৭৩ দশমিক ০৮শতাংশ বা ৭৩ শতাংশ।
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৬১টি আপিল আবেদন জমা পড়েছিল। ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি করে আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রোববার)।
মন্তব্য করুন


এবার
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন তাজনূভা জাবীন।
আজ
রোববার (২৮ ডিসেম্বর ) দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক
পোস্টে তাজনূভা জাবীন এ কথা জানান।
তাজনূভা
জাবীন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ঢাকা-১৭ আসনে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল এনসিপি।
ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা করতে গিয়ে সংকটে
পড়েছে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি অংশ তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।
জামায়াতের
সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার বিষয়টি অনেকটাই চূড়ান্ত হওয়ার পর গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় দল থেকে
সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তাসনিম জারা। তিনি দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ও রাজনৈতিক
পর্ষদের সদস্য ছিলেন।
এর
আগে গত বৃহস্পতিবার দলটি থেকে পদত্যাগ করেন এনসিপিতে জামায়াতবিরোধী অংশের নেতা হিসেবে
পরিচিত মীর আরশাদুল হক।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বিনিয়োগ, মৎস্য, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা এবং যুব উন্নয়ন - বিশেষ করে
শিক্ষা ও খেলাধুলা ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ঢাকায় রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) নির্বাহী সিনিয়র
ভাইস প্রেসিডেন্ট মিয়াজাকি কাতসুরার সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি ।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
জাপান সব সময়ই একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। আমি সম্প্রতি আপনার দেশ সফর করেছি এবং আমি ও আমার
প্রতিনিধিদলের প্রতি যেভাবে আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা দেখানো হয়েছে, তা আমাকে গভীরভাবে
স্পর্শ করেছে।
মিয়াজাকি জানান, এশিয়ায় বাংলাদেশ জাপানের
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার
প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা মৃত্যুবরণ
করেছেন ও আহত হয়েছেন, আমরা তাদের জন্য গভীরভাবে শোকাহত।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মাতারবাড়ি প্রকল্পের
গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এটিকে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল’
হিসেবে অভিহিত করেন।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনার গুরুত্ব
তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি জাপানে জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাঁকে জানিয়েছি
আমরা একটি সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতিতে পরিণত হতে চাই।’
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের
তরুণদের জন্য জাপানে পড়াশোনার বৃত্তি বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের
অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, অনেক তরুণ জাপানে কাজ করতে
যেতে চায়। সমস্যা হচ্ছে ভাষা। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যে, জাপানি শিক্ষকরা এখানে এসে
বা দূরশিক্ষণের মাধ্যমে ভাষা ও কর্মস্থলের আচরণ শেখাতে পারেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস রোহিঙ্গা
শরণার্থীদের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি দুঃখজনক অবস্থা। হাজার
হাজার তরুণ ক্যাম্পে বেড়ে উঠছে কোনো আশা ছাড়াই। তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।’
মিয়াজাকি জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাইকা বাংলাদেশের
বিচারব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারে সহায়তা দিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আইসিটি মানবসম্পদ বিষয়ক
প্রশিক্ষণ চালু করতে জাইকা বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে—যা উভয়
দেশের স্থানীয় সরকার, কোম্পানি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।
যুব উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশের নারীদের খেলাধুলায় সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের মেয়েরা
সবখানে জয়লাভ করছে। গতকাল তারা আরেকটি ম্যাচ জিতে চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে। আমরা হোস্টেল
সুবিধা বাড়াচ্ছি, তবে তাদের স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দরকার।’
এর জবাবে মিয়াজাকি ইতিবাচক সাড়া দিয়ে
জানান, জাপান ইতোমধ্যে অনেক দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবক পাঠাচ্ছে এবং নারীদের
খেলাধুলায় আরও সহযোগিতার কথা বিবেচনা করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস অর্থনৈতিক
সংস্কার, রেলপথ নির্মাণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি
মূল্যের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানান এবং আরও বেশিসংখ্যক
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার (ওডিএ) সীমা ৩০০ বিলিয়ন ইয়েন থেকে
৪৫০ বিলিয়ন ইয়েনে বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন,
‘বাংলাদেশ সব সময় জাপানের বন্ধুত্ব ও অবদানের কথা মনে রাখবে।’
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। সরকারের
প্রত্যক্ষ মদদে এক বছর আগে ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর,
বর্তমানে দেশ যথেষ্ট স্থিতিশীল এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।
তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির
প্রথমার্ধে নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে এবং এই নির্বাচনের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
প্রধান উপদেষ্টা আজ সোমবার (২৫ আগস্ট)
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা অংশীজন সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা
এখন আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আছি। এক বছর আগে আমরা এক ভয়াবহ
হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলাম। এরপর ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী
শাসন থেকে দেশকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকটকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের
কাছে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে, গতকাল থেকে কক্সবাজারে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সংলাপ
“স্টেকহোল্ডার্স’ ডায়ালগ: টেকঅ্যাওয়ে টু দ্য হাই-লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন”
শুরু হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় হোটেল বে ওয়াচে আজ সংলাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইউনূস
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য সাত দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন এবং আন্তর্জাতিক
সম্প্রদায়কে কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন,রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান নিপীড়ন
ও বাস্তুচ্যুতি থামাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অধ্যাপক ড. ইউনূস উত্থাপিত সাত দফা
প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের
জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন, দাতাদের অব্যাহত সমর্থন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও আরাকান
আর্মির কাছে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও জীবিকা নিশ্চিত করার আহ্বান, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে
গঠনমূলক সংলাপ ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা,
গণহত্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক আদালতে জবাবদিহিতা ত্বরান্বিত করা।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুতির এক মাস পূর্তিতে দিনটিকে
স্মরণীয় করে রাখতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত ‘শহীদী মার্চ’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পৌনে ৪টায়
মার্চটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে শুরু হয়। এর আগে বেলা ২টা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিভিন্ন হল এবং আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল
নিয়ে বিভিন্ন টিএসসির দিকে আসতে থাকে। এ সময় তাদের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত বিভিন্ন
স্লোগান দিতে দেখা যায়।
জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
শুরু হয়ে এই মার্চ নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, কলাবাগান, ধানমন্ডি, সংসদ ভবন, ফার্মগেট,
কারওয়ান বাজার, শাহবাগ হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ হবে।
এর আগে, গতকাল (বুধবার) দুপুরে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। মার্চে শহীদদের স্মরণ
করে ছবি, উক্তিসহ বিভিন্ন স্মারক নিয়ে ছাত্র-জনতাকে স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নেওয়ার আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা নিজ
জায়গা থেকে শহীদী মার্চে অংশ নেবে।
এ ছাড়া ঢাকা মহানগরসহ দেশের প্রতিটি
জেলা ও উপজেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে শহীদী মার্চ পালনের কথা জানান। সরকার পতনের এক
মাস পূর্তি উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের শহীদদের
ছবি থাকতে পারে। যে কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, সেসব কথা প্ল্যাকার্ডে
থাকতে পারে। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কী চাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
কাছে কী চাই- এসবও থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি জনগণকে
বিক্রি করে নিজের সম্পদ বানায় না। আমরা রাজনীতি করে আমাদের সম্পদ বানাইনি। বাপ-দাদার
দেওয়া জমি-জমা বিক্রি করে রাজনীতি করি।
আজ
রোববার ( ২৫ জানুয়ারি ) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাও ৩
নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচনী গণসংযোগ সভায় প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সবসময় আপনাদের সাথে থাকার চেষ্টা করেছি। বিএনপির কাছে আপনারা নিরাপদে
থাকতে পারবেন। আমরা অন্তত আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আমরা মানুষের কল্যাণ করতে
চাই। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করে মানুষের কথা বলার অধিকার দিতে চাই।’
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, ‘মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি। যা একটি পরিবারের আর্থ ও
সামাজিক খুঁটি হয়ে দাঁড়াবে। কৃষকদের জন্য দেওয়া হবে কৃষি কার্ড, যার মাধ্যমে কৃষকরা
ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ পেয়ে আরো সামনে এগিয়ে যাবে। বিএনপি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা
ও যাতায়াতের ব্যবস্থার উন্নয়ন করবে। আমরা বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়ার
পরিকল্পনা করেছি।’
তিনি
আরো বলেন, ‘আমরা অনেক প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করতে সহযোগিতা করেছি। অতীতে আমরা রাস্তাঘাট,
ব্রীজ, কালভার্টসহ নানা কাজ করেছি। ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বপ্রথম বরেন্দ্র প্রকল্পটি আমরা
নিয়ে এসেছি। ভুট্টা চাষের আবাদ, মুরগী চাষের ফার্ম আমরা নিয়ে এসেছি। বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল। আমাদেরকে নতুন করে চেনার কিছু নেই।’
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে কথা বলার স্বাধীনতা ছিল না। কিছু বললেই ধরে নিয়ে যেত।
এখন আমার বয়স হয়েছে। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। তাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচনে আপনারা
আমাকে ভোট দিলে আপনাদের অসম্পূর্ণ কাজগুলো আমি সম্পন্ন করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ
সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
বা পরশুর মধ্যে জামায়াত জোটের আসন সংখ্যা চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে বলে জানান জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
নির্বাচন
প্রভাবিত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সরকার বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি ঝুঁকে
যাওয়ায় নির্বাচন প্রভাবিত হওয়ার শঙ্কা আছে।
আজ
শনিবার (১০ জানুয়ারি) ইইউর চিফ ইলেকশন অবজারভার আইভার্স ইজাবসের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন
পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন তিনি।
এ
সময় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সেল প্রধান সুলতান মুহাম্মদ
জাকারিয়াসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নাহিদ
ইসলাম বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) একটি বড় ও শক্তিশালী
পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে যাচ্ছে। ইইউ চায় নির্বাচনটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক
হোক এবং ফল ঘোষণার পর সবাই যেন তা গ্রহণ করে-এতে গণতান্ত্রিক রূপান্তরও নির্বিঘ্ন হবে।
তিনি
বলেন, ইইউ প্রতিনিধিরা রাজনৈতিক দলগুলোর ভাবনা ও উদ্বেগ জানতে আগ্রহী। তারা নিরপেক্ষভাবে
কাজ করবে এবং সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চেয়েছে। একই সঙ্গে এনসিপিকেও সহযোগিতার আশ্বাস
দিয়েছে ইইউ।
সাংবাদিকদের
এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে এমন আত্মবিশ্বাস
বা ঐকমত্য সব রাজনৈতিক দলের নেই, এমনকি এনসিপিরও নেই। তিনি অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ
রাজনৈতিক দলকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও বিশেষ প্রোটোকল দেয়ার মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন
স্তরে পক্ষপাতের বার্তা যাচ্ছে, যা নির্বাচনী মাঠে অসমতা তৈরি করতে পারে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত
প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা
কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ
উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের
স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত
গৃহীত হয়।
কমিটি
সদস্য, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে আরও
অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, এমপি; ড. খন্দকার মোশাররফ
হোসেন, এমপি; স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি; অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী,
এমপি; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি; চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, এমপি;
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এমপি; এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এমপি; বিরোধীদলের চীফ হুইপ
মো. নাহিদ ইসলাম, এমপি এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির, এমপি।
বৈঠকে
স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার
কায়সার কামাল, এমপি।
প্রয়োজনে
অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান
করা হয়।
এ
অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি
প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব
সংখ্যা (বিধি-১৩১) এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
বৈঠকে
সাচিবিক সহায়তা প্রদান করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে চূড়ান্তভাবে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি।
আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব “ আখতার আহমেদ”।
তিনি বলেন, আমরা আজ চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করেছি। দেশের ৬৪ জেলার ৩০০টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে পুরুষদের জন্য কক্ষ রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি এবং মহিলাদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি। সব মিলিয়ে মোট কক্ষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি।
সচিব আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ১৪টি অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ১২ হাজার ভোটকক্ষ থাকবে। প্রতিটি ভোটকক্ষে গড়ে প্রায় ৩ হাজার ভোটার ভোট দেবেন। এটি ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, প্রয়োজনে পরবর্তীতে এই সংখ্যা সামঞ্জস্য করা হবে।
(ইসি ) –র তথ্য অনুযায়ী, খসড়া তালিকায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৬১৮টি, যা দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ৪২ হাজার ১৪৮টির তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে আসন্ন নির্বাচনে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা কমেছে। এবার ভোটকক্ষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬টি, যেখানে গত নির্বাচনে ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪টি। অর্থাৎ, ভোটকেন্দ্র বাড়লেও ভোটকক্ষের সংখ্যা কিছুটা কমেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজেও এ বিষয়ে ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে কার্যালয়ের গঠন ও কার্যাবলী বিষয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সেই সরকারের অংশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার তখনি ভালো করবে যখন আপনারা সরকারকে সহযোগিতা করবেন।
তারেক রহমান বলেন, আমরা এই দেশকে আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা বলে মনে করি। তাই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্যও আমাদেরকেই কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের একটি মেনিফেস্টো থাকে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই মেনিফেস্টোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ক্রীড়াসহ মেনিফেস্টোতে উল্লিখিত সকল এজেন্ডা বাস্তবায়নে সরকারী কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সহযোগিতা চান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তারা যেন নিরাপদ বোধ করে। তিনি বলেন, আমরা সকলে যদি একসাথে কাজ করি তাহলে নিশ্চয়ই এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। এছাড়া দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে গোপনীয়তার বিষয়গুলো মেনে চলার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেন। এছাড়া জাতিকে একটি সুশৃংখল জায়গায় নিয়ে আসতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সরকারি নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন দপ্তর সংস্থার প্রধানগণ, কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আজ সোমবার (৩০জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, উভয় নেতার মধ্যে ১৫ মিনিটের এই ফোনালাপ ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ, বন্ধুসুলভ ও গঠনমূলক। যার মাধ্যমে দুই দেশের চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটে।
মন্তব্য করুন