প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার ট্রেন

প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার ট্রেন
প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার ট্রেন

নির্মাণকাজ পরিদর্শন ও কোনো ত্রুটি আছে কি-না যাচাই করতে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাচ্ছে একটি ট্রেন।  

রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় আটটি বগি ও একটি ইঞ্জিন নিয়ে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে গেছে।

ট্রেনটিতে রয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম ও রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রোববার ট্রেনটি সকাল ১০টায় দোহাজারী স্টেশনে পৌঁছবে।

এরপর সেখান থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার পৌঁছার কথা রয়েছে। রেলের পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কক্সবাজারে অবস্থান করবেন। ৬ নভেম্বর ওই টিম কক্সবাজার রেলস্টেশন ইয়ার্ড পরিদর্শন করবে। ৭ নভেম্বর সকাল ৭টায় ওই টিম চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবে।

সরকারি রেল পরিদর্শক (জিআইবিআর) রুহুল কাদের আজাদ বাংলানিউজকে বলেন, আজ ট্রেনযোগে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে যাচ্ছেন রেলের পরিদর্শন দফতরের টিম। এসময় নির্মাণাধীন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ও বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করা হবে। এতে কোনো ত্রুটি আছে কি না যাচাই করা হবে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের পরিচালক সুবক্তগীন বাংলানিউজকে বলেন, ১১ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে আসবেন। ওখানে সুধী সমাবেশ হবে। আইকনিক স্টেশন দেখবেন এবং একটা অংশ থাকবে উদ্বোধনের।

তিনি আরও বলেন, ১১ নভেম্বর কক্সবাজারের পথে ট্রেন চলাচল উদ্বোধনের পর বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলবে ২০ বা ২৫ নভেম্বর থেকে। কক্সবাজার রুটে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে ছয় জোড়া ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনা আছে। তবে ইঞ্জিন ও বগি সংকটের কারণে এখনই তা হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের রুটিন কাজ। এটিকে ট্রায়াল রান বলা যাবে না। আমাদের সঙ্গে আছেন রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। তারা এ রেল পরিদর্শন করবেন সেখানে কোন ত্রুটি আছে কিনা দেখবেন। ইন্টারলকিং সিগন্যালিং ব্যবস্থা, প্লার্টফর্ম উঁচু সঠিক কিনা, কালভার্ট, লেভেল ক্রসিং গেট এসব দেখবেন। পরে রেলের পরিদর্শন অধিদফতরের কর্মকর্তারা সার্টিফাই করবেন। এরপর ট্রেন চলবে।

দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালে এই রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ৩০ জুন। পরে এক দফা বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ করা হয় ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রকল্পে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়েনি। এ প্রকল্পের কাজ পুরোদমে চলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই তা সমাপ্ত হতে যাচ্ছে।

২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকল্পটি ‘ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। রেলপথটি নির্মিত হলে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
সংগৃহীত

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে মানবতার মহান ব্রতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আগামীকাল (২৫ ডিসেম্বর)বড়দিন উপলক্ষ্যে দেওয়া আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) এক বাণীতে তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসববড়দিন উপলক্ষ্যে সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানান।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট এই দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে ন্যায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন ছিল যীশু খ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। মহামতি যীশু বিপন্ন অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার জীবনাচরণ দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলির জন্য তিনি মানব ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ইরানের শোক প্রকাশ

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ইরানের শোক প্রকাশ
ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইরান। 

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নেত্রী। এ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বেগম জিয়া গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও বাংলাদেশের জনজীবনে রেখেছেন উল্লেখযোগ্য অবদানও।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে বাংলাদেশ ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় ছিল।

শোকবার্তায় আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে তার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পাশাপাশি তার সহকর্মী ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা। একইসঙ্গে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি। এর আগে, ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৬টায় খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া, কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া। এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায় বন্দি রাখা হয়। 

আওয়ামী লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার।

এরমধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 

এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে নানা রোগে জটিলতা ও শরীরমনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো। 

সবশেষে গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময় তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

কুমিল্লায় বিএনপি’র ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার ও হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার লিফলেট বিতরণ ও মিছিল

কুমিল্লায় বিএনপি’র ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার ও হাজী ইয়াছিনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার লিফলেট বিতরণ ও মিছিল
ছবি

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং কুমিল্লার উন্নয়ন-অভিমুখী ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনগণের হাতে পৌঁছে দিতে বর্ণাঢ্য মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন হয়েছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর চর্থা চৌমুহনীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

এই গণসংযোগ-মুখী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল নগরবাসী, নতুন ভোটার, ব্যবসায়ী-শ্রেণি, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নাগরিক—সকলের মাঝে রাষ্ট্র মেরামত সংক্রান্ত ৩১ দফা এবং বিশেষভাবে কুমিল্লার উন্নয়নে হাজী ইয়াছিনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা। নেতৃবৃন্দের মতে—এটি ছিল জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির একটি ক্ষেত্রভিত্তিক প্রয়াস।

মিছিলে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর, সদর দক্ষিণ ও আদর্শ সদর উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

মিছিল চলাকালে নেতারা জনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বার্তা লিফলেটের মাধ্যমে তুলে ধরেন। লিফলেটগুলোতে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার প্রতিটি পয়েন্টের বাস্তবিক প্রভাব তুলে ধরা হয়। এলিট রাজনীতি থেকে জনগণের রাজনীতিতে ফেরার যে স্লোগান বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উচ্চারিত হয়েছে—এই কর্মসূচিও ছিল তারই ধারাবাহিকতা।

সমাবেশে বক্তারা কুমিল্লার অতীত-বর্তমান সামাজিক–অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন—কুমিল্লা মহানগর একটি ঐতিহ্যবাহী শহর হলেও এখনো নাগরিক সেবা, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষা সুবিধা উন্নয়নে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সুশাসন, জবাবদিহিতা, এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল দরকার। সমাবেশে হাজী ইয়াছিনের কুমিল্লার জন্য প্রস্তাবিত পরিকল্পনার তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে কুমিল্লা–০৬ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা হাতেহাতে লিফলেট নিয়ে অংশ নেন এবং নাগরিকদের মাঝে সরাসরি বিতরণ করেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের বিচার দাবি, তারেক রহমানের কাছে আকুতি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের বিচার দাবি, তারেক রহমানের কাছে আকুতি
সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও বিচারপ্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির এক মতবিনিময় সভায় তারা রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতা, অবহেলা এবং পুনর্বাসনের অভাবের চিত্র তুলে ধরেন।

সভায় নারায়ণগঞ্জের শহীদ আবুল হাসান সজলের ভাই রনি বলেন, আমার ভাইকে আমার চোখের সামনে গুলি করা হয়েছে। আমাকে সে হাসপাতালে শুয়ে জিজ্ঞেস করেছে, হাসিনার পতন হইছে কি না? আমি বলছি, পালাইছে। সে বলছে, আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক, আমরা যেন বিচার পাই।

শহীদ মিরাজের বাবা আব্দুর রব বলেন, আমার সন্তান মিরাজের বয়স ২৯ ছিল। মোবাইলে ভিডিও করে সে সবাইকে দেখাতে চেয়েছিল। তাকে মেরে ফেলেছে। আমার আহ্বান, আগামীতে যারা পার্লামেন্টে যাবে, সে সময় জুলাই সনদ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়ন করবেন।

সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর বেদনার ভাষায় শহীদ পরিবারের সদস্য তামান্না বলেন, আমার দুইটা সন্তান বাবা বলে ডাকতে পারে না। আনোয়ারুল ইসলাম জীবন নামে একজন শহীদের ভাই অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইকে আমার চোখের সামনে ৫ আগস্ট মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে গিয়েছিলাম, সেখানে তামিম নামে একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছে, আমার ভাই কোন দল করত। আমি বলেছি, সে বিএনপি করত। আমার মামলা নেওয়া হয়নি, বরং আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি তারেক রহমান স্যারকে বলি, আমার ভাই বিএনপি করত, এটা কি অপরাধ? আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন, বাংলাদেশের সব শহীদের বিচার দৃশ্যমান করবেন। শহীদ পরিবারগুলো যেন হেনস্তা না হয়। এই ইন্টেরিম সরকার কোনো বিচার করতে পারেনি। ছাত্রদের রক্তের ওপর দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছে। শহীদদের জন্য তারা কিছুই দৃশ্যমান করতে পারেনি।

জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ শাহিন বলেন, রাজপথে যখন আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম, জনাব তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘দফা এক, দাবি এক: খুনি হাসিনার পদত্যাগ। হাসিনা যদি আমাদের দাবি মেনে নিত, পদত্যাগ করত, এত রক্ত কখনোই ঝরত না। আহত ও নিহত পরিবারদের জন্য জনাব তারেক রহমান ছাড়া আর কেউ কিছু দিতে পারবে না।

শহীদ আহনাফের মা বলেন, আমার ছেলে ৪ আগস্ট মিরপুরে আন্দোলনরত অবস্থায় ডান বুকে গুলি লেগে মারা যায়। তার স্বপ্ন ছিল ব্যান্ড শিল্পী হবে। তার কোনো স্বপ্নই পূরণ হলো না। জনাব তারেক রহমান, আপনি যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে আমাদের সব শহীদের হত্যার বিচার করবেন। আমার ছেলের খুনি তার নিজের ঘরে বসবাস করছে, তার কোনো বিচার হচ্ছে না। আজ আমাদের সন্তানের রক্তের ওপর বসে যারা আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে, আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার যে শহীদদের হত্যার বিচার করবে, সেটা আমরা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। অনেকেই বলে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে। আপনিও তো অনেক নির্যাতিত হয়েছেন। আপনি ক্ষমতায় এলে যেন এই বিচার হয়। আপনার কাছে সব শহীদ যেন সমান থাকে শুধু নিজের দলের না। আমরা কোনো দল করি না।

শহীদ আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা বলেন, আমার ছেলে জীবিত থাকলে এবার ইন্টার পরীক্ষা দিত। আমার ছেলে শহীদ হওয়ার ১৪ দিন পর আমার ছোট ছেলের ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়ে। আমরা বিএনপি পরিবার আমার ছেলের পুরো ক্যানসারের খরচ বহন করেছে। আমি কোনো রাজনীতি করি না। আমার ছেলে মারা যাওয়ার সাত মাসের মাথায় আমার স্বামী স্ট্রোক করে মারা যায়। তারেক রহমান আমাকে ফোন করে বলেছেন, তিনি আমার পাশে আছেন। গত ১৭ মাসে তাদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি, কৃতজ্ঞতা থেকে তা স্বীকার করতেই হবে বিএনপির পরিবার আমাদের পাশে ছিল। কিন্তু এই ইন্টেরিম সরকার কী করেছে? আমি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তিন দিন গিয়েছি। আমার ছেলে চিকিৎসা পায় না, অথচ উনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে যান এটা কীভাবে হয়? আমাদের পরিবার পাশে না থাকলে আমার ছেলের চিকিৎসা করতে পারতাম না। আমি তারেক রহমান স্যারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

শহীদ শাহরিয়ার হাসান আলভির বাবা বলেন, আলভি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ৪ আগস্ট মিরপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। রাষ্ট্রের জন্য আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। কিন্তু এই ১৮ মাসে একটি হত্যার বিচারও আমরা দেখিনি। ট্রাইব্যুনালের নামে সেখানে বাণিজ্য চলছে, বিচার হচ্ছে না। তারেক রহমানের কাছে আমার দাবি, আমাদের শহীদ পরিবার কীভাবে ভালো থাকবে সেটা উনি নিশ্চিত করবেন।

শহীদ ইমাম হাসান তাইমের ভাই বলেন, যাত্রাবাড়িতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল, সেটা ছিল আমার ভাই। আমার বাবা একটা কথা বলেছিল, একটা মানুষকে হত্যা করতে কয়টা গুলি লাগে, স্যার? গুলি করে পাখির মতো মানুষ মারা হয়েছে। আমাদের শহীদ পরিবারকে মনে হয় ইন্টেরিম সরকারকে বলতে হবে, বিচার দাও, না হলে মানচিত্র খাবো। আমরা বিচারের জন্য প্রতিটি দ্বারে দ্বারে গিয়েছি। আমি নাহিদ ভাইয়ের কাছে গিয়েছি, উনার কারণে আমার ভাইয়ের তিন খুনি পালিয়ে গেছে। আমি আসিফ ভাইয়ের কাছেও গিয়েছি। তারেক রহমানের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, আপনি যখন ক্ষমতায় যাবেন, শহীদদের হত্যার বিচার করবেন। অনেক শহীদের সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে। আমি বহুবার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা যেন আমাদের সঙ্গে অবিচার না করেন। আল্লাহ তায়ালা ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না।

রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, আমার ছোট ভাই আবু সাঈদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার হত্যার বিচার এখনো হয়নি। যেসব হত্যা মানুষ চোখে দেখেনি, সেগুলোর বিচার কীভাবে হবে? জনাব তারেক রহমানের কাছে আমার আবেদন, আহত ও নিহত পরিবারগুলোকে যেন পুনর্বাসন করা হয়।

সবশেষে মীর মুগ্ধের বাবা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে দানব-নরপিশাচ মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করতে চাই। আগামী দিনে যে সরকার আসবে, যারা আহত হয়েছে, শহীদ হয়েছে, শহীদ পরিবারের মধ্যে যারা আর্থিক সংকটে আছে, তাদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানাব। মতবিনিময় সভাজুড়ে শহীদ পরিবারগুলোর বক্তব্যে উঠে আসে বিচারহীনতার ক্ষোভ, রাষ্ট্রীয় অবহেলার বেদনা এবং ভবিষ্যতে একটি দায়বদ্ধ সরকারের প্রতি তাদের প্রত্যাশা।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও মঞ্চে না বসে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসেন।

এ সময় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার তারেক রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে নিজেদের দুর্দশার কথা জানান। তিনি নিজেও অনেককে ডেকে নিয়ে কথা বলেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বন্যার্তদের মাঝে খাবার ও ঔষধ সামগ্রী বিতরণ ঢাবি ছাত্রদলের

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বন্যার্তদের মাঝে খাবার ও ঔষধ সামগ্রী বিতরণ ঢাবি ছাত্রদলের
সংগৃহীত

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যন্ত কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দক্ষিনাঞ্চল বটতলি, সাতবাড়িয়া ও বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের পানিবন্দী মানুষের মাঝে টানা তৃতীয় দিনের মতো কয়েক হাজার মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার, ঔষধ সামগ্রী ও বাচ্চাদের কাপড় বিতরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন শাওন, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভূইয়া ইমন সহ একটি টীম নাঙ্গলকোটের বটতলি ইউনিয়নের উল¬াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্যাম্প স্থাপন করে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

শিক্ষা উপদেষ্টা হচ্ছেন সি আর আবরার

শিক্ষা উপদেষ্টা হচ্ছেন সি আর আবরার
সি আর আবরার

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার (চৌধুরী রফিকুল আবরার)।

তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

অধ্যাপক সিআর আবরার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক নামকরা শিক্ষক ছিলেন উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, কাল (বুধবার) উনি শপথ নেবেন। প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অনেক দিন ধরেই বলছিলেন, উনি একসঙ্গে দুটি মন্ত্রণালয় কাজ করতে পারছেন না। যেহেতু উনি অ্যাডভান্সড স্টেজে, প্ল্যানিং মিনিস্ট্রিতে অনেক বড় দায়িত্ব ওনার। এজন্য অধ্যাপক সি আর আবরার যুক্ত হচ্ছে উপদেষ্টা পরিষদে।

প্রসঙ্গত, বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করে আসছেন।

তবে নতুন কতজন উপদেষ্টা শপথ নেবেন সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।  

শফিকুল আলম বলেন, উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অনেকদিন যাবত বলে আসছিলেন, তার পক্ষে একই সঙ্গে পরিকল্পনা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তার বদলে অধ্যাপক আবরারকে সম্ভবত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

মুহাম্মদ (সা.) বিশ্ব মানবতার জন্য অনুসরণীয় আদর্শ : প্রধান উপদেষ্টা

মুহাম্মদ (সা.) বিশ্ব মানবতার জন্য অনুসরণীয় আদর্শ : প্রধান উপদেষ্টা
সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা . মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে; প্রতিটি ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে তিনি বিশ্ব মানবতার জন্য অনিন্দ্য সুন্দর অনুসরণীয় শিক্ষা আদর্শ রেখে গেছেন; যা প্রতিটি যুগ শতাব্দীর মানুষের জন্য মুক্তির দিশারি হিসেবে পথ দেখাবে।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’ উপলক্ষে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা . মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারি, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ওফাতের পবিত্র স্মৃতিবিজড়িত ১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বিশ্ববাসী বিশেষত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র মহিমান্বিত দিন। উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে বিশ্বজগতের হেদায়েত নাজাতের জন্যরাহমাতুল্লিল আলামিন তথা সারা জাহানের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। নবী করিম (সা.) সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমতরূপে প্রেরণ করেছি (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭) মুহাম্মদ (সা.) এসেছিলেন তওহিদের মহান বাণী নিয়ে। সব ধরনের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, পাপাচার দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবসত্তার চিরমুক্তি, শান্তি, প্রগতি সামগ্রিক কল্যাণের বার্তা নিয়ে এসেছিলেন তিনি। বিশ্ববাসীকে তিনি মুক্তি শান্তির পথে আসার আহ্বান জানিয়ে অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়েছিলেন এবং সত্যের আলো জ্বালিয়েছেন। আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বে মহানবীর (সা.) অনুপম জীবনাদর্শ, তার সর্বজনীন শিক্ষা সুন্নাহর অনুসরণ এবং ইবাদতের মাধ্যমেই বিশ্বের শান্তি, ন্যায় এবং কল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে বলে আমি মনে করি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মীয় পার্থিব জীবনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর সুমহান আদর্শ সুন্নাহ বিশ্ববাসীর জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্টতম অনুসরণীয় অনুকরণীয় এবং এর মধ্যেই মুসলমানদের অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা শান্তি নিহিত রয়েছে।

. মুহাম্মদ ইউনূসপবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’ উপলক্ষে দেশ, জাতি মুসলিম উম্মাহ তথা বিশ্ববাসীর শান্তি, মঙ্গল সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.) এর সুমহান আদর্শ সুন্নাহ যথাযথভাবে অনুসরণের মাধ্যমে দেশ, জাতি মানবতার কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

আমরা জামায়াতের নয় ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই -ডাক্তার শফিকুর রহমান

আমরা জামায়াতের নয় ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই -ডাক্তার শফিকুর রহমান
সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই নির্বাচন কোনো একক দলের বিজয়ের জন্য নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতের শাসন কায়েম করতে চাই না, আমরা চাই একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এইচজে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ ১২ তারিখের নির্বাচনের পর ১৩ তারিখ থেকে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চায়।

এই পরিবর্তন আসবে সমাজের আকাঙ্ক্ষা, মায়েদের নিরাপত্তা, নারীদের সম্মান এবং দেশের সার্বিক ইজ্জতের ওপর ভর করে।

তিনি বলেন, আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদ মানবো না, কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারও দেখতে চাই না।

চৌদ্দগ্রামের মানুষ ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে ভালোভাবে চেনেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, তার কাজই তার পরিচয়। জনগণ যদি তাকে নির্বাচিত করে, তাহলে চৌদ্দগ্রাম মন্ত্রিপরিষদে একজন সিনিয়র সদস্য পাবে ইনশাআল্লাহ।

নারী ও মায়েদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা মায়ের প্রতি অসম্মান দেখায়, তাদের হাতে কি দেশের কোটি কোটি মা নিরাপদ থাকতে পারে?  সমাজের সবাইকে নারীদের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলনে যে যুবকরা জীবন দিয়েছে, তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছে।

জামায়াত আমির বলেন, ভবিষ্যৎ সরকার হবে জনকল্যাণমূলক এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে হবে আপসহীন। তিনি বলেন, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু যারা সংশোধন হবে না, তাদের বিষয়ে কোনো মায়া দেখানো হবে না।

কওমি মাদ্রাসা বন্ধের অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে কওমি মাদ্রাসার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট আলেমদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দেশে বসবাসকারী সব ধর্মের মানুষ পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করবে।

তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, এই বাংলাদেশ গড়া হবে যুবসমাজের হাতেই। ১১ দলের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ৬২ জনই তরুণ-এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ। এটা হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ, যৌবনের বাংলাদেশ।

ঐক্যের সরকার গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোকেও জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হবে। তবে শর্ত থাকবে দুর্নীতি পরিহার, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং জুলাই আন্দোলনের সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

সাগর সংরক্ষণ ও সামুদ্রিক মৎস্য রক্ষায় সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মিডার এমওইউ সই

সাগর সংরক্ষণ ও সামুদ্রিক মৎস্য রক্ষায় সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মিডার এমওইউ সই
সংগৃহীত

সাগর সংরক্ষণ, সামুদ্রিক মৎস্য রক্ষা ও টেকসই নীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা) জাপানের খ্যাতনামা সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের (এসপিএফ) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।

বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অধীন ওশান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ওপিআরআই) সভাপতি অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ড. আতসুশি সুনামি আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে অনুমোদন দেবেন। অনুষ্ঠানে ওপিআরআইয়ের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. ইমাদুল ইসলাম এবং মিডার সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা সই প্রত্যক্ষ করার পর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাগর সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের সাগর একটি বড় সম্পদ। কিন্তু এটি দিন দিন দূষিত হচ্ছে। সমুদ্রের কয়েক হাজার মিটার গভীরেও এখন প্লাস্টিক বর্জ্যের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। এই সমঝোতা আমাদের সাগর রক্ষা ও পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ করতেই হবে। সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন সামুদ্রিক গবেষণায় বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সম্মানিত একটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের গবেষণায় তাদের সম্পৃক্ততা নিয়ে আমরা আনন্দিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে এবং এই গবেষণা সহযোগিতা ধীরে ধীরে বিস্তৃত হবে।

প্রধান উপদেষ্টা জানান, এই সমঝোতার আওতায় সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন মহেশখালীর তিনটি গ্রামকে ‘উমিগিও (সামুদ্রিক শিল্পভিত্তিক কমিউনিটি উন্নয়ন) ধারণা অনুসারে মডেল ‘মৎস্যগ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে মিডাকে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপকূলীয় উন্নয়ন ও কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়নে নিয়োজিত বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে মিডা, মৎস্য ও সামুদ্রিক বিষয়ক জাতীয় অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এই অগ্রাধিকারগুলো দেশের ২০টির বেশি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার সমন্বয়ে নির্ধারিত।

সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বাধীন দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নীতিমালা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সমঝোতার আওতায় জাপানের নীল অর্থনীতির মডেল অনুসরণ করে মেরিকালচার, মৎস্য, মৎস্যোত্তর ব্যবস্থাপনা, সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জেলেদের কল্যাণে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করা হবে।

এ ছাড়া উমিগিও ধারণার আলোকে উপকূলীয় জীবিকায়ন, সাগরে নিরাপত্তা, কমিউনিটি-ভিত্তিক সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, টেকসই স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জেলে সম্প্রদায় ও সরকারের মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মৎস্যসম্পদ ও উপকূলীয় পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়ে ভিত্তিমূলক গবেষণা পরিচালনার পাশাপাশি জেটি, স্বয়ংক্রিয় মাছ অবতরণ কেন্দ্র, কোল্ডচেইন ও পরিবহন ব্যবস্থা, সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা এবং বাজারব্যবস্থা উন্নয়নেও সহযোগিতা করা হবে।

এ ছাড়া গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণ, সামুদ্রিক খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, মেরিকালচার, উচ্চমূল্য সংযোজন প্রযুক্তি হস্তান্তর, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিনিয়োগ সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সাগরে নিরাপত্তা, মাননিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যবিধি, কর্মপরিবেশ ও শ্রমমান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হবে।

সমঝোতা প্রসঙ্গে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ওপিআরআইয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মিৎসুতাকু মাকিনো বলেন, ‘এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বিশেষ করে মৎস্য খাতে সমন্বিত ও টেকসই নীল অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখা সম্ভব হবে।

মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘মিডা উপকূলীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী জীবিকা সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ ও বাস্তব কর্মসূচির সমন্বয় ঘটিয়েছে। এর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের (বিশ্বের দীর্ঘতম উপসাগরের)—সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞান, কৌশল ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা সম্ভব হবে। এখন বাংলাদেশকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ১৩ থেকে ১৪ জানুয়ারি ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নর্থইস্ট ইন্ডিয়ান ওশান রিজিওনাল ডায়ালগ অন সাসটেইনেবল ব্লু ইকোনমি, কানেক্টিভিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর স্মল আইল্যান্ড ডেভেলপিং স্টেটস (এসআইডিএস)’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপের ফাঁকে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।

দুই দিনব্যাপী এই সংলাপ যৌথভাবে আয়োজন করেছে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের ওশান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট, মিডা এবং পিস অ্যান্ড পলিসি সলিউশনস (বাংলাদেশ)। এতে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশগ্রহণ করে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০

নির্বাচন হবে অবাধ ও উৎসবমুখর, প্রস্তুত থাকতে বিজিবিকে নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

নির্বাচন হবে অবাধ ও উৎসবমুখর, প্রস্তুত থাকতে বিজিবিকে নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে বিজিবি সদস্যদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি বিজিবিও প্রস্তুত আছে। নির্বাচনে ৩৫ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, কোথাও কোন ধরনের ছাড় দেয়া হচ্ছে না। দেশের মধ্যে অপরাধ করে যাতে কেউ সীমান্ত দিয়ে পার হতে না পারে সে জন্য স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।

আজ বিজিবি দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বিজিবি সদর দপ্তরে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পদক প্রদান শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিজিবির খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারবর্গকে সংবর্ধনা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিজিবি সদস্যদের সহায়তা চান।

এছাড়া সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবি সদস্যদের কঠোর ও কৌশলী হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজিবি সদস্যদের অপরিসীম সাহস ও আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তিনি স্মরণ করেন। একইসঙ্গে উপদেষ্টা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদকে। এছাড়া গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে, যাঁদের আত্মদানে উন্মোচিত হয়েছে শোষণ ও বৈষ্যমহীন দেশ গড়ার নতুন পথ। তিনি আরো স্মরণ করেন এ আন্দোলনে যাঁরা আহত হয়েছেন এবং পঙ্গুত্ববরণ করেছেন তাদেরকে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিজিবি এক সুদীর্ঘ ও গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। বিজিবি এক 'ত্রিমাত্রিক' বাহিনী হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কাজে অনন্য ভূমিকা রাখছে। বিজিবির উন্নয়নে সরকার সর্বাত্নক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় দায়িত্ব পালন করতে হবে। সীমান্ত দিয়ে কোন মাদক প্রবেশ করবে না। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারি চোরাকারবারী ও মাদক পাচারকারীদের সহায়তা করে কিংবা সাহায্য করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই সর্বদা সজাগ এবং সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত কৌশলী ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে।

সীমান্তে চোরাকারবারীদের আইনের আওতায় আনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সীমান্তে প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জেলা প্রশাসনের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ থেকে কোন অপরাধী, সন্ত্রাসী সীমান্ত দিয়ে যেন পালাতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সীমান্ত রক্ষার পবিত্র দায়িত্বের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার যে কোনো দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে পালন করতে বিজিবি সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, 'সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী' হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে বিজিবি তার গৌরবময় অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য অনুষ্ঠানে ৭২ জনকে পদকে ভূষিত করা হয়।

পরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কেক কেটে বিজিবি দিবস ২০২৫-এর উদ্বোধন করেন।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১০

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১১

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১২

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৩

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৪

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৫

মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর আপিল খারিজ পারবেন না নির্বাচনে অংশ নিতে

১৬

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত

১৭

ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে, একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৮

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

১৯

সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: তারেক রহমান

২০