

পুষ্পা টিমের বিপদ যেন কাটছেই না!
ভারতের তুমুল হাইপ তোলা চলচ্চিত্র পুষ্পা’র ২য় কিস্তি আসার আগেই একের পর এক বাধার
সম্মুখীন হচ্ছেন সিনেমাটির নায়ক, নির্মাতা ও পুরো টিম। তার আগেও দুর্ঘটনার কারণে
বন্ধ ছিল সিনেমাটির শুটিং। সেই দুর্ঘটনায় সিনেমার একাধিক তারকা আহত হয়েছিলেন। তবে এবার
সিনেমাটির নায়ক আল্লু অর্জুন পড়লেন আঘাতের কবলে। ফের বন্ধ হলো পুষ্পার’
সিক্যুয়েলের শুটিং।
সিনেমাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র
ভারতীয় বিনোদন মাধ্যম পিঙ্কভিলাকে জানিয়েছে, ভারী পোশাক পরে অ্যাকশন দৃশ্যে
স্টান্ট করার কারণে কোমরে ও কাঁধে চোট পেয়েছেন আল্লু অর্জুন। চিকিৎসক জানিয়েছেন,
তাকে কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। সে কারণেই আপাতত বন্ধ ‘পুষ্পা ২’-এর শুটিং। অর্জুন
সুস্থ হলেই ফের শুরু হবে শুটিং।
ইন্ডাস্ট্রি সূত্র অনুসারে, ‘পুষ্পা’র
দ্বিতীয়ভাগে চিত্রনাট্যে আসবে বড়সড় পরিবর্তন। এমনকি সিনেমাটির ক্লাইম্যাক্স
একেবারে চমকে দেবে দর্শকদের! এর আগে পরিচালক সুকুমার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন,
‘পুষ্পা’ যেভাবে গোটা দেশে দারুণ সাফল্য পায়, সে কথা মাথায় রেখেই এর দ্বিতীয়ভাগ
সাজানো হচ্ছে।
আল্লু অর্জুন অভিনীত পুষ্পা ২০২১ সালে
মুক্তি পায়। করোনা-পরবর্তী পর্যায়ে এই সিনেমাটির হাত ধরে ভারতীয় বিনোদন সংস্থা
সাফল্যের মুখ দেখেছিল।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে সিঙ্গেল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি । কারণ তিনি তার দ্বিতীয় স্বামীর পদবি মুছে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজেই এই ঘোষণা দেন।
দ্বিতীয় বিয়ের পর স্বামী রকিব সরকার ও একমাত্র ছেলে ফারিশকে নিয়ে বেশ ভালোভাবেই দিন কাটছিল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির। কিন্তু অভিনেত্রীর সেই সংসারেও বেজে ওঠে ভাঙনের সুর। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বসেন মাহি। এবার স্বামীর পদবি মুছে দিলেন এই চিত্রনায়িকা।
২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মাহির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শারমীন নিপা থেকে হয়ে ওঠেন মাহিয়া মাহি। এরপর থেকে এই নামেই পরিচিতি লাভ করেন তিনি। রকিব সরকারকে বিয়ের পর নিজের নাম রেখেছিলেন মাহিয়া মাহি সরকার। তবে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পরই তার নামের সঙ্গে সংযুক্ত ‘সরকার’ পদবি বদলে ফেললেন মাহি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় মাহি জানান, আমরা দুজন মিলেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে ভীষণ সম্মান করি আমি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে সেটাও দুজন মিলেই ঠিক করব।
বর্তমানে চলচ্চিত্রে আগের মতো নিয়মিত নন মাহি। রাজনীতিতেও নিজের শক্ত অবস্থান গড়তে পারেননি। একদিকে দ্বিতীয় সংসারও ভাঙল, অন্যদিকে অভিনেত্রীর ছেলের গায়ের রং নিয়েও রয়েছে নানান সমালোচনা। সব মিলিয়ে মানসিক অবসাদেই যেন ভুগছেন মাহি।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৪ মে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পরেই ২০২০ সালে মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা জানান তিনি। পরে ২০২১ সালে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবকে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি।
মন্তব্য করুন


পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি-ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী জামিন পেয়েছেন।
আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই।
এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেয়ার পর তা আত্মসাৎ ছাড়াও ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার নির্ধারিত তারিখে আসামিরা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া মেহজাবীন ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদী আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার করার কথা বলেন। এ প্রতিশ্রুতিতে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন অভিনেত্রী ও তার ভাই। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। পাওনা টাকা চাইতে গেলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইতে গেলে ১৬ মার্চ বাদীকে হাতিরঝিল রোডের পাশের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। ওইদিন সেখানে গেলে মেহজাবীন, তার ভাই এবং আরও কয়েকজন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। সেই সঙ্গে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, টাকা চাইতে আর বাসার সামনে দেখা গেলে মেরে ফেলব। এতে বাদী চরম আতঙ্কে পড়েন।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে থানার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


নাটকের শুটিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি রিসোর্টে একটি মডেলকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর গাজীপুর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিচালক নাসিরউদ্দীন মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরার বটতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়, নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর জেলা ডিবির পরিদর্শক হাসমত উল্লাহ।
তিনি জানান, “মামলার প্রধান আসামি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। আজ তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আশা করা যায়, অন্যান্য জড়িতদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।”
ভুক্তভোগী মডেল জানান, “সব আসামিকে গ্রেপ্তার করলে আরও ভালো লাগত। আমি এখনো হুমকির মুখে আছি। আশা করি ন্যায়বিচার হবে।”
ঘটনার পেছনের ইতিহাস অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে মডেল শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের উত্তর পেলাইদ গ্রামের একটি রিসোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই রাতেই তিনজন—নাসিরউদ্দীন মাসুদ, তাঁর সহযোগী বাবর এবং একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি—তার উপর যৌন নির্যাতন চালান। পরের দিন বিকেলে মডেলকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তার আইফোন, যার মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, কেড়ে নেওয়া হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী মডেল নাটক সংক্রান্ত কাজের প্রস্তাব পাওয়ার কারণে ওই স্থানে গিয়েছিলেন। পরে জানা যায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামির নাম আবুল হাসেন। মামলায় নাসির (৩৫) ও বাবর (৩২) নামে দুই আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সুচিত্রা
সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে দুই বাংলার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় আসেন। তাকে স্বাগত জানান ফ্যাশন
ডিজাইনার ও চলচ্চিত্র প্রযোজক পিয়াল হোসাইন।
পিয়াল
হোসাইন জানান, সুচিত্রা সেন স্মরণে আগামী ২০-২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের জ্যামাইকা পারফর্মিং
আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠেয় চলচ্চিত্র উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে শুক্রবার কলকাতা
ফিরে যাবেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা।
এর
আগে, যুক্তরাষ্ট্রে বিচ্ছিন্নভাবে দুই বাংলার চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হয়েছে। কিন্তু একটি
পূর্ণাঙ্গ উৎসব এবারই ১ম। ২ দিনব্যাপী ৩৫ ঘণ্টার ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র
উৎসব’-এ দুই বাংলার ১০টি ফিচার ফিল্ম, ৫টি তথ্যচিত্র ও ৫টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
প্রদর্শিত হবে।
মন্তব্য করুন


৩৩০
কোটি টাকার মালিক এই স্টারকিড! বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তানের তকমা পেয়ে গেছে
ছোট্ট রাহা কাপুর! আর সে স্টারকিড হচ্ছে ‘রণলিয়া’ খ্যাত
দুই বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের একমাত্র মেয়ে।
কিন্তু
কীভাবে এতো অর্থ জমা পড়েছে ছোট্ট মেয়ে রাহার অ্যাকাউন্টে?
আনন্দবাজার
পত্রিকার এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মুম্বাইয়ের পালি হিলস্
এলাকায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায় থাকেন ‘রণলিয়া’
দম্পতি। এই আবাসনে আলিয়ারও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকা)। অন্যদিকে,
গত ৩ বছর ধরে বান্দ্রায় নিজেদের বাংলো তৈরি করছেন এই তারকা
দম্পতি। দাদা রাজ কাপুরের ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলোকেই নতুনভাবে তৈরি করছেন তারা। কাজ প্রায় শেষ, খুব শিগগিরই নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশ করবেন রণবীর-আলিয়া।
আর
এই বাংলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫০ কোটি রুপি তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩০
কোটি টাকা। কারণ, শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র সমপরিমাণ বাজারমূল্য এই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোর।
বলিউডের
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, নিজেদের উপার্জনের অনেকটা অর্থই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোতে বিনিয়োগ করছেন ‘রণলিয়া’। আর বাংলোটি ইতোমধ্যেই মেয়ে রাহার নামে করে দিয়েছেন তারা। সে
হিসেবে রাহা কাপুরই এই মুহূর্তে বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তান।
মন্তব্য করুন


টালিউডে নতুন জ্যোতির্ময়ী, প্রথম সিনেমাতেই দেবের সঙ্গে জুটি
টালিউডে নতুন মুখ জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। প্রথম সিনেমাতেই তিনি পেয়েছেন সময়ের আলোচিত নায়ক দেবের বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, দেবের নাম প্রথম শুনে তার গায়ে শিহরণ জাগেছিল। আর দেবকে সরাসরি দেখার দিনটিও ছিল কিছুটা ভয়ের—কিন্তু তা শীঘ্রই উচ্ছ্বাসে পরিণত হয়।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে দ্বিতীয় গান প্রকাশের পর জ্যোতির্ময়ীর উচ্ছ্বাস যেন সীমাহীন। নতুন সিনেমা শুরুতে বিশ্বাস করাও কঠিন ছিল। তিনি জানান, অনুভূতি এতটাই চরম যে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। তিনি আরও বলেন, “লোকে আমার মুখ দেখে বোঝে না আমি খুশি নাকি দুঃখ পেয়েছি। পর্দায় দেবের বিপরীতে রোম্যান্স করলেও তিনি বুঝতে পারেননি আমার অনুভূতি।”
জ্যোতির্ময়ী বলেন, দেবের সঙ্গে প্রথম দেখা ততদিনের স্মৃতিতে অদ্ভুত। “সেই সময় দেবদা ওজন একটু বাড়িয়েছেন, মুখে দাড়ি-গোঁফ ছিল। প্রথমে একটু ভয় লেগেছিল। কিন্তু পর কিছু দিনের মধ্যে দেখলাম—এটাই আমার পর্দার ‘পাগলু’ দেবদা।” পরিচালক অভিজিৎ সেনের কাছে তার কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।
লন্ডনে দীর্ঘ শুটিং চলাকালীন অভিনেত্রী এবং দেবের কাজের ফাঁকে ঘুরাফিরা, খাওয়াদাওয়া এবং কেনাকাটা করাও স্মরণীয় হয়ে গেছে। দেবের জন্য কি কিনলেন—এই প্রশ্নে প্রথমে থমকে গেলেও পরে হেসে বলেন, “ওর পছন্দ কী করে জানব, সারাক্ষণ তো ওর সঙ্গে থাকি।”
অভিনেত্রী আরও উচ্ছ্বাসে জানান, মিঠুন চক্রবর্তী এই সিনেমায় আছেন। প্রথম সিনেমা তার জন্য অনেক নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে—‘প্রজাপতি ২’ তার অনেক ‘প্রথম’ স্মৃতি হিসেবে থাকবে। একই সঙ্গে ছোটপর্দার ধারাবাহিক ‘বঁধুয়া’র চরিত্র ‘পেখম’ তাকে দেবের সঙ্গে কাজের পথে নিয়ে এসেছে।
জ্যোতির্ময়ী হেসে বলেন, “পর্দায় এক মেয়ের বাবা হলেও দেবদার সঙ্গে রোম্যান্সে আমার কোনো আপত্তি নেই। বাস্তবে অবশ্য নয়—বাস্তবে দেবকে আমি খুবই শ্রদ্ধা করি।”
যদি ভবিষ্যতে পরিস্থিতি উল্টো হয়, অর্থাৎ দেব ছোটপর্দায় নায়ক হন, জ্যোতির্ময়ী খুশি কণ্ঠে বলেন, “তাহলে আমাদের কে ‘পাগলু’ উপহার দেবে?”
ছোটপর্দার নায়িকাদের বড়পর্দায় সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে তার মন্তব্য, “দেবদার মতোই সবার উচিত এমন ভাবা। প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরীও এর পক্ষে। মাধ্যম দেখে নয়, অভিনেতা-অভিনেত্রীর প্রতিভা মাপা উচিত।” ভবিষ্যতে ছোটপর্দায় ফিরতে রাজিও জ্যোতির্ময়ী।
এবং পরিশেষে, নিজের ‘প্রজাপতি’ কবে বসবে—এই প্রশ্নে প্রাণখোলা হাসি দিয়ে বলেন, “আরও ১০–১২ বছর অপেক্ষা, তারপর বসুক।”
মন্তব্য করুন


নতুন প্রজন্মের তারকা ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিন তিশা জুটি হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। হঠাৎ করেই অজানা কারণে দুজনের যৌথ পথচলায় ছেদ পড়েছে। অবশেষে সেই বিরতি ভেঙে ফের এক ফ্রেমে দাঁড়ালেন জোভান-তিশা জুটি।
আর এই কাজটি করেছেন তরুণ নির্মাতা ইমরোজ শাওন। যোবায়েদ আহসানের রচনায় সিএমভির ব্যানারে নির্মিত বিশেষ এই নাটকটির নাম ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’।
সদ্য শুটিং শেষ হওয়া এই নাটকে জোভান অভিনয় করেছেন রাকিব চরিত্রে আর তিশারে নাম রিদা। দুজনে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ক্লাবের নেতৃত্বে অন্যজন সাংস্কৃতিক ক্লাবের।
নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা ইমরোজ শাওন
বলেন, তার মানে
এই নয়, দুটি দলের প্রধান বলে তাদের মধ্যে মধুর বা প্রেমময় সম্পর্ক
গড়ে উঠেছে। গল্পে মূলত তাদের দেখা যাবে বিরোধী অবস্থানে। এমনকি দুর্ঘটনাও ঘটে তাদের এই বিরোধের জেরে।
গল্পটা প্রেমের বটে, তবে এটি দেখলে মূলত ক্যাম্পাস জীবনে ফিরে যাবেন দর্শকরা।
প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’ নাটকটি শিগগিরই উন্মুক্ত হবে সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী হিনা খান বড় চুল ভালোবাসতেন। আর সেই সখের সখের চুল কেটে ফেললেন। কিন্তু চোখে জল নয়, বরং মুখে একরাশ হাসি ছিল তার। কেমো থেরাপির আগে চুল কেটে ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তাও দিয়েছেন ভারতীয় এই অভিনেত্রী।
চুল কাটার ভিডিও আপলোড করে হিনা লেখেন, আমার মতো মহিলাদের বলছি। আমাদের মাথার চুল আমাদের গর্ব। আমাদের মুকুট। কিন্তু অনেক সময়ই এই মুকুট নামিয়ে জীবন লড়াইয়ে অংশ নিতে হয়। তাই লড়াইটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। আর এই লড়াইটা জেতার জন্য সব কিছুই ছাড়া যায়।
স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত অভিনেত্রী। স্টেজ ৩। পুরো পৃথিবীটাই যেন ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে তার। হাসপাতালের বিছানায় শুরু কঠিন লড়াই। প্রথম কেমোথেরাপির ভিডিও শেয়ার করছেন অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে দিলেন আবেগঘন বার্তা।
ভিডিওতে প্রথমে হিনাকে গ্ল্যামারাস লুকে দেখা যাচ্ছে। ফটোশুট সেরে একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যান তিনি। বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয় তাকে। এর পরেই হাসপাতালে দেখা যায় অভিনেত্রী হিনাকে। হাসতে হাসতেই অভিনেত্রী বলেন, ‘সমস্ত গ্ল্যামার শেষ!’ হাসপাতালের করিডর পেরিয়ে নিজের বেডে পৌঁছে যান হিনা। শুরু হয় কেমোথেরাপি।
হিনা জানান, পুরস্কার নিয়েই তিনি সোজা হাসপাতালে চলে গিয়েছিলেন প্রথম কেমোথেরাপির জন্য। অভিনেত্রীর কথায়, আমরা যা বিশ্বাস করি তাই হয়ে উঠতে পারি আর আমি নিজেকে নতুনভাবে উদ্ভাবনের সুযোগ হিসাবে এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর জন্য আমার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ইতিবাচক চিন্তা।
তার কথায়, আমি অত্যন্ত স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছি। আর যা হবে তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখছি। আমার কাছে ..আমার কাজের প্রতিশ্রুতি গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ আমার অনুপ্রেরণা, আবেগ এবং শিল্পীসত্তা। আমি হার মানব না।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


রিমানন্ড ও জামিনা না মঞ্জুর করে
টিকটকার মামুন মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।
টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের
(২৫)
বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
করেন বান্ধবী লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮)।
এর আগে সোমবার (১০ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। এরপর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজ (মঙ্গলবার) তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক মো: শাহজাহান। আসামিপক্ষে বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন লায়লা।
মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন তাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা ছিল না। তাই প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ায় এবং মামুন লায়লাকে বিয়ে করবে জানালে তাকে নিজ বাসায় থাকার অনুমতি দেন তিনি (লায়লা)।
পরে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতে থাকেন। সেখানে লায়লার বাসায় তার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন মামুন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন তিনি। মামুন তার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই ওই বাসায় গিয়ে থাকতেন। লায়লা মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মামুনকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
মন্তব্য করুন