

প্রথমবারের মতো বালিউড সিনেমায় অভিনয় করলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান।সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
সিনেমার নাম ‘করক সিং’।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে।
এ খবর সবার জানা, নতুন খবর হচ্ছে- রহস্য আর সাসপেন্সে ভরপুর থ্রিলার গল্পের সিনেমা ‘করক সিং’ মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে জি ফাইভে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি দেখা যাবে।
জয়া আহসান ছাড়াও এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আরও আছেন ‘দিল বেচারা’খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘী ও মালয়ালম অভিনেত্রী পার্বতী।
এর আগে সিনেমার শুটিং শেষে জয়া আহসান অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজের অভিজ্ঞতাও। ওই সময় শুটিং ও প্যাকআপের কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জয়া লেখেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী বা যাকে আমরা টনি দা বলে ডাকি, তার নেতৃত্বে এমন অসাধারণ টিমে কাজ করতে পেরেছি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি এবং অন্য যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমি কাজের প্রত্যেকটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।
জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও লিখেছিলেন, একজন শিল্পী কতখানি শিখতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই। প্রত্যেকদিনই আমরা নতুন নতুন জিনিস শিখি এবং এই সিনেমার শুটিং আমার জন্য অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সমর্থন করার জন্য পুরো টিমের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের সঙ্গে আবারও কাজ করতে উন্মুখ হয়ে থাকব।
জানা গেছে, অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত একে শ্রীবাস্তব নামক এক চরিত্রের সংকটময় জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই চরিত্রটি অতীতের সব ঘটনা ভুলে গেছে। ভুলে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি একত্র করার চেষ্টা করতে থাকে সে। একপর্যায়ে শ্রীবাস্তব আবিষ্কার করে বিরাট এক অর্থনৈতিক অপকর্মের পেছনের সত্য।
‘করক সিং’ সিনেমার এমন গল্প লিখেছেন বিরাফ সরকারি, রিতেশ শাহ ও অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এটি প্রযোজনা করছে উইজ ফিল্মস।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের
মতো নারী ও পুরুষ ফুটসাল টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের অভিষেক আসরেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার
গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটসাল দল।
আজ রোববার
(২৫ জানুয়ারি) নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
৭ দেশ নিয়ে আয়োজিত লিগ পদ্ধতির এই টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ পয়েন্ট পেয়েছে
বাংলাদেশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভুটানের পয়েন্ট ৫ ম্যাচে ১১।
গত পরশু ভারত-ভুটান
ম্যাচ ড্র হলে আজকের ম্যাচের আগেই চ্যাম্পিয়ন হতে পারতেন সাবিনারা। কিন্তু ওই ম্যাচে
ভুটান জেতায় শিরোপা নিশ্চিতে শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। নারী ফুটসালে মালদ্বীপ
সবচেয়ে দুর্বল শক্তির দল হওয়ায় বাংলাদেশের জয় অনুমেয়–ই ছিল।
ককের নন্থাবুরি
স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ মাঠে নেমেছিল ‘ড্র করলেই চ্যাম্পিয়ন’ সমীকরণ নিয়ে। প্রথমার্ধে
৬-১ গোলে এগিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন সাবিনা-মাসুরারা। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আরও ৮ গোল
করে। এই টুর্নামেন্টে এটাই কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি।
প্রথম মিনিট
থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন সাবিনারা। তবে ম্যাচে প্রথম গোলটা করেছে মালদ্বীপই। তৃতীয়
মিনিটে গোলকিপার স্বপ্না আক্তার ও মাসুরা পারভীনের বোঝাপড়ার ভুলে বল যায় বাংলাদেশের
জালে। তবে সমতাসূচক গোল পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি বাংলাদেশকে।
ম্যাচের পঞ্চম
মিনিটে সরাসরি ফ্রি–কিক থেকে গোল করেন সাবিনা খাতুন। এর এক মিনিট পর পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
তবে এই সুযোগটা সাবিনা কাজে লাগাতে পারেননি। ১৩ মিনিটে আবার ফ্রী কিক পায় বাংলাদেশ।
এবার আর ভুল করেননি সাবিনা, সরাসরি শটে জাল কাঁপান অধিনায়ক।
বাংলাদেশও ম্যাচে
২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি মালদ্বীপ। একের পর এক গোল হজম
করেছে। ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের প্রথমার্ধে আরও চারটি গোল করে বাংলাদেশ। ৬–১ স্কোরলাইনে
সাবিনার মতো জোড়া গোল করেন লিপি আক্তারও।
দ্বিতীয়ার্ধে
বাংলাদেশ করে ৮টি গোল। এর মধ্যে ম্যাচের ২২তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাবিনা।
এক মিনিট পর বাংলাদেশকে অষ্টম গোলটি এনে
দেন মাতসুশিমা সুমাইয়া। ২৬ মিনিটে সাবিনা নিজের নামের পাশে আরেকটি গোল যোগ করেন।
ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে মালদ্বীপকে আরও পাঁচ
গোল দিয়েছে বাংলাদেশ। দশম ও ১১ নম্বর গোলটি করেন নিলুফা ইয়াসমিন ও লিপি আক্তার। ৩১
মিনিটে কৃষ্ণা উদযাপন করেন বাংলাদেশের ১২তম গোল। মালদ্বীপের কফিনে শেষ দুটি পেরেক ঠুকেছেন
মেহেরুন আক্তার ও মাসুরা।
বাংলাদেশের
নারী ফুটবলের কিংবদন্তি সাবিনা খাতুন সাবিনা খাতুনের এই টুর্নামেন্টে তার গোল সংখ্যা
১৩। বাংলাদেশের প্রতি ম্যাচে ধারাভাষ্যকার সাবিনার প্রশংসা করেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ
টানা দুই বার সাফ ফুটবলের পর ফুটসালেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
২০১৮ সালে ফুটসালে
বাংলাদেশের মেয়েদের পথচলা শুরু হয়। সে বছর কোচ গোলাম রব্বানীর অধীনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে
অংশ নেয় বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত বছরের
শেষদিকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নতুন করে দল গঠন শুরু করে।
প্রথমবারের
মতো সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে দেশে ও দেশের বাইরে অনুশীলনের মধ্য দিয়ে
গড়ে ওঠে এই চ্যাম্পিয়ন দল। মেয়েদের পাশাপাশি ব্যাংককে চলছে ছেলেদের প্রথম সাফ ফুটসাল
চ্যাম্পিয়নশিপও। তবে ৬ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


রাতে রহস্যজনক স্ট্যাটাস আর সকালে অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে শাড়ি দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল ভারতীয় অভিনেত্রী অমৃতা পান্ডের মরদেহ।
অমৃতা পান্ডে ‘অন্নপূর্ণা’ নামে ইন্ডাস্ট্রিতে
পরিচিত ছিলেন। বিহারের ভাগলপুরের জোগসার থানা এলাকার আদমপুর জাহাজ ঘাটে অবস্থিত একটি
অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিনেত্রীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। অভিনেত্রীর
মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে কী কারণে অমৃতা আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো
জানা যায়নি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে,
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অমৃতা তাঁর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি
নোট শেয়ার করেছিলেন।
পুলিশ রিপোর্ট অনুসারে, হোয়াটসঅ্যাপে
অমৃতার নোটে লেখা ছিল, ‘কেন দুই নৌকায় ভাসছিল জীবন, নৌকা ডুবিয়ে জীবন সহজ করে দিয়েছি।’
রিপোর্ট বলছে, অমৃতা তাঁর স্বামীর সঙ্গে
মুম্বাইয়ে থাকতেন। কিন্তু তিনি সম্প্রতি ভাগলপুরে একটি বিয়ের জন্য তাঁর আত্মীয়দের
সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত জেগে ছিলেন অমৃতা এবং তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ
স্ট্যাটাসে সেই নোটটি পোস্ট করেন।
এর কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে তাঁর ঘরে মৃত
অবস্থায় পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন


গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) রাতে তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
মুশফিক আর ফারহানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, নাটকের শুটিংসেটে ফারহান হঠাৎ জ্বর ও শরীর ব্যথার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর তাকে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
সোনালী দিনের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘ দিন মরণব্যাধি
ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে ৮২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি
ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুর
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী
সদস্য সনি রহমান। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের
পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী অভিনেতা। পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে এলেও
নিয়তি তাকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে।
১৯৬৪
সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায়
অভিষেক ঘটে তার। তবে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’
সিনেমার মাধ্যমে। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা।
এরপর
আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে; একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে
‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেন তিনি।
চলচ্চিত্র জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন সে সময়ের জনপ্রিয়
চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে।
সত্তুর
ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল পর্দা কাঁপানো নাচ আর অ্যাকশনের অনবদ্য
এক মিশ্রণ। তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ দিন ক্যানসারে
আক্রান্ত হয়ে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপাকে (মাহিয়া মাহি) নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দায়ে তলব করেছে ।
শুক্রবার অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালত) মো. আবু সাঈদ তাকে তলব করেন।
মাহিয়া মাহিকে পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, গত ১৪ ডিসেম্বর আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাচ্ছেন মাহি শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।
এছাড়া নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি আরো জানতে পারে ওই দিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রচার শুরু করেন এবং ভোটারদের কাছে ভোট চান।
চিঠিতে আরো বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৬(ঘ) ও বিধি ১২ লঙ্ঘন করেছেন শারমিন আক্তার নিপা (মাহি)। যা নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে গণ্য হয়েছে।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় উপস্থিত হয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নতুন বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরমান মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আশনা শ্রফের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে নিজেই সুখবরটি জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আরমান লেখেন, ‘তু হি মেরা ঘার (তুমিই আমার ঘর)’।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগদান সেরেছিলেন আরমান মালিক ও আশনা শ্রফ। তাদের বাগদানের ছবিতেও মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। বিয়েতেও সেই ধারা বজায় থাকল। দিনের আলোয় পালিত হলো বিবাহ অনুষ্ঠান।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
মন্তব্য করুন


কেনিয়ার ২২ বছর বয়সি পরিবেশকর্মী ট্রুফেনা মুথোনি
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘকাল ধরে একটানা বৃক্ষআলিঙ্গনের
মাধ্যমে।
ট্রুফেনা একটি গাছের গায়ে ৭২ ঘণ্টা ধরে আলিঙ্গন করে
রেকর্ড স্থাপন করেছেন। পূর্বের রেকর্ডধারী ঘানার ফ্রেডেরিক বোয়াকি ছিলেন, যিনি ৫০
ঘণ্টা ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ড ধরে গাছ আলিঙ্গন করেছিলেন।
মুথোনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৪৮ ঘণ্টার একটি আলিঙ্গন
সম্পন্ন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, প্রথম চেষ্টার মাধ্যমে তিনি মানুষকে পৃথিবীর সঙ্গে
সংযোগ স্থাপনের একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন।
দ্বিতীয় চেষ্টার বিষয়ে তিনি জানান, এটি ছিল একটি
প্রতিজ্ঞা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, পৃথিবীর যত্ন নেওয়া কেবল প্রতীকী নয়; এটি ধৈর্য,
অধ্যবসায় এবং প্রমাণের মাধ্যমে দেখাতে হবে যে এটি একটি স্থায়ী দায়িত্ব। এই চ্যালেঞ্জ
পুনরায় করার উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশের জন্য সচেতনতা একবারের নয়, দীর্ঘমেয়াদি কর্তব্য
হিসেবে প্রদর্শন করা।
মন্তব্য করুন


দেশের ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী
রুকাইয়া জাহান চমক বর্তমানে ব্যস্ত আছেন আসন্ন ঈদের কাজ নিয়ে। চমক নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ
করতে যাচ্ছেন। অভিনেত্রী পরিচয় ছাপিয়ে এবার নামছেন ব্যবসায়। সেখানেও চমক দেখাবেন চমক।
‘৯০ ডিগ্রি ওয়েস্ট’ নামের জুস বার ও
ট্রি হাউস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। যেখানে জুসসহ অনেক কিছুই থাকছে। থাকবে গাছও। আগামী
৩ জুন বনানী ও উত্তরা আউটলেট দুটি চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী চমক।
অভিনেত্রী চমক বলেন, আমার বাবা একজন
বন বিভাগ কর্মকর্তা। ছোটবেলা থেকে বাবাকে প্রচুর গাছ লাগাতে দেখেছি। আগে থেকেই এবং
পারিবারিকভাবেই আমাদের গাছ লাগানোর একটা ঝোঁক আছে। আমার এখানে খেতে এসে কেউ যদি গাছ
নিতে আগ্রহী হয় সে ভাবনা থেকে এটা রাখা। এভাবে যদি প্রতিদিন একটু একটু করে গাছ বাড়ানো
যায় এবং গাছ লাগাতে আগ্রহী করা যায় তাহলে আমাদের শহরটা আরও একটু সুন্দর হবে। সে ভাবনা
থেকে এমন চিন্ত।
এই অভিনেত্রী ২০২০ সালে অভিনয়ে নাম
লেখান । তিনি টেলিভিশন নাটকে কাজ করেন।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন


সংসদ সদস্য পদ থেকে ‘পদত্যাগ’ করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন তিনি। যদিও মমতা এখনও সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। বিষয়টি জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী নিজেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আজ বিধানসভায় মমতা বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কক্ষে ঢোকেন মিমি। কিছুক্ষণ পর ওই কক্ষে ঢোকেন তৃণমূলের দুই তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়া। বক্তব্য শেষ হলে নিজের কক্ষে যান মমতা। তারপর তিনি মিমি এবং বাকিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক থেকে বের হয়ে মিমি বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে এমপি পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তবে মমতা এখনো সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে তিনি ভারতীয় লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়ে আসবেন।
সম্প্রতি সংসদের দুটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছে মিমি। সংসদের শিল্পবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রণালয় এবং নবীন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটির সদস্যও। এই দুটি পদ থেকেই তিনি পদত্যাগ করেন।
এরপর জানা যায়, যাদবপুর লোকসভার অধীন নলমুড়ি এবং জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপারসন পদও ছেড়ে দিয়েছেন মিমি। তারপর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়।
প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৪ সালে যাদবপুর থেকে আবারও কি প্রার্থী হবেন মিমি? নিজের ধারাবাহিক পদত্যাগ প্রসঙ্গে অবশ্য এর আগে তিনি মুখ খোলেননি। আজ জানিয়ে দিলেন, আর এমপি থাকতে চান না তিনি। মিমি বলেন, আমার যা বলার ছিল, দিদিকে (মমতা) বলেছি। অনেকে বলছিলেন, আমি পরবর্তী টিকিট পাকা করার জন্য এটা করছি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।
এর ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি করলে আমার মতো মানুষকে গালাগালি দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় লোকে। মিমি চক্রবর্তী যদি খারাপ কিছু করত, সবার আগে শিরোনামে উঠে আসত। আমি জেনে জীবনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। আমি রাজনীতিক নই। কখনো রাজনীতিক হবো না। সবসময় আমি মানুষের জন্য কর্মী হিসাবে কাজ করতে চেয়েছি। আমি অন্য দলের কারও বিরুদ্ধেও কখনো খারাপ কথা বলিনি।
মন্তব্য করুন