

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
তরুন প্রজন্মকে মাদকের আগ্রাসন থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাইতো এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে উপজেলার খিলমেহের গ্রামে। যুব সমাজের অবক্ষয় রোধ ও সমাজের নানা অপরাধ রোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়। পাশাপাশি এলাকায় ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি ও উদীয়মান খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ম্যাচের আয়োজন। প্রতিবছর এমন উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান আয়োজক কমিটি। কচুয়া উপজেলার খিলমেহের গ্রামের বেপারী বাড়ি এলাকায় বিবাহিত ও অবিবাহিত খেলোয়ারদের মধ্যে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন ইচ্ছা সংগঠনের আয়োজনে এ ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এতে বিবাহিত খেলোয়াররা ৫-১ গোলে বিজয়ী লাভ করেন।
খেলার প্রথমার্ধের ১০ মিনিটের সময় বিবাহিত খেলোয়ার সোহেল মৃধা গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যায়। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটের সময় অবিবাহিত খেলোয়ার রেজাউল গোল করে সমতা আনে। দ্বিতীয়ার্ধে বিবাহিত দলের খেলায়াররা ৫-১ গোলে চ্যাম্পিয়ান হয়। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাহিদ সরকার,মাহবুব প্রধান,শামীম আহমেদ বেপারী,সুমন সরকার,কামাল হোসেন,খোরশেদ আলম মৃধা,হারুন পাঠান,আব্দুল কাদির, কবির পাঠান,জাকির হোসেন ও সাদ্দাম হোসেন। পরে চ্যাম্পিয়ান ও রার্নাসআপ খেলোয়ারদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। খেলাটি পরিচালনায় করেন রেফারী আশিকুর রহমান,ল্যান্সম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খোরশেদ ও জাহিদ সরকার।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
সদর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়া নামে এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে ২০০ কেজি
গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় মোতালেব মিয়ার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৭) এবং মেয়ে
ইসরাত জাহানকে (১৯) আটক করা হয়েছে। তাসলিমা ও ইসরাত সম্পর্কে মা ও মেয়ে।
আটকের
বিষয়ে কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, বুধবার ভোর রাতে মির্জানগরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
অভিযান পরিচালনা করা হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী মোতালেব মিয়ার বাড়িতে। এ সময় তার বাড়ি
থেকে পাঁচ মন গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। আটক করা হয় ইসরাত জাহান ও তাসলিমা বেগমকে। এই
সময় ওমর ফারুক, হান্নান ও আমজাদ নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।
তারা
সবাই মিলে মাদক পাচার ও ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
ইসরাত জাহান কোতোয়ালি থানাধীন মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়ার মেয়ে ও তাসলিমা আক্তার
মোতালেব মিয়ার স্ত্রী।
কোতয়ালি
থানা ওসি মাহিনুল ইসলাম জানান, তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে আগেরও একটি মাদকের মামলা রয়েছে।
এবার মা-মেয়ে দুজনই আটক হলেন। অভিযানে মোতালেবের ঘরে লুকানো অবস্থায় ১০ টি বড় ধরনের
বস্তায় ভর্তি ৫ মন গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওমর ফারুক,
হান্নান ও আমজাদ পালিয়ে যায়। তারা তিনজন ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের
এই সিন্ডিকেট টি ওই বাড়িতে রেখে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো।
এই ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত মা-মেয়েকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে একদিনে পৃথক ঘটনায়
চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই নারী
ও দুই শিশু রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে
শহরের কলাতলী সৈকতপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে একই পরিবারের ৮ জন মাঠি চাপা পড়ে। এ ঘটনায়
বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার
করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাঈদ আনোয়ার বলেন,
গাছ এবং পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৮ জন মাটির নিচে চাপা পড়ে। পরে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস
এবং স্থানীয়রা মিলে ওই পরিবারের ৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মিম নামের এক শিশুকে
বাঁচানো যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সদরের ঝিলংজায়
লায়লা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ পাহাড় ধসে নিহত হন। তিনি দক্ষিণ মহুরিপাড়া এলাকার বজল
আহমদের স্ত্রী। এ ঘটনায় তাদের ২ বছরের শিশু মোহাম্মদ জুনায়েদ গুরুতর আহত হয়ে কক্সবাজার
সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টার দিকে
পাহাড় ধসের পৃথক ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়। শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পল্যান কাটা এলাকায়
বসতঘরে পাহাড় ধসে স্থানীয় মোহাম্মদ করিমের স্ত্রী জমিলা বেগম (৩০) নিহত হয়েছেন। এছাড়া
শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের সিকদার বাজার এলাকায় মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় সাইফুলের
ছেলে মো: হাসানের (১০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রকিবুজ্জামান বলেন, কক্সবাজারে পৃথক পাহাড় ধসের
ঘটনায় দুই নারী ও দুই শিশু নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী
আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই)
সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ৩৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী দুদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে
দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান
তিনি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) মধ্যরাত থেকে
কক্সবাজারে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাকখালী ও মাতামুহুরি নদীসহ বিভিন্ন ছোট বড় নদ-নদীর
পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ
এবং কক্সবাজার পৌরসভার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে পর্যটন
শহরের কলাতলী সড়কসহ অসংখ্য ছোট-বড় সড়ক, বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৪ থেকে ৫ ফুট
উচ্চতায় পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা, হোটেল-মোটেল জোনে
বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কলাতলী সড়ক, বাজারঘাটা, বাস টার্মিনাল,
উপজেলা বাজার ও লিংকরোড় এলাকায় সড়কে বন্যার পানি জমে যায়।
মন্তব্য করুন


রমজান মাসকে সামনে রেখে পর্যটক কমে যাওয়ার আশঙ্কায় কক্সবাজারের উখিয়া থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মার্চ) উখিয়ার ইনানীর নৌ-বাহিনীর জেটিঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ ২টি চলাচল করবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মিয়ানমারে সংঘাতের কারণে নিরাপত্তা বিবেচনায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটেও পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরপর কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ইনানীর নৌবাহিনী জেটি থেকে এমভি বারো আউলিয়া ও কর্ণফুলী নামের ২টি জাহাজ চলাচল করে আসছিল।
বারো আউলিয়ার পরিচালক মাহাবুব হোসেন জানিয়েছেন, পর্যটক চাহিদার কারণে এক মাস ইনানী-সেন্টমার্টিন রুটে দুটি জাহাজ চলাচল করেছিল। রমজানে পর্যটকের সংখ্যা কমে যাবে। এ কারণে সোমবার থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার(১০ মার্চ) সবশেষ জাহাজ দুটি সেন্টমার্টিনে গেছে। আগের দিন এবং এর আগে দ্বীপে থেকে যাওয়া পর্যটকদের নিয়ে জাহাজ দুটি ইনানীতে নৌ-বাহিনীর জেটিঘাটে ফিরে এসেছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. ইয়ামিন হোসেন বলেছেন, জাহাজ মালিক কর্তৃপক্ষ হয়তো ব্যবসায়িক কারণে লোকসান এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আগামী ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচন। এরই মধ্যে প্যানেল প্রস্তুতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। মিশা-ডিপজল প্যানেল প্রস্তুত হলেও নিপুণের প্যানেলে সভাপতি প্রার্থী কে হচ্ছেন তা স্পষ্ট নয়।
তবে এর আগে, গুঞ্জন উঠেছিল আলোচিত চিত্রনায়ক অনন্ত জলিলকে সভাপতি করে নিজের প্যানেল গোছানোর চেষ্টা করছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার।
এ প্রসঙ্গে অনন্ত গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচন করলেও হয়তো ভালো হতো, কিন্তু আমার সমস্যা হলো সময়। চলচ্চিত্রকে ভালোবাসি, সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। সবার বিপদে পাশে থাকব। কিন্তু নির্বাচন করার মতো এত সময় আমার নেই।
গত কয়েকদিন ধরেই শিল্পী সমিতির সভাপতি হিসেবে অনন্ত জলিল নির্বাচন করছেন এবং নিপুণকে সেক্রেটারি করে তিনি প্যানেল গড়ছেন, এমন খবর শোনা যাচ্ছিলো।
সর্বশেষ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে রাজি করাতে অনন্ত জলিলের সঙ্গে বসেছিলেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বসেছিলেন তারা। বিষয়টি গত ৪ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে অনন্ত জলিল নিজেই জানান ।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল গ্রামে অবস্থিত মাদরাসাতুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান ও দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে। বুধবার মাদ্রাসা মিলনায়তনে কুরআনের পাখিদের দ্বীনি শিক্ষার আলোকে তাদের সবক প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান করেন, মুন্সীগঞ্জ দারুত তাকওয়া আরাবিয়া কাহেতারা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মাহমুদুল হাসান।
মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ ক্বারী শিব্বির আহমেদের সার্বিক পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বয়ান রাখেন, নারায়নগঞ্জ জামিয়া আবু বকর ইসলামিয়া মক্কিনগর মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আশেক এলাহী ও ঢাকার ডেমরার দাওয়াতুল কুরআন মাদরাসার শিক্ষক মো. ইব্রাহিম সহ আরো অনেকে। এসময় কচুয়া ডাকবাংলো ঈদগাঁ বড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সানি ইমাম আবু বকর সিদ্দিক সহ মাদ্রাসার শিক্ষক,অভিভাবক,শিক্ষার্থীসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে সবক শেষে মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য যে, শিক্ষার্থীদের উদ্ধুদ্ধ করতে মাদ্রাসার আয়োজনে এমন উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও জানান মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের আয়োজনে সকল বয়সের নারী পুরুষদের নিয়ে কুড়িগ্রামে দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় করছে।
আজ সকালে কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে কালে ডাক্তার পাড়া গ্রামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সকাল থেকেই বেশ কৌতূহল নিয়ে ডাক্তারপাড়া গ্রামে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। শিশু-কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সী মানুষদের আগমনে মিলন মেলায় পরিণত হয় অনুষ্ঠানটি। এসব খেলা দেখতে এলাকার সব বয়সী মানুষের অংশ গ্রহণে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। কিছুক্ষণের জন্য অনেকে যেন নিজের বয়স ভুলে ফিরে যান অতীতে কিংবা শৈশবে।
গ্রামীণ খেলাধুলার মধ্যে ছিল বিস্কুট দৌড়, হাড়িভাঙ্গা, বালিশ খেলা, সুঁই সুতা, সাঁতার, চোখ বেঁধে হাঁস ধরা, তৈলাক্ত কলা গাছ বেয়ে চড়া, পানিতে বলিশ খেলা ও যেমন খুশি তেমন সাজ। সকল বয়সের শতাধিক নারী পুরুষ ৯টি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ী ৩০জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও পিপি এস এম আব্রাহাম লিংকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি সাঈদ হাসান লোবান, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান মাসুদ, কুড়িগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায়, বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ লিটন মিয়া, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সূর্য, দৈনিক মানবজমিন ও করতোয়ার সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিন্টু, উলিপুর ডট কমের সিনিয়র রিপোর্টার অমিত চন্দ্র পাল প্রমুখ।
খেলা দেখতে আসা মোঃ আব্দুল হাই বলেন, এসব খেলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ১০-১৫ বছর পর গ্রামের অতীত খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেলাম।
শিক্ষার্থী মোঃ নুর মামুন বলেন, টিভিতে মাঝে মধ্যে এসব খেলা দেখি।আজ স্বচোখে দেখে খুব মজা করছি। আগে গ্রাম গঞ্জে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে বৈশাখী মেলায় গ্রামে গ্রামে এসব খেলা হতো।এখন এগুলো প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ও নতুন প্রজন্মদের জন্য এসব খেলা অবহ্যত রাখা উচিৎ।
দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের সভাপতি রেজওয়ানুল হক নুরনবী বলেন, গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আহবায়ক শ্যামল ভৌমিক বলেন, কালের বিবর্তনে গ্রামীণ খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক যুগে মোবাইল ইন্টারনেটের কারনে এসব খেলা থেকে মানুষজন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সরকার ও সচেতন মহলের উচিৎ গ্রামীণ খেলাধুলাকে বাচিয়ে রাখতে সু দৃষ্টি রাখা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ৫২০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্ট এর টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮১/৪-এস হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর বড়বাড়ী নামক স্থান হতে ৫২০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১০ কেজি গাঁজা আটক করে। আটককৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য ২,৪৩,০০০/- (দুই লক্ষ তেতাল্লিশ হাজার) টাকা।
মন্তব্য করুন


বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন থেকে পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগির ছাদে সাপ ওঠে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। আর তা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। তাৎক্ষণিক সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণসহ ট্রেনের স্টাফকে অবগত করেন যাত্রীরা।
বুধবার (২৬ জুন) রাতে ট্রেনের ছাদে সাপ ওঠে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১টায় সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশন থেকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় আন্তঃনগর ট্রেন দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস। এসময় কিসমত স্টেশন পার হলে ট্রেনের একটি বগির ছাদে সাপটির উপস্থিতি দেখতে পায় ট্রেনের যাত্রীরা। এর পর ট্রেনে দায়িত্বরতদের অবগত করে। ট্রেনটি রাত ১১টার সময় পঞ্চগড় বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে রাতেই ট্রেনের স্টাফসহ স্টেশন সংশ্লিষ্টরা খোঁজাখুঁজি করলে সাপটির উপস্থিতি পায়নি।
ট্রেনের এফ এ এস ডি এ পাওয়ার কার ড্রাইভার শাহিনুর ইসলাম জানান, সাপটি পাওয়ার কারের ইঞ্জিনের বগির উপর ছিল। যেই বগির উপর দেখা গিয়েছে সেই বগি আমাদের সান্তাহার ডগেই ছিল। কিন্তু আমরা রাতে কোনো কিছু দেখতে পাইনি।
স্টেশনের গ্রেড ফোর স্টেশন মাস্টার নিরঞ্জন রায় জানান, চলন্ত ট্রেনের ছাদে সাপটিকে দেখেতে পেয়ে ভিডিও করে আমাদের পাঠিয়েছে। একপর্যায়ে ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছালে আমরা তল্লাশি চালাই। কিন্তু সাপটিকে পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীরা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালনকালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ২০০বোতল ফেনসিডিল ভর্তি কার্টন জব্দ করেন।
পরে উপস্থিত
সেনা সদস্যদের কাছে বিষয়টি অবহিত করে এগুলো তাদের হাতে শিক্ষার্থীরা হস্তান্তর করে।
শনিবার ১০ আগস্ট সকালে তাদের আটক করা হয়।
জব্দকৃত মাদক
পরে ধ্বংস করা হয়।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাট রেলস্টেশনে বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী ৪৬১ নং ট্রেনে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে ।
লালমনিরহাট স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ইঞ্জিনের জোরে ধাক্কায় প্রায় অর্ধশত যাত্রী আহত হয়েছেন।
যাত্রীরা জানান, বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী ৪৬১ নং কমিউটার ট্রেনটি লালমনিরহাট রেলস্টেশনের প্লাটর্ফমে দাঁড়ায়। এ সময় ট্রেনের ইঞ্জিন পরিবর্তন করতে পূর্বের ইঞ্জিন নিয়ে লোকোশেডে চলে যান চালক। পরে লোকো শেড থেকে অপর ইঞ্জিন নিয়ে বগিতে সংযোগ দেওয়ার সময় সজোরে ধাক্কা দিলে কমিউটার ট্রেনটির প্রায় অর্ধশত যাত্রী বগিতেই ছিটকে পড়ে আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের সহায়তায় রেলকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে লালমনিরহাট রেল হাসপাতালে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে চিকিৎসকরা। পরে আহতদের পুনরায় ওই ট্রেনেই গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া হয়। তবে দুইজন নারী যাত্রী মাথা ও হাতে প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের রংপুরে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় লালমনিরহাট স্টেশনমাস্টার লোকো শেড বিভাগের চালক গৌর গবিন্দের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহফুজ বলেন, আমাদের এখানে জরুরি বিভাগে গুরুতর চারজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকিরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে শুনেছি।
এ ব্যাপারে লোকো মাস্টার রাজ গোবিন্দ দাস বলেন, ইঞ্জিনের ব্রেক লাগাতে দেরি হওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইঞ্জিনের গতি ঘণ্টায় দশ কিলোমিটার ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার নূরনবী বলেন, একটা ইঞ্জিন বদল হয়ে আরেকটা ইঞ্জিন সংযোগ নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জোরে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ওই ইঞ্জিনের লোকো মাস্টার রাজ গোবিন্দ সেই ট্রেন নিয়ে ইতোমধ্যে রওনা করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জেনেছেন, তারা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
জানতে চাইলে রেলওয়ের লালমনিরহাট ডিভিশনাল ম্যাকানিক্যাল ইন্জিনিয়ার (লোকো) শাহিনুল হক অপু বলেন, আমরা অভিযুক্ত লোকো মাস্টারকে আপাতত আর কোনো ট্রেনের দায়িত্ব দেব না। ঘটনা তদন্তে ইতিমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিবেদন জমা দিলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন