

বিয়েতে
আনন্দ হৈ-হুল্লোড় স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এবার সামনে এসেছে ভিন্ন ঘটনা। রসগোল্লা কম পড়ায়
বিয়ে বাড়িতে ঘটেছে লঙ্কাকাণ্ড। এখানেই শেষ নয়, এ ঘটনা গড়িয়েছে শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশে।
আজ
বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো
হয়েছে।
প্রতিবেদনে
বলা হয়েছে, এ ঘটনায় বিয়ে ভেঙে গেছে। এরপর বরপক্ষের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করেছে কনের
পরিবার। ভারতের বিহারের বুদ্ধগয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বুদ্ধগয়ার একটি হোটেলে বিয়ের
আয়োজন করা হয়। সেখানে রসগোল্লা কম পড়ায় পাত্র এবং পাত্রীর পরিবারের মধ্যে কার্যত লড়াই
বেঁধে যায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, এ ঘটনায় উভয়পক্ষ একে অপরকে ঘুষি, ধাক্কা
এমনকি চেয়ার তুলে মারামারি শুরু করেন। গত ১৯ নভেম্বরে এমন কাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে।
এ দিন হোটেলে বিয়ের আয়োজন করা হয়। এতে বিয়ের আচার মিটতেই পাত্র পক্ষের লোকজন রসগোল্লা
কম পড়ায় অভিযোগ করেন। এরপর মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ আসে।
পুলিশের
এক কর্মকর্তা জানান, মারামারিতে দু’পক্ষের কয়েক জন আহত হন। এরপর বরপক্ষের
বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করে কনের পরিবার। পাত্রের বাবা জানান, রসগোল্লার ঘাটতি নিয়েই
মারামারি হয়েছিল। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, তারা বিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে যেতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু কনের পরিবার বেঁকে
বসেছিল।
অন্যদিকে
কনের মায়ের অভিযোগ, মেয়েকে উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্য আনা গয়না নিয়ে গেছে পাত্রের পরিবার।
কনের কাকা জানান, এত কিছুর পরেও তারা সমঝোতা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ
হয়নি।
মন্তব্য করুন


ভারতের তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরে এক নারীদের হোস্টেলের ভেতরে ঢুকে নিজের স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন এক ব্যক্তি। স্ত্রীকে হত্যার পর লাশের সঙ্গে সেলফি তুলে সেটি হোয়াটসঅ্যাপেও পোস্ট করেন। গত রোববারের (৩০ নভেম্বর) এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে রাজ্যে নারী নির্যাতন ও নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত নারীর নাম শ্রীপ্রিয়া। তিনি কোয়েম্বাটুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। অভিযুক্ত স্বামীর নাম বালামুরুগান। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহের কারণে ২ জন আলাদা থাকতেন। নিহত ওই নারী একটি হোস্টেলে থাকতেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, বালামুরুগান গত রোববার দুপুরে স্ত্রীকে দেখার অজুহাতে হোস্টেলে ঢোকেন। এ সময় তার কাপড়ের ভেতর একটি দা লুকিয়ে রেখেছিলেন।
তদন্তকারীরা জানান, দেখা হওয়ার পরপরই ২ জনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বালামুরুগান লুকিয়ে আনা দা বের করে শ্রীপ্রিয়াকে কোপাতে শুরু করেন এবং ঘটনাস্থলেই তাকে হত্যা করেন। পুলিশ বলছে, হত্যার পর তিনি স্ত্রীর নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলেন এবং সেটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে আপলোড করেন। এ সময় ওই ব্যক্তি দাবি করেন— তার স্ত্রী নাকি তার সঙ্গে ‘প্রতারণা’ করেছেন। হত্যাকাণ্ডের সময় হোস্টেলের বাসিন্দারা চিৎকার করে বেরিয়ে আসেন। কিন্তু বালামুরুগান পালিয়ে যাননি; বরং ঘটনাস্থলেই দাঁড়িয়ে পুলিশের জন্য অপেক্ষা করেন। পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং দা উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি ধারণা করেছিলেন শ্রীপ্রিয়া অন্য ১ জনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত। এ ঘটনায় তামিলনাড়ুতে নারীর নিরাপত্তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন করে তীব্র হয়েছে। বিরোধীরা ডিএমকে সরকারের বিরুদ্ধে নারীদের সুরক্ষায় ব্যর্থতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অভিযোগ তুলছে। তাদের দাবি, রাজ্যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও যৌন অপরাধ বেড়েই চলেছে। তবে ডিএমকে সরকার এবং রাজ্য পুলিশ বলছে, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন এবং ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে ঘটেছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিটি ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে অপরাধীরা দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি পায়।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
আলোচিত ও সমালোচিত অভিনেত্রী পরীমণি বরাবরের মতোই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। ব্যক্তিগত
কিংবা পেশাগত কোনো মুহূর্ত শেয়ার করলেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মাঝে। বয়সভেদে আট
থেকে আশি- সব শ্রেণির দর্শকের নজর কাড়তে তার জুড়ি নেই।
সম্প্রতি
একটি জুয়েলারি শোরুম উদ্বোধনের কাজে মালয়েশিয়ায় যান পরীমণি। কাজের ফাঁকে অবসর সময় কাটাতে
তিনি ছুটে যান দেশটির জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা ল্যাংকাউই দ্বীপে। সেখানে কাটানো কিছু মুহূর্তের
ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।
শেয়ার
করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, সৈকতের সামনে নীল আকাশের নিচে গ্ল্যামার ছড়াচ্ছেন পরীমণি।
ছোট প্যান্ট ও স্লিভলেস টপসে তাকে দেখা গেছে, সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ সানগ্লাস। ছবির ক্যাপশনে
অভিনেত্রী লেখেন, ‘শীত নাই’।
দেশে
যখন তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে, তখন পরীমণির এসব ছবি যেন উষ্ণতার পরশ ছড়িয়েছে নেটিজেনদের
মাঝে। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীরা তার সৌন্দর্য ও ফিটনেসের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, শাপলা প্রতীক পেতে এনসিপির আইনগত কোনো বাধা নেই। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী যে নির্বাচন কমিশন এসেছে তারা অবশ্যই এ স্বেচ্ছাচারিতা করবে না। আমরা আশা করি অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাব, এ প্রতীকেই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনায় এনসিপির জেলা সমন্বয় সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম সোহাগ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান। এছাড়াও নেত্রকোনা জেলার জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার “অজিত শিং সৌজন্য” সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টায় রাজধানীর বসুন্ধরার আমিরে জামায়াতের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও এক ব্রেকফাস্ট বৈঠক হয়। এ সময় হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর মার্কাস ডেভিস, সিনিয়র ট্রেড কমিশনার মিস. ডেবরা বয়েস ও পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার নিসার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে গণতন্ত্রের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কানাডার সার্বিক সহযোগিতা ও কারিগরি সহায়তা কামনা করা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বাধীনতা ও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত ও সুদৃঢ় হবে।জামায়াতের আমিরে সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইরান।
মঙ্গলবার
(৩০ ডিসেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, বেগম খালেদা জিয়া
ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নেত্রী। এ দেশের রাজনৈতিক
ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বেগম জিয়া গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা
ও বাংলাদেশের জনজীবনে রেখেছেন উল্লেখযোগ্য অবদানও।
‘বেগম খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে
বাংলাদেশ ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে
বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় ছিল।’
শোকবার্তায়
আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার পরিবার-পরিজন, বিশেষ করে তার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান, পাশাপাশি তার সহকর্মী ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা। একইসঙ্গে তার
বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি। এর আগে, ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৬টায় খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বেগম
জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা
গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি।
উল্লেখ্য,
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া,
কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া।
এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য়
বন্দি রাখা হয়।
আওয়ামী
লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার
সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার।
এরমধ্যে
২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত
সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে
ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিন।
এরপর
উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে
অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে
নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।
বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।
সবশেষে
গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময়
তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মুম্বাইয়ের
ব্যস্ত সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন বলিউড সেনসেশন নোরা ফাতেহি। মার্কিন ডিজে
ডেভিড গেটার কনসার্টে যোগ দিতে যাওয়ার পথে এক মদ্যপ গাড়িচালকের ধাক্কায় আহত হন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দুর্ঘটনায় নোরার মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে।
সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে
ডেভিড গেটার সঙ্গে পারফর্ম করার কথা রয়েছে নোরার। সেই লক্ষ্যেই অনুষ্ঠানস্থলের দিকে
যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে হঠাৎ একটি দ্রুতগামী গাড়ি নোরার গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
পুলিশি তদন্তে প্রাথমিক তথ্য মিলেছে যে, ঘাতক গাড়ির চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।
দুর্ঘটনার পরপরই
নোরাকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা সিটি স্ক্যানসহ
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। তবে মস্তিষ্কে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি বা চোট হওয়ায় চিকিৎসকরা
তাকে পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।
অসুস্থ শরীর
ও চিকিৎসকদের বারণ সত্ত্বেও ভক্তদের নিরাশ না করতে সানবার্ন ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার
সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন তিনি। এই কনসার্টে ডেভিড গেটা ও আমেরিকান গায়িকা সিয়ারার সঙ্গে
তার নতুন আন্তর্জাতিক সিঙ্গেলের এক ঝলক ভক্তদের উপহার দেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির
টুঁটি চেপে ধরবে বিএনপি।
আজ
২৫ রবিবার ( জানুয়ারি ) দুপুর চট্টগ্রামের
পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি পলোগ্রাউন্ড মাঠে এসে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি হাত
নেড়ে সবাইকে অভিবাদন জানান।
বিএনপি
চেয়ারম্যান বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা হবে দেশের
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অপরাধী নিজ দলের হলেও কোনো ছাড় নয়। তারেক রহমান বলেন, কেবলমাত্র সার্টিফিকেট নয়, কর্মসংস্থান
ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে বিএনপি।
বিএনপি
প্রধান বলেন, কৃষক ভালো থাকলে ভালো থাকবে বাংলাদেশ। এ সময় তিনি খেটে খাওয়া মানুষকে
সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তারেক
রহমান বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমালোচনা করলে দেশের মানুষের কোনো উপকার হবে না।
এরও আগে রবিবার সকালে চট্টগ্রামে রেডিসন ব্লু হোটেলে যুব সংলাপে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের
সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে
তিনি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, নারীর ক্ষমতায়নসহ দেশ গড়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তরুণদের
পরামর্শ গ্রহণ করেন তিনি।
চট্টগ্রাম
পলোগ্রাউন্ড মাঠে সমাবেশ শেষে ফেনীতে পাইলট স্কুল খেলার মাঠে, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
হাইস্কুল মাঠ, সোয়াগাজী ডিগবাজির মাঠ ও দাউদকান্দি উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে পৃথক
নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। এরপর নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে
যোগ দেবেন।
মন্তব্য করুন


রমজান মাসে লোডশেডিং না
দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৪ কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির করা হচ্ছে
বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রবিবার (২ মার্চ) আসরের নামাজের পর রাজধানীর সার্কিট হাউজ জামে
মসজিদের সামনে সাংবাদিকদের উপদেষ্টা বলেন, রমজানে ৪ কার্গো অতিরিক্ত এলএনজি
আমদানির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা আশা করছি রমজান মাসে ইনশাআল্লাহ কোনো লোডশেডিং হবে
না।
তিনি বলেন, আমাদের যে গ্যাস ছিল সেই গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে। আমরা
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করছি। এবারের রোজা কিছুটা
গরমের মধ্যে পড়ছে। এ সময় আমাদের সেচের জন্য অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়। বিদ্যুতের
চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। শীতকালে আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ৯ থেকে ১০ হাজার
মেগাওয়াট। সেচ ও গরমের কারণে এই বিদুতের চাহিদা গরমে ১৭ থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াট
হয়ে যায়। এর মধ্যে দুই হাজার মেগাওয়াট লাগে আমাদের সেচ কাজে। কিন্তু সেচ বন্ধ
করা যাবে না। সেচ বন্ধ হলে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হব।
বিদ্যুৎ চুরির বিষয়ে উপদেষ্টার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু
যে বিদ্যুৎ চুরি হয় তা নয়, গ্যাসও চুরি হয়। সেজন্য আমরা অবৈধ গ্যাস সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করছি। বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।
উপদেষ্টা বলেন, শীততাপ
নিয়ন্ত্রণ এবং অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বার জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে।
এজন্য আমরা ইমাম সাহেব এবং মুসল্লিদের মাধ্যমে সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছি এসির
তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি রাখার জন্য। এই ২৫ ডিগ্রি বেশ ভালো তাপমাত্রা। এ তাপমাত্রায়
মানুষ খুব আরামে ইবাদাত করতে পারবে। জুয়েলারি শপেও যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা না করা হয়। এজন্য আমি
এবং আমার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের সহকর্মীরা সবার কাছে যাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করে প্রচারণা চালাতে পারবেন না জামায়াতের কোনো
প্রার্থী। দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর
দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন।
আজ
সোমবার (২৪ নভেম্বর ) গণমাধ্যমে
পাঠানো এক বার্তায় এ
কথা জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে
রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটের
দিকে ঢাকার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
তবে বিমান থেকে নামার সময় তারেক রহমান নিজেই লাগেজ
নিয়ে নেমেছেন। এমন একটি ছবি কালবেলার ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন করে তারেক রহমান
ইতোমধ্যেই বেশকিছু ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড করেছেন। যার জন্য তিনি প্রশংসায় ভাসছেন। মানবিক
এই নেতা এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর মহাখালীতে কড়াইলবাসীর আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শুরুর আগে এক হুজুর মঞ্চের সামনে
এগিয়ে এলে বসার জন্য চেয়ার প্রয়োজন হয়। তখন তারেক রহমান নিজের ব্যবহৃত চেয়ারটি এগিয়ে
দেন।
ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা
নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বেশ কয়েকজন নেতা
তাকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে গেলে তিনি সেটি করতে দেননি। এমন নানা প্রশংসিত কাজ করে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আর আজ রাজশাহী
বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামার সময় নিজের লাগেজ নিজে বহন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন
তিনি।
দুপুর ২টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী
সমাবেশে উপস্থিত হন। এই জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও
নাটোরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
এরপর বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে নির্বাচনী
জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ জনসভায় জয়পুরহাটের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে
নিজ জেলা বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তারেক রহমান বগুড়ায়
আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। রাত সাড়ে ৮টায় রাতযাপনের
উদ্দেশে তিনি হোটেল নাজ গার্ডেনে চলে যাবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা
ময়দানে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই
রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন
এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান
ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা
থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। মিছিলে নানা ধরনের
স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড়
বহর মাঠে প্রবেশ করলে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। বিপুল মানুষের চাপে সমাবেশস্থলের আশপাশের
সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় গাছ,
উঁচু দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ-
সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা ময়দান পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।
সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। মাঠ ও আশপাশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সভামঞ্চের
সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আকাশে ড্রোন
উড়তে দেখা গেছে, যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন