নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনায় অস্বাভাবিক জোয়ার,নৌযান চলাচল বন্ধ

নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনায় অস্বাভাবিক জোয়ার,নৌযান চলাচল বন্ধ
ছবি

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

 

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়মিধিলিএর প্রভাবে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চল হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ সুবর্ণচর সহ বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার রাত থেকে হালাকা থেকে মাঝারি ধরনের বর্ষন হচ্ছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বৈরি আবহাওয়ার কারণে হাতিয়ার সাথে সারাদেশের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

শুক্রবার ভোর থেকে হাতিয়ার মেঘনা নদীতে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক ফুট জোয়ার বেড়েছে। গতকাল বিকেল থেকে মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে থাকা মাছ ধরা ট্রলারগুলো তীরে ফিরে এসেছে। 

 

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সাথে ভার্চুয়ালি মিটিং করেছেন জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।

 

জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান জানান, দূর্যোগ মোকাবেলার জন্য জেলায় ৪৮৫টি আশ্রয়ন কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। যেখানে লাখ ৪৮ হাজার উপকূলীয় এলাকার লোকজন আশ্রয় নিতে পারতেন। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিপিপি ৮৩৮০ জন, দুই শতাধিক রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবী, ১০১টি মেডিকেল টিম দূর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য ৪৭৯ মেট্রিকটন চাল নগদ ২৪লাখ টাকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালেই ট্যাক্স, প্রস্তাব বিএনপি সংসদ সদস্যের

বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালেই ট্যাক্স, প্রস্তাব বিএনপি সংসদ সদস্যের
ফাইল ছবি

দেশে বিয়ে, গায়েহলুদসহ সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং খাদ্যসংকট মোকাবিলায় ১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) আবারও আলোচনায় এসেছে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় কমাতে এ আদেশ কার্যকরের আহ্বান জানান। এরপর থেকেই বহু বছর ধরে কার্যত অপ্রয়োগে থাকা এই আইনটি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

১৯৮৪ সালের ৩ জুলাই খাদ্য মন্ত্রণালয় ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট, ১৯৫৬-এর আওতায় এ আদেশ জারি করে। এতে বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা কিংবা সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে আয়োজক পরিবারের বাইরে সর্বোচ্চ ১০০ জন অতিথিকে চাল বা গম দিয়ে তৈরি খাবার পরিবেশনের অনুমতি দেওয়া হয়।

বিশেষ প্রয়োজনে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে আপ্যায়ন করতে হলে জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে পূর্বানুমতি নিতে হতো। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রতিটি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার বিধানও ছিল। শুরুতে এ ফি ১০ টাকা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ২৫ টাকা করা হয়।

আদেশ বাস্তবায়নে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসন মনোনীত কর্মকর্তাদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। আইন লঙ্ঘন করলে আয়োজক ও অনুষ্ঠানস্থলের মালিকের বিরুদ্ধে জরিমানা এবং প্রয়োজনে কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়।

তবে ২০০৩ সালের সংশোধনীতে মিলাদ মাহফিল, ইফতার, কুলখানি, চেহলাম, ওরস ও শ্রাদ্ধের মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে এই বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়।

যদিও আদেশটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, দীর্ঘদিন ধরে এর কোনো কার্যকর প্রয়োগ বা নজরদারি নেই। বর্তমানে রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার কিংবা কনভেনশন হলে শত শত বা হাজারো অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা অতিরিক্ত ফি দেওয়ার বিধান বাস্তবে আর অনুসরণ করা হয় না।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ
সংগৃহীত ছবি

আজ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২২ শ্রাবণ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ৩৬টি প্রবন্ধ অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ১৯১৫টি গান গল্পগুচ্ছ গীতবিতান সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথের প্রকাশিত গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী নামে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর সারদা সুন্দরী দেবীর ১৫ সন্তানের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ১৪তম। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঐতিহ্যবাহী ঠাকুর পরিবারে তার জন্ম। বাংলার প্রকৃতি, নদী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

তার রচিতআমার সোনার বাংলাবাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। সব মিলিয়েই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রদ্ধা ভালোবাসায় বাঙালির হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছেন।

প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে গীতিনাট্যশ্যামামঞ্চস্থ করবে জাতীয় সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

অর্থপাচারের অভিযোগে আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে তদন্তে এফবিআই

অর্থপাচারের অভিযোগে আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে তদন্তে এফবিআই
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। যুক্তরাষ্ট্রে সংস্থাটির আর্থিক লেনদেন, স্পন্সরশিপ আয় এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ও বিচার বিভাগ। তদন্তে অর্থ পাচার, ওয়্যার জালিয়াতি এবং সম্ভাব্য কর ফাঁকির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম লা নাসিওন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসি ও মায়ামির ফেডারেল প্রসিকিউটররা তদন্তে অংশ নিয়েছেন। তারা খতিয়ে দেখছেন, এএফএর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও স্পন্সরশিপ চুক্তি থেকে আসা শত শত মিলিয়ন মার্কিন ডলার কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর হয়েছে এবং এসব লেনদেনে যুক্তরাষ্ট্রের আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না।

এফবিআইয়ের এ তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাভিত্তিক ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক স্পোর্টস মার্কেটিং ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের এ প্রতিষ্ঠানটি বিদেশে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বাণিজ্যিক আয় ও বিপণন-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করতো।

গোপন ব্যাংকিং নথির তথ্যের ভিত্তিতে লা নাসিওন দাবি করেছে, এএফএর অন্তত ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার কয়েকটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মচারী বা দৃশ্যমান বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছিলো না।

তদন্তকারীরা বর্তমানে ক্রীড়া ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে আর্জেন্টাইন ফুটবলভিত্তিক ব্যবসায়ী গিয়ের্মো তোফোনির সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টার একটি ভার্চুয়াল বৈঠকও হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও তিনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি।

এ ছাড়া তদন্তে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তাকেও সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। তদন্তকারীদের ধারণা, এসব কর্মকর্তা এএফএর কার্যক্রম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নাগাল পেয়েছিলেন।

লা নাসিওন জানিয়েছে, গত বছরই যুক্তরাষ্ট্রে এই তদন্তের প্রস্তুতি শুরু হয়। তদন্ত পরিচালনা করছেন ওয়াশিংটন ডিসি ও ফ্লোরিডার অন্তত তিনজন ফেডারেল প্রসিকিউটর। তাদের মধ্যে রয়েছেন ব্যাংকিং ও আর্থিক অপরাধ তদন্তে অভিজ্ঞ কর্মকর্তারাও।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মালিক হাভিয়ের ফারোনি ও তার স্ত্রী এরিকা জিলেট যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমে শত শত মিলিয়ন ডলারের লেনদেন পরিচালনা করেছেন। ব্যাংকগুলো হলো সিটিব্যাংক, সিনোভাস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগ্যান এবং পিএনসি ব্যাংক। এসব হিসাবের মাধ্যমে এএফএর অন্তত ২৬ কোটি মার্কিন ডলারের আয় পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে অর্থের একটি বড় অংশের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা তদন্তকারীরা এখনো পাননি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অ্যাডিডাস ও ওয়ার্নারের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এএফএর আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থও ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, কর পরিশোধের পর আন্তর্জাতিক আয়ের ৩০ শতাংশ এবং অতিরিক্ত ১০ শতাংশ লজিস্টিক কমিশন পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব আর্থিক নথিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও এফবিআই বিশ্লেষণ করছে।

অন্যদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটি বলেছে, ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসির সঙ্গে তাদের বৈধ ও কার্যকর চুক্তি রয়েছে এবং সেটি আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।

এএফএর দাবি, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো দেশের ফুটবল প্রশাসনকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ।

বিশ্বকাপ চলাকালীন এই তদন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবলকে নতুন বিতর্কের মুখে ফেলেছে। তবে এখন পর্যন্ত এটি প্রাথমিক তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করেনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

বৃষ্টি ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫১, পানিবন্দি পৌনে ৩ লাখ পরিবার

বৃষ্টি ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫১, পানিবন্দি পৌনে ৩ লাখ পরিবার
সংগৃহীত ছবি

টানা ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। এখন পর্যন্ত বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

এ পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্য। দুর্গত মানুষের জন্য খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন।

জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে মারা গেছেন ২৮ জন। নিহতদের মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

চট্টগ্রামে মারা গেছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন।

সবচেয়ে বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চট্টগ্রামে। জেলার ১৬টি উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানিবন্দি রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ পরিবার। কক্সবাজারেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ত্রাণ সহায়তা দেওয়া যায়।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় শুকনা খাবার, চাল, নগদ অর্থসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

কোরবানির চামড়ার সঠিক সংরক্ষণে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব: কৃষিমন্ত্রী

কোরবানির চামড়ার সঠিক সংরক্ষণে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব: কৃষিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

কোরবানির পশুর মাংসের পাশাপাশি চামড়া ও অন্যান্য উপজাত সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশে ‘কোরবানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় (মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম) প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালা আয়োজন করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। 

ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কোরবানিকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষ পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো, মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বণ্টনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে। এ বাস্তবতায় দক্ষ জনবল তৈরির বিকল্প নেই। বিশেষ করে চামড়া ছাড়ানোর মতো সংবেদনশীল কাজে প্রশিক্ষিত জনবল না থাকলে চামড়ার গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এর বাজারমূল্য কমে যায়।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশের মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কোরবানির সময় দক্ষ জনবল তৈরি করা যেতে পারে। এতে একদিকে চামড়ার গুণগত মান উন্নত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা ও স্বল্পমেয়াদি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, সরকার প্রয়োজনে সারা বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করবে, যাতে কোরবানির সময় দক্ষতার অভাব না থাকে। মন্ত্রী আরও বলেন, কোরবানির চামড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মাদ্রাসায় দান করা হয়। এ বাস্তবতায় চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় লবণ সরবরাহসহ সরকারি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। সঠিকভাবে চর্বি পরিষ্কার, লবণ প্রয়োগ ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে চামড়ার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দেশীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পূরণে সক্ষম। দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থে অবৈধভাবে পাচার বা চোরাই পথে আসা পশু ক্রয়ের বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কোরবানির ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান আরও বাড়বে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিচালক ডা. বেগম শামছুননাহার আহম্মদ, পরিচালক ড. এ. বি. এম. খালেদুজ্জামান। কর্মশালায় মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী, চামড়া সংরক্ষণকারী এবং ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধে বড়ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধে বড়ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
সংগৃহীত ছবি

মুন্সীগঞ্জ পৌর এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টার দিকে পৌরসভার জসিমনগর এলাকার একটি ঘাসের জমি থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত যুবকের নাম মো. আরিফ বেপারী (৩২)। তিনি পৌরসভার পাঁচঘরিয়া এলাকার প্রয়াত মতিন বেপারীর ছেলে। আরিফ মুন্সীরহাট বাজারে কসাইয়ের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মুন্সীরহাটসংলগ্ন জসিমনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আরিফের ছোট ভাইয়ের পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরেই জেলা  বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুলতান আহমেদের ছোট ভাই বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেন ও তাঁর লোকজন আরিফকে হত্যা করেছে।

স্থানীয়দের তথ্য সূত্রে জানা যায়, ভোরে এলাকার কয়েকজন নারী তাঁদের বাড়ির পাশের ঘাসের জমিতে এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে তাঁরা রক্তাক্ত অবস্থায় আরিফের মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা আরিফের পরিবারকে খবর দেন। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, আরিফের ছোট ভাই আকাশ মুন্সীরহাট বাজারে কসাইয়ের কাজ করতেন। সেই সূত্রে পার্শ্ববর্তী চরকিশোরগঞ্জ এলাকার আরেক কসাই নূর মোহাম্মদের সঙ্গে মাংস কেনাবেচা নিয়ে আকাশের আর্থিক লেনদেন হয়। ওই লেনদেনের সূত্রে নূর মোহাম্মদের কাছে আকাশের ৪৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাঁদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে প্রায় ছয় মাস আগে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও করেন আরিফ।

এ ঘটনার জের ধরে পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে শনিবার সকালে আকাশ নূর মোহাম্মদকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যান। পরে তাঁরা মুন্সীরহাট বাজার কসাই সমিতির কাছে বিষয়টি জানিয়ে নূর মোহাম্মদকে তাঁদের জিম্মায় রাখেন। সেদিন শহরের যোগিনীঘাট এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেন দলবল নিয়ে মুন্সীরহাট বাজারে গিয়ে নূর মোহাম্মদকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় নিহত আরিফসহ উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এনায়েতকে বাজারের লোকজন মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বজনদের দাবি, সে সময় এনায়েত ও তাঁর লোকজন আরিফ ও তাঁর ভাই আকাশকে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেন।

আকাশ বেপারী বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় এনায়েত হোসেনের ছেলে, ভাতিজাসহ কয়েকজন আমাকে মারার জন্য খুঁজেছে। আমি দৌড়ে কোনোমতে পালিয়ে যাই। তাঁরা কয়েকবার আমাদের এলাকায় এসে আমাদের খুঁজেছে। আজ সকালে ভাইয়ের মরদেহ জমি থেকে পেয়েছি। তাকে নির্মমভাবে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। আমাদের ধারণা, এ ঘটনার সঙ্গে নূর মোহাম্মদ ও এনায়েত হোসেনের লোকজন জড়িত থাকতে পারে। আমরা ঘটনার বিচার চাই। এ বিষয় জানতে অভিযুক্ত এনায়েত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

সকালে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ববিরোধের জেরে ওই যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে,বেড়েছে বাল্য বিয়ে

দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে,বেড়েছে বাল্য বিয়ে
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ুর পাশাপাশি নারীর প্রজনন হার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে, পাশাপাশি বেড়েছে বাল্য বিয়ে এবং শিশু মৃত্যুর হার। আবার এ জরিপে উঠে এসেছে- দেশে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও বিয়ে না করা পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৩৬ শতাংশ। বয়স্ক পুরুষের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। কিছুটা হলেও কমেছে বিবাহিত দম্পতির মধ্যে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা।

গত দশ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ক্রমান্বয়ে প্রায় দশ শতাংশ কমেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেসের অধ্যাপক ডঃ মোঃ মঈনুল ইসলাম জানান, সরকারি এই রিপোর্টে যা উঠে এসেছে তাতে মূলত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের করুণ চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ যে 'ট্রিপল জিরো কমিটমেন্ট', অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনার অপূর্ণ চাহিদা (শতভাগ দম্পতিকে পরিবার পরিকল্পনার আওতায় আসা), মাতৃমৃত্যু ও বাল্য বিবাহ-সহ জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শূন্যতে নামিয়ে আনার যে অঙ্গীকার করেছিল তার অর্জন দুরূহ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন।

কেনিয়ার নাইরোবিতে ২০১৯ সালে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলনের ২৫ বছর পূর্তিতে এই ট্রিপল জিরো অঙ্গীকার করেছিলো বাংলাদেশ।

প্রসঙ্গত, বিবিএস যে জরিপের ফল প্রকাশ করেছে সে জরিপটি পরিচালিত হয়েছে ২০২৩ সালে। জরিপটি দেশ জুড়ে ৩ লাখ ৮ হাজারেরও বেশি পরিবার ও বিবাহিত নারীদের ওপর পরিচালনা করা হয়েছে। তারা এই জরিপের সাথে তার আগের বছরের তথ্যও প্রকাশ করেছে।

 সূত্র- বিবিসি বাংলা

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণকালে এসআইয়ের মৃত্যু

পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণকালে এসআইয়ের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ চলাকালে অসুস্থ হয়ে এক উপপরিদর্শকের (এসআই) মৃত্যু হয়েছে। জীবন রহমান (৪৫) নামের এই এসআই ২০০৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।

সোমবার (০৮ জুন) বিকেলে প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে দৌড়ানোর সময় তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান।

পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে প্রশিক্ষণরত এসআইদের এক কিলোমিটার দৌড়ের কর্মসূচি ছিল। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে দৌড়ানোর সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাঠে বসে পড়েন জীবন রহমান। পরে সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই এসআই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। যেহেতু এ ঘটনায় কারও কোনো অভিযোগ ছিল না, তাই ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। একাডেমির অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, “তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং এ সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া চারঘাট থানায় সম্পন্ন হবে।“

চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।“

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

গ্রেপ্তারের একদিন পর কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু

গ্রেপ্তারের একদিন পর কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

গ্রেপ্তারের এক দিন পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে তার মৃত্যু হয়।

মৃত নুরুল আলম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে।

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে অসুস্থ বোধ করার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সনদে কারণ হিসেবে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ২০২৪ সালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় হওয়া বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে নুরুল আলমকে যখন কারাগারে আনা হয়, তখন তিনি সুস্থ ছিলেন। তার শরীরে কোথাও আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। রাতেও কোনো অসুবিধার কথা তিনি জানাননি। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সাতকানিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। থানায় যতক্ষণ ছিলেন, তিনি সুস্থসবল ছিলেন। তাকে কেউ মারধর করেনি। মঙ্গলবার বিকেলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০

এলজিইডি’র প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

এলজিইডি’র প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

এলজিইডির অধীনে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপিভুক্ত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

সভায় বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান, ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প সম্পন্ন করার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। 

মন্ত্রী বলেন, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনকল্যাণমুখী ও টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হয়, সে বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এলজিইডির অধীনে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা সশরীরে ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত

দুর্ঘটনায় পড়া মাইক্রোবাসের ভিডিও করতে গিয়ে আরেক মাইক্রো খাদে

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে

১০

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ

১১

এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

১২

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

১৩

জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৪

মৃত ভেবে মিলাদ পড়ানো আলমগীর ১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন

১৫

চার স্ত্রী থাকার পরও অন্য নারীর ঘরে জামায়াত সমর্থক

১৬

রাতে তরুণীসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

১৭

২৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: অধ্যাপক আবদুল ওহাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

১৮

আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি

১৯

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

২০