

কণ্ঠশিল্পী
আসিফ আকবর সম্প্রতি নতুন ফ্ল্যাটে উঠেছেন। তবে নতুন বাসায় উঠেই তার আদরের বিড়াল পুম্বাকে
হারিয়ে ফেলেছেন। পোষ্য প্রাণীটিকে খুঁজে পেতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নতুন ফ্ল্যাটের আশপাশে খোঁজার পাশাপাশি সিসি ফুটেজও দেখছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু
সেই ঘটনার ২ সপ্তাহেও বিড়ালটির খোঁজ পাচ্ছেন না আসিফ। ছোট ছেলে রুদ্রর আগ্রহে বাড়িতে
আনা হয়েছিল পুম্বাকে।
বিড়ালটি
হারানোর পর থানায় জিডিও করেছিলেন, প্রতিদিন খোঁজ করছেন আশপাশে। না পেয়ে অবশেষে ঘোষণা
করলেন পুরস্কার, কেউ পুম্বার হদিস দিতে পারলে দেবেন ৫০ হাজার টাকা।
আসিফ
ফেসবুকে লেখেন, বিড়ালটা বেঁচে আছে, হয়তো কারো বাসায় আছে। তিনি হয়তো মালিক খুঁজে পাচ্ছেন
না। অথবা কেউ নিজের মনে করে লুকিয়ে রেখেছেন এই সম্ভাবনাও নাকচ করছি না। পুম্বা খুব
সুন্দর দেশি ক্যাট, জানি সে ভালো যত্ন-আত্তিতেই আছে। ওকে ইনজেকশন দেওয়ার সময় হয়ে এসেছে।
প্লিজ, পুম্বার সন্ধান দিন, ৫০ হাজার টাকা গিফট পৌঁছে যাবে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
আজ মঙ্গলবার
লোকপ্রশাসন বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে "বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও বাংলাদেশের
বাস্তবতা" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এতে
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাজদার হোসেন মামলার বাদী ও বিচার বিভাগ সংস্কার
কমিটির অন্যতম সদস্য মাসদার হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- President, The Universal
Legal Aid to Foregn Prisorers (ULAFP) এডভোকেট আব্দুর রহমান।
এ
সময় বিচার বিভাগ সংস্কার কমিটির অন্যতম সদস্য মো: মাসদার হোসেন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
করেন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সভাপতি ও বেঞ্চ
সহকারী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও কুমিল্লা জজকোর্টের
ভারপ্রাপ্ত নাজির বিল্লাল হোসেন, সেরেস্তাদার সোলাইমান হোসেন ও সদর সহকারী জজ আদালতের
বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ হাসান।
এ
সময় প্রধান আলোচকের কাছে দাবীসমূহ তুলে ধরেন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন
কুমিল্লার নেতৃবৃন্দ।
দাবী
সমূহ:
১)
বিচার বিভাগের জন্য সুপ্রীম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় করতঃ অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের
সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে বিচার বিভাগের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ
জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন ভাতা প্রদান করা।
২)
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের
নিয়োগ, বিদ্যমান ব্লক পদ বিলুপ্ত করে যুগোপযোগী পদ সৃজনপূর্বক যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার
ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ রেখে স্বতন্ত্র নিয়োগ বিধি প্রণয়ন করা।
মন্তব্য করুন


আজ
(২ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুরের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকলো
বাংলাদেশ। সাগরীকা দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন।
ম্যাচপূর্ববর্তী
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেছিলেন, ১ম ম্যাচে জয় নিশ্চিত
করে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকতে চান। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছেন মাঠে।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে আধিপত্য
বিস্তার করে খেলে পুরোটা সময়। এই ম্যাচে সাগরীকা নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।
ম্যাচের
৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। স্বপ্না রানির ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঝাপিয়ে রক্ষা
করেন। নেপালের গোলরক্ষক সুজাতাতামাংয়ের হাতে লেগে দিক বদলে বারে প্রতিহত হয়। ফিরতি
বলে মুনকি আক্তার বল জালে জড়াতে চেষ্টা করলেও তার শট ডিফেন্ডাররা আটকে দেন।
২
মিনিট বাদেই আবারও আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনকি আক্তার। তবে
নেপালের গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পান পূজা
দাস। তার মাটি কামড়ানো শট অল্পের জন্য পোষ্ট ঘেঁষে বেড়িয়ে গেলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
১৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পূজার বা পায়ের
শট ক্রসবার ঘেষে বেড়িয়ে যায়।
৩৮
মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোলকিক থেকে বল পান স্বপ্ন রানী। তার হেডে বক্সের
কাছাকাছি ২ ডিফেন্ডারের মাঝে বল পান সাগরীকা।
২ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়ান সাগরীকা।
ব্যবধান
২গুন করতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ ৪২ মিনিটে মুনকি আক্তারের দর্শনীয় গোলে ২-০ গোলের লিড
নেয় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে আসেন নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা। তবে
তার ক্লিয়ার করা বল পান ইতি খাতুন; ক্রস দেন মুনকি আক্তারকে। তিনি বুদ্বিদীপ্ত শটে
গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান। প্রথমার্ধে
ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো বাংলাদেশের। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
বক্সের ভেতর সাগরীকাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল
করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। তার শট পোস্টে লাগে। তবে ফিরতি বলে শট নেন সাগরিকা। তবে
নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা গ্লাভস বন্দী করেন। শেষ পর্যন্ত ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতীতে
যেতে হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যদের।
দ্বিতীয়ার্ধে
আক্রমণের ধার বাড়ায় ২ দলই। ৫২ মিনিটেই এক গোল শোধ করে ম্যাচে ঘুড়ে দাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়
নেপাল। সুকরিয়া মিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় নেপাল। তবে লিড বাড়িয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেয়নি
বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান ৩-১ করে সাইফুর বারী টিটুর শিষ্যরা।
পরের
ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য করুন


শনিবার রাতে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা একটি টিম কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার আমতলী এলাকার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা গামী মহাসড়কের রাস্তার উপর হতে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০), পিতা-এরশাদ মিয়া।
আসামী কুমিল্লা জেলার মুরাদপুর থানার দিলালপুর গ্রাম নিবাসী।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরে যাত্রী ছদ্মবেশে ২ নারীকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই করে আসা ১টি চোর চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে ওই চোরচক্রের ৬ সদস্যকে।
আটককৃতরা হলো: শহরের টেপাখোলা এলাকার আকরাম শেখের ছেলে তূর্য ওরফে রায়হান শেখ (২৫), ছনেরটেক এলাকার সুমাইয়া (২৫), সদরের চরমাধবদিয়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাক শেখ (৫৫), দিনাজপুরের ডাসমারী এলাকার শাকিলা (৩০), ফরিদপুরের সালথার বালিয়াগট্টি এলাকার রায়হান মাতুব্বর (২৫) ও সালথার আটঘর এলাকার মনসুর সরদার (৪৪)।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ জানুয়ারি রাতে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের সামনে থেকে চোর চক্রের মূলহোতা তূর্য রায়হান ও শাকিলা এবং সুমাইয়া নামে ২ নারীকে আটক করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১টি চোরাই অটোরিকশা জব্দ করা হয়। তাদের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী রাতেই জেলার সালথা উপজেলার আটঘর এলাকা থেকে জব্দ করা হয় আরেকটি চোরাই অটোরিকশা। পরে অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের ওই ৬ জনকে বিভিন্ন এলাকায় থেকে আটক করে পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান জানান, আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে বুধবার দুপুরে আটককৃতদের ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


১৭৫ জন বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে আসেন
বর। কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ে না করেই বিয়ের আসর থেকে চলে গেলেন বর।
গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের কালুয়ারকান্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটলেও আগামী
রোববার সবার উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত হয়।
বিয়েতে বর ছিলেন উপজেলার আয়ূবপুর ইউনিয়নের
ঘাসিরদিয়া গ্রামের আলতাব হোসেন সরকারের ছেলে সাব্বির হোসেন সরকার (৩০)।
কনের মা সেলিনা বেগম জানান, আলোচনা
করেই গত এক সপ্তাহ আগে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হয়েছে। সময়মতো বর তার আত্মীয়স্বজনসহ ১৭৫
জন বরযাত্রী নিয়ে আসেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের কাবিননামায় স্বাক্ষর করবে এমন সময় বরের
বড় বোন সাবিনা ও ছোট বোন নিপা বলেন, কনের আগে বিয়ে হয়েছে দুই বাচ্চা রয়েছে— এই বিয়ে হবে না। সেসময় কনের গায়ের
জামাকাপড় জোর করে খুলে নিয়ে বিয়ের আসর থেকে বরের লোকজন বরকে নিয়ে চলে যান। কনের আগে
বিয়ে হয়েছে এটা জানতো তারা; কিন্তু দুই বাচ্চা আছে এটা মিথ্যা কথা বলেছে। ঘটনার পরে
বরের বাড়ির এলাকার চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকারকে জানালে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।
এ বিয়ে উপলক্ষে আড়াই লাখ টাকা খাওয়া-দাওয়া ও ডেকোরেশন বাবদ খরচ হয়।
বরের বড় বোন সাবিনা বলেন, কনের আগে
বিয়ে হয়েছে আর বাচ্চা আছে এটা আমরা আগে জানতাম না।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সরকার
বলেন, আমি বর পক্ষের লোকজনকে বলেছিলাম বসে মীমাংসা করতে। তারা আসেনি।
শিবপুরের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র
সমন্বয়ক আসিফ, রাকিব, সুমনা ও সাহেদের কাছে কনের মা অভিযোগ করলে তারা বরের বাড়িতে
গেলে বর ও বরের বাবাকে না পেয়ে বরের মামাকে থানায় নিয়ে আসেন। থানার ওসি উপস্থিত না
থাকায় আগামী রোববার সবার উপস্থিতিতে বসে মীমাংসা করা হবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, শিবপুরের ছাত্র সমন্বয়করা বরের বাড়িতে গেলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িগ্রাম উত্তর প্রতিনিধি:
সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার টার্গেট নেয়া হয়েছে। তারও আগে কুড়িগ্রামকে তামাকমুক্ত ঘোষণা করার জন্য প্রত্যেকের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। আজ শনিবার (৩১ মে) সকাল ১০টায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা এ কথা বলেন।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং জেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটি কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন- সোশ্যাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ধূমপানের পরিমাণ অনেকাংশে কমে এসেছে। এছাড়াও ধূমপানবিরোধী বিভিন্ন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেমন একটি গোল্ডলিফ সিগারেটে যে ক্ষতি হয় তার বিপরীতে ২০টি ওরিস সিগারেটে সমপরিমাণ ক্ষতি হয়। তারমানে সিগারেট কোম্পানিগুলোও এখন সচেতন হচ্ছে। আগের সিনেমাগুলোতে সিগারেট ধুমপানের অভিনয় দেখা যেত। এখনকার সিনেমাগুলোতে সিগারেট ধূমপানের অভিনয় থাকলেও সেখানে লেখা থাকে "ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর"। এটিও এক ধরনের ধূমপান বিরোধী ক্যাইম্পেন।
আলোচনা সভায় ধূমপানের ক্ষতিকর দিক এবং বিভিন্ন পরিসংখ্যান ডিজিটাল স্কিনে প্রেজেন্ট্রেশন করেন কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা: স্বপন কুমার বিশ্বাস। সভায় উপস্থাপনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উত্তম কুমার রায় এবং এনডিসি সায়েখুল হাসান খাঁন।
আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কুড়িগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ হাবিবুর রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির ১ নং যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু , যুগ্ন আহবায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, কুড়িগ্রাম জেলা সম্মিলিত শ্রমিক- কর্মচারী ঐক্য জোটের সদস্য সচিব ও জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, কুড়িগ্রাম পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ মতিউর রহমান ও কুড়িগ্রাম জেলা এবি পার্টির আহবায়ক ডা: মোঃ নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ।
আলোচনা সভায় কুড়িগ্রাম জেলা রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়কে ধুমপানমুক্ত ঘোষণা করায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়।
এছাড়াও বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ চারজন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা।
আলোচনা সভার আগে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯জানুয়ারী)
দুপুর দেড়টার দিকে মহাসড়কের হাসানপুর কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক
শাফিন (১৮) আহত হয়েছেন।
নিহত মীম (১৭) হাসানপুর
শহীদ নজরুল ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিহত মীম তিতাস উপজেলার
লালপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে। আহত শাফিনকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে দূর্ঘটনার পর পরই
ফুটওভার ব্রিজের দাবীতে শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে মহাসড়ক অবরোধ করেন। দুই ঘন্টাব্যাপি
অবরোধে সড়কের উভয় দিকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয় । সড়কের উভয় দিকে
কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী কলেজে
আরেক শিক্ষার্থী ইউসুফ জানান, কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী শাফিনের মোটরসাইকেটিকে পেছন
থেকে একটি পিকআপ ধাক্কা দেয়। এতে কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মীম রাস্তা পার
হওয়ার সময় মোটরসাইকেলটি তাকে ধাক্কা দেয়। তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলেজের সমাজ কল্যান
বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোলাইমান বলেন, দুপুর সোয়া ১টায় নাস্তার সময় সড়কের দক্ষিণ
পাশে নাস্তা খেয়ে আসার সময় দূর্ঘটনায় মারা যায়।
দাউদকান্দি হাইওয়ে
থানার ওসি মোঃ শাহীনুল ইসলাম বলেন, রাস্তা পার হতে গিয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত
কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
মোঃ আরফাতুল আলম বলেন, দূর্ঘটনা এবং সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে
যাই। অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের দাবীর বিষয়টি উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানানো হবে বলে
আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।
মন্তব্য করুন


মাদক প্রতিরোধে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা খুব সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে ।
তারই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) একটি বিশেষ অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজা এবং একটি পিকআপ গাড়ি উদ্ধার করেছে। এই অভিযানে দুই জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর ৩:১০ মিনিটে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন আলেখারচর বিশ্বরোড সংলগ্ন ঢাকা মুখী পাকা সড়কের উপর চেকপোস্টে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযান
পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একটি পিকআপ গাড়ি তল্লাশি করে মাদকদ্রব্য এবং আসামীদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন - মোঃ নাজমুল (২৭), বর্তমান ঠিকানা- নরসিংহপুর, আশুলিয়া, ঢাকা এবং মোঃ হাসেম (৪০), বর্তমান ঠিকানা- জামগড়া, আশুলিয়া, ঢাকা।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা এর কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ৪৫ ,ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(গ) তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীর (১১) বিয়ে পড়ানো হয়েছে। কাজি ডাকারও তোড়জোড় চলছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ইউএনও। বিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। সড়কে আটকে রেখে বসানো হয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারাদণ্ড দেওয়া হর বর, বরের খালা ও কনের মাকে।
সোমবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জয়পুরহাট শহরের সাহেবপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: শহরের সাহেবপাড়া এলাকায় ফয়জুল হকের ছেলে নাহিদ হাসান (২০), তার খালা রুমা ও কনের মা মাজেদা। এদের মধ্যে নাহিদকে এক মাস, তার খালা ও কনের মাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মেয়ে ও ছেলের পরিবার একই মহল্লার বাসিন্দা। ১১ বছর বয়সী ওই মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। তার বিয়ে দেওয়ার জন্য ছেলেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়। কাজী ডাকার তোড়জোড় চলছিল। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে হাজির হন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাশেদুল ইসলাম।
আর এই খবরে পালিয়ে যান বর ও কনের পরিবার। তাদের পিছু নিয়ে সড়কেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বাল্যবিবাহের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে কনের মাকে ১৫ দিন। বরকে এক মাস ও অভিভাবক হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা বরের খালাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে শোনা যায়, স্থানীয় মৌলভি ডেকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি বা কোনো ডকুমেন্ট নাই। মেয়ের বয়স কম, সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। এ কারণে বাল্যবিবাহ আইনে মেয়ের মা, বর ও বরের খালাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কারাদণ্ডের পর তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির।
মন্তব্য করুন