

মরক্কোর উপকূলীয় শহর সাফিতে হঠাৎ সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৩৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রবিবার ভারী বর্ষণের ফলে এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, রাজধানী রাবাত থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত সাফি শহরের প্রধান সড়কগুলো কাদাপানিতে ডুবে গেছে। অনেক এলাকায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শহরের ঐতিহাসিক পুরোনো অংশে অন্তত ৭০টি বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। আটলান্টিক উপকূলবর্তী এই বন্দর শহরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী একাধিক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিভিন্ন রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র এক ঘণ্টার প্রবল বর্ষণই সাফি শহরের স্বাভাবিক চিত্র বদলে দিয়েছে। হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বাধ্য হন।
এদিকে, মরক্কোর আবহাওয়া অফিস মঙ্গলবার দেশজুড়ে আরও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, টানা সাত বছর ধরে মারাত্মক খরার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মরক্কো। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের শুষ্কতার কারণে মাটি পানি শোষণ করতে না পারায় অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিই দ্রুত বন্যায় রূপ নিচ্ছে।
পরিবেশবিদরা একে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব হিসেবে দেখছেন। শুষ্ক ও শক্ত মাটির কারণে হঠাৎ বৃষ্টিপাত ভয়াবহ বন্যার জন্ম দিচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার স্পষ্ট ইঙ্গিত।
মরক্কোর আবহাওয়া অধিদফতরের জেনারেল ডিরেক্টরেট (ডিজিএম) জানিয়েছে, ২০২৪ সাল দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। ওই বছর গড় বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ কম ছিল।
সাধারণত শরৎকালে মরক্কোয় তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন সেখানে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে, যা দেশটির জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ২৫টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত ৭৬ জন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র চার প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান কুমিল্লা-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে আসনভিত্তিকভাবে প্রার্থীদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতীক বরাদ্দ ঘিরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় অধিকাংশ প্রার্থী নিজে উপস্থিত না থেকে তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রতীক সংগ্রহ করেন। কুমিল্লা- ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলাীর প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহামম্মদ, কুমিল্লা-৭ আসনের বিএনপি প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদ, কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হআবুল কালাম আরও কিছু প্রার্থী নিজ নিজ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রতীক গ্রহণ করেন।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীরা প্রচারণার কৌশল নির্ধারণ ও মাঠে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক গ্রহণ করেছেন।এরমধ্যে কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। এরমধ্যে মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করেছি।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। এই ভিত্তি
গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করবে এবং সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় আনবে। বৈষম্যহীন ও
শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার যে স্বপ্ন এখনো পূর্ণতা পায়নি, সেই লক্ষ্য অর্জনের যাত্রা এখান
থেকেই শুরু করা সম্ভব হবে।’
আজ
সোমবার ( ১৬ ডিসেম্বর ) ঢাকায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা
বলেন, ‘শুধু নির্বাচন নয়, এবার গণভোটের মাধ্যমেও সংস্কার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে
জনগণ তাদের মতামত জানাতে পারবে। এর ওপর ভিত্তি করে গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন রূপে শুরু
হতে পারে।’
রিজওয়ানা
হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে দমন করতে যুক্তি ও তর্কের বদলে হত্যাচেষ্টার
মতো সহিংস পন্থা নেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি নিন্দনীয় ও কাপুরুষোচিত।
তিনি
বলেন, ‘শক্তি থাকলে জনগণের মুখোমুখি হতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সামনে যাওয়ার
পথ সবারই জানা।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে ঘায়েল
করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, নতুন বাংলাদেশে তার কোনো স্থান নেই। এই সরকার তখনই সফল
হবে, যখন সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার এবং সংস্কারের যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে,
তা বাস্তবায়ন করা যাবে।’
তথ্য
উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচন
নিশ্চিত করা। মানুষ যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য
একটি শক্তি সক্রিয় রয়েছে। সেই শক্তিকে প্রতিহত করার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে
তোলাও প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে চলতি বছরের দুর্গাপূজা ঘিরে ৪৯টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ১৫টি মামলা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৯ জনকে।
আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
তিনি জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছোটোখাটো ৪৯টি ঘটনা ঘটেছে। তবে এসবের কোনোটিই বড় ধরনের সহিংসতায় রূপ নেয়নি।
আইজিপি বলেন, ঘটনাগুলো আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করেছি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতায় কাজ করছে। এ পর্যন্ত থানায় ১৫টি মামলা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৯ জনকে।
কী ধরনের ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইলে আইজিপি জানান, কোনো কোনো ঘটনায় প্যান্ডেলে পানি ছোড়া, প্রতিমা হেলে পড়া, চাঁদা দাবি, প্রতিমা বহনের সময় ভেঙে যাওয়া, ব্লেড দিয়ে প্যান্ডেলের চাঁদোয়া কেটে দেওয়া কিংবা মণ্ডপে গিয়ে গান বন্ধ করতে বলা-এমন ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরে
খাদ্য অধিদপ্তরের ‘সহকারী খাদ্য পরিদর্শক’ পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি, অবৈধ ডিভাইসসহ মিফতাহুল জান্নাত ও শিরিন আক্তার
নামের দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।
আজ
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে দিনাজপুর কারিগারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও সদর উপজেলার
পরাজপুর ফাসিলাডাঙ্গা হাই স্কুল কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক
মিফতাহুল রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ছোটরসুলপুর গ্রামের রেজাউল করীমের ছেলে ও রংপুর কারমাইকেল
কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি দিনাজপুরের ওমর ফারুক নামের একজনের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছিলেন।
তাকে
মাতা সাগর দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) থেকে আটক করা হয়।
অপরদিকে
অবৈধ ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন শিরিন আক্তার নামের এক চাকরিপ্রত্যাশী। তিনি পঞ্চগড়
জেলার বাসিন্দা। দিনাজপুর সদর উপজেলার পরাজপুর ফাসিলাডাঙ্গা হাইস্কুল কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়।
সংশ্লিষ্ট
সূত্র জানায়, সহকারী খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) মিফতাহুল নামের এক যুবকের উত্তরপত্রে
স্বাক্ষর করতে গিয়ে ছবির মিল না পাওয়ায় সন্দেহ
হয় কক্ষে দায়িত্বরতদের। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের জিজ্ঞাসাবাদে প্রক্সি দিতে আসার কথা স্বীকার করেন মিফতাহুল। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে মিফতাহুল জানান, রংপুর শহরের নজরুল চত্বর এলাকায় মেসে থাকেন তিনি।
সেখানে
বাসা ভাড়া ও খাবার খরচ
বাবদ আট হাজার টাকা
বকেয়া পড়েছিল। দুই মাস ধরে তা পরিশোধ করতে
পারছিলেন না। দুই দিন আগে মেস মালিক শরীফ বাবু তাকে প্রস্তাব দেন খাদ্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিলে মেসের বকেয়া টাকা দিতে হবে না। সে জন্য তিনি
অন্যের পরীক্ষা দিতে আসেন।
এ
বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস
এম হাবিবুল হাসান বলেন, ‘কিছুদিন আগে ডিভাইস নিয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ঘটনায় একটি চক্রের তিন সদস্যকে আমরা আটক করেছিলাম।
এ
ধরনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আরো একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কাজ করছে। আজকের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র সচিবকে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট শান্তিপূর্ণ,
সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় জাতিকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে জানানো
হয় এ তথ্য।
বিবৃতিতে
নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক
দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের
পেশাদারিত্ব—এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি
আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ
নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
ড.
ইউনূস বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন,
পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফলভাবে
সম্পন্ন হয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই—চূড়ান্ত
ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে।
মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বাংলাদেশ আজ
আবারও প্রমাণ করেছে—জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। আমরা সম্মিলিতভাবে
একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাব।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচন আমাদের জন্য মহাআনন্দের ও উৎসবের। এর মধ্য দিয়ে নতুন
বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো। এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ
ও উৎসবমুখর ছিল। এই ধারা ধরে রাখা সম্ভব হলে আমাদের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে যাবে।
আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার এই অভিযাত্রায় আমরা একসঙ্গে কাজ করি।
উল্লেখ্য,
দেশের ২৯৯টি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার। সকাল সাড়ে
৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এখন চলছে ভোট গণনা।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে
রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটের
দিকে ঢাকার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
তবে বিমান থেকে নামার সময় তারেক রহমান নিজেই লাগেজ
নিয়ে নেমেছেন। এমন একটি ছবি কালবেলার ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন করে তারেক রহমান
ইতোমধ্যেই বেশকিছু ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড করেছেন। যার জন্য তিনি প্রশংসায় ভাসছেন। মানবিক
এই নেতা এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর মহাখালীতে কড়াইলবাসীর আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শুরুর আগে এক হুজুর মঞ্চের সামনে
এগিয়ে এলে বসার জন্য চেয়ার প্রয়োজন হয়। তখন তারেক রহমান নিজের ব্যবহৃত চেয়ারটি এগিয়ে
দেন।
ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা
নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বেশ কয়েকজন নেতা
তাকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে গেলে তিনি সেটি করতে দেননি। এমন নানা প্রশংসিত কাজ করে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আর আজ রাজশাহী
বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামার সময় নিজের লাগেজ নিজে বহন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন
তিনি।
দুপুর ২টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী
সমাবেশে উপস্থিত হন। এই জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও
নাটোরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
এরপর বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে নির্বাচনী
জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ জনসভায় জয়পুরহাটের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে
নিজ জেলা বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তারেক রহমান বগুড়ায়
আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। রাত সাড়ে ৮টায় রাতযাপনের
উদ্দেশে তিনি হোটেল নাজ গার্ডেনে চলে যাবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা
ময়দানে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই
রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন
এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান
ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা
থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। মিছিলে নানা ধরনের
স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড়
বহর মাঠে প্রবেশ করলে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। বিপুল মানুষের চাপে সমাবেশস্থলের আশপাশের
সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় গাছ,
উঁচু দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ-
সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা ময়দান পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।
সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। মাঠ ও আশপাশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সভামঞ্চের
সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আকাশে ড্রোন
উড়তে দেখা গেছে, যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মরক্কোর উপকূলীয় শহর সাফিতে হঠাৎ সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৩৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। রবিবার ভারী বর্ষণের ফলে এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, রাজধানী রাবাত থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত সাফি শহরের প্রধান সড়কগুলো কাদাপানিতে ডুবে গেছে। অনেক এলাকায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শহরের ঐতিহাসিক পুরোনো অংশে অন্তত ৭০টি বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। আটলান্টিক উপকূলবর্তী এই বন্দর শহরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী একাধিক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিভিন্ন রুটে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র এক ঘণ্টার প্রবল বর্ষণই সাফি শহরের স্বাভাবিক চিত্র বদলে দিয়েছে। হঠাৎ পানি ঢুকে পড়ায় অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বাধ্য হন।
এদিকে, মরক্কোর আবহাওয়া অফিস মঙ্গলবার দেশজুড়ে আরও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, টানা সাত বছর ধরে মারাত্মক খরার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মরক্কো। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের শুষ্কতার কারণে মাটি পানি শোষণ করতে না পারায় অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিই দ্রুত বন্যায় রূপ নিচ্ছে।
পরিবেশবিদরা একে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব হিসেবে দেখছেন। শুষ্ক ও শক্ত মাটির কারণে হঠাৎ বৃষ্টিপাত ভয়াবহ বন্যার জন্ম দিচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার স্পষ্ট ইঙ্গিত।
মরক্কোর আবহাওয়া অধিদফতরের জেনারেল ডিরেক্টরেট (ডিজিএম) জানিয়েছে, ২০২৪ সাল দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। ওই বছর গড় বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ কম ছিল।
সাধারণত শরৎকালে মরক্কোয় তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন সেখানে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে, যা দেশটির জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
চাটখিলে তাহাজ্জুদের নামাজরত অবস্থায় আকরাম হোসেন (১২) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থী
মৃত্যুবরণ করেছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের
নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর
আগে ভোর রাতে উপজেলার বিষ্ণুরামপুর এলাকার নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নামাজের সময় এ
ঘটনা ঘটে। আকরাম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ফারুক হোসেনের বড়
ছেলে।
জানা
যায়, ভোরে মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাহাজ্জুদের নামাজে অংশ নেয় আকরাম।
সালাম ফেরানোর আগ মুহূর্তে হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে শুরু করে সে। পরে সহপাঠী
ও শিক্ষকরা তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে
মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় মাদ্রাসার পাশের মসজিদের মুয়াজ্জিন ও আকরামের মামা মাওলানা বোরহান
উদ্দীনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আকরামের সহপাঠী আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা
এক সঙ্গে খেলাধুলা করতাম। তাকে হারানোর পর আমাদের মধ্যে এক ধরনের শূন্যতা বিরাজ করছে।
মাদ্রাসা
শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত গণমাধ্যমকে বলেন, আকরাম খুবই ভালো শিক্ষার্থী
ছিল। কখনো তার নামে কোনো অভিযোগ পাওয়া যেত না। খুবই নম্র এবং ভদ্র ছিল।
আকরামের
মামা মাওলানা বোরহান উদ্দীন বলেন, আকরামকে বিকেল সাড়ে ৪টায় লক্ষীপুরের কমলনগরে তার
পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাকে হারিয়ে তার বাবা-মা বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন।
মাদ্রাসার
মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন বলেন, আকরাম ১৫ পারা শেষ করে ১৬ পারায় ছিল। খুব শিগ্গির
তার হিফজ সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আমরা একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হারালাম। আল্লাহ
তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুক। তার পরিবারকে ধৈর্য ধরার তাওফীক
দিক।
মন্তব্য করুন


সুদানে
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় শান্তিরক্ষীর
লাশ দেশে পৌঁছেছে।
আজ
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে তাদের বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার হজরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বিমানবন্দরে
শান্তিরক্ষীদের লাশ গ্রহণ করেন। এ ছাড়া লাশ
গ্রহণকালে চেয়ারম্যান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ; বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত
আবাসিক প্রতিনিধি; আবেইতে মোতায়েনরত জাতিসংঘ মিশন ইউনিসফা-এর ফোর্স কমান্ডারের প্রতিনিধি,
চিফ কমিউনিটি লিয়াজো অফিসার; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজি (ইউএন); পরিচালক, ওভারসিজ
অপারেশন পরিদপ্তর, সেনা সদর; ঊর্ধ্বতন সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিরা
উপস্থিত ছিলেন। লাশ গ্রহণকালে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং সব সামরিক
ব্যক্তিরা শাহাদাতবরণকারীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্যালুট দেন।
আগামী
রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসস্থ কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠান
শেষে তাদের নিজ নিজ ঠিকানায় হেলিকপ্টারযোগে পাঠানোর পরে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন
কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য,
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় ছয়জন শান্তিরক্ষী শহীদ
হওয়ার পাশাপাশি নয়জন শান্তিরক্ষী আহত হন, যাদের মধ্যে আটজন কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে
অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল (লেভেল–৩ হাসপাতাল)-এ চিকিৎসাধীন। বর্তমানে
সবাই শঙ্কামুক্ত।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন