

কুমিল্লা
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। গত ২১ মে এ সংক্রান্ত
গেজেট প্রকাশ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৭৩ নং আইন) এর ধারা ৪-এর উপধারা
(১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা
করল। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
গত
২৯ জানুয়ারি সরকার কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা
পর্যায়ে বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে
কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২
কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থাৎ
১২ কেজির এলপিজির সিলিন্ডারে ৩৫৭ টাকা কমেছে। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি
১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে।
আজ
বৃহস্পতিবার বিইআরসির জারি করা এক আদেশে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করা হয়। নতুন দাম বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।
বিইআরসি
জানিয়েছে, জুলাই মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী
আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এ মাসে
প্রোপেনের সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের ৬০০ মার্কিন ডলার ধরা
হয়েছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে দুই গ্যাসের গড় সিপি হয়েছে ৫৯৩ মার্কিন ডলার। পাশাপাশি এলপিজি
আমদানিতে প্রতি মেট্রিক টনে ১৮০ মার্কিন ডলার জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম এবং
প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২৩ টাকা ৮ পয়সা বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা
হয়েছে।
নতুন
মূল্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি বোতলজাত এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে
১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে ১২ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৯১ টাকা,
১৫ কেজির ১ হাজার ৯১০ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৩৭ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ২৯১ টাকা,
২০ কেজির ২ হাজার ৫৪৬ টাকা, ২২ কেজির ২ হাজার ৮০১ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ১৮৩ টাকা,
৩০ কেজির ৩ হাজার ৮১৯ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ২০১ টাকা, ৩৫ কেজির ৪ হাজার ৪৫৬ টাকা
এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৭২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রেটিকুলেটেড
পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১২৩ টাকা ৫৫ পয়সা
এবং গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৭৪ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ
করেছে কমিশন। এ ছাড়া কমিশন নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে বোতলজাত এলপিজি, রেটিকুলেটেড
এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সরকারি এলপিজির
দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকারি ১২ দশমিক ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য আগের
মতোই ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা থাকবে।
এর
আগে গত ২ জুন বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে
১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। একই সময়ে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০
পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা করা হয়েছিল। জুলাই মাসে নতুন সমন্বয়ের ফলে এক
মাসের ব্যবধানে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম আরো ৩৫৭ টাকা কমল।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশিসহ
বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।
আগামীকাল
(১১ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এই শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন,মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের
বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সবার মাঝে
ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ঈদের এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রামগঞ্জে,
সারা বাংলায়, সারা বিশ্বে। এদিন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের
আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন। ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি আর ঐক্যের
বন্ধন। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির স্থান নেই। মানবিক
মূল্যবোধ, সাম্য ও পারস্পরিক সহাবস্থান এবং পরমতসহিষ্ণুতাসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ইসলাম
ধারণ করে। ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিশ্বব্যাপী
নানাবিধ সংকটের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও এ মন্দার
প্রভাব দৃশ্যমান। ফলে সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বাভাবিক জীবনধারণে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি
হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদের প্রতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর
আহ্বান জানাচ্ছি, যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই ঈদের আনন্দ সমানভাবে উপভোগ করতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
মহানগরীতে মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে পারিবারিক অভিমানের জেরে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর
আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে নগরীর ইপিজেড রোড
এলাকার সিলভার স্বপ্নচূড়া ভবনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।নিহত শিক্ষার্থীর নাম মেহেদী
হাসান শুভ (১৫)। তিনি কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র এবং চৌদ্দগ্রাম
উপজেলার তারাপুষ্কুরুনী মতিন সওদাগর বাড়ির প্রবাসী সোহাগ মিয়া ও খাদিজা আক্তারের ছেলে।
পারিবারিক
সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় মেহেদীর মা খাদিজা আক্তার তার প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে ভিডিও
কলে কথা বলছিলেন। এ সময় মেহেদী একটি মোবাইল ফোনের আবদার করলে মা বিষয়টি তার বাবাকে
জানান। তখন বাবা তাকে মোবাইল ফোন না দেওয়ার কথা বলেন। বাবার ওই কথা শুনে অভিমান করে
মেহেদী পাশের একটি কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়।
পরে
বিষয়টি মেহেদীর বাবা জানতে পেরে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করতে বলেন। এরপর ভবনের দারোয়ানের
সহায়তায় দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করলে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, মেহেদী গলায় ফাঁস
দেওয়া অবস্থায় ঝুলে রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে
মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ
বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে
ধারণা করা হচ্ছে, মোবাইল ফোন না পাওয়ায় বাবার সঙ্গে অভিমান করে শিক্ষার্থীটি আত্মহত্যা
করেছে। নিহতের বাবা-মা এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করবেন না। তারা ময়নাতদন্ত
ছাড়াই মরদেহ গ্রহণের জন্য লিখিত আবেদন দিয়েছেন। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ
পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঢাকা–কুমিল্লা মহাসড়কের যানজট কমাতে বিকল্প সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুয়াগাজী থেকে গোলাবাড়ি হয়ে আড়াইহাজার পর্যন্ত একটি বিকল্প মহাসড়ক নির্মাণের প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) স্থানীয় সরকার বিভাগের কুমিল্লা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এ প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মেহেদি হাসান।
প্রস্তাবিত সড়কটি সুয়াগাজী থেকে শুরু হয়ে গোলাবাড়ি, গোমতীর উত্তর পাড় ঘেঁষে বুড়িচং, দেবিদ্বার, কোম্পানীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করে বাঞ্ছারামপুর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। পরবর্তীতে প্রস্তাবিত মেঘনা সেতু ও কাঞ্চন ব্রিজের মাধ্যমে এটি ঢাকার ৩০০ ফিট সড়কের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর চাপ কমবে এবং কুমিল্লার উত্তরাঞ্চলসহ আশপাশের জেলার মানুষ দ্রুত রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি শিল্পায়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বুড়িচং থানার ওসি মহোদয় এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে নিমসার বাজারে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার লেবু, শসা, কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতি পণ্যের দাম যাচাই করেন। কাঁচাবাজার এর
পাশাপাশি দোকানগুলোতেও রশিদ এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, লেবু ২০-৬০ টাকা হালি, কাচা মরিচ ২৬ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরা ১২-১৫ টাকা , টমেটো ৫-৮ টাকা , আলু ১৬-১৮ টাকা, লাউ ১৮-২০ প্রতি পিস, পেঁয়াজ দেশি (মেহেরপুর) ১৮-২০ টাকা, পেয়াজ দেশি (পাবনা,নওগা) ২৫-৩০ টাকা, ডিম হালি ৩৩-৩৪ টাকা, চিচিংগা ১৫ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৬০-৬৫/- (উন্নতমানের বড় সাইজ), চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা এবং সিম ২০-২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
তবে অভিযান পরিচালনাকালীন সময়ে এটাও বলে দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মূল্য কারসাজি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি
সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
রোববার
(৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায়
ঘোষণা করেন।
রায়ে
সন্তুষ্টি প্রকাশ করে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি
এই রায়ে সন্তুষ্ট। তবে রায় যখন বাস্তবে কার্যকর হবে, তখন আমি শতভাগ সন্তুষ্ট হব।’তিনি
আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীসহ এ মামলা পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করছি। আমি চাই প্রত্যেকটি রামিসা হত্যার বিচার হোক। এই ধরনের নৃশংসতা যেন আর না হয়।
যত দ্রুত সম্ভব রায় কার্যকর চাই।’
পাশাপাশি
সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
অর্থদণ্ডের টাকা রামিসার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা দিতে না পারলে
আসামিদের স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার আগে আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে
কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর আগে, গত ৪ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা
দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের
দিন ধার্য করেন।
মামলার
অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে
যায়। সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুজি শুরু করেন
তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।
ডাকাডাকির
পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির
বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান। এরপর জাতীয়
জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার
করা হয়।
এ
ঘটনায় গত ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের
করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। গত ২০ মে মামলার
প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের
আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে
পাঠানোর আদেশ দেন।
তদন্ত
শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা
মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।
গত
১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত
১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে বন্ধুদের সাথে সাঁতার কেটে নদী পার হতে গিয়ে নিখোঁজ কলেজছাত্র মোহাম্মদ
শিহাব (১৮)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর ডাকাতিয়া নদী থেকে
তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার সংযোগস্থল জাগজোর-নারান্দিয়া
ব্রিজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে শিহাব নিখোঁজ হয়। সে পার্শ্ববর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার
ঢালুয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের জাফর আহমেদ শিফনের ছেলে। সে চট্টগ্রাম বি.এন
কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের ছাত্র।
সিহাবের মামা আসিফ করিম বিষয়টি নিশ্চিত
করে জানান, শুক্রবার দুপুরে শিহাব তার অপর দুই বন্ধুকে নিয়ে নারান্দিয়া গ্রাম থেকে
পার্শ্ববর্তী জাগজোর গ্রামে যায় তালের শাঁস খাওয়ার জন্য। জুমার নামাজের সময় হওয়ায়
সেখান থেকে দ্রুত সাঁতার কেটে মসজিদে আসার জন্য নদীতে নামে তিন বন্ধু। এসময় অপর দুই
বন্ধু সাঁতার কেটে নদী পার হলেও শিহাব নদীতে হারিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম
ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমরা চাঁদপুর জেলা থেকে ডুবুরি টিমকেও
খবর পাঠাই। মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে চাঁদপুরের ডুবুরি টিম এসে বিকেল থেকে আনুমানিক এক
ঘণ্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিহাবকে উদ্ধার করতে পারেনি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার
কার্যক্রম স্থগিত রাখে তারা এবং শনিবার সকালে উদ্ধার কার্যক্রম ফের শুরু করে। এ সময়
শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা
হয়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
দিবস উপলক্ষে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।
সোমবার
(১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ দিবস
ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের
তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি
কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার এলাকা জুড়ে আমাদের বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা
ব্যবস্থা রয়েছে। ফুট পেট্রোলিং, ড্রোন পেট্রোলিং, মোবাইল পেট্রোলিং এবং সাইবার পেট্রোলিংয়ের
মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা ঝুঁকির কোনো
তথ্য নেই। তারপরও পুলিশ সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নিয়েছে। একুশে বইমেলায় আমাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে একটি
কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে, সিসি ক্যামেরার দিয়ে, সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট, সিকিউরিটি ইউনিট
সব সেখানে কাজ করছে। আর যে ছোটখাটো ব্যবস্থাগুলো হচ্ছে সেগুলো বইমেলা কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিকভাবে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ হওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ সব সময়
সেখানে প্রস্তুত রয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি রাত থেকেই মানুষজন এখানে আসবেন। যানজট নিয়ন্ত্রণের
জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শহীদ মিনার এলাকায় কিছু কিছু গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে৷
আমরা লিখিতভাবে জানিয়ে দেব। সাধারণত পলাশীর মোড় থেকে এখানে আসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই এলাকা থেকে বের হওয়ার রাস্তাগুলো দেওয়া হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমরা সেটি
জানিয়ে দিয়েছি। এখানে আমাদের একটি ম্যাপ তৈরি করে দেওয়া আছে। যারা আসবেন তাদের প্রতি
আমাদের অনুরোধ, শৃঙ্খলা মেনে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা এখানে রেখে আসবেন।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক
বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ
২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়, যেখানে
ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,
রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে প্রাণিসম্পদ খাত
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, বন্যায় ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার। জেলাভিত্তিক হিসাবে
কক্সবাজারে ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটিতে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা,
খাগড়াছড়িতে ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত
খামারগুলোর মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা এবং
৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়া ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে
২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার
ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার
৭৪০ টাকা।
শুধু
চট্টগ্রাম জেলাতেই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি
৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার
টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ১৬২ টন পশুখাদ্যে ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ৯৬০ টন ঘাসে
৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিতে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৪০ টাকার
ক্ষতি হয়েছে।
বন্যার
পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর
এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে। এতে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল,
৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস মারা গেছে। এর মধ্যে
শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি
মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।
এদিকে
বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার
৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে। এ পর্যন্ত
১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি
১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
এ
ছাড়া বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ
কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল
হাসান বলেন, মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তবে তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান থাকায় এ হিসাব পরিবর্তিত
হতে পারে।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তার এবং
তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আজ রোববার (১১ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে
এই খসড়া অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ
এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার
নিমিত্ত সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী
কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন
দ্বারা, ঐ ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে
তালিকাভুক্ত করতে পারে। তবে বর্তমান আইনে কোন সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে
কোন বিধান নেই।
এই বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাস বিরোধী
আইন, ২০০৯ কে সময়োপযোগী করে আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন।
বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে সত্তার কার্যক্রম
নিষিদ্ধ করা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন করা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধকরণের
বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন