

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সংবাদকর্মীদের ভ্রাতৃত্ব বন্ধন দৃঢ় রাখার প্রত্যয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন।
শনিবার (২২মার্চ) সন্ধ্যায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবে এ ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়।
ইফতার মাহফিলে সাংবাদিকরা বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও নেকবর যে আয়োজন করেছে, এতে আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। সবাই একে অন্যের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরব।
সিনিয়র সাংবাদিক এটিএন বাংলার ষ্টাফ রিপোর্টার খায়রুল আহসান মানিকের সভাপতিত্বে ও প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, দৈনিক পূর্বাশা পত্রিকার সিনিয়র প্রতিবেদক সহিদ উল্লাহ,দৈনিক শিরোনামের পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোতায়ের হোসেন মাহবুব, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও সময় টিভির প্রতিনিধি বাহার রায়হান, দৈনিক ভোরের সূর্যোদয় পত্রিকার সম্পাদক মোঃ ফিরোজ মিয়া,সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ওমর ফারুকী তাপস, বৈশাখী টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন, গোমতির সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক মোবারক হোসেন,প্রথম আলো কুমিল্লা প্রতিনিধি আবদুর রহমান,কুমিল্লা ডাকের সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন যমুনা টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক দপ্তর সম্পাদক জাহিদুর রহমান, মাই টিভি কুমিল্লার প্রতিনিধি আবু মুছা, নাগরিক টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ,বুড়িচং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বাবু, এশিয়ান টিভি কুমিল্লা প্রতিনিধি, মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, দৈনিক সমকালের ফটো সাংবাদিক এন কে রিপন, সমতটের কাগজের সম্পাদক জামাল উদ্দিন দামাল, সাংবাদিক কল্যান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন,দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার রাসেল আহমেদ, জাগরণীর টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান আশিক,খোলা কাগজের কুমিল্লা প্রতিনিধি শাহ ইমরান,পেশাজীবী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা মজুমদার,দৈনিক ভোরের কলাম পত্রিকার সম্পাদক তৌহিদ মামুদ অপু,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাবেক সভাপতি রবিউল বাসার খান,আমাদের কুমিল্লা স্টাফ রিপোর্টার সোহাইবুল ইসলাম সোহাগ, দুর্নীতি সন্ধানের জেলা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম (মেক রানা) সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সুমন, দৈনিক বাংলাদেশ কন্ঠর কুমিল্লা প্রতিনিধি ইয়াসিন মিয়া,চেতনা৭১ সম্পাদক মাইনুল হক স্বপন, দৈনিক সমাচার কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ শাফি,দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না,কুমিল্লা ডাকের স্টাফ রিপোর্টার সুমন, ,কুমিল্লা 24 বিপ্লব,আজকের কুমিল্লা স্টাফ রিপোর্টার উজ্জল,আজকের জীবন মহানগর প্রতিনিধি মজিবুর রহমান চৌধুরী,বিশিষ্ট সমাজ সেবক আনোয়ার হোসেনসহ কুমিল্লা কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার প্রতিনিধি মাওলানা আবু হানিফ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও সিটি কর্পোরেশন) আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নারীদের নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর ধর্মসাগরপাড়স্থ অস্থায়ী দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্তরে অবস্থান কর্মসূচিতে পরিণত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিক্ষোভে প্রায় আট হাজার নারী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “ইয়াছিন ভাইয়ের মনোনয়ন ফেরত চাই”, “৮ এর প্রার্থী ৬ এ কেন–মানিনা মানবো না”, “আমি কে তুমি কে, ইয়াছিন ভাই ইয়াছিন ভাই”সহ বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নারী নেত্রী ও অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “আমাদের নেতা ইয়াছিন ভাই, তার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আমরা তার পাশে আছি।” তারা জানান, এই আন্দোলনের মাধ্যমে নারীরা শুধু ক্ষোভ নয়, বরং রাজনৈতিক সচেতনতা ও নেতৃত্বের দাবি জানাচ্ছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, বর্তমান মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় ছিলেন না, অন্যদিকে হাজী ইয়াছিন দীর্ঘদিন তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন। তার সহায়তায় অনেক নেতা-কর্মী আইনি ও মানবিক সহায়তা পেয়েছেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, হাজী ইয়াছিনের ত্যাগ ও অবদান বিবেচনা করে তার মনোনয়ন ফিরিয়ে দেওয়াই হবে তৃণমূলের দাবি ও প্রত্যাশা। অন্যথায় স্থানীয় পর্যায়ে বিভাজন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় সংসারের খরচ চাওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার সাতানি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মঞ্জুরা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসী বাবুল মিয়া বাহরাইনে থাকেন। আর বড় ছেলে নবীর হোসেন স্থানীয় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। শান্তি মিয়ার বয়স হয়েছে, উপার্জন করতে পারেন না। সাংসারিক খরচের জন্য তাকিয়ে থাকেন দুই ছেলের দিকে। ছোট ছেলে প্রবাস থেকে মাস শেষে টাকা পাঠালেও বড় ছেলে খুব একটা সংসার খরচ দেন না। এতে করে কয়েকদিন পর পরই বড় ছেলে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার বাবা মায়ের ঝগড়া লাগতো। এর আগেও কয়েকবার সাংসারিক খরচ নিয়ে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বসে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার রাতে সংসারের খরচ চাওয়ায় নবীর হোসেন তার মাকে গালিগালাজ করেন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে মাকে মারধর করতে শুরু করেন। এই সময় তার বাবা শান্তি মিয়া বাধা দিলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মা মঞ্জুরা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সকালে পুলিশ এসে মঞ্জুরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দাস বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা পাইনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মূল ঘটনা জানা যাবে। আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন


পাহাড়ে অস্থিরতা ও মব জাস্টিসের বিরদ্ধে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে আইন বিভাগের ১৫তম আবর্তনের সুইচিং মারমা বলেন, 'বর্তমানে পাহাড়ে যে অস্থিতিশীলতা চলছে তা ব্যক্তিগত ইস্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি। এখন তা সামগ্রিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামগ্রিক পর্যায় থেকে শুরু হয় বাঙালি বনাম পাহাড়িদের সংঘাত। এ ইস্যুতে সাধারণ ছাত্র ও সরকারের মাধ্যমে সমাধানে যাওয়া দরকার। আমরা যে যার জাতিসত্ত্বা নিয়ে বাংলাদেশে সুশৃঙ্খলভাবে বসবাস করতে চাই। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমরা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে একসাথে মিলে বসবাস করতে চাই।'
মোজ্জাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, 'স্বৈরাচারী দোসররা সারাদেশে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ছাত্র জনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। তারা পাহাড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। মব জাস্টিসের নামে যেসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে তাদের মধ্যে ছাত্রলীগের প্রেতাত্না রয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও ছাত্রলীগের অনেক প্রেতাত্নারা সুশীলরূপে চলাফেরা করছেন। আপনারা যদি ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, তাহলে কঠিনভাবে প্রতিহত করা হবে। এ ক্যাম্পাসে স্বৈরাচারের দোসর, ছাত্রলীগের কোনো স্থান নাই।'
মানববন্ধনে কুবির অন্যতম সমন্বয়ক আবু রায়হান সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে মানববন্ধনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালকসহ দুজন নিহত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টায় কুমিল্লা মনোহরগঞ্জ উপজেলার খিলা দক্ষিণ বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তাছাড়া ,খিলা ইউনিয়নের উল্লাপাড়া গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে শাহআলম (৬৫) ও বান্দুয়াইন গ্রামের বাসিন্দা ও অটোচালক বাদল (১৫)।
স্থানীয়রা বলেন, দুপুরে খিলা দক্ষিণ বাজার এলাকায় একটি মালবাহী ট্রাক ইউটার্ন নেয়ার সময় নোয়াখালী থেকে আসা ঢাকাগামী নীলাচল বাস ট্রাকটিকে ওভারটেক করার সময় অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় বাসের ধাক্কায় চালকসহ দুই যাত্রী ছিটকে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে একজন নিহত হন ও উপরজন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। নিহত অটোচালক বাদলের বাবা শফিকুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
লাকসাম হাইওয়ে থানার ওসি মো. আদেল আকবর ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ফুটবল ম্যাচ শেষে ফেরার পথে খেলোয়াড় ও সমর্থকবাহী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল্লাহ আল ইমন (১৪) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার বাকশিমুল উত্তরপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন হরিপুর উত্তরপাড়া এলাকার শফিউল আলমের ছেলে এবং হরিপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে “এলইডি টিভি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট”-এর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় হরিপুর উত্তর একাদশ ও হরিপুর দক্ষিণ একাদশ মুখোমুখি হয়। উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় হরিপুর দক্ষিণ একাদশ বিজয়ী হয়।
খেলা শেষে খেলোয়াড় ও সমর্থকরা একটি ট্রাকে করে নিজ নিজ গ্রামে ফিরছিলেন। পথে বুড়িচং-কালিকাপুর সড়কের বাকশিমুল উত্তরপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে ইমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কিন্তু সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইমনের মৃত্যুর খবরে তার পরিবার, সহপাঠী ও সমগ্র হরিপুর উত্তরপাড়া এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, “খেলা শেষে ফেরার পথে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের বহনকারী ট্রাক খাদে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।”
শনিবার সকালে জানাজা শেষে ইমনের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশহিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কুমিল্লা মহানগরীর উদ্যােগে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৩০ কুমিল্লা টাউনহলের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করে।এসময় নগরীর টাউন হল থেকে শুরু করে মনোহরপুর,রাজগঞ্জ,বাদুরতলা, লাকসাম রোডে বিভিন্ন পোষ্টার ব্যানার নিয়ে মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করে।
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে নগর জামায়াতের সেক্রেটারী মু.মাহবুবর রহমানের পরিচালনা বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশ শুরা সদস্য ও কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার,কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, সহকারী সেক্রেটারী যথাক্রমে মু.কামারুজ্জামান সোহেল,কাউন্সিল মোশাররফ হোসাইন, নাছির আহম্মেদ মোল্লা।মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড এয়াকুব আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসাইন, আমীর হোসাইন ফরায়েজী।
সভাপতির বক্তব্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি’, ‘পিআর পদ্ধতিতে সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচন’, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ’, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করা’ এবং ‘স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও বিচারের মুখোমুখি করা’—গণমানুষের দাবি। সরকার যদি গণমানুষের দাবি উপেক্ষা করে গণভোট এবং জাতীয় নির্বাচন একদিনে করতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে সরকার একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। নভেম্বরে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে সরকার গড়িমসি করলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করতে জনগণ বাধ্য হতে পারে। তাই সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে ৫ দফা দাবি মেনে নিতে তিনি আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে মশামুক্ত নগরীতে পরিণত করতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
তিনি বলেছেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই নগরবাসীকে মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত করা হবে। নগরবাসী মশারি ছাড়া নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবে।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লা টাউন হল মাঠে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক টিপু বলেন, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এই বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে। সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত ফগিং, লার্ভিসাইডিং এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা শহরে মশার উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ধারাবাহিকভাবে মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হবে। যতদিন পর্যন্ত মশার অস্তিত্ব থাকবে, ততদিন এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, ড্রেন ও নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিস্কার করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, প্রকৌশলী আবু সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ চর্থার পশ্চিমপাড়া এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী আকবরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তিনি কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনের পিতা। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) বাদ যোহর কুমিল্লা সদর হাসপাতাল জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে নগরীর টমছমব্রিজ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজা ও দাফনে অংশ নেন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শওকত আলী বকুল, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ূম, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব, মহানগর বিএনপি নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার, মহানগর বিএনপি নেতা মনির হোসেন পারভেজ, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ হোসেন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সাহেদ পান্নাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাধারণ মুসল্লি, তার দীর্ঘদিনের বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী। জানাজা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
রোববার (১২ অক্টোবর) রাত ২টা ১০ মিনিটে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।
মোহাম্মদ আলী আকবর দক্ষিণ চর্থা এলাকায় একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সততা, সদালাপিতা ও সামাজিক কাজের প্রতি তার আন্তরিকতার কারণে স্থানীয় সমাজে তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পান। বিভিন্ন সময়ে এলাকার মসজিদ-মাদ্রাসা, দরিদ্র পরিবারের সহায়তা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যুর খবর শুনে বহু মানুষ তার বাড়িতে ছুটে যান এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন বর্তমানে কুমিল্লা মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মরহুমের মৃত্যুতে কুমিল্লা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন পৃথক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


আব্দুল মোতালেব নিখিল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা কুখ্যাত ডাকাত শাহ আলম দুলাল
(৪৮) ও তার দলের ১৩ জন সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৪টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- মুরাদনগরের উড়িরচর এলাকার
মৃত আবুল হাশেমের ছেলে মো. মনির হোসেন (৪০)। দেবিদ্বারের নবীয়াবাদ গ্রামের মৃত সোনা
মিয়ার ছেলে শাহ আলম দুলাল (৪৮)। ব্রাহ্মণপাড়ার সিধলাই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে মো.
মামুন মিয়া (২৪)। একই উপজেলার মোখলেছুর রহমানের ছেলে মাহবুব আলম (৩৮)। সদর দক্ষিণ উপজেলার
বিজয়পুর গ্রামের ইলিয়াছের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩০)। বুড়িচং উপজেলার জুরাইন মাইকপাড়া
গ্রামের মৃত নসু মিয়ার ছেলে মো. আল আমিন (৩২)। বরুড়ার মহেশপুর কাজী বাড়ির মৃত আব্দুর
রবের ছেলে মো. কামাল হোসেন (৩২)। চান্দিনার কংগাই গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে মোশারফ
শরীফ (৩২)। একই উপজেলার চিলোড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে মো. সুমন (৩৩)। বরুড়ার
বাশতলী নোয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মো. খোকন (৪০)। বরুড়ার দক্ষিণ হোসেনপুর
গ্রামের মুবিনের ছেলে আল আমিন (২৫)। চান্দিনার চিলোড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের আরেক
ছেলে মো. সোহেল (২৬)। বাঙ্গরাবাজারের হিরাকাশী গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল
আউয়াল (৫০)। এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সন্তোপুর গ্রামের নির্মল বিশ্বাসের ছেলে
নিহার বিশ্বাস (৪৮)।
আজ বুধবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া ও জেলা গোয়েন্দা
পুলিশের ইনচার্জ মু. আবদুল্লাহসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর
লালমাই থানায় দুটি ডাকাতির ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে গোপন সূত্রে খবর
আসে, বাঙ্গরাবাজার এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। টহল জোরদার
থাকায় তারা ডাকাতি করতে না পেরে দেবিদ্বারের দিকে রওনা হয়। রাতের অভিযানে পুলিশের চেকপোস্টে
পৌঁছালে হাইচ গাড়িতে থাকা ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া দিয়ে ১৩ জনকে আটক
করা হয়।
অভিযানে ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি কালো রঙের হাইচ মাইক্রোবাস,
কুড়াল, রামদা, চাপাতি, কাটার প্লাস, চেইন, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
করা হয়। এছাড়া ডাকাতি হওয়া চার জোড়া স্বর্ণের দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, একটি রুপার
নুপুর, একটি ছোট লাল রঙের স্বর্ণ রাখার বক্স এবং নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা
ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। তারা সম্প্রতি লালমাই এলাকায় তিনটি, বরুড়ায়
একটি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
তাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডাকাত
সর্দার দুলালের পূর্বে ২৬ টি মামলা রয়েছে ও আরেক ডাকাত মনিরের নামে রয়েছে ২১ টি মামলা।
পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ আরও বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা
রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ কাজ করছে। কিছুদিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো উন্নতির
দিকে দেখবেন আপনারা।
মন্তব্য করুন


সাইদুর রহমান, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর সহকারী পরিচালক
ডাঃ নিশাত সুলতানা কে উপ-পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়াধীন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশ এবং মহামান্য
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ফিডার পদে অভিজ্ঞতার শর্ত প্রমার্জনের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ক্যাডারের নিম্নোক্ত ৪৪ জন কর্মকর্তাকে উপ-পরিচালক/সমমান পদে পদোন্নতি প্রদান সম্পর্কে
এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত পদোন্নতি পেয়ে ডাঃ নিশাত সুলতানা কুমিল্লা
টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনকে জানান - পদোন্নতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের
মুহূর্ত। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয় বরং আমার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের
স্বীকৃতি। এই অর্জন আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে
এবং প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে
নিয়ে তার পরবর্তী পরিকল্পনা - আমার মূল লক্ষ্য হলো হাসপাতালের
সেবার মান আরও উন্নত করা এবং রোগীসেবাকে আরও মানবিক ও দক্ষ করা। এজন্য আমি কয়েকটি দিককে
অগ্রাধিকার দিতে চাই —
চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন: আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় আরও নির্ভুলতা আনা।
মানবিক সেবা: চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের মধ্যে সহানুভূতি
ও নৈতিকতা জাগ্রত করে রোগীদের প্রতি যত্নশীল মনোভাব বৃদ্ধি করা।
গবেষণা ও শিক্ষা: চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের
বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বাড়ানো।
পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা: হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
রাখা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেবা সহজলভ্য করা।
কমিউনিটি সংযোগ: সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য
সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা।
আমার বিশ্বাস, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে
আমাদের হাসপাতাল একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন