

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া কমিটির উদ্যোগে ১৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে কমিটির প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক প্রকৌশলী রনি মিনহাজ ও মো. ফরহাদ হোসেন, সদস্য সচিব জনাব আলম রওশন, মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আল আমীন, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন ও নুরুল আমিন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম সচিব মুশফিক আহমেদ, মুশফিকুর রহমান স্বপন, দাউদ ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম সংগঠক মো. ফয়সাল গাজী, আজহার উদ্দিন সৈকত, শহিদুল ইসলাম, রায়হান হোসাইন, নির্বাহী সদস্য সাইফুল ইসলাম মাসুম, ইয়াকুব আলী, আতিকুর রহমানসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল সদস্যবৃন্দ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ডায়াস্পোরা কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. আলমগীর চৌধুরী আকাশ এবং আইটি বিষয়ক সদস্য মুশফিকুর রহমান রিয়াজ।
আলোচনা সভায় সদস্যদের দায়িত্ব বন্টন করে দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, প্রবাসীদের মধ্যে সংগঠনকে সুসংগঠিত করা, নতুন সদস্য সংগ্রহ বৃদ্ধি, সাংগঠনিক প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রমের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ও ESKL এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভা শেষে নেতৃবৃন্দ বলেন “এনসিপি মালয়েশিয়া কমিটি প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করে যাবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নাগরিক অধিকারের প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
মন্তব্য করুন


তীব্র গরমে তৃষ্ণার্ত শ্রমজীবী পথচারী
মানুষের পাশে দাঁড়ালেন রোটারি ক্লাব অব রেনেসাঁস, কুমিল্লা।
বুধবার (১ মে) সকালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ
মোড়ে ঠান্ডা পানির বোতল ও খাবার স্যালাইন বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ডিস্ট্রিক কো-অর্ডিনেটর,
আরআইডি ৬৫,বাংলাদেশ রোটারিয়ান ডা. তৃপ্তিশ চন্দ্র ঘোষ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রোটা. লুৎফুল বারি চৌধুরী, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ রায়হান আহমেদ।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, রোটারি ক্লাব
অব রেনেসাঁস কুমিল্লার চাটার প্রেসিডেন্ট, চাটার সেক্রেটারি, প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট, চাটার
ট্রেজারার সহ ক্লাবের প্রায় সকল রোটারিয়ান।
উক্ত প্রজেক্টের চেয়ারম্যান ছিলেন,
রোটা. আনোয়ার হোসেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা পছন্দের প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত।
২১ জানুয়ারি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে থেকে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার এপিএস এম এ মতিন খান পেয়েছেন তালা প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।
কুমিল্লা ৭ চান্দিনা আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আতিকুল আলম পেয়েছেন কলস মার্কা। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এলডিপির সাবেক মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ।
কুমিল্লা ৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
কুমিল্লার ১১টি আসনে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করছেন ৮০ জন প্রার্থী। ৮০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭৬ জন তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এর মধ্যে তিনজন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবং একজন হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান প্রতীক বরাদ্দ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, কুমিল্লার ১১টি আসনে ২৫টি দলের ৭৬ জন প্রার্থী এবং চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থী হাইকোর্টের রায় নিয়ে এসেছেন, এটা যাচাই-বাছাই করছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে
দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচ জনকে কুপিয়ে
জখম করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ অক্টোবর)
রাতে উপজেলার খিলা ইউনিয়নের সাতেশ্বর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা
মামলায় প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর)
সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত তরুণের নাম বাবুল
মিয়া (২৭)। তিনি সাতেশ্বর গ্রামের সোলেমান মিয়ার ছেলে। তিনি দিনমজুরের কাজ করতেন। বাবুলের
আড়াই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
গেছে, রবিবার বেলা ১১টায় সাতেশ্বর গ্রামের নড়াই বাড়ির পাশ দিয়ে অটোরিকশা চালিয়ে যাচ্ছিলেন
একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রিমন হৃদয়। দ্রুতগতিতে অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ায় ওই
বাড়ির শিশুদের গায়ে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে ওই বাড়ির বাসিন্দাসহ স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে
অটোরিকশাচালকের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে হৃদয় ফেরার সময় বিষয়টি নিয়ে ওই বাড়ির
লোকজনের সঙ্গে আবার ঝামেলা হয়। ঘটনাটি সমাধানের জন্য সন্ধ্যার পর সাতেশ্বর পূর্বপাড়ার
একটি দোকানের সামনে সালিশ বৈঠক বসে।
এ সময় ইউনিয়ন যুবদলের
সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল
মতিন, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এমরান হোসেনসহ গ্রামের গণ্যমান্যরা দুই পক্ষকে মিলিয়ে
দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু অটোরিকশাচালক হৃদয়সহ তার পক্ষে থাকা সুমন, রুবেল, অন্তর,
রিপন, আবদুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন এ সিদ্ধান্ত মেনে নেননি।
তারা অপর পক্ষের ওপর
হামলা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে বাবুলসহ স্থানীয় লোকজন তাদের থামাতে
গেলে হৃদয়সহ তার লোকজন চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এ সময় বাবুলের পায়ে, পিঠে
ও হাতে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার
করে লাকসাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি
হাসপাতালে আসার আগেই মারা গেছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত দুলাল মিয়া, আবদুল মান্নান, মনির
হোসেন, যুবদল নেতা এমরান হোসেনসহ পাঁচ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে
ভর্তি করা হয়েছে।
মনোহরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার পর রাতেই লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অটোরিকশাচালক হৃদয়সহ তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। এতে ১০ জনের নাম ও অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার মূল আসামি ও বাবুলকে ছুরিকাঘাত করা সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডা সীমান্তবর্তী এলাকায় শিশুসহ ১৯ জন বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
আটকদের মধ্যে ৯ জন নারী, ৯ জন পুরুষ ও একজন শিশু।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আটক করে আমানগন্ডা বিওপি ক্যাম্পে নিয়ে আসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এ বিষয়ে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা ১০ বিওপি ব্যাটালিয়নের ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা জানান, আজ দুপুরে ১৯ জনকে সীমান্ত পিলার নং ২১০৪ সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে তাদের হস্তান্তর করে।
জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দক্ষিণ ভবানীপুর নিউনিদিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার দীপংকর সাহার নেতৃত্বে বিএসএফ-এর একটি দল ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা বিওপি কমান্ডার মো. মোস্তফার নেতৃত্বে একটি দল পতাকা বৈঠকে অংশ নেয়। বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। বিভিন্ন সময়ে অবৈধ পথে ভারতে গিয়ে তারা দেশটির পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। তারা ভারতের বিভিন্ন কারাগারে সাজাও খেটেছেন।
নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা আরও জানান, আটকদের তথ্য, নাম ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
মুরাদনগর উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে হঠাৎ
হামলা, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন সমর্থক আহত
হয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একজন ইউপি সদস্যও রয়েছেন।
আজ
বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদরে এ হামলা ও ধাওয়া-পাল্টা
ধাওয়া ঘটনা ঘটে।
এর
আগে আজ বুধবার বিকেলে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সদরের আল্লাহ চত্বরে এনসিপির নেতৃবৃন্দ
ও মাহমুদের সমর্থকরা বিক্ষোভ নিয়ে সমাবেশে জমায়েত হন। এ সময় সমাবেশ লক্ষ্য করে পার্শ্ববর্তী
জেলা পরিষদের মার্কেট থেকে বেশ কয়েকটি ইট, পাটকেল ছোঁড়া হয়। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে
ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। হামলা ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় এনসিপির ১০ থেকে
১২ জন সমর্থক আহত হন এর মধ্যে একজন ইউপি সদস্যও রয়েছে।
আহত
ইউপি সদস্য শেখর জানান, আমরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আল্লাহ চত্বরে এসে সমাবেশ শুরু করার
পরপরই সমাবেশ লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোঁড়া হয়। এ সময় আমাকে ব্যাপক মারধর করে মাথা
ফাঠিয়ে দেয়া হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ আঘাত করে।
মিছিল
নিয়ে আসা নাগরিক সমাজের আহবায়ক মিনাজুল হক জানান, তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিএনপির
লোকজন আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। মিছিল নিয়ে আসার পর করে শত শত ইট পাটকেল ছুড়ে
আমাদেরকে ধাওয়া দিতে থাকে এ সময় প্রায় অর্ধ শতাধিক সমর্থক আহত হয়।
কুমিল্লার
মুরাদনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আমিন কাদের খান বলেন, আজকে মুরাদ নগরের সদরে এনসিপির
সমর্থনের একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ চলছিল এ সময় পাশে অবস্থানকৃত কিছু লোক বিনা
উস্কানিতে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন, এরপরে বিপক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া
শুরু হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাজ করে। তবে এনসিপির সমর্থকদের অর্ধ শতাধিক
আহতের বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন। এছাড়াও কারা এ হামলার সাথে ইন্ধনদাতা তাদের বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে মাসব্যাপি উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ নাসরীন আক্তার। জাতীয় সড়ক দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২২অক্টোবর) দুপুরে নিরাপদ সড়ক চাই দাউদকান্দি উপজেলা শাখার উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গৌরীপুর বাসষ্ট্যান্ডে সমাবেশে একথা বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জনসচেতনতার অভাবে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটছে। সরকারী অর্থে নির্মিত ফুটওভার ব্রীজে কেউ উঠতে চায়না, রাস্তা পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনা বাড়ছে। আমরা নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে ভালোবাসতে হবে, বুজতে হবে। আমরা ঘর থেকে বের হলেই অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয়, আবার ঘরে ফিরতে পারবে কি না? সড়কে দুর্ঘটনার কযেকটি কারনের মধ্যে ফিটনেসবিহীন যান, ফুটপাত দখল, মহাসড়কে নিষিদ্ধ তিনচাকার যান অবাধে চলা, অদক্ষ ও লাইসেন্স বিহীন চালক। সড়ককে নিরাপদ রাখতে নভেম্বরে মাসব্যাপি অভিযান পরিচালনা করা হবে।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সভাপতি “লিটন সরকার” বাদলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক“ আলমগীর হোসেনের ” অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় “মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি” এই প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম, দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদ খান চৌধুরী, দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুনায়েত চৌধুরী, গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মো. সালাউদ্দিন, গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আয়েশা আক্তার।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকা থেকে দলনেতাসহ আট জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
গত ২৭ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের
নিকট হতে ২ টি চাকু, ৪ টি ক্ষুর ও ৭ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ নিলয় ইসলাম (২০), পিতা-মোঃ রোকন মিয়া, সাং-
অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ২। মোঃ ইমতিয়াজ মিনহাজ আকাশ (১৯), পিতা-
মোঃ গোলাম রাব্বানী মাসুম, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
বাপ্পি (১৯), পিতা-মৃত আবুল খায়ের, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৪। পিয়াল খন্দকার (১৯), পিতা-মোঃ বশির খন্দকার, সাং- গাজীপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৫। মোঃ আব্দুল কাদির (১৯), পিতা-মোঃ সোয়াব আলী, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি সাং-
উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে গ্রেফতার এবং আইনের সাথে
সংঘাতে জড়িত শিশু ৬। শাহাদাত হোসেন মাহি (১৭), পিতা-মোঃ নাদের হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর,
থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৭। রাকিবুল হাসান (১৬), পিতা- মোঃ সোহেল রানা,
সাং- উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং ৮। মোঃ মুনতাছির মাহমুদ@
সামির (১৭), পিতা-মোঃ মীর হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের
ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা সকলেই কিশোর গ্যাং
এর সক্রিয় সদস্য। তারা উপরোক্ত দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয়
ভীতির মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তারা ভয় ভীতির
মাধ্যমে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ যানবাহনে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়সহ ত্রাস সৃষ্টি করে
আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদের
বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জেলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।এর আগে সকালেই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লার সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন রুবেল, মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল মতিন, দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকার সম্পাদক শাহজাদা এমরান, টাউনহলের সদস্য সচিব সাজ্জাদ হোসেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসনাত বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক দুলাল, এ্যাডভোকেট গোলাম ফারুকসহ জেলার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানো অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের অবদান স্মরণ করে একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান বক্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে মিনি পিকআপে
করে মাদক পরিবহনকালে ৪৮ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১
সিপিসি-২।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন
চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
মিনি পিকআপের পিছনে মাছ রাখার ড্রামের মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী ১। মোঃ
দিপু , ২। কামরুল ইসলাম , ৩। মোঃ ছুটন মিয়া , ৪। শিপন এবং ৫। মোঃ মাহফুজ নামের পাঁচজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৪৮ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ দিপু
(২৭) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার কাইয়ুমপুর গ্রামের আইয়ুব খান এর ছেলে; ২। কামরুল ইসলাম
(৩০) কুলনা পাথর গ্রামের মৃত জামাল হোসেন এর ছেলে; ৩। মোঃ ছুটন মিয়া (৩০) কামালপুর
গ্রামের মৃত মকবুল হোসেন এর ছেলে; ৪। শিপন (৩০) নোয়াগাঁ গ্রামের টুনু মিয়া এর ছেলে
এবং ৫। মোঃ মাহফুজ (২৪) কামালপুর গ্রামের বাছির মিয়া এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা
মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা–নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বাগমারা বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। চাঁপাই নবাবগঞ্জের রাজশাহী থেকে নোয়াখালীগামী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে ধাক্কা দেয়।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এতে বাসটি এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরপরই হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা নেয়।
মন্তব্য করুন