

গাইবান্ধার
গোবিন্দগঞ্জে কোরআন মাহফিলে বয়ানরত অবস্থায় মাওলানা ফরিদুল ইসলাম (৪০) নামের এক বক্তা
মৃত্যুবরণ করেছেন।
সোমবার
(৮ ডিসেম্বর) ভোরে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ
করেন। এর আগে রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাতে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের চরবালুয়া এলাকায় মাহফিলে
বয়ান করার সময় ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মঞ্চে ঢলে পড়েন তিনি।
স্থানীয়
একটি জামে মসজিদের উন্নয়নকল্পে আয়োজিত কোরআন মাহফিলে তিনি তৃতীয় বক্তা হিসেবে বক্তব্য
শুরু করার পরই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি
হলে পরে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
সোমবার ভোরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মাওলানা ফরিদুল ইসলাম গাইবান্ধা সদর উপজেলার হাটলীপুরের
খামারগোবিন্দপুর গ্রামের খোকা মিয়ার ছেলে।
তিনি
গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জ আইডিয়াল একাডেমিক স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন। পাশাপাশি ঘোষপাড়া
জামে মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। সোমবার সকাল ১১টায় মহিমাগঞ্জ আলিয়া
মাদ্রাসা মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নিজ গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক
কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তিনি আড়াই বছর বয়সী এক পুত্র ও স্ত্রী রেখে গেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, মাহফিল চলাকালে একজন আলেমের এভাবে চলে যাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আজ পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশিসহ
বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।
আগামীকাল
(১১ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এই শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন,মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের
বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সবার মাঝে
ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ঈদের এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রামগঞ্জে,
সারা বাংলায়, সারা বিশ্বে। এদিন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের
আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন। ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি আর ঐক্যের
বন্ধন। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির স্থান নেই। মানবিক
মূল্যবোধ, সাম্য ও পারস্পরিক সহাবস্থান এবং পরমতসহিষ্ণুতাসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ইসলাম
ধারণ করে। ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিশ্বব্যাপী
নানাবিধ সংকটের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও এ মন্দার
প্রভাব দৃশ্যমান। ফলে সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বাভাবিক জীবনধারণে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি
হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদের প্রতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর
আহ্বান জানাচ্ছি, যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই ঈদের আনন্দ সমানভাবে উপভোগ করতে পারে।
মন্তব্য করুন


পরিবার
গঠনে উৎসাহ দিতে আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত আমিরাতি নাগরিকদের জন্য ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান
দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দুবাইয়ের ধনকুবের ও আল হাবতুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
খালাফ আল হাবতুর। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
ঘোষণা
অনুযায়ী, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে কর্মরত কোনো আমিরাতি নারী বা পুরুষ বিয়ের সিদ্ধান্ত
নিলে তিনি এই আর্থিক সহায়তা পাবেন। এছাড়া বিয়ের পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সন্তানের জন্ম
হলে এই অনুদান দ্বিগুণ করা হবে।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে খালাফ আল হাবতুর বলেন, বিবাহ ও পরিবার গঠন শুধু ব্যক্তিগত
বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব। এর মাধ্যমেই জাতি গড়ে ওঠে এবং কমিউনিটি টিকে
থাকে।
তিনি
বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার তরুণদের পারিবারিক জীবন শুরু করতে নিয়মিত সহায়তা
দিয়ে আসছে। তবে নাগরিকদের বিয়ে ও পরিবার গঠনে উৎসাহ দিতে সবার পক্ষ থেকেই বাস্তব উদ্যোগ
প্রয়োজন।
এই
প্রেক্ষাপটেই নিজের উদ্যোগের কথা জানিয়ে আল হাবতুর বলেন, চলতি বছর আল হাবতুর গ্রুপে
কর্মরত যেকোনো আমিরাতি যুবক বা তরুণী বিয়ে করলে তাকে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান দেওয়া
হবে। পাশাপাশি বিয়ের দুই বছরের মধ্যে সন্তান জন্ম নিলে এই সহায়তা দ্বিগুণ করা হবে।
সর্বশেষ
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখে
পৌঁছেছে। এর মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার আনুমানিক ১৫ শতাংশ।
ফেডারেল
ও স্থানীয় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমিরাতি নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে
এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতে তাদের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা বাড়াতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) পদক পেলেন ১২০ র্যাব সদস্য।
সেবা ও সাহসিকতা এবং পেশাগত কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তারা এ পদক পেলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত র্যাব মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন।
এ সময় পদক প্রদান ছাড়াও দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত ৩৩ র্যাব সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও আর্থিক অনুদান তুলে দেন র্যাব মহাপরিচালক।
এছাড়া র্যাবের মহাপরিচালক আভিযানিক কার্যক্রমে শহীদ র্যাব সদস্যদের স্মৃতি স্মরণে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (৬ ডিসেম্বর) গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রী সুর্বনা রায়ের নিজ বাড়িতে ঘটে যায় ভয়াবহ এক হত্যাকাণ্ড। শান্ত-নিরিবিলি এলাকায় এমন নৃশংস ঘটনা স্থানীয়দের স্তম্ভিত করেছে।
প্রতিবেশী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, স্বাভাবিক নিয়মে রাতে ঘুমাতে যান দম্পতি। তবে রোববার ভোরে তাদের দরজায় বারবার ডাকা সত্ত্বেও কোনো সাড়া না পেয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তখন প্রতিবেশী দীপক নামের একজন বাড়ির সামনের গেটে মই লাগিয়ে ভেতরে ঢোকার উদ্যোগ নেন। ঘরে প্রবেশ করতেই তিনি আতঙ্কজনক দৃশ্যের মুখোমুখি হন—রান্নাঘরে সুর্বনা রায় ও ডাইনিং রুমে যোগেশ চন্দ্র রায় গলা কাটা অবস্থায় পড়ে আছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানান এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ছিলেন রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। অবসর জীবনে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে শান্তভাবেই বাড়িতে থাকতেন। তাদের দুই ছেলে বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করছেন। দম্পতিকে সাধারণত নিরিবিলি, শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবেই সবাই চিনতেন।
এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের কারণ স্পষ্ট না হলেও পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তারাগঞ্জ থানার এসআই আবু ছাইয়ুম জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে দুজনকেই মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পেছনে কারো শত্রুতা, লুটপাটের চেষ্টা বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাববর হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি বিষয়টি রংপুর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)কেও জানানো হয়েছে এবং তারা তদন্তে সহায়তা করছেন।
মন্তব্য করুন


আজ
(৩০ জানুয়ারি) বিকালে বসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। একাদশ জাতীয় সংসদের
মেয়াদ শেষ হয়েছে গতকাল (২৯ জানুয়ারি)।
রাষ্ট্রপতির
ভাষণের মধ্য দিয়ে বিকেল ৩টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে।
সংখ্যাগরিষ্ঠ
দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল
হক টুকুকে একই পদে মনোনীত করেছে। ফলে তারা আবারও নির্বাচিত হবেন। সংসদ নেতা হিসেবে
নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর উপনেতা মতিয়া চৌধুরী। বিরোধী দলীয় নেতা
হয়েছেন জাতীয় পার্টির জি এম কাদের ও উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
অধিবেশনের
প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে জানিয়েছে
সংসদ সচিবালয়। এরপর নতুন সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মত ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ
আলোচনায় অংশ নেবেন সদস্যরা।
সংসদে
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদীয় কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হবে। এতে
অধিবেশনের কার্যকাল ও আলোচ্যসূচি ঠিক করা হবে।
প্রথম
অধিবেশন সংসদ থেকে সরাসরি দেখার জন্য বিদেশি কূটনীতিকসহ বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো
হয়েছে।
এদিকে
সংসদ ভবন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।
আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের মেসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সামরিক সদস্যদের মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, পুরো জাতি এখন নির্বাচনমুখী। গত ১৩-১৪ মাস ধরে সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে সেনা সদস্যরা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিমাণ তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হবে,এমন প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। ট্রেনিং, পোস্টিং, প্রমোশনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। এমন সময় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ঘটনাটি সেনা সদস্যদের মনোবলে কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আমরা সবসময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রজিউন)।
আজ বুধবার ঢাকার
একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি
এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
বাঞ্ছারামপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন জানান, ইউএনও ফেরদৌস আরা আজ বুধবার সকাল
৭টার দিকে ঢাকায় মারা গেছেন। তিনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছিলেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে
ফেরদৌস আরার স্বামীর বাড়ি হলেও তার বাবার বাড়ি ঢাকার যাত্রাবাড়িতে।
নবীনগরের ইউএনও
মাহমুদুল হাসান জানান, গত রবিবারও তারা একইসঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা
বিষযক এক সভায় যোগ দিয়েছিলেন। এরপরই তিনি সোমবার অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, ৩৬তম
বিসিএসের এ কর্মকর্তা গত বছরের ৯ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুরে যোগদান করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় রবিন হোসেন নামে ভারতীয় এক নাগরিককে আটক করা হয়েছে। গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের নারায়নপুর সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আটক হওয়া রবিন হোসেন (২৫) ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর থানা এলাকার গৌরাঙ্গলা (আশাবাড়ি) গ্রামের আব্দুল সালামের ছেলে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সুলতানপুর ৬০ বিজিবির শশীদল বিওপির একটি টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। নায়েব সুবেদার আবু বক্করের নেতৃত্বে রাত ৯টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মেইন পিলার ২০৫৮/৬-এস থেকে প্রায় ৩৫০ গজ ভেতরে নারায়ণপুর মাজারের সামনে থেকে রবিন হোসেনকে সীমান্ত অতিক্রমের সময় আটক করে বিজিবি। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে রবিন বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণসংক্রান্ত কোনো নথি দেখাতে পারেননি।
শশীদল বিওপির বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার আবু বক্কর জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ (কন্ট্রোল অব এন্ট্রি) অ্যাক্ট ১৯৫২-এর ৪ ধারায় মামলা করে তাকে আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন রমজানকে
সামনে রেখে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের দ্রুত বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ভ্রমণসেবা সংশ্লিষ্টরা।
দেরি করলে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।
আজ রোববার এক
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদেন
বলা হয়েছে, রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মুসল্লির আগমনের কারণে পরিবহন ও আবাসন
ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।
ওমরাহ অপারেটরদের
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাসে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ প্রায় এক হাজার ২০০ দিরহাম হলেও আগামী
কয়েক দিনের মধ্যেই তা বেড়ে ১ হাজার ৪০০ দিরহামে পৌঁছাতে পারে। রমজান যত ঘনিয়ে আসবে,
এই ব্যয় দুই হাজার দিরহামেরও বেশি হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা
জানান, অনেকেই শেষ মুহূর্তে সস্তা প্যাকেজের আশায় বুকিং পিছিয়ে দেন, কিন্তু রমজানের
মতো ব্যস্ত সময়ে আসন ও হোটেল সীমিত হয়ে পড়ায় উল্টো বেশি দাম গুনতে হয়।
আকাশপথে ওমরাহর
ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিমানযাত্রাসহ ওমরাহ প্যাকেজ শুরু
হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে। তবে রমজান শুরু হলে এই প্যাকেজের দাম ৫ হাজার
২০০ দিরহাম ছাড়িয়ে ৮ হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে
খরচ সবচেয়ে বেশি হবে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা।
বিশ্লেষণে দেখা
গেছে, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও হোটেল ভাড়াই ব্যয় বৃদ্ধির
প্রধান কারণ। মসজিদুল হারাম থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত হোটেলগুলোর ভাড়া রমজানে দ্বিগুণ
এবং শেষ দশ দিনে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
এছাড়া, হজের
প্রস্তুতির কারণে ওমরাহ ভিসার সময়সীমাও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১৭ মার্চের পর ওমরাহ ভিসা
আবেদন বন্ধ হবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে। ১৮ এপ্রিলের মধ্যে
দেশ ছাড়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
তাই খরচ ও সময়-দুটো বিষয় মাথায় রেখে আগেভাগে পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


লাখো
মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা আর গভীর শ্রদ্ধায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন
বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা আজ বুধবার বেলা ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম এই জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষের ভিড় সংসদ ভবন
এলাকা ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে এক মহাসমুদ্রে রূপ নেয়।
জাতীয়
মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজার নামাজ পড়ান। দুপুর ২টায় জানাজা
শুরুর সময় নির্ধারিত থাকলেও ভোর থেকেই মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকায় মানুষের
ঢল নামে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অগণিত মানুষ প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো
এক নজর দেখতে রাজধানীজুড়ে জনস্রোত তৈরি করে।
জানাজায়
অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীরা জানান, বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু জনগণের অধিকার
আদায়ের সংগ্রামে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আজ কৃতজ্ঞ জাতি তার শেষ বিদায়বেলায় সেই ভালোবাসারই
বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। দীর্ঘ ৪৫ বছরের রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি যে জনপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছেন, আজকের এই মহাসমুদ্র তারই প্রমাণ।
সাবেক
এই প্রধানমন্ত্রীর জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসসহ দেশি-বিদেশি শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদেশি অতিথিদের মধ্যে পাকিস্তানের
স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং নেপাল, ভুটান ও
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।
দেশের
নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
জানাজায় শরিক হন। জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজার আগে তাঁর জীবন ও কর্ম সবার উদ্দেশে তুলে ধরেন বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়াও পরিবার ও দলের পক্ষ্য থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। এর আগে আজ সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ এভারকেয়ার
হাসপাতাল থেকে শেষবারের মতো গুলশানের বাসভবনে নেওয়া হয়। পরে কফিনবাহী গাড়িটি দুপুর
পৌনে ১১টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে পৌঁছালে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহের সঙ্গে লাল-সবুজ রঙের বাসে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের বড় ছেলে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা
রহমান ও পরিবারের অন্য সদস্যরা জানাজাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা
উপলক্ষ্যে সংসদ ভবন ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ,
র্যাবের পাশাপাশি ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়। জানাজা শেষে এখন মরদেহ শেরেবাংলা
নগরে নেওয়া হচ্ছে। বিকেল সাড়ে ৩টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে
পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর বিদায়ে
সরকার দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও আজ বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। প্রিয় নেত্রীর
মৃত্যুতে সমগ্র দেশ এখন শোকাতুর।
মন্তব্য করুন