

বগুড়ার সদর উপজেলায় রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ২৫ জন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রোববার (৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে
উপজেলা শহরের সেউজগাড়ী আমতলী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের নাম- অলোক, আতশী, নরেশ, রনজিতা
এবং একজন নারী হাসপাতালে মারা গেছেন, তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর
রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা
যায়, সেউজগাড়ী ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রাটি বিকেল ৫টার দিকে বের হয়। পথে সেউজগাড়ী
আমতলা মোড় এলাকায় পৌঁছালে আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে রথের চূড়া রাস্তার ওপর থাকা হাইভোল্টেজের
বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসে। রথের চূড়া স্টিলের হওয়ায় বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে
আসার সঙ্গে সঙ্গে তারে আগুন লেগে যায়। এ সময় রথে থাকা এবং আশপাশের অন্তত ২৫ জন আহত
হন। পরে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে
নেওয়া হয় এবং ৪ জন মারা যান। অন্যদিকে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে একজনের মৃত্যু
হয়েছে ৷ গুরুতর আহতরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালসহ বিভিন্ন
ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, রথযাত্রার সময় রথের চূড়াটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে
এলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শজিমের হাসপাতালে ৪ জন এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ১
জন মারা গেছেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে বগুড়ার পুলিশ
সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ার বুধুন্ডা গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছোট-বড় ১৫টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ওই বাড়ির হাসান প্রধানের ঘর সংলগ্ন বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে ওই বাড়ির আমির হোসেন, হুমায়ুন কবির, সাইফুল ইসলাম, বজলুর রহমান, মোক্তার হোসেন, মনির হোসেন, ছোলেমান প্রধান, মাসুম ও হাসানের ছোট-বড় ১৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে নগদ টাকা, স্বর্নালঙ্কার ও মালামালসহ প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে আমির হোসেন জানান, সকালে কাজ করতে পাশ^বর্তী মাঠে যাই। আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে বাড়িতে দৌড়ে এসে দেখি আমার সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার পরনের লুঙ্গি ছাড়া আর কিছুই রইল না। এসময় ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশাসনসহ বিত্তবানদের পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা মাহাতাব মন্ডল বলেন, অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিক্ষতির পরিমাপ নিরূপন করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৬৪ কেজি গাঁজা ও ৯৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ
তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (২৯ জুন) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ৬৪
কেজি গাঁজা, ৯৬ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত দুইটি প্রাইভেটকার
উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ আবু জোবায়ের হোসেন (৩৮) কুমিল্লা
জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বসন্তপুর গ্রামের হাফেজ নুর আহম্মদ এর ছেলে, ২। মোঃ ইসমাইল
হোসেন (২৫) একই গ্রামের শরীফ মোঃ ইউসুফ এর ছেলে এবং ৩। কবির হোসেন (৪২) কুমিল্লা
জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কুড়িয়াপাড়া গ্রামের মৃত চেরু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার দুইটি ব্যবহার
করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে
কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান
অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে কুমিল্লা মিডিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ১৬-তম আসরে
শালবন টাইগার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন গোমতী ওয়ারিয়র্স।
ফাইনাল
খেলায় গোমতী ওয়ারিয়র্স টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাট করতে নেমে
১৬ ওভারে শালবন টাইগার্স ১০০ রান করেন। দলের পক্ষে অধিনায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু ১৪ রান,
মোস্তাফিজ ৩২, ইকরাম ৮, সোহরাব সুমন ৭, শাহ ইমরান ২, আলমগীর ৩ ও সাইফুল সুমন ৪ রান
করেন। শালবন টাইগার্স এর পক্ষে সুমন কবির ও মাইনুল স্বপন ২ টি করে উইকেট পান।
জবাবে
ব্যাট করতে নেমে গোমতী ওয়ারিয়র্স ১৩ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের দ্বারে পৌছে যান। দলের
পক্ষে সোহান ৩৯ রান, আজাদ ১১, সুমন কবির ২৫, স্বপন ৮, মান্না ৭ রান করেন।খেলায় ম্যান
অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন সুমন কবির। সেরা বোলার হয়েছেন মাইনুল হক স্বপন , সেরা ব্যাটার
হয়েছেন সোহান, সেরা ফিল্ডার হয়েছেন মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ এবং টুর্ণামেন্ট সেরা হয়েছেন
সোহান।
এছাড়া
ম্যান অব দ্য সিরিজ পাওয়া সোহানকে ৩ হাজার টাকা ও ম্যান অব দ্য ম্যাচ পাওয়া সুমন কবিরকে
২ হাজার টাকা উপহার দিয়েছেন ব্ল্যাক পার্ল হোল্ডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়া
হাসান।টুর্ণামেন্টজুড়ে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করার জন্য শুভেচ্ছা স্মারক পেয়েছেন
মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, জহিরুল হক বাবু, মো.ইয়াছিন মিয়া, মো.সাফি, জিহাতুল ইসলাম সাকিব।টুর্নামেন্টে
আয়োজনে সহায়তা করার জন্য শুভেচ্ছা স্মারক পেয়েছেন কুমিল্লা নিউজের সম্পাদক জহিরুল হক
বাবু, ম্যাক নিউজের সম্পাদক ম্যাক রানা, চ্যানেল বাংলাদেশ টিভির শাহ ইমরান, ভোরের শিরোনামের
সম্পাদক ও দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার মো.হাবিবুর রহমান মুন্না, দৈনিক সংগ্রামের
জেলা প্রতিনিধি রেজাউল করিম রাসেল, জাগো কুমিল্লার সম্পাদক অমিত মজুমদার, ডেইলি বাংলাদেশ
মিররের স্টাফ রিপোর্টার রাসেল সোহেল, জাগরণী টিভির প্রতিনিধি আশিকুর রহমান ও এশিয়ান
টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান আজিজুল হক। ফেয়ার প্লে ট্রফি পেয়েছেন ময়নামতি ও ধর্মসাগর
দল।এছাড়া শুভেচ্ছা স্মারক পেয়েছেন ব্ল্যাক পার্ল হোল্ডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
জিয়া হাসান, নুর জুয়েলার্সের পরিচালক আরিফ জামান, হাফসা সুইটস এর পরিচালক সোহেল ভূইয়া,
শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান সুমন সাত্তার আলী।ফাইনালে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও টুর্ণামেন্টের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক মাসুক আলতাফ
চৌধুরী।
প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ সামসুল তাবরেজ।
এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা আদালতের পিপি ও বিএনপি নেতা কাইমুল
হক রিংকু, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-১ এর পিপি বদিউল আলম সুজন,
প্রতিষ্ঠাকালিন বিএনপির ছাত্র-যুব সংগঠক ও ইর্ষ্টাণ মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
শাহ মো: সেলিম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) মোস্তাক মিয়া,
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রস্তাবিত এড হক কমিটির সদস্য
সচিব সুমন কুমার মিত্র, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক আমীরুজ্জামান
আমীর, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক
ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর জামায়াত ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি
কামারুজ্জামান সোহেল, মহানগর বিএনপি নেতা রেজাউল হক আখি, জেলা জাসসের আহ্বায়ক সিরাজুল
ইসলাম মিলন ও সদস্য সচিব রিপন। সকল অতিথিদের হাতে উপহার তুলে দেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের
সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের
সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক।
এছাড়া
আরো উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার প্রতিনিধি খায়রুল আহসান মানিক, ভোরের কাগজের প্রতিনিধি
এম ফিরোজ, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম বাবু, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ
হাসান, দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা মুন্সি, নির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, প্রথম আলোর
আলোকচিত্রী এম সাদেক, দৈনিক কালবেলার ব্যুরো প্রধান দিলীপ মজুমদার প্রমুখ। এছাড়া নকআউট
পর্বের খেলাগুলোতে সম্মানিত অতিথি হিসবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান ও পুরষ্কার বিতরণ
করেন কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও কুমিল্লার বরুড়া সংসদীয় আসনের
সম্ভাব্য প্রার্থী অধ্যাপক শফিকুল আলম হেলাল, কুসিকের সাবেক কাউন্সিলর মোশারফ হোসেন,
কুসিকের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম কিবরিয়া, কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ সারোয়ার
জাহান প্রমুখ।এদিকে ২৫ নভেম্বর কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে মিডিয়া
কাপ ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ১৬-তম আসরের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা প্রেস
ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য
রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন এবং জামায়াত
ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা
ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব সুমন কুমার মিত্র, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির
যুগ্ম আহ্বায়ক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রস্তাবিত এডহক কমিটির সদস্য আশিকুর
রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উৎবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন , জামায়াত ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর
সহকারি সেক্রেটারি মু. কামারুজ্জামান সোহেল, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক
সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও কুমিল্লা
স্পোর্টিং ইউনিয়ন ক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম চপল, এটিএন বাংলার প্রতিনিধি খায়রুল
আহসান মানিক, রূপসী বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক বাবু অশোক বড়ুয়া, দৈনিক বাংলার আলোড়নের
প্রধান সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম বাবু,
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, ভোরের কাগজের কুমিল্লা
প্রতিনিধি এম ফিরোজ মিয়া, আর টিভির প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া, দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ
রিপোর্টার সাদিক মামুন, ভোরের পাতার সাংবাদিক জাকারিয়া মানিক, প্রথম আলোর আলোকচিত্রী
এম সাদেক। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ও জেলা ফুটবল
এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাইফুল আলম বাবু, কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দলের কোচ
হাবিব মোবাল্লেগ জেমস, নুর জুয়েলার্সের স্বত্তাধিকারি আরিফ জামান, কুমিল্লা জেলা ক্রিকেটের
সাবেক কোচ ও কুমিল্লা ক্রিকেট কোচিং সেন্টারের হেড কোচ মো: সারোয়ার জাহান। কুমিল্লা
স্পোর্টস জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন ও হিউম্যান বিয়িং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ টুর্ণামেন্টটির
আয়োজন করা হয়। টুর্ণামেন্ট জুড়ে সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন টুর্ণামেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা
, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ইমতিয়াজ
আহমেদ জিতু। টুর্ণামেন্টে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন কল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের
সিইও রাশেদ রবি।
মন্তব্য করুন


সীমান্ত এলাকায় মানব পাচারকারী আপন
মিয়াসহ তার সহায়তায় ৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশ হতে ভারতে যাওয়ার সময়
সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি), কুমিল্লা তাদের আটক করে।
আজ শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধীনস্থ শশীদল বিওপির টহল দল
সীমান্ত এলাকায় টহল পরিচালনাকালে সীমান্ত পিলার ২০৫৮/এম হতে আনুমানিক ১০ গজ বাংলাদেশের
অভ্যন্তরে নারায়নপুর নামক স্থানে মানব পাচারকারী সদস্য মোঃ আপন মিয়াকে আটক করে। এসময়
তার সহায়তায় অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় মোঃ বজলুল আমিন, মোঃ মামুন মিয়া ও মোঃ
তারিকুল ইসলামকে মৌলভীবাজার এলাকা থেকে পাসপোর্টবিহীন অবস্থায় বিজিবি টহল দল আটক করে।
আটককৃতরা হলো: কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া
থানার নারায়নপুর গ্রামের মোঃ ফয়েজ আহম্মেদ এর ছেলে মোঃ আপন মিয়া (২২), হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার
শতকবাজার গ্রামের জয়তুন মিয়ার ছেলে মোঃ বজলুল আমিন (২০), একই এলাকার মোঃ আব্দুল মান্নান
এর ছেলে মোঃ মামুন মিয়া (১৯) এবং মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার নারায়নপুর গ্রামের
মোঃ মনির মিয়ার ছেলে মোঃ তারিকুল ইসলাম (২২)।
উক্ত আটককৃত ব্যক্তিদেরকে বিজিবি টহল
দল প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, মানব চোরাচালানকারীর সদস্য মোঃ আপন মিয়া
এর সহায়তায় উল্লিখিত ৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
উক্ত ব্যক্তিদের নিকট হতে তাদের ব্যবহৃত ৪টি এ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করে।
আটককৃতদের কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া
থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন।
এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজ কুমিল্লা এবং ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া, সেনাসদরের চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক সিএসসি'সহ সেনাসদর ও কুমিল্লা এরিয়ার উর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রায় দেড় যুগ ধরে কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামের নারীদের হাতে তৈরি টুপি মধ্য প্রাচ্যে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। বাহারি রঙের সুতা আর রেশমার উপরে আঁকা বিভিন্ন নকশাকৃত বানানো টুপির চাহিদা বেড়েই চলছে। এই টুপি তৈরি করে এখানকার হাজারো নারীদের হয়েছে কর্মসংস্থান, সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। তবে এমন আয় আর সুনামের গল্পের পিছনে মুল নারী উদ্যোক্তা মোর্শেদা বেগমকে পাড়ি দিতে হয়েছে অনেকটা পথ। বেকার নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করায় নারীদের আইকন হিসেবে পরিচিত তিনি। মোর্শেদা বেগম কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার পাতিলাপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিপুণ হস্ত শিল্প সম্ভার নামে টুপি তৈরির প্রতিষ্ঠানের পরিচালক তিনি।
জানা গেছে মোর্শেদা বেগম যখন দশম শ্রেণির ছাত্রী, তখন তার বিয়ে হয়। সংসারে অভাব থাকায় ১৯৯৫ সালে বিয়ের পর স্বামী জাবেদ আলীর সঙ্গে চলে যান টাঙ্গাইলে।সেখানে একটি টাওয়াল ফ্যাক্টরিতে কাজ নেন। ভাড়া বাসার পাশে পরিচয় হয় প্রতিবেশি কমলা বেগমের সাথে। কমলা বেগমের টুপি তৈরির কাজ দেখে দেখে রপ্ত করেন কলা-কৌশল। দিনে ফ্যাক্টরির কাজ আর রাতে টুপি বানানো শুরু করে প্রথম টুপি তৈরি করে মজুরি পান ৩৫০ টাকা। পরে তার নিখুঁত কাজ দেখে মুগ্ধ হন এক বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা। প্রথম অর্ডারে ৫০টি টুপি তৈরি করে পেয়েছিলেন ১৭ হাজার টাকা। এরপর ২০০৪সালে মোর্শেদা বেগম নিজ গ্রামে ফিরে আসেন।প্রথমে এলাকার ৭ জন নারীকে নিয়ে শুরু করেন দারিদ্র্য জয়ের সংগ্রাম।তার হাতে বানানো টুপি ২০০৮সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হচ্ছে। হাতে বানানো টুপি তৈরি করে এখন স্বাবলম্বী মোর্শেদা। তার সফলতার গল্প শুনে দলে দলে অনান্য নারীরা টুপি বানানো কাজে ছুটে আসেন। বর্তমানে তার সাথে প্রায় ৫ হাজার নারী কাজ করছেন।মোর্শেদা বেগম নিজ গ্রাম পাতিলাপুরের নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন নাই আশপাশে প্রায় ৪০-৫০ টি গ্রামের নারীদের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।বিভিন্ন বয়সী নারী পাশাপাশি পুরুষরাও এ কাজ করে সংসারের আয় যোগাচ্ছেন ।
মোর্শেদা জানান, ফেনীর দুজন ব্যবসায়ীর কাছে তিনি তৈরি করা টুপি বিক্রি করেন। আর এই টুপি মধ্যপ্রাচ্যের বাহারাইন, সৌদি আরব,দুবাইয়ে বিক্রি হয়। ওই ব্যবসায়ীরা তার কাছে রেশমা সরবরাহ করেন। এরপর তিনি নারীদের সঙ্গে নিয়ে স্রেফ সুঁই সুতা দিয়ে তৈরি করেন নানা ধরনের নকশাখচিত টুপি।টুপি তৈরির দেখভাল করতে বিভিন্ন গ্রামে বেতনভুক্ত প্রায় ১৫ জন সুপার ভাইজার রেখেছেন। হাতে বানানো প্রকার ভেদে প্রতিটি টুপি তৈরির জন্য নারীরা পারিশ্রমিক পান ৮০০/১৬০০ টাকা। এতে সুই সুতার খরচ দেড়শ টাকা। প্রতি টুপিতে তিনি কমিশন পান ৭০/৯০ টাকা। প্রতি মাসে ৮/১০ হাজার টুপি বিক্রি করেন তিনি। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে নিপুণ হস্ত সম্ভারের টুপি তৈরির পরিধি আরো বাড়াতে পারবেন বলে জানান তিনি।পাতিলাপুর গ্রামের হাওয়া বেগম জানান,চার বছর আগে মোর্শেদা বেগমের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে টুপি তৈরির কাজ শুরু করেন।এখন তার আর অভাব নেই। সংসারের স্বাভাবিক কাজের পাশাপাশি টুপি তৈরি করে ভালো আয় করছেন তিনি।অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুক্তা খাতুন বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি আমি মোর্শেদা আন্টির টুপি তৈরির কাজ করি।এখান থেকে যা উপার্জন করি।লেখাপড়ার খরচ মিটিয়ে বাবাকে সহযোগিতা করতে পারি। শুধু আমি না আমার মত বিভিন্ন বয়সের নারীরা এখানে কাজ করে ভালো টাকা পাচ্ছেন।
সাত দরগাহ গ্রামের মৌসুমি বলেন, সারা বছর আমরা টুপি তৈরির কাজ করি।বিশেষ করে রমজান মাস ও কোরবানি ঈদের সময় টুপির চাহিদা বেশি থাকে।এসময় টুপি বানিয়ে জন প্রতি ৮/১০হাজার টাকা পাই। কয়েক বছর ধরে পরিবার নিয়ে খুব সুন্দর ঈদ কাটাতে পারছি।
কুড়িগ্রাম বিসিক এর উপ ব্যবস্থাপক শাহ মোহাম্মদ জোনায়েদ বলেন,পাতিলাপুর গ্রামের নারী উদ্যোক্তা মোর্শেদা বেগমের টুপি মধ্য প্রাচ যাচ্ছে এটি কুড়িগ্রাম জেলার জন্য ভালো খবর।হাজার হাজার নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন তিনি। সরকারি কোন প্রশিক্ষণ, আর্থিক ঋন অথবা তৈরি টুপির বাজারজাত করণে কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হলে কুড়িগ্রাম বিসিক শিল্প মোর্শেদা বেগমকে সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সপ্তাহব্যাপী সমরাস্ত্র প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা অঞ্চলের উদ্যোগে ২৪ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত কুমিল্লা বিমানবন্দর এলাকায় সমরাস্ত্র প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে।
আগামী ২৪ মার্চ বেলা ১১ টায় সপ্তাহব্যাপি এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং এরিয়া কমান্ডার বিএ-৪৩২৩ মেজর জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি।
উক্ত প্রদর্শনী সর্বসাধারণের জন্য আগামী ২৫ ও ২৬ মার্চ দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত এবং ২৭ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ ২০২৪ তারিখ সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন অত্যাধুনিক স্টল স্থাপন করা হবে।
এ স্টলগুলোতে সাঁজোয়া যান, কামানসহ সেনাবাহিনীর বিবিধ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র প্রদর্শন করা হবে।
পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনাবাহিনীর অবদান, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও সেনাবাহিনীর নানাবিধ কার্যক্রম বিষয়ক স্টলও রাখা হবে।
মন্তব্য করুন


কোরবানির হাট কাঁপাতে প্রস্তুত ‘লালু মাস্তান’। ফ্যান ছাড়া
ঘুমাতে পারে না ৩৬ মণের
‘লালু মাস্তান’। ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়টির ওজন ৩৬
মণ, বয়স ৪ বছর ৩ মাস।
ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার ৫ নম্বর গাজীভিটা
ইউনিয়নের পূবসমনিয়া পাড়া গ্রামের কৃষক মো: আলম মিয়া এই গরুর মালিক।
গায়ের রং লাল এবং
ছোটবেলা থেকেই চলাফেরায় বেশ ভাবসাব থাকার কারণে কৃষক আলম তার ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন লালু মাস্তান।
প্রচণ্ড গরম লাগে এই গরুর। আবার গোসল করাতে হয় দিনে ২ থেকে ৩ বার। ফ্যান ছাড়া ঘুমাতেই পারে না ‘লালু মাস্তান’।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই লালু মাস্তান গত ঈদুল আজহায় ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ী হাটে উঠেছিল। তখন পৌনে ৭ লাখ টাকা দাম উঠলেও পছন্দসই ক্রেতা না পাওয়ায় বিক্রি হয়নি।
গরুর মালিক জানান, শখের বসে এই লালু মাস্তানকে লালন পালন করা হয়েছে। এখন তার ওজন ৩৬ মণ। ভূট্টা, কুড়া, ভুসি, খড় ও ঘাস লালু মাস্তানের পছন্দের খাবার। তবে মাঝে মাঝে তাকে খাওয়ানো হয় দুই থেকে তিন হালি করে কলা। গরমে দিতে হয় নিয়মিত স্যালাইন। সেই সঙ্গে বেশি গরমে এই গরুটি ফ্যান ছাড়া ঘুমাতে পারে না।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং গত তিন মাসে কুমিল্লায় সম্পাদিত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার আয়োজনে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কুমিল্লা জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নুরুল হক সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের চলমান কার্যক্রম এবং গত তিন মাসে বাস্তবায়িত কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজি মাহমুদ মিথুন। তিনি সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। এসময় সাংবাদিকরা সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়িত কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন, মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনসাধারণের মাঝে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ফকিরবাজার এলাকায় অপরাধী চক্রের একটি টর্চার সেলের সন্ধান পায় সেনাবাহিনী।
আর সে টর্চার সেল থেকে দেশীয় অস্ত্র ও এলজিসহ সালাউদ্দিন খান (৩৮) নামে একজনকে আটক করে সেনাবাহিনী।
২৩ বীর সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম স্টেশনের কর্মকর্তা মেজর মাহিন জানান, সালাউদ্দিন খানসহ স্থানীয় সন্ত্রাসীরা কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষকে জোরপূর্বক ধরে এনে টর্চার সেলে অমানবিক নির্যাতন চালাতো। টর্চার সেলে অস্ত্র মজুত রাখা ও নির্যাতনের অভিযোগটি আগেই আমরা পেয়েছি। পরে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। রোববার রাতে উপজেলার ফকির বাজারে রিয়াজ হুসাইন কামালের ‘লন্ডন বাড়ি'র টর্চার সেলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। এ সময় অস্ত্রসহ মূল হোতা সালাউদ্দিনকে আটক করা হয়। তবে সালাউদ্দিনের সহযোগীরা সেনাবাহিনীর অবস্থান টের পেয়ে পালিয়ে যায়। সালাউদ্দিন খান স্বীকারোক্তি দিয়েছে। মানুষকে টার্গেট করে টর্চার সেলে এনে জিম্মি করতো তারা। নির্যাতন চালিয়ে আদায় করতো অর্থ। সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃত সালাউদ্দিন চৌদ্দগ্রাম থানার গুণবতী কালিয়াতর (বিষ্ণুপুর) গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে।
মন্তব্য করুন