

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার
দায়িত্ব আমাদের। তা নিয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি
এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রকাশিত
ওই সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা আমাদের নাগরিক। তাদের
নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ বিষয়ে ভারতের কিছু বলার দরকার নেই। যেটা নিয়ে ভারতের
বলা প্রয়োজন সেটা হলো, গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা।
এই প্রশ্ন করা যেতে পারে, বাংলাদেশের
বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত কী ধরনের সাহায্য করতে পারে? এ বিষয়ে কথা বলা প্রয়োজন।
আরও বলতে চাই, ভারতের গণমাধ্যম আমাদের সরকারকে নিয়ে ভুল সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ভারতের
উচিত এ বিষয়ে একটা সীমা টানা। আমরা চাই, তথ্যের ভিত্তিতে আলোচনা হোক এবং সম্পর্ক উন্নয়নের
প্রশ্নেও আলোচনা হোক।
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী
লীগ জুলাই-আগস্টে যে গণহত্যা ঘটিয়েছে, সেটাকে ভারত কীভাবে দেখে, তা ভারত এখনো স্পষ্ট
করেনি। কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে। কিন্তু ভারত এ বিষয়ে
কোন কথা বলেনি। উপরন্তু, যার (শেখ হাসিনা) ওপরে এ ঘটনার দায় বর্তায়, ভারত তাকে আশ্রয়
দিয়েছে। যে ব্যক্তি তার স্বজনকে হারিয়েছে, ভারত যদি তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাহলে
বাংলাদেশের জনগণ সেটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবে। আমি চাই, ভারত আমাদের সহায়তা করুক,
যাতে যারা গণহত্যা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এখানে যা কিছু
হয়েছে তা আমাদের নজরে আছে। মানুষের যে কষ্ট হয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল। এটাও
মনে রাখতে হবে, যদি সময়মতো (গণঅভ্যুত্থানের পরপর) ব্যবস্থা না নেওয়া হতো, তাহলে পরিস্থিতি
আরও খারাপ হতো। দুর্গাপূজার কথাই ধরেন। বলা হচ্ছিল, আরও সহিংসতা হবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হয়েছে।
আমাদের সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলেছে, আশ্বস্ত করেছে। তারাও এতে আশ্বস্ত হয়েছেন।
আমি তো বলব, অন্য কোনো সরকার সংখ্যালঘুদের সঙ্গে এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেনি, যা আমরা
গত তিন মাসে করেছি। আগের সরকারগুলো এ বিষয়ে শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছে। তাদের ওপর
থেকে সংখ্যালঘুদের আস্থা কমে গিয়েছিল। আমাদের এসব ঠিক করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি,
তাদের কিছু বিষয় আছে, যা এখনই সমাধান হওয়ার নয়। এজন্য আমাদের সময় দিতে হবে। আওয়ামী
লীগ সরকারের বিদায়ের পর কিছু উগ্র ও কট্টরপন্থি সংগঠনের তৎপরতা বাড়তে পারে। এ কারণে
শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতের নিরাপত্তারও সমস্যা হতে পারে—এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো কোনো সহিংসতা বা উগ্রবাদী সংগঠনকে সমর্থন করে না। বাংলাদেশের
মানুষ গণতান্ত্রিক সরকার চায়। আপনি যা বলছেন সেটা আওয়ামী লীগের প্রচার করা অসত্য বয়ান।
তারা বলত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে উগ্রবাদী সংগঠনগুলোর তৎপরতা বেড়ে যাবে। এসব
বলে বলে তারা এত বছর বাংলাদেশ শাসন করেছে। ভারতও এই বয়ান সমর্থন করে। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে
আওয়ামী লীগ সরকারে থাক বা না থাক, এটা দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে কেন প্রভাব পড়বে?
এর মানে হলো, ভারত এ দেশের মানুষের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছিল।
বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে এ প্রশ্ন উঠত না। যেমন- আমরা দেখি না ভারতে
কে ক্ষমতায়, বিজেপি না কংগ্রেস। সে রকমই এখানেও এটাই হওয়া উচিত, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
আছে না নেই, সে প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমি শুধু এটাই বলব, বিষয়গুলো
আওয়ামী লীগের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখাই উচিত। আমরা দুই দেশ একে অপরকে সঙ্গ দিলে উভয়ের
কল্যাণকর কাজ করা সম্ভব। আমরা কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করিনি। কোনো প্রকল্পও
বন্ধ করিনি। সবকিছু আগের মতোই চলছে।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের
একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এবার প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়া।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায়
সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
একজন বীর উত্তমের স্ত্রী বা বিরোধীদলীয়
নেতা হিসেবে বিগত সময়ে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা এ দিবসের
আমন্ত্রণ জানালেও এবার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তা সস্ত্রীক সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমন্ত্রণপত্র দেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, ২০০৯ সালের
পর এবারই প্রথম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে মোট ২৬ জন আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছেন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান এবং
অন্য পদমর্যাদার সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


বিএনপি’র
চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘ধানের শীষ যতবার দেশ পরিচালনা করেছে ততবার দেশের উন্নয়ন
হয়েছে।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচন। সারাদেশের মানুষ জানে বগুড়ার মাটি বিএনপি’র ঘাঁটি। আপনারা প্রমাণ করে দেখাবেন
বগুড়ার মাটি শুধু বিএনপি’র ঘাঁটি নয়, বগুড়ার মাটি বিএনপি’র
শক্তিশালী ঘাঁটি। আমি আপনাদেরই সন্তান। বহু বছর পর মোকামতলায় এসেছি। আপনারা আমার জন্য
দোয়া করবেন।’
গতকাল
শুক্রবার বিকেলে বগুড়া থেকে রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে মোকামতলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে
এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক
রহমানের আগমনের সংবাদে জুম্মার নামাজের আগে থেকেই স্থানীয় হাজার হাজার নেতা-কর্মী আর
উৎসুক জনতার উপস্থিতিতে লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় মোকামতলা চত্বর।
বন্দর
এলাকাসহ মহাসড়কের দু’ধারে নারী-পুরুষ অপেক্ষা করতে যায়।
তারেক রহমানও তার গাড়ি বহর থেকে হাত নাড়িয়ে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। এর আগে
বগুড়া-২ আসনের বিএনপি দলীয় এমপি প্রার্থী ও শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে
আলমকে সাথে নিয়ে তিনি মহাস্থানগড়ে আরেকটি পথসভায় দাঁড়িয়ে হযরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার
(রহঃ) এর মাজার জিয়ারত করেন। এছাড়াও তারেক রহমান শিবগঞ্জ এলাকার মহাস্থানগড় থেকে বগুড়ার
সীমান্তপথ রহবল পর্যন্ত যাওয়ার পথে মীর শাহে আলমের সমর্থক ও জনসাধারণ দাঁড়িয়ে যান।
দীর্ঘ
প্রায় দুই দশক পর নিজ জেলা বগুড়ায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে
তিনি দাঁড়িয়েছেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পাশে। সাধারণ মানুষের কাতারে মিশে গিয়ে
তিনি আহ্বান জানিয়েছেন এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার, যেখানে প্রতিটি মানুষ আত্মমর্যাদা নিয়ে
বাঁচতে পারবে।
শুক্রবার
দুপুর ১২টার দিকে বগুড়া শহরের একটি হোটেলে সিএসএফ গ্লোবালের আয়োজনে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন
শিশু-কিশোরদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানটির উদ্যোক্তা
ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন আমরা সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ
গড়ার চেষ্টা করি। যে বাংলাদেশে কমবেশি প্রতিটি মানুষের মর্যাদা তৈরি হবে এবং আত্মমর্যাদা
নিয়ে প্রত্যেকে বেঁচে থাকতে পারবে।’
বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি সমাজের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের অনেকের
মধ্যে এমন অনেক গুণ আছে, যা আমাদের অনেকের নেই। সামাজিক, রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় সকল
অবস্থান
থেকে যদি আমরা এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াই, তবে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশ তাদের মধ্যে
থেকে অনেক প্রতিভাবান মানুষ বের করে আনতে পারবে।’
তিনি
আরও বলেন, ‘তাদের জন্য খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই, শুধু একটু সুযোগ করে দেয়া যাতে
তারা আর দশজনের মতো স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারে এবং নিজেদের বিকশিত করতে পারে। কারণ,
তারা আমাদের বাইরের কেউ নয়, তারা আমাদেরই অংশ। আমাদের প্রত্যেকের পরিবারের মধ্যেই হয়তো
এমন কেউ না কেউ আছে।’
এ
সময় তারেক রহমান উপস্থিত সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন আজকের এই দিনে আমরা
শপথ নিই, আমাদের যার যার অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন
মানুষের পাশে দাঁড়াব এবং তাদের সহযোগিতা করব।’
অনুষ্ঠানে
প্রথমবারের মতো বগুড়ায় বক্তব্য রাখেন ডা. জুবাইদা রহমান। আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে সুনির্দিষ্ট
পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বিএনপি
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
অনুষ্ঠানে
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১০ শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার দেয়া হয়। তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে
কথা বলেন, তাদের খোঁজ খবর নেন এবং শিশুদের পরিবেশনায় গান উপভোগ করেন। এ সময় আবেগঘন
পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে তিনি মহাস্থানগড়ে
হজরত শাহ সুলতান বলখী মাহী সওয়ার (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা
করেন।
মন্তব্য করুন


বন্যার্তদের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সহ ক্যাম্পাসের কয়েকটি স্থানে ৬ষ্ঠ দিনের মতো চলছে গণত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রম। এতে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে দেখা গেছে। যে যা পারছেন অর্থ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে সহায়তা করছেন।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
স্বেচ্ছাসেবকরা জানান, সকাল থেকেই, নানা শ্রেণিপেশার মানুষ নগদ অর্থ, ওষুধ, পোশাক ও ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করছেন। আর এই কার্যক্রম চলবে মধ্যরাত পর্যন্ত। বন্যার্ত ও অসহায় মানুষদের সহযোগিতায় নগরীর সর্বস্তরের মানুষ যেভাবে সাড়া দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
প্রসঙ্গত, এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায়
এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার ৫ম দিন সন্ধ্যা ৬টা অব্দি সংগৃহীত
অর্থের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। এতে জানানো
হয়, আজ মোট সংগ্রহ হয়েছে ১ কোটি ৯ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে দেশ গঠনের যে ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজে লাগানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে এখন এক হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে
এই বিজয়ের জন্য দেওয়া আত্মত্যাগ বৃথা না যায় এবং একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠা করা যায়।’
আজ
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই আহ্বান
জানান। অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা উপলক্ষ্যে
এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা
সভায় বিএনপি মহাসচিব অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে
‘এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
করেন। তিনি বলেন, ‘ড. মাহবুব উল্লাহ শুধু একজন শিক্ষাবিদ নন, তিনি ছিলেন নাগরিক অধিকার,
ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতির জন্য সংগ্রাম করা এক আপসহীন যোদ্ধা।’
অধ্যাপক
ড. মাহবুব উল্লাহ এবং তার প্রয়াত স্ত্রীর গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা
মির্জা
ফখরুল বিশেষত দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ল্যান্ডস্কেপে ড. মাহবুব উল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ
অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা’
রূপরেখা প্রণয়নের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের চিন্তাভাবনা এবং তাত্ত্বিক
অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রকাশিত গ্রন্থাবলীতেও জাতির জন্য তার আদর্শ
ও স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।’অনুষ্ঠানে বক্তৃতার শেষ দিকে মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। একইসঙ্গে
তার ছোট মেয়ের জন্মদিনেও শুভকামনা জানান। এ ছাড়াও, আজ উপমহাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত
বেগম রোকেয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল
কবির খানসহ দেশের বহু বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফেরার পর তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


উপদেষ্টা
পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর ) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই আদেশ অনুমোদিত
হয়।
এর
আগে, গত ২০ নভেম্বর
বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ করা সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে জনগণের মতামত নিতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এই
গণভোট আয়োজনে আইন প্রণয়ন করতে হবে।
ওই
সময় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় কয়েক কার্যদিবসের
মধ্যেই গণভোট অধ্যাদেশ আকারে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। এ নিয়েই আজ
অনুষ্ঠিত হচ্ছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক ।
মন্তব্য করুন


সুদানের
আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী
শাহাদাতবরণ করেন। এ ঘটনায় মোট
৯ জন শান্তিরক্ষী আহত
হন বলে সর্বশেষ তথ্যে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সন্ত্রাসী হামলায় শাহাদাতবরণকারী ৬ জন শান্তিরক্ষীদের
মরদেহ আগামী ২০ ডিসেম্বর ঢাকায়
প্রত্যাবর্তনের কথা রয়েছে।
বুধবার
(১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর
জানায়, গত ১৩ ডিসেম্বর
সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সংঘটিত বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ৮ জন বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী আহত হন। পরে, প্রাপ্ত হালনাগাদ তথ্যে আরও একজন শান্তিরক্ষী আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ জন। আহত
সব শান্তিরক্ষীর দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে
আহত শান্তিরক্ষীরা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে (লেভেল–৩ হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন
রয়েছেন এবং তাদের একজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
উল্লেখ্য,
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের
আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইস-এ বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী
পরিচালিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় দায়িত্ব পালনরত ৬ জন বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী শাহাদাতবরণ করেন এবং মোট ৯ জন আহত
হন।
মন্তব্য করুন


চলমান
বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে
নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে
তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
জানানো হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
করার লক্ষ্যে নিয়মিত ফোর্সের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা
হয়েছে। তাছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
বৈঠকে
দু’দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, অবৈধ অভিবাসন,
সন্ত্রাসবাদ দমন, ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসপিইএআর প্রোগ্রাম,
ইলেকট্রনিক ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন (ইএনভি) বাস্তবায়নসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের
শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র।
দেশটি শুরু থেকেই বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ দমন ও নিরাপত্তা খাতে ঘনিষ্ঠ অংশীদার হয়ে কাজ
করে আসছে। এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চায়। ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসসহ সমগ্র ডিপ্লোমেটিক
এরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুসংহত করার লক্ষ্যে ‘স্পেশাল প্রোগ্রাম ফর এম্বাসি অগমেন্টেশন
অ্যান্ড রেসপন্স (এসপিইএআর)’ শীর্ষক প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী। এ লক্ষ্যে
দ্রুত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা প্রয়োজন। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্রের এ তহবিল ফেরত বা
অন্যত্র চলে যেতে পারে।
মন্ত্রী
বলেন, আমরা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মতি নিয়ে দ্রুত এ প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে
চাই। রাষ্ট্রদূত এ সময় মন্ত্রীকে তার নতুন পোর্টফলিও’তে
দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।
রাষ্ট্রদূত
বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবৈধ অভিবাসন রোধে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন
(ইএনভি) প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে চায়। এটি বাস্তবায়ন করলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন
খাতে বাংলাদেশ গ্রিন জোনে অন্তর্ভুক্ত হবে।
তিনি
বলেন, সন্ত্রাস দমন খাতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে।
সন্ত্রাস দমন কর্মসূচিতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ
পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা থেকে ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) পর্যায়ের প্রায়
৩০ হাজার কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে। কিন্তু
কর্মকর্তাদের অবসর ও বদলিজনিত কারণে এটি আশানুরূপ ফলপ্রসূ হয়নি।
মন্ত্রী
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি সভা,
কর্মশালা আয়োজনের জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান,
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার
শেন স্যান্ডার্স, পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট তানিক মুনির ও পলিটিক্যাল অফিসার রাইলি পামারট্রি
প্রমুখ ।
মন্তব্য করুন


মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া ব্রেইল বইসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেইক ল্যাঙ্গুয়েজ কাউন্ট ফর সাসটেউনেবল ডেভেলপমেন্ট’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও দেশের ভাষাসমূহের মর্যাদা রক্ষায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
ড. ইউনূস আরো বলেন, শত বছরের শোষণে ও শাসনে জর্জরিত বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম জয়যাত্রা ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল। এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রফেসর
ইউনূস সবাইকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
জানান। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। সূত্র: বাসস
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল বীর
শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা আজ বৃহস্পতিবার (২১
নভেম্বর) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ
করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে
এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
এসময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি
চৌকস দল প্রধান উপদেষ্টাকে সালাম জানান। এসময়
বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।
প্রধান উপদেষ্টা সেখানে রাখা দর্শনার্থীদের বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে শিখা অনির্বাণে পৌঁছলে সেখানে
তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অধ্যাপক ইউনূসকে
স্বাগত জানান।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে সেনা,
নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং তারা পাকিস্তানি হানাদার
বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক হামলা চালায়।
স্বাধীনতার পর থেকে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে
প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
মন্তব্য করুন