সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান
সংগৃহীত ছবি

জাপানের আমামি ওশিমা দ্বীপে ‘হাবু নামের মারাত্মক বিষধর পিট ভাইপার সাপের উপদ্রব কমাতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে গিয়ে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপদে পড়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ।

টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ২ হাজার ৬৭৩ জন মানুষ হাবু সাপের কামড়ের শিকার হন। সাপ থেকে রক্ষা পেতে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগে ওকিনাওয়ায় নেওয়া বেজির বংশধর থেকে ৩০টি বেজি আনা হয়েছিল আমামি ওশিমা দ্বীপে।

তবে সাপের উৎপাত বন্ধে গৃহীত এই পরিকল্পনাটি হিতে বিপরীত হয়। এর অন্যতম মূল কারণ ছিল- হাবু মূলত একটি নিশাচর প্রাণী এবং বেজি দিনের বেলা সক্রিয় থাকে। ফলে সাপের সাথে বেজির দেখা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।

জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানায়, হাবু সাপ শিকারের বদলে দিনের বেলা সক্রিয় থাকা বিপন্ন আমামি খরগোশ সহ দ্বীপটির বিরল বন্যপ্রাণিদের শিকার করতে শুরু করে বেজিগুলো। প্রাকৃতিক শিকারি না থাকায় এবং পর্যাপ্ত খাবারের কারণে ২০০০ সালের দিকে ৩০টি বেজি থেকে তা প্রায় ১০ হাজারে পরিণত হয়।  

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২০০০ সাল থেকে শুরু হয় ব্যাপক নিধন অভিযান। ‘আমামি মঙ্গুজ বাস্টার্স দল গঠন করে ৩০ হাজারের বেশি ফাঁদ, ৩০০ ক্যামেরা এবং প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো দ্বীপে বেজি খোঁজার কাজ চালানো হয়।

দীর্ঘ অভিযানের পর ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষবারের মতো একটি বেজি ফাঁদে ধরা পড়ে। এরপর টানা কয়েক বছর ব্যাপক নজরদারি চালিয়ে অবশেষে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বীপটিকে পুরোপুরি বেজিমুক্ত ঘোষণা করে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এই বেজির হাত থেকে বিরল প্রাণী ও পরিবেশ বাঁচাতে জাপানের সময় লাগে দীর্ঘ ৪৫ বছর। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই নিধন অভিযানে জাপানের ব্যয় হয়েছে ৩.৫৭ বিলিয়ন ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৯০ কোটি টাকা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

সারা দেশে সেনাবাহিনীকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার

সারা দেশে সেনাবাহিনীকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার
ফাইল ছবি

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২() ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭() ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।

গ্রেফতার, তল্লাশি বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।

গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।

তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫() ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।

শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন। 

বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।

এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে অরবিসের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ: ড. ইউনূস

চক্ষুসেবা সম্প্রসারণে অরবিসের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ: ড. ইউনূস
সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশে চোখের যত্ন ও পরিষেবা সম্প্রসারণের জন্য অলাভজনক প্রতিষ্ঠান অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সাথে কাজ ও সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ডেরেক হডকির সাথে এক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে চোখের যত্নের সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে এবং এ লক্ষ্যে আরা অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত।

আজ শুক্রবার (২২ নভেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হড, অরবিস ফ্লাইং আই হাসপাতালের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেরেক বাংলাদেশ সফর করছেন। এখন চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ চলছে। ডেরেকে গত বুধবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীতে অধ্যাপক ইউনূসের সাথে তার কার্যালয়ে দেখা করেন।

অরবিস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের সময় ডেরেকের সাথে ছিলেন। অরবিস প্রেসিডেন্ট প্রধান উপদেষ্টাকে ফ্লাইং আই হাসপাতালের একটি মডেল সংস্করণ উপস্থাপন করেন। অধ্যাপক ইউনূস এটির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ডেরেক অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কাজ সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবিহিত করেন। অরবিস ১৯৮২ সালে বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি-সংরক্ষণ কর্মসূচি শুরু করেছিল। অরবিস গত ৩৯ বছর ধরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করছে।

ডেরেক বলেন, এই সময়ের মধ্যে, অরবিস এ পর্যন্ত কমিউনিটি আউটরিচ ইভেন্টে ৭.৮ মিলিয়নেরও বেশি চোখের স্ক্রীনিং পরিচালনা করেছে, প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের মধ্যে ৪.৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যক্তিকে ওষুধ ও অপটিক্যাল চিকিৎসা প্রদান করেছে, ২৫৮,০০০টিরও বেশি চোখের সার্জারি করেছে এবং বাংলাদেশের ৪০ হাজারের বেশি লোককে চোখের যত্ন নেয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষিত করেছে।

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশে চক্ষু স্বাস্থ্য খাতে অরবিসের অবদানের কথা স্বীকার করেন এবং ফ্লাইং আই হাসপাতালের প্রতি তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অরবিস এখন বাংলাদেশে ১১তম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি অরবিসকে ভালোবাসি। আমি ফ্লাইং আই হসপিটালকে ভালোবাসি।’ তিনি উলে¬খ করেন যে, অরবিস বাংলাদেশে চোখের স্বাস্থ্য খাতে ভূমিকা পালনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম।

ডেরেক বলেন, অরবিস ব্যক্তি, পরিবার ও জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করার জন্য বিশ্বব্যাপী ২ শতাধিক দেশ ও ভূখণ্ডে দৃষ্টি সংরক্ষণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বিশ্বজুড়ে প্রায় এক বিলিয়ন মানুষ সম্পূর্ণভাবে পরিহারযোগ্য অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সমস্যা নিয়ে বসবাস করছে উলে¬খ করে ডেরেক বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অরবিস জোরদার ও টেকসই চোখের যত্ন ব্যবস্থা নিয়ে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে।

 অরবিস প্রেসিডেন্ট বলেন, অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটি আফ্রিকা, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় বিশেষ কর্মসূচি পরিচালনা করছে এবং প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রযুক্তির প্রয়োগ করছে।

তিনি বলেন, গত চার দশক ধরে অরবিস শিশুদের চোখের যত্ন, মাইক্রোসার্জারি, রেটিনাল সার্জারি, কর্নিয়ার রোগ, প্রিম্যাচুরিটি রেটিনোপ্যাথি এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের স্থানীয় অংশীদারদের দক্ষতা ও জ্ঞানের উন্নতিতে সাহায্য করেছে।

ডেরেক এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে আরো অবিহিত করেন যে, অরবিস সারা দেশে বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় ৪২টি দৃষ্টি সেবা কেন্দ্র স্থাপন করে চোখের যত্নের সাথে জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করেছে; ১৭টি সেকেন্ডারি হাসপাতাল, চারটি তৃতীয় হাসপাতাল, দুটি ওয়েট ল্যাব, একটি মানসম্পন্ন রিসোর্স সেন্টার ও একটি ডিজিটাল ট্রেনিং হাব প্রতিষ্ঠা বা উন্নতিতে সহায়তা করেছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন : প্রধান উপদেষ্টা

শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন : প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত


শনিবার (১ মার্চ) দেয়া বাণীতে দেওয়া বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান-


বাণীতে তিনি বলেন, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই।





রমজানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুধাবন করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে এর সঠিক প্রতিফলন ঘটানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।



আসুন, পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগ-বিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছলতা ও সংঘাত পরিহার করি এবং জীবনের সর্বস্তরের পরিমিতিবোধ, ধৈর্য্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। 


সিয়াম পালনের পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করি এবং ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকি।




সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস মাহে রমজান আজ আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে, সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের অপ


সিয়াম ধনী-গরিব সবার মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে।


মহান আল্লাহ আমাদের জাতীয় জীবনে পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি।


মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন, আমিন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

বরিশালে ডিআইজির দপ্তরে এক জোড়া কালনাগিনী

বরিশালে ডিআইজির দপ্তরে এক জোড়া কালনাগিনী
সংগৃহীত ছবি

রোববার (৭ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে বিভাগীয় সদর দফতরের ডিআইজির কক্ষের দেয়াল ভেঙে সাপ দুটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার (৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে এনিমেল লাভার্সের পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা বলেন, রোববার বিকেলে খবর পেয়ে বরিশাল ডিআইজি কার্যালয়ের ডিআইজির রুমে তিনটি সাপ প্রবেশ করেছে বলে জানা যায়। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সাড়ে তিন ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরও বলেন, সাপ উদ্ধারের জন্য প্রথমে ডিআইজির কক্ষের ছাদের পার্টিশন ভাঙতে হয়। সেখানে সাপ না পেয়ে পরে ওপর দিক থেকে দেয়াল ভাঙা হয়। এরপর দেয়ালের ফাঁকে থাকা একজোড়া কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। তবে সাপ দুটি আসলে মারাত্মক বিষধর নয়। উদ্ধার শেষে সাপ দুটি বন বিভাগের বরিশাল সদর রেঞ্জে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সামাজিক বন বিভাগ বরিশাল সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফ রহমান বলেন, এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা সাপ দুটি উদ্ধার করেছে। বর্তমানে সাপ দুটি বন বিভাগের হেফাজতে রয়েছে এবং সোমবার সেগুলো অবমুক্ত করা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

দুরন্ত গতিতে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’

দুরন্ত গতিতে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’
সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি আজ সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) রাত ৭টা ১০ মিনিটের পর এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

বিডব্লিউওটি জানায়, ঘূর্ণিঝড় রেমাল সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি-১ শক্তিমাত্রার ঝড় হিসেবে ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে ২৭ মে সকালের মধ্যে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

বিডব্লিউওটির প্রধান আবহাওয়া গবেষক খালিদ হোসেনের সই করা এক বার্তায় বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে বাংলাদেশের পটুয়াখালীর মাঝামাঝি যে কোনো জায়গা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে। তবে এর সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।

বার্তায় বলা হয়, এ ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ শক্তিমাত্রা হতে পারে ক্যাটাগরি-১। তবে আশা করা যায় ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটারের বেশি এটি গতিবেগ পাবে না। তবে আশঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে এটি তার পূর্ণ শক্তিতে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

এদিকে আবহাওয়াবিদ মো. আজিজুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল ‘সিভিয়ার সাইক্লোনে’ পরিণত হতে পারে। ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে এটি অতি প্রবল আকার ধারণ করে আঘাত হানতে পারে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে।

 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো হলো না, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল লিয়ার

পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো হলো না, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল লিয়ার
সংগৃহীত ছবি

ভোলার চরফ্যাশনে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলার চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত লিয়া বেগম (১৫) উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সফিকুল ইসলামের মেয়ে ও চেয়ারম্যান বাজার ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে মাদরাসায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় লিয়া। পথে চেয়ারম্যান-শশীভূষণ সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির সামনে পৌঁছালে একটি দ্রুতগতির টমটম তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর টমটমটি ঘটনাস্থলে রেখে চালক পালিয়ে যায়। 

স্থানীয় বাসিন্দা আহসান হাবীব টিটু জানান, লিয়া বেগমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিচার এবং দায়ী চালকের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

কুমিল্লা জেলা পরিষদের বার্ষিক বাজেটের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা জেলা পরিষদের বার্ষিক বাজেটের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত
ছবি

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক: 

কুমিল্লা জেলা পরিষদের বার্ষিক বাজেটের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জেলা পরিষদের হলরুমে জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ মোস্তাক মিয়ার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ গোলাম জাকারিয়া, নির্বাহী কর্মকর্তা  রাবেয়া আসফার সায়মা, কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, জেলার বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তরপ্রধানগণ ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের

তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের
সংগৃহীত ছবি

তিস্তাসহ বিভিন্ন নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ও চীন একমত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি কুওইংয়ের বৈঠকে এ ঐকমত্য হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘তিয়াওইউথাই-এ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহায়তা কামনা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে বাংলাদেশে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানি সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সরকারের চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় চীনের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানায়, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীন সরকারের কারিগরি সহায়তা চান। চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি কুওইং ইতিবাচক সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা হল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীকে ঘিরে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা; যার মূল লক্ষ্যনদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ।

এই পরিকল্পনার আওতায় নদীর দুই তীর সংরক্ষণ, খনন ও প্রশস্তকরণ, জলাধার ও ব্যারেজ উন্নয়ন, এবং আধুনিক সেচব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা রয়েছে। তাতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি কমানো এবং বর্ষায় বন্যার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপুর অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং নদীভাঙন কমবে। একই সঙ্গে নদীকেন্দ্রিক শিল্প ও পর্যটনের সম্ভাবনাও বাড়বে।

তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন। উজানে ভারতের পানি ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বাংলাদেশে তিস্তার পানিপ্রবাহ মৌসুমভেদে ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে। ফলে প্রকল্পের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করছে দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর পানি বণ্টন চুক্তির ওপর।

২০১৬ সালে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার চায়না এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি সমীক্ষা চালিয়ে এই মহাপরিকল্পনার নকশা চূড়ান্ত করে।

পরে ভারতও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে এই প্রকল্পে যুক্ত হতে এবং অর্থায়নে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করে, যার ফলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রকল্পটি ঝুলে যায়।

২০২৪ সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার পুনরায় চীনের অর্থায়নেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। ২০২৯ সালের মধ্যে প্রকল্পের প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

পাঁচ বছর মেয়াদি প্রথম ধাপের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা (৭৫০ মিলিয়ন ডলার)। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বা ৫৫০ মিলিয়ন ডলার চীনের কাছে ঋণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে এবং বাকি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মেটানো হবে।

এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার প্রায় ২ কোটি মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সরকার আশা করছে।

২০০৫ সালে সই হওয়া দুই দেশের সমঝোতা স্মারক এবং চীনা পানি বিশেষজ্ঞদের গত বছরের বাংলাদেশ সফরের প্রসঙ্গ টেনে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর।

বাংলাদেশের নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নে চীন সরকারের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।

চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রী লি কুওইং বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে।

বাংলাদেশের পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ এবং এ খাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানান চীনের এ মন্ত্রী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

আটকে গেল পরীমনির নতুন বিয়ে

আটকে গেল পরীমনির নতুন বিয়ে
সংগৃহীত ছবি

আর্জেন্টিনার হারে বিয়ে আটকে গেল ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন তিনি। পোস্টে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রিয় দল হেরে যাওয়ায় তার নতুন বিয়ের পরিকল্পনা আপাতত থমকে গেছে।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারে হতাশ হয়ে ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে পরীমনি লেখেন, ‘বিয়ে টা আর করতে হলো না এই আর কি। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা, আবার দেখা হবে

এর আগে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে আবারও বিয়ে করবেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো ফাইনাল’’। এ পোস্টটিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল।

এ পোস্টের পরে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফেসবুকে আরও একটি পোস্ট শেয়ার করেন পরীমনি। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘Harry Kane পারলে না তুমি আমার বিয়েটা ঠেকাতে!’ এতে তিনি কেনের একটি ছবিও জুড়ে দিয়েছিলেন।

আর্জেন্টিনার হারের পর পরীমনির একটি পোস্ট ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। তবে তার ভক্তদের কৌতূহল, কবে আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০

এআইপি খেতাবে ভূষিত কুমিল্লার কৃতী সন্তান

এআইপি খেতাবে ভূষিত কুমিল্লার কৃতী সন্তান
অধ্যাপক এম এ মতিন

কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সিআইপি'র সমমর্যাদায় Agricultural Important  Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।

২০২১ সালের এআইপি খেতাবে ভূষিত  হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার আদমপুর গ্রামের  রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক  এম এ মতিন (মতিন সৈকত)।

২০২১ সালের পদকটি আগামী ৭ জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।

তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে এআইপি সম্মাননা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়। 

এআইপিগণ সিআইপিদের  মতো  সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে- মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার সুবিধা পাবেন।

মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা।  সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে  মহামান্য রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে অসাধারণ অবদানের  জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং  পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে ২০২১ সালে  জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।

বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক  উন্নয়নে  মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।

প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ খরচ  দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয় দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন। 

বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে  বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন করে দিয়েছেন।

এছাড়া মতিন সৈকত খাল-নদী পূনঃখনন  জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় -
তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন। 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৩৪ দিনে মিললো ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

রাজধানীতে অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ৩

জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ভিক্ষুকের কাছে পাওয়া গেল ৫৭ লাখ টাকা

সাপ মারতে বাংলাদেশ থেকে বেজি নিয়ে মহাবিপদে পড়ে জাপান

ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

১০

কুমিল্লায় স্বামীকে দাফনের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন স্ত্রী

১১

৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

১২

বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

১৩

গৃহকর্মীর প্রেমের বলি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

১৪

রাস্তায় বখাটের লাথি খাওয়া স্কুলছাত্রীর ঠাঁই হলো না নিজ স্কুলেও

১৫

মাটির নিচে মিলল ১০ ‘মাইনসদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ

১৬

তরুনীর পেটে মিলল ৪১০০ পিস ইয়াবা

১৭

পাবজি-ফ্রি ফায়ার নিয়ে বন্ধুকে হ'ত্যা: দুই কিশোরের কারাদণ্ড

১৮

মৃত্যুর পর যদি না করে- সেই ভাবনায় জীবিত অবস্থায় চল্লিশার আয়োজন বৃদ্ধের

১৯

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

২০