

চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীরা নগরের আকবর শাহ থানা এলাকায় লাগেজভর্তি গাঁজা উদ্ধার করেছেন ।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সড়কে যানবাহন সামলানোর দায়িত্বপালনকালে তারা এই গাঁজা উদ্ধার করেন। পরে নৌ-বাহিনীর সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সন্ধ্যায় আকবর শাহ থানার সিটি গেট এলাকায় নৌ-বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের খবর দেয় লাগেজভর্তি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে তারা আটক করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে লাগেজ নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল।
থানার নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তারাসহ আটক ব্যক্তি এবং মালামাল আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। ওজন করে দেখা গেছে জব্দ করা লাগেজে ১০ কেজি গাজা ছিল।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই থানার (ওসি)-দের পদায়ন করা হয়।
নির্বাচনে দায়িত্ব পালন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য লটারি করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) পদায়নের আগে সৎ,
নিরপেক্ষ পরিদর্শকের তালিকা ইউনিট প্রধানদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। তার ওপর ভিত্তি করেই এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লটারিতে মোট ৫২৭ থানায় নতুন (ওসি) পদায়ন করা হয়েছে। পদায়নকৃতদের নামের তালিকায় প্রস্তাবিত লেখা রয়েছে।
৫২৭ থানার মধ্যে মেট্রোপলিটনের কোনো থানার (ওসি)-কে পদায়ন করা হয়নি।পদায়নের মধ্যে রয়েছে-ঢাকা রেঞ্জে ১৩ জেলায় ৯৮ থানার ওসি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১ জেলায় ১১১ থানার ওসি, খুলনা রেঞ্জে ১০টি জেলায় ৬৪ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়াও ময়মনসিংহ রেঞ্জের ৪ থানায় ৩৬ ওসি, বরিশাল রেঞ্জের ৬ জেলায় ৪৬ ওসি, সিলেট রেঞ্জের ৪ জেলায় ৩৯ থানার ওসি, রাজশাহী রেঞ্জে ৮ জেলায় ৭১ থানার ওসি এবং রংপুর
রেঞ্জের ৮ জেলার ৬২ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে যে, সারা দেশে থানার সংখ্যা ৬৩৯টি।
এরমধ্যে জেলা পর্যায়ে থানার সংখ্যা ৫২৭টি, মেট্রোপলিটন এলাকায় ১১০। মেট্রোপলিটন এলাকার ১১০টি থানার ক্ষেত্রে লটারি হবে না বলে জানায়
সূত্রটি। সূত্রমতে, মেট্রোপলিটন এলাকায় অভ্যন্তরীণভাবে ওসি পদায়নের কাজটি করবেন সংশ্লিষ্ট কমিশনাররা।
এর আগে গত ২৬ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ৬৪
জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হয়।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় পৌঁছেছেন
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দেশটির
শোকবার্তা হস্তান্তর করেছেন।
আজ বুধবার দুপুরে
জাতীয় সংসদ ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা
হয়, ‘গণতন্ত্রের মা’, ‘সাহস ও সংগ্রামের প্রতীক’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ
আপসহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকবার্তা
পাঠিয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস
জয়শঙ্কর।
এ সময় তারেক
রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


উপদেষ্টা
পরিষদের বৈঠকে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর খসড়া ও নীতিগত
অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বনজ শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর
খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় প্রণীত
‘হার্ট ন্যাশনালি ডিটারমাইন কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি-৩)’ ভূতাপেক্ষ অনুমোদন পেয়েছে।
বৈঠক
শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম
এসব তথ্য জানান।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৮ জানুয়ারি ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শফিকুল
আলম বলেন, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর
উদ্বেগ বিবেচনায় এনে ডাটা লোকালাইজেশন সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন কেবল
ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে দেশে ডাটা সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক থাকবে।
ব্যক্তিগত উপাত্তের ক্ষেত্রে কিছু শিথিলতা আনা হয়েছে এবং কোম্পানির ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের
পরিবর্তে অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এতে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও ক্লাউডভিত্তিক সেবায়
ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শিল্পকলা
একাডেমী সংশোধন অধ্যাদেশের বিষয়ে তিনি বলেন, একাডেমির বিভাগ সংখ্যা বাড়িয়ে নয়টি করা
হয়েছে। এর মধ্যে থিয়েটার, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, নৃত্য ও পারফরম্যান্স আর্ট, সংগীত,
চারুকলা, গবেষণা ও প্রকাশনা, নিউ মিডিয়া এবং কালচারাল ব্র্যান্ডিং ও উৎসব প্রযোজনার
জন্য পৃথক বিভাগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি একাডেমির বোর্ডে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব
নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত হয়েছে, যা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি বাড়াবে।
বাংলাদেশ
বনজ শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সম্পর্কে প্রেস সচিব জানান, ১৯৫৯ সালের
ফরেস্ট ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন অর্ডিন্যান্সকে যুগোপযোগী করে নতুন কাঠামো
প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করে বনজ সম্পদের টেকসই ব্যবহার, পণ্য
বৈচিত্র্য, শোরুম স্থাপন ও যৌথ উদ্যোগের সুযোগ রাখা হয়েছে। গত অর্থবছরে কর্পোরেশন
কর-পূর্ব মুনাফায় ৫৩ কোটি টাকা অর্জন করেছে এবং রাবার শিল্পে প্রথমবারের মতো ৬ কোটি
টাকা লাভ করেছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।
এনডিসি-৩
প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ২০২২ সালে বাংলাদেশের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ছিল ২০২.০৪
মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য, যা ২০৩৫ সালে ৪১৮.৪০ মিলিয়ন টনে পৌঁছাতে পারে।
এনডিসি-৩ অনুযায়ী ৮৪.৯৭ মিলিয়ন টন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে
নিজস্ব সক্ষমতায় ২৬.৭৪ মিলিয়ন টন এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়া গেলে আরও ৫৮.২৩ মিলিয়ন
টন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
ব্রিফিংয়ে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস
সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চাঞ্চল্যকর
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের নয়ডায়। সেখানে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে গাড়ির
ভেতরে এক যুবক তার প্রেমিকাকে গুলি করে হত্যা করার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ
উঠেছে। পরে গাড়ি থেকে দু’জনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও কার্তুজও জব্দ করা হয়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা
বলে মনে করা হলেও, তরুণের পরিবার দাবি করেছে- দু’জনকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
প্রাথমিকভাবে
প্রেমিকের হাতে পিস্তল ও একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার সূত্রে আত্মহত্যার ইঙ্গিত মিললেও
পুলিশ সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডার
সেক্টর ৩৯ থানা এলাকায়। এলাকাবাসী গুলির শব্দ শুনে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে
পৌঁছে একটি গাড়ির মধ্যে এক পুরুষ ও এক নারীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। গাড়িটি ভেতর
থেকে লক করা ছিল এবং পরে গাড়িটি জব্দ করে এলাকা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সিলগালা করা
হয়।
এদিকে
নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তারা হলেন- নয়ডার সেক্টর ৫৮–এর
বাসিন্দা ২৬ বছর বয়সী রেখা এবং দিল্লির ত্রিলোকপুরীর বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সী সুমিত।
পুলিশ জানিয়েছে, আগের দিন থেকে তারা দু’জনই নিখোঁজ ছিলেন এবং এ নিয়ে থানায়
জিডি করা হয়েছিল। তাদের প্রায় ১৫ বছরের সম্পর্ক ছিল এবং বিষয়টি দুই পরিবারই জানত।
কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে, গাড়িটি ভেতর থেকে লক করা ছিল এবং সুমিতের হাতে একটি পিস্তল পাওয়া যায়।
ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে আলামত সংগ্রহ করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো
হয়েছে।
সূত্রের
বরাতে জানা গেছে, সুমিত হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা লিখে রেখে গেছেন। ওই বার্তায় তিনি
তাদের ১৫ বছরের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে আত্মহত্যার কারণ ব্যাখ্যা করেন। বার্তায়
লেখা ছিল: “আমি সুমিত, আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি। রেখা এ জন্য দায়ী। সে ১৫ বছর ধরে আমার
সঙ্গে সম্পর্কে ছিল এবং আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এখন সে অন্য কাউকে বিয়ে
করতে যাচ্ছে। তাই আমি আত্মহত্যা করছি, কারণ রেখা আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।”
তবে
সুমিতের পরিবার পুলিশের প্রাথমিক ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, এটি আত্মহত্যা
নয়- বরং দু’জনকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। পরিবার অভিযোগ করেছে,
জাতিগত কারণে মেয়ের পরিবার সম্পর্কটি নিয়ে কটূক্তি করত। এমনকি তাদের কাছে হুমকিমূলক
ফোনও এসেছে, যার মধ্যে বিদেশি নম্বর থেকেও কল ছিল।
এক
আত্মীয় বলেন, গাড়িটি রেখার গ্রাম সালারপুর থেকে কয়েকশ’
মিটার দূরে পাওয়া গেছে, আর এটিই তাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তাদের দাবি, জাতিগত
কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে এবং তাদের পক্ষ থেকে সম্পর্ক নিয়ে কখনোই কোনও চাপ ছিল না।
সুমিতের
এক চাচাতো ভাই বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, দু’জনকেই হত্যা করা হয়েছে এবং তারা জাতিগত
বৈষম্যের শিকার। তারা এক দশকের বেশি সময় ধরে সম্পর্কে ছিল এবং দুই পরিবারই বিষয়টি
জানত। সুমিত আমার ছোট ভাই। মেয়েটি আমাদের পারিবারিক অনুষ্ঠানেও অংশ নিত। আমাদের পক্ষ
থেকে কখনও কোনও চাপ ছিল না।
মন্তব্য করুন


আগামী এক সপ্তাহের
মধ্যে ভোজ্যতেলসহ রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে বলে আশা প্রকাশ
করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
শনিবার (১ মার্চ)
সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে সভা করে জাতীয়
চাঁদ দেখা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম উপদেষ্টা।
সভা থেকে চাঁদ দেখার
বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, রমজান আসলে আমাদের দেশে
পণ্যের দাম বাড়ে। এটা একটা কমন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সরকার এবার সচেতন
রয়েছে। যাতে করে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়ে। সেজন্য বেশকিছু পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো
হয়েছে।
তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন মালয়েশিয়া-সৌদি আরবসহ বিভিন্ন
দেশে রমজানে পণ্যের ওপর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় দেয়। অথচ আমাদের দেশে
উল্টো।
সরকার এবার সচেতন আছে
জানিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, বেশকিছু পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো হয়েছে। আমাগী এক
সপ্তাহের মধ্যে ভোজ্যতেলসহ সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামও সহনীয় হবে। ব্যবসায়ী ভাইদের
প্রতি আহ্বান আপনারা নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখুন।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার
সেলানগর রাজ্যের সেলায়াং বারু এলাকায় বাংলাদেশিসহ ৮৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার
(৬ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে সেলায়াং বাজার ও তানি মার্কেটে এ অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী।
মোট
১ হাজার ১১৬ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। বৈধ নথি না থাকায় ৮৪৩ জনকে আটক করা হয়। তাদের
মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তানের নাগরিকও আছেন। তবে কতজন বাংলাদেশি—
তা এখনো জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
অভিযানে
নেতৃত্ব দেন সেলানগরের মুখ্যমন্ত্রী আমিরুদিন শারি। তিনি বলেন, রাজধানীর কাছে হওয়ায়
এলাকায় অনেক বিদেশি শ্রমিক অবৈধভাবে থাকছিলেন এবং অনেকে রাস্তার পাশে অনুমতি ছাড়া ব্যবসা
করছিলেন। জননিরাপত্তার জন্য ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করেই অভিযান চালানো হয়েছে।
আটকদের
মধ্যে ৩৫ জন নারী রয়েছেন। সবার বয়স ২১ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। তাদের বিরুদ্ধে ওভারস্টে,
বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা ও জাল কাগজ ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩৫৮ সদস্যের সমন্বয়ে
পরিচালিত এ অভিযানে ইমিগ্রেশন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা
অংশ নেন। এছাড়া মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দু’জন মালয়েশীয়ও আটক হয়েছেন।
সব
আটক অভিবাসীকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, অবৈধ কর্মী নিয়োগকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি জনগণকে
বিক্রি করে নিজের সম্পদ বানায় না। আমরা রাজনীতি করে আমাদের সম্পদ বানাইনি। বাপ-দাদার
দেওয়া জমি-জমা বিক্রি করে রাজনীতি করি।
আজ
রোববার ( ২৫ জানুয়ারি ) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাও ৩
নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচনী গণসংযোগ সভায় প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সবসময় আপনাদের সাথে থাকার চেষ্টা করেছি। বিএনপির কাছে আপনারা নিরাপদে
থাকতে পারবেন। আমরা অন্তত আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আমরা মানুষের কল্যাণ করতে
চাই। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করে মানুষের কথা বলার অধিকার দিতে চাই।’
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, ‘মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি। যা একটি পরিবারের আর্থ ও
সামাজিক খুঁটি হয়ে দাঁড়াবে। কৃষকদের জন্য দেওয়া হবে কৃষি কার্ড, যার মাধ্যমে কৃষকরা
ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ পেয়ে আরো সামনে এগিয়ে যাবে। বিএনপি স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা
ও যাতায়াতের ব্যবস্থার উন্নয়ন করবে। আমরা বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়ার
পরিকল্পনা করেছি।’
তিনি
আরো বলেন, ‘আমরা অনেক প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করতে সহযোগিতা করেছি। অতীতে আমরা রাস্তাঘাট,
ব্রীজ, কালভার্টসহ নানা কাজ করেছি। ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বপ্রথম বরেন্দ্র প্রকল্পটি আমরা
নিয়ে এসেছি। ভুট্টা চাষের আবাদ, মুরগী চাষের ফার্ম আমরা নিয়ে এসেছি। বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল। আমাদেরকে নতুন করে চেনার কিছু নেই।’
মির্জা
ফখরুল বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে কথা বলার স্বাধীনতা ছিল না। কিছু বললেই ধরে নিয়ে যেত।
এখন আমার বয়স হয়েছে। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। তাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচনে আপনারা
আমাকে ভোট দিলে আপনাদের অসম্পূর্ণ কাজগুলো আমি সম্পন্ন করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ
সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পানিসম্পদমন্ত্রী
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, হ্যাঁ-না ভোটে হ্যাঁ ভোট জয়ী হওয়ায় শপথ নেওয়ার কোনো
প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ অটোমেটিক জাতীয় সংসদে বসামাত্র কার্যকরী হবে এবং এটি জাতীয় সংসদে
বিল হিসেবে প্রযোজ্য হবে।
আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা দিবসে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের
প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী
আরও বলেন, যেখানে না ভোট এসেছে, সেখানে পার্লামেন্টেই আলোচনা হবে ও সিদ্ধান্ত হবে।
বিরোধীদের
নোট অব ডিসেন্টও পার্লামেন্টে নির্ধারিত হবে। তিনি জানান, আইনজীবীরা ইতোমধ্যে বিষয়গুলো
সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
জামায়াতসহ
বিরোধীদের উদ্দেশে এ্যানি বলেন, মতপথ ভিন্ন থাকতে পারে কিন্তু দেশের উন্নয়নের জন্য
সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। বিরোধিতা দেশ গঠনে বাধা হয়ে দাঁড়ালে চলবে না।
মব
সংস্কৃতি নিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, মব মানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। এটি দেশের উন্নয়নের
পথে বাধা। যারা এমন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবে, তারা দেশের শত্রু হিসেবে গণ্য হবেন। সকলকে
দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট
হাছিবুর রহমান, সদর উপজেলা (পূর্ব) বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ
সম্পাদক শাহ্ মো. এমরান, পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, জেলা যুবদলের সাধারণ
সম্পাদক সৈয়দ রশীদুল হাসান লিংকন ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


রুমিন ফারহানা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার এত দ্রুত অবনতি কীভাবে ঘটল, সেখানে কোনো ধরনের ক্ষতি বা ক্ষতিকর কিছু করা হয়েছিল কি না—এ বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতির জন্য আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে অবশ্যই জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।
নিজের নির্বাচনী এলাকা সরাইল-আশুগঞ্জে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে তিনি এসব মন্তব্য করেন।রুমিন ফারহানা আরও বলেন, তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বেগম জিয়া বাংলাদেশের দৃঢ় ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। অথচ আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
তিনি জানান, যখন শেখ হাসিনার সরকার খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করে, তখন প্রতিটি মামলার তারিখে তিনি আলিয়া মাদরাসা কোর্টে উপস্থিত থাকতেন এবং নিয়মিত কারাগারে গিয়েও সাক্ষাৎ করতেন। তখন তিনি খালেদা জিয়াকে বর্তমানের মতো এত অসুস্থ অবস্থায় দেখেননি।
শেষে তিনি প্রার্থনা করেন—আল্লাহ যেন বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ জীবন দেন, সুস্থ করেন এবং দল ও দেশের ভার নেওয়ার মতো শারীরিক সক্ষমতা পুনরায় দান করেন।
মন্তব্য করুন


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (৬ অক্টোবর ২০২৪) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান
অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে 'সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৪' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
করেন।
১ম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল ও
লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাগণ পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত
হবেন।
পদোন্নতি পর্ষদের মূল্যবান বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা
ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সিক্ত নতুন বাংলাদেশে সকলকে স্বাগত জানান। এসময় তিনি গভীর
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সকলের
প্রতি।
তিনি আরও স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী
সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহিদসহ সকল বীর সেনানীদের যাঁদের আত্মত্যাগ জাতি
চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা পদোন্নতির জন্য অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,
নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি
নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা
প্রদান করেন। এছাড়াও সৎ, নীতিবান এবং নেতৃত্বের অন্যান্য গুণাবলী সম্পন্ন
অফিসারগণই উচ্চতর পদোন্নতির দাবিদার বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাছাড়া রাজনৈতিক
মতাদর্শের উর্দ্ধে থেকে যে সমস্ত অফিসার সামরিক জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যোগ্য
নেতৃত্ব প্রদানে সফল হয়েছেন সেই সকল অফিসারদেরকে পদোন্নতির জন্য নির্বাচন করার
নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের
মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে
ত্বরান্বিত করে দেশকে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করেছে। ফলশ্রুতিতে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আবারও দেশের মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ
করেছে বলে তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি; প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারি, চীফ অব জেনারেল স্টাফ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। শত কর্মব্যস্ততার মাঝেও উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনাবাহিনী প্রধান প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সচিব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর উপস্থিত কর্মকর্তাগণের সাথে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
মন্তব্য করুন