

মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে হলুদের বিশাল সমারোহ। চারদিকে বিরাজ করছে শীত। কুয়াশা ও ঝলমলে রোদের খেলা এখন দিগন্ত বিস্তৃত হলদে বরণ সরিষার ফুলে ফুলে। সরিষা ক্ষেতের মাঝে দাঁড়িয়ে আবার অনেকেই ছবি তুলেন। সেই সব ছবি বেশ কিছু দিন ধরেই অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি। ছবির লোকেশন ট্যাগ দেখে জানা যায় বরিশালের কোন একটি স্থানে ছবিগুলো তুলেছেন পরীমনি। আর সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন বোন।
পরীমণি
ছবিগুলো শেয়ার করে বোনদের উদ্দেশে ক্যাপশনের শুরুতেই লেখেন, তোরা যখন আমার বয়সের হবি
তখন আমার মতো করে তোদের ছোটদের সঙ্গেও এমন সুন্দর কিছু মেমোরি জীবনে বাঁধাই করে রাখিস।
এসব পাগলামি জীবনকে আনন্দে বাঁচায়। ছবিগুলোর পেছনের গল্পও যুক্ত করেছেন এই পোস্টে।
পরীমণি আরও লেখেন, ছবিগুলোর পেছনের গল্পটা অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস ছিল। গাড়িতে বাবুকে
(পরীর পুত্র রাজ্য) ঘুমে রেখে একটা আননোন মার্কেটে নাক, মুখ চাদরে ঢেকে নেমে পরলাম
শাড়ি খুঁজতে। পাই না, পাই না, পাই তো পছন্দ মতো হয় না, যাই হোক হলো। হতেই হতো আর কি!
এবার পালা শাড়ির ব্লাউজ! ওহ সেকি কাণ্ড! সেটাও ম্যানেজ করে ফেললাম শেষ মেষ। ওদিকে
রোদ চলে যায় যায়। দুপুরের খাওয়া হয়নি তখনও। পেটে খিদে নিয়ে কি আর এমন সুন্দর মাঠে নেমে
হিহি করা যায়। উড়ে এসে ঘরে ঢুকেই পেট ভরে হাঁসের মাংস দিয়ে ভাত খেলাম। তখন সূর্য গাছের
নিচে! এর মধ্যে আমরা রেডি হয়ে মাঠে হিহি-হাহা করতে করতে এতো সুন্দর কিছু মুহুর্ত ধরে
রাখতে পারলাম।
মন্তব্য করুন


পর্দার
নায়িকারা সাধারণত নিজেদের গ্ল্যামারাস লুক উপস্থাপন করতেই পছন্দ করেন। তবে চরিত্রের
প্রয়োজনে সেই গ্ল্যামার ঝেড়ে ফেলে যখন তারা রাস্তায় নামেন ‘পাগল’
বা মানসিক ভারসাম্যহীন রূপে, তখন ভক্তদের চমকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছোট পর্দার দুই
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি এবং কেয়া পায়েল— দুজনই সম্প্রতি নিজেদের ভেঙেচুরে এমন
এক লুকে হাজির করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় এখন তুমুল চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, পাগল সাজে
অভিনয়ে কে কাকে টেক্কা দিলেন?
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে এখন কেয়া পায়েল। সদ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে
তাকে দেখা গেছে উষ্কখুষ্ক চুল, গায়ে ময়লা পোশাক আর মুখভর্তি কালচে দাগ। অভিনেতা জোভান
তার পেজে ভিডিওটি শেয়ার করতেই নেটিজেনরা বিভ্রান্ত— ইনি কি আসলেই সেই গ্ল্যামারাস পায়েল?
ভিডিওতে
দেখা যায়, পায়েল জোভানকে শাসিয়ে বলছেন, “এককেরে খাইয়ালামু কিন্তু!” জোভানও মজা করে
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ছেমড়ি পাগল নাকি? আমারে কয় খাইয়া লাইবো!’ জানা গেছে, এটি একটি নাটকের
শুটিংয়ের দৃশ্য। ভক্তরা অবশ্য এই লুকে পায়েলের সাহসিকতার প্রশংসা করতে ভুলেননি। কেউ
লিখেছেন, ‘বাপরে বাপ, কী মারাত্মক অভিনয়!’, আবার কারও মতে, ‘একদম পারফেক্ট মেকআপ।’
অন্যদিকে,
এই ‘পাগল’ সাজের দৌড়ে পিছিয়ে নেই ‘সিলেটি ফুরি’
খ্যাত সামিরা খান মাহিও। কিছুদিন আগেই ‘বকুল ফুল’ নাটকের শুটিংয়ের ছবি প্রকাশ করে তিনি
হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। জট ধরা চুল, হাতে খাবারের থালা আর শূন্য দৃষ্টি—মাহির
এই লুক দেখে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। ভক্তরা লিখেছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ একদমই
চেনা যাচ্ছে না, অসাধারণ হবে অভিনয়।’ আবার মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন তিনি।
ট্রল করে কেউ কেউ বলেছিলেন, ‘আপনার আগের চেহারাটা এরকমই ছিল’
বা ‘এরে এমনেই ভালো মানায়।’ তবে মাহি সেসব নেতিবাচক মন্তব্য গায়ে
না মেখে নিজের কাজের মানের দিকেই নজর দিয়েছেন বেশি।
দুই
অভিনেত্রীর এই ‘ট্রান্সফর্মেশন’ বা ভোল পাল্টে ফেলা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে
চলছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। একদিকে মাহির ‘বকুল ফুল’-এর বাস্তবতা, অন্যদিকে পায়েলের ‘খাইয়ালামু’র
তেজ। গ্ল্যামার জগতের বাইরে এসে অভিনয়ের এই দৌড়ে কে এগিয়ে—
মাহি নাকি পায়েল? উত্তরটা নাহয় দর্শকদের হাতেই তোলা থাকল। তবে এটা নিশ্চিত, চরিত্রের
প্রয়োজনে নায়িকাদের এই সাহসিকতা বাংলা নাটকের দর্শকদের জন্য নতুন এক চমক।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান টাইমস স্কয়ারের বিলবোর্ডে একসঙ্গে দেখা মিলল ৯ জন বাংলাদেশি শিল্পীর মুখ। এর মধ্যে রয়েছেন ইমরান মাহমুদুল, ফাতেমা তুয যাহরা ঐশী, দিলশাদ নাহার কণা, মাশা ইসলাম, জাহিদ নিরব, মুজিব পরদেশি, ইনিমা রশ্নি ও কাজল দেওয়ান।
এছাড়া সবার ওপরে বড় করে যার ছবিটি স্থান পেয়েছে, তিনি সংগীত পরিচালক পাভেল আরিন।
জানা যায়, পাভেলের হাত ধরেই এই টাইমস স্কয়ার যাত্রা। মূলত তিনি একটি নতুন সংগীত সেশন চালু করেছেন। যেটার নাম দিয়েছেন ‘লিভিং রুম সেশন’। এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার জন্যই টাইমস স্কয়ারের একটি বিলবোর্ডে প্রদর্শন হয় প্রজেক্টটির নামসহ শিল্পীদের ছবি।
‘লিভিং রুম সেশন’ নিয়ে পাভেল আরিন বলেছেন, ইতোপূর্বে সিনেমা ও টেলিভিশনে অনেক কাজ করেছি। এবার ভাবলাম নতুন কিছু করি। তাই এই প্রজেক্ট। এটা কিছুটা জ্যামিংয়ের মতো হবে, তবে গানগুলো মিউজিক্যালি যাতে মানসম্পন্ন হয়, সেদিকটা নজরে রাখছি।
এই প্রজেক্টের পরিবেশনায় থাকছে মাশরুম এন্টারটেইনমেন্ট। অডিও প্রডাকশনে বাটার কমিউনিকেশন আর ভিডিওর দিকটি সামলাচ্ছেন মারুফ রায়হান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে সেশনের প্রথম পরিবেশনাটি উন্মুক্ত করা হবে।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবণী সীমানা (৩৯) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। ৩৯ বছর বয়সে শেষ হলো অভিনেত্রীর পথচলা।
গত ২১ মে রাতে আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী সীমানা। সে রাতেই ধানমন্ডির এক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানেই তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানা যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরদিন ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় অভিনেত্রীর। এরপর সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে।
অভিনেত্রী সীমানা দুই সন্তানের মা। বড় ছেলের নাম শ্রেষ্ঠ। ছোট সন্তান স্বর্গের বয়স তিন। ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে কাজ শুরু করেন সীমানা।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণি, মাতৃকালীন ছুটি কাটিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে একের পর এক কাজের খবর দিচ্ছেন তিনি।
প্রথমবারের মতো কলকাতার সিনেমায় কাজ করছেন পরীমণি। সিনেমার নাম ‘ফেলুবকশি’। এই সিনেমার মাধ্যমেই কলকাতায় শুরু পরীমণির নতুন ইনিংস। কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা সোহমের বিপরীতে কাজ করছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) থেকে সিনেমাটির প্রথম ধাপের শুটিং শুরু হয়েছে। শুটিংয়ে অংশ নিতে একদিন আগেই কলকাতা উড়ে গেছেন এই অভিনেত্রী। কলকাতার প্রথম সিনেমার জন্য দোয়াও চেয়েছেন তিনি।
পরীমণি বলেছেন, আগে থেকেই কলকাতার সিনেমাতে কাজের প্রতি লোভ ছিল। আমার মনে হয়েছে, তাদের কাজগুলো অনেক গোছানো হয়। শুটিংয়ের আগে–পরে কাজের দারুণ জার্নিও হয়। ফলে কাজটি সুন্দরভাবে শেষ হয়ে মুক্তি পায়। গত বছর ওখানে পুরস্কার গ্রহণকালে বলেছিলাম, কলকাতায় কাজ করতে চাই, এরপর থেকেই আমার হাতে চিত্রনাট্য আশা শুরু হয়। মনে হয়েছে, এটি দিয়ে শুরু করা যায়। এভাবেই শুরু।
জানা যায়, থ্রিলার গল্পে নির্মিত হচ্ছে ‘ফেলুবকশি’। পরীমণির চরিত্রের নাম লাবণ্য, রহস্যময় এক চরিত্র। শুটিংয়ের আগে তিনি পাঁচ দিনের গ্রুমিং ক্লাসে অংশ নেন। এর ফাঁকে কলকাতায় একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিংও করেন পরীমণি।
অন্যদিকে, নির্মাণ কাজ শেষের দিকে পরীমণি অভিনীত নির্মিতব্য ‘ডোডোর গল্প-Story of Dodo’ সিনেমার কাজ। অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ প্রযোজিত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রেজা ঘটক। সিনেমায় পরীর বিপরীতে আছেন সাইমন সাদিক।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়ক জায়েদ খান সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্টেজ পারফর্মেন্স করেছেন। আর এবার দুবাই থেকে সমুদ্রসৈকতে ডিগবাজি দিলেন জায়েদ খান।
তবে ডিগবাজি দিতে গিয়ে কোমরে ব্যথা পেয়েছেন এই ঢালিউড তারকা।
জায়েদ খানের ফেসবুক ওয়ালে ভিডিওটিও দেখলে এমনটিও দেখা যায়। ব্যথা পেলেও এই নায়ক বললেন
দর্শকের জন্য সারপ্রাইজ আসছে।
সূত্রের খবর, কোনো এক বলিউড নায়িকার সঙ্গে একটি কাজে দেখা মিলবে এই নায়কের। জায়েদের বিপরীতে থাকবেন একজন জনপ্রিয় বলিউড হিরোইন। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সময় এলে সেই খবরটি দেবেন বলে জানালেন জায়েদ খান।
সিনেমায় অভিনয়ের বাইরে জায়েদ খান নিয়মিত স্টেজ পারফর্মেন্স, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। দেশ-বিদেশে তো স্টেজ প্রোগ্রাম লেগেই আছে। ভারতীয় নায়িকা পূজা ব্যানার্জির সঙ্গেও একটি সিনেমায় দেখা যাবে তাকে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশু
বিক্রির হাটগুলো জমজমাট হয়ে উঠেছে। পশুর হাটে প্রায়ই দেখা যায় পশুদের নাম রাখা হয় বিশ্বের
বিভিন্ন তারকাদের নামে। তবে এই তালিকায় রাজত্ব করছে অভিনেতা জায়েদ খান। প্রায়ই দেখা
যাচ্ছে গরুর নাম রাখা হয় জায়েদের নামে। এই বিষয় নিয়ে জায়েদ খান নিজেই মুখ খুললেন।
সংবাদমাধ্যমে জায়েদ খান বলেন, আমার
নাম যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আর সে নামকে কাজে লাগিয়ে যদি কেউ জীবনে ভালো কিছু করতে চায়,
দুটো টাকা ইনকাম হয়, লাভবান হয়, করুক না। আমার এতে কোনো সমস্যা নেই। কোরবানির হাটে
প্রিয় জিনিসটাকে বিক্রি করছে আমার নাম দিয়ে, করুক। একজন শিল্পীর ক্ষেত্রে এটা হয়, ব্যাপার
না। এর আগে আরও সেলিব্রেটিদের নামের ক্ষেত্রেও এমন হয়েছে দেখেছি। আমার নাম ব্যবহার
করে, আমার কাঁধের ওপর ভর করে কেউ যদি ভালো কিছু করতে চায় এটাকে আমি নেগেটিভভাবে দেখি
না। কারণ নেগেটিভভাবে দেখলে আমি আমার কাজে মনোযোগ দিতে পারব না। কোরবানির পশুর হাট
নিয়েই আমায় পড়ে থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


এশিয়া কাপের চলমান আসরে ফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্য নিয়ে সুপার ফোরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছে এই দু’দল। তাই এ ম্যাচের জয়ী দল ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকবে। আর হেরে যাওয়া দলের ফাইনালে খেলার আশা কঠিন হয়ে যাবে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবুধাবিতে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় মাঠে নামবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সুপার ফোরে উঠেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হারে তারা। ভারতের কাছে দুঃস্মৃতি ভুলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই বলে জানান পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা।
তিনি বলেন, ‘ভারত ম্যাচ অতীত। এখন আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ শ্রীলঙ্কা। এ ম্যাচে জিততেই হবে। ফাইনালে দৌড়ে ভালোভাবে টিকে থাকতে জয় ছাড়া অন্যকোনো পথ খোলা নেই। আমরা জয়ের জন্যই মাঠে নামব।’
২০২২ সালের এশিয়া কাপের পর আবারও টি-টোয়েন্টিতে দেখা হচ্ছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার। মাঝে টেস্ট ও ওয়ানডেতে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২৩ ম্যাচ খেলে পাকিস্তান ১৩টিতে এবং শ্রীলঙ্কা ১০টিতে জিতেছে।
সুপার ফোরের ম্যাচে রাতে মাঠে নামছে পাকিস্তান, মোবাইলে দেখবেন যেভাবে
আজ হারলে বাংলাদেশের ওপর ‘নির্ভর’ করবে শ্রীলঙ্কার ফাইনাল খেলা!
২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে দু’বার দেখা হয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার। দু’বারই জয় পেয়েছে লঙ্কানরা। সুপার ফোরে ৫ উইকেটে এবং ফাইনালে ২৩ রানে জিতেছিল তারা।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের কাছে হারের স্মৃতি ভুলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া শ্রীলঙ্কা। ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয় ছাড়া অন্য কিছুই ভাবছে না তারা। লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কা বলেন, ‘বাংলাদেশের কাছে হার ভুলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে আমরা এখন সবচেয়ে বেশি মনোযোগী। এ ম্যাচটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে জয়ের বিকল্প নেই।’
সুপার ফোরের পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস। অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করবে টফি। দর্শকরা টফি অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস) ব্যবহার করে মোবাইলে ম্যাচটি উপভোগ করতে হবে। এ ছাড়া টফি লাইভ ডট কম এবং স্মার্ট টিভি (অ্যান্ড্রয়েড টিভি, স্যামসাং টাইজন ও এলজি ওয়েবওএস)-এর মাধ্যমেও ম্যাচটি দেখা যাবে।
মন্তব্য করুন


সংগীতশিল্পী
জেফার রহমান ও উপস্থাপক রাফসান সাবাবের সম্পর্ক নিয়ে এক বছর ধরেই নানা গুঞ্জন চলছিল।
যদিও গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুজনই নিজেদের ‘ভালো বন্ধু’
হিসেবে পরিচয় দিয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নীরব ছিলেন।
তবে
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তারা। এই
দুজনের ঘনিষ্ঠজন এমন তথ্য কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে।
জানা
গেছে, গত শনিবার জেফারের নিজ বাসায় দুই পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এর আগে ঘরোয়া আয়জনে ছোট করে তাদের গায়ে হলুদও অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে
আজ বুধবার রাজধানীর আমিনবাজারের এক রিসোর্টে হতে যাচ্ছে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। এরই মধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে বিয়ের দাওয়াত
পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে থাইল্যান্ডে একসঙ্গে ভ্রমণের সময় তাদের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা আরো জোরালো হয়। সেসময় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেফার
মন্তব্য করেছিলেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তার বলার কিছু নেই।
রাফসান
সাবাব ২০২৩ সালের শেষ দিকে চিকিৎসক সানিয়া এশার সঙ্গে তার তিন বছরের দাম্পত্য জীবনের
ইতি টানেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
সোমবার
(১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক
কার্যালয়ে এসে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে
সেখানে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী
কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা
কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ড. মাহদী
আমিন এবং বিএনপির চেয়ারম্যানের প্রেসসচিব সালেহ শিবলী।
এ
সময় ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সৌজন্য
সাক্ষাতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে দলীয় সূত্রে
জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


মেহজাবীন চৌধুরী ছোট পর্দার জনপ্রিয়
অভিনেত্রী। তিনি ক্যারিয়ারে অসংখ্য নাটকের মাধ্যমে ভক্তদের মন কেড়েছেন। এ অভিনেত্রী
নাটকের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেও সুনাম কুড়িয়েছেন। মেহজাবীন সব সময় হাসিখুশি
থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন এক পোস্ট করেছেন যা দেখে
অনুরাগীরা রীতিমতো অবাক হয়েছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় মেহজাবীন তার ভেরিফায়েড
ফেসবুকে পেজে লিখেছেন, ‘বেঁচে থাকার শক্তি নাই, মরে যাওয়ার সাহস নাই।’
স্ট্যাটাসটি পোস্টের পর থেকেই তাতে
প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
এ দিক আবার অনেকে এ বিষয়টিকে নিয়ে হাসি
তামাশা করছে।
উল্লেখ্য, মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন।
মন্তব্য করুন