

১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে জাপান সরকারের অফিসিয়াল বিনিয়োগ ও বানিজ্য উন্নয়ন সংস্থা - জাপান এক্সর্টানাল ট্রেড অগ্রানাইজেশন এর একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
আমীরে জামায়াতের বসুন্ধরার কার্যালয়ে বৈঠকটি আন্তরিকতা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাপান এক্সর্টানাল ট্রেড অগ্রানাইজেশন (Japan External Trade Organization- JETRO) এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ মি. কাজুইকি কাতাওকা, সুমিতোমো কর্পোরেশন এশিয়া অ্যান্ড ওশেনিয়া প্রাইভেট লিমিটেড (Sumitomo Corporation Asia & Oceania Pte. Ltd.) এর কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার ও ঢাকাস্থ জাপানি কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন মি. হিরোনোরি ইয়ামানাকা, ঢাকাস্থ জাপানি কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (Dhaka Shoo-Koo-Kai) এর প্রেসিডেন্ট মি. মানাবু সুগাওয়ারা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. হিরোনোরি ইয়ামানাকা, মারুবেনি করপোরেশন এর কান্ট্রি হেড মি. সুগাওয়ারা মানাবু। আরও উপস্থিত ছিলেন জেট্রো (JETRO) ঢাকা অফিসের সিনিয়র ডিরেক্টর জনাব শরিফুল আলম ও এসিসট্যান্ট ম্যানেজার ইশরাত জাহান।
বৈঠকে আমীরে জামায়াত বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসাবে জাপান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিদেশী বিনিয়োগ স্বাগত জানায়।
জাপান প্রতিনিধি দল আমীরে জামায়াতকে জানান যে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় তিনশত এর অধিক প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
আমীরে জামায়াত জাপানী প্রতিনিধি দলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইবিডব্লিউএফ’র প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান “এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসির” সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তান নৌবাহিনী প্রধান “এডমিরাল নাভিদ আশরাফ”। আজ মঙ্গলবার ( ১১ নভেম্বর ) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতের সময় বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান নৌবাহিনী প্রধানের সঙ্গে পারস্পরিক কুশল বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা খাতসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়া তারা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বিদ্যমান সর্ম্পক জোরদার ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রতিনিধি দল, পাকিস্তান হাই কমিশনার, ডিফেন্স এ্যাটাশে ও বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের পিএসওরা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে চীনা
নাগরিকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল একটি গোপন আইফোন সংযোজন কারখানা।
কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে আনা যন্ত্রাংশ দিয়ে সেখানে অবৈধভাবে আইফোন তৈরি করে স্থানীয়
বাজারে সরবরাহ করা হতো।
ঢাকার উত্তরা
ও নিকুঞ্জ এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে সক্রিয় থাকা এই প্রতারণা
চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে বিভিন্ন
মডেলের ৩৬৩টি আইফোন, আইফোনের যন্ত্রাংশ এবং মোবাইল ফোন তৈরির নানা ধরনের মেশিনারিজ
জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য
জানান ডিবি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।
তিনি জানান,
গত ৭ জানুয়ারি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর ও নিকুঞ্জ-১
এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। এ সময় উত্তরা এলাকা থেকে ৫৮টি মোবাইল ফোনসহ একজনকে এবং
নিকুঞ্জ-১ এলাকা থেকে ৩০৫টি মোবাইল ফোনসহ দুই চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে
অবৈধ মোবাইল ফোনের পাশাপাশি আইফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, পার্টস সংযোজনের মেশিন এবং
বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
ডিসি মহিউদ্দিন
মাহমুদ সোহেল আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি বিদেশ থেকে আইফোনের বিভিন্ন
পার্টস আলাদাভাবে অবৈধ পথে দেশে এনে ঢাকায় একটি গোপন ল্যাব স্থাপন করে। সেখানে যন্ত্রাংশ
সংযোজন করে আইফোনের আদলে ভুয়া মোবাইল ফোন তৈরি করা হতো এবং সেগুলো আসল আইফোন হিসেবে
বাজারে বিক্রি করা হতো। প্রায় দেড় বছর ধরে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছিল এবং এ সময়ে বিপুলসংখ্যক
ভুয়া মোবাইল বাজারে সরবরাহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চক্রটির সঙ্গে
বাংলাদেশি কেউ জড়িত আছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তে কয়েকজনের নাম
পাওয়া গেলেও তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
ডিবির এই কর্মকর্তা
সাধারণ মানুষকে মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কম দামে
‘অরিজিনাল আইফোন’ বিক্রির প্রলোভনে পড়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তাই অনুমোদিত
ও অফিসিয়াল শোরুম কিংবা বিশ্বস্ত উৎস ছাড়া মোবাইল ফোন না কেনার অনুরোধ জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীর
তানোরে নলকূপে পড়ে দুই বছর বয়সী শিশু সাজিদের মৃত্যুর ঘটনায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে শিশু সাজিদের
পরিবারকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ অরক্ষিত নলকূপ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবি জানানো হয়েছে। আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো.
মনিরুল ইসলাম মিয়া নোটিশটি পাঠান।
লিগ্যাল
নোটিশে বলা হয়েছে, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলায় শত শত পরিত্যক্ত ও অরক্ষিত
নলকূপ জনসাধারণের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
সম্প্রতি
রাজশাহীর তানোর উপজেলার কোয়েলহাট পূর্ব পাড়া গ্রামে একটি পরিত্যক্ত নলকূপে পড়ে শিশু
সাজিদের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও প্রশাসনিক
উদাসীনতার স্পষ্ট প্রমাণ।
নোটিশে
সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ
এনে ১৫ দিনের মধ্যে একাধিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
সব পরিত্যক্ত নলকূপ চিহ্নিত করে জরিপ, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে সিল/ভরাট বা স্থায়ীভাবে বন্ধকরণ,
অবৈধ নলকূপ খননে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা, নিরাপদ নলকূপ ব্যবস্থাপনায় মানসম্মত
কার্যপ্রণালি (SOP) প্রণয়ন, অননুমোদিত নলকূপ স্থাপনা রোধে কঠোর নজরদারি এবং দায়িত্বে
অবহেলাকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন
না হলে বিষয়টি জনস্বার্থ মামলা (PIL) হিসেবে হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করা হবে বলেও জানানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বাড়বে এবং এসব সয়ে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করতে গিয়ে সোমবার (২৩ মার্চ) এ মন্তব্য করেছেন তিনি।
এদিন সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নেহা নদী পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক শুদ্ধাচার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সামনে খুব ভালো সময় না, বরং কঠিন সময় আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধটা আমাদের বিশাল ক্ষতি করছে। সামনে তেলের দাম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বেড়ে যাবে। আমাদের এসব সয়ে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহ কিছুটা কম হতে পারে, কিন্তু সেই অজুহাতে পাম্প ভাঙচুর করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আমরা 'মব' বা উশৃঙ্খল জনতাকে কঠোর হস্তে দমন করব। গায়ের জোরে আইনের বাইরে কাউকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না।
এরপর কৃষকদের দুর্দশা লাঘবে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ঝড়-বৃষ্টিতে গম ও আলুর যে ক্ষতি হয়েছে তা আমরা বুঝি। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমরা কৃষি ঋণ মওকুফ করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলস কাজ করছেন।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে কয়েক কোটি নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে এবং সেচ সুবিধার জন্য গোটা দেশে ২০ হাজার খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
ধর্মকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার সমালোচনা করে এরপর তিনি বলেন, ধর্ম নিয়ে ব্যবসা দেশের মানুষ পছন্দ করে না। সৎ পথে থেকে হালাল রুজি খেয়ে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করেই পরকালে মুক্তি পেতে হবে, কেবল কথার মায়াজালে ধোঁকা দেওয়া যাবে না।
এসময় খাল ও নদী পুনঃখনন প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন এলজিআরডি মন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সব প্রজেক্ট সময়মতো ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়াও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জামালপুরের
ইসলামপুর সরকারি কলেজের জরাজীর্ণ রান্নাঘরের টিন বিক্রির অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রদলের
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার
(২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতি পাওয়া দুই নেতা হলেন- ইসলামপুর সরকারি
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জোনায়েদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাব্বি মিয়া।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ইসলামপুর
সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জোনায়েদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাব্বি মিয়াকে সাংগঠনিক
পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির
উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইসলামপুর সরকারি
কলেজের ছাত্রাবাসের পুরোনো রান্নাঘরের চালের টিন খুলে বিক্রির অভিযোগ ওঠে ওই দুই ছাত্রদল
নেতার বিরুদ্ধে।
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের মতো এবারও পেঁয়াজের বাজারে আগুন। নভেম্বরের শুরুতে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। ফলে বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)।
ট্যারিফ কমিশনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা ছাড়ানোয় দ্রুত আমদানির অনুমতি দিলে দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্য সচিব ও কৃষি সচিবের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
বাজার বিশ্লেষণে কমিশন জানায়, পেঁয়াজের উচ্চমূল্যের সুবিধা কৃষক নয়, বরং মধ্যস্বত্বভোগীরা ভোগ করছে। তাদের প্রভাব কমাতে আমদানির সুযোগ দিলে ভোক্তারা ন্যায্য দামে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের পেঁয়াজ আমদানির ৯৯ শতাংশ আসে ভারত থেকে। এছাড়া তুরস্ক, মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীন ও মিসর থেকেও কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ আসে। গত অর্থবছরে দেশে মোট ৪ লাখ ৮৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে, যেখানে স্থানীয় উৎপাদন ছিল প্রায় ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার টন।
তবে সংরক্ষণের সমস্যা ও পচনজনিত কারণে উৎপাদিত পেঁয়াজের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বেড়ে যায় বলে জানিয়েছে ট্যারিফ কমিশন।
বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। তবে দাম আরও বেড়ে গেলে সরকার শুল্ক হ্রাসের দিকেও যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


অবৈধভাবে ভোট
কেনার জন্য ভোটারদের টাকা দিয়েছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক প্রার্থী। কিন্তু
তাতে লাভ হয়নি। নির্বাচনে হেরে যান তিনি। এরপরেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছ থেকে
টাকা ফেরত চাইতে শুরু করেন ঐ পরাজিত প্রার্থীর স্ত্রী। এর জন্য রীতিমতো খাতাকলম নিয়ে
বেরিয়ে পড়েন তিনি। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। বইছে সমালোচনার
ঝড়। ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে।
রাজ্যের পৌর
নির্বাচনে মাঞ্চেরিয়াল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ৯ নম্বর ডিভিশন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন বিজেপির প্রার্থী জাদি তিরুপতি। নির্বাচনে মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে কংগ্রেস
প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, ফল ঘোষণার পর গভীর হতাশায় তিরুপতি ও
তার পরিবারের সদস্যরা সেসব ভোটারের বাড়িতে যাচ্ছেন, যারা টাকার বিনিময়ে তাকে ভোট
দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ভিডিওতে দেখা
যায়, বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী রূপা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ঈশ্বরের নামে
শপথ করতে বলছেন তারা তিরুপতিকে ভোট দিয়েছেন কি না। অভিযোগ রয়েছে, যারা ভোট না দেওয়ার
কথা স্বীকার করেছেন, তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি দেওয়া ৩ হাজার রুপি ফেরত নেওয়া হচ্ছে।
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। কারণ নির্বাচনে প্রার্থীদের
পক্ষ থেকে ভোটারদের অর্থের প্রলোভন দেখানো নির্বাচনি বিধি ও গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থি।
ঘটনাটি তেলেঙ্গানার
স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে এবং নির্বাচনি স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর
প্রশ্ন তুলেছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে
নানা কর্মসূচি নেওয়া হলেও এই ভিডিওগুলোই বলে দিচ্ছে, তথাকথিত বিশ্বের সবচেয়ে বড়
গণতন্ত্রের দেশ ভারতে অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনা এখনো বাস্তবতা।
মন্তব্য করুন


কালীপূজা
উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকছে দেশের চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। ১২ এবং ১৩ নভেম্বর
কালীপূজায় ২দিন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার তথ্যটি
নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি জানিয়েছেন, রবিবার ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে
হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী কালীপূজা। পূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে উভয় দেশের
এক্সপোর্টার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার ও ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা
সভার ভিত্তিতে এই দুদিন স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি উভয় দেশের কাস্টমস,ব্যবসায়ী সংগঠন, ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ
সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক
থাকবে।
বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
নজরুল ইসলাম বলেছেন, পূজায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ
থাকবে তবে স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত ।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, হাদির হত্যাকারীদের ফেরত আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের থেকে
পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি যেন ভারতকে প্রত্যর্পণ চুক্তি
অনুযায়ী তাদের ফেরত দিতে বলেন। আমরা তাদের ফেরত আনার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাবো।
সোমবার
(৯ মার্চ) কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা
বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, আমরা বাংলাদেশে মব কালচারকে কখনো আর এগোতে দেবো না, এটা বন্ধ করতে হবে এবং এটা
বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি
আরও বলেন, কোনো সন্ত্রাসীকে, অস্ত্রধারীকে, চাঁদাবাজকে, সংঘবদ্ধ ক্রিমিনালকে আইনের
বাইরে থাকতে দেবো না। তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসবো, সেটা আমাদের প্রতিজ্ঞা, প্রতিশ্রুতি।
পাশাপাশি জনপ্রত্যাশাও তাই।
কক্সবাজার
নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে
শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসবেন। শহরজুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি শহরে টমটম
নিয়ন্ত্রণ করার কথাও জানান তিনি।
এছাড়া
উখিয়া-টেকনাফ রুটে মাদক চোরাচালান বন্ধের কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন