

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু জানিয়েছেন, আজ রাতেই ট্রেনে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসবে বাংলাদেশে ।
প্রথম চালানে এক হাজার ৬৫০ টন পেঁয়াজ আসবে এবং ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামে এই পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হবে।
২০২৩ সালের আগস্টে ভারতের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে সরকার ৪০ শতাংশ শুল্কারোপ করে। এরপর গত অক্টোবরে পেঁয়াজের সর্বনিম্ন রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয় টনপ্রতি ৮০০ মার্কিন ডলার। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে এসব পদক্ষেপ খুব বেশি কার্যকর না হওয়ায় গত ৭ ডিসেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার।
চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড বা বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের কার্যালয়। ভারতের এ নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বাড়ে পেঁয়াজের দাম।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে বন্ধুদের সাথে সাঁতার কেটে নদী পার হতে গিয়ে নিখোঁজ কলেজছাত্র মোহাম্মদ
শিহাব (১৮)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরিরা। নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর ডাকাতিয়া নদী থেকে
তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গতকাল
শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার সংযোগস্থল জাগজোর-নারান্দিয়া
ব্রিজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে শিহাব নিখোঁজ হয়। সে পার্শ্ববর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার
ঢালুয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের জাফর আহমেদ শিফনের ছেলে। সে চট্টগ্রাম বি.এন
কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের ছাত্র।
সিহাবের মামা আসিফ করিম বিষয়টি নিশ্চিত
করে জানান, শুক্রবার দুপুরে শিহাব তার অপর দুই বন্ধুকে নিয়ে নারান্দিয়া গ্রাম থেকে
পার্শ্ববর্তী জাগজোর গ্রামে যায় তালের শাঁস খাওয়ার জন্য। জুমার নামাজের সময় হওয়ায়
সেখান থেকে দ্রুত সাঁতার কেটে মসজিদে আসার জন্য নদীতে নামে তিন বন্ধু। এসময় অপর দুই
বন্ধু সাঁতার কেটে নদী পার হলেও শিহাব নদীতে হারিয়ে যায়।
চৌদ্দগ্রাম
ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমরা চাঁদপুর জেলা থেকে ডুবুরি টিমকেও
খবর পাঠাই। মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে চাঁদপুরের ডুবুরি টিম এসে বিকেল থেকে আনুমানিক এক
ঘণ্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিহাবকে উদ্ধার করতে পারেনি। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার
কার্যক্রম স্থগিত রাখে তারা এবং শনিবার সকালে উদ্ধার কার্যক্রম ফের শুরু করে। এ সময়
শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর মরদেহ নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা
হয়।
মন্তব্য করুন


অগ্নিকাণ্ডে
নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সাতটি বসতঘর ও মূল্যবান আসবাবপত্র আর কষ্টার্জিত নগদ টাকা।
তবে আশ্চর্যজনকভাবে ভস্মীভূত ছাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ অক্ষত রয়ে গেছে পবিত্র কোরআন শরীফের
প্রতিটি হরফ।
এই
ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ হবিরবাড়ী গ্রামের
খন্দকার পাড়া এলাকায়। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোরআন শরীফের হরফ না পোড়ায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের মালিকানাধীন টিনশেড ঘর থেকে
হঠাৎ বিকট শব্দে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের
লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে ফায়ার সার্ভিস
পৌঁছানোর আগেই আগুন তীব্র আকার ধারণ করে আশরাফুল ইসলামের চারটি ঘর ও মিতু আক্তারের
তিনটি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন
ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আগুনে আংশিক পুড়লেও পবিত্র কোরআন শরীফের ভেতরের হরফ বা
লেখাগুলো অক্ষত রয়ে গেছে, যা দেখে হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
ক্ষতিগ্রস্ত
বাড়ির মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমার বসতবাড়ির ৪টি ঘরে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার,
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের মাথা গোঁজার
ঠাঁই বা এক মুঠো খাবারও অবশিষ্ট নেই। তবে এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আল্লাহর কালামের হরফগুলো
অক্ষত দেখে মনে এক অন্যরকম সান্ত্বনা পাচ্ছি।
অপর
বাসার মালিক মিতু আক্তারের মা জানান, হঠাৎ আগুন দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন, জীবনের
সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।
স্থানীয়
বাসিন্দা মাহফুজ খন্দকার বলেন, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দুটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে।
তারা এখন খোলা আকাশের নিচে একেবারে নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আগুনে সবকিছু শেষ
হলেও কোরআন শরীফের পাতাগুলোর এই অবস্থা সবাইকে বিস্মিত করেছে।
ভালুকা
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের
গাড়ি রওনা হয়েছিল। তবে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে আসে। ফলে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ফায়ার সার্ভিসের
পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভারতের সাথে আমদানিকৃত ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ১৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ সিরাজগঞ্জে এসে পৌঁছেছে। চুক্তিকৃত ৫০ হাজার টন পেঁয়াজের প্রথম চালান এটি।
এর আগে, গতকাল রবিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে ভারত থেকে ৪২টি রেলওয়ে ওয়াগনে এ পিঁয়াজ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এসে পৌছায়। এরপর কাগজ পত্র যাছাই বাচাই শেষে রাত্রে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা হয়।
সোমবার(১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পেয়াজ নিয়ে সিরাজগঞ্জ বাজার রেল ইয়ার্ডে পৌঁছায় রেলওয়ে ওয়াগনগুলো। সকাল ৯টা থেকে পিঁয়াজ খালাস করা শুরু হয়। খালাসকৃত পিঁয়াজ ঢাকা, গাজিপুর ও চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট জায়গা থেকে টিসিবি এর মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রিকরা হবে। এতে প্রায় ৩০টি জেলায় পিঁয়াজের মুল্য স্থিতিশীল হবে।
টিসিবি ডিলার আব্দুর রব রাইস এজেন্সির মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিনের নিয়মিত ডিলার। টিসিবির নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থান থেকে ভোক্তাদের মাঝে ৪০ টাকা করে পিঁয়াজ বিক্রি করা হবে এবং একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে নিতে পারবেন।
টিসিবি'র অতিরিক্ত পরিচালক গোলাম খোর্শেদ জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের সাথে টিসিবির কর্তৃক ৫০ হাজার মেট্রিক টন আমদানির প্রথম চুক্তি হিসাবে ১৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ সিরাজগঞ্জে পৌছানোর পর ডিলারদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। তার মধ্যে ১০০০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ ঢাকা জেলায় ১০০ জন ডিলার এবং বাকী ৬৫০ মেট্রিক টন পিঁয়াজ গাজিপুর ও চট্রগ্রামে পর্যায়ক্রমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের
ভাঙ্গা উপজেলার ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে তিন
সন্তানসহ এক মা ছিলেন। প্রবাসফেরত ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন তারা। এ ছাড়া নিহত অন্যজন
প্রাইভেট কারের চালক।
নিহতরা
হলেন ঝিকরগাছার উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফ (২৫) ও রাকিব
(১৮), মেয়ে আয়েশা (২৮) এবং স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৫০)। এ ছাড়া প্রাইভেট কারের চালক
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের জাহিদ (৩২)। পুলিশ জানিয়েছে, এদের মধ্যে
আরিফ মালয়েশিয়া প্রবাসী। গত রাতে দেশে ফিরলে তাকে আনতে প্রাইভেট কারে নিয়ে যান মা নুরজাহান
বেগম, ভাই রাকিব এবং বোন আয়েশাসহ পরিবারের সদস্যরা। ফেরার পথেই তিন সন্তানসহ নুরজাহানের
মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে প্রাইভেট কার চালক জাহিদও প্রাণ হারান। এ ঘটনায় আহত তিন বছরের
শিশু তাসফিয়া ও সাত বছরের শিশু হোসাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা নিহত আয়েশার সন্তান।
আজ
মঙ্গলবার ( ০২ জুন ) ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম নামক
স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনার পর নিহতের পরিচয় তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়,
ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় প্রাইভেট
কারটি।
ঘটনাস্থলেই
প্রবাসী আরিফ, তার মা নুরজাহান, বোন আয়েশা এবং চালকের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় ফরিদপুর
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রাকিব।
আয়েশার
স্বামী ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমার স্ত্রীর ভাই আরিফ দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় ছিল। গতকাল
আমার শাশুড়ি, আমার স্ত্রী, সন্তান এবং আরিফের ছোট ভাই রাকিব যশোর থেকে একটি প্রাইভেট
কার নিয়ে তাকে আনতে ঢাকা বিমানবন্দরে যায়। বাড়ি ফেরার পথে ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রামে
সড়ক দুর্ঘটনায় আমার স্ত্রী, শাশুড়ি এবং
স্ত্রীর দুই ভাই মারা যান।’
নিহত
চালক জাহিদের ভাই মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাই গতকাল গাড়ি নিয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে
প্রবাসী যাত্রী আনার জন্য গিয়েছিল। সকালে তার মৃত্যুর খবর পাই। এখন লাশ নিয়ে ফিরছি।’
নিহতদের
লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, এ ঘটনায় শিবচর হাইওয়ে থানায় একটি মামলা
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর
সুবর্ণচরে মাদকের টাকা না পেয়ে নিজের
বৃদ্ধ মাকে নির্যাতন, বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি
দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করেছে পুলিশ।
আজ
শনিবার (২৫ জুলাই) ভোরে
উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজারসংলগ্ন পাঞ্চায়েত বাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক
জাবেদ চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের
বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান।
পুলিশ
সুপারের কার্যালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জাবেদের মা ছালেয়া খাতুন
(৬৮) দাবি করেন, তাঁর ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং মাদকের টাকা না পেলে তিনি
প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন
করেন ও বাড়িতে ভাঙচুর
চালান।
অভিযোগে
বলা হয়, গত ২২ জুলাই
রাত ৮টার দিকে জাবেদ মাদকের টাকা দাবি করে মায়ের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করেন
এবং একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এ সময় পরিবারের
সদস্যরা বাধা দিলে তাঁদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত
অভিযোগে ছালেয়া খাতুন আরও বলেন, জাবেদ নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং মাদকের অর্থ জোগাড়ের জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পিচ্ছি মাসুদ, সুমন ও দেলোয়ার নামে
কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে জাবেদ তাঁদের বাড়িকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে
মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, গত ২৭ মে
রাতে সংঘবদ্ধভাবে তাঁদের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট
থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযুক্তরা
আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
বৃদ্ধা তাঁর লিখিত অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
থানা
হাজতে আটক থাকায় অভিযোগের বিষয়ে আবদুল্লা আল মামুন জাবেদের
বক্তব্য জানা যায়নি।
এ
বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল হাসান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আবদুল্লা আল মামুন জাবেদকে
আটক করা হয়েছে এবং শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন


শৈত্য প্রবাহের কারণে কমছে না শীতের দাপট। পৌষ মাসের শেষ দিনে হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশায় দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ, মাঘ মাসের শুরুতেও কমেনি শীতের দাপট। তীব্র শীতে জবুথবু পাবনা সহ উত্তর অঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা।
ঘন কুয়াশায় মেঘাচ্ছন্ন আকাশে সূর্যের দেখা না মেলায় দিনের বেলাতেও হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে পাবনা সহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে,রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের পাশাপাশি পাবনা, কুষ্টিয়া নওগাঁ, চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের কয়েক জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ: যা অব্যাহত থাকতে পারে আরও এক-দুই দিন।
রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনাও। শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে সকাল থেকেই কুয়াশায় আচ্ছন্ন পাবনা সহ উত্তর অঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা। ঘন কুয়াশার কারণে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো না থাকায় কিছুদিন ধরে দিনে ও রাতের
তাপমাত্রার প্রায় একই রকম থাকায় শীতের অনুভূতি অনেকটাই বেড়ে গেছে। এটা প্রতিবছরই জানুয়ারি মাসে মাঝেমধ্যেই হয় এবং টানা তিন-চার দিন থাকে।এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়, এই অবস্থা আরো
এক-দুই দিন থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ধারণা। তীব্র শীতে উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।ঘন কুয়াশা এবং মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে উত্তরের জেলাগুলোতে ছয় দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। এ ছাড়া তীব্র শীতে শীতজনিত রোগের
প্রকোপ বেড়েছে বহুগুণে। তীব্র শীতের কারণে বেশি বিপাকে আছে হতদরিদ্রর ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী, শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্বিষহ তাদের জীবন। কুয়াশার কারণে ব্যাহত হচ্ছে
কাজিরহাট টু আরিচা, নাজিরগঞ্জ টু ধাওয়াপাড়া নৌ রুটের ফেরি সহ বিমান ও যান চলাচলে।
মন্তব্য করুন


ফুটবল
বিশ্বকাপে হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের জয়ের পর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে মাথা ন্যাড়া করেছেন
দুই আর্জেন্টিনা সমর্থক। আজ শনিবার ( ২০জুন ) পটুয়াখালী শহরের কাজীপাড়া ও জামালপুরের
বকশীগঞ্জে পৃথকভাবে এই ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালীতে
মাথা ন্যাড়া করা যুবক শহরের কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা কাজী রাফি। ফুটবল বিশ্বকাপে তিনি
আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। তার মাথা ন্যাড়া করার ভিডিও ও ছবি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার
রাতে রাফি তার ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে ঘোষণা করেন, শনিবারের ম্যাচে ব্রাজিল যদি
হাইতির সঙ্গে জিততে পারে, তাহলে নিজের মাথা ন্যাড়া করে ফেলবেন।
এদিকে
জামালপুরের বকশীগঞ্জে মাথা ন্যাড়া করা আর্জেন্টিনার সমর্থকের নাম ফয়সাল আহমেদ জুমান
(২২)। গত ১৯ জুন রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে ফয়সাল আহমেদ জুমান লিখেছিলেন, হাইতির সঙ্গে
ব্রাজিল হারবে। যদি ব্রাজিল জেতে, তাহলে তিনি মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় ঘুরবেন।
শনিবার
সকালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে
জয়লাভ করে ব্রাজিল। খেলা শেষে বকশীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার ব্রাজিল সমর্থকেরা ওই যুবকের
বাসায় গিয়ে ভিড় জমান। পরে ফয়সাল ফেসবুকে দেওয়া কথা রাখতে বাধ্য হয়ে আর্জেন্টিনার জার্সি
গায়ে জড়িয়ে বাসা থেকে বের হন। তিনি স্থানীয় বাজারে এসে স্বেচ্ছায় ব্রাজিল সমর্থকদের
সামনে মাথা ন্যাড়া করেন।
চ্যালেঞ্জ
পূরণের পর ফয়সাল আহমেদ জুমান বলেন, খেলাধুলা বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম। আমি আর্জেন্টিনার
সমর্থক। আমার অনেক বন্ধু ব্রাজিল সমর্থক। আমি মজা করেই তাদের সঙ্গে এই বাজি ধরেছিলাম।
ব্রাজিল জিতেছে, আমি আমার কথা রেখেছি।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক
বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ
২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়, যেখানে
ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,
রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে প্রাণিসম্পদ খাত
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রতিবেদন
অনুযায়ী, বন্যায় ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার। জেলাভিত্তিক হিসাবে
কক্সবাজারে ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটিতে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা,
খাগড়াছড়িতে ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত
খামারগুলোর মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা এবং
৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়া ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে
২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার
ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার
৭৪০ টাকা।
শুধু
চট্টগ্রাম জেলাতেই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি
৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার
টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ১৬২ টন পশুখাদ্যে ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ৯৬০ টন ঘাসে
৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিতে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৪০ টাকার
ক্ষতি হয়েছে।
বন্যার
পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর
এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে। এতে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল,
৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস মারা গেছে। এর মধ্যে
শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি
মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।
এদিকে
বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার
৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে। এ পর্যন্ত
১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি
১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
এ
ছাড়া বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ
কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চট্টগ্রাম
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল
হাসান বলেন, মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তবে তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান থাকায় এ হিসাব পরিবর্তিত
হতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সদর উপজেলার রঘুরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি নোহা মাইক্রোবাস থেকে প্রায় আড়াই
মণ (১০০ কেজি) গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। এ সময়
মাদক পরিবহণের অভিযোগে দুই কারবারিকে আটক এবং গাঁজা বহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ
করা হয়।
আটকরা
হলেন- কুমিল্লা নগরীর দ্বিতীয় মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা মো. অন্তর (২৫) ও নারায়ণগঞ্জের
রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. বাঁধন (২৩)।
আজ
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লার কোম্পানি
কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম।
সাদমান
ইবনে আলম বলেন, বুধবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি বিশেষ আভিযানিক দল
রঘুরামপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহভাজন একটি নোহা মাইক্রোবাসে তল্লাশি
চালিয়ে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব
জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে নোহা মাইক্রোবাস যোগে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন
অঞ্চলে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করে আসছিল।
মন্তব্য করুন