

রাজধানীর
এভারকেয়ার হাসপাতাল ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো ধরনের ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
আজ
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস
বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই তথ্য জানান।
তিনি
জানান, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং-III/৭৬) এর ২৮ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে
বুধবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এভারকেয়ার হাসপাতাল এবং সংলগ্ন এলাকায়
যেকোনো প্রকার ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ করা হলো।
অনুমোদনহীন
এসব ড্রোন উড়ানোর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


আজ
২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। আজ থেকে ১৭ বছর আগে এই দিনে দেশের সীমান্তরক্ষী
বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় বিদ্রোহের নামে সংঘটিত
হয় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। এতে বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ
৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নির্মমভাবে নিহত হন।
মেজর
জেনারেল সাকিল আহমেদের স্ত্রীসহ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও ওই দিন প্রাণ হারান। পরদিন
২৬ ফেব্রুয়ারিও হত্যাযজ্ঞ চলতে থাকে। ২০০৯ সালের এই মর্মান্তিক দিনটিকে গত বছর থেকে
‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
আজ
বুধবার সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা জানাবেন। দিবসটি শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ, দোয়া এবং রাষ্ট্রীয়
শ্রদ্ধা জানানোর দিন হিসেবে পালন করা হয়। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর একটি স্বাধীন
তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িতদের
বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করা হয়।
দিবসটি
উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, ‘আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি,
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ
সংঘটিত হয়েছিলো। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলো। ২০০৯ সালের
পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি।
২০২৪
সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’
হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা
করছি। তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ
করছি।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত
কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকান্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব
বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলো- নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরী
বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকান্ডের পর নানারকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত
করার চেষ্টা হয়েছিলো। তবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে
জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকান্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য।’তিনি
আরও বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে
আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই
শপথে বলীয়ান হতে হবে।
দেশ
এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে
দাঁড়াবো- এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি
ঢাকার পিলখানায় বিডিআরের একটি অংশ সদর দপ্তর দখল করে নেয়। তারা মহাপরিচালক মেজর জেনারেল
সাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বেসামরিক
লোকজনের ওপর গুলি চালানো হয়। অনেক সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারকে জিম্মি করা হয়।
স্থাপনা ও সম্পদ ভাঙচুর এবং মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করা হয়।
জানা
যায়, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ওই ঘটনায় সদর দপ্তরে আটকে পড়া সেনা কর্মকর্তাদের উদ্ধারে
তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ ছিল না। তথাকথিত বিদ্রোহী সেনাদের
সঙ্গে আলোচনা ও অস্ত্র সমর্পণের নামে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের
কার্যক্রম গোটা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। পরবর্তী সময়ে ঘটনার শিকার, ভুক্তভোগী এবং ভাগ্যক্রমে
বেঁচে ফেরা সেনা কর্মকর্তা ও অন্যরা ওই ঘটনার ভয়াবহতার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি দল মিথ্যা কথা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে। তারা
বলছে, জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে।
তিনি
বলেন, আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব, কিন্তু বিগত সরকারের সময় কি হয়েছিলো আমার
ভোট আমি দেব, তোমার ভোট আমি দেব।
আজ
রোববার ( ০১ ফেব্রুয়ারি ) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার
মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ড কাজীপাড়া আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব
কথা বলেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যারা এনজিও থেকে সুদে ঋণ নিয়েছেন তাদের কিস্তি দিতে হচ্ছে।
ক্ষমতায় আসলে সেই কিস্তির দায়িত্ব বিএনপি নেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা
করা হবে।
তিনি
বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে।
সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে আবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।
ভোটারদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের হাতেই দেশ, আপনারাই দেশের প্রকৃত মালিক। তাই ভুল করার
সুযোগ নেই। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ভোট প্রয়োগ করতে হবে।’
এ
সময় আলীফা আক্তার গোলাপী নামে এক নারী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মাটির ব্যাংকে জমানো
টাকা এবং কয় হালি মুরগির ডিম উপহার দেন।
পথসভায়
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। বক্তৃতাকালে মির্জা ফখরুলের
বক্তব্যে বারবার করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ আজ বলেছেন, ধারাবাহিক সংস্কারের
মধ্য দিয়ে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ নির্বাচন
কমিশন (ইসি) তার লক্ষ্য অর্জনে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ
বুধবার ( ০৭ জানুয়ারি ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুরো কনফারেন্স হলে ২৭টি
সিভিল সোসাইটি সংগঠন নিয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম অ্যালায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি
(এএফইডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচনের জন্য নাগরিক
পর্যবেক্ষণ : জাতীয় নির্বাচন, ২০২৬’ প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ২০২৬-এর নির্বাচনটাকে যদি একটি উপমা দিয়ে
বুঝাতে চাই তাহলে বলা যায়, এটা অনেকটা ট্রেনকে লাইনে ফেরত এনে আবার চালানো শুরু করার
মতন। নূন্যতম সংস্কার করে এটাকে একটা গতি দেয়ার কাজটা যদি আমরা করতে পারি, তাহলেই আমাদের
প্রথম ধাপ অর্জিত হবে। তারপরে যত নির্বাচন আসবে তখন আমাদের এই প্রক্রিয়া আরো উন্নত
হবে। কারণ আমাদের সবার প্রত্যাশা অনেক এবং সবই যৌক্তিক প্রত্যাশা। আর জনগণের সেই প্রত্যাশা
পূরনেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে, কেননা এটা কমিশনের অঙ্গীকার।
ইসি
সানাউল্লাহ বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমাদের একটা বিরাট শূন্যস্থান তৈরি হয়ে
গিয়েছে। তবে এই বাস্তবতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সব ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যাশার
সঙ্গে যৌক্তিকতার একটা সমন্বয় ঘটাতে হবে। আমাদের সবসময় এটা লক্ষ্য থাকে যে কিভাবে নির্বাচন
প্রক্রিয়াকে আরো উন্নত করা যায়। এবারের নির্বাচনে এসে নতুন করে অনেকগুলো বিধান সংযোজিত
হয়েছে, আইনি সংস্কার হয়েছে, বিধির সংস্কার হয়েছে। সংস্কারের মাধ্যমে সঠিক একটা নির্বাচন
ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। এই নির্বাচন ব্যবস্থাতে নতুনভাবে
যেসকল বিষয়গুলো প্রথমবারের মতন এবার সংযোজিত হয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে সঞ্চালনা করা গেলে
এবারের নির্বাচনটা ভবিষ্যতে একটা রোল মডেল হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা
থাকবে এবং এটাই স্বাভাবিক। কিšুত্ম তা যেন একটা নির্দিষ্ট সহনশীল পর্যায়ে থাকে সেদিকে
লক্ষ্য রাখতে হবে। এটা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, খুব স্বাভাবিকভাবেই কিছু সামান্য ত্রুটি
হয়তো থেকে যাবে, তবে সেটাকে ধারাবাহিকভাবে সংস্কার করে এই নির্বাচন থেকে শুরু করে সামনের
বা এর পরেরগুলোকে সম্পূর্ণ নির্ভুল করে ভবিষ্যতের জন্য একটা খুব সুন্দর গ্রাউন্ড তৈরি
করতে হবে। যাতে করে বিচ্যুতির জায়গাগুলো কমিয়ে ফেলতে পারি এবং স্বচ্ছতর জায়গাগুলোকে
যেন আমরা সম্প্রসারিত করতে পারি।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
আপনারা বস্তুনিষ্ঠভাবে আপনাদের দায়িত্ব সম্পাদন করবেন, কারণ আপনারা সুষ্ঠু, সুন্দর
নির্বাচন আয়োজনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ইলেকশন কমিশনের কোথায় ভুল হচ্ছে,
কী কী সীমাবদ্ধতা আছে- সেগুলো কিন্তু আপনারাই কমিশনকে দেখিয়ে সংশোধন করে আরও উন্নতি
করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। কমিশন চায় যে অত্যন্ত মৌলিক বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে যেন কোনখানে
কোন ব্যত্যয় না হয়। নির্বাচনের নীতিমালার ভেতরে থেকে যে কাজগুলো আপনাদের করার কথা সেটা
করার জন্যব সব ধরনের সহায়তা নির্বাচন কমিশন থেকে আপনাদেরকে দেওয়া হবে। বক্তব্যে শেষে
তিনি ‘সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ এন্ড একাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ : ২০২৬ ন্যাশনাল
ইলেকশন’ প্রজেক্টের উদ্বোধন করেন। এলায়েন্স ফর দি ফেয়ার ইলেকশন
এন্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত আজকের অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে
ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন। সার্বিক সহায়তায় ছিল ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি)।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন- এএফইডি’র কো-চেয়ার রফিকুল ইসলাম খোকন ও এডভোকেট
রোখসানা খোন্দকার, এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো মহাপরিচালক মো. দাউদ মিয়া, ফার্স্ট সেক্রেটারি
সেবাস্তিয়ান রিগার-ব্রাউন, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স
ডিয়েপাক এলমার, ইউরোপীয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসির (ইপিডি) প্রকল্প পরিচালক আনাস্তাসিয়া
এস উইবাওয়া, ডেমোক্রেসিওয়াচ চেয়ারপারসন এবং এএফইডি’র বোর্ড সদস্য তালেয়া রেহমান ও এএফইডির
সদস্য সচিব মো. হারুন-অর-রশিদসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটে’র ঘোষণা দিয়েছে।
আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে এই জোটের ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এ সময় আরও উপস্থিত
ছিলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান
সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
দলগুলোর পক্ষ
থেকে এই জোটকে বলা হচ্ছে, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার রক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত
বিনির্মাণে আগ্রহীদের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য’৷
জোটের ঘোষণা
দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ২৪-এর পরে গত দেড় বছরে আমাদের অনেক জায়গা হতাশা রয়েছে। ঐকমত্য
কমিশনে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নানা শক্তি নানাভাবেই সংস্কারের বিরোধিতা করেছে এবং
বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। এ অবস্থায় সংস্কারের পক্ষে আমরা তিন দল আজ ঐক্যবদ্ধ
হয়েছি। এই ঐক্য প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
এনসিপির আহ্বায়ক
আরও বলেন, এটা কেবল নির্বাচনী জোট না, এটা রাজনীতিক জোট ও। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন
করব। আরও অনেকগুলা রাজনৈতিক শক্তি ও দলের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। আগামী নির্বাচনে
আমরা একসঙ্গে, এক মার্কায় নির্বাচন করব।
হুঁশিয়ার করে
নাহিদ বলেন, কেউ যদি মনে করে আগামী নির্বাচনে গায়ের জোরে জয়ী হবে, কিংবা ধর্মের দোহাই
দিয়ে জয়ী হবে, তারা সফল হবে না।
এবি পার্টির
চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু বলেন, নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা দিতে তিনটি দল
এক হয়েছে। অভ্যুত্থানের পর আমাদের প্রত্যাশা ব্যর্থ হয়েছে। তরুণদের প্রত্যাশা ব্যর্থ
হয়েছে। নতুনদের কর্মকাণ্ড অনেকের কাছে সমালোচিত হয়েছে। এ অবস্থায় আজ একটা নতুন যাত্রা
ঘোষণা করার জন্য আমরা এসেছি।
রাষ্ট্রসংস্কার
আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, আমরা তিনটা দল নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, তবে
আমরা মনে করি না শুধু এই তিন দলই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে কিংবা পরিবর্তনের
আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে।
আজ বৃহস্পতিবার (২০
মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর তথ্য ভবনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল
ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময়
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের
মালিক, সম্পাদক এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গুজব ও অপপ্রচারের ব্যাপকতা
তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, সত্য প্রচারের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে গুজব
ও অপপ্রচার মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। গণমাধ্যমের সমালোচনাকে স্বাগত
জানিয়ে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা সরকারের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা
করে।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
মাহফুজ আলম আরও বলেন, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি গণমাধ্যমে সরকারের ইতিবাচক
পদক্ষেপসমূহও প্রচার হওয়া উচিত।
তিনি গণমাধ্যম সংস্কারের
ক্ষেত্রে গণমাধ্যম মালিক, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে হাজীপুরা স্টুডেন্ট ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত হাজীপুরা প্রিমিয়ার লীগ (এইচপিএল-৯) ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে স্থানীয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনাল খেলায় মৌলভী-বাড়ী চ্যালেঞ্জার্সকে ৮ উইকেটে পরাজিত করে চেয়ারম্যানবাড়ী ভিক্টোরিয়ান্স চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রিয় জাতীয়ত-াবাদী ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক আজকের জীবন পত্রিকার সম্পাদক সফিকুর রহমান সফিক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ক্রীড়া যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে তরুণরা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে। তিনি আরও বলেন, যুবসমাজ জাগ্রত হলেই সমাজ পরিবর্তন সম্ভব। আগামী দিনের মানবিক ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সচেতন, দায়িত্বশীল ও জাগ্রত ছাত্র-যুবকদের বিকল্প নেই। একই সঙ্গে সুষ্ঠু রাজনীতির চর্চা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ছাত্র ও যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। হাজীপুরা স্টুডেন্ট ক্লাবের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার মৈশাতুয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির, মৈশাতুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মৈশাতুয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদ-ে লর আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম সুমন, ডেন্টাল চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব ডা. শাহজাহান মজুমদার, ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য মঞ্জুর রহিম প্রমুখ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সেলিম হাসনাত বিজয়, দ্বীন ইসলাম মজুমদার, ইকবাল হোসেন মুজাহিদ, মাহমুদুল হাসান রাহিম, সাইমন মিয়া, দেওয়ান সাদ্দাম ও ফারুক হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


অবৈধভাবে ভোট
কেনার জন্য ভোটারদের টাকা দিয়েছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক প্রার্থী। কিন্তু
তাতে লাভ হয়নি। নির্বাচনে হেরে যান তিনি। এরপরেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছ থেকে
টাকা ফেরত চাইতে শুরু করেন ঐ পরাজিত প্রার্থীর স্ত্রী। এর জন্য রীতিমতো খাতাকলম নিয়ে
বেরিয়ে পড়েন তিনি। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। বইছে সমালোচনার
ঝড়। ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে।
রাজ্যের পৌর
নির্বাচনে মাঞ্চেরিয়াল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ৯ নম্বর ডিভিশন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন বিজেপির প্রার্থী জাদি তিরুপতি। নির্বাচনে মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে কংগ্রেস
প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, ফল ঘোষণার পর গভীর হতাশায় তিরুপতি ও
তার পরিবারের সদস্যরা সেসব ভোটারের বাড়িতে যাচ্ছেন, যারা টাকার বিনিময়ে তাকে ভোট
দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ভিডিওতে দেখা
যায়, বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী রূপা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ঈশ্বরের নামে
শপথ করতে বলছেন তারা তিরুপতিকে ভোট দিয়েছেন কি না। অভিযোগ রয়েছে, যারা ভোট না দেওয়ার
কথা স্বীকার করেছেন, তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি দেওয়া ৩ হাজার রুপি ফেরত নেওয়া হচ্ছে।
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। কারণ নির্বাচনে প্রার্থীদের
পক্ষ থেকে ভোটারদের অর্থের প্রলোভন দেখানো নির্বাচনি বিধি ও গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থি।
ঘটনাটি তেলেঙ্গানার
স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে এবং নির্বাচনি স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর
প্রশ্ন তুলেছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে
নানা কর্মসূচি নেওয়া হলেও এই ভিডিওগুলোই বলে দিচ্ছে, তথাকথিত বিশ্বের সবচেয়ে বড়
গণতন্ত্রের দেশ ভারতে অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনা এখনো বাস্তবতা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অটোরিকশা চালক মাঈন উদ্দিন (১৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি রফিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে বুড়িচং থানাধীন ষোলনল ইউনিয়নের ভান্তি এলাকায় গোমতী বেড়িবাঁধের সুইচগেটের পশ্চিম পাশে মাঈন উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশ হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত মাঈন উদ্দিন ১৫ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে সাতরা চম্পকনগর এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। রাত ৮টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মোঃ রফিক (৪০) কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও থানায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরে ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মোঃ রফিক (৪০) গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার মাঠের হাট এলাকার মৃত ফখর উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সে জানায়, ১৫ নভেম্বর রাতে অটোরিকশা চালানোর সময় সে ও তার সহযোগীরা মাঈন উদ্দিনের পথরোধ করে দুই হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গেঞ্জি দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তারা অটোরিকশা থেকে পাঁচটি ব্যাটারি নিয়ে পালিয়ে যায়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ওপার বাংলার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার, পারিশ্রমিক এবং ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিজের কাজের মানের সঙ্গে আপস করতে রাজি নন, ঠিক তেমনি কম পারিশ্রমিকে অভিনয় করাও তার জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
মিমি বলেন, “আমি আগের চেয়ে অনেক বেশি ডিপ্লোম্যাটিক হয়ে গেছি, কিন্তু মুখের ওপর সত্যি কথা বলার অভ্যাস এখনও রয়ে গেছে। অনেকেই আমাকে কাজে ডাকেন না কারণ আমি পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে কোনো দরদাম করি না। আমি আমার কাজের ক্ষেত্রে শতভাগ নিবেদন দিই, তাই পারিশ্রমিকের বেলায় কেন আপস করব?”
তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকে ‘পুপে’ চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিলেন। মিমি জানিয়েছেন, “পুপে চরিত্রটি ছিল ঋতু দার মনের সৃষ্টি। সেই ম্যাজিক অন্য কারও পক্ষে সম্ভব নয়। আমি নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করি যে ক্যারিয়ারের শুরুতেই এমন একটি আইকনিক চরিত্রে অভিনয় করতে পেরেছি।”
মিমি আরও বলেন, “আমি এটা মেনে নিয়েছি যে ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনো প্রেমিক, বাবা বা বড় ভাই নেই যাদের প্রযোজনা সংস্থা আছে। তাই আমাকে যে অফারগুলো দেওয়া হয়, সেখান থেকেই আমি বেছে কাজ করি।”
মিমির বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, নিজের যোগ্যতা ও পেশাদারিত্বকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজস্ব পথ তৈরি করতে বিশ্বাসী।
মন্তব্য করুন