

এলপি
গ্যাস আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদনে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার
(৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়, আমদানি করা এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং স্থানীয়
পর্যায়ে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এর
আগে এলপি গ্যাস ক্রমবর্ধমান সংকট ও মূল্য অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন
পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে এলপি গ্যাস আমদানির
ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ ও এলসি (ঋণপত্র) খোলার প্রক্রিয়া সহজীকরণেরও উদ্যোগও নেওয়া হয়।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৮ জানুয়ারি ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায়
এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিনফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের
বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো
হয়। একই দিনে, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহে এলপিজি আমদানির জন্য ঋণ প্রাপ্তি ও এলসি খোলার
আবেদনসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি
দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
এনবিআরকে
পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত মোট এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের
মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প খাত ও গৃহস্থালি— উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত
হচ্ছে। সাধারণত, শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের
প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
চলতি শীত মৌসুমেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং এর সরাসরি
প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তার ওপর।
মন্তব্য করুন


আজ সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিপিএলের উদ্বোধন
ঘোষণা করেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)
শুরু হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর।
এ সময় ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
বলেন, আমরা একটা দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আজকের এই বাংলাদেশে আছি। আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ
গড়ার স্বপ্ন দেখছি। সেই নতুন বাংলাদেশের অংশ হিসেবে আমরা দেশের প্রতিটি সেক্টরে সংস্কারের
উদ্যোগ নিয়েছি। তারই অংশ হিসেবে বিপিএলটাকেও নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এবারের বিপিএলে থিম সং ও মাসকটসহ কিছু নতুন নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাঠের খেলাও যেন
উপভোগ্য হয়। সেজন্য বিসিবি অনেক কাজ করেছে। আজকের এই আয়োজনকে সফল করার জন্য ও একটি
সুন্দর বিপিএল সবাইকে উপহার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিসিবিকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের
এই উদ্যোগের সঙ্গে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা নিজেও সরাসরি যুক্ত ছিলেন। আশা করি এবারের
বিপিএলে নতুন বাংলাদেশের একটি নতুন বিপিএল হিসেবে সবার নিকট উপভোগ্য হবে।
মিরপুরে আজকের বিপিএল ফেস্টে বিসিবি
সভাপতি ফারুক আহমেদ ছিলেন মঞ্চে।
মন্তব্য করুন


আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে উপদেষ্টা পরিষদের ৩৭তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে এ বছরের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন অগ্রগতির প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৪১টি উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে ১৯৪টির সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়েছে। বৈঠক সমূহে গৃহীত ৩১৫টি সিদ্ধান্তের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে ২৪৭টি। বাস্তবায়ন হার ৭৮ দশমিক ৪১ শতাংশ, যা এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়। এছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতি বছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবসকে ‘গ’ শ্রেণির পরিবর্তে ‘খ’ শ্রেণির দিবস হিসেবে উদযাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
উক্ত
বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কেও উপদেষ্টা পরিষদে পর্যালোচনা হয়।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসছে।
নিয়োগ পদ্ধতি শিক্ষক নিবন্ধন সনদের পরিবর্তে সরাসরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া করবে সরকারি কর্ম কমিশনের আদলে গঠিত একটি কর্তৃপক্ষ।
তবে এ নিয়ে বর্তমানে আইন তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। এজন্য প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। আর উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বিজ্ঞপ্তির পর সনদের ভিত্তিতে আবেদন করলে আবেদনপত্রের ভিত্তিতে নিয়োগে সুপারিশ করে থাকে এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম মাসুদুর রহমান বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আইনটি পাস হলে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো নিবন্ধন সনদের দরকার হবে না। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর জন্য নতুন আইন তৈরি সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়।
শিক্ষক নিয়োগে নতুন আইন প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক অনুবিভাগ-২) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির কাজ চলমান। আশা করছি, আইনটি পাসের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদে তোলা হবে।
এদিকে এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নির্বাচন এবং নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সুপারিশ কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। তবে এই নতুন আইন কার্যকর হতে দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর এই সময় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগের নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে এনটিআরসিএর সনদধারীরা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন করলে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এ ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব-৩৫ বা নিবন্ধন সনদের মেয়াদ ৩ বছর রয়েছে এমন সব প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। ফলে অনেকেই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বয়স উল্লেখ থাকবে। এতে বঞ্চিত হতে হবে না কাউকে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন সনদ দিয়ে আসছে এনটিআরসিএ। প্রথম দশকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি। তবে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর এতে পরিবর্তন আসে। সনদ দেয়ার পাশাপাশি নিয়োগের জন্য সুপারিশের ক্ষমতা দেয়া হয় এনটিআরসিএকে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের
তফসিল ঘোষণার প্রাক্কালে তারেক রহমানের ‘শিগগিরই’ দেশে ফেরার বার্তা দিয়েছেন বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে কবে তিনি দেশের মাটিতে পা রাখবেন তা খোলাসা
করা হয়নি।
আজ
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপি আয়োজিত
‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে
দলের মহাসচিব এ কথা জানান। রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির
উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এই কর্মশালায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের
বিভিন্ন স্তরের নেতারা অংশ নিচ্ছেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আজ যেহেতু বাংলাদেশের সব এখানে উপস্থিত আছেন, আমাদের নেতারা উপস্থিত আছেন,
আমি আপনাদের জানাতে চাই, আমাদের নেতা শিগগিরই আমাদের মাঝে আসবেন। আমাদের নেতা যেদিন
আসবেন যেদিন বাংলাদেশে পা দেবেন, সেদিন যেন সমগ্র বাংলাদেশ যেন কেঁপে ওঠে। এই কথাটা
আপনাদের মনে রাখতে হবে… পারবেন তো। আমরা সেদিন গোটা বাংলাদেশের
চেহারাকে বদলে দিতে চাই।
মির্জা
ফখরুল বলেন, আমরা সামনের দিকে এগুতে চাই, প্রগতির দিকে এগুতে চাই। বাংলাদেশকে আমরা
একটা মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আমাদের নেতার যে চিন্তাভাবনা তাকে বাস্তবায়িত
করতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
উল্লেখ্য,
সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেদে ভাষণ দিয়ে এয়োদশ
সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন।
মন্তব্য করুন


বন্যার্তদের সেবায় নিঃস্বার্থ পেশাগত দায়িত্ব এবং অনন্য মানবিকতার দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করায় রোববার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪), সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, লেফটেন্যান্ট মো: বায়েজিদ বোস্তামী ও ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজনের সাথে সেনাসদরে সাক্ষাৎ পূর্বক ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান তাদের সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রাণিত করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর নবীন অফিসার লেফটেন্যান্ট মোঃ বায়েজিদ বোস্তামী এক উদাহরণস্বরূপ অবদান রেখেছেন। গত ২২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাতে তিনি প্রায় ৩৫০ জন এর অধিক বন্যার্তদের উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে ছিলেন শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা,বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি সহ অনেকেই।
এছাড়া ল্যান্স কর্পোরাল (গানার) কাজী সুজন ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ভুজপুর এলাকায় বন্যার্তদের উদ্ধারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গত ২৩ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যার্তদের উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত হয়ে নিজ হাটুকে সিঁড়ি বানিয়ে অসুস্থ,গর্ভবতী মহিলাদের ট্রাকে উঠতে সহায়তা এবং বন্যা কবলিত এলাকায় অসহায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীফ অব জেনারেল স্টাফ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী; জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া এবং উক্ত সেনা সদস্যদের অধিনায়কগণ।
তরুণ সেনা সদস্যগণের মতোই দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্য কাজ করে যাচ্ছে দেশবাসীর সেবায়। তারুণ্যের এই সহমর্মিতা ও মানবতাবোধ হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস।
মন্তব্য করুন


আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এসময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, শ্রীলঙ্কা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকার অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার সকাল ৬টায় একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
মন্তব্য করুন


রমজান
মাসে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্কুল খোলা
রাখার ব্যাপারে আগের জারি করা প্রজ্ঞাপনও স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের
করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আজ এ আদেশ দেন।
রবিবার
(১০ মার্চ) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ
আদেশ দেন।
এর
আগে রমজানের প্রথম ১৫ দিন মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল এবং প্রথম দশ দিন প্রাথমিক
স্কুল চালু রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে রমজানের
প্রথম ১০ দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ক্লাস চলবে। জোহরের নামাজের জন্য
সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।
অন্যদিকে
রমজান উপলক্ষ্যে ৭ মার্চ থেকে সারা দেশের সব মাদরাসা ছুটি শুরুর কথা ছিল। তবে স্কুল-কলেজে
ছুটি ঘোষণার পর মাদরাসার ছুটির তালিকাও সংশোধন করে সরকার। এতে ১৫ দিন ছুটি কমানো হয়।
সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদরাসায় ক্লাস-পরীক্ষা ২১ মার্চ পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়।
দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং বেসরকারি ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল
মাদ্রাসায় শ্রেণি কার্যক্রমও চলবে বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত,
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১১ বা ১২ মার্চ পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটের সুবিধা পাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ বাড়ায় ইতোমধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এক লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৪ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রকাশিত আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসির তথ্যমতে, নিবন্ধনকারীদের মধ্যে এক লাখ ৭৪ হাজার ৯০৯ জন পুরুষ এবং ১৮ হাজার ৯৬৫ জন নারী ভোটার। এর মধ্যে দেশভিত্তিক হিসেবে সর্বোচ্চ ৩৮,২৬৯ জন নিবন্ধন করেছেন সৌদি আরব থেকে, আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিবন্ধন করেছেন ১৯,২৭১ জন প্রবাসী।
এদিকে সঠিক ঠিকানা প্রদানের বিষয়ে প্রবাসীদের সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসি জানায়, ভোটার নিবন্ধনের সময় অবস্থানরত দেশের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা প্রদান অত্যন্ত জরুরি। ভুল ঠিকানা দিলে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে অ্যাপের এডিট মেন্যু ব্যবহার করে তা সংশোধন করতে হবে; না হলে ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো সম্ভব হবে না।
ওসিভি–এসডিআই প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমদ খান জানান, অ্যাপভিত্তিক এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া প্রবাসী ভোটারদের জন্য একটি যুগান্তকারী সুযোগ তৈরি করেছে। পাশাপাশি ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, প্রবাসীদের উচ্চ আগ্রহের কারণে নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
প্রবাসীদের পাশাপাশি দেশেও চালু হতে যাচ্ছে ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং (আইসিপিভি)। তফসিল ঘোষণার পর ১৫ দিনের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা, আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার এবং নিজ এলাকায় উপস্থিত না থাকা সরকারি চাকরিজীবীরা এ প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন করতে পারবেন।
গত ১৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন এবং ১৪৮টি দেশে ভোটার নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করেন। নিবন্ধনের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেই দেশের মোবাইল নম্বর এবং সঠিক ঠিকানা প্রদান বাধ্যতামূলক। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আজ
বৃহস্পতিবার ( ২৫ ডিসেম্বর ), খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন।
ধর্মীয়
বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিনেই ফিলিস্তিনের বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক
যিশুখ্রিষ্ট। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায় প্রার্থনা, ধর্মীয়
আচার ও আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও
আজ বড়দিন উদযাপন করা হচ্ছে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে। এ উপলক্ষ্যে দেশে
সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। খ্রিষ্টান ধর্মানুসারীরা গির্জায় বিশেষ প্রার্থনার পাশাপাশি
পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন।
বড়দিন
উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গির্জাগুলো সাজানো হয়েছে নতুন রূপে।
আলোকসজ্জা, ফুল, ব্যানার ও ধর্মীয় প্রতীকে গির্জাগুলো উৎসবের আবহে সজ্জিত করা হয়েছে।
গত সন্ধ্যা থেকেই অনেক গির্জা ও স্থাপনায় আলোর ঝলকানি বড়দিনের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত
করে তুলেছে। খ্রিষ্টান পরিবারগুলোতেও বড়দিনকে ঘিরে রয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। ঘরে ঘরে
তৈরি হচ্ছে কেক ও ঐতিহ্যবাহী খাবার। পরিবারের সদস্যদের একত্রে সময় কাটানো, খাওয়াদাওয়া
ও আনন্দ উপভোগ বড়দিনের অন্যতম অনুষঙ্গ। অনেক এলাকায় ধর্মীয় সংগীত ও প্রার্থনাসভা আয়োজন
করা হয়েছে, যেখানে অংশ নিচ্ছেন খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। অনেকেই আত্মীয়স্বজনের
সঙ্গে সময় কাটাতে রাজধানী ও বড় শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। পরিবারকেন্দ্রিক এই
আনন্দই বড়দিনের উৎসবকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
রাজধানীর
বিভিন্ন স্থানে বড়দিনের আমেজ চোখে পড়ছে। ক্রিসমাস ট্রি, শান্তা ক্লজ ও আলোকসজ্জায় সেজেছে
বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনা। বড়দিনের আগের রাতে অনেক গির্জায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা
হয়। আজ সকালেও বিভিন্ন গির্জায় বড়দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে শান্তি, সৌহার্দ্য
ও মানবকল্যাণ কামনা করা হয়।
খ্রিষ্টানদের
বিশ্বাস অনুযায়ী, যিশুখ্রিষ্ট মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে পৃথিবীতে
আগমন করেছিলেন। তাঁর শিক্ষা মানবপ্রেম, ক্ষমা, সহনশীলতা ও শান্তির বার্তা বহন করে।
বড়দিনে সেই শিক্ষার আলোকে সমাজে মানবিকতা ও ন্যায়বোধ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা
হয়।
ঢাকার
গির্জাগুলোতে বড়দিনের প্রস্তুতি চোখে পড়ার মতো। তেজগাঁওয়ের পবিত্র জপমালা রানীর গির্জা
ও মোহাম্মদপুরের সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চে করা হয়েছে বিশেষ সাজসজ্জা।
পবিত্র
জপমালা রানীর গির্জায় আজ সকাল সাতটা ও নয়টায় এবং সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চে সকাল আটটায়
বড়দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব প্রার্থনায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। গির্জায় আগত
যিশুভক্তরা জানান, তারা প্রার্থনা ও ধর্মীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শান্তি, ভালোবাসা ও মানবতার
আহ্বান জানাচ্ছেন। অনেকে নীরবে মোমবাতি জ্বালিয়ে যিশুখ্রিষ্টের আদর্শ স্মরণ করছেন।
সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চের পাল পুরোহিত ফাদার কাজল পিউরিফিকেশন বলেন, এবারের বড়দিনে বিশ্ব ও দেশের শান্তির জন্য প্রার্থনা করা হচ্ছে, যা সব ধর্মের মানুষের কল্যাণ কামনায় নিবেদিত। পবিত্র জপমালা রানীর গির্জার পুরোহিত ফাদার জয়ন্ত এস গোমেস বলেন, যিশুখ্রিষ্ট প্রান্তিক মানুষের মর্যাদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই এবারের প্রার্থনার মূল বিষয়।
বড়দিন
উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক
বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ,
যেখানে সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে। তিনি এই সৌহার্দ্য আরও
দৃঢ় করে দেশ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা তাঁর বাণীতে যিশুখ্রিষ্টকে মানবজাতির মুক্তির দূত ও আলোর দিশারি হিসেবে অবহিত
করে বলেন, যিশু শান্তি, সত্য ও ন্যায়ের বাণী প্রচার করে গেছেন। তিনি খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের
দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার
আহ্বান জানান।
শুভ
বড়দিন শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি মানবতা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির প্রতীক, যা সমাজে
শান্তি ও সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠায় মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
গত ১৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ হতে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সেনা অঞ্চলের মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১১ পদাতিক ডিভিশন দল চ্যাম্পিয়ন এবং ২৪ পদাতিক ডিভিশন দল রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় ১১ পদাতিক ডিভিশন এর কর্পোরাল মোঃ সোলাইমান তনু শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এবং ১১ পদাতিক ডিভিশন এর এনসি (ই) রবিন চন্দ্র দাস শ্রেষ্ঠ নবীন খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং চট্টগ্রাম সেনানিবাসের সকল অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার এবং অন্যান্য পদবীর সৈনিকবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যামের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে শারীরিক সক্ষমতা, খেলাধুলার মান উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় সুলভ মনোভাবের বিকাশ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরো মজবুত হবে।
মন্তব্য করুন