

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ককটেল বিস্ফোরণে একটি বসতঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ঘটনায় সোহান বেপারী (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে একটি বসতঘরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘরটির দেয়াল ও চালা সম্পূর্ণ উড়ে যায়। খবর পেয়ে জাজিরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে একটি ফসলি জমিতে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পরে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি ওই গ্রামের দেলোয়ার বেপারীর ছেলে সোহান বেপারী। বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হন।
পুলিশ জানায়, গত রবিবার বিলাসপুর ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বিরোধের জেরে এলাকায় একাধিকবার সহিংসতা ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও গত বছরের ৫ এপ্রিল ও ২ নভেম্বর বিলাসপুরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করে।
নিহতের বোন মাজেদা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় নাসির বেপারীর সঙ্গে তাঁর ভাই সোহান বেপারীর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের কারণে সোহান বাড়িতে থাকতে পারতেন না এবং আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার রাত ১১টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন সকালে তাঁর মরদেহ পাওয়ার খবর পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ বলেন, বিস্ফোরণে একটি ঘরের বেড়া ও চালা উড়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরে স্প্লিন্টারের আঘাত রয়েছে। বিস্ফোরণের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ,
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা
রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। অকারণে
হর্ন বাজানোটা আমাদের বদভ্যাস। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি
বলেন, শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। শুধু সরকারের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে
না।
আজ
রবিবার ( ২৫ জানুয়ারি ) বিমান বন্দর এলাকায় ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ
কর্মসূচি’ বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি
ও সিভিল এভিয়েশনের-এর সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে
আয়োজিত সমাবেশে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের
সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা
বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা শুধু হর্ন এর উপরে জোর দিচ্ছি। কোন অজুহাতেই হর্ন বাজানো যাবেনা।
তিনি বলেন, অন্যান্য আইন ভাঙ্গলে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পুলিশ যেভাবে গাড়ির ব্যাপারে
দণ্ড আরোপ করে, একইভাবে হর্নের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন এবিষয়ে ‘শব্দ দূষণ
(নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’-হয়েছে। পুলিশকেও একাজে সম্পৃক্ত করা
হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ বেশকিছু তরুণকে একাজে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তারা এখন অফিসিয়ালি
ট্রাফিক পুলিশের অংশ। সিভিল এভিয়েশন বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে ভলেন্টিয়ারদের
সহায়তায় কার্যক্রম শুরু করতে পারে। বিমানবন্দর এলাকা হর্নমুক্ত করে আমরা উদাহরণ একটা
উদাহরণ তৈরি করতে পারি।
উপদেষ্টা
জানান, উচ্চশব্দের কারণে শতকরা ৬৫ ভাগ ড্রাইভার ঢাকা শহরে কানে কম শুনেন। একটা বাচ্চা
যখন স্কুলে যায় হর্নের আওয়াজ তার জন্য খুবই অস্বস্তিকর। জাতিগতভাবে আমাদের সকলকে দায়িত্ব
নিতে হবে। উপদেষ্টা জনগণকে সচেতন করায় এগিয়ে আসতে গণমাধ্যমকর্মীদের আহ্বান জানান। তাদেরকে
স্বপ্রণোদিত হয়ে, নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।
সচিব
ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যে বিধিমালাটি করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে
সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সমাবেশে
আরো বক্তব্য রাখেন ডিএনসিসি-র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত
পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস
মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের
প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এছাড়া, পরিবেশ
অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও সিভিল এভিয়েশনের ঊর্ধতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও রোগমুক্তি কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য, কুমিল্লা–৬ আসনের জননেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের উদ্যোগে শনিবার বিকালে নগরীর কান্দিরপাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়ার আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত হয়ে দেশনেত্রীর দীর্ঘায়ু ও দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেন।
মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, মাবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবুর রহমান দুলাল ও আতাউর রহমান ছুটি। এছাড়াও মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিব, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমানসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক, যিনি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করেছেন বাংলাদেশের মানুষের অধিকার, ভোটের মর্যাদা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের পক্ষে সংগ্রাম করে। বর্তমানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতা ও শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রতিটি ঘরে ঘরে দোয়ার আহবান জানানো হয়।
এসময় দলের কর্মী–সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে প্রার্থনায় অংশ নেন। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মানুষকে দেশনেত্রীর সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা–৬ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন এর উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এর উদ্যোগে দেশনেত্রীর জন্য নানা স্থানে দোয়া মাহফিল, কোরআন খতম এবং স্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোলিশ পর্যটকের পানিতে পড়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই পর্যটকের দাবি, তিনি গুগল ম্যাপ অনুসরণ করতে গিয়েই ওই ঘটনা ঘটে।
ইতালির ভেনিস ভ্রমণে গিয়েছিলেন ভিক্টোরিয়া গুজেন্ডা নামের এই তরুণী। ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়। তিনি মুঠোফোনে মনোযোগী অবস্থায় সিঁড়ি বেয়ে নামছেন— এমন সময় ভারসাম্য হারিয়ে সোজা খালের পানিতে পড়ে যান। পরবর্তী দৃশ্যে দেখা যায়, তার পা কিছু জায়গায় ছড়ে গেছে।
ভিডিওতে লেখা ছিল, আপনি আছেন ভেনিসে, কিন্তু গুগল ম্যাপ বলে আগে বাড়ো।
নেটিজেনদের মধ্যে ভিডিওটি নিয়ে হাস্যরস ছড়িয়ে পড়ে। একজন মন্তব্য করেছেন, পানির দিকে হাঁটতে থাকলে কি হবে ভেবেছিলেন!
আরেকজন লেখেন, অন্ধের মতো গুগল ম্যাপ অনুসরণ বন্ধ করে একটু চারপাশে তাকানো ও মাথা খাটানোর চর্চা করা উচিত।
এক ব্যবহারকারী কিছুটা সহমর্মিতা দেখিয়ে বলেন, স্পষ্টতই সে শেষ ধাপে থামতে চেয়েছিল, কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে গেছে।
অবশ্য ব্যবহারকারীদের অধিকাংশই মনে করেন, দুর্ঘটনায় গুগল ম্যাপের দোষ নেই— বরং আসলে ছবি তুলতে গিয়ে পিছলে পড়েছেন ওই পর্যটক।
ভেনিসের ভ্রমণ সংস্থাগুলো বহুদিন ধরেই গুগল ম্যাপের বিভ্রান্তিকর নির্দেশনা নিয়ে সতর্ক করে আসছে। ভেনিসের বিন্যাস অধিকাংশ শহরের চেয়ে কিছুটা আলাদা। এখানে রয়েছে জটিল সেস্তিয়েরি বা অঞ্চলব্যবস্থা এবং এলোমেলোভাবে সাজানো নম্বরিং— যা প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটকদের জন্যও পথ খোঁজা কঠিন করে তোলে।
এছাড়া শহরের বৈশিষ্ট্য মানচিত্রে পুরোপুরি ফুটে ওঠে না। ভ্রমণবিষয়ক সাইট ‘ট্যুর লিডার ভেনিস’ জানিয়েছে, গুগল ম্যাপ প্রায়ই এমন রাস্তায় পর্যটকদের নিয়ে যায় যেগুলো আদৌ নেই, বা খালের কারণে বন্ধ। অনেকে শেষমেষ খালের ধারে দাঁড়িয়ে বুঝতে পারেন, মানচিত্রে দেখানো মোড়টি আসলে পানির
নিচে।গুগল ম্যাপ পানির উচ্চতার ওঠানামাও হিসেবে আনে না, ফলে অনেক পথ হঠাৎ করেই অচল হয়ে পড়ে।
তাই অনেক ভ্রমণ গাইড পরামর্শ দিচ্ছে, ভেনিস ভ্রমণে গুগল ম্যাপের বদলে স্থানীয় গাইড, কাগজের মানচিত্র বা শহরভিত্তিক বিশেষ নেভিগেশন অ্যাপ ব্যবহার করাই নিরাপদ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন-পরবর্তী
সময়কালে শান্ত ও শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন প্রধান ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট
উইলিয়াম নানা আকুফো আদো।
আজ
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন পরবর্তী এক প্রেস
ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রেস
ব্রিফিংয়ে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন প্রধান ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম
নানা আকুফো আদো বলেন, কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে উত্তেজনার
বিচ্ছিন্ন ঘটনা লক্ষ্য করেছে। আমরা সব অংশীদারদের নির্বাচন-পরবর্তী সময়কালে শান্ত
ও শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখা এবং প্রাসঙ্গিক আইনি মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তি
করার জন্য উৎসাহিত করি।
মিশন
প্রধান বলেন, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত
হওয়ার জন্য আমি বাংলাদেশের জনগণ, নির্বাচন কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং
অন্তর্বর্তী সরকারসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করি।
তিনি
বলেন, পরবর্তী সময়ের নির্বাচনী চক্রের দিকে তাকিয়ে, আমরা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে
নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা পরিচালনা করার জন্য উৎসাহিত করি, যাতে ভালো অনুশীলনের
লক্ষ্যে সব পর্যবেক্ষকের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আমরা আমাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের
সুপারিশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি উপযুক্ত অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বিবেচনা
করার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানাই। আমরা কমনওয়েলথ সচিবালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক
অংশীদারদেরও এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন করার জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানাই।
কমনওয়েলথ
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন প্রধান বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য
তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছে। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতে ভাগাভাগিতে
উদার এবং ঐক্যবদ্ধ হতে উৎসাহিত করি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
এ সময় কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ মোল্লা টিপু , সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব ও কুমিল্লার তরুণ বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাজী ইয়াছিনকে বিএনপির ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আপনার নেতৃত্বে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রত্যেক প্রার্থী যেন বিজয়ী হয় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাজী ইয়াছিনকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সব কয়টি সংসদীয় আসনের সমন্বয়ক হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এ কথা নিশ্চিত করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড মুহাম্মদ ইউনূস বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্যে মাইলস্টোন স্কুলের কাছে উত্তরা ১২ নম্বরে সিটি কর্পোরেশনের কবরস্থানে জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
পরবর্তী সময়ে এই কবরস্থান তাঁদের স্মৃতি রক্ষার্থে সংরক্ষণ করা হবে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
(সূত্র-বাসস )
মন্তব্য করুন


আগামী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ
ইউনূসকে অবহিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ
রোববার ( ০৭ ডিসেম্বর ) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমিশনারগণ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে
সাক্ষাৎ করে নির্বাচন আয়োজনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।
বৈঠকে
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত
ছিলেন।
জাতীয়
নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন
মিয়াও বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকে সিইসি নাসির উদ্দিন জানান, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সব
ধরনের প্রস্তুতি সঠিক ও সুন্দরভাবে এগোচ্ছে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন
ও একই দিনে গণভোট আয়োজনের জন্য কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রস্তুতিকালে ইসিকে পূর্ণ
সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন
কমিশনাররা।
নির্বাচনের
প্রস্তুতিকালে সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও
প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে ধন্যবাদ জানান।
তিনি
বলেন, ইতোমধ্যে নাগরিকরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছেন, যা দেশে নির্বাচনী
আমেজ সৃষ্টি করেছে।
এ
সময় নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সুষ্ঠু
ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে
সরকার।’
তিনি
বলেন, ‘জাতির জন্য প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে আপনারা (ইসি) চালকের আসনে আছেন। আমাদেরকে
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতেই হবে।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতিকে আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয়ে
এগিয়ে চলছি।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বিদেশে কর্মসংস্থানে দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার
নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত
কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর অতিরিক্ত প্রেস
সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি
জানান, ‘বৈঠকে বেকার যুবক-যুবতীদের বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে
দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি দেশী-বিদেশী শিক্ষকদের সমন্বয়ে দেশের ভাষা শিক্ষা
কেন্দ্র খুলতে বলেছেন। যাতে বেকার যুবক-যুবতীরা বিভিন্ন দেশের ভাষা শিখে দেশে চাকুরির
সুযোগ পায়।’
দুপুরে
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এই বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কিভাবে
বিদেশে কর্মসংস্থানের দ্রুত সুযোগ সৃষ্টি করা যায় এবং তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা
হয়।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল
হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন, মুখ্য
সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ উধর্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত
ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে যাতে কাউকে নিজের
সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে যেতে না হয় সেজন্য স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থা এবং ঋণ
পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজীকরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা
নিতে বলেছেন।
তিন
আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই
ঢাকা
হয়রত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান
বন্দর ও সিলেটে এমএজি ওসমানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালে অন্যান্য উন্নত দেশের
বিমান বন্দরের মতো ফ্রি ওয়াইফাই চালু করতে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীকে নির্দেশ
দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান অতিরিক্তি প্রেস সচিব।
‘ঢাকা-১৭ আসনে ভঙ্গুর মন্দির সংস্কার’
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান তার নিজ নির্বাচনী আসনে দেয়া প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন
বলেও জানান অতিরিক্তি প্রেস সচিব।
তিনি
জানান নির্বাচনের প্রচারণার সময়ে ঢাকা-১৭ আসনে মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে কাছে সনাতন
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি মন্দির রয়েছে তা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপি
চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই মন্দিরের সংস্কার কাজ আগামী শনিবার শুরু করতে বলেছেন তিনি।
আগামী
শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকার দুই সিটির প্রশাসক যথাক্রমে আবদুস সালাম ও শফিকুল ইসলাম মিল্টন
এবং ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচন সমন্বয়কারী অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার এতে
উপস্থিত থাকবেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ
প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার দেশে
প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীতে মানুষের ঢল নেমেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল
থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে
রওনা দেন দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ ছাড়া লাখ লাখ নেতাকর্মী জড়ো হন রাজধানীর ৩০০
ফিটে।
তারেক
রহমান রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ইতিমধ্যে
তিনি বিমানবন্দর থেকে সেখানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য
রাখবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
জানা
গেছে, তারেক রহমান সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় থাকা তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
তার
আগমন উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় নিরপাত্তা জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা
বাহিনী। হাসপাতালের সামনে থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের।
এভারকেয়ারের
সামনে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, ভোর ৫টা থেকেই অনেকে এখানে অবস্থান শুরু করেছেন।
দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা এখানে অবস্থান নিয়েছেন।
বিএনপির
ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী এমএ কাইয়ুমের অনুসারী মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মায়ের
কোলে ছেলে ফিরে আসছে। এতে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরা না পুরো দেশবাসী খুশি। দলীয় নির্দেশনা
অনুযায়ী আমরা ভোর ৫টা থেকে এখানে অবস্থান নিয়েছেন।
আজ
সকাল থেকে এভারকেয়ারের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে বাড়তে
শুরু করে নেতাকর্মীদের ভিড়। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালের মূল ফটকের প্রায় ১০০ মিটার
এলাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে নেতাকর্মীদের অনেক রাস্তার একপাশে অবস্থান নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা সবাই আমার মা’র
জন্য দোয়া করবেন।
তারেক
রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম
খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’
তিনি
বলেন, ‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা,
বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক
পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’
‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী
মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার,
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক;
এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা
জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের
শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস,
সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।’
তিনি
বলেন, ‘দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের
মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ
ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয়
হয়ে থাকবে।’
তারেক
রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর
আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’
মন্তব্য করুন