

মো. মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
আসন্ন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ভোরের কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. রাকিবুল হাসান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব কার্যালয়ে বিশেষ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেন তিনি।
কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়তুষ পোদ্দারের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক জিসান আহমেদ নান্নু’র পরিচালনায় এসময়, কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন, মানিক ভৌমিক, সহ-সভাপতি মফিজুল ইসলাম বাবুল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য কাজী এনামুল হক শামীম, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সোহেল মাহমুদসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
নীলফামারী জেলার সদরে সম্পত্তির ভাগ না পাওয়ায় বাবার কবরে শুয়ে মরদেহ দাফনে বাধা দিয়েছে নিহত ব্যক্তির আপন ছেলে।
শুক্রবার দুপুরে সদরের চাওড়া সরঞ্জাবাড়ি ইউনিয়নের বাটুল টারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মৃত ব্যক্তির তৃতীয় ছেলে নওশাদ আলী, বাবার মরদেহ দাফন ঠেকাতে কবরে শুয়ে পড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, চাওড়া সরঞ্জাবাড়ি ইউনিয়নের বাটুল টারি গ্রামের বাসিন্দা চার সন্তানের জনক মজিবর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে হটাৎ মজিবর রহমান মারা যান। তবে মৃত্যুর পূর্বে নওশাদ আলী ছাড়া মজিবর রহমান বাকি তিন ছেলেকে সব সম্মত্তি লিখে দেন। ফলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃতীয় সন্তান নওশাদ। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবার মরদেহ দাফনে বাধা দেন তিনি। পরে পুলিশেই সহযোগিতায় মরদেহ দাফন করেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কবির শাহ বলেন, মৃত্যু মজিবর রহমান এর তৃতীয় ছেলেকে জমি লিখে না দেওয়ার কারণে তৃতীয় ছেলে বাবার দাফনে বাধা দেয়। পরে স্থানীয়রা সবাই মিলে পুলিশের সহায়তায় অন্য জায়গায় কবর খুড়ে মরদেহ দাফন করা হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অন্য জায়গায় কবর খুড়ে দাফন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রবল বর্ষণের কারণে কক্সবাজারের উখিয়ার
৪টি রোহিঙ্গা শিবিরে পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮ জন রোহিঙ্গা ও একজন
স্থানীয়।
বুধবার (১৯ জুন) ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, উখিয়ার বালুখালীর ৮ নম্বর
রোহিঙ্গা শিবিরের মো: আনোয়ারের ছেলে মো: হারেজ (৫), ৯ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাসরত
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া কেরানীহাটের আলী জহুরের ছেলে মো: হোসেন আহম্মেদ (৫০), একই শিবিরের
রোহিঙ্গা আলী জোহারের মেয়ে আনোয়ারা বেগম (১৮), জামালের ছেলে মো. সালমান (৩), ১০ নম্বর
বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরের আবুল কালাম (৫৭), মতির রহমানের মেয়ে সলিমা খাতুন (৪২), আবুল
কালামের ছেলে আবু মেহের (২৪), শরিফ হোসেনের মেয়ে জানু বিবি (১৯) ও থাইংখালীর ১৪ নম্বর
রোহিঙ্গা শিবিরের শাহা আলমের ছেলে আব্দুল করিম (১২)।
কক্সবাজার অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ
ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো: শামসু দ্দৌজা বলেন, প্রবল বর্ষণের কারণে উখিয়ার ৪টি রোহিঙ্গা
শিবিরে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ৮ জন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় বাসিন্দা মারা গেছেন।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
কালিয়াকৈরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজ শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে নিহতের
২ ভাই ও ২ ভাতিজাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১।
মঙ্গলবার
সকালে র্যাব-১ এর স্পেশালাইজড কোম্পানি গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার
মেজর মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
জানা
যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ঢালজোড়া ইউনিয়নের সাজনধারা
এলাকার কলেজ শিক্ষক রেজা সাইদ আল মামুনকে (৫৩) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত মামুন কালিয়াকৈরের
সাজনধারা গ্রামের এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে। নিহত ব্যক্তি কালিয়াকৈরের চন্দ্রা
এলাকায় অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক
হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গ্রেফতারকৃত
আসামিরা হলো: হত্যা মামলার প্রধান আসামি নিহতের ছোট ভাই মো: মজিবর রহমান (৫০), তার
ছেলে মো: সুমন (২৮) ও মো: সিজান (২০) এবং নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ আলী (৬৫)।
মেজর
মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের সঙ্গে নিহত কলেজ শিক্ষকের মধ্যে দীর্ঘদিন
ধরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে গত ২৮ জানুয়ারি বিকাল সোয়া
৩ টার দিকে আসামিরা কালিয়াকৈরের সাজনধারা এলাকায় তাদের চাষকৃত ধানী জমিতে আগাছা পরিষ্কার
করা জন্য পৌঁছালে তার কিছুক্ষণ পর কলেজ শিক্ষক রেজা সাইদ আল মামুনও তার চাষকৃত ধানী
জমিতে যান। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামিরা কাঠের লাঠি, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সজোরে আঘাত করে
মামুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে আসামিরা নিহতের
বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করাসহ হুমকি-ধামকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ২৯ জানুয়ারি নিহতের
স্ত্রী হাসিনা আক্তার বাদী হয়ে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানায় চারজনকে আসামি করে মামলা
দায়ের করেন। হত্যা মামলার হুকুমদাতা হিসেবে এজাহারনামীয় আসামি মোহাম্মদ আলিকে (৬৫)
হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। পরে তাকে থানা পুলিশের
কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ৩০ জানুয়ারি ভোররাতে র্যাব-১ তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে
ও গোপন সূত্রে জানতে পারে, মামলার আসামি মো: মজিবুরসহ অন্য আসামিরা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের
কোনাবাড়ি থানার জয়েরটেক এলাকায় আত্মগোপনে আছে। র্যাব এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে তাদের
গ্রেফতার করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আয়োজনে শিক্ষকদের নিয়ে ' সিলেক্টেড কোয়ালিটেটিভ রিসার্চ মেথডস' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর ) দুপুর সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল রুমে প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
প্রধান অতিথি ও কর্মশালার প্রশিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা জরুরি। সেটা ব্যক্তিগত সম্পর্কে হোক, যৌথ গবেষণা বা সাহায্যের মাধ্যমেই হোক আমাদের মধ্যকার সম্পর্ক শক্তিশালী করা দরকার। অর্থাৎ আমাদের রিজিওনাল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ওভারঅল র্যাংকিং-এ টিকে থাকার প্রধান উপায় হচ্ছে পরস্পরকে সাহায্য করা। এটার জন্য আপনাকে আমার দরকার, আমাকে আপনার দরকার। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগটা সবসময় থাকবে।
বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, কোয়ানটিটেটিভ রিসার্চ করতে এআই অনেক এগিয়ে গেছে। তাই কোয়ালিটেটিভ রিসার্চে হিউমেন ইনভলবমেন্টা বেশি জরুরি। হিউম্যান বিষয়বস্তুগুলো আইডেন্টিফাই করে সেগুলো যথাযথ বিশ্লেষণ করা জরুরি। সেজন্য আমাদের আজকের সেশনটি খুবই দরকারি।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, 'রিসার্চ করার ক্ষেত্রে আমরা কোয়ালিটেটিভ রিসার্চই বেশি করি। কোয়ালিটেটিভ রিসার্চের মাধ্যমে মানুষের চিন্তাভাবনা, মনোভাব, সমাজব্যবস্থা এবং সামাজিক বাস্তবতা বিষয়গুলো খুব সহজে বের করে আনা যায়, কিন্তু কোয়ান্টিটিভ রিসার্চে মানুষ ডাটা কালেকশনে সাপোর্ট কম দেয়। বর্তমান সময়ে মিক্সড মেথডটা খুব জনপ্রিয়। কিন্তু আমাদের কোয়ালিটেটিভ রিসার্চের ডাটা কালেকশন এবং এনালাইসিস এ গ্যাপ রয়েছে। আজকের সেশন করার পর আমরা আরও উদ্বুদ্ধ হবো।'
কর্মশালা অনুষ্ঠানের সভাপতি ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হায়দার আলী বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এখন থেকে শিক্ষক নিয়োগের পর তাকে আগে এক সপ্তাহব্যাপী টিচিং এন্ড লার্নিং প্রশিক্ষণ নিতে হবে, যেখানে শিক্ষকতা ন্যূনতম নিয়ম-কানুন শিখানো হবে। এছাড়া একাডেমিক অনেষ্টি সম্বন্ধে শিক্ষা দেওয়া হবে। তারপর ক্লাসে যাবেন। আজকের কোয়ালিটেটিভ রিসার্চের এই সেশনের সাকসেস কামনা করছি এবং যারা অংশগ্রহণ করেছেন আশা করি সবাই ভালোকিছু শিখতে পারবেন।'
কর্মশালায় কো-অর্ডিনেটর হিসেবে ছিলেন আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. খলিফা মোহাম্মদ হেলাল। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রুবেল মিয়া স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য
কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই কবিরাজ চিকিৎসার নামে তার স্ত্রীকে সম্ভ্রমহানি
করেন। এমন সন্দেহে কবিরাজকে গলা কেটে হত্যা করেন রুবেল মিয়া।
চুয়াডাঙ্গার কবিরাজ রাজ্জাক শেখ রাজাই
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মূল আসামি হিসেবে রুবেল ও সহযোগী হিসেবে সোহেল রানাকে
গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য
জানিয়েছেন।
নিহত আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজাই আলী
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের সুবদিয়া গ্রামে কাচারীপাড়ার মরহুম দেসের
আলীর ছেলে। তিনি কবিরাজি পেশায় যুক্ত ছিলেন এবং চাষাবাদ করতেন। নিহতের ভাইপো সানোয়ার
হোসেন এ হত্যাকাণ্ডের পর চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় একটি মামলা করে।
জানা যায়, শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যা
সাড়ে ৭টার দিকে রাজাই কবিরাজ জিনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে রুবেল ও তার স্ত্রীকে
সদর উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর ব্রিজের পাশে পান বরজের কাছে নিয়ে যায়।
এরপর রুবেলকে সিগারেট আনতে দোকানে পাঠায়। কিছুক্ষণ পর রুবেল ফিরে এসে তাদের না পেয়ে
তার স্ত্রীর মোবাইল ফোনে কল দিয়ে সেটা বন্ধ পায়। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ৩৫-৪০ মিনিট
পর রাজাই কবিরাজ ও তার স্ত্রী পানবরজের কাছে ফিরে আসলে, রুবেল তার স্ত্রীকে দেখে সন্দেহ
করে। পরে রুবেল বাড়ি ফিরে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, সে কান্নাকাটি করে বলে যে,
রাজাই কবিরাজ তার সম্ভ্রমহানি করেছে। এটা জানার পর রুবেল তার সহযোগী সোহেল রানাকে নিয়ে
বাড়ি থেকে বের হয়। রাজাই কবিরাজকে তার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রীর জিন তাড়ানোর কথা বলে কৌশলে
সুবদিয়া ভুট্টা ক্রয় কেন্দ্রের সামনে থেকে মোটরসাইকেলে বসিয়ে কালীভান্ডারদহের দিকে
নিয়ে যায়। এ সময় মোটরসাইলের পেছনে বসা রুবেল তার হাতে থাকা ধারাল ছুরি দিয়ে রাজাই কবিরাজের
গলায় পোঁচ দিয়ে তাকে মোটরসাইকেল থেকে নির্জন রাস্তায় ফেলে দেয় এবং তার মৃত্যু নিশ্চিত
করে। মরদেহটি রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে গাছপালা দিয়ে ঢেকে দিয়ে তারা বাড়ি ফিরে যায়।
পুলিশের তদন্তের পর আলোচিত কবিরাজ হত্যাকাণ্ডের
ঘটনাটি গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে এভাবেই তুলে ধরেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর
রহমান।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকর চন্দ্র
ইউনিয়নের কালিভান্ডারদহ পিরতলি মাঠ থেকে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজাই আলী (৪৮) নামের
এক কবিরাজের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের দিনই পুলিশি তদন্তে হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।
এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত রুবেল মিয়া ও সোহেল রানাকে আটক করেছে পুলিশ। তারা আদালতের বিচারকের
কাছে তাদের দোষ স্বীকার করে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত।
মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুর ১টায় চুয়াডাঙ্গা
পুলিশ সুপার কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে
জানান, চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-১ বিচারক রিপন হোসেনের কাছে স্বেচ্ছায়
জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করে পুলিশের কাছে আটক চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুবদিয়া
পূর্বপাড়ার আব্দুর রহমানের ছেলে রুবেল মিয়া (২৩) ও একই পাড়ার আনিসের ছেলে সোহেল রানা
(২০)। এদের কাছ থেকে হত্যাকাজে ব্যবহৃত আলামত ধারাল ছুরি, ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল
ও ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।
কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় সেচ কাজের সুবিধার্থে খাল পুন:খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কৃষকরা আবারো নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে ইরি-বোরো মৌসুমে এর ফলে জমিতে সেচকাজ পরিচালনা সহজলভ্য হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কৃষি মন্ত্রনালয়ের আওতায় কুমিল্লা-চাঁদপুর-ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পালাখাল মডেল ইউনিয়নের মনসামূড়া সুন্দরী খালের ১.৭ কিলোমিটার দৈঘ্যের পুন:খনন কাজ শুরু হয়। যার ৮মিটার প্রস্থ ও ৩ মিটার গভীরতা হবে। এছাড়াও ওই ইউনিয়নের মনসামূড়া মন্দির থেকে পালাখাল পর্যন্ত খাল পুন:খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।
ভূঁইয়ারা গ্রামের কৃষক সফিউল্যাহ,ফারুক মিয়া,জমির হোসেন ও কবির হোসেন জানান, এই জনগুরুত্বপূর্ণ খালের পানির ওপর এখানকার ইরি-বোরো ব্লকের প্রায় এক হাজার একর জমি নির্ভরশীল। এই খালটি কখনও পুনঃখনন করা হয়নি। ফলে খরস্রোতা খালটি দুইপাশের মাটি জমে মরে যায়। পানির অভাবে অনেক জমির বোরো চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে। খালটি পুন:খননে কাজ শুরু করায় খুশি তারা।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জয় বলেন,এ অঞ্চলের কৃষকরা রবি শস্যের পাশাপাশি বোরো ও সবজির আবাদ করে বেশি। তাই পানির পরিমান বেশি প্রয়োজন। খালটির নাব্যতা সংকটের কারণে চাষীরা চরম সংকটের মধ্যে দিন পার করছিলেন। তবে, খাল খনন হয়ে গেলে ও পানির প্রবাহ ঠিক থাকলে আগামীতে আবারও ক্ষেতগুলো বছরজুড়ে ফসলে ভরে থাকবে। কৃষকের মুখেও হাসি ফুটবে। দীর্ঘদিন পরে হলেও বর্তমান সরকারের মহতী উদ্যোগে খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু করা হয়েছে। খাল খননের ফলে পাঁচ শতাধিক কৃষক উপকৃত হবেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
কুমিল্লা বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুবায়েত ফয়সাল আল মাসুম বলেন,এ খাল খননের মাধ্যমে কৃষকরা প্রধান প্রধান শস্য (রবিশস্য) গুলো আছে সেগুলো পানি সেচের প্রয়োজন হয় এটা কৃষকরা সহজেই পাবে। তাছাড়া আমন মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের অভাবে অনেকে দেরীতে আমন চাষ করে থাকেন কিন্তু খাল খননের পলে সহজেই পানিগুলো সরে যাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, এ খালের প্রায় ১. ৭ কি.মি. দৈঘ্য যার ৮ মিটার প্রস্থ ও ৩ মিটার গভীরে খালটি সুন্দরী খালের সাথে সংযোগ হবে। দীর্ঘদিও ধরে চরতে থাকা কৃষকের কান্নার আরেকনাম জমিতে জলাবদ্ধতা সেটি নিরসন হবে। পাশাপাশি খালের পানির পর্যাপ্ততা এবং প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেবে। সেচ কাজের জন্যে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের নির্ভরতা কমবে। উপকৃত হবে কৃষক পরিবার ও বৃদ্ধি পাবে কৃষির আবাদ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের রশিদ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। এসময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা, সিটি কর্পোরেশন অনুমোদিত অবৈধ ভুয়া রসিদ বহি জব্দ করা হয়।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ২৩ বীর সেনাবাহিনী ক্যাপ্টেন রাকিন।
সেনাবাহিনী জানায়, কুমিল্লা নগরীর চকবাজার থেকে তেলিকোনা ও জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড থেকে টমছমব্রীজ সড়কের উপর অবস্থান করে বাস, মিনিবাস, মিনি ট্রাক, ইজিবাইক, মিশুকসহ যাত্রীবাহী বিভিন্ন যানবাহন চালকদের হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে গতিরোধ করে অবৈধ রশিদের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড সড়কে চাঁদা নেয়ার সময় একজন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী টহল দল।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো কুমিল্লা সদর দৌলতপুর গ্রামের মান্নান এর ছেলে মোঃ জুলহাস (২৪)।
এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ২/৩ জন চাঁদাবাজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। সেনাবাহিনী গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ৩টি,সীল প্যাড ২টি, গোলাপি ও হলুদ রঙের চাঁদা আদায়ের ভুয়া ৩৫ টি রসিদ বই জব্দ করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পরস্পর যোগসাজশে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে সিটি কর্পোরেশনের নাম ব্যবহার করে অবৈধ চাঁদা উত্তোলন করে আসছে।
পরে গ্রেফতারকৃত আসামীকে সদর দক্ষিণ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নিজস্ব পদ্ধতিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান)
শ্রেণির ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
আজ
শনিবার (১৯ এপ্রিল) ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ১১টায় এবং
‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয়ে ৪টায় শেষ হয় । কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ
মোট ৯টি কেন্দ্রে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং ২৬টি কেন্দ্রে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আজকে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হল ঘুরে দেখেছি।
কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রগুলোতেও পরীক্ষার পরিবেশ ভাল ছিল। সুষ্ঠু পরীক্ষা
গ্রহণ ও জালিয়াতি প্রতিরোধে আমরা সতর্ক ছিলাম। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা
ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস সদস্যরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের প্রত্যেকেই নিজ
নিজ দায়িত্বের প্রতি আন্তরিক ছিল বলেই ‘সি’ ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুন্দরভাবে
সম্পন্ন হয়েছে। সামনের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষাতে আমরা আরও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা
করবো। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী,
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ
জানান।
উপ-উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, আজকের পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী,
প্রক্টরিয়াল বডি, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট,
সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভর্তি পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ভাল
ছিল। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আগামী ২৫ তারিখ ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। আজকের মতো ঐদিনও সবাই আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
এ বছর স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং নিরাপত্তা
নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, সাংবাদিক
সবাই সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ ভর্তি কার্যক্রম
সহজ করতে এগিয়ে এসেছে। আইন-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে, পরিবহন সমস্যা যাতে না হয়, সেজন্য
তারা নিজ উদ্যোগে কাজ করেছে। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আগামীতেও তারা এভাবে সহযোগিতা
অব্যাহত রাখবেন বলে আমি আশাবাদী।
প্রক্টর
অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছেন। সকলের
সহযোগিতায় আমরা সুন্দরভাবে পরীক্ষা নিতে পেরেছি। আমরা সফল। আগামীতে আমরা আরো ভালো করতে
চেষ্টা করবো।
২৪০
আসনের বিপরীতে ‘সি’ ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ৯৫২ জন। তারমধ্যে উপস্থিত ছিল
৭ হাজার ৬৪৬ জন। উপস্থিতির হার ৭৬.৮৩ শতাংশ। অপরদিকে ৩৫০ আসনের বিপরীতে ‘এ’ ইউনিটে
মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩২ হাজার ৬৫৭ জন।
মন্তব্য করুন


বাগেরহাটের রামপালে ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল নিয়ে কিশোরী প্রেমিকাকে জিম্মায় রেখে পালানোর ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ জুন) দুপুরে প্রেমিকার বাবা বাদী হয়ে রামপাল থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা গেছে, ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরী
প্রেমিকা বুধবার (২৬ জুন) স্কুলে যায়। ওই দিন দুপুর ১২টার সময় বিদ্যালয়ের সামনে পেন্সিল
কেনার জন্য দোকানে যায়। এ সময় বাছাড়েরহুলা গ্রামের নাজমুল ইসলাম সজিব বিদ্যালয়ের সামনে
থেকে প্রেমিকাকে তার সঙ্গে বেড়াতে যেতে বলে।
কিশোরী সজীবের সঙ্গে তার মোটরসাইকেল
উঠে বেড়াতে যায়। ভাগা বাজার এলাকায় গিয়ে মোটরসাইকেলের তেল শেষ হয়ে গেলে সজীব স্থানীয়
একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে মোটরসাইকেলে পেট্রোল নেয়। পেট্রোল নিয়ে টাকা দিতে না পারায়
টাকার বদলে কিশোরীকে জিম্মা রেখে টাকা আনার কথা বলে চলে আসে।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও ওই কিশোরী বাড়িতে
না ফেরায় তার বাবা স্কুলে খোঁজ নেন। পরে খুঁজতে গিয়ে ফিলিং স্টেশনে কিশোরীকে পাওয়া
যায়।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি
হলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে ওই কিশোরীর বাবাকে মারধর
করা হয়। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে গাববুনিয়া গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম, হাবিবুর
রহমান, নাজমুল ইসলাম সজীব, মল্লিক মনিরুল ইসলাম, ফয়সাল মল্লিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ
করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রামপাল থানার ওসি
সোমেন দাশ জানান, তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন