

ঢাকার আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে কারখানার
স্টাফ, শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং
সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার
শিমুলতলা এলাকার ইউফোরিয়া গার্মেন্টসে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসময় র্যাবের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের
চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে একটি তৈরি পোশাক কারখানায়।
পুলিশ ও র্যাব জানায়, রবিবার বিকেলে
বকেয়া বেতনসহ ১৬ দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছিলো ইউফোরিয়া গার্মেন্টসের শ্রমিকরা।
বিকেলের দিকে স্টাফদের সাথে শ্রমিকদের কথা কাটাকাটি হয়। তার জেরে একপর্যায়ে রাতে
বেধে যায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। এ সময় কারখানাটিতে ভাঙচুর শুরু করে বিক্ষুব্ধ
শ্রমিকরা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার এলাকায় গেলে তাদের সাথেও
সংঘর্ষ হয়। এতে শ্রমিক ছাড়াও আহত হয় বেশ কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য। এসময়
শ্রমিকরা র্যাবের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে তাতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে ।
পরে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী সোমবার দুই দিনব্যাপী সিভিল
সার্জন সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা আগামী ১২ মে (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তাঁর তেজগাঁওস্থ
কার্যালয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধানের
সাথে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো সেনাসদরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময়
ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও দু'দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
করেন। বিশেষ করে তাঁরা সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথভাবে হাসপাতাল নির্মাণ ও
পরিচালনার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ ও সামরিক
প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী বিনিময়ের উপর আলোকপাত করেন।
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্পেশাল ফোর্সেস' অভিযান ইত্যাদি বিষয়ে যৌথ মহড়া পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


পঞ্চম
দিনের মতো রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীর পানি বৃদ্ধি
পেয়ে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ৩০টি গ্রামের হাজারো পরিবার পানিবন্দি
হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোর অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
বাঘাইছড়ি
পৌর এলাকার মধ্যমপাড়া, মাস্টারপাড়া, মুসলিম ব্লক, হাজীপাড়া, এফ ব্লক ও পূর্ব লাইল্যাঘোনা
এলাকা পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া সাজেক, মারিশ্যা, বঙ্গলতলী, রূপকারী, খেদারমারা,
বাঘাইছড়ি, সারোয়াতলী ও আমতলী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে।
জেলা
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং
বন্যাকবলিত মানুষের জন্য জেলায় ২০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বর্তমানে জেলার ৪৪টি
আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলাতেই প্রায়
আড়াই হাজার পানিবন্দি মানুষ রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের তিন বেলা খাবার সরবরাহ
করা হচ্ছে।
এদিকে
জেলায় এ পর্যন্ত ৯৭টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম
সড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের মাটি সড়কে পড়ে যাওয়ায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ
ছিল।
অন্যদিকে,
সাজেকে ঘুরতে যাওয়া পাঁচ শতাধিক পর্যটক দ্বিতীয় দিনের মতো সেখানে আটকা পড়েছেন। দীঘিনালা-সাজেক
সড়কের পাঁচটি স্থানে পানি উঠে যাওয়ায় তারা সাজেক ত্যাগ করতে পারছেন না।
এছাড়া
দ্বিতীয় দিনের মতো জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
কাপ্তাইয়ে
আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের মধ্যে বিজিবি জোনের পক্ষ থেকে খাবার বিতরণ করেন জোন কমান্ডার
লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী।
এদিকে
পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বুধবার (৮ জুলাই) রাতে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন
করেন। এ সময় তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে পোষ্য (ওয়ার্ড) কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা প্রকাশিত মেধাতালিকায় কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পোষ্য কোটা বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পোষ্য কোটা বহাল রাখার পক্ষে রায় দেন। সেই রায়ের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চলতি শিক্ষাবর্ষে পোষ্য কোটায় ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
যদিও শিক্ষার্থীদের ক্লাস ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, তবুও পোষ্য কোটায় কতটি আসনে ভর্তি নেওয়া হয়েছে, আবেদন ও যাচাই-বাছাই কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে এসব বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ও মেধাতালিকাতেও এ বিষয়ে আলাদা কোনো তথ্য সংযুক্ত করা হয়নি।
এর আগে, পোষ্য কোটা বহাল রাখার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজি ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের বেঞ্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে রুল জারি করেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি শশাংঙ্খ শেখর সরকার ও বিচারপতি উম্মে রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আদালত পূর্বে জারিকৃত রুল যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। রুলে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের সন্তান ও স্বামী/স্ত্রীর জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ওয়ার্ড কোটা বহাল রাখা যৌক্তিক এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার আদালতের রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিজীবী ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়, “যুগ যুগ ধরে যেভাবে পোষ্য কোটা চালু ছিল, আদালতের রায় অনুযায়ী তা সেভাবেই বাস্তবায়ন করতে হবে।” একই সঙ্গে ৩১ মার্চ ২০২৬ অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানানো হয়। চিঠিতে পূর্বের মতো ১৬৬টি আসন বহাল রাখার কথাও উল্লেখ করা হয়।
তবে বাস্তবে কতজন শিক্ষার্থী এ কোটায় ভর্তি হয়েছেন, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই পোষ্য কোটা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আদালত ১৬৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির কথা উল্লেখ করলেও, গত বছরের মতো এবারও ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে এ কোটায় ভর্তি নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত মোট কতজন ভর্তি হয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।”
চবি প্রতিনিধি
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক সমাজ আবার তাঁদের চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চা ফিরে পেয়েছেন। এর সঙ্গে এখন যোগ করতে হবে বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখার সক্ষমতা। আকাক্সক্ষাকে উচ্চে রেখে দৈনন্দিন পঠন-পাঠন গবেষণার মাধ্যমেই সেটি অর্জিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৭ নভেম্বর) ঢাকায় ‘বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যানের শতবর্ষ উদযাপন : ঢাকার উত্তরাধিকার’ শীর্ষক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন
তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগ এবং সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ ইন ন্যাচারাল সায়েন্সেস, ঢাবি যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার বিপ্লবের ফসল। তাই আমরা বিশ্ব-বিজ্ঞানে অবদান রাখতে প্রয়োজনীয় সব সংস্কার এবং উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির সকল প্রয়াস নিতে প্রস্তুত রয়েছি। এই কাজে নিবেদিত সবার কাছ থেকে চাহিদা, পরামর্শ আসতে হবে। নিজের ওপর আস্থা থাকলে এটি আমরা পারবো- যেমন আস্থা সত্যেন্দ্রনাথ বসুর ছিল বলে তিনি সম্পূর্ণ অপরিচিত হয়েও আইনস্টাইনকে লিখতে পেরেছিলেন। ১৯২৪ সালে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর আবিষ্কারের পরিবেশ যেভাবে গড়ে ওঠেছিলো, আজও সেভাবেই গড়ে উঠবে। এর কোন বিকল্প নেই। আমাদের তরুণদের মনে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে আমরাই বিশ্ব। আজ আমরা সেই আকাঙ্খারই শতবার্ষিকী পালন করছি। বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে বাংলাদেশের ইতিহাসের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আজ আমরা আমাদের দেশের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একজন উজ্জ্বলতম তারকার মহত্তম অবদানের শতবার্ষিকী উদযাপন করতে এসেছি। যিনি ১৯২৪ সালের এমন একটি সময়ে তাঁর আবিষ্কার বোস-আইনস্টাইন কোয়ান্টাম স্ট্যাটিসটিক্সের জন্য বিজ্ঞান ইতিহাসের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। আর তিনি এটি করেছিলেন আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নবীন অধ্যাপক হিসেবে কার্জন হলের একটি কামরায় বসে, আজো যেটি পদার্থবিদ্যার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত। তাঁর আবিষ্কারের গুরুত্বের কারণে পৃথিবীর নানা দেশের পদার্থবিদগণ এই শতবার্ষিকী উদযাপন করছেন। কিন্তু আমাদের জন্য এই আবিষ্কারের মর্মটাই আলাদা। পদার্থবিদরা বলেন, বিংশ শতাব্দীর ওই পর্যায়ে পদার্থবিদ্যায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিলো কোয়ান্টাম থিওরির মাধ্যমে, এটি ছিল তার মধ্যে একটি বড় সংযোজন। এর মাধ্যমে বসু বিশ্ব-বিজ্ঞানের মানচিত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের ঢাকা নগরীকে উজ্জ্বলভাবে চিহ্নিত করে দিয়েছিলেন। আজ আমরা যখন ছাত্র-জনতার একটি সর্বাত্মক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে নতুন ভাবে গড়ার প্রয়াস নিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়কে তার যথাযথ চর্চার জায়গায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছি, তখন পরিবর্তনের দিগদর্শিকা হিসেবে উদযাপনের জন্য বসুর আবিষ্কারের এই শতবার্ষিকীর থেকে যথাযথ বিষয় আর কী হতে পারে? আমাদের বিপ্লবের নায়ক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রেরণা হিসেবেও বা এর থেকে বড় গৌরবের স্মরণও আর কী হতে পারে? ১৯২৪ সাল অনেক পেছনে রেখে এসেছি। কালের পরিক্রমায় বসুর আবিষ্কারটি কি এতটুকু ম্লান হয়েছে? পদার্থবিদরা বলছেন মোটেই না। যার প্রমাণ এই আবিষ্কারের ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্য প্রমাণ করে সৃষ্ট বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে ২০০১ সালে। এ নিয়ে গবেষণা চলছেই।
তিনি উল্লেখ করেন, সারা দুনিয়ার পদার্থবিদ্যার ছাত্ররা জানে যাবতীয় পদার্থ-শক্তি সব কিছুর একেবারে মূলে যে মৌলিক কণিকাগুলো এদের শ্রেণী বিভাজনে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে বসুর থিওরির দ্বারা ঠিক করে দেয়া নির্দেশিকা।
প্রধান উপদেষ্টা
আরও বলেন, সত্যেন্দ্রনাথ বসু শিক্ষার সর্বস্তরে, বিশেষ করে উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় বাংলা ভাষা প্রচলনের জন্য তর্ক বিতর্ক করছেন, বাংলায় বই লিখছেন, পত্রিকা বের করছেন, নিজের পাঠদানে বাংলা ব্যবহার করছেন। শহরের সাহিত্যানুরাগী সংস্কৃতিসেবীদের কয়েকজনকে নিয়ে নিয়মিত বৈঠকি আড্ডা গড়ে তুলেছেন। পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তখনকার ঢাকার সঙ্গে বসুর ঢাকারই মিল বেশি ছিল। কাজেই পরিবেশটি বেশ কল্পনা করতে পারি, ঢাকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেই শান্ত ছোট শহরকে, সেই সবুজ রমনাকে আর ফেরত আনা যাবে না, কিন্তু সেই গৌরবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা অবশ্যই ফেরত আনতে পারি, আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে। বোস- আইনস্টাইন তত্ত্বের শতবার্ষিকীতে একথা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই।
মন্তব্য করুন


ঢাকার আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে কারখানার
স্টাফ, শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং
সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার
শিমুলতলা এলাকার ইউফোরিয়া গার্মেন্টসে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসময় র্যাবের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের
চেষ্টা করা হয়েছে। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে একটি তৈরি পোশাক কারখানায়।
পুলিশ ও র্যাব জানায়, রবিবার বিকেলে
বকেয়া বেতনসহ ১৬ দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছিলো ইউফোরিয়া গার্মেন্টসের শ্রমিকরা।
বিকেলের দিকে স্টাফদের সাথে শ্রমিকদের কথা কাটাকাটি হয়। তার জেরে একপর্যায়ে রাতে
বেধে যায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। এ সময় কারখানাটিতে ভাঙচুর শুরু করে বিক্ষুব্ধ
শ্রমিকরা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার এলাকায় গেলে তাদের সাথেও
সংঘর্ষ হয়। এতে শ্রমিক ছাড়াও আহত হয় বেশ কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য। এসময়
শ্রমিকরা র্যাবের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে তাতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে ।
পরে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোয়ালবাতান এলাকায় বাস, ট্রাক ও পিকআপের ত্রিমুখী
সংঘর্ষে নাসির উদ্দিন নামের এক পিকআপ চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পিকআপের হেলপার গুরুতর
আহত হয়েছেন।
শনিবার
(২৩ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে আশুলিয়া থেকে কারখানার মালামাল বোঝাই করে
একটি পিকআপ টাঙ্গাইলের গোড়াই এলাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে কালিয়াকৈর উপজেলার গোয়ালবাতান
এলাকায় পৌঁছালে সামনে থাকা একটি ট্রাক হঠাৎ গতি কমিয়ে দেয়। এ সময় পেছন থেকে পিকআপটি
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। ঠিক একই সময়ে সিরাজগঞ্জ পরিবহনের একটি
যাত্রীবাহী বাস এসে আবার পিকআপটির পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে।
এই
ত্রিমুখী সংঘর্ষে পিকআপের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপ চালক
নাসির উদ্দিনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন পিকআপের হেলপার। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত
এগিয়ে এসে আহত হেলপারকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে বাসের কোনো
যাত্রী হতাহত হননি।
দুর্ঘটনার
পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ওই অংশে প্রায় আধা ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে এবং
তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সালনা কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে
পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো সরিয়ে নিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কোনাবাড়ী
হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম জানান, নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করে
ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো
হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি মামলা
দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল স্কুলের টিফিন বিরতিতে খাবার কিনতে বের হয়েছিল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইথান আহমেদ। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়। এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের মধ্যে পড়ে পিঠে গুলিবিদ্ধ হয় সে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ ইথান ওই বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে জড়িয়ে রয়েছে দুটি পক্ষ। বুধবার রাত থেকে উত্তেজনা শুরু হয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
রাতের ঘটনার প্রতিবাদে এবং এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে কাটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ রয়েছে, মানববন্ধনের পর দুপুরে একদল অস্ত্রধারী ব্যক্তি মানববন্ধনের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করেন।
এ সময় স্কুলের টিফিন বিরতিতে বাইরে বের হওয়া ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
ইথানের মা সোনিয়া আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলে স্কুলের বিরতির সময় টিফিন খেতে বের হয়েছিল। তখন তার পিঠে গুলি লাগে। তাকে কুমিল্লা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আমার ছেলে কোনো দোষ করেনি, সে শুধু স্কুলে পড়তে গিয়েছিল।’
ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ‘মাদক ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপু গ্রুপ ও সাব্বির গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী স্কুল থেকে বের হয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে আহত হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


১০০০ টাকার নোট বাতিলের কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বলেন, ১০০০ টাকার নোট বাতিলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, কিন্তু নোট বাতিলের এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেই।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকে বোর্ড মিটিং শেষে গভর্নর এ কথা বলেন।
১০০০ টাকার নোট থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বাদ দেওয়া ও নতুন গভর্নরের স্বাক্ষর করা নোট শিগগিরই আসবে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, যখন টাকশালে নোট বানানোর প্রয়োজন হবে তখন নোট ছাপানো হবে। তখন গভর্নরের স্বাক্ষর যাবে। আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সেটা হবে অনিয়মে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে, তাদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়। কারণ প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অনেক কর্মসংস্থানের বিষয় জড়িত আছে।
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবের রাস তানুরায় তেল কোম্পানি ‘সৌদি আরামকো’র একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে আরোহী
১৪ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে
আজ রোববার (২৮ জুন) সৌদির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাষ্ট্রীয়
সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৬টার দিকে (গ্রিনিচ মান সময়
৩ টা) এই দুর্ঘটনা ঘটে। হেলিকপ্টারটিতে থাকা ১৪ জন আরোহীর সবাই সৌদি নাগরিক ছিলেন।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের
প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরের রাস তানুরাই
টার্মিনালে সৌদি আরামকোর অপরিশোধিত তেল লোডিংয়ের কার্যক্রম প্রায় চার মাস বন্ধ ছিল।
গত শুক্রবারই (২৬ জুন) সেখানে পুনরায় তেল লোডিংয়ের কাজ শুরু হয়েছিল, যার দুদিনের মাথায়
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল।
মন্তব্য করুন