

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তিনটি পণ্যবাহী গাড়ির সংঘর্ষে এক ট্রাকের হেলপার নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। দুর্ঘটনার পর তিনটি গাড়ির চালকই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
শনিবার (২৭ জুন) রাত দেড়টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা নতুন রাস্তা এলাকায় মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হেলপারের নাম সিয়াম (২৫)। তিনি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, একটি কাভার্ডভ্যান মহাসড়কে চলন্ত অবস্থায় কোনো ধরনের সংকেত না দিয়েই হঠাৎ রাস্তার বাম পাশে থামার চেষ্টা করে। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাক দ্রুতগতিতে এসে কাভার্ডভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের সামনের অংশ এবং কাভার্ডভ্যানটির পেছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
সংঘর্ষে ট্রাকের হেলপার সিয়াম ও ট্রাকে থাকা আরও দুইজন গুরুতর আহত হন। এর কিছুক্ষণ পর একই দিক থেকে আসা আরেকটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটির পেছনে ধাক্কা দিলে ট্রাকটির পেছনের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক হেলপার সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, ‘নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। রেকারের মাধ্যমে দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি যানবাহন মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (৫ অক্টোবর ২০২৪) দুর্গাপূজা উদযাপনে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবলোকনে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে মতবিনিময় করেন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে সারা দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে।
সেই সাথে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন।
পাশাপাশি, তিনি অন্য সকল ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে এগিয়ে আসার আহব্বান জানান।
মন্তব্য করুন


ঈদযাত্রা স্বস্তি ও আরামদায়ক করতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে প্রথমবারের মতো ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ২টি বিশেষ ট্রেনই আসা-যাওয়ার পথে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ৭টি স্টেশনে থামবে।
ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে ৫ দিন এই রুটে অন্তত ২টি স্পেশাল ট্রেন চলবে। এই প্রথম এই অঞ্চলের মানুষ ট্রেনে চড়ে ঈদে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সড়ক পথের উপর বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ কিছুটা কমবে। স্বস্তিতে বাড়ি ফেরার আশা এ অঞ্চলের মানুষের।
তারা জানিয়েূছেন, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষজনের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদে বাড়ি যেতে কি পরিমাণ দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটা বুঝানো মুশকিল। এবার সে ঝামেলা ও দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। ট্রেনে করে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যাওয়া যাবে।
যে সকল স্টেশনে ট্রেন থামবে:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৭টায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে।
পথে ট্রেনটি ষোলোশহর, জানালীহাট, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা ও রামু স্টেশনে থামবে।
কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে গত ১ ডিসেম্বর থেকে। বিপুল যাত্রী চাহিদা থাকলেও গত ৩ মাস ধরে এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এনিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন এটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। সে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবতায় রূপ দিয়েছেন। কিন্তু এখনো ট্রেনে চড়ে কক্সবাজার যাওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। চট্টগ্রাম অল্পকিছু যাত্রী পরিবহনের সুযোগ রয়েছে। সেখানের টিকিট পাওয়াও দুর্লভ।
বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ঈদ যাত্রায় সেটি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
ঈদে বিপুল এ যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এবারের ঈদযাত্রায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। এতে ঈদযাত্রায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তারেক মুহাম্মদ ইমরান বাংলানিউজকে বলেন, এবার প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল সাতটায় কক্সবাজারের উদ্দোশ্যে রওনা হয়ে পৌঁছাবে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। আবার কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা সাতটায় ছেড়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫ মিনিটে। ট্রেনটি থামবে ৭ টি স্টেশনে ।
ট্রেনে ঈদযাত্রা শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল। অগ্রিম টিকিট মিলবে ২৪ মার্চ থেকে। গতবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার কোনো টিকেট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। অনলাইনেই টিকিট মিলবে শতভাগ ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর উত্তর গাংচর অঞ্চলের মোগলটুলি এলাকায় ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী যুবক কাজী মোজাম্মেল হক রিফাতকে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত একই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এই রায় ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তিনি পরিবারের সাথে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গাংচর প্রকাশ্যে মোগলটুলি এলাকায় বসবাস করতেন। তার মা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী এবং বাবা পেশায় রংমিস্ত্রি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ আগস্ট, প্রতিদিনের মতো কিশোরীর বাবা-মা কর্মস্থলে চলে গেলে, একই এলাকার বাসিন্দা কে এম স্বপনের ছেলে কাজী মোজাম্মেল হক রিফাত তাদের ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে, ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। তার জবানবন্দির পর, ২০২০ সালের ১ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই, পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ তদন্তের পর, ২০২১ সালের ২৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মো. হারুনুর রশিদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় একাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। অবশেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান
পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফের মৃত্যুতে একদিনের শোক ঘোষণা
করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আজ রোববার (২২ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ
সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়েছে, উপদেষ্টা হাসান আরিফের মৃত্যুতে আগামীকাল সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয়ভাবে
শোক পালন করা হবে।
এ উপলক্ষ্যে সোমবার বাংলাদেশের সকল
সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি
ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মরহুমের রুহের
মাগফেরাতের জন্য সোমবার বাংলাদেশের সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয়
প্রতিষ্ঠানে তাঁর আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
মন্তব্য করুন


টানা
ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে
উঠেছে। এখন পর্যন্ত বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন
আরও ৩৯ জন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়।
রোববার
(১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের
তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও
হবিগঞ্জ জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।
এ
পর্যন্ত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন। পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ
৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবারের সদস্য। দুর্গত মানুষের জন্য খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র,
যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন।
জেলাভিত্তিক
হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে মারা গেছেন ২৮ জন। নিহতদের
মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন
নিখোঁজ রয়েছেন।
চট্টগ্রামে
মারা গেছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন।
সবচেয়ে
বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চট্টগ্রামে। জেলার ১৬টি উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার
মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানিবন্দি রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ পরিবার। কক্সবাজারেও
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি।
দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য এখন পর্যন্ত ১
কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ
ছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল প্রস্তুত
রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ত্রাণ সহায়তা দেওয়া যায়।
মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় শুকনা খাবার, চাল, নগদ অর্থসহ
জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিরবচ্ছিন্ন
বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে জরুরি উন্নয়নকাজের জন্য আগামীকাল রবিবার (১০ মে) থেকে ১৩
দিন রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় ৬ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নর্দান ইলেকট্রিসিটি
সাপ্লাই পিএলসি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো
হয়েছে।
নির্বাহী
প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেসকো রাজশাহীর বিক্রয়
ও বিতরণ বিভাগ-৫ এর আওতাধীন সম্মানিত বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে
যে, আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের
নিকটবর্তী গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন কাজের জন্য আগামী ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা করে (সকাল ৮টা
থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত) উল্লিখিত এলাকাগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
১০
মে (রবিবার)
দেওয়ানপাড়া
ফিডারের আওতাধীন দেওয়ানপাড়া, বাখরাবাজ, আমিনের মোড়, চেয়ারম্যানের মোড়, নজিরের মোড়,
বেলঘড়িয়া, পশ্চিমপাড়া ও উকিলের মোড় এলাকা।
১১
মে (সোমবার)
রাবি
স্টেশন ফিডারের আওতাধীন জলিলের মোড়, মেহেরচন্ডি পূর্বপাড়া, খন্দকার মসজিদ, জিয়া
স্কুল, বুধপাড়া, গণির ঢালান ও মোহনপুর চকপাড়া এলাকা।
১২
মে (মঙ্গলবার)
সুগারমিল
ফিডারের আওতাধীন কাটাখালি বাজার, আদর্শ কলেজ, নতুন এমাদপুর, রুপসিডাঙ্গা, হরিয়ান বাজার,
সুগারমিল, মৃধাপাড়া, তেতুল তলা ও বাইপাস এলাকা।
১৩
মে (বুধবার)
দেওয়ানপাড়া
ফিডারের আওতাধীন গোয়ালপাড়া, শ্যামপুর থান্ডারপাড়া, শ্যামপুর মোল্লাপাড়া ঈদগাহ,
শ্যামপুর মধ্যপাড়া, শ্যামপুর নগরপাড়া ও শ্যামপুর পানিশোধনাগার এলাকা।
১৪
মে (বৃহস্পতিবার)
মেহেরচন্ডি
৩৩ কেভি ও কড়াইতলা ফিডারের আওতাধীন কড়াইতলা মোড়, দায়রাপাক মোড়, রেজা কোল্ড স্টোরেজ,
পশ্চিম বুধপাড়া ও উৎস ব্লক ফ্যাক্টরি এলাকা।
১৬
মে (শনিবার)
বনগ্রাম
ফিডারের আওতাধীন হাজরাপুকুর, কালিয়াপাড়া, মোহনপুর হাজামপাড়া ও মধ্য বুধপাড়া এলাকা।
১৭
মে (রবিবার)
কাটাখালী
ওভারহেড ফিডারের আওতাধীন বাংলা ট্রাক, পাহারপুর, কাপাশিয়া তালুকদার/সরদারপাড়া এলাকা।
১৮
মে (সোমবার)
কাপাশিয়া
ফিডারের আওতাধীন কাটাখালী বাজার দক্ষিণ, বেলঘড়িয়া রোড, বাখরাবাজ মোল্লাপাড়া, সমসাদিপুর,
মিরকামারী, কাপাশিয়া পশ্চিমপাড়া ও পাক ইসলামপুর এলাকা।
১৯
মে (মঙ্গলবার)
বনগ্রাম
ফিডারের আওতাধীন কিসমত কুখন্ডি, কুখন্ডি, সোনারপাড়া ও বামনশিখড় (মা ভাটা) এলাকা।
২০
মে (বুধবার)
কাটাখালী
ওভারহেড ফিডারের আওতাধীন কাটাখালী বাজার, এমাদপুর, সূচারণ ও কাটাখালী পৌরসভা এলাকা।
২১
মে (বৃহস্পতিবার)
কাপাশিয়া
ফিডারের আওতাধীন কাপাশিয়া বাজার, ফকিরপাড়া, ভাংড়া পশ্চিমপাড়া ও ভাংড়া এলাকা।
২৩
মে (শনিবার)
বিহাস
ফিডারের আওতাধীন মাসকাটাদীঘি, কাটাখালী বাজার, বিহাস, চৌদ্দপাই ও আবহাওয়া অফিস এলাকা।
২৪
মে (রবিবার)
পদ্মা
আবাসিক ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ছয়
বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে
গুরুতর আহত এক অভিযুক্তসহ মোট দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার
(২৩ মে) ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুটির পাশে দাঁড়াতে এবং তার পরিবারের খোঁজখবর নিতে থানায়
ছুটে গেছেন জেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার
(২২ মে) বিকেলে ফতুল্লা মডেল থানার বক্তাবলী এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার
পর শিশুটির মা বিষয়টি বুঝতে পারলেও প্রথমে লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু জানাননি। পরবর্তীতে
রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া
হয়।
সেখানে
তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল
কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং
তার স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) প্রক্রিয়া চলছে। মামলায় অভিযুক্ত দুইজন
হলেন, বক্তাবলীর ওই গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে হিরো এবং জামাল পাটোয়ারীর ছেলে সোহেল।
শুক্রবার
রাতে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ
জনতা রাতেই অভিযুক্ত হিরোকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ মুমূর্ষু অবস্থায়
তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হিরো বর্তমানে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া রাতে
অভিযান চালিয়ে অপর অভিযুক্ত সোহেলকেও আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শনিবার সকালে
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি
মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ওই দুইজনকেই আসামি করা হয়েছে।
শনিবার
সকালে ফতুল্লা মডেল থানায় ভিকটিম ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করতে যান জেলা
প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান মুন্সী, এবং
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তারা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেন এবং আইনি সহায়তাসহ পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
থানায়
সাক্ষাৎ শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান মুন্সি গণমাধ্যমকে
বলেন, ছয় বছরের এক মেয়েকে দুজন ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে
এবং অভিযুক্ত দুজনই আমাদের হেফাজতে বা নজরদারিতে (একজন হাসপাতালে ও একজন থানায়) আটক
আছে। যেহেতু এটি একটি শিশু বাচ্চা, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি।
মেয়েটির মেডিকেল টেস্ট করানোসহ পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলছে।
ফতুল্লা
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব আলম জানান, পুলিশ ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


২০২৬
বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর নিজের চেহারায় পরিবর্তন এনেছেন ব্রাজিল তারকা ভিনিসিউস জুনিয়র।
চিবুকের আকৃতি আরও সুগঠিত করতে ‘চিন হারমোনাইজেশন’ করিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড।
অস্ত্রোপচারের পর তার নতুন লুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্ব
ফুটবলের অন্যতম পরিচিত মুখ ভিনিসিউস জুনিয়রকে এখন প্রথম দেখায় চিনতে কষ্ট হতে পারে।
কারণ, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর তিনি চিবুকের গঠন পরিবর্তনের জন্য একটি কসমেটিক সার্জারির
মধ্য দিয়ে গেছেন।
সোমবার
(২০ জুলাই) ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম টিএমসি জানিয়েছে, ব্রাজিলের গোইয়ানিয়ায় চর্মরোগ
বিশেষজ্ঞ ডা. আলেসান্দ্রো আলারকাওয়ের তত্ত্বাবধানে এই ‘চিন হারমোনাইজেশন’
করান রিয়াল মাদ্রিদের এই উইঙ্গার।
এই
প্রক্রিয়ায় বিশেষ ফিলার ব্যবহার করে মুখের নিচের অংশ, বিশেষ করে চিবুকের আকৃতি আরও
সুস্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালে ভিনিসিউসের
চিবুকের গঠন নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনার পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।
অস্ত্রোপচারের
পর প্রকাশিত বিভিন্ন ছবি দেখে অনেক ভক্তই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। নতুন চেহারায় তাকে
আগের তুলনায় বেশ ভিন্ন দেখাচ্ছে।
বিশেষ
করে, ভিনিসিউসের সাবেক প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তাদের একসঙ্গে
তোলা ছবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্বকাপের আগে বিচ্ছেদের খবর এলেও, সাম্প্রতিক
ছবিতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় তাদের সম্পর্ক জোড়া লাগার গুঞ্জনও জোরালো হয়েছে।
এছাড়া,
ভিনিসিউসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে পরিচিত দানিলো নসিমেন্তোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে
পোস্ট করা একটি ছবিতে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে স্বাক্ষর দিতে দেখা যায় ব্রাজিলিয়ান
তারকাকে। পাশ থেকে তোলা সেই ছবিতে তার নতুন চিবুকের গঠন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
যদিও
ভিনিসিউস জুনিয়র নিজে এখনও এই কসমেটিক সার্জারি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি,
তবে তার নতুন লুক ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
দেবীদ্বারে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে আনিসুর রহমান (৩৫) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধীর মৃত্যুর
খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ছোটনা গ্রামের
পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই গ্রামের মিন্নত আলীর ছেলে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় আনিসুর রহমানকে ঘরের ভেতর শিকলবন্দি করে
রাখা হয়েছিল।
রাতে
তিনি ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পুরো
ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও শিকলবন্দি থাকায় আনিসুর বের হতে পারেননি
এবং আগুনে দগ্ধ হন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে ঘরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে।
শরিফুল
ইসলাম নামের এক স্থানীয় জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরের আসবাপত্র পুড়ে যায়, শিকলবন্দি
আনিসকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুড়ে যাওয়া ঘর থেকে বাইরে আনা হলেও তাকে হাওপাতালে
নেওয়া হয়নি।
দেবীদ্বার
থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, অগ্নিকাণ্ডে একজন দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার সংবাদ পেয়ে
ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি।
মন্তব্য করুন


সিরাজগঞ্জের
রায়গঞ্জ উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মো. ইলিয়াস
খান (২৬) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
রবিবার
(১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের কালিঞ্জা গ্রামে এ ঘটনা
ঘটে। ইলিয়াস ওই গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে।
স্থানীয়
সূত্র জানায়, রবিবার বিকেলে কালিঞ্জা গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ইলিয়াস খানের
সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা রাসেলের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূর্বের
বিরোধের জেরে রাসেল ও তার কিশোর ছেলে সিয়াম আহমেদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইলিয়াসকে ছুরিকাঘাত
করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরুতর
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে কালিঞ্জা এলাকার ইউপি সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস নামের
এক যুবক মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। আমিও ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিস্তারিত
পরে জানাতে পারব।
রায়গঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে
এসেছি। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের
জন্য সিরাজগঞ্জ শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি
চলছে।
এ
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও
অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন