

ফাতেমাতুজ জোহরা তন্বী, প্রতিবেদক:
নিটোল
পায়ে রিনিক ঝিনিক,পায়েলখানি বাজে
মাদল
বাজে সেই সংকেতে
শ্যামা
মেয়ে নাচে...
এস
ডি বর্মণের কণ্ঠে সেই প্রখ্যাত গান। বলছিলাম উপমহাদেশের সংগীতের রাজপুত্র কুমার শচীন
দেববর্মণের কথা।
শচীন
দেববর্মণ (১ অক্টোবর, ১৯০৬-৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী
গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায়
এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও
মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।প্রায়শ তাঁকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ
করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন
কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক।
তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পুত্র রাহুল
দেববর্মণ ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। তাঁর ছাত্রী এবং পরবর্তীতে
সহধর্মিনী মীরা দেববর্মণ গীতিকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি রবি গুহ মজুমদার এর
অনেক গানে সুর দিয়েছেন এবং তা শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ২ বার (১৯৫৫ ও ১৯৭৪)
সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) লাভ করেন।
শচীন
দেব বর্মণ তার যুগের তুলনায় অনেকাংশে আধুনিক ছিলেন। তার অনেক গানই আজকাল রিমিক্স হচ্ছে
এবং জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানছেন না, গান গুলোর আসল
সুরকার এবং গায়ক শচীন দেববর্মণ। শচীন দেব অনেক বাংলা গানে সুর দিয়েছেন। ১৯৩৪ সালে
নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মিলনে গান গেয়ে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৩৭ সাল থেকে পরপর
কয়েকটি বাংলা ছায়াছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য
ছায়াছবি হলো: রাজগী, ছদ্মবেশী, জীবন-সঙ্গিনী, মাটির ঘর ইত্যাদি। তার বিখ্যাত কিছু
গান যেমন-
শোনো
গো দখিন হাওয়া
হৃদয়ে
দিয়েছো দোলা
কে
যাসরে
ঝিল
মিল ঝিল মিল
তুমি
আর নেই সেই তুমি
রজ্গীলা
তুমি
এসেছিলে পরশু ইত্যাদি।
প্রতি
বছর দু-তিন দিন জুড়েই পালিত হয় 'শচীন মেলা'। স্নিগ্ধতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাখ্যা
দেয় সোনালী অতীতের। শচীন দেববর্মণের মতো মানুষরা অমর প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
বাংলা ও হিন্দি গানের কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেববর্মণ এর জন্মভিটা কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থায়। একসময় রাজবাড়ি হলেও এখন সেটি ইতিহাসের কান্না বয়ে চলা এক পরিত্যক্ত ভবন।
সরকারি উদ্যোগে ‘সংস্কৃতি কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাড়িটি পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।
আমরা কি তবে শচীন কর্তার সুরের স্মৃতি হারাতে বসেছি?
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা দাউদকান্দির গৌরীপুরে লাইসেন্স বিহীন চালক, ফিটনেস বিহীন গাড়ী, অধিক গতিতে গাড়ি চালানো, হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেল চালানো এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথবাহিনী।
আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে মহাসড়কের গৌরীপুর এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন হাইওয়ে পুলিশ ও মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল।
যানজট নিরসন, মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ ও যৌথবাহিনী। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাফিক আইনের পরিপন্থী সকল প্রকার অবৈধ কার্যক্রম দমনসহ আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ওসি রাশেদ খান চৌধুরী বলেন, মহাসড়কের গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড কয়েকটি জেলা উপজেলার সংযোগ জংশন। প্রতিনিয়তই মহাসড়কে এলোপাতাড়ি গাড়ী উঠানামা এবং সড়কের মাঝখানে যাত্রী উঠানামা বন্ধ করতে এই অভিযান। সেইসাথে ফিটনেস এবং কাগজপত্রবিহীন গাড়ী, লাইসেন্স বিহীন চালক ও হেলমেট বিহীন মোটরসাইকেলকে কয়েকটি মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে।
সেনা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাউদকান্দি গৌরিপুর এলাকায় মহাসড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে হাইওয়ে পুলিশ ও ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের মিলিটারি পুলিশের যৌথ দল। এতে মহাসড়কে যানজটমুক্ত স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত হওয়ায় জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে। যানজট নিরসন, হাইওয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে ইউনিটের অধিনায়ক লে. কর্নেল মুন্তাজার রাশেদীন এর নির্দেশনায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
আজ (১৫ জানুয়ায়ী) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) আবু তাহের ভুইয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ রহমানিয়া হোটেল এর সামনে চট্টগ্রাম—ঢাকাগামী মহাসড়ক এর উপর পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ জন ব্যক্তি তাদের হাতে থাকা ২টি চটের বস্তার নিয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু ও শ্রী সুমন চন্দ্র দে সরকার কে ২০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: শেরপুর জেলার শেরপুর থানার চকপাটর এলাকার মোঃ মজিবুর রহমান এর ছেলে মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু এবং একই থানার লছমনপুর এলাকার শ্রী প্রভাত চন্দ্র দে সরকার এর ছেলে শ্রী সুমন চন্দ্র দে সরকার।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু (৪০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ইমু ও ফেসবুক ব্যবহার করে এক পরিবারকে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আদায়ের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মোঃ সোহানুর রহমান ওরফে ইয়াকুব ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ২৫ নভেম্বর ভিক্টিমের ইমু অ্যাকাউন্টে ‘Accounts Found’ নামের একটি ভুয়া ইমু আইডি থেকে বার্তা পাঠিয়ে জানানো হয় যে, তার স্বামীর ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করতে; অন্যথায় সমস্যা হবে। পরে ভিক্টিমের মেসেঞ্জার চেক করে দেখা যায়, একটি অজ্ঞাত ফেসবুক আইডি থেকে সংবেদনশীল ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়েছে। একই ধরনের ছবি-ভিডিও ভিকটিমের ইমুতেও পাঠানো হয়।
অজ্ঞাতনামা প্রতারকরা এ সব ছবি–ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৬,০০,০০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। এমনকি স্থানীয় বিভিন্ন মানুষকে একটি গ্রুপে যুক্ত করে ছবি-ভিডিও পাঠিয়ে বাদীপক্ষকে মানহানির হুমকি প্রদান অব্যাহত রাখে। পরবর্তীতে ‘Wahidul Siam’ নামের আরেকটি ইমু আইডি থেকেও একই ধরনের হুমকি ও ছবি-ভিডিও পাঠানো হয়। টাকা পাঠানোর জন্য প্রতারকরা 1Xbet অনলাইন অ্যাপের একটি অ্যাকাউন্ট আইডি ও পাসওয়ার্ডও সরবরাহ করে।
তদন্তে মেটা এবং সাইবার তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত ফেসবুক ও ইমু অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশ আসামি সোহানুর রহমানকে শনাক্ত করে। ১০ ডিসেম্বর সকালে তিতাস থানার দক্ষিণ বলরামপুর এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ঘটনায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭২০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যানসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
গতকাল (২ জুলাই) রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহার নেতৃত্বে এসআই নাজিম উদ্দিন ভূইয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রাম মুখী লেনে আলকরা ইউনিয়নের পদুয়া বাজারের পাকা রাস্তায় একটি কাভার্ডভ্যান আসতে দেখে থামানোর সংকেত দেয়। এমতাবস্থায় কাভার্ডভ্যান এর চালক এবং হেলপার পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি বন্ধ করে পালানোর সময় জনগন ও সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় আসামী ১। বাবুল সিকদার ড্রাইভার, ২। মোঃ সাদেক হেলপারকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগনের উপস্থিতিতে কাভার্ডভ্যানটি তল্লাশি করে কাভার্ডভ্যানের ভেতর থেকে ৭২০ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়।
আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন যে, তারা গাড়িযোগে ফেন্সিডিল আমানগন্ডা কবরস্থানের সামনে থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে যাচ্ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। বাবুল সিকদার (ড্রাইভার) (৪০), পিতা-আব্দুর রহমান সিকদার, মাতা-মৃত জাহানারা বেগম, সাং-বড় বয়রা, থানা-সোনাডাঙ্গা, কেএমপি, খুলনা।
২। মোঃ সাদেক হেলপার (৩৪), পিতা-মোঃ কাশেম, মাতা-রোকসানা বেগম, সাং-চরপাড়া, থানা-পতেঙ্গা, সিএমপি, চট্টগ্রাম।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি, কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নাগরিক টেলিভিশনের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক সময়ের আলো ও রাইজিংবিডি-এর নিজস্ব প্রতিবেদক রুবেল মজুমদার।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে এক জরুরি সভার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসময়, সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সমিতি কুমিল্লার সভাপতি ইয়াসমিন রীমা, সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা এমরান এবং সমিতির অন্যান্য সদস্যরা।
জানা যায়, রুবেল মজুমদার দীর্ঘ ১০ বছর ধরে কুমিল্লা ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাংবাদিকতা করছেন। তিনি বহুবার জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সেরা প্রতিবেদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এদিকে, প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, “তাঁদের আস্থা ও ভালোবাসা আমার জন্য সবসময় প্রেরণার উৎস হবে। নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যের সহযোগিতা ও দোয়া আমাকে আমার দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালনে অনুপ্রাণিত করবে। মহান আল্লাহ যেন আমাকে এই দায়িত্ব যথাযথভাবে সম্পন্ন করার তৌফিক দান করেন।”
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনি সাংবাদিক সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার আশা প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য করুন


দেশে ফিরছেন হেঁটে হজে যাওয়া
কুমিল্লার ছেলে আলিফ মাহমুদ আদিব।
রোববার (৭ জুলাই) দেশে ফেরার
কথা জানান আলিফ মাহমুদ।
সোমবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে
১২টায় রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা তার।
২০২৩ সালের ৮ জুলাই কুমিল্লার
নাঙ্গলকোট উপজেলার নিজ গ্রাম বাতাবাড়িয়া থেকে আলিফ রওনা দেন পবিত্র নগরী মক্কার উদ্দেশ্যে।
নানা বাধা পেরিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস হেঁটে ৭ হাজার ৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তিনি পবিত্র
হজ পালন করেন। তিনি জানান, ২০২৩ সালের ৮ জুলাই কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার নিজ গ্রাম
বাতাবাড়িয়া থেকে হেঁটে রওনা দেন পবিত্র নগরী মক্কার উদ্দেশে। দীর্ঘ ৯ মাসের পথচলায়
ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, দুবাই হয়ে পৌঁছান সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে।
হেঁটে সৌদি আরব গিয়ে হজ পালনের
সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে আলিফ জানান, হাজার বছর আগের ধর্ম প্রচার, ব্যবসা-বাণিজ্যের এই একমাত্র
পথ আকৃষ্ট করে তার ভ্রমণ পিপাসু মনকে। শুরুতে সাইকেলে চড়ে মক্কায় যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও,
পরে হেঁটে যাওয়ার সংকল্প করেন।
এদিকে হেঁটে হজে যাওয়ায় আলিফ
মাহমুদের ভূয়সী প্রশংসা করছেন সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যে যেভাবে
পেরেছেন তাকে সহযোগিতা করেছেন। তার থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাসহ নানাভাবে এগিয়ে এসেছেন প্রবাসী
বাংলাদেশিরা।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা নিয়ে
মাহমুদ বলেন, ইচ্ছে আছে আরো বহু দেশ ভ্রমণ করবো, নিজের মত করে একটি মাদরাসা ও মসজিদ
প্রতিষ্ঠা করবো, অসহায় গরীবদের পাশে দাঁড়াবো। পথশিশুদের জন্য কিছু করবো।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুমিল্লা মহানগর শাখার নতুন সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে মো. সিরাজুল হককে প্রধান সমন্বয়কারী এবং ইঞ্জিনিয়ার মো. রাশেদুল হাসানকে যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব শেখ আখতার হোসেন এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এই কমিটির অনুমোদন দেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় সংসারের খরচ চাওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার সাতানি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মঞ্জুরা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসী বাবুল মিয়া বাহরাইনে থাকেন। আর বড় ছেলে নবীর হোসেন স্থানীয় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। শান্তি মিয়ার বয়স হয়েছে, উপার্জন করতে পারেন না। সাংসারিক খরচের জন্য তাকিয়ে থাকেন দুই ছেলের দিকে। ছোট ছেলে প্রবাস থেকে মাস শেষে টাকা পাঠালেও বড় ছেলে খুব একটা সংসার খরচ দেন না। এতে করে কয়েকদিন পর পরই বড় ছেলে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার বাবা মায়ের ঝগড়া লাগতো। এর আগেও কয়েকবার সাংসারিক খরচ নিয়ে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বসে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার রাতে সংসারের খরচ চাওয়ায় নবীর হোসেন তার মাকে গালিগালাজ করেন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে মাকে মারধর করতে শুরু করেন। এই সময় তার বাবা শান্তি মিয়া বাধা দিলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মা মঞ্জুরা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সকালে পুলিশ এসে মঞ্জুরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দাস বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা পাইনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মূল ঘটনা জানা যাবে। আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কুমিল্লা নগরীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা এবং পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা সদর উপজেলার বাদশা মিয়ার বাজার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা এবং পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, অভিযান পরিচালনাকালে ব্যবসায়ীদের কাছে ক্রয়ের ভাউচার ও বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়। এ সময় ভবিষ্যতে যথাযথভাবে ক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ এবং যৌক্তিক মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাজারে স্বচ্ছতা ও ভোক্তা অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় আতশবাজি জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (৩০ জুলাই) ভোররাতে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, অত্র ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক এর নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সীমান্ত পিলার ২০৮০/এম হতে প্রায় ৭ কিলোমিটার অভ্যন্তরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় আতশবাজি জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত বাজির সংখ্যা ৪,৭৫,৮৪০ পিস, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৫,৬৭,২০০ টাকা। বাজিগুলো বিভিন্ন প্রকার ও আকারের ছিল বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি আরও জানিয়েছে, আটককৃত মালামাল যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কুমিল্লা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, “দেশীয় বাজারে অবৈধ ভারতীয় পণ্য প্রবেশ রোধে সীমান্ত এলাকায় আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”
মন্তব্য করুন